Travel

abdullah.shafi's picture

"বাসচালক থেকে প্রেসিডেন্ট" বনাম আম-জনতার বয়ান

মিরপুর হতে কাওরানবাজার আসতে প্রতিদিনই বেশ বেগ পেতে হয়... বাস সার্ভিসের মধ্যে বিলাসবহুল "এনা পরিবহন", ভাল সার্ভিস এর "বিকল্প (১৭)", মোটামুটি "বিহঙ্গ", উড়া-ধুড়া "সিল্কসিটি-ইটিসি" আর আকাশের চাঁদ "বিআরটিসি".... মাঝে মাঝে ভোরবেলা ছেলেকে স্কুলে দিয়ে বাসে উঠতে হয়.. নয়তো ১১টার পর ... দেরী করে বের হলে কোন সমস‌্যা নেই.. আরামে বিআরটিসির উপরে বসে আসা যায় ..কিন্তু সকালে রিতিমতো যুদ্ধ!

bus.jpg

Badrul Islam's picture

ঘুরে এলাম মহেড়া জমিদার বাড়ি

গত ২৭ শে ফেব্রুযারী সাউথইস্ট ইউিনভার্সিটির বাংলা, ইংরেজী ও অর্থনীতি বিভাগের প্রায় তিনশত ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়ে বার্ষিক বনভোজনের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ইউনির্ভাসিটির ভিসি প্রফেসর ড.আনোয়ার হোসেন এবং বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. এ.এন.এম মেশকাত উদ্দিন।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলা, ইংরেজি ও অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যানবৃন্দ ।

বনানীর মেইন ক্যাম্পাস থেকে সকাল ন'টায় বাস ছেড়ে যায় মহেড়া জমিদার বাড়ির উদ্দেশ্যে। মুখরোচক নাস্তায় বাসের ভিতর জমে উঠে আড্ডা। গান, কবিতা আবৃত্তি আর অভিনয়ে মেতে উঠে সবাই। সেই ফাকে বাসও এসে পৌঁছে যায় টাঙ্গাইলের মহেড়া জমিদার বাড়িতে। বাস থেকে নেমে সবাই যে যