প্রিয় পে গ্রুপে জয়েন করে জিতে নিন মাস্টারকার্ড

আমেরিকান ডিজিটাল ব্যাংকিং সার্ভিস ‘প্রিয় পে’র অফিসিয়াল গ্রুপে জয়েন করলেই প্রিয় ফিজিক্যাল ডেবিট মাস্টারকার্ডসহ বিভিন্ন পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে! গ্রুপের নতুন পুরাতন সকল সদস্যদের মধ্যে লাইভ লটারির মাধ্যমে প্রতি সপ্তাহে পাঁচজন এবং যারা ইনভাইট করছেন, তাদের মধ্য থেকে নির্বাচিত দুইজন পাচ্ছেন ফিজিক্যাল মাস্টারকার্ড। এ ছাড়াও রয়েছে স্মার্টফোন, স্মার্টওয়াচ, ব্লুটুথ স্পিকারসহ বিভিন্ন পুরস্কার জিতে নেওয়ার সুযোগ।

সুতরাং এখনই জয়েন করুন প্রিয় পে’র ফেসবুক গ্রুপে (fb.com/groups/PriyoPay) এবং প্রতি সপ্তাহে জিতে নিন পুরস্কার।

গ্রুপের সদস্যদের জন্য রয়েছে নানান পুরস্কার

২৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, শুরু থেকেই প্রিয় পে গ্রুপের সদস্যদের মধ্য থেকে লটারিতে বিভিন্ন পুরস্কার দিয়ে আসছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য পুরস্কার হচ্ছে, প্রিয় ফিজিক্যাল মাস্টারকার্ড। মূলত প্রিয় পে ইউজারদের ব্যাপক চাহিদার কারণেই ফিজিক্যাল কার্ড পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হচ্ছে। আগে ১০টি কার্ড দেওয়া হলেও এখন দুইটি ক্যাটাগরিতে ৭টি কার্ড দেওয়া হচ্ছে। গ্রুপের সদস্যদের মধ্যে লটারি করে সপ্তাহে ৫ জন এবং ইনভাইটকারীদের মধ্যে নির্বাচিত ২ জনকে কার্ড দেওয়া হচ্ছে। এক্ষেত্রে যিনি বিজয়ী/নির্বাচিত, তার ফিজিক্যাল কার্ড পেতে কোনো চার্জ লাগছে না। উল্লেখ্য, প্রিয় ফিজিক্যাল মাস্টারকার্ডের জন্য বছরে চার্জ রয়েছে ১৯.৯৫ ডলার। আর শিপিং চার্জ রয়েছে ৫ ডলার। বিজয়ীদের মাস্টারকার্ড ব্যবহারে এই ২৪.৯৫ ডলার রিফান্ড করে দেওয়া হচ্ছে।

মাস্টারকার্ড পেতে বিজয়ীকে প্রিয় পে অ্যাকাউন্ট থেকে ফিজিক্যাল কার্ড অর্ডার করতে হবে এবং অর্ডারের পর কার্ডের চার্জ/ফি বিজয়ীকে ফেরত দেওয়া হবে। অর্থাৎ যারা মাস্টারকার্ড জিতবেন, তারা তাদের অ্যাকাউন্ট থেকে ফিজিক্যাল মাস্টারকার্ড অর্ডার করবেন। অর্ডার সাকসেসফুল হওয়ার পর টিকিট ক্রিয়েট করে বিজয়ী জানিয়ে মাস্টারকার্ড ক্লেইম করবেন। এরপর প্রিয় পে যাচাই করে দেখবে, মাস্টারকার্ড দাবিকারী অরিজিনাল বিজয়ী কি না? (যিনি বিজয়ী হচ্ছেন বা হয়েছেন, তাদের ফেসবুক আইডি নম্বর, ইউআরএল প্রিয় পে’র কাছে সংরক্ষিত থাকে।) যাচাই করার পর বিজয়ীর অ্যাকাউন্টে ফিজিক্যাল কার্ডের পুরো ফি ফেরত দেওয়া হবে।

বিজয়ীরা যেভাবে প্রিয় মাস্টারকার্ড দাবি করবেন

  • বিজয়ীরা নিজেদের অ্যাকাউন্ট থেকে নিজেরাই ফিজিক্যাল প্রিয় মাস্টারকার্ড অর্ডার করবেন।
  • অর্ডার কনফার্ম হওয়ার পর টিকিট ক্রিয়েট করে জানাতে হবে যে, আপনি মাস্টারকার্ড বিজয়ী। সাবজেক্ট লাইনে লিখতে হবে- ক্লেইম প্রিয় মাস্টারকার্ড। (যেমন- Subject : Claim Priyo MasterCard) ডেসক্রিপশনে আপনি কোন সপ্তাহে বিজয়ী হয়েছেন বা অন্য কোনো তথ্য থাকলে তা উল্লেখ করতে হবে।
  • টিকিট ক্রিয়েট করার পরপরই কার্ডের ফি হিসেবে জন্য কেটে নেওয়া ডলার রিফান্ড দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৭ দিন সময় লাগতে পারে।
  • যিনি মাস্টারকার্ড জিতবেন, প্রিয় পে অ্যাকাউন্টটি তার হতে হবে। পুরস্কার কোনোভাবেই হস্তান্তর যোগ্য নয়।
  • বিজয়ী না হয়েও মাস্টারকার্ড দাবি করলে বা মিথ্যা তথ্য দিলে অ্যাকাউন্ট হারানোর সম্ভাবনা রয়েছে।
  • পুরস্কার হিসেবে পাওয়া মাস্টারকার্ডের চার্জ প্রথম বছরের চার্জ ও শিপিং চার্জ (মোট ২৪.৯৫ ডলার) ফ্রি।

অন্য পুরস্কার যেভাবে দাবি করবেন

  • বিজয়ী ঘোষণা হওয়ার পর প্রিয়’র পেজে মোবাইল নম্বর ও যোগাযোগের ঠিকানা মেসেজ দিতে হবে।
  • বিজয়ীকে প্রিয় পে থেকে ফোন দিয়ে ঠিকানা ও নম্বর ভেরিফাই করা হয়।
  • বিজয়ীর দেওয়ার ঠিকানায় স্মার্টওয়াচ বা অন্য পুরস্কার কুরিয়ার করে দেওয়া হয়।

প্রিয় পে কী

প্রিয় পে হচ্ছে আমেরিকান ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা। বাংলাদেশে বসে যারা ফ্রিল্যান্সিং করেন বা ডলার আয় করেন, তাদের ডলার বা পেমেন্ট গ্রহণ করার সহজ একটি প্ল্যাটফর্ম হচ্ছে প্রিয় পে। যেটি একজন গ্রাহককে দুইটি আমেরিকান ব্যাংক অ্যাকাউন্ট দিয়ে থাকে। এতে আমেরিকার যেকোনো ব্যাংক এবং আপওয়ার্ক, অ্যামাজনসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম থেকে ডলার/পেমেন্ট গ্রহণ করা যাচ্ছে।

অ্যাকাউন্ট খুললেই পাচ্ছেন ১০টি ভার্চুয়াল ডেবিট মাস্টারকার্ড একদম ফ্রি। এ ছাড়াও বাংলাদেশ থেকে এখন ফিজিক্যাল প্রিয় মাস্টারকার্ড অর্ডার করা যাচ্ছে। এর মাধ্যমে ফেসবুক বুস্ট করা, গুগল অ্যাডস রান করা, অ্যামাজন, নেটফ্লিক্সে পেমেন্ট করা যায় সহজেই। শিগগিরই বাংলাদেশে রিয়েল টাইম উইথড্র করার ফিচার চালু হবে, যা বর্তমানে ট্রায়াল চলছে।

প্রিয় পে’র অ্যাকাউন্ট পেতে একজন গ্রাহককে মাসে ২ ডলার চার্জ দিতে হবে। আর ফিজিক্যাল মাস্টারকার্ডের জন্য বছরে ১৯.৯৫ ডলার।

  • সাইন আপ করতে ভিজিট করুন : www.priyo.com
  • ফেসবুকে প্রিয় পে’র সঙ্গে যুক্ত হোন : fb.com/groups/PriyoPay
  • ফেসবুকে ফলো করুন : fb.com/priyolife
  • যেকোনো প্রয়োজনে হোয়াটসঅ্যাপ করুন : +880 13 0015 2436

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *