বঙ্গবন্ধু ব্যাংক, সময়ের দাবি!...WD

WatchDog's picture

মারাত্মক একটা খবর দিয়েছে ইংরেজী দৈনিক দ্যা নিউ এইজ। ওবামা প্রশাসন হলুদ কার্ড দেখাচ্ছে শেখ হাসিনা সরকারকে। অপরাধ;- হ্যারাসমেন্ট। না সেক্সুয়াল নয়, বরং ইউনুস হ্যাসারমেন্ট। স্টেট ডিপার্টমেন্ট বলছে নোবেল বিজয়ী এ অর্থনীতিবিদের প্রতি সরকারী বৈরিতা বন্ধ না হলে বাংলাদেশ সরকারের সাথে কূটনৈতিক যোগাযোগ বন্ধ রাখবে মার্কিন সরকার। এপ্রিল মাসের প্রথম দিকে মার্কিন পররাষ্ট্র সেক্রেটারী হিলারী ক্লিনটনের বাংলাদেশ সফরেও ইউনুস শর্ত জুড়ে দিয়েছে ওবামা প্রশাসন। বিশ্ব ইসলামী ফোরাম সম্মেলনে যোগদানের জন্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনারও ওয়াশিংটন সফরের কথা একই মাসে। এখানেও শর্ত, ডক্টর ইউনূসের কাছে গ্রহনযোগ্য কোন সমাধানে না আসা পর্যন্ত শেখ হাসিনার জন্যে হোয়াইট হাউজের দরজা বন্ধ। মার্কিন চাপ সামাল দিতে অভিজ্ঞ মন্ত্রী মাল মুহিতকে দিল্লী পাঠিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। একই সময় দিল্লিতে অবস্থান করছিলেন ডক্টর ইউনুস ও গ্রামীন ব্যাংকের প্রাক্তন চেয়ারম্যান বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ জনাব রেহমান সোবহান। আলোচনায় অংশগ্রহণকারী একজনের মতে ডক্টর ইউনুস যা বলার তা বলে দিয়েছেন এবং বল এখন মন্ত্রীর কোর্টে। মার্কিন সরকার সহ পশ্চিমা বিশ্বের আশংঙ্কা শেখ হাসিনা রাজনৈতিক কারণে ডক্টর ইউনুসকে গ্রামীন ব্যাংক হতে তাড়াতে চাচ্ছেন। সূত্র বলছে, ডক্টর ইউনুসের উপর রাজনৈতিক হ্যারাসমেন্ট বন্ধ না হলে তৈরী পোশাক রপ্তানির উপর কর মওকুফে বাংলাদেশি আবেদনেও ঠান্ডা পা দেখাবে মার্কিন সরকার।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ। জাতির পিতা অথবা স্বাধীনতা ঘোষক রোগে আক্রান্ত নয় এ দেশ। তাই ডক্টর ইউনুস নিয়ে দেশটার সিদ্ধান্তকে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে বাধা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র হিসাবে আখ্যায়িত করার সুযোগ নেই। আমরা যারা ডাল-ভাতের বাংলাদেশি তাদের মনে প্রশ্ন জাগতে বাধ্য ডক্টর ইউনুসের মাঝে কি এমন দেখতে পেল পশ্চিমা দুনিয়া যা আমরা দেখছি না? জনগণের ম্যান্ডেট প্রাপ্ত সরকারের প্রধানমন্ত্রী বলছেন ইউনুস ’রক্তচোষা ভ্যাম্পায়ার’, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা বলছেন দুর্নীতিবাজ। আর আমার মত হুক্কাহুয়া টাইপের ব্লগাররা প্রধানমন্ত্রী আর তার গবুচন্দ্র মন্ত্রীদের সুরে সুর মিলিয়ে ইউনুসকে অভিযুক্ত করছি গরীব মারার সুনিপুণ কারিগর হিসাবে। প্রতিবেশি দেশের নোবেল বিজয়ী আমর্ত্য সেনকে দাওয়াত করে যেদিন সন্মানিত করা হল, একই দিন স্বদেশি নোবেল বিজয়ীকে আদালতে হাজিরা দিতে হল জালিয়াতির মামলায়। গ্রামীন ব্যাংকের ব্যাংকিং পদ্ধতি নিয়ে তর্ক হতে পারে, এর সাফল্য ব্যর্থতা নিয়ে দ্বিমত থাকতে পারে, কিন্তু বাংলাদেশের মত তৃতীয় বিশ্বের দেশ হতে দরিদ্র দূর করতে চাইলে রাজনৈতিক সরকারের বাইরে দ্বিতীয় ধারার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তর্ক করার অবকাশ নেই। চুরি-চামারিতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন রাজনীতিবিদ আর তাদের সহযোগী আমলাদের দিয়ে ১৭ কোটি মানুষের দেশ বাংলাদেশের ভাগ্য কতটা পরিবর্তন করা যাবে তার কিছুটা হলেও নমুনা দেখেছি ৩৯ বছর ধরে। টিভির টক শো আর খবরের কাগজ মাতানো দেশপ্রেমিকের অভাব নেই বাংলাদেশে। এসব করতে পরিশ্রমের যেমন দরকার হয়না তেমনি দরকার হয়না মেধার। যা দরকার হয় তা হল নির্দিষ্ট একটা দল ও নেত্রীর প্রতি ডেডিকেশন। ডক্টর ইউনুসের সমস্যাটা বোধহয় এখানেই। শুধু ৩০% কেন, ৩০০% সুদও বৈধ হবে যদি গ্রামীন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডক্টর মোহম্মদ ইউনুস দুটো রাজনৈতিক দলের যে কোন একটার গোলামির খাতায় নাম লেখান। 

আমার নিজস্ব কিছু সোর্স আছে যাদের মাধ্যমে দেশীয় রাজনীতির হাঁড়িপাতিলের খবর রাখার চেষ্টা করি। এসব সূত্র হতে চমকপ্রদ কিছু তথ্য পেলাম ডক্টর ইউনুসের উপর। আমার মত অনেকেই যারা শেখ হাসিনার ইউনুস হিংসা নিয়ে লেখালেখি করছেন তাদের জন্যে খবর হতে পারে এ তথ্য। বিশ্বাস অবিশ্বাস পাঠকদের স্বাধীনতা। ডক্টর ইউনুসকে নিজের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং প্রয়াত পিতা শেখ মুজিবের প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করছেন শেখ হাসিনা।  বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তার কারণে মাইক্রো ক্রেডিট ও ইউনুস নামের আড়ালে চাপা পরে যাচ্ছে শেখ মুজিবের নাম, তাই দৃশ্যপট হতে এ ব্যক্তির প্রস্থান জরুরী হয়ে দাঁড়িয়েছে শেখ পরিবারের জন্যে। রাস্তাঘাট, পয়ঃপ্রণালী সহ এমন কোন স্থাপনা নেই যার নামকরণ করা হয়নি বঙ্গবন্ধু অথবা শেখ মুজিব নামে। প্রতিদিনের মত আজও একটা ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হল জাতীয় এই নেতার নামে, এ যাত্রায় ২৬৫ কোটি টাকা ব্যায়ের মেরিটাইম ভার্সিটি। ৫০ হাজার কোটি টাকার বঙ্গবন্ধু এয়ারপোর্ট ছাড়াও হাজার হাজার কোটি টাকার বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ঝুলছে পাইপ লাইনে। সবকিছুতে থাকলেও বঙ্গবন্ধু নামের ব্যাংকের অভাব অনুভব করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মিশনের অংশ হিসাবে গ্রামীন ব্যাংকের নাম পরিবর্তন করে বঙ্গবন্ধু ব্যাংক রাখার ইচ্ছা প্রকাশ করছেন প্রধানমন্ত্রী। ৯০ লাখ গ্রাহক, পরিবার প্রতি গড়ে ৩ জন করে ধরলেও ২ কোটি ৭০ লাখ স্বদেশি, পিতার নাম অমর করার এমন একটা মহা সুযোগ হারাতে রাজী নন কন্যা শেখ হাসিনা। প্রকল্প বাস্তবায়ন করা গেলে শুধু দেশে নয় পৃথিবীর পথে-প্রান্তে ছড়িয়ে পরবে পিতার নাম। যারা খবরটা পড়েননি তাদের অবগতির জন্যে জানাচ্ছি লন্ডনের ’ম্যাদাম তুসো’ জাদুঘরে পিতার মোমের মূর্তি স্থাপনের লবি করছেন কন্যা শেখ হাসিনা।

সিন্ডিকেটেড অপরাধচক্রের বিরুদ্ধে লড়াই করে টিকে থাকার মত শক্তি জন্ম নেয়নি বাংলাদেশে, নিকট ভবিষ্যতেও জন্ম নিবে বলে মনে হয়না। বিদেশি বন্ধু নিয়ে ডক্টর ইউনুস এ দৌড়ে খুব একটা এগুতে পারবেন বলে মনে হয়না। রাজনীতির সুবিধাভোগী প্রচার মাধ্যম আর  উচ্ছিষ্টখোর বুদ্ধিজীবীদের পাহাড় সমান বাধা অতিক্রম করার মত মেধা, শক্তি আর ধৈর্য্য কোনটা-ই নেই ডক্টর ইউনুস চরিত্রে। গ্রামীন ব্যাংক নিয়ে বাংলাদেশে টিকে থাকতে চাইলে ডক্টর ইউনুসকে নতুন একটা নোবেল পেতে হবে, আর তা হল নিঃশর্ত দাসত্ব (বংগবন্ধু ব্যাংক), এ ধরণের একটা নোবেল পাওয়ার আগ পর্যন্ত ডক্টরের উচিৎ হবে সন্মান নিয়ে বাংলাদেশ হতে কেটে পরা।

25Comments

1
onejob
Thu, 10/05/2012 - 2:21pm

As the

coach factory

does not pre-censor it is absolutely impossible to know what they would have made of the

louis vuitton

, or indeed the Billboard image. To this extent it is a judgement call by C4. While we can only speculate that the

coach outlet store

might have taken

coach outlet store

to the subvertised pics it seems more likely

tory burch boots

could have end up with a libel writ than a

louis vuitton

off from the

louis vuitton handbags

. Even then, many

coach factory

are now choosing to ignore subverted pics either because they adhere to the old adage 'there is no such thing as bad publicity' (really?) or the subverted pics are, in effect, fair comment on well documented dodgy

burberry

carried out by the

tory burch boots

. From a reading of the

coach handbags

codes it would also appear unlikely they would have had a problem with the Billboard image, after all

coach handbags

Thomas has done a lot worse and

coach store online

have not faced an

coach outlet

complaint. Jess Search has stated on the Indymedia site that

coach purses

4 is not afraid to challenge major multi-national

hermes

. Fair enough, but what then makes these pics different? Jess Search cites Sections 3 (on Impartiality) and Section 5 (on

hermes handbags

and Anti-social

burberry handbags

of the

coach factory outlet

code as particularly relevant to the

burberry outlet

discount coach Purses

. Section 3 of the ITC code states 'matters relating to current political issues, those of a current industrial relations nature, and current public policy which is subject to opposing points of view should be regarded as 'controversial'. The due impartiality requirement does not apply to every topic where differences of

louis vuitton Sale

may exist.' It goes on to say this does not mean

coach outlet store online

need to be absolutely neutral on every controversial

louis vuitton handbags

and the code makes

coach factory store online

for allowing individual

burberry handbags

to put forward personal or subjective views and for those

tory burch

to be reflected in a programme. Would an image of the

burberry

down of a

hermes belts

hoarding by

tory burch outlet

Activists really be such a 'controversial' issue? Would it really break

tory burch outlet

impartiality? Certainly old

hermes birkin

media hands find it difficult to imagine how the Billboard shot would infringe the

coach factory

code. In fact, the code appears to provide a great deal of leeway in

coach purses

to this particular image. We asked Jess Search if concern for advertisers has played any part in the

louis vuitton shoes

decision, unfortunately as he/she declines to

coach factory outlet online

we can only take a wild,

coach factory online

guess in the dark with a double

louis vuitton outlet

on. It is certainly disappointing that

coach factory

4, a non-profit publisher-broadcaster which is required, legally, to be innovative and to cater for different

louis vuitton shoes

and

coach purses outlet

from those

coach purses outlet

by

www.coachfactory.com

believed it could not screen the

louis vuitton outlet

submitted by i-contact. Was this down to some

hermes

naivety at C4? After all subverting is all about

tory burch

two fingers up at the corporations and it would be impossible to cover such issues without a wee bit of

coach outlet online

. On the other

louis vuitton

, is this just another example of

coach factory outlet coupons

down and playing it safe to satisfy the

coach outlet

? 'Around

coach outlet store online

world in

coach factory store

raves',

coach purses outlet

, ..it seems it is fine to show women as naked

coach factory outlet store

, out of it kids on

burberry outlet

, but not legitimate

coach factory

of protest. Is Big Brother really the best it will get? It is also ironic given the amount of sponsored programmes now on

hermes handbags

. Such sponsorship means

lv bags

contribute to the

louis vuitton

of a programme targeted at a specific audience in return for airtime. For example 'The Lynx Voodoo

coach purses outlet online

show funded by those well known animal lovers Unilever. But we think the

coach outlet

Times sponsored

louis vuitton bags

Greatest TV Adverts says it all really.

2
topsgranite
Sat, 31/03/2012 - 7:55am

Today’s kitchens are adopting color and an increased choice of available Granite Countertop, while stainless steel remains a true competitor. Color is coming back to the Granite Slab, and one way to carry color into the kitchen is with a Cast Iron sink. Companies have made beautiful cast iron products since its early beginnings in the late 1800s.

3
actiform
Thu, 13/10/2011 - 7:23pm

"এটা কোন ব্যাপারই না। সংসদের আগামী অধিবেশনেই চড়ক গাছ বিষয়ক একটি কমিটি করে দেবো। দিপু মনি ঐটার সভাপতি থাকবে। ঐ প্রকল্পের জন্য আমি ৫০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করবো। তুমি নিশ্চিত থাকো। ডিজিটাল সরকার চড়ক গাছের গোষ্টি উদ্ধার করেই ছাড়বে।"

bruleur de graisse

4
WatchDog
WatchDog's picture
Sun, 29/05/2011 - 7:50am

ইউনূসের ভূমিকায় ইরফান খান

ফয়সল আবদুল্লাহ: নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে নিয়ে ছবি বানাচ্ছেন ইতালীয় পরিচালক মার্কো আমেন্তা। সার্গিও দোনাতির লেখা আন্তর্জাতিক বেস্টসেলার অবলম্বনে নির্মিত ছবিটির নাম ‘ব্যাংকার টু দ্য পুওর’। ড. ইউনূসের ভূমিকায় অভিনয় করবেন বলিউডের গুণী শিল্পী ইরফান খান। এ জন্য কিছুদিন আগে আমেন্তার সঙ্গে চুক্তিও হয়েছে তার। আর ছবির জন্য চরিত্রটাকে বুঝে নিতে শিগগিরই ড. ইউনূসের সঙ্গে দেখা করতে ইরফান বাংলাদেশ আসছেন বলে জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া। ছবির চিত্রধারণ হবে বাংলাদেশেই। আর তাই অচিরেই বাংলাদেশে আসবেন পরিচালক আমান্তাও। ড. ইউনূসের নোবেল জয়ের পরই গ্রামীণ ব্যাংকের কার্যক্রমের ব্যাপারে উৎসাহী হয়ে ওঠেন এ পরিচালক। এর আগে ২০০৯ সালে ‘দ্য সিসিলিয়ান গার্ল’ নির্মাণ করে বেশ নাম কুড়িয়েছিলেন মার্কো আমেন্তা।

সিনে সম্পর্কে যার সামান্যতম জ্ঞান নাই সেই লোক বানাবে ছবি, তাও আবার ইউনুসের উপর। আমাদের মহান নেত্রী ও তার বাবা, বোন, মা, ভাইত্রয়, বধূদ্ধয়, বাসার কাজের লোক, এসব ডিংগিয়ে ইউনূসের উপর ছবি বানানো রাষ্ট্রীয় অপরাধ। আসুন এ অপকর্মের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াই এবং কাগজে কলমে প্রমাণ করি ইউনূসের উপর নয় বরং শেখ হাসিনার উপর ছবি বানানো উচিৎ। এতদ সম্পর্কিত একটি কমিটি গঠন করার প্রস্তাব করছি। যারা এই কমিটিতে কাজ করতে আগ্রহী তাদেরকে যোগাযোগ করার অনুরোধ করছি। 

5
Raju
Sun, 29/05/2011 - 8:26am

 


Brazilian President Dilma Rousseff showed a keen interest in the concept of Social Business of Professor Yunus and she expressed her desire to know how Brazil could adopt this concept. She showed the interest when Nobel Laureate Professor Muhammad Yunus met President Rousseff at the Presidential Palace.


6
WatchDog
WatchDog's picture
Sun, 29/05/2011 - 8:50am

 কমিটির প্রধান হিসাবে এই ব্লগের জনৈক ডক্টর/ডাক্তার সাহেবের নাম প্রস্তাব করতাসি...তালিয়া লাগান এবং কবুল কইরা নেন। নিজে পইড়া এই বানী পরিচিত/অপরিচিত ১০ জনকে পড়তে দিলে রাতারাতি বড় লোক হইবেন। বলেন আমিন...

7
WatchDog
WatchDog's picture
Sun, 22/05/2011 - 1:27am

[Add to digg] [Add to FURL] [Add to blinklist] [Add to reddit] [Add to Technorati] [Add to YahooMyWeb] [Add to Co.mments] [Add to NewsVine]

১।
আমি এখন দাড়িয়ে আছি বসুন্ধরা সিটির সামনে।
আজকালকার ঢাকা শহরে বেশ একটা পরিবর্তন এসেছে। আগে রুপবতী তরুনীদের একা একা হাঠতে দেখা যেতো। এখন আর সেটা দেখা যায় না। সব সময় রুপবতীদের সাথে একটা করে চ্যাংড়া ছেলে থাকে।

আমি একটা চ্যাংড়া ছেলে আর একটা রুপবতী মেয়েকে ফলো করছি। এরা মার্কেটের ভিতরে হাত ধরাধরি করে হেটেছে। এখন মার্কেট থেকে বেরিয়ে একটা বাইকে উঠেছে।
বাইক স্টার্ট দেয়ার আগে দেখলাম মেয়েটার হাত ছেলেটার বিশেষ যায়গা ছুয়ে গেলো।
আমার অবাক হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু হলাম না। এটাই প্রকৃতির নিয়ম। প্রকৃতি সবার জ্বিনে লিখে রেখেছে- "তুমি যখন তোমার বয় ফ্রেন্ডের সাথে বাইকে উঠবে তখন আলতো করে তার বিশেষ যায়গায় ছুয়ে দেবে। নিজেদের জন্য এটা করবে না, করবে আমার নিয়ম মানার জন্য। আমি নিয়ম বানিয়ে দিয়েছি। এই নিয়ম তোমাকে মানতেই হবে”।

এ ব্যাপারে আমার বাবার একটা বানী ছিলো। কিন্তু বানীটা এখন মনে আসছে না। মনে করার চেষ্টা করছিলাম। হঠাৎ পেছন থেকে কে জানি ডাক দিলো-

- “এই হিমু!”

আমি ঘুরে তাকালাম। চোখ পিট পিট করে চারিদিকে খেয়াল করলাম। দেখলাম পিছনে বোরখা পরে কে জানি দাঁড়িয়ে আছে। নেক-আপ দিয়ে মুখ ঢাকা।

- “কিরে! চিনতে পারছিস না? আমি তোর সাহারা খালা। সাহারা খাতুন। এখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হয়েছি। দাড়া। নেক-আপ খুলি। নেক আপ খুললে চিনতে পারবি।”

সাহারা খালা নেক-আপ খুলে আমার সামনে দাড়ালেন। আমি আনন্দে একটা চিৎকার দিয়ে উঠলাম।
- “ওয়াও! সাহারা খালা! কি সুইট। কত্তোদিন পরে তোমার সাথে দেখা। আছো কেমন?”
- ভালো নাইরে। অনেক সমস্যায় আছি। তোকে আমার সাথে যেতে হবে।
- কোথায়?
- "প্রধানমন্ত্রীর কাছে।"
শুনে আমার চুক্ষু পুরা চড়ক গাছ হয়ে গেলো।
আচ্ছা! চড়ক গাছ দেখতে কি রকম! এটা কি শীতকালীন বৃক্ষ? নাকি গৃষ্মকালীন? এটাতে কি ফুল হয়? হলে সেই ফুলের রঙ কি রকম?”

সাহারা খালা হালকা কাশি দিলেন।
- “কিরে! ভ্যাবদা খেলি নাকি?”

আমি আবার অবাক হলাম।
আচ্ছা! ভ্যাবদা কি জিনিষ? ভ্যাবদা খেলে কি হয়? এটা খেতে কি রকম? টক? ঝাল? নাকি মিষ্টি?

সাহারা খালা বললেন। -“চল আমার সাথে। তোকে প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করিয়ে দেই”।
আমি বললাম- “তথাস্তু!”


২।
প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা হচ্ছে।
- “বুঝলে হিমু! তোমার কথা অনেক শুনেছি। তুমি নাকি যেকোন সমস্যা সমাধান করে দিতে পারো!”

আমি মধুর ভঙ্গীতে হাসলাম।
- “তাছাড়া তোমার নাকি সুপার ন্যাচারাল পাওয়ারও আছে”

আমি আবার হাসলাম।

- “তাহলে শুনো! তোমাকে যে জন্য ডেকেছি! আমি বিরাট ঝামেলায় পড়েছি। আমার ঘরে এত্তো এত্তো পুরষ্কার! এত্তো এত্তো ডক্টরেট সার্টিফিকেট! কিন্তু একটা নুবেলও নাই। এটা কোন ব্যাপার হলো?”

আমি চোখে মুখে সিরিয়াস ভাব এনে বললাম
- “অতি খারাপ ব্যাপার। এটা ষড়যন্ত্র। জাতির পিতার স্বপ্নের পরিপন্থি”

- “এইতো তুমি বুঝেছো! কিন্তু সমস্যাটা হলো কোথাকার কোন ইউনুসের নাকি একটা নুবেল আছে। কি তাজ্জব ব্যাপার! ঐ ইউনুস আবার আমার দলের লোক না!”

- "এখন আমার কি করতে হবে প্রধানমন্ত্রী? "

- “তোমাকে ঐ ইউনুস ব্যাটাকে বুঝিয়ে শুনিয়ে একটা লাইনে আনতে হবে। আর আমার জন্য একটা নুবেলের ব্যাবস্থা করতে হবে।”

আমি তুড়ি মেরে বললাম - “তথাস্তু।”

- “তোমার আর কোন প্রশ্ন আছে হিমু?”

- "একটা প্রশ্ন আছে। চড়ক গাছ দেখতে কি রকম! এটা কি শীত কালীন বৃক্ষ? নাকি গৃষ্মকালীন? এটাতে কি ফুল হয়? হলে সেই ফুলের রঙ কি রকম?”

প্রধানমন্ত্রী বললেন-
- "এটা কোন ব্যাপারই না। সংসদের আগামী অধিবেশনেই চড়ক গাছ বিষয়ক একটি কমিটি করে দেবো। দিপু মনি ঐটার সভাপতি থাকবে। ঐ প্রকল্পের জন্য আমি ৫০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করবো। তুমি নিশ্চিত থাকো। ডিজিটাল সরকার চড়ক গাছের গোষ্টি উদ্ধার করেই ছাড়বে।"

৩।
আমি আর ডক্টর ইউনুস মুখোমুখি বসে আছি।

- “ইউনুস সাহেব! আপনার সামনে মহা বিপদ। আপনার খবর আছে। ইউ হ্যাভ নিউজ ম্যান!”

ইউনুস সাহেব মুখ কালো করে বললেন,
- “এখন আমাকে কি করতে হবে?”

আমি কানে কানে ইউনুস সাহেবকে কিছু কথা বললাম।
তারপর বললাম- “বাচতে হলে আপনাকে এগুলো করতেই হবে।”

ইউনুস সাহেব বিরস বদনে বললেন - “তথাস্তু!”


৪।
পরদিন পত্রিকায় আসলো-
“ইউনুস সাহেব ছাত্রলীগে যোগদান করেছেন। তিনি নাম বদলে নিজের নাম রেখেছেন শেখ ইউনুস। এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে ইউনুস বলেন- বংগবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হিসেবে তিনি বাকি জীবন কাটিয়ে দিতে চান”

আমি পত্রিকা পড়ে একটা তৃপ্তির ঢেকুর তুললাম।
যাক! ইউনুস সাহেব বিপদ থেকে বাচলেন।

৫।
প্রধানমন্ত্রীর সাথে দ্বিতীয় বার সাক্ষাৎ হচ্ছে।
- সাবাশ হিমু। তুমি ইউনুসকে আমাদের দলে ভেড়াতে পেরেছো। তোমাকে জাঝা”।

আমি লাজুক ভঙ্গিতে হাসলাম।

প্রধানমন্ত্রী বললেন- "এবার তাহলে নোবেল সমস্যার একটা সমাধান করো।"

আমি প্রধানমন্ত্রীর কানে কানে কিছু কথা বললাম। তারপর বললাম এগুলো করতে পারলেই নোবেল সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

প্রধানমন্ত্রী শুনে দারুন খুশি হলেন।
- “হিমু! ইউ আর এ জিনিয়াস”

৬।
পরদিন পত্রিকায় আসলো-
“১০০ কোটি টাকা ব্যায়ে ‘বঙ্গবন্ধু নোবেল পুরষ্কার’ চালু করা হয়েছে। প্রথম বার এই পুরষ্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা”

আমি আবার তৃপ্তির ঢেকুর তুললাম। যাক জননেত্রীর মান সম্মান রক্ষা হলো। একটা নুবেল অন্তত পাইয়ে দেয়া গেলো।

এবার চড়ক গাছ রহস্যের সমাধানের জন্য অপেক্ষা

লেখকঃ আলিম আল রাজি...

8
axis
Wed, 04/07/2012 - 1:20pm

আগামী ২৬শে এপ্রিল বর্তমান চেয়ারম্যান তবারক হোসেনের মেয়াদ শেষ হবে। একে উপলক্ষ করে আমরা ট্রানজিশান প্রক্রিয়া শুরু করতে পারি। তার শূন্যপদ আমরা এভাবে পূরণ করতে পারি।
বিকল্প ১

IAS Coaching in Chandigarh

9
WatchDog
WatchDog's picture
Sat, 05/03/2011 - 10:08am

A debate over the ownership of the Grameen Bank is brewing, as the finance and foreign ministers have repeatedly claimed Grameen is a government institution.

A question about the government's stake in the bank came to the fore after the "removal" of Nobel laureate Prof Muhammad Yunus from the post of its managing director.

Grameen Bank website shows the bank's borrowers own 95 percent of the bank's total equity. The remaining five percent belongs to the government, which can obtain up to 25 percent stake in Grameen as per the law.

However, Grameen in a statement yesterday said the government's share in the bank has come down to 3.5 percent.

The question arises whether the government can claim the bank to be one of its organisations.

The present government, which holds only three seats in the 12-member Grameen board, now behaves as if Grameen is a state-controlled bank, not owned by its eight million borrowers.

Dr Salehuddin Ahmed, who headed Bangladesh Bank for four years until May 2009, sees no reason why the government should claim the Grameen Bank as one of its institutions.

“You cannot call it a government institution. It was set up by the government under a special act,” said Ahmed.

He said the bank is a legal entity, not a government institution.

A look into the Grameen's capital base and the government stake in it can clarify the matter.

When the bank was established in 1983 with a paid up capital (equity) of Tk 3 crore, the government's share in it was Tk 1.8 crore or 60 percent. Borrowers of the bank owned the remaining 40 percent, half of which belonged to female borrowers, according to the Grameen Bank Ordinance 1983.

The government in an amendment in 1986 raised the paid up capital to Tk 7.2 crore without subscribing proportionately to its ownership, reducing its stake to 25 percent. The rest belonged to the borrowers of the bank.

Over the years, the bank has increased its paid up capital that went up to over Tk 52 crore at the end of 2009 from Tk 35.8 crore the previous year.

The bank's paid up capital was Tk 31.8 crore in 2007 and Tk 26.95 crore in 2000.

“Grameen Bank has increased its paid up capital almost every year. But the government did not subscribe. So its shares have come down gradually and now stands around 5 percent,” said a senior central bank official.

Government high-ups quite often mention that the Grameen Bank was established by a 1983 ordinance, a special law.

“As per the law, the government has some sort of role in the bank. But it cannot control or claim the bank's ownership,” said the former governor of Bangladesh Bank.

The central bank on Wednesday issued a letter on Yunus' removal from the post of managing director of Grameen Bank for violating one of the statutes.

Wishing anonymity, a top Bangladesh Bank official said they could do nothing as the government wanted Yunus to quit the Grameen Bank he founded in 1976.

Both Grameen and Yunus have expanded well beyond banking. Yunus founded nearly 25 companies in many sectors -- energy, telecom, education, fisheries, dairy, software, internet, knitwear and fashion -- all of which aim at improving the living condition of the poor.

In 2006, Yunus and Grameen Bank received the Nobel Peace Prize for their efforts at economic and social development.

10
WatchDog
WatchDog's picture
Sat, 05/03/2011 - 6:07am

স্টাফ রিপোর্টার: ২০১০ সালেই গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদ থেকে সরে যেতে চেয়েছিলেন নোবেল বিজয়ী ড. ইউনূস। ওই বছরের ১৫ই মার্চ তিনি এ নিয়ে অর্থমন্ত্রীকে চিঠি লেখেন চিঠিটি হুবহু এখানে তুলে ধরা হলো-
প্রিয় মোহিত ভাই, আপনার হাত দিয়েই গ্রামীণ ব্যাংকের জন্ম হয়েছিল। এখন এই ব্যাংকের দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রবেশের সময় এসেছে। আমাকে এর পরিচালনার দায়িত্ব থেকে সরে আসতে হবে। দ্বিতীয় প্রজন্মের হাতে এর দায়িত্বভার তুলে দিতে হবে। এটা মসৃণভাবে হতে হবে। এ কাজটা আপনাকেই করে দিতে হবে। আমি সৌভাগ্যবান যে, এই দায়িত্বটা আপনার ওপর বর্তেছে। এই প্রক্রিয়া নিম্নলিখিতভাবে শুরু করা যেতে পারে।
আগামী ২৬শে এপ্রিল বর্তমান চেয়ারম্যান  তবারক হোসেনের মেয়াদ শেষ হবে। একে উপলক্ষ করে আমরা ট্রানজিশান প্রক্রিয়া শুরু করতে পারি। তার শূন্যপদ আমরা এভাবে পূরণ করতে পারি।
বিকল্প ১
জনাব তবারক হোসেনের মেয়াদ ৩১শে ডিসেম্বর, ২০১০ সাল পর্যন্ত বাড়ানো যায়। সে সময় আমি অবসর নেবো এবং আমাকে ১লা জানু. ২০১১ তারিখ থেকে চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেয়া যায়। তাতে পড়হঃরহঁরঃু বজায় থাকবে। হঠাৎ করে গ্রামীণ ব্যাংকের লোকজন ভয় পেয়ে যাবে না আমি অতীতেও কয়েকবার অবসর নেয়ার চেষ্টা করেছিলাম। এতে ব্যাংকের সর্বত্র একটা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমান উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ করবে। নূরজাহান বেগম, বর্তমান উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক একজন দক্ষ কর্মকর্তা এবং গ্রামীণ ব্যাংকের জন্মলগ্ন থেকে সে এর সঙ্গে আছে।
বিকল্প ২
জনাব তবারক হোসেনের দায়িত্বকাল বাড়াতে আপত্তি থাকলে নিচের যেকোন একজনকে এক বছরের জন্য চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেয়া যায়। আমার পছন্দের ক্রমানুসারে নামগুলো এভাবে সাজালাম:
১) জনাব সায়ীদুজ্জামান
২) ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী
৩) খালেদ শামস
এপ্রিল, ২০১১ তারিখে এর মেয়াদ শেষ হলে আমাকে চেয়ারম্যান নিয়োগ করা হবে। নূরজাহান ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ করবে।
বিষয়টি আপনাকে ব্যাখ্যা করে বলার জন্য দেখা করার সুযোগ খুঁজছি।
গ্রামীণ ব্যাংক নিজস্ব নিয়মে গড়ে উঠেছে। প্রায় ৪ কোটি মানুষের ভাগ্যের সঙ্গে এই প্রতিষ্ঠান সরাসরি জড়িত। এই প্রতিষ্ঠানের ট্রানজিশান সুন্দর ও মসৃণভাবে করা এটা আমাদের একটা বড় দায়িত্ব।
আপনার সহযোগিতায় এই দায়িত্ব সুন্দরভাবে আমরা পালন করতে পারবো বলে আশা করি।
আমার শুভেচ্ছা নিন।
http://www.mzamin.com/index.php?option=com_content&view=article&id=4235:...

একই রকম আরো কিছু ব্লগ