এ কোন আহসানউল্লাহ হল!

গত পরশু বিকেলে বুয়েটে গিয়েছিলাম। কয়েকদিন ধরে প্রিয় শিক্ষক কায়কোবাদ স্যার খুব করে বলছিলেন। ঢাকায় বসে শুধু ফোনে ফোনে কথা হচ্ছে, আর দেখা হচ্ছে না, সেটা তো ঠিক হচ্ছে না। স্যারের সাথে যখন কথা হয়, তখন কিভাবে ঘন্টা পার হয়ে যায়, সেটা খেয়াল থাকে না। তার দু’দিন আগে রাতে কথা বলতে গিয়ে আমার প্রি-পেইড মোবাইল ফোনের ব্যালেন্স শেষ হয়ে গিয়েছিল। কি বিশ্রী ব্যাপার! স্যার হয়তো ভাবলেন, ফোনটির সংযোগ এমনি কেটে গিয়েছে। তিনি সারারাত ল্যাবে কাটিয়ে দেয়ার জন্য ল্যাবে এসেছিলেন। সেই গভীর রাতে তাকে আসল বিষয়টি জানানো যায়নি; এখনও জানানো হয়নি - এর মাঝে আরো নতুন অনেক বিষয় চলে এসেছে।


২৭শে আগষ্ট ২০১১ - আহসানউল্লাহ হলের চত্তরে

ঢাকায় ধানমন্ডির বাইরে খুব একটা আমি যাতায়ত করি না; তার মূল কারণ হলো ট্রাফিক জ্যাম। আমার নিজের গাড়ি নেই। বন্ধু-বান্ধবরা মাঝে মাঝে এখানে সেখানে নিয়ে যেতে চায়; তবে আমি বেশির ভাগটাই এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি। রাস্তায় এই ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকাটা আমি মেনে নিতে পারছি না। তাই বলে যে কোথাও যাচ্ছি না তা তো নয়। তবে যতটা পারছি পাঁয়ে হেটে আর রিক্সায় চড়ে যাতায়ত করছি। তাতে আমার হাটাটাও হচ্ছে; সময়টাও বেঁচে যাচ্ছে অনেক। শুধু একটু ভয়ে ভয়ে থাকতে হচ্ছে যে, নির্মিতব্য কোনও ভবন থেকে মাথায় ইট এসে না পড়ে। তাহলে লেখালেখির এখানেই শেষ। (অনেকেই হয়তো ভাবছেন আমি রসিকতা করছি; কিন্তু এটাই বাস্তবতা - প্রতিটি রাস্তায় কয়েকটি করে উচু ভবনে নির্মান কাজ হচ্ছে এবং এগুলোর কোনও নিরাপত্তা বলে কিছু নেই।)

কায়কোবাদ স্যার নাছোড় বান্দা। আমি তাকে অনেক বুঝিয়ে বললাম যে, ঈদের সময় আসবো, তখন রাস্তাটা একটু ফাঁকা হবে। তিনি রাজী হলেন না। টানাটানি করে শনিবারটা তিনি রাজী হলেন। আমি তাকে বললাম, আমি হেটে হেটে বুয়েট পৌঁছে যাবো।

তিনি কোনও কথা কানে তুললেন না। বললেন, “আমি গাড়ি পাঠিয়ে দিব। বিকেল চারটায় আপনাকে তুলতে যাবে। আশা করছি চারটায় রওয়ানা দিলে ইফতারের আগে বুয়েটে এসে পৌছুতে পারবেন।”
আমি অনেকবার তাকে বুঝানোর চেষ্টা করলাম। কেউ আমাকে এতোটা পথ নিতে আসবে, সেটা আমাকে স্বাচ্ছন্দ দিচ্ছিল না। কিন্তু তিনি প্রস্তাব দিলেন যে, আমার সাড়ে চার বছরের মেয়েটিকে তিনি বুয়েট ঘুরিয়ে দেখাবেন। আমি তাতে রাজি হয়ে গেলাম।

ট্রাফিক জ্যাম কাটিয়ে ধানমন্ডি থেকে বুয়েট যেতে ঘন্টা দেড়েকের মতো লেগে গেলো। স্যারের বাসায় একটু বসেই সাড়ে পাঁচটা নাগাদ হাটতে বের হলাম - উদ্দ্যেশ্য আমার প্রিয় ক্যাম্পাসটি ঘুরে দেখা।

স্যারের বাসাটি বকসিবাজারের গা-ঘেসে। ভেতরটা যা সুন্দর - খুবই সুন্দর। সবুজ ঘাষে চারদিক চকচক করছে, পরিস্কার রাস্তায় কেউ কেউ সাইকেল চালাচ্ছে, খোলা এক চিলতে মাঠে স্যারদের ছেলেমেয়েরা খেলছে - দেখেই মনটা ভরে গেলো। ঢাকা শহরে এমন সুন্দর জায়গা আছে, আগে জানা ছিল না। ঢাকা শহরের শিশুরা বড় হয় এপার্টমেন্টের জানালার রড় ধরে বাইরের ধূসর আকাশ কিংবা পাশের বাড়ির জানালা দেখে দেখে। বিকেলে এমন সুন্দর পরিচ্ছন্ন পরিবেশে শিশুরা খেলছে, এটা দেখেই আমি মুগ্ধ হয়ে গেলাম।

তারপর হেটে গেট পার হতেই বুয়েটের রাস্তা। প্রথমেই কবি নজরুল ইসলাম হল (যার ডাক নাম বয়লার - অতিরিক্ত গরমের জন্য এমন নামকরণ করা হয়েছিল), তারপর আহসান উল্লার ক্যান্টিন (ডাকনাম আউল্লার ক্যান্টিন) এবং তারপরই বিখ্যাত আহসান উল্লাহ হল - যেখানে কেটেছে যৌবনের ছয়টি বছর।

বৃষ্টি হয়েছে বলে চারদিক সবুজের ছড়াছড়ি। সেই সবুজ ঘাস রাস্তার উপরের চলে এসেছে। ঈদের ছুটির জন্য আজকেই হল বন্ধ হয়ে গিয়েছে - তাই সামনের প্রধান ফটকটি বন্ধ। পেছনের ক্যান্টিনটি পার হয়ে গেট দিয়ে চত্তরে ঢুকতেই আমি হারিয়ে গেলাম বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে। কতটা বছর আগে, কতটা সময় আগে এই মাঠে, এই ঘাসে, এই সিড়িতে, এই করিডোরে কত কিছুই না করেছি। জীবনের সবচে সুন্দর সময়টুকু বিলিয়ে দিয়েছিলাম এই ভবনটিকে, এই মাটিকে, এই লোহার গেটটিকে।

আবার, এই হলটিও উজার করে আমাকে দিয়েছে কত কিছু - তথ্য প্রযুক্তির মক্কা সেই সিলিকন ভ্যালীর দরজটা খুলে দিয়েছে এই হল, শত শত বন্ধু উপহার দিয়েছে এই হল, মিছিলে যাওয়া শিখিয়েছে এই হল, নির্বাচন করা শিখিয়েছে এই হল, প্রেম করা শিখিয়েছে এই হল - সর্বপরি আমাকে বড় করেছে এই হল, হলের খাবার, বাবুর্চি, কেয়ারটেকার আর ক্যান্টিনের বয়গুলো (যাদেরকে আমি আদর করে নাট, বল্টু, স্ক্রু ডাকতাম), আর গেটের সামনের ছোট দোকানী যিনি প্রতিদিন টাকা গুনতে ভুল করতেন (আমি দশ টাকার নোট দিলে তিনি আমাকে বিয়াল্লিশ টাকা ফেরত দিতেন। আমি একটু হাসি দিয়ে তাকে চল্লিশ টাকা ফেরত দিতাম। তিনি ফ্যাল ফ্যাল করে আমার দিকে তাকিয়ে থাকতেন। তার সেই চাহনী আমাকে আজো টানে।)

পাশ করার পর এই নিয়ে দু’বার এলাম আহসানউল্লাহ হলে। মনে পড়লো, সেই ভর্তি পরীক্ষায় টিকে যাওয়ার পর যখন হল থেকে রেজিষ্ট্রি ডাক যোগে পত্র গেলো, আমাকে সীট দেয়া হয়েছে আহসান উল্লাহ হলে, আমার পরিস্কার মনে আছে, সেই রাতে আমি ঘুমাতে পারিনি। সারাটা রাত আমি ভেবেছিলাম, হলটি দেখতে কেমন হবে, আমার রুমটি কেমন হবে, আমার রুমমেট কে হবে - যেন আমি নতুন প্রেমিকাকে দেখতে যাচ্ছি। একটা সময়ে আহসানউল্লাহ হলটি আসলেই প্রেমিকার জায়গাটাই নিয়ে নিয়েছিল। সেটা নিয়ে এখন লিখতে গেলে বিশাল একটা লেখা হয়ে যাবে। আপাতত সেই লোভটা সামলে নিয়ে যেটুকু লিখতে চেয়েছিলাম, সেটুকু শেষ করি।

গেটে দাড়ওয়ানকে জিজ্ঞেস করলাম, ভেতরে যাওয়া যাবে কি না?
সে হাসি মুখেই ভেতরে যেতে দিল।

আমরা সিড়ি দিয়ে সরাসরি দোতলায় উঠে গেলাম, কারণ আমরা রুমটি দোতলায়। দোতালায় একপাশে ছিল আমাদের “কমন রুম” - যেখানে আমরা টিভি, খবরের কাগজ এবং টেবিল টেনিস ও দাবা খেলতাম। বাৎসরিক অনুষ্ঠানগুলোও হতো এই ঘরটিতে। আমার খুবই প্রিয় একটি জায়গা এটি। সেটা যেই দেখতে গিয়েছি, দেখি ওখানে আর কমন রুম নেই - ওটা হয়ে গিয়েছে “নামাজের ঘর” – পাশেই অজু করার বিশেষ ব্যবস্থা। হলটির পাশেই যেখানে ক্যান্টিন, তার উল্টো দিকেই বুয়েটের বিশাল মসজিদ। রাস্তার একদিকে হল, আরেক পাশে সমজিদ। তারপরেও হলের কমন রুমটি কেড়ে নিয়ে আরেকটা মসজিদ! হয়তো কমন রুমটি অনত্র সরিয়ে দেয়া হয়েছে, কিন্তু রাস্তার ওপারেই সমজিদে নামাজ পড়াটা কি আরো বেশি উত্তম নয়! যারা এটি করেছেন, তারা হয়তো ভালো বলতে পারবেন। নিশ্চই কোনও যুক্তি আছে।


আহসানউল্লাহ হলের বারান্দা

নামাজের ঘর পার হয়ে আমরা হাটতে থাকি সামনের দিকে। দু’পা দিতেই আমার মনটা ভীষণ খারাপ হয়ে গেলো। বারান্দা আর দরজাগুলো এতো নোংরা - যা আমার কল্পনাতেও ছিল না। বেশির ভাগ রুমে কেউ নেই, ঈদের ছুটিতে আজই বাড়ি চলে গিয়েছে। কিন্তু এ কী হাল এই হলটির! আমার পা চালাতে কষ্ট হচ্ছিল। আমার ছোট মেয়েটি নাকে হাত দিয়েছে। হঠাৎ করেই আমরা যেন কোনও ছাত্রাবাস নয়, বস্তির ভেতর ঢুকে পড়েছি। আমি ভাষা হারিয়ে ফেললাম; যেই উৎসাহ নিয়ে আমার মেয়েকে তার বাবার ছাত্রাবাসটি দেখাতে এসেছিলাম, মুহুর্তেই সেটা ধুসর হয়ে গেলো। অনেকেই হয়তো ভাবছেন, আমি আমেরিকার চোখ দিয়ে দেখছি, তাই এমন লাগছে। তাদের জন্য শুধু বলবো, ঢাকা শহরের কাঁদা-পানি আমার গায়ে আগেও লেগে ছিল, এখনও লাগছে। এগুলো আমাকে ততটা কষ্ট দেয় না। কিন্তু এটা কোনও ছাত্রাবাস, এটুকই আমি মেনে নিতে পারছিলাম না।

কায়কোবাদ স্যার বেশ লজ্জার ভেতর পরে গেলেন। সেটা তার মুখ দেখে আমি বুঝতে পারছিলাম। আর আমার সহকর্মীরা আমাকে সবসময় বলে, আমার চেহারা নাকি আয়নার মতো - খুব সহজেই সবকিছু ফুটে উঠে; কিছুই লুকাতে পারি না। কায়কোবাদ স্যার নিশ্চই আমার কষ্টের চেহারাটা দেখতে পেলেন। তিনি বললেন, “স্বপন, আমি রাশিয়াতে পড়ার সময় যেই রুমটিতে থাকতাম, ছত্রিশ বছর পর সেখানে গিয়েছিলাম। সেই রুমে যেই ছেলেটি তখন থাকে, তার সাথে ছবি তুলে নিয়ে এসেছিলাম। এটা দেখে ছেলেটি তো মহা অবাক।”

স্যার আমাকে ইজি করার চেষ্টা করছেন। আমরা চুপচাপ আমার রুমের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। তিন কোনা ভবন। মাঝখানের কোনাটায় বাথরুম। সেটার দিকে তাকিয়ে বমি আসার যোগাঢ় হলো আমার। কোনও রকমে ওটা পার হয়ে একেকটি রুম পার হচ্ছি, আর যেন একেকটি কষ্টের পাহাড় ডিঙ্গাচ্ছি। তারপর যখন নিজের রুমের সামনে এসে দাড়ালাম, হতাশা এসে আমাকে গ্রাস করে ধরলো। যেই উৎসাহ নিয়ে আমি এসেছিলাম, তার চেয়েও বড় কষ্টে আমি নিস্তেজ হয়ে পড়লাম। রুমটির দরজায় তালা ঝুলছিল না; ভেতর কেউ আছে। দরজায় টোকা দেব সেই শক্তিটুকু যেন নেই।

দরজার সামনে একটু দাড়ালাম। বারান্দায় এক স্তুপ ময়লা জমে আছে। কতদিন পরিস্কার করা হয় না, কে জানে! যত তাড়াতাড়ি ওখান থেকে চলে আসা যায়, ততই যেন বেঁচে যাওয়া।

কায়কোবাদ স্যার আবারো তার ছত্রিশ বছরের আগে ফেলে আসা রাশিয়ার হোষ্টেলের গল্প করছেন। কিভাবে তারা শেয়ার করে রুম, বারান্দা পরিস্কার করতেন এবং ছত্রিশ বছর পর গিয়ে সেই সুন্দর হোষ্টেলটি দেখে তার কেমন লাগছিল - সেগুলো অনবরত বলে যাচ্ছিলেন। আমি মাথা নিচু করে, আস্তে করে রুমটির দরজায় টোকা মারলাম।

একটু পর একটি ছেলে দরজা খুলে দাড়ালো। তাকে নিজের পরিচয় দিয়ে বললাম, “আমি খুব দুঃখিত যে আপনাকে এই অসময়ে বিরক্ত করছি। আমি পনেরো বছর আগে এই রুমটিতে থাকতাম। তাই একটু দেখতে এসেছি।”

ছেলেটি দরজা খুলে আমাকে ভেতরে যেতে বললো না। আমি অনধিকার চর্চা করে, দরজাটা একটু চাপ দিয়ে রুমটি দেখার চেষ্টা করলাম। এই দৃশ্য আমার না দেখলেই যেন ভালো ছিল। ঘরটিতে তিনটি খাট থাকার কথা। সেখানে রয়েছে একটি খাট। বাকি বিছানা করা হয়ছে মাটিতে। কিন্তু ঘরের পুরো পরিবেশটি এতো নোংরা আমি ঠিক কিভাবে লিখবো বুঝতে পারছি না। বাইরের বারান্দায় যেমন নোংরা তার থেকে কয়েকশ গুন নোংরা সেই ঘর। এই ঘরে আর যাই হোক, লেখাপড়া যে হতে পারে না - সেটা আমি নিশ্চিত।


বারান্দায় এমন নোংরা জিনিসপত্র সর্বত্র

কায়কোবাদ স্যার, আবারো সেই ছবি তোলার কথা বললেন। তাকে অনুসরন করে আমি ছেলেটিকে বললাম, “আমি কি আপনার সাথে একটা ছবি তুলতে পারি?”
ছেলেটি মাথা নাড়িয়ে বললো, “সরি, আমি কারো সাথে ছবি তুলি না।”

