রুমানা মঞ্জুর এবং আমরা

একটি গল্প দিয়ে শুরু করি।
ফারাহ নামের আমার একটি মেয়ে বন্ধু আছে। বছর তিনেক হলো, তার সাথে পরিচয়। অতীব সুন্দরী মেয়ে। ফেসবুকে তার ছবি দেখলে, অনেকেরই মাথা খারাপ হবে। ফেসবুকে অনেক ভূয়া একাউন্ট থাকে। সে যখন আমাকে প্রথম ফ্রেন্ড রিকোয়েষ্ট পাঠায়, ভূয়া একাউন্ট ভেবে অনেক দিন সেটা আমি এক্সেপ্ট করিনি। আমার রিকোয়েষ্ট বক্সে আরো অজস্র রিকোয়েষ্টের সাথে ওটাও পরে থাকলো।

কিন্তু কিছুদিন পর, সে আমাকে ম্যাসেজ পাঠালো এই বলে যে, সে ভূয়া কোনও মানুষ নয়, তার একাউন্টটি সত্যি। সে আমাকে কিছু বলতে চায়। আমি তার রিকোয়েষ্ট এক্সেপ্ট করি। এবং তার কথা শুনতে থাকি। সময়ে বন্ধুত্বে দূরত্ব বাড়ে, আবার সময়ে বন্ধুত্ব গাঢ় হয়। ওর সাথে গাঢ়ত্ব বাড়তে থাকে। সে তার অতি ব্যক্তিগত কিছু কথা আমাকে জানায়, এবং আমার পরামর্শ চায়। আমিও আমার কিছু একান্ত কথা তার সাথে শেয়ার করি।

এবারে পাঠকদের জন্য দুটো প্রশ্ন করতে চাই-

১. ফারাহ তার ব্যক্তিগত জীবনের যে কথাগুলো আমাকে বিশ্বাস করে বলেছে, সেটা কি আমার স্ত্রীকে বলা ঠিক হবে?

২. আমি যে কথাগুলো ফারাহকে বলেছি, সেটা কি তার স্বামীর সাথে শেয়ার করা তার উচিৎ হবে?

উত্তরগুলো ভাবতে থাকুন। এই ফাঁকে আমি মূল লেখায় চলে যাই। লেখার শেষ প্রান্তে উত্তরগুলো দিয়ে দিব।

 

২.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রুমানা মঞ্জুর তার স্বামীর হাতে নির্যাতিত হয়ে চোঁখ হারাতে বসেছেন। তার চুক্তিবদ্ধ স্বামীটি পশুর মতো ঝাপিয়ে পড়ে মেয়েটির নাক কামড়ে ছিড়ে ফেলেছে। অত্যাচারের নমুনা থেকে মুটামুটি ধারনা করা যায় যে, অবস্থা আরো খারাপের দিকে যেতে পারতো। রুমানা প্রাণে বেঁচে আছে, সেটাই যেন অনেকটা সান্তনার বিষয়। ও আজকে বেঁচে না থাকলে (যা খুব অস্বাভাবিক নয়), আমাকে লেখাটি অন্যভাবে লিখতে হতো।

আমি যখন মেয়েটির ভিডিও দেখি, আমার দু'চোখ বেয়ে তখন টপটপ করে পানি পড়ছে। ভিডিওটি দ্বিতীয় বার দেখার মতো সাহস আমার হয়নি। আমি সত্যি সত্যি আর কখনই প্লে-বাটনটি চাপিনি। বিষয়টি আমাকে এতই ত্বারিত করলো যে, আমি আমার সমস্ত কাজ ফেলে, এটার পেছনে লেগে পরলাম। এবং কিছুক্ষনের ভেতরই ফেসবুকের কল্যানে মেয়েটির এবং ছেলেটির পরিবারের সাথে যোগাযোগ স্থাপিত হলো। তার সাথে ফেসবুকে জমা হতে থাকলো অজস্র কমেন্টস। মানুষ তীব্র প্রতিক্রিয়ায় ঝাপিয়ে পড়লো। বিভিন্ন ফোরাম এবং "পেজে" এটা নিয়ে মত প্রকাশ চলতে থাকলো আগুনের ফুলকির মতো।

হাসান সাঈদ সুমন নামের সেই লোকটিকে আজ পুলিশ আটক করতে পেরেছে। তাতে আমাদের আলোচনা কমছে না; বরং বাড়ছে। পেছনের ঘটনা নিয়ে আমি লিখতে বসিনি। আমার লেখার মূল বিষয় হলো, মানুষের চিন্তার জায়গাটাকে একটু সাহায্য করা। ফেসবুকে কিছু কিছু মানুষের মত প্রকাশ এবং তাদের চিন্তা-চেতনা দেখে আমি হতভম্ব। আমি বুঝতে পারছিলাম না, এটা কি ২০১১ সাল, নাকি ৫০০ সাল যখন আরবে মেয়েদেরকে মাটিতে জীবন্ত পুতে ফেলা হতো!

আমি গত দুটো দিন ধরে ভাবছিলাম, এই দেড় হাজার বছরে কতটা এগিয়েছে পৃথিবী?! আর কত হাজার বছর পার হলে, আমরা সভ্য হবো!?

 

সেই সব মন্তব্যের কিছু উত্তর না দিলেই নয়। আমি চেষ্টা করছি, কিছু বেসিক বিষয়ের অবতারণা করতে। দেখা যাক, কতটা পারি।

ক). প্রথমেই কেউ কেউ রিএ্যাকশন দেখালেন এভাবে - ডাল মে ক্যুছ কালা হ্যায়। যার অর্থ হলো, নিশ্চই মেয়েটি এমন কিছু করেছে, যে কারণে স্বামীটি এমন খর্গ হস্তে আভির্ভূত হয়েছেন।

তাদের জন্য উত্তর হলো - আপনি একজন মানসিক রোগী। সেজন্য আপনার মাথায় প্রথমেই এমন একটি চিন্তা এসেছে; এবং সেটা পাবলিক ফোরামে প্রকাশ করেছেন। আপনার মতো এমন অসুস্থ্যতা নিয়ে আমাদের চারপাশে অনেক দু'পায়ী জীব ঘুরে বেড়াচ্ছে। এবং আপনি এতটাই অসুস্থ্য যে, আমার লেখা পড়ে আপনার সেই রোগ ঠিক হবে না। তাই আমার বাকি লেখাটুকু পড়ার প্রয়োজন নেই। আমি উপরে যে গল্পটা অর্ধেক বলে রেখেছি, আপনি বরং ওটা নিয়ে ভাবুন। অনেক রঙ্গিন জিনিস পত্র দেখতে পাবেন।

 

খ). আরেক দল আছেন যারা মনে করছেন, মেয়েটি কেন এতোদিন এমন একটি ছেলেটির সাথে ছিল। তাই মেয়েটিরই দোষ। এখন ভোগ করো শাস্তি।

আমরা বাংলাদেশে মেয়েদেরকে যেভাবে বড় করি, যেভাবে গড়ে তুলি, তাতে কয়টা মেয়ের পক্ষে সম্ভব সংসার ছেড়ে চলে যাওয়া? সে পিএইচডি করুক, আর হাই স্কুল পাশ করুক - বাস্তবতা হলো এই যে, আমরা ছোট বেলা থেকেই মেয়েদের মাথার ভেতর কিছু জিনিস এমনভাবে ইনপ্লান্ট করে দেই, সেটা সে সারা জীবনেও কাটিয়ে উঠতে পারে না। তার সেই সাহস আমরা ছোট বেলাতেই মেরে ফেলেছি। সেই সাহস সঞ্চয় করতে হলে, তাকে অনেক বেশি সাহসী মানুষ হতে হবে। ছোট বেলায় কারো পা ভেঙ্গে দিলে, সেই ভাঙ্গা পাঁয়ে আর কতটা দৌড়ানো যায়! রুমানাও ব্যতিক্রম নয়। সে-ও আমাদের সমাজে বেড়ে ওঠা একজন নারী। সেও হয়তো নানান কারণে ভেঙ্গে আসতে পারেনি সেই অচলায়তন। কিন্তু তাই বলে কি তার এই শাস্তি ভোগ করতে হবে? অবশ্যই না।

 

গ). হাসান একটি নোংরা গল্প ফেঁদেছে, যা দিয়ে আমাদের সমাজে একটি মেয়েকে খুব সহজেই কাবু করা যায়। শুধু মেয়েটিকে নয়, মেয়ের পরিবার, বন্ধু বান্ধব এবং আশেপাশের সবাইকে ধরাশায়ী করা যায় - সেটা হলো, মেয়েটির নামে একটি কুৎসা রটনা করা।

আমাদের বাঙালী কুৎসা পেলে এমনভাবে গিলতে থাকি, মাঝে মাঝে আমার মনে হয়, আমরা শুয়রের চেয়েও অধম প্রাণী - মলমুত্র থেকেও খুব সুন্দর খাবার সংগ্রহ করতে পারি। বত্রিশ দাঁত বের করে লাজ-লজ্জার পরোয়া না করে, রসিয়ে রসিয়ে বলতে থাকি, "আগেই বলেছিলাম; দেখলে তো এবার। তলে তলে কত কিছু।"

যারা এমনটি ভাবছেন, এবং মত প্রকাশ করছেন, তাদের জন্য বলছি - আপনিও অসুস্থ্য; তবে আমার লেখার নীচের অংশটুকু পড়লে আপনার একটু উন্নতি হলেও হতে পারে; কারণ আপনার জন্ম ভুল করে এই শতাব্দিতে হয়ে গেছে। আসলে আপনার জন্ম হওয়ার কথা আরো দেড় হাজার বছর আগে।

আপনি এখনো একটি নারীকে মানুষ ভাবতে শিখেননি - আপনার ভেতর এখনো তারা মেয়ে মানুষ; তাদেরকে বাজার থেকে দাম দিয়ে কিনে এনে ঘরে বন্দি করে রাখা যায়। তারপর ইচ্ছে মতো ঘরের বাসন-কুশনের মতো ব্যবহার করা যায়। যতদিন না, আপনি বিশ্বাস করতে পারছেন, নারীও একটি মানুষ, ততদিন আপনার এই আউটলুক ঠিক হবে না। আপনার নিজের জন্য, আপনার পরিবারের জন্য এবং ভবিষ্যৎ বংশধরদের জন্য হলেও আপনি বিশ্বাস করতে শুরু করুন - নারীরা একজন মানুষ। আমার আপনার মতো একজন পরিপূর্ণ মানুষ।

যখনই আপনি নারীকে একজন মানুষ ভাবতে পারবেন, তখন আপনার চিন্তাগুলো অনেক সহজ হবে। যুক্তির পাখাগুলো অনেক বেশি মেলে ধরতে পারবেন। আপনি মেয়েদেরকে সন্মান করতে শিখবেন। আর যখনই একটি মানুষকে আপনি সন্মান করবেন, তখন তার প্রতি ব্যবহার ভিন্ন হবে - সেটা বাড়ির কাজের বুয়াই হোক, আর আপনার গার্ল ফ্রেন্ডই হোক, কিংবা লিভিং পার্টনার হোক, নয়তো বিবাহিত স্ত্রীই হোক।

প্রথমেই আপনাকে বিশ্বাস করতে হবে, তারা মানুষ। আর যখুনি, আপনি বিশ্বাস করতে শুরু করবেন, আপনি একটি মানুষের সাথে কথা বলছেন, একজন মানুষ সম্পর্কে কথা বলছেন - তখুনি আপনার ব্যবহারে পরিবর্তন লক্ষ্যনীয় হবে। আপনি তখন যা-তা ভাবতে এবং প্রকাশ করতে সংকোচ বোধ করবেন। আর যদি সেটা না আসে, বুঝতে হবে আপনি মানুষ হিসেবে খুবই ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র একটি প্রাণী - আপনার মানসিক অবস্থান বানর বা শিম্পাঞ্জী থেকে এখনও ততটা উন্নত হয়নি।

 

এই পৃথিবী নামক গ্রহের প্রতিটি প্রাণীই একেকটি সত্তা। আমি, আমার স্ত্রী, আমার মেয়ে, আমার বন্ধুরা, আমার পাঠক - সবাই একেকটি আলাদা সত্তা। আমরা কেউ কারো মালিক নই। আমরা কেউ কারো প্রভু নই। আমি আমার জীবন নিয়ে এই গ্রহে এসেছি, আমি আমার জীবনকে শেষ করে এই গ্রহ থেকে চলে যাবো। চলতি পথে কারো কারো সাথে আমাদের উঠাবসা হবে, ভালোবাসা হবে, বিরহ হবে, অভিমান হবে, রাগ হবে - কিন্তু তাই বলে আমরা একজন আরেক জনের উপর চড়াও হবার অধিকার নেই। যার জীবন, তার জীবন। আপনি যদি আজকে মনে করেন, আপনি ডাল দিয়ে ভাত খাবেন, সেটা যেমন আপনার সিদ্ধান্ত, ঠিক তেমনি ভাবে আপনি যদি মনে করেন, আজকে নদীতে গোসল করবেন - সেটাও আপনার সিদ্ধান্ত। আমরা শুধু বলতে পারি, নদীতে  কুমির থাকতে পারে। কিন্তু আমরা আপনার সিদ্ধান্তকে বাঁধা দিতে পারি না। মানুষ হিসাবে আপনার চিন্তা এরকমই হতে হবে। তখুনি আপনাকে একজন মানুষ বলা যাবে, তার আগে নয়। তার আগ পর্যন্ত আপনার অবস্থান শিম্পাঞ্জী আর মানুষের মাঝামাঝি কোনও এক অবস্থানে।

রুমানা যা-ই করে থাকুক (যদিও এগুলোর কোনও ভিত্তি নেই), যা ইচ্ছা তাই--- হাসানের এক বিন্দু অধিকার নেই তার গায়ে হাত তোলার। এক বিন্দুও না। রুমানার কোনও কাজে যদি হাসান বিরক্ত হয়, সেটা সে রুমানাকে বলতে পারে। তারপরেও যদি সেটা মানতে না পারে, তাহলে তাকে ছেড়ে যাবে - কিন্তু গায়ে হাত তোলার ক্ষমতা সে কোথায় পেলো? এই প্রভুত্ব তাকে কে দিয়েছে? পুরুষত্ব? নাকি একটি কাবিননামার স্বাক্ষর? (যার বিনিময়ে একটি নারীকে সহসাই কিনে ফেলা যায়)।

হাসান যা করেছে, তা যে কোন বিচারে চরম অপরাধ। এবং তাকে সেই বিচারের মুখোমুখি হতেই হবে। যারা হাসানকে ডিফেন্ড করার চেষ্টা করছেন, দয়া করে সেটা আর করবেন না। তাতে আপনিও সেই অপরাধের ভাগী হবেন।

 

ঘ). আমি আরেকটা বিষয় দেখে খুব মর্মাহত হয়েছি - কিছু মেয়ে হাসানের হয়ে যুক্তি-তর্কে নেমেছেন। তারা হাসানকে সমর্থন করছেন।

আমি জানি না, স্রষ্ট্রা তাদেরকে কী দিয়ে তৈরী করেছেন। তবে আমি এটা জানি, তাদের লেখাপড়া, জ্ঞান, দৃষ্টিভঙ্গি সবকিছুতে ক্ষুদ্রতা দিয়ে ভরা। সেই নোংরা মানুষগুলোর জন্য কী-বোর্ডের বোতাম চাঁপতে আর ইচ্ছে করছে না। সাধারন পাঠকদের প্রতি অনুরোধ, আপনারা দয়া করে এইসকল মানুষ থেকে দূরে থাকবেন। এবং এরা যেন তাদের নোংরামী দিয়ে সবাইকে কলুষিত না করে, সেদিকে খেয়াল রাখবেন। তাদের সাথে বিতর্কে গিয়ে, কাঁদাটাকে চারিদিকে ছড়াবেন না।

 

ঙ.) পরিশেষে আরেকটি কথা না বললেই নয়। আমরা অনেকেই হাতে কী-বোর্ড পেলে আর খালি একটা জায়গা পেলে মনের মাধুরী (আসলে নোংরামী) মিশিয়ে যা ইচ্ছা তাই লিখে যাই। পাবলিক ফোরামে কিছু লিখবার আগে, দয়া করে একটু ভেবে নিবেন। নিজেকে নোংরাভাবে সবার সামনে তুলে ধরার তো কোন প্রয়োজন নেই। আপনার ভেতরের নোংরামীটা আপনার ভেতরই থাকুক। অন্যদের একটু সুস্থ্য থাকতে দিন।

 

৩.

বলেছিলাম, লেখার শেষে আমার প্রথমাংশের দুটো প্রশ্নের উত্তর দিয়ে যাবো। উত্তর দুটো হলো - "না"।

ফারাহ আমাকে বিশ্বাস করে যে ব্যক্তিগত কথাগুলো আমাকে বলেছে, সেটা সে কেবল আমাকেই বলেছে। আমার কোনও অধিকার নেই, সেটা দ্বিতীয় আর কারো সাথে শেয়ার করার। সেটা হতে পারে আমার স্ত্রী কিংবা মা-বাবা, কিংবা ছেলে-মেয়ে। ফারাহ আমাকে সেই অনুমতি দেয়নি। একইভাবে, আমি যে কথাগুলো ফারাহকে বলেছিলাম, আমিও তাকে কোন অনুমতি দেইনি সেগুলো অন্য কারো সাথে শেয়ার করার।

একটি উদাহরন দেই। ধরুন, আমি ফারাহকে বললাম, "আমি কালকে পায়ে হেটে অফিসে গিয়েছিলাম, কারণ আমার কাছে ট্যাক্সি ভাড়া ছিল না।" এই তথ্যটুকু ফারাহ-এর উচিৎ হবে না তার স্বামীটিকে কিংবা তার কোনও বন্ধুকে জানিয়ে দেয়া। কারণ, আমি আমার আর্থিক কষ্টের কথা শুধু ওকেই বলেছি। সেটা "বিবিসি"-কে (ব্রিটিশ ব্রডকাষ্টিং কর্প.) বলিনি।

আমি জানি, এই কথাটা অনেকের কাছেই একটু খটকা লাগতে পারে। কিন্তু আপনি যখন মানুষ হিসেবে একটি জায়গায় পৌছুতে চাইবেন, সেটাই আপনার জায়গা। আমাকে যদি বিশ্বাস করে কেউ কোনও কথা বলে, আমার উচিৎ হবে না, সেটা ফাঁস করে দেয়া। আমি যদি আমার পার্টনারকে এই তথ্যটুকু ফাঁস করি, তারপর সে তার বন্ধুকে করবে; এবং এক পর্যায়ে সেটা সবাই জানবে। এটা করার অধিকার আমার নেই। তবে, সে ব্যক্তিটি যদি অনুমতি দেয়, তাহলে আপনি সেটা আপনার পার্টনার সহ অন্যের সাথে শেয়ার করতে পারেন।

এখানে আমরা কোনও চুক্তিতে আবদ্ধ হইনি। কিন্তু এই অলিখিত চুক্তি ভাঙ্গাটা একটি অন্যায়। আপনি যখন এই চুক্তিটি ভাঙবেন, তখন আপনি আর মানুষ নেই। সভ্যতার মাপকাঠিতে আপনার অবস্থান অনেক নীচে। কীট-পতঙ্গেরও জীবন থাকে। আপনারও একটি জীবন আছে। পার্থক্য কি?

নিজেকে যখন মানুষ ভাববেন, তাহলে মানুষের মতো ব্যবহার করতে শিখবেন। হাসানের মতো নয়।

 

ফাইন প্রিন্ট:
গল্পটা যদি আমি ফারাহকে নিয়ে না বলে, ফরহাদকে নিয়ে বলতাম, তাহলে কি ভিন্ন হতো? আপনার চিন্তাটি কি ভিন্নভাবে প্রবাহিত হতো? আপনি কি ফেসবুকে আমার ফ্রেন্ডলিষ্টে ফারাহ নামের কাউকে খুঁজতে শুরু করেছেন?

******************************************************************************************

 

কিছু উত্তর:
লেখাটি পোষ্ট করার পর অনেক মন্তব্য এবং ম্যাসেজ এসেছে। সবগুলোর আলাদা উত্তর না দিয়ে, একত্রে কিছু উত্তর দিয়ে দিচ্ছি।

তাদের বড় একটি কনসার্ন হলো, লেখাটি একপেশে। মেয়েটির যে অন্যায় হয়েছে, সেটা আমি প্রকাশ করছি না। আমি মূল লেখাতেও বলেছি, এখনো আবার বলছি - একটি প্রাপ্ত বয়ষ্ক মানুষ তার নিজের সিদ্ধান্ত নিজেই নেবে। এবং সেটার দায়িত্বও সে নিজেই নেবে। রুমানা যদি কোন সিদ্ধান্ত নিয়েও থাকে, সেটা একান্তই তার নিজস্ব। সেই সিদ্ধান্ত নেয়ার অধিকার তার রয়েছে। কিন্তু সেটার জন্য কেউ তার চোখ তুলে নিতে চাইবে, তার নাঁক কামড়ে ছিড়ে ফেলবে - সেটা কখনই গ্রহনযোগ্য হতে পারে না।

সুমন যেটা করতে পারতো, সে এই সম্পর্ক থেকে আগেই বের হয়ে যেতে পারতো। তাহলে বিষয়টি পারিবারিক থাকতো। এই পর্যন্ত গড়াতো না। এখন আর বিষয়টি পারিবারিক নেই। মেয়েটির উপর বর্বরোচিত অত্যাচার সমাজের সবাইকে ছুয়ে গেছে। অনেক মেয়েরা সংকিত বোধ করছেন, তাদের মা-বাবারা সংকিতবোধ করছেন।

একটি সম্পর্ক যখন ঠিক মতো কাজ করছে না, তখুনি উচিৎ সেই সম্পর্ক থেকে বের হয়ে আসা। নইলে পরিনতি কী হতে পারে, সেটা তো আমরা নিজের চোখেই দেখলাম। হাতাহাতি মারামারি পর্যায়ে পৌছুনের আগেই সেটার পরিসমাপ্তি ঘটানো ভালো। মানুষের সম্পর্ক চিরদিন ভালো যাবে, এমন তো কোথাও লিখে দেয়া নেই, তাই না?

আমাদের সমাজে উল্টোটা যে ঘটেনা না, তাও কিন্তু নয়। মেয়েরাও যে অত্যাচারী হয় না, সেটা বলা যাবে না। আমরা এমন মেয়েও হরহামেশা দেখতে পাই যে, সে তার সঙ্গীকে মনে করছে কেনা গোলাম। তার সাথে যাচ্ছেতাই ব্যবহার করছে। এটাও ঠিক নয়। আমি আগেই বলেছি, এই পৃথিবীতে কেউ কারো সম্পত্তি নয়। প্রতিটি মানুষ একেকটি নিজস্ব সত্ত্বা। আজ কেউ আমার সাথে আছে, কাল সে আমার সাথে নাও থাকতে পারে। তখন কি আমি তার মুখে এসিড মেরে দিব? আর সেটাকে আমাদের সহ্য করতে হবে?

একটি সমাজ কতটা সভ্য, তার অনেকগুলো মাপকাঠির একটি হলো সেই সমাজে মেয়েরা কতটা নিরাপদ। আর সেটা নির্ভর করে, সেই সমাজের পুরূষরা নারীদের প্রতি কতটা শ্রদ্ধাশীল। আমি নিজের জীবন দিয়েই দেখেছি, অনেক শিক্ষিত মেয়েও এই বিষয়গুলো ধরতে পারেন না। আপনি কারো প্রতি যথেষ্ঠ সন্মান দেখালে, দেখা যাবে সে নিজেও বাঁকা চোখে তাকাবে; আর মনে মনে ভাববে, মতলবটা কী? এমন নারীর সংখ্যাও কম নয়। এর বড় কারন আমার কাছে মনে হয় - সে কখনও সন্মান পেতে দেখেনি। তাই কেউ তাকে সন্মান করলে, ভয় পেতে শুরু করে।

সমাজ পাল্টাছে। আজ আমরা এই বিষয়টি নিয়ে যতটা সোচ্চার, একশ বছর আগে হয়তো ততটা ছিলাম না। আরো একশ বছর পর হয়তো, আরো ভালো একটা অবস্থায় পৌছে যাবো। সেই আশায় বুক বেধে আছি।

নিরাপদ থাকুন, সবাই।

 

ভিন্ন একটি বিষয়:
আমাকে অনেকেই ফেসবুকে ফ্রেন্ড রিকোয়েষ্ট পাঠাচ্ছেন। আমি খুব খুশি হতাশ যদি সবার রিকোয়েষ্ট রাখতে পারতাম। কিন্তু ফেসবুকের বেধে দেয়া সীমার মধ্যে আমি আর নতুন বন্ধু নিতে পারছি না। কিছু জায়গা খালি রেখেছি, আমার স্কুল/কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের বন্ধুদের জন্য। আশা করি, বিষয়টা বুঝতে পেরেছেন।

আমি একটি ফেসবুক পেজ তৈরী করে দিয়েছি। ধীরে ধীরে আমি আমার কর্মকান্ড ওই পেজটাতে আপডেট করবো। আপনারা যারা আমার সাথে যোগাযোগ রাখতে চান, দয়া করে আমার পেজটিতে জয়েন করুন। আমি লিংকটা দিয়ে দিলাম। আপনার বন্ধুদেরকেও জয়েন করতে বলতে পারেন-

http://www.facebook.com/pages/Zakaria-Swapan/183025368405195

29Comments

1
vfdhgf
Tue, 15/05/2012 - 1:04pm

Burberry Discount Is Shodow Which Fill With Attraction

Burberry Discount lets a lot of people fondle admiringly. The reasonable price makes you fond of Burberry Outlet.

Burberry Discount lets you close to pretty boy. If you want to be a fashion girl and want to find a boy you love, you should dress up yourself and make up yourself beautifully. This discount can realize your beauty dream. So many people are waiting for these chance. Cherish your time!

Burberry Shop Online is still the popular outlet. The various products with kindly service gives customers the terrific feeling. When you meet Burberry, you will appreciate its excellent design concept. The popular degree is something you can't image. Have a try for this beauty brand.

Burberry Outlet is popular from past till now. As a big brand, its image is so important. In order to build up good image, it should work hard to design the wonderful work to the customers. The exquisite layout has won countless people's heart. If you want to close to this fashion brand, you can log in our website.

It’s a Thursday afternoon within of a studio in Los Angeles, and Tom Cruise, dressed in jeans and an untucked whitened button-down shirt, is ­belting out “Paradise City.” He’s executing the Guns N’ Roses song—which he sings all through the opening credits of his new movie, Rock of Ages—in character, as Stacee Jaxx, a fading rock god by means of the eighties. Sitting in top in the glass-enclosed documenting booth are Cruise’s audio tracks advisers, which consists of Ron Anderson, formerly a vocal mentor for Axl Rose, whose trademark screech Cruise has perfected. When Cruise began this assignment a whole whole lot over a twelve weeks ago, he do not know no issue whether he could genuinely sing. “Adam Shankman, the director, inquired me if I could hold a tune,” Cruise tells me later. “I said, ‘We’ll see, will not we? this could be both steering to purpose or it is steering to come going to be dreadful. Everything will right.

2
eddyvicky
Sat, 12/05/2012 - 3:35pm

At present, around the Trademark Bureau to some large market and good reputation of the collective, individual stores operating in the import of replica watches, should undertake batch inspection, inspection certificate, with a laser anti-counterfeit mark.
Buy swiss replica watches, should view the vendors of the commodity inspection certificates, and laser anti-counterfeit mark number on whether the certificate number in the list.Other identifying method and there are many, such as the use of detection equipment testing content, accuracy of the clock, waterproof performance, hardness, diamond, and the glass table.Through the measured data to verify and imported identification of the labeled data and indicate whether conform to, be judged true or false.In addition, a number of brand-name watches for men, such as Rolex, Earl, due to the special structure and the inherent movement special markings, and special recognition method, but requires specialized equipment and replica watches.

3
eddyvicky
Sat, 12/05/2012 - 3:33pm

Omega watches and watch dials; sapphire, fake is usually not very regular watch is Swiss, Japan brand, counterfeit, fake Swiss watches world more concentrated in the following brands: Brand: Japan Seiko, replica invicta watches, Oriental, Casio etc..
Look from the exterior: genuine watch dial, a back cover standard trademark and brand clear complete; dial on the subject of drill and drill movement actual number conform; rear cover material and case materials used match; watch glass clean clear case assembly; and no sharp edges; coating no bubbles, no fall off.Fake and genuine watch dial, a back cover standard trademark and brand illegible; dial scale number of drilling and drilling number does not match the actual movement; case assembly outer edge roughness, swiss replica watches, shedding or parts fracture phenomenon.
From look on the movement: genuine trademark movement splint or swinging thallium is marked with the trademark sign words; in the case of a solid component of movement; movement cleaning.Fake watch movement within the splint or swinging thallium no trademark sign ", or the trademark sign handwriting rough, fuzzy, skew, or simply use a small copper paste; movement is not clean, some movement with copper scraps, hair, such as a fingerprint.Swiss brand: Rolex, Tudor, Earl, celebrities, Simma, Orr horse, Rome, replique montres, Borel, Longines, meters, Omega, replique montre, tower, enicar, who, for many, whitecaps, radar, Tissot etc..

4
ryurtyey
Wed, 09/05/2012 - 8:25am

Gucci Online is a comprehensive online sales shop, brand belts, hats, glasses, watches and other products. It engaged in so many brands are so many things you can buy a number of products can be purchased in a shop, do not go to other shop a buy order to allow customers to facilitate our Gucci stores.

Coach Outlet Store products are the C logo flagship product; the store is more than selling bags girls love bracelet, jewelry, shoes and an array of products where each product is worth to have it, fine the appearance of unique design, which is the primary point of view in every consumer purchase. We coach store welcome the majority of consumers buy.

Nike Shoes not only looks good, but I feel very comfortable to wear, it is the footwear of the best material, and the design is also unique. The sole use of heightening and non-slip effect people feel comfortable wear upper with a mesh, wear foot ventilation will not be stuffy, so you can wear it in the hot summer. The slant Nike is exclusive logo.

Lauren Milligan.08 May 2012.Updated Tuesday May 8, 9.12am: Victoria's Secret Angel Alessandra Ambrosia has given birth to her second child, a son, Noah Phoenix, in the Brazilian city of Florianopolis. The news was confirmed on the Face book page of her mother-in-law, Michelle Mazur, who wrote "Grandson just born in Brazil!" on her page yesterday. SEE ALESSANDRA'S PREGNANCY SECRET."Well, the day just arrived and we couldn't be happier!!! Noah Phoenix was born yesterday afternoon and already stole our hearts. Ana is a proud big sister now and we are so thankful he is with us," Ambrosia wrote on her Face book page today.

5
vivienbing
Mon, 16/04/2012 - 9:58am

“This is a great idea because it opens a new NBA Hats for these small entrepreneurs,” said new era mlb hats, DHL Express country manager in Haiti. “We believe the development of Haiti will come through increasing trade – and promoting that trade will be our way to help Haiti in the rebuilding process.” NFL Snapback Caps
cheap new era hats
snapback hats
New Era Fitted Hats

6
topsgranite
Sat, 31/03/2012 - 7:52am

Today’s kitchens are adopting color and an increased choice of available Granite Countertop, while stainless steel remains a true competitor. Color is coming back to the Granite Slab, and one way to carry color into the kitchen is with a Cast Iron sink. Companies have made beautiful cast iron products since its early beginnings in the late 1800s.

7
abeldeng
Mon, 26/03/2012 - 2:42pm

Sac Louis Vuitton Sac Louis Vuitton
louis vuitton pas cher Sac Louis Vuitton
louis vuitton sac Sac Louis Vuitton

Monster Beats Monster Beats
Beats By Dre Monster Beats
Casque Beats By Dre Beats By Dre
Beats By Dre pas cher Beats By Dr Dre

Monster Beats Monster Beats
Beats By Dre Beats By Dre
Monster Beats pas cher Monster Beats pas cher

Ray Ban Aviator Ray Ban Aviator
Ray Ban Pas Cher Ray Ban Pas Cher
ray ban aviator pas cher ray ban aviator pas cher

8
seoerlin
Fri, 23/03/2012 - 8:20am

So many legislators, online Air Max 95 petitioners, national civil rights leaders and even celebrities Nike Air Max 90 Premium have denounced the inquiry that the city manager — the only one who can fire Lee — made the chief respond to Cheap Nike Air Max 90 the most frequent Air Max 90 Cheap criticisms in writing. He posted Lee’s answers on the city’s website.“I’ve never thought Air Max 90 the chief was a Nike Air Max 90 Hyperfuse racist or anything. It’s more of a lack of experience and a lack of leadership,” said Commissioner Velma Williams, who advocated that the chief resign Nike Air Max 95 to quell tensions before a rally next Nike Air Max 90 week, timed for Monday’s city commission meeting.In defense of gun rights, the National Nike Air Max 1 Cheap Rifle Association has jumped into the argument over Trayvon Martin, an unarmed black child who was Air Max 1 killed in Florida.

9
seoerlin
Wed, 29/02/2012 - 7:30am

Lowy told a Melbourne Heart Adidas Jeremy Scott business lunch he had no desire to take the games battles to the courtroom, but if need be he would, arguing it would be a better Jeremy Scott Adidas alternative than an A-League run by the 10 club owners. I have Jeremy Scott Shoes no interest in engaging in a public slanging match, and I have no desire Jeremy Scott Wings to become involved in litigation, Lowy said, Adidas Wings referring to the various challenges, charges and threats levelled at FFA in the past fortnight Jeremy Scott by Gold Coast owner Clive Palmer.

10
Dolph
Tue, 14/02/2012 - 4:18pm

’কিন্তু আমি, যা অনুধাবন করতে পারি নি তা হচ্ছে ফেইসবুকের মত সামাজিক নেটওয়ার্কেও কিছু তথাকথিত সুস্থ মানুষ তাদের সীমানা অতিক্রম করে হীংস্র এবং পশুবৃত্তির চর্চায় রত হবেন, সেটা আমি অনুধাবন করতে ব্যার্থ হয়েছি। এই ব্যার্থতা যদি মানসিক ব্যাধি হয় তাহলে সেটার চিকিৎসা আমার অবশ্যই প্রয়োজন। তোর কি মনে হয়, এই সময়ে যারা উত্তেজিত হয়ে ঐ লোকটিকে হত্যা করতে উদ্দ্যত হয়েছেন কিংবা তার চোখ উপড়ে ফেলতে এগিয়ে এসেছেন কিংবা আমাকে মানসিক রোগী আখ্যায়িত করে শারীরিক আঘাতের হুমকী দিয়েছেন, এমনকি সস্তা জনপ্রিয়তা পাওয়ার আশায় এই ব্যাপারটাকে রাজনীতিকরনের চেষ্টা করছেন তাদের চরিত্র কি হাসান সায়িদের চেয়ে উত্তম? তারা মানসিক রোগী, না কি আমি মানসিক রোগী?‘’ আমার বন্ধু রেগে মেগে বলল,’’তোর যা ইচ্ছা তাই কর, সব সময় যখন তাওয়া গরম থাকে, সেই সময় উলটো কথা বলা তোর একটা অভ্যাস। তা মেয়ে লোকের চড় খেয়ে গালে কি খুব আরাম লাগছে নাকি?’’ আমি বললাম, ‘’তোর কি মনে হয় ঐ মহিলাটি কি ভদ্রলোক? তিনি ত আমার সাথে দ্বীমত পোষন করে তার মতামত ভদ্র ভাষায় তুলে ধরতে পারতেন, সেটাই কি শালীন হত না?’’ বন্ধু বলল,’’সে রুমানা মনযুরের বন্ধুত্বের প্রমান রাখার জন্যে এটা করেছে, সে ভদ্র লোক হলে কখনোই এ Gta 5আমার বন্ধু বলল, ‘’তার জন্যে কি তুই ঐ লোকটার পক্ষ নিবি?’’ আমি বললাম,’’আমি কোন ভাবেই সেই লোকের পক্ষ অবলম্বন করি নি, আমি সেই লোকের ওই কান্ডের সম্পূর্ন বিচার কামনা করেই, প্রকাশ করতে চেয়েছিলাম যে সমাজে এ ধরনের দূর্ভাগ্যজনক ঘটনা অহরহ ঘটে থাকে। এই ধরনের ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর সমাজের কিছুই করার থাকে না, কেননা ঐ লোকের বিচার কোনভাবেই রুমানার চোখ ফিরিয়ে দিবে না। তাই এ ধরনের কান্ড প্রতিরোধ করাই হচ্ছে সবচেয়ে জরূরী এবং উত্তম; আর এই প্রতিরোধের একমাত্র পথ হচ্ছে সচেতনতা বৃদ্ধি। এই সচেতনতা বৃদ্ধি করা সম্ভব হলে, স্বামী কিংবা স্ত্রী উভয় পক্ষই একটা অবস্থান পর্য্যন্ত পরিভ্রমন করবেন, এর পর তারা নিজেদেরকে নিয়ন্ত্রন করবেন। কেননা তারা সচেতন থাকবেন, তাদের জানা থাকবে ঐ সীমানা অতিক্রম করার অর্থ হচ্ছে হিংস্রতা এবং পশুবৃত্তির উদ্দীপনা।

একই রকম আরো কিছু ব্লগ