Travel

Md. Rowshon Alam's picture

নায়াগ্রা জলপ্রপাত ও পানির সৌন্দর্য

প্রথম ভালোলাগাটা নাকি বেশ মনে থাকে। যেমন মনে থাকে প্রথম প্রেম। কথায় আছে—Love at first sight। আমেরিকায় এসে আমার প্রথম ভাললাগাটার নাম হল- নায়াগ্রা জলপ্রপাত দেখা। বাংলাদেশে থাকতে নায়াগ্রা জলপ্রপাত নিয়ে একটি প্রামাণ্য চিত্র জীবনে প্রথম দেখেছিলাম বিটিভির মাধ্যমে। "ইত্যাদি" নামক একটি ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানে। যতদূর মনে পড়ে ১৯৮৮-৮৯ সালের দিকে আমার প্রিয় ও অতি জনপ্রিয় উপস্থাপক "হানিফ সংকেত" সেই প্রামাণ্য চিত্রটি অত্যন্ত সাবলীলভাবে দর্শকদের নিকট "ইত্যাদি" অনুষ্ঠানে দেখিয়েছিলেন। তারপর অনেক সময় অতিবাহিত হয়েছে। আমার মনের মধ্যে সশরীরে নায়াগ্রা ফলস দেখার আকাঙ্ক্ষা ও তীব্রতা অনেকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

Badrul Islam's picture

ভ্রমণ ডায়রী-04

দিনের আলো নিভু নিভু করছে। চারপাশটা কেমন যেন ঘুমোট অন্ধকার। পাহাড় ঘেরা এ হোটেলটা।রুমের বেলকনি থেকে দূরের এভারেস্টকে দেখতে চাচ্ছি। কিন্তু না অন্ধকার হয়ে আসায় আমার সে ইচ্ছে ভেস্তে গেল।আগামীকাল থেকে আমার সেমিনার শুরু হবে। সাধারণতো কোন প্রোগ্রাম শুরু হওয়ার আগের দিনই আমি হাজির হয়ে থাকি। আজও তার ব্যতিক্রম হয় নি।আমাদের বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে নেপালের ফাইভ ষ্টার খ্যাত এভারেস্ট হোটেলে।

Badrul Islam's picture

ভ্রমণ ডায়রী-03

রাত্রির শেষ প্রহর,রিজেন্ট এয়ার ল্যান্ড করেছে মালয়শিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্ধরে।ইমিগ্রেশনের কাজ শেষ করে আবারও দৌড়লাম ফিলিপাইন যাওয়ার উদ্দেশ্যে ইমিগ্রেশনের কাঠগড়ায়। লম্বা লাইন।প্রয়োজনীয় কাজ সেরে আসন গ্রহনের পালা। বিশাল এয়ার বাস। প্রতি সাড়িতে তিনটি করে সিট রয়েছে। দুর্ভাগ্যবসতো আমার সিটটা মিডিলে। আমার দুই পাশে দুই মহিলা বসা। বাম পাশে তন্বী আর ডান পাশে বৃদ্ধা, মধ্যে যুবা এক পুরুষ। যার চোখে-মুখে বিষ্ময়ের শিহরণ।

WatchDog's picture

কলোম্বিয়ার পথে পথে। পর্ব-২

2.jpg রুটিন বিহীন জীবন জানতাম মন্থর হয়। ঘড়ির কাটার সাথে পাল্লা দিয়ে সময় কাটানোর অভ্যাস করতে হয়। কিন্তু সান্তা মার্তার অলস সাতটা দিন কিভাবে চলে গেল বুঝাতে পারলাম না। বিশেষ কোন পরিকল্পনা নিয়ে এখানে আসিনি।

WatchDog's picture

কলোম্বিয়ার পথে পথে। পর্ব-১

 photo 09_zps78dd9dca.jpg ইচ্ছে ছিল খুব ভোরে রওয়ানা হয়ে যাব। কিন্তু ঘুম ভাঙ্গতে দেরি হওয়ায় তা আর সম্ভব হলনা। দ্বিতীয় বারের মত ঘটল এমন ঘটনা। আমার মত কর্পোরেট দাসদের জন্য ব্যাপারটা খুব অস্বাভাবিক। কিছুটা অবাক হলেও এ নিয়ে আক্ষেপ করলাম না। বরং মূল উদ্দেশ্য কাজ করছে জেনে ভাল লাগল। জগৎ সংসার হতে কটা দিন নির্বাসনে কাটাবো বলে এদিকে আসা।

Badrul Islam's picture

মালয়শিয়ার পথে পথে-02

সহযাত্রীর খাজুরে গল্পে কান একেবারে জালাপালা। বাধ্য হয়েই সিটটা বদলাতে হলো। আকাশ কণ্যাকে অনুরোধ করলাম আমার সিটটা চেইনজ করে দিতে এবং এও রিকুয়েস্ট করলাম যে বিজনেস ক্লাস প্রায় পুরাই ফাকা সেখানে একটু ব্যবস্থা করা যায় কিনা? আমার সিট আবার ইকোনমি ক্লাস। মিনিট পাঁচেক পর সুন্দরী ত্বণী আকাশ কণ্যা বললো- ফলো মি। ভাগ্য কি সুপ্রসন্ন।আহা! বিজনেস ক্লাসের কি আরাম। বসে বসে ট্যাব ইউজ করছি। খানিক ক্ষণ পর এক ভদ্র লোক এসে পরিচিত হলেন। নামটা ভুলে গেছি। তিনি একজন ব্যবসায়ী। মালয়শিয়ান ব্যবসায়ী। প্রায় সতের বছর যাবৎ সেখানে বাস করছেন। প্রথমে কর্মচারী হিসাবে কোম্পানীতে ছিলেন তারপর শেয়ার নিয়েছেন।ভদ্র লোকের ছেলে মেয়েরা বাংলাদেশে ভালো করেজে লেখাপড়া করছে।খুবই ভালো লাগলো বিদেশে এত ভালো অবস্থান একজন বাংলাদেশীর।

Badrul Islam's picture

মালয়শিয়ার পথে পথে-01

রাত সাড়ে তিনটা্। এখনো হাতের কাজগুলো শেষ হয়নি এদিকে আবার লাগেজ গোছানো। পরদিন মালয়শিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা। ল্যাপটপ অফ করে তাড়াতাড়ি লাগেজ গোছাতে আরম্ভ করলাম। এদিকে চোখ ভেঙ্গে ঘুম আসছে। গোছানো শেষে বাথরুমে গিয়ে লম্বা এক গোছল দিলাম। তারপর রেডি হয়ে সিলেট রেল ষ্টেশনের উদ্দেশ্যে রওনা হলাম। আপাতত গন্তব্য ঢাকা। ট্রেন ছাড়বে সকাল ছয়টা চল্লিশ-এ। হন্ত-দন্ত হয়ে ট্রেনে উঠলাম। নানান ঝক্কি ঝামেলার পর দুপুর দু’ইটায় গিয়ে ঢাকা পৌঁছলাম। ঢাকার কাজ শেষ করে রাত দশটার দিকে এয়ারপোর্ট এর দিকে রওনা দিলাম। বোর্ডিং পাস নিয়ে ইমিগ্রেশনের দিকে গেলাম। গিয়ে দেখি লম্বা লাইন। তিন নম্বর লাইনটা খালি ছিল, দৌড় দিয়ে সেখানে গেলাম। এক মহিলা বসে আছে। হাত বাড়িয়ে পাসপোর্ট, টিকিট,পাস দিলাম। ফিরিয়ে দিয়ে বললেন, আমার ডিউটি আওয়ার শেষ, পাশের টেবিলে যান?

Shawnchoy.Rahman's picture

"তিমি"র সন্ধানে

মুশতাক ভাই ও আমি ভিন্ন গ্রুপে একই বসের অধীনে নিউইয়র্ক ডিপার্টমেন্ট অফ ট্রান্সপোর্টেশনে (ডিওটি) কাজ করতাম। তখনই তাঁর সাথে আমার পরিচয়। অত্যন্ত সহজ-সরল মানুষ। জীবনের বিভিন্ন মারপ্যাঁচগুলি বোঝেন না। তাই অর্থনৈতিকভাবে অনেক ধনী হতে না পারলেও পারিবারিক-ভাবে স্ত্রী ও দুই পুত্র নিয়ে খুবই সুখী মানুষ। এক বছর কাজ করার পর আমি নিউইয়র্ক ডিওটি ছেড়ে ভার্জিনিয়া চলে এলাম, আমি আসার বছর দুই পরে মুশতাক ভাইও ডিওটি ছেড়ে ফেডারেল গভর্নমেন্টে ইউএস নেভিতে যোগদান করলেন কোল্ড-ফিউশন প্রোগ্রামার হিসেবে। তবে তার পোস্টিংটি ভার্জিনিয়া নয়, তিনি চলে গেলেন নিউ-হ্যাম্পশায়ারে। সবসময়ে তাঁর সাথে ফোনে কথা হয়, আমাকে যেতে বলেন। আমিও যাওয়ার একটা উপায় খুঁজছিলাম কারণ আগে একবার বোস্টন (Boston) গেলেও না দেখা হয়েছে তিমি, না খাওয়া হয়েছে সেখানকার লবস্টার।

WatchDog's picture

আমেরিকার হিংস্র পশ্চিমের গল্প...WD

 photo 26_zpscc6a887d.jpg যখন তখন ফিল্ড ট্রিপ আমার কাজের অংশ। গ্রাহকদের ফোন পেলে ডান বাম চিন্তা না করে দৌড়াতে হয়। শহরের মেয়র অফিস হতে শুরু করে অঙ্গরাজ্যের সিনেটরদের দুয়ার পর্যন্ত কড়া নাড়তে হয়। ছয়টা বছর ধরে শহর-বন্দর, পাহাড়-পর্বত, মরুভূমি চষতে গিয়ে একটা সত্য উপলব্ধি করেছি গ্রাহকদের সন্তুষ্ট করার প্রফেশনালিজমে আমার কিছু ঘাটতি আছে।

Mahabubul.Hasan.Niru's picture

ব্যানফ সৌন্দর্যে বিমুগ্ধ চিত্ত

1
লেক লুইস- এখানে এসে হৃদয় দিয়ে অনুভব করলাম প্রকৃতি কতোটা উদার, ব্যাপক এবং বিশাল।

ক্যালগেরি ছেড়ে ট্রান্স কানাডা হাইওয়ে ধরে ছুটে চলেছে আমাদের গাড়ি। গাড়ির ভেতোর পাঁচজনের একটি পরিবার। মাখন, সায়লা, আঁচল, আবেশ আর আমি। গাড়ি চালাচ্ছে মাখন। গন্তব্য ব্যানফ ন্যাশনাল পার্ক।

Syndicate content