আমি প্রথমে একটু অবাক হলাম। আমার চেয়েও বেশি অবাক হলেন কায়কোবাদ স্যার। একটু অপ্রস্তুত হয়ে নিজেকে সামলে নেয়ার চেষ্টা করলাম। হয়তো আছে কোন কারণ, যা আমরা জানি না। ছেলেটির জন্য খুব মায়া হলো। আমাদের আর ছবি তোলা হলো না। একটি খারাপ স্মৃতি থেকে বেঁচে গেলাম। কিন্তু আমার মনে আছে, আমরা যখন ওই ঘরে থাকতাম, তখনো একদিন দুপুর বেলা একজন প্রাক্তন ছাত্র তার পরিবার নিয়ে আমাদের রুমে এসেছিলেন। তার নাম আমার মনে নেই। কিন্তু তার সাথে আমরা সবাই ছবি তুলেছিলাম, আমাদের বিছানায় তাদেরকে বসতে দিয়েছিলাম, তাকে ক্যান্টিন থেকে চা এনে খাইয়ে ছিলাম। আমি এখানে বলছি না যে, আমরা বেশি স্বচ্ছল ছিলাম। টিউশনী করে বুয়েটে পড়তে হয়েছে, সেখানে স্বচ্ছল থাকার সুযোগ ছিল না। কিন্তু আমাদের ঘরটি পরিস্কার ছিল, পরিপাটি ছিল, আলো-বাতাস ছিল - মানুষকে নিয়ে বসবার মতো ছিল। আমার ধারণা ছিল, বিগত সময়গুলোতে চারদিকে সম্পদের যেই ঝনঝনানী দেখি, তার ছিটেফুটা ক্যাম্পাসেও লাগবে। ঘরগুলো আরো সুন্দর হবে, পরিপাটি হবে, কারো কাছে ল্যাপটপ থাকবে - খুব সুন্দর একটি পরিবেশ থাকবে। পনেরো বছরে এটুকু অগ্রগতি তো আশা করা যায়, তাই না? কিন্তু এ কী দারিদ্রতা! এটা তো টাকার বিষয় নয়, এটা হলো মানসিকতার পরিচয়।

ঠিক রাস্তার উল্টো দিকেই তো শিক্ষকদের থাকার জায়গা। সেটা তো কত সুন্দর ঝকঝকে তকতকে। কিন্তু ছাত্রদের থাকার জায়গাটা যেন বস্তিকেও হার মানাবে। আমরা আর দেরি না করে, দ্রুত পা চালিয়ে এলাকাটা ছেড়ে আসি।

আমি জানি না, বর্তমানে আহসানউল্লাহ হলের প্রভোষ্ট কে। কারো নজরে যদি এই লেখাটি আসে, তাহলে তার প্রতি অনুরোধ রইলো, দয়া করে প্রভোষ্ট স্যারকে বলবেন, হলটি যেন তিনি একটু পরিস্কার করে দেন। শুনেছি, পরিচ্ছন্নতা ঈমানে অঙ্গ। ওখান যদি নামাজের ঘর হতে পারে, তাহলে পুরো হলটি আরো পরিস্কার থাকলে তার পরজগতে নিশ্চই অনেক কাজে আসবে।

আর যদি কেবল মাত্র টাকার অভাবে হলটি পরিস্কার রাখা সম্ভব না হয়ে থাকে, তাহলে সেটুকু জানালে, আমি আহসানউল্লাহ হলের প্রাক্তন ছাত্রদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে সেই টাকার যোগাঢ় করে দিবো। তবুও হলটিতে লেখাপড়ার পরিবেশটুকু ফিরিয়ে দিন।

ঢাকা, ২৯ আগষ্ট ২০১১
ফেসবুক পেজ: http://facebook.com/pages/Zakaria-Swapan/183025368405195

পুনশ্চ: আমার সিনিয়র রানা ভাই বলছেন, নামাজের জায়গাটা দোতলাতেই ছিল, আর কমন রুমটি ছিল তৃতীয় তলায়। যদি তাই হয়, তাহলে আমার তথ্যে একটু ভুল হয়েছে। দীর্ঘদিন পর এমন করুন অবস্থায় নিজের হলটিকে দেখে আমি আসলেই হতবাক হয়ে পড়েছি। এই অনিচ্ছাকৃত ভুলটির জন্য ক্ষমা চাইছি। তবে, নামাজের ঘরটিও পরিচ্ছন্ন ছিল না। বিশ্ববিদ্যালয় খুললে আমি আবারো দেখতে যাবো। তখন হয়তো আরো আপডেট দিতে পারবো।

14Comments

1
karter85
Fri, 23/01/2015 - 3:14pm

Soleil, (Siège de Fukui Echizen-cho, Minami-Saba a, Niwa, président Shingo) Northland clubs fabrication de golf pour ouvrir un golf de vente du club de golf de golf dans la ville de Fukui Wakasugi chome Vestes De Mode . J'installe la simulation la plus récente de l'appareil pour la pratique dans la boutique Belstaff . Alors que, etc pour comprendre les données du client dans le test de positionnement Canada Goose , la réduction des savoir-faire de la société acquise dans le club de la production.

Sotokoto dans l'édition d'Août, Sotokoto, dans les recycleurs d'émission Août Pour introduire 2007/07/06, article introductif de recycleurs de Doudoune paris sont répertoriés. Il a eu lieu à la mi-mai, l'atelier Eco-conception et du sport dans la 2ème Design Award Rojas, Shinjuku Gyoen National Exhibition jardin Parajumpers , de planifier et de gérer le recyclage Pour le producteur? IG filtre Corporation (GSA entreprise partenaire), Naoko Okada a été invité comme un séminaire d'hôtes a eu lieu sous la forme d'un dialogue avec Masuda Fumikazu professeur de l'Université de Tokyo d'Art et Design Barbour Homme . Lors du séminaire, les étudiants et les idées pour créer des œuvres d'art en tant que matière d'équipement de sport qui n'est plus utilisé Moncler 2015 , ont été introduits projet de réutilisation des balles de tennis, ont pris part au séminaire, comme annoncé par l'idée d'un équipement de pointe sport.

Riz Dog Food par Micha ne vend pas seulement ○ Naf. Ce compteur haine, voici comment il était ce matin Moncler Chaussures Et Bottes , à moins bambou bouilli tire dans chaque cas, le matin prendre le Eguku elle devient précieuse, mais je creusé pousses de bambou Canada Goose Mountaineer Jacket . Il légumes que j'ai fait à l'heure du dîner ».Le EFX, vous sera accordé sur la fréquence du corps. Il semble donc que le reste du corps Canada Goose Ontario Parka . Tension à démêler cela, et le flux de sang ou même de mieux en mieux et aussi pour se détendre Canada Goose Resolute Parka , la couleur de chaque corps peut également améliorer la capacité.

(La livraison accident de temps Canada Goose Snow Mantra Parka , il n'y a pas de rémunération fixe hors de forme) je vends la main dans le magasin net de couleurs précieuses et des modèles, le sac est assez mature et facile à utiliser Veste Parajumpers Homme . Vous pourrez aussi acheter directement dans le studio. Je vends beaucoup de type de beaucoup d'autres magasin net.

Nous achetons celui qui correspond le jeans que vous avez achetés Canada Goose Tremblant Jacket . (Taux d'échec diminue si vous prenez la stratégie de consulter le greffier du magasin acheté des jeans ou de porter Canada Goose Westmount Parka à changer dès que j'ai acheté les jeans.).

J'ai entendu dire que. Un des jeunes trio venu environ une fois. Vigoureusement, suivi par (tranquillement), I est la première fois.

Toutefois, les chaussures faciles à entretenir Canada Goose Yorkville Bomber , à un prix pas cher quand vous achetez des chaussures si vous pensez que, aussi longtemps que vous essayez de mettre l'accent sur le chemin Canada Goose Yukon Bomber , il pourrait être une des chaussures bon marché, je séparément parce que les contrôles pour tous les vêtements de regarder Canada Goose Bébé Reese Bomber d'abord Quand vous sortez Pourquoi n'essayez-vous pas de sélection, comment polir vos chaussures complètement différent juste pour essayer de le nettoyer avec Chisshu facilement à la porte Canada Goose Bébé Snow Bunting . (Selon le matériau des chaussures ... mais.)

2
খান সামির
Sat, 06/12/2014 - 7:05pm

Valoi bolsen

3
জহুরুল.হক
জহুরুল.হক's picture
Wed, 11/07/2012 - 1:08pm

আমি বুয়েটের ছাত্র নই, তবে আমার কমপক্ষে সাতজন কলেজ বন্ধু সেখানে পড়তো। বন্ধুদের সাথে দেখা করার জন্য মাঝে মধ্যেই বুয়েটের বিভিন্ন হলে যেতাম। একবার হরতালের কারণে আটকা পড়েছিলাম ঢাকায়, তখন রাতে থাকতে হয়েছিল শাহীদ স্মৃতি হলে। পরিচ্ছন্নতার কোন অভাব দেখিনি সেদিন। ভাঙ্গা কম্পিউটার টেবিল আর আবর্জনার স্তূপও সেদিন ছিলনা হলের বারান্দায়। সে ১৯৮৬ সালের কথা, তখন মানুষ আবর্জনা বানানোর মত পয়সা পাবে কোথায়? আর কম্পিউটার তো কল্পনার বিষয়।
আমি আবার ছিলাম আদুভাই টাইপের ছেলে। যে কারণে বুয়েটের পর পর তিনটি ব্যাচের সাথে আমার বন্ধুত্ব ছিল। ছোটরা বড়ভাইদেরকে যথেষ্ট সম্মান করতো সেকালে।

তবে একটা ব্যাপার ভাল লাগেনি আমার, সেটি হল লুঙ্গী পরে ছাত্রদের চলাফেরা। তারা কমনরুমে, ডাইনিং রুমে যাচ্ছে লুঙ্গী পরে, সেটা কেমন যেন লেগেছিল।
জাহাঙ্গীর স্বপন ভাই যে কষ্ট পেয়েছেন তাঁর পুরাতন কক্ষটিতে গিয়ে, তার সমব্যথী আমিও।
মনে হয় খানিকটা সামরিক কায়দায় যদি ছাত্রদের নিজ নিজ কক্ষ, বাথরুম, বারান্দা ইত্যাদি পরিষ্কার রাখার অভ্যাস গঠন করা হয় তাহলে সমস্যাটা দূর করা যেতে পারে। রাত দশটায় প্রভোস্ট একবার আসবেন হলে, তিনি পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক মন্তব্য লিখবেন তাঁর ভিজিট বইতে, তারপর উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে।
অথবা বিদেশী কায়দায় পোস্টার লাগানো যেতে পারে, 'YOUR MOTHER DOESN'T WORK HERE, SO CLEAN BEHIND YOU.'

4
bchgdj
Thu, 05/07/2012 - 11:49am

ঠিক রাস্তার উল্টো দিকেই তো শিক্ষকদের থাকার জায়গা। সেটা তো কত সুন্দর ঝকঝকে তকতকে। কিন্তু ছাত্রদের থাকার জায়গাটা যেন বস্তিকেও হার মানাবে। আমরা আর দেরি না করে, দ্রুত পা চালিয়ে এলাকাটা ছেড়ে আসি।

IAS Coaching in Chandigarh

5
wengwo
Sun, 13/05/2012 - 10:17pm

Woman handbag or handbag tin differ from simple to a substantial size, created in tasteful access The Louis Vuitton purses and handbags namely also an authentic accessory apt girls alternatively shimmering gems outfit. Devoid of sending along wallet your halloween costume would undoubtedly program incomplete To get a certain affairs for realizing an discipline a short meanwhile in the day precisely what it takes in the Chanel shoes varies.Louis Vuitton Outlet Based in Paris, the French brand Louis Vuitton for sale regarded as for the ideal manufacturer of grace goods for its finest handbags,baggage plus other fashion accessories. Its productions are nicely received get out with the way the globe along lots of individuals,as we tin generally blot some notable stars and celebrities on Tv wearing Louis Vuitton Store.Not ReproductionsDesigner encouraged purses aren??t the identical as reproduction designer totes which are pretty much characteristic copies of artist bags at present aboard the mall Developer inventive totes alternatively have the similarly resources and excellence of artistry associated with sincere designer baggage,louis vuitton for cheap,but their patterns are initial.Even nevertheless they stick to the trends in purse chart and means prepared via the prime fashion brands,Chanel Outlet,artist influenced totes are distinctive designs, created by distant lower expenditures than their artist attribute similarities,but eminent quality plus longevity.Louis Vuitton bags purses have chance from over a necessary to a lot more of a fashion accessory. For ages speedily females have already been altering their style trends in clothes. This stands correct for the style trends in their Gucci bags for well. The altering designs in Louis Vuitton wallets that constituted the clutch style purses, oversized Gucci Handbags, the hobo bag the satchel, the tote, the duffel to appoint a few are a peek of how each and every form is matchless in their own way & are hugely new among ladies get out on the way the planet. Females are becoming much more style conscious day-by-day deserving to the strew of medium & the accent aboard somebody fashion enhanced with abundance of hype aboard the Louis Vuitton Shoes they sport. Everyone dies apt personal a designer sack merely what folk tend to forget namely ought to not exceed their limits in affordability of certain luxuries in life that they tin do devoid of. Louis Vuitton Cheap namely also agreeable merely it namely hard to find. But I am sure you want find it. If you are late to buy the sack I think it namely impossible for you to buy the bag duplicate Louis Vuitton purses Beyond designer names a party of always of those other steps should be deemed as forward actually varieties of a Leather Miu Miu Gucci store. Check the architectural honesty on the quite sack Your Leather Miu Mi gucci shoes ought be fit to correctly assistance a singular weight, without leaning or collapsing. Also discern assist and stitch conduct of the very seams. You would like apt have it sure a the seams failed to solve from the measure up from the quite leatherChanel handbags.louis vuitton purses handbags is one kind of louis vuitton bags purses, and the designing of the Gucci wallets namely special. It is totally variant from additional normal bag Because from the designing is so special, and so lots of famous super stars prefer the special bag louis vuitton online duplicate Louis Vuitton namely again prescript for success is apt seek for the d purchasers to create a ??family?? feeling. Can you imagine louis vuitton sale can cater clients with a permanent maintenance services? louis vuitton shoes sneakers branded products can be passed from her grandmother, her mother and after to the daughter, you can keep up with the times regardless of what period you brought the production fix and maintenance, specialty stores are duty-bound to their ideal to aid Let one of three generations can continue to have a brand product which for a continuation in the brand vitality of peerless significance.2012 New Herve Leger Dress, the best accustomed actualization trend this daily accepted for one of the world??s acclaimed brands amid the accoutrement field, which namely a attribute of propagating and fashion, this Herve Leger sale has won millions of ladies favor behind it arose it??s admirable actualization and aerial affection ambition achieve you never balloon then the original sight, authoritative you joined beauteous Herve Leger Bandage. Wedges heels are quite much aboard trends now!You ought own one or much more Christian Louboutin shoes for swiftly.Look at these hottest christian louboutin outlet among this summer,Christian Louboutin Cardena Tresse 140 Suede and Leather Espadrille Wedges,have you ever own them?These Christian Louboutin Pumps, stacked wooden heel that measure approximately five.five inches and one.five inches partially concealed platform, gold leather trims, criss-cross straps,open peep toe and signature red leather sole.All the blueprint are so absolute!

http://www.louisvuittonhandbags-hot.com/
http://www.christianlouboutinoutlet-malls.com/
http://www.hervelegerdress-malls.com/
http://www.chaneloutlethot.com/
http://www.guccistore-online.com/

6
vivienbing
Mon, 16/04/2012 - 11:45am

As business models make The Hundreds Hats content online profitable, I have little doubt that NFL Fitted Hats creators will continue to bypass traditional delivery methods in favour of direct-to-consumer methods.. Discount NHL Fitted Hats

7
coach369
Tue, 10/04/2012 - 1:09pm

Just come to our coach factory outlet to get your favorite bag. There are many kinds of designs of coach products for you to make choice.To find a Coach Bag of any size, color or style to fit your needs at the coach factory outlet online is a very necessary thing for every beautiful woman.This new Coach Handbag at the coach factory online outlet is a great bag that is perfect for summer or to carry all the year long. It can match with different occasions.

8
coach369
Tue, 10/04/2012 - 12:42pm

By the fashion, novel appearance, sophisticated technology, superior quality, coach outlet won domestic and international customers, their products exported to the Middle East, Southeast Asia and other regions.After graduating from university, my cousin came back to my hometown from USA last month. She told me that coach outlet store is very popular among her classmate.coach outlet online Store would dynamically change your overall styles right away. The amazing knack about the unique coach handbag is that it would never disappoint your individual styles at all. Rather, it would instantly change your ultimate fashions in a remarkable manner.

9
coach369
Tue, 10/04/2012 - 11:58am

Looking for a louis vuitton outlet and don't know where they are? The easiest way is to enter here. That simple and you definitely will never be disappointed.I have known louis vuitton as a distinguished worldwide luxury brand since I was a very little girl. At that time, I often dreamed of having LV online shop of my own.louis vuitton online shop offers you free shipping and fast delivery. All the bags are 60% OFF! In addition,there are many colors for you to choose!

10
coach369
Tue, 10/04/2012 - 11:16am

In terms of the quality and superior design that make more and more customers are satisfied to coach factory online.Welcome!That experts claim coach factory outlet shopping is in the changes they are available in, which can make it well suited for benefit from to be a'luggage'bag.Good news! If you become a new registered member of coach factory online outlet now, you can get discounts of all the Coach products including handbags, wallets, necklaces and shoes etc.