প্রনব বাবু...বন্ধু নয়, প্রভু! WD

WatchDog's picture

আফ্রিকার গহীন অরণ্য অথবা দক্ষিন আমেরিকার আমাজন জঙ্গলে ফেলানী নামের কোন পাখি আছে কিনা জানা নেই। কিন্তু ভারতীয় সীমান্তরক্ষীদের চোখে ফেলানী ছিল একটা পাখি। ১৫ বছর বয়সী এই কিশোরীকে স্নাইপার কায়দায় হত্যা করে কাঁটাতারের বেড়ায় ৪ ঘন্টা ঝুলিয়ে রেখেছিল নরপশুর দল। কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ি উপজেলার অনন্তপুর সীমান্তটা দুরের মহাদেশ আফ্রিকার কোন দেশের সাথে নয়, বরং প্রতিবেশি দেশ ভারতের সাথে। এবং এখানেই সমাহিত হয় গায়ে গতরে খেটে খাওয়া বাংলাদেশি নাগরিক নুরুল ইসলাম নুরু মিয়ার বেচে থাকার স্বপ্ন। ভাগ্যের সন্ধানে নুরু মিয়া পাড়ি জমিয়েছিল আধুনা বিশ্বের উদীয়মান শক্তি ভারতের দিল্লিতে। সাথে ছিল মেয়ে ফেলানী ও এক ছেলে। আদম পাচারকারীদের খপ্পরে পরে নুরু মিয়াকে কাজ নিতে হয় দিল্লির কোন এক ইটের ভাটায়। ফেলানীর বিয়ে ঠিক হওয়ায় স্বপরিবারে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেয় নুরু মিয়া। আন্তর্জাতিক সীমানা পিলারে মই বেয়ে বাংলাদেশে প্রথম প্রবেশ করে সে। একই কায়দায় প্রবেশ করতে গিয়ে ফেলানীর কাপড় আটকে যায় কাঁটাতারে। ভয়ে চীৎকার করে উঠে সে। এবং সাথে সাথে গর্জে উঠে ভারতীয় বন্দুক। একটা গুলিই যথেষ্ট ছিল এই কিশোরীর জন্য। বেড়ার উপর ঝুলে পরে তার মৃতদেহ। চার ঘন্টা পর বিএসএফ এসে নিয়ে যায় লাশ। শুধু ফেলানীর লাশই নয় সাথে নিখোঁজ হয় তার ভাই। একই দিন পশ্চিমবংগের মুর্শিবাদ জেলার মোহনগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফ’র গুলিতে নিহত হয় আরও তিন বাংলাদেশি।

বাংলাদেশ ঘুরে গেলেন ভারতের রাষ্ট্রপতি শ্রী প্রনব মুখার্জি। সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য হলেও বেড়িয়ে গেলেন নড়াইলের শ্বশুর বাড়িতে। সফর কালে বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের বন্ধু ও শেখ হাসিনার মেন্টর প্রনব বাবু জাতির কানে কানে ফিস ফিস করলেন তিস্তা চুক্তি নিয়ে। সামনের নির্বাচনে প্রিয় দলের বিজয় নিশ্চিত করতে এ চুক্তির প্রয়োজন কতটা জরুরি তা নিশ্চয় জানা ছিল অতিথির। তাই হতাশ করলেন না এবং বললেন মমতা ব্যানার্জী চাইলে খুব শীঘ্রই স্বাক্ষর হতে পারে এ চুক্তি। কিন্তু বিধি বাম, দুদিন পর খোদ মমতা ব্যানার্জী ক্ষোভে ফেটে পরলেন আপন রাষ্ট্রপতির এহেন কথায়। আমরা যারা স্বল্প শিক্ষিত তাদের বুঝতে অসুবিধা হয়নি প্রনব-মমতা গংদের এসব জটিল ভাষা। কারণ অনেকদিন ধরেই শুনছি ওপার বাংলার এসব মাইরি ভাষা। ৭১’এর মুক্তিযুদ্ধে এই ভারতীয়রাই ছিল আমাদের প্রকৃত বন্ধু। কোটি শরণার্থীকে আশ্রয়, যুদ্ধের ট্রেনিং, অস্ত্র সরবরাহ সহ রক্ত পর্যন্ত দিয়েছিল আমাদের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে গিয়ে। জাতি হিসাবে আমরা অকৃতজ্ঞ নই, দায়বদ্ধতা শোধও মিশে আছে আমাদের রক্তে। গেল ৪২ বছর ধরে আমরা ৭১’এর দেনা শোধ করছি। শোধের অংকটার কোন সঠিক সংখ্যা আমাদের জানা নেই, ইতিহাসেও লেখা হয়নি এর বিবরণ। শুধু জেনে এসেছি আমরা ঋণী এবং এ ঋণ শোধ করতে হবে যতদিন বেঁচে থাকবো। শিল্প, বানিজ্য, কৃষিকাজ, অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা, চিকিৎসা, সাংস্কৃতি, এমনকি আমাদের কাঁচাবাজার পর্যন্ত খুলে দিয়েও শোধ হচ্ছে না ৭১’এর দেনা। নদীর পানি, বন্দরের ক্রেন, জলপথ, নদীপথ, রেলপথ, আকাশপথ সহ ফেলানীদের লাশ পর্যন্ত দিতে হচ্ছে দেনা শোধের মূল্য হিসাবে। আমরা হাসি মুখে দিচ্ছি কিন্তু ওরা কোন মুখে গ্রহন করছে তার কোন ইশারা আমাদের দেয়া হচ্ছে না। স্বভাবতই আমরা বিভ্রান্ত। সে বিভ্রান্তি দূর করতেই বোধহয় প্রনব বাবু এসেছিলেন সরকারী সফরে।

আশির দশকের কথা। স্থান বিশ্বের অন্যতম সুন্দর শহর লেলিনগ্রাদ (আধুনা সেন্ট পিটার্সবার্গ) শহরের কোন একটা ছাত্রাবাসে বাস করছে কজন বাংলাদেশি। লেখাপড়ার পাশাপাশি তাদের নিয়মিত রান্না করতে হয় খরচ বাঁচানোর তাগিদে। সমস্যাটার শুরু কোথায় তার সঠিক দিন তারিখ ওদের জানা ছিলনা। জানার উপায়ও ছিলনা। কিন্তু প্রায়ই ঘটতে থাকল ঘটনাটা। ভোজবাজির মত রান্নাঘর হতে নিখোঁজ হতে থাকে পাকানো মাছ মাংসের হাড়ি। ৭০টা দেশের ছাত্রছাত্রীদের আবাস আন্তর্জাতিক মানের এই হোস্টেলে। রান্না করা তরকারী চুরি এখানে অকল্পনীয়, অস্বাভাবিক। কিন্তু তাই ঘটতে থাকল নিয়মিত বিরতিতে। অবশেষে হদিস পাওয়া গেল চোরের। এর জন্যে অবশ্য ফাঁদ পাততে হল। ফাঁদে যাকে আটকানো হল সে আর কেউ নয় ভারতের হরেন্দ্র সিং। নিজকে সবজিখোর হিসাবে দাবি করলেও আসলে সে ছিল খাদক। পয়সা বাঁচানোর অস্ত্র হিসাবে সবজিকে ব্যবহার করলেও গোপনে চুরি করত রান্না করা মাছ মাংসের হাড়ি। এভাবেই সে পয়সা বাঁচাত এবং বছর শেষে বস্তাভর্তি মালামাল নিয়ে চলে যেত জন্মভূমি ভারতে। এই হরেন্দ্র এবং তার স্বদেশিদের আরও একটা অভ্যাস ছিল, বাংলাদেশ নামক দেশটার জন্ম কে ভারতীয়দের দয়ার ফসল বলে হাসি তামাশা করতে ভালবাসত। শুধু হরেন্দ্র নয় ১০০ কোটি ভারতীয়দের মাঝে এমন একজনকে খুঁজে পাওয়া মুস্কিল হবে যারা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বাস্তবতাকে সহজ সরল অংকে স্বীকার করে। ভারতীয়দের কাছে ৭১এর যুদ্ধ পাকিস্তানীদের সাথে দ্বিপক্ষীয় যুদ্ধ, নিজেদের শৌর্য বীর্য প্রদর্শনীর যুদ্ধ। এখানে বাংলাদেশি মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের কোন জায়গা নেই।

ভারতীয় সাতকন্যার কোল ঘেষে আমাদের বাস। সাতকন্যার ক্ষয়িষ্ণু অর্থনীতির জরায়ুতে এক সময় জন্ম নিয়েছিল তাদের স্বাধীনতার চেতনা। মানচিত্রে বাংলাদেশের উত্থান হয়ত বদলে দিয়েছে এদের আর্থ-সামাজিক চেহারা। প্রতিবছর শুধু চিকিৎসা খাতেই বাংলাদেশিদের পকেট হতে কন্যাদের আয় হয় হাজার কোটি টাকা। সরকারী বাণিজ্যে হিমালয় সমান অসমতার পাশাপাশি চোরাই পথে বাংলাদেশের সাথে চলে হাজার হাজার কোটি টাকার বানিজ্য। চাল, ডাল, তেল, লবন, সাবান, মসলা,শাড়ি, বাড়ি, গয়না, কন্ডম সহ বাংলাদেশ আপদমস্তক ডুবে আছে সাতকন্যার যৌতুকে। বানিজ্য ঘাটতির এই মহাসমুদ্রে সীমান্ত এলাকার কিছু খেটে খাওয়া বাংলদেশি ভাগ্যের সন্ধানে নামতে বাধ্য হয় গরু চোরাচালানি ব্যবসায়। আর তাতেই বাধ সাধে নব্য বিশ্বশক্তির শক্তিধর সীমান্তরক্ষী দল। বিশ্ব সমাজে ভারতের পরিচয় উদীয়মান অর্থনৈতিক শক্তি হিসাবে হলেও প্রতিবেশি হিসাবে ভারতীয়রা উপরে বর্ণিত হরেন্দ্র চরিত্রের এক ইঞ্চি উর্ধ্বে উঠতেও পারেনি। আর্থ-সামাজিক বাস্তবতা এবং রাজনৈতিক বিভাজন জাতি হিসাবে আমাদের সবজি বানিয়ে ফেলেছে। এমন একটা অবস্থান হতে ভারতীয় অন্যায় অনাচারের প্রতিবাদ করা হবে হিমালয়ের গোড়ায় মাথা ঠুকানোর মত। এমনটা করতে চাইলে ভারতীয় শিক্ষা হতে পারে আমাদের জন্যে উপযুক্ত দীক্ষা। আর তা হল অর্থনৈতিক মুক্তি। যতদিন এ মুক্তি অর্জিত না হচ্ছে ৭১'এর দায়দেনা শোধের নামে ভারতীয় এবং তাদের স্থানীয় দালালরা দেশকে খুড়ে খাবলে খেতে থাকবে।

ভারতীয় চাল, ডাল, তেল, লবন, সাবান ব্যবহার করে, তাদের সিনেমা আর টিভি সিরিয়ালে সর্বক্ষণ ডুবে থেকে আর তাদের ভাষা শয়নকক্ষে চর্চা করে প্রনব বাবুর ধাপ্পাবাজি নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করা হবে স্রেফ আত্মপ্রতারণা। মুখে বন্ধু বললেও ওরা আসলে আমাদের প্রভু। প্রভুদের মনোরঞ্জনের জন্যে দু'একজন ফেলানী উৎসর্গ করাও আমাদের পবিত্র দায়িত্ব।

10Comments

1
dark.horse
Mon, 18/03/2013 - 7:20pm

অপপ্রচারের শেষ নেই, অপপ্রচারকারীদেরও ক্ষান্তি নেই, বিরাম নেই। সবশেষে বিনয়ের সঙ্গে পাঠকদের কাছে কিছু প্রশ্ন করতে চাই। মুজিব যখন সপরিবারে নিহত হলেন, তার বাড়ি থেকে কয় মন সোনা, কয় কোটি টাকা উদ্ধার করা হয়েছে? বিদেশের কোন ব্যাঙ্কে, কয়টা একাউন্ট পাওয়া গেছে তার তথাকথিত ব্যাঙ্ক ডাকাত ছেলেদের নামে? সেখানে কয়টাকা ছিলো? প্রশ্নটা অহেতুক, কারণ এই অপবাদ ঘোরতর শত্রুও দিতে পারবে না। প্রমাণ করতে পারবে না। মানুষটা দেশকে ভালোবেসে দেশের মানুষের জন্য মরেছেন, মরেছেন বাঙালী নামের কিছু কুলাঙ্গারের হাতেই, যাদের জিনেই রয়েছে বিশ্বাসঘাতকতা।

2
dark.horse
Mon, 18/03/2013 - 7:12pm

ইন্ডিয়াতে অবশ্যই যাবো কিন্তু জাবার আগে watchdog আর গেলমানগুলার সামনের লেজ পুরাটা ক্যাইট্যা দিয়া যাবো যাতে এইসব জানোয়ারের বাচ্চা আর বংশবিস্তার করতে না পারে।

3
dark.horse
Mon, 18/03/2013 - 7:07pm

অভূতপূর্ব সাড়া পাওয়া গিয়েছে সর্বস্তরের মানুষের কাছে আজকের UNO 'র সামনের সমাবেশে !!!!!! -------- প্রাণের সবটুকু আবেগ ঢেলে , বরফ শীতল আবহাওয়াকে উপেক্ষা করে আটলান্টিকের বিশাল এক ঢেউ যেন আছড়ে পড়েছিল আজ মানুষের ঢলে! হিন্দুদের উপর অত্যাচার নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আর প্রতিরোধের শপথ,
জামাত-শিবিরের নিষিদ্ধ ঘোষণা আর ৭১ এর খুনিদের বিচারের দাবীতে উত্তাল জনতা ম্যানহাটানের আকাশ বাতাসকে আলোড়িত করে ,তাদের প্রাণের সম্পূর্ণ ঘৃণাকে উগড়ে দিয়েছিল আজ------ আমাদের এই দাবী আদায়ের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে ----- এমনটাই প্রতিজ্ঞা , যতদিন না ----- দাবী আদায় হয় ------!!!!!!১৬-১৩

Tahmina Shahid, NY

4
dark.horse
Sun, 17/03/2013 - 9:54pm

খান**পোলা watchdog এবং তার গৃহপালিত গেলমানরা, তোরা ওইসব বালসাল পত্রিকা পড়া বাদ দিয়া চটি পড় তাতে watchdog রে নসিহত করতে সুবিধা হবে।

5
toneoooo
Sun, 17/03/2013 - 11:54pm

Malaun Dark Horse go to India

6
WatchDog
WatchDog's picture
Sun, 17/03/2013 - 7:56pm

ঢাকায় লংমার্চ করতে চায় ভারতের বিজেপি

মিজানুর রহমান: বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রতিবাদে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) আগামীকাল সোমবার ঢাকামুখী লংমার্চের ঘোষণা দিয়েছে। সরকার এতে বাধা দিলে তারা জোর করে বাংলাদেশের অভ্যšত্মরে প্রবেশের হুমকিও দিয়েছে। সেই সঙ্গে তারা বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে। বিজেপির ত্রিপুরা রাজ্য প্রেসিডেন্ট সুনীল দাসগুপ্ত শনিবার জানিয়েছেন ১৮ই মার্চ শ’ শ’ দলীয় কর্মী এবং সমর্থক আগরতলা দিয়ে আখাউড়া সীমাšত্ম অতিক্রম করার চেষ্টা করবে। দি হিন্দু

অন্যদিকে মানবজমিনের প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, সুনীল দাসগুপ্ত বলেছেন, বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ তাদের এ প্রতিবাদ কর্মসূচিকে অনুমোদন করেছেন। সুনীল দাসগুপ্ত বলেন, ‘আমরা জানি সীমাত্ম আমাদের বাধা দেয়া হবে। কিন্তু তাই বলে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু বিশেষ করে হিন্দুদের ওপর অবিরাম সহিংসতা দেখে আমরা এভাবে চুপ করে বসে থাকতে পারি না।’ সুনীল অভিযোগ করেন, বাংলাদেশে হিন্দুদের কোন নিরাপত্তা নেই। বিজেপি এ বিষয়টি লোকসভায় উত্থাপন করে বাংলাদেশের হিন্দুদের রক্ষায় কেন্দ্রীয় সরকারের হ¯ত্মক্ষেপ দাবি করেছে। সুনীল দাসগুপ্ত অভিযোগ করে বলেছেন কংগ্রেস এবং সিপিআই (এম) এর মতো বড় দলগুলো বাংলাদেশে এ ধরনের নির্যাতনের প্রশ্নে চোখ বন্ধ করে আছে।

এদিকে বিজেপির এ লংমার্চ এবং জোর করে বাংলাদেশের অভ্যšত্মরে প্রবেশের হুমকির ব্যাপারে বাংলাদেশের জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। মানবজমিনে প্রকাশিত প্রতিবেদনের মšত্মব্যে পাঠকরা তাদের তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। মানবজমিনের প্রতিবেদনে কাউসার আহমেদ নামের একজন পাঠক লিখেছেন, ‘বিজেপিকে বাংলাদেশে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হউক......তারা কেন এখানে লংমার্চ করবে? যত নষ্টের মূল তো তারাই.....তারাই তো সব কাজের নাটের গুরু!’ দাবানল নামের একজন পাঠক মšত্মব্য করেছেন, ‘বাংলাদেশ যদি এই লংমার্চ কঠোর হাতে দমন না করে তাহলে বাংলাদেশী সার্বভৌমত্ব বলে কিছু থাকবে না। ভারত দাদাগিরি করছে আর হাসিনা যে ভারতবান্ধব তা বুঝতে বাকি নেই। বাংলাদেশের হিন্দুরা যতটা না নির্যাতিত তার চেয়ে ভারতের মুসলমানরা শতশত গুন বেশি নির্যাতিত।’ প্রিন্স নামের একজন পাঠক মšত্মব্য করেছেন, ‘হ্যাঁ, আমরা এ আশঙ্কাই করছিলাম। আর এদেশীয় এজেন্টরাও তাই চাইছিল। হিন্দুদের ওপর আক্রমণ ওরাই করেছে । বাংলাদেশের স্বাধীনতার হুমকি পাকি¯ত্মান নয়, ভারত কি জিনিষ আশা করি এদেশের গণমানুষ তা বুঝতে পারবে। আমরা ভারতের সঙ্গে ভাল সম্পর্ক চাই, কিন্তু তাদের দাস হয়ে থাকতে চাই না।’ অন্যদিকে একই খবর প্রকাশিত হয়েছে পাকি¯ত্মান ডিফেন্সের ওয়েবসাইটে। সেখানেও এর বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে পাঠকদের। ক্রাইত নামের একজন পাঠক বলেছেন, ‘বিজেপি বরং ভারত সরকারের কাছে প্রতিবাদ এবং নিন্দা প্রকাশ করতে পারে। আর রোহিঙ্গা মুসলমানদের যখন হামলা করা হয় তখনতো তাদের সহযোগিতা পাওয়ার সুযোগ থাকে না যতটা সুযোগ দেখা যাচ্ছে হিন্দুদের জন্য।’
http://www.amadershomoy2.com/content/2013/03/17/middle0845.htm#idc-cover

7
dark.horse
Fri, 08/03/2013 - 6:32pm

কিরে রাজাকার watchdog , ফেলানির জন্য তো দেখি তোর ব্যাপক চিন্তা।তুই নিজেই স্বীকার করছিস যে ওরা মই দিয়া বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা করতেছিল, কাজটা কি আইনি নাকি বেআইনি? যাইহোক ফেলানির জন্য তোর এত দরদ তাহলে ব্লগ এ সময় নষ্ট না করে লিখে, ফেলানির পরিবার কে টাকা দিয়া সাহায্য কর। সেটা তো করবি না, তোর মত ভণ্ডরা শুধু সমালচনা করবি, মানুষকে সাহায্য করতে কইলেই চম্পট।

8
jbond
Sat, 09/03/2013 - 11:55am

ফেলানি মই দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকতে গিয়ে বেআইনি কাজ ছিল কোন সন্দেহ নেই , তাই ভারতীয় বাহিনী নীরিহ ফেলানীকে গুলি মেরে ফেলেছে আর তাতেই তোর আনান্দ উল্লাস করার ব্যাপার হয়ে দাড়াল । পাদুয়াতে ভারতীয় বিএসএফ যখন সীমান্ত পার হয়ে বাংলাদেশের ভুখন্ড দখল করতে এসেছিলো আর বিডিয়ারের গুলিতে ১৬ বিএসএফের লাশ বানিয়ে গরুর মত উলটো করে বাশের মধ্যে বেধে ভারতে পাচার করে দিয়ে ছিল তখন তোর কেমন লেগেছিলোরে ? শোন এবার বাংলাদেশে শাহবাগে যে গন জাগরন হয়ে ছিল পাকিস্তানি রাজাকারের বিরুদ্বে আর এই পাকিস্তানি রাজাকারের সময় এখন শেষ হয়ে গেছে অর্থাৎ date expire , কিছু সময় অপেক্ষা কর এবার শুরু হবে ভারতীয় রাজাকারের বিরুদ্দ্বে আর এটার মধ্যে তোর মত ভারতীয় রাজাকারের নুনু আগে কাটা হবে সাথে যাদের স্বপ্ন "বংগভুমির" তাদের বংগপসাগরে কবর দেওয়া হবে।

9
Md. Galib Mehdi Khan
Md. Galib Mehdi Khan's picture
Thu, 07/03/2013 - 10:51pm

আপনার কথার সাথে একমত কিন্তু খটকাটা কোথায় জানেন? আনন্দবাজার পত্রিকার উদৃতি দিয়েই বলছি-
সেই খালেদা, যিনি এক রকম ঝুলোঝুলি করেই গত নভেম্বরে দিলি্ল সফরের আমন্ত্রণ আদায় করেছিলেন। দিলি্ল গিয়ে প্রণববাবুর সঙ্গে দেখা করে অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসেছিলেন। আবার ঢাকায় সালমান খুরশিদের সঙ্গে বৈঠকে জানিয়েছিলেন, প্রণববাবুর সঙ্গে তার অনেক কথা রয়েছে। কিন্তু আজ প্রণববাবুর সঙ্গে বৈঠক বাতিল করে খালেদা জিয়া বুঝিয়ে দিলেন, সামনের ভোটে ভারতবিরোধিতার সুর চড়ানোই হবে তার রণকৌশল।
বোধকরি খালেদা জিয়া সে সময় ভুলে গিয়েছেলেন ফেলানী-নুরুদের কথা। হতেই পারে বয়স তো আর কম হল না?

10
jbond
Fri, 08/03/2013 - 1:01am

আপনার মধ্যে সবকিছুই খালেদা জিয়া আসে কেন ? কোথাও আপনার লেখায় দেখলাম আপনি নিরপেক্ষ ভাগে সব চিন্তা করতে চেষ্টা করেন কিন্তু ভুলেও আওয়ামী লিগ বা ভারতের সমলোচনা করেননা বা কেহ করলে পছন্দও করছেন না।
ওয়াচ_ডগ এখানে কোথাও লিখেন নি হাসিনা বা খালেদা ভাল বা খারাপ , বাংলাদেশের এখন যে ক্রান্তি কাল চলছে এটার থেকে মুক্তি আমাদের পেতে হলে খালেদা বা হাসিনা এই দুই পরিবারের শাসন থেকে মক্ত হতে হবে । এটা আমার একান্তই ব্যাক্তিগত মতামত । আর দয়া করে আনান্দবাজার পত্রিকার উদৃত্তি না দেওয়াই ভাল কারন আমাদের দেশের কোন ভাল খবর এই পত্রিকায় পাওয় যায়না।