হাতে রক্ত, আঙ্গিনায় লাশ আর মুখে গণতন্ত্র...পাকিস্তানি ভণ্ডামির আওয়ামী সংস্করণ!

WatchDog's picture

ক্ষমতার রাজনীতিতে সরকার ও বিরোধীদলের ভূমিকা এবং এদের পারস্পরিক সম্পর্ক যে কোন দেশেই এখন প্রয়োজনের চাইতে অতিরিক্ত তিক্ত। প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও গড় বিবেচনায় এর অন্যতম কারণ বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা। এ ধরণের মন্দা কেবল বাজারকেই প্রভাবিত করছে না, বরং প্রভাবিত করছে রাজনীতি সহ সামাজিক জীবন। অনিশ্চিত বাজার কাঠামো পৃথিবীর দেশে দেশে অস্থিরতা বাড়াচ্ছে, সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতা। নভেম্বরের প্রেসিডেনশিয়াল নির্বাচনকে ঘিরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যা ঘটছে তা এক কথায় অভাবনীয় ও নজিরবিহীন। পুঁজির অবাধ বিকাশ তত্ত্বের উপর দাঁড়ানো মুক্ত বাজার অর্থনীতিতেও কথা উঠছে সম্পদের অসম বন্টন ও সামাজিক বৈষম্য নিয়ে। কেবল মুখ আর কলমে থেমে না থেকে এসব কথা এখন বেরিয়ে পরছে দেশটার মাঠে ময়দানে। মানুষ অনন্যোপায় হয়ে রাস্তায় নামছে, প্রতিবাদের পাশাপাশি ঘেরাও অবরোধের মত চরম পথে হাঁটতেও বাধ্য হচ্ছে। পুঁজি বিকাশের সনাতনী ধারায় যারা পিছিয়ে পরছে তারা দায়ি করছে উঁচুতলার ভাগ্যবানদের, আর ভাগ্যবানরা আঙ্গুল দেখাচ্ছে নিজেদের যোগ্যতার দিকে। দরকষাকষির প্রেক্ষাপটে গোটা দেশ ৯৯% ও ১%’এর প্লাটফর্মে বিভক্ত হয়ে একে অপরের মুখোমুখি হওয়ার অবস্থানে চলে গেছে। স্বভাবতই এর প্রভাব পরছে নভেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে। ডেমোক্রেটরা বলছে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার পূর্বসূরি জর্জ ওয়াকার বুশের ব্যায়বহুল দুটো অপ্রয়োজনীয় যুদ্ধ ও ধনীদের জন্যে ব্যাপক ট্যাক্স কমানোর ফসল হচ্ছে আজকের পতনোন্মুখ অর্থনীতি। অন্যদিকে রিপাবলিকানরা বলছে প্রেসিডেন্ট ওবামার কথিত সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতিই মার্কিনিদের নিয়ে গেছে প্রায় ৯% বেকারত্বে। দেশটার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পণ্ডিতদের অনেকেই স্বীকার করেন মন্দা হতে বেরিয়ে আসতে পারলে রাজনৈতিক ঝড় অনেকটাই স্তিমিত হয়ে আসবে এবং হঠাৎ উত্তপ্ত হয়ে উঠা রাজনৈতিক মঞ্চও জনশূন্য হয়ে পারবে। এ ধরণের অভিজ্ঞতা দেশটার জন্যে প্রথম নয়, তাই গড় মার্কিনিরা বিশেষ ততটা চিন্তিত নয় যতটা চিন্তিত দেশটার রাজনীতিবিদগণ।

Photobucketবিশ্বমন্দার বলয় হতে বাংলাদেশের মত কাঠামো বিহীন রাজনীতি তথা এর আর্থ-সামাজিক জীবন নিরাপদ থাকবে এমনটা আশা করা হবে বোকামি। স্বভাবতই এর প্রতিফলন ঘটছে সমাজের সর্বস্তরে। রাজনীতিতে অস্থিরতা আর অনিশ্চয়তার যে ধারাবাহিকতা সৃষ্টি হয়েছে তার জন্যে বিবাদমান রাজনৈতিক দলগুলোকে দায়ি করা গেলেও এর কিছুটা হলেও দায় বর্তাবে বিশ্ব অর্থনৈতিক বাস্তবতার উপর। আমরা যারা অর্থনীতির মারপ্যাঁচ বুঝিনা তাদের হয়ত বুঝতে কষ্ট হবে দুরের দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ধ্বস বাংলাদেশের মত রুচিহীন রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে। তবে বিশ্ব রাজনীতির ব্যারোমিটার যতই উত্তপ্ত হোক না কেন স্থানীয় রাজনীতির এমন কিছু উপাদান আছে যা এর তাপমাত্রাকে নিয়ে গেছে নতুন উচ্চতায়। এ বিবেচনায় পাল্লা দিয়ে অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করে চলছে বর্তমান সরকার। রাজনীতি থাকলে রাজনৈতিক বিতর্কও থাকবে, থাকবে আলোচনা, সমালোচনা আর চরিত্র হননের হরেক রকম কৌশল। এ কেবল বাংলাদেশের নয়, পৃথিবীর সব দেশের সব কালের রাজনৈতিক সাংস্কৃতি। কিন্তু গণতান্ত্রিক উপায়ে নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় গিয়ে খোদ গণতন্ত্রকে কবর দেয়ার মনমানসিকতা বাংলাদেশের জন্যে ইউনিক। ৭০ দশকে আইন করে এ চর্চাকে বৈধতা দেয়ার চেষ্টা করেছিল তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল। এর খেসারত শুধু বিশেষ একটা দলকে দিতে হয়নি, বরং গোটা জাতিকে দিতে হয়েছে তার হাজার বছরের আর্থ-সামাজিক মূল্যবোধ বলি দিয়ে। বন্দুকের নলের মুখে ক্ষমতা কুক্ষিগত করার পাকিস্তানী সাংস্কৃতি পুনঃ জন্মের ব্রিডিং গ্রাউন্ড হিসাবে কাজ করেছিল আওয়ামী লীগের সে চেষ্টা। ৪০ বছর পর আজকের আওয়ামী লীগ কি সে চেষ্টাই করছে না? চারিত্রিক বিচারের কোন মানদণ্ডেই আওয়ামী লীগকে সক্রিয় অন্য দলগুলো হতে আলাদা করার উপায় নেই। সন্ত্রাস, লুটপাট আর ক্ষমতার অপব্যবহার করে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করার দৌড়ে আওয়ামী লীগ কোন বিবেচনায়ই প্রতিপক্ষের চেয়ে পিছিয়ে নেই, অনেকাংশে বরং দশ ক্রোশ এগিয়ে। এমনটাই যদি হয় বাস্তবতা তাহলে কোন বিবেচনায় অথবা অধিকারে আওয়ামী লীগকে এককভাবে দেশ শাসনের লাইসেন্স দিতে হবে? যুদ্ধাপরাধের বিচার দেশ শাসনের ক্রাইটেরিয়া হতে পারেনা, এটা কোন রাজনৈতিক এজেন্ডা নয় যার বিনিময়ে দেশের মালিকানা দাবি করা যাবে। অপরাধ করলে অপরাধীকে শাস্তি পেতে হয়, এটা নতুন কোন আবিস্কার নয়, বরং মানব সভ্যতার হাজার বছরের সাংস্কৃতি। ৪০ বছরেও কেন ’৭১এর খুনিদের বিচার করা যায়নি সে ব্যর্থতার দায়ভার রাজনীতির নয়, বরং বিচারব্যবস্থার। আমাদের বিচার ব্যবস্থা যেহেতু রাজনীতির ক্রীড়নক ও নিবেদিত সেবাদাস তাই এ ব্যর্থতার সবটুকু দায়িত্ব নিতে সেই রাজনীতিবিদ্‌দেরই।

বাস্তবতাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করালে একটা সত্য মানতে হবে বর্তমান সরকার এমন একটা সত্য বাস্তবায়ন করতে চাইছে দেশে এক আওয়ামী লীগ ছাড়া দ্বিতীয় কোন দলের ক্ষমতার রাজনীতি করার বৈধতা নেই। সেনা ছাউনিতে জন্ম নেয়ার দোহাই দিয়ে প্রতিপক্ষকে নির্মূল করার অন্ধ আক্রোশকে আর যাই হোক গণতান্ত্রিক রীতিনীতির আওতায় আনা যাবেনা। উর্দির জরায়ুতে বিএনপি নামক দানবের জন্ম দিয়ে জিয়াউর রহমান তার মূল্য শোধ করেছেন নিজের জীবন দিয়ে। সে দিনের দানব আর আজকের বিএনপি এক নয়, আজকের বিএনপি আমাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার (হোক তা রুগ্ন) অবিচ্ছেদ্য অংশ। আওয়ামী লীগের মত তাদেরও আছে কোটি কোটি সমর্থক (হোক তা জংলী)। বাংলাদেশের মাটিতে রাজনীতি করার অধিকার কাদের জন্যে সংরক্ষিত থাকবে তা নির্ধারণ করার মালিক একক আওয়ামী লীগ নয়, বরং দেশের পনের কোটি জনগণ। গায়ের জোর আর আইনের জোরে ক্ষমতা চিরস্থায়ী করার ফলাফল কি হতে পারে অন্য কারও চাইতে আওয়ামী লীগের ভাল জানা থাকার কথা।

আক্রোশের রাজনীতি নতুন আক্রোশের জন্ম দেয়, অসুস্থ রাজনীতির এ এক নির্মম বাস্তবতা। ভবিষ্যৎ নির্মমতা হতে রেহাই পাওয়া নিশ্চিত না করে শেখ হাসিনা যদি আক্রোশ মেটানোর রাজনীতি অব্যাহত রাখেন এর ফলাফল বাঁকা দিকে মোড় নিতে বাধ্য। একই পথ মাড়িয়ে বর্তমানের বিএনপি যথাযত মূল্য দিয়েছিল ক্ষমতা হতে সড়ে দাঁড়ানোর মধ্য দিয়ে। আওয়ামী লীগ পবিত্রতার সরোবর হতে উঠে আসা কোন পদ্মফুল নয় যা পত পত করে আজীবন ভাসতে থাকবে। সময়ের দাবি মেটাতে এ দেশের মানুষ অতীতে যেমন রাস্তায় নেমেছে সামনেও নামবে। হাতে রক্ত আর আঙিনায় লাশ রেখে ক্ষমতা পোক্ত করার অভ্যাস সেই পাকিস্তান আমল হতেই চলে আসছে। দলীয় চামচা দিয়ে প্রতিপক্ষের সভাস্থলে পালটা সভা ডাকা, শান্তি শৃঙ্খলার দোহাই দিয়ে ১৪৪ ধারা জারী, এসব বেদের মেয়ে জোৎস্না জাতীয় রাষ্ট্রীয় ভণ্ডামী দেখতে দেখতে জাতির পিউবিক হেয়ার পর্যন্ত পেকে গেছে। পাকা সে চুলে রং লাগাতে চাইলে বর্তমান ক্ষমতাসীন দলকে নতুন কোন ব্রান্ড খুঁজতে হবে। গোদ্‌রেজের মত অতীতের তাবৎ ব্রান্ড এখন ব্যর্থ। ব্যর্থতার চুনকালি মুখে নিয়ে কেউ পরজগতে চলে গেছেন, কেউবা এরশাদের মত বেশ্যাবৃত্তিতে নেমেছেন। রাজনীতিতে টিকে থাকতে চাইলে সহাবস্থানের বাস্তবতা মানতে হবে, মানতে হবে গণতান্ত্রিক আচার আচারণ। বাবার নাম আর স্বামীর নাম ভাঙ্গিয়ে ১৭ কোটি মানুষের জীবনকে জিম্মি করার রাজনীতির বিরুদ্ধে মানুষ সচেতন হচ্ছে। হয়ত সময় নেবে, কিন্তু একদিন না একদিন তা ঘটবে, এ দেশের মানুষ ময়লা আবর্জনার মত উপড়ে ফেলবে রাজনীতি নামের এসব অরাজকতা, লুটপাট আর রাষ্ট্রীয় ভণ্ডামী। এক হানিফ আর সুরঞ্জিত বাবুর মত মেঠো কামলা দিয়ে সে জোয়ার ঠেকানো সম্ভব হবেনা। আমরা মুখ খুলে উচ্চকণ্ঠে বলতে পারছিনা ঠিকই, কিন্তু অন্তরে লালন করছি, অনেকদিন ধরে লালন করছি সে স্বপ্ন।

» Topics:

Comments

Louis Vuitton Sac Louis

Louis Vuitton Sac Louis Vuitton Sac
Louis Vuitton Pas Cher Louis Vuitton Pas Cher
Louis Vuitton Sac Pas Cher Louis Vuitton Sac Pas Cher

Sac Louis Vuitton Sac Louis Vuitton
sac louis vuitton pas cher Sac Louis Vuitton
louis vuitton sac Sac Louis Vuitton
louis vuitton pas cher Louis Vuitton Site Officiel

Sac Louis Vuitton Sac Louis Vuitton
louis vuitton pas cher Sac Louis Vuitton
louis vuitton sac Sac Louis Vuitton

Monster Beats Monster Beats
Beats By Dre Monster Beats
Casque Beats By Dre Beats By Dre
Beats By Dre pas cher Beats By Dr Dre

Monster Beats Monster Beats
Beats By Dre Beats By Dre
Monster Beats pas cher Monster Beats pas cher

Ray Ban Aviator Ray Ban Aviator
Ray Ban Pas Cher Ray Ban Pas Cher
ray ban aviator pas cher ray ban aviator pas cher

You should deserve some respect.......

Dear Future BD,
You should deserve some respect. There are few in this blog who can talk without bias on either BAL or BNP. We everybody know what is going on in Bangladesh. But, we dont realize who are mostly responsible for this. We blame either BAL or BNP. But, we dont realize that both are responsible for some common things (e.g. political dilemma, top-to-bottom corruption, share market collapse, economic crisis, unwanted price hike, business syndicate, ill student politics, etc.).

Thanks everybody.

Future BD's picture

@ Granite: কেন ফিউচার বিডি নামটা বেছে নিয়েছিলাম!!!

আমার এই নামটা বেছে নেবার পেছনে একটা উদ্দেশ্য ছিল। আমি একটা অতি সাধারণ মানুষ আপনাদের অনেকেরই তুলনায়। তারপরও, সবাইকে একটা আহ্বান জানাতে ইচ্ছা পোষণ করি। সেটা হচ্ছে, নেতা-নেত্রী/দল-মত বাদ দিয়ে আমরা তো সবাই বাংলাদেশকেই সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিতে পারি। আমার মতে, দেশ একটা মা যার সাথে প্রতারণা করা চলে না।

আপনিও ব্যক্তি আমাকে টেনে আনলেন হয়তো। বরং, আমি আশা করি আমার মন্তব্যের ভাল-মন্দ বিচার করে প্রতি-মন্তব্য দিন। আর, এখানে আমি তো লেখক নই। একজন মন্তব্য প্রদানকারী মাত্র।

কেন শ্রদ্ধা চাইনা সেটা বলি। আমি দেখেছি, আমাদের হাসিনা বা খালেদাকে নিয়ে অনেকে মঞ্চে উঠে এমন বক্তব্য দিতে শুরু করেন যে তাদের চোখে প্রশান্তির ঘুম চলে আসে!! এই প্রশান্তি পাবার তো হক দাবিদার আমাদের জনগণ। দেশটা তো জনগণের, শুধু সেবকের তা নয়। সেবকের কাজ হোক সেবা দেয়া। আগামী কোন এক দশকের বাংলাদেশটা দেখতে যেন এরকমই হয় - সেটাই যদি হতো আমাদের সবার স্বপ্ন। 'আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে' - কত স্বপ্ন দুচোখ বেয়ে নামে!!

আমি তুচ্ছ এবং নগণ্য, আমার প্রতি কোন শ্রদ্ধা না হয় নাইবা থাকলো। বিনিময়ে, আমাকে আমার দেশ নিয়ে স্বপ্ন দেখার সুযোগ দিন। পৃথিবীর উন্নত কোন একটা দেশে থাকবার পরও আমার তো নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে। আপনাদেরও হয় না কি? হো'লে, সেখান থেকে বের হবার পথ দেখান। সবার এক সাথে জেগে উঠবার সময় এখনও ফুরিয়ে যায়নি।

আপনার মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন সকলেই।

One of my favorite song!!

Thanks Future BD for uploading this one of my favorite song: I listen more than 100 times. Just ignore those নির্লজ্জ, Behaya and rubbish (they don’t know what they’re writing), who do not have any love towards BD. I have always respects towards you Mr. Future BD. God bless Bangladesh.

Future BD's picture

@ রাজুঃ এত সহজেই শ্রদ্ধা জানাবেন কেন?

ভাই রাজু, আপনার মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

আপনি হয়তো বলতে পারতেন, ব্লগে যাদের মন্তব্য আপনার ভাল লাগে আমিও তাদের একজন। কিন্তু, শ্রদ্ধার কথা যখন আসলো তখন মনে হচ্ছে যে আমি কি তার যোগ্য? দেশের জন্য কি করতে পারলাম এই জীবনে? শ্রদ্ধাটা এত সহজেই পেতে চাচ্ছি না যে। তবে, আপনাদের দোয়া থাকলে আর বেঁচে থাকলে দেশের জন্য কিছু একটা করতে চেষ্টা করবো অবশ্যই - তা যত সামান্যই হোক না কেন। ভাল থাকবেন।

My respect because:

I forgot the singer’s name (in 80’s): “dam diay kenesi bangla eta karo dan noy”. My understanding (guess) from one of your comments that you’re a “Muktizodda” and many other reasons as Mr. Granite explained. In addition to that, I cannot express my concern the same way as yours due to limited and stressful life/time but you always say what I wanted to say. Believe me; I checked priyo once or twice a week and when I see you people’s comments, I feel proud. I really don’t look/read rubbish stuff like Agachow and some newly phenotypic expressed writer. RESPECT COMES FROM MIND AND YOU DESERVED THAT. PM HASHINA WANTED TO BUY RESPECT, HONOUR AND THE MOST PRESTIGIOUS “NOBEL PRIZE” AND YOU, I AND ALL THE BD PEOPLE KNOWS THE CONSEQUENCES. SAME WITH THE OTHER PARTS OF THE COIN. MANY INTELECTUALS ARE THERE IN BOTH PARTIES, LET THEM COME IN FRONT.
Meanwhile, you have a wonderful week-end.

Future BD's picture

@রাজুঃ মুক্তিযোদ্ধা হবার সৌভাগ্য আমার হয়নি।

ভাই রাজু, মুক্তিযুদ্ধের সময় আমি খুব ছোট ছিলাম। তবে, দুর্বিষহ কিছু স্মৃতি রয়ে গেছে। এক জায়গায় লিখেছিলাম, অনেকেই যখন ভারতে আশ্রয় পেয়েছিল আমরা তখন জঙ্গলে জঙ্গলে ঘুরেছি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বাবাকে নিয়েই ছিল আমাদের যত ভয়। পাক-আর্মিদের হাতে ধরা খেয়েও তিনি দু'বার বেঁচে গিয়েছিলেন ছলে-বলে আমাদেরই চোখের সামনে। মা এবং আমাদের ভাইবোনদের হয়েছিল দম আটকে যাবার অবস্থা। একজন ঠাট্টা করে জিজ্ঞেস করেছিল, এত ছোট বেলার স্মৃতি আমার মনে আছে কিভাবে? আমি বলেছিলাম, যতবার আমার দম আটকে গিয়েছিল সেগুলোই শুধু মনে আছে।

মুক্তিযোদ্ধা ছিলাম না বলেই যত দুঃখ। জোর গলায় কিছুই দাবি করতে পারছি না। বরং, দেখেছি মুক্তিযোদ্ধাদেরকেই প্রকৃত কোন সম্মান জানানো হয় নাই স্বাধীনতার পর থেকেই। ফলে, অনেক মুক্তিযোদ্ধাও বিপথগামী হয়েছিলেন।

আমরা অনেকেই নব্বই-এর আন্দলনে ভীষণ ভাবে সক্রিয় ছিলাম। আর, অন্যদের দেখলাম হালুয়া-রুটি খেতে। তাই এই ব্লগের জগতে লিখতে বসেছি। শ্রদ্ধা আর ভালবাসা আমার কাছে গৌণ হয়ে গেছে। আগে চাই একটা সুন্দর বাংলাদেশ যেখানে আমার বাচ্চাদের নিয়ে ফিরে যেতে চাই।

Future BD's picture

নির্মমতা কতদূর হ'লে জাতি হবে নির্লজ্জ?

'বুকের ব্যথা বুকে চাপায়ে নিজেকে দিয়েছি ধিক্কার।'
http://www.youtube.com/watch?v=oL8IRwyXT80

"বাবার নাম আর স্বামীর নাম ভাঙ্গিয়ে ১৭ কোটি মানুষের জীবনকে জিম্মি করার রাজনীতির বিরুদ্ধে মানুষ সচেতন হচ্ছে। হয়ত সময় নেবে, কিন্তু একদিন না একদিন তা ঘটবে, এ দেশের মানুষ ময়লা আবর্জনার মত উপড়ে ফেলবে রাজনীতি নামের এসব অরাজকতা, লুটপাট আর রাষ্ট্রীয় ভণ্ডামী। " - নিজেকে আর ধিক্কার জানাবার ইচ্ছা আমার নেই, ধীরে ধীরে চিৎকার শুরু করবার অপেক্ষায় আছি। সুন্দর লেখাটার জন্য অনেক ধন্যবাদ।