ডলার সংকটের প্রভাব পড়েছে পোশাক খাতে

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী, দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ এখন ২৪ বিলিয়ন ডলারের নিচে। রিজার্ভের নিম্নমুখিতায় গত অর্থবছর আমদানিতে লাগাম টেনে ধরা হয়, যার প্রভাব পড়ে শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে। তবে এর প্রভাব থেকে মুক্ত ছিল বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী প্রধান খাত তৈরি পোশাক শিল্প। কাঁচামাল আমদানির ব্যাক টু ব্যাক এলসি (ঋণপত্র) খুলতে এ শিল্পের উদ্যোক্তাদের এতদিন তেমন সমস্যা মোকাবেলা করতে হয়নি। তবে ডলার সংকট প্রকট হওয়ায় এখন এ সংকট দৃশ্যমান হচ্ছে পোশাক খাতেও।

পোশাক খাতসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, পোশাক খাতের বেশির ভাগ কাঁচামালই আমদানি করতে হয়। কিন্তু এখন ব্যাক টু ব্যাক এলসি খোলার বিষয়ে বেশকিছু সমস্যা মোকাবেলা করতে হচ্ছে। আগের ঋণপত্রের অর্থ পরিশোধের আগে নতুন ঋণপত্র খোলায় নিরুৎসাহিত করছেন ব্যাংকাররা। তারা জানিয়েছেন, ডলার রিজার্ভের বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে গিয়ে ঋণপত্র খোলার শর্তগুলোও আগের তুলনায় অনেক বেশি যাচাই-বাছাই করছে ব্যাংকগুলো। 

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, পোশাক রফতানিকারকদের ক্রেতা বা বায়াররা পণ্য আমদানি করলেও সময়মতো অর্থ পরিশোধ করছে না। চুক্তিতে শর্ত দেয়া হয় রফতানি নথি গ্রহণের পর অবিলম্বে (অ্যাট সাইট পেমেন্ট) অর্থ পরিশোধের। যদিও ক্রেতারা পরিশোধ করছে ১২০ কিংবা ১৮০ দিন পর। কভিড প্রাদুর্ভাবের সময় থেকেই এ চর্চা শুরু হলেও গত এক বছরে সমস্যাটি আরো বেশি হচ্ছে। ক্রেতারা পণ্য নেয়ার পর বলছেন, ছয় মাস বা এক বছরের আগে অর্থ পরিশোধ করতে পারবেন না। এদিকে রফতানির মূল ঋণপত্রের বিপরীতে ব্যাক টু ব্যাকের দায় মেটানোর সময় থাকে ১২০ দিনের। কিন্তু ততদিনে পণ্য রফতানির অর্থ আসছে না। এ বিলম্বের ফলে ব্যাক টু ব্যাকের অর্থ পরিশোধ করতে পারছে না ব্যাংক। এতে করে বাংলাদেশ ব্যাংকের ড্যাশ বোর্ডে তা রেড মার্কে প্রদর্শন হচ্ছে। তাই এ পরিস্থিতিতে ব্যাংক নতুন ঋণপত্রের বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির ব্যাক টু ব্যাক ঋণপত্র করছে না। কারণ বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা আছে, নির্ধারিত সময়ের একদিন পরও কেউ ব্যাক টু ব্যাকের দায় পরিশোধ করলে বাণিজ্যিক ব্যাংকের তফসিলি বা অথরাইজড ডিলারের লাইসেন্স বাতিলসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এসব কারণেই মূলত ব্যাংকগুলো ব্যাক টু ব্যাক ঋণপত্র খোলার ক্ষেত্রে রক্ষণশীল মনোভাব বাস্তবায়ন করছে।

এ প্রসঙ্গে অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) সাবেক চেয়ারম্যান ও বর্তমান বোর্ড অব গভর্নরসের সদস্য সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘পোশাক খাতে ডলার সংকটের প্রভাব দৃশ্যমান হওয়ার মতো কিছু সমস্যা এখন ঘটছে। দেখা যাচ্ছে পণ্যের অর্থ পরিশোধে ক্রেতাদের বিলম্ব হচ্ছে। ব্যাক টু ব্যাক ঋণপত্রের অর্থ পরিশোধে অনেক ফোর্সড লোন সৃষ্টি হচ্ছে। ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রে পারফরম্যান্সের মান ধরে রাখতে এমনটা করতে হচ্ছে। একটা ব্যাক টু ব্যাক ঋণপত্র মীমাংসা না হওয়া পর্যন্ত নতুন ব্যাক টু ব্যাক এলসি খোলা হচ্ছে না। তবে অর্থ পরিশোধে বিলম্বের একটা ঘটনা ঘটলে আমরা ব্যাক টু ব্যাক ঋণপত্র খোলা বন্ধ করে দিচ্ছি, তা কিন্তু নয়। কেস টু কেস ভিত্তিতে বিষয়গুলো বিবেচনা করা হচ্ছে। এভাবে পোশাক খাতে ডলার সংকটের প্রভাব দৃশ্যমান হতে শুরু হয়েছে। তবে এর ব্যাপ্তি এখন পর্যন্ত সীমিত। সব ব্যাংকের ক্ষেত্রে অর্থ পরিশোধের বিলম্ব বিষয়টি প্রযোজ্য এমনটাও নয়, ব্যাংকভেদে রয়েছে সমস্যার ভিন্নতা। এ বিষয়গুলো নিয়ে ব্যাংকগুলোর উদ্বেগ রয়েছে।’ 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে পোশাক রফতানিকারকরা বলছেন, বাংলাদেশের গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রি এখন শুধু গার্মেন্ট প্রস্তুতকারক না, এ শিল্পের সঙ্গে যুক্ত অনেক শিল্প আছে। যেমন পোশাকের অ্যাকসেসরিজের (সুতা, কাপড়, বোতাম ইত্যাদি) ব্যাক টু ব্যাক ঋণপত্র করতে হয়। যেগুলো সাধারণত অ্যাট সাইট বা ইউপাস হয়। অ্যাট সাইট এলসি হচ্ছে নথি পাওয়ামাত্র ব্যাংক অর্থ পরিশোধ করে দেবে। ইউপাস হচ্ছে রফতানিকারকের ব্যাংক অ্যাকসেসরিজ সরবরাহকারীকে অফশোর তহবিল থেকে অর্থ পরিশোধ করে দেয়। পণ্য রফতানির অর্থ এলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রফতানিকারক তার ব্যাংককে তা পরিশোধ করে।

দেশের অন্যতম বৃহৎ পোশাক রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানের এক কর্ণধার বলেন, ‘বর্তমান ডলার সংকটে ইউপাস এলসি করতে ব্যাংক নিরুৎসাহিত করছে। কারণ এ ধরনের ক্ষেত্রে ডলারের জোগানটা নিশ্চিত করতে হয়। এখন যেহেতু ডলার সংকট, তাই ব্যাংকগুলো ইউপাস ঋণপত্র করতে নিরুৎসাহিত করছে। তাদের কথা হচ্ছে, যদি তহবিল সংগ্রহ করা না যায়, সে ক্ষেত্রে পেমেন্ট প্রতিশ্রুতি রক্ষা না-ও হতে পারে। পর্যাপ্ত ডলার রিজার্ভ থাকলে এ ধরনের কোনো সমস্যা প্রকট হয় না। কিন্তু যেহেতু ডলার সংকট, সেহেতু ব্যাংকগুলোকে রক্ষণশীল হতে হচ্ছে।

ব্যাক টু ব্যাকের সমস্যার কথা জানিয়ে ওয়েল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সিইও সৈয়দ নুরুল ইসলাম বলেন, ‘ডলার সংকটের শুরু থেকে পোশাক খাতে প্রভাব পড়েছে। কিন্তু এখন প্রভাবটা দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে। এতদিন আমাদের রিজার্ভকে নিজস্ব চাহিদা অনুযায়ী ব্যবহার করতাম। কিন্তু এখন আইএমএফের ফর্মুলা অনুযায়ী রিজার্ভ দেখাতে হচ্ছে। এটা প্যানিক তৈরি করছে। সাপ্লাইয়াররা ভাবছে বাংলাদেশের রফতানিকারকদের ঋণপত্র গ্রহণ করার পর যদি অর্থ পরিশোধ না হয় তাহলে বিপাকে পড়তে হবে। এ প্রেক্ষাপটে সাময়িক হলেও সমস্যা হওয়াটাই স্বাভাবিক। আশা করছি ডিসেম্বর নাগাদ এ সমস্যা কেটে যাবে, যদি রফতানি বাড়ে।’ 

খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, নানাবিধ কারণে পোশাক রফতানিকারকদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে যার মূলে রয়েছে ডলার সংকট। রিজার্ভ পরিস্থিতি স্বাভাবিক মাত্রায় থাকলে ব্যাংকের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে রফতানি কার্যক্রম এগিয়ে নেয়া যেত। কিন্তু যেহেতু ডলার সংকট, সেজন্য সেটা সম্ভব হচ্ছে না। সব ব্যাংকের সঙ্গেই রফতানিকারকদের এ সমস্যা মোকাবেলা করতে হচ্ছে। এদিকে রফতানি উন্নয়ন তহবিল (ইডিএফ) থেকেও অর্থ পাওয়া যাচ্ছে না। ইডিএফ থেকে ঋণ পাওয়া গেলে ২৭০ বা ৩০০ দিন ব্যবহারের সুযোগ পাওয়া যেত। ক্রেতারা অর্থ পরিশোধে বিলম্ব করলে সমস্যা হতো না।

বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ‘অর্থ পরিশোধে বিলম্বসহ নানা কারণে ব্যাক টু ব্যাক ঋণপত্র খোলা নিয়ে ব্যাংকে সমস্যার মুখে পড়ছেন রফতানিকারকরা। পরোক্ষ হলেও এসব সমস্যার মূলে রয়েছে ডলার সংকট। নীতিনির্ধারকদের বিষয়গুলো অবগত করা হয়েছে। সমস্যার সমাধান কতটা হবে তা সময়ই বলে দেবে।’ 

পোশাক রফতানিকারকরা জানিয়েছেন, প্রচলিত স্বাভাবিক পদ্ধতি হলো জাহাজীকরণের পর রফতানিকারকের পণ্য যাবে। পেমেন্ট আসবে ডলারে। সে ডলারেই রফতানিকারকের ব্যাক টু ব্যাক ঋণপত্রের দায় পরিশোধ হবে। কিন্তু উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সময়মতো ক্রেতার কাছ থেকে পেমেন্ট পাওয়া যাচ্ছে না। পণ্য রফতানির পর যখন নথিপত্র জমা দেয়া হয়, ব্যাংক সেটা পারচেজ করে বা কিনে নেয়। এ ক্ষেত্রে আগে ডলার রেট ছিল ৯৯ টাকা। এখন কিছুটা বেড়েছে। তবে ব্যাক টু ব্যাকের দায় পরিশোধ করতে গিয়ে ডলার কিনতে হচ্ছে ১০৯ টাকা করে। তাতে ৬ থেকে ৮ টাকার একটা গ্যাপ তৈরি হয়। এ গ্যাপের কারণে ব্যাংকে প্রত্যেক রফতানিকারকেরই একটা শর্টফল (ঘাটতি) তৈরি হয়েছে। অর্থাৎ কোনো রফতানিকারকের ১৫ লাখ ডলারের ব্যাক টু ব্যাকের দায় পরিশোধ করতে গিয়ে যদি ৭ টাকা পার্থক্য হয় তাহলে ১ কোটি টাকা প্রতি মাসে শর্টফল বা লস হয়। বছরে সেটা ১২ কোটি টাকায় গিয়ে দাঁড়াচ্ছে। গত এক বছরে এভাবে শর্টফল তৈরি হওয়ায় ব্যাংক ফ্যাসিলিটি কমে যাচ্ছে। ব্যাংক তাই এখন ব্যাক টু ব্যাক এলসি করছে না।

পোশাক রফতানিকারকরা বলছেন, ডলার সংকটের প্রভাব দৃশ্যমান হওয়ার আরেকটি ক্ষেত্র হচ্ছে ব্যাক টু ব্যাক ঋণপত্রের সীমা। ধরে নেয়া যাক কোনো রফতানিকারকের ব্যাক টু ব্যাক ঋণপত্র খোলার সীমা সর্বোচ্চ ৫০ কোটি টাকা। এ পরিমাণ অর্থের ব্যাক টু ব্যাক করতে গেলে ৮৫ টাকা দরে ডলার হতো প্রায় ৫৯ লাখ। এখন বিনিময় হার ১০৮ থেকে ১০৯ টাকা। এতে করে ব্যাক টু ব্যাকের সীমা ৫৯ লাখ থেকে ৪৫ লাখ ডলারে নেমে এসেছে । এভাবে ব্যাক টু ব্যাকের সীমা ১৪ লাখ ডলার কমে গেছে। ব্যাংকে যখন ব্যাক টু ব্যাক করতে যাওয়ার পর রফতানিকারককে বলা হচ্ছে, তার সীমা শেষ। আগে রফতানি করে পুরনো ব্যাক টু ব্যাক সীমার অর্থ পরিশোধ করে তারপর নতুন ঋণপত্র খুলতে হবে।

বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ বলেন, ‘ক্রেতাদের অর্থ পরিশোধে বিলম্ব যেমন হচ্ছে তেমনি পণ্য জাহাজীকরণও ক্ষেত্রবিশেষে বিলম্বিত হচ্ছে। কিন্তু এদিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা মেনে ব্যাংকগুলোকে ব্যাক টু ব্যাকের দায় পরিশোধ করতে হচ্ছে সময়মতো। এখন ব্যাক টু ব্যাকের অর্থ পরিশোধ না হলে নতুন ব্যাক টু ব্যাক খোলা হচ্ছে না। এখন ইডিএফ ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। দেশের রিজার্ভ পরিস্থিতি যদি স্বাভাবিক হতো তাহলে পোশাক রফতানিকারকদের এত যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হতো না।

জানা গেছে, রফতানিমুখী কারখানার সংগঠনগুলো টেক্সটাইল, ক্লদিং ও তৈরি পোশাক শিল্পের বিরাজমান সমস্যাগুলো নিয়ে সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্যায়েও যোগাযোগ করেছেন। সমস্যা ও সমাধান চেয়ে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় বরাবর চিঠি পাঠিয়েছে বিজিএমইএ, বিকেএমইএ ও বিটিএমএ। যদিও চিঠিতে শিল্পে গ্যাসের দামের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। পাশাপাশি রয়েছে পোশাকের ক্রয়াদেশ সংকটসহ ইডিএফ ও ঋণসংক্রান্ত সমস্যা। 

চিঠিতে সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিবের সরাসরি হস্তক্ষেপ প্রত্যাশা করে তিন সংগঠন বলেছে, গ্যাসের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করার কথা। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মূল্য বর্তমানে সর্বনিম্ন পর্যায়ে বিবেচনায় নিয়ে গ্যাস ট্যারিফ সমন্বয়পূর্বক আগের মতো প্রতি কিউবিক মিটার ১৬ টাকা নির্ধারণসহ বর্ধিত গ্যাস ট্যারিফের কারণে অতিরিক্ত নিরাপত্তা জামানত আদায় থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা চেয়েছেন সংগঠন সভাপতিরা। একই সঙ্গে যে মিল থেকে অতিরিক্ত জামানত আদায় করা হয়েছে, তা পরবর্তী গ্যাস বিলের সঙ্গে সমন্বয়করণের দাবিও জানিয়েছেন তারা।

বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান, বিকেএমইএ নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম ও বিটিএমএ সভাপতি মোহাম্মদ আলী খোকন স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, টেক্সটাইল, ক্লথিং ও তৈরি পোশাক খাতের মৌলিক শিল্প স্পিনিং এবং তাদের ব্যাক টু ব্যাক এলসি সুবিধা না থাকায় স্পিনিং মিলের জন্য ইডিএফের লিমিট ৩০ মিলিয়ন ইউএস ডলার নির্ধারণসহ তা পরিশোধের মেয়াদ ১৮০ দিনের পরিবর্তে কভিডকালের অনুরূপ ৩৬০ দিন নির্ধারণ এবং যৌক্তিক কারণে কোনো শিল্পপ্রতিষ্ঠান ওই তহবিলের ঋণ সময়মতো পরিশোধে ব্যর্থ হলে তার ইডিএফ সুবিধা অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। এছাড়া মিলগুলোতে তৈরি সুতা ও কাপড় অবিক্রীত থাকার কারণে সৃষ্ট তারল্য সংকট মোকাবেলায় মেয়াদি ঋণসহ অন্যান্য ঋণ ও তার সুদ পরিশোধ ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত স্থগিত করার অনুরোধ জানিয়েছেন তিন সংগঠনের নেতারা।

সৌজন্যে: বণিক বার্তা

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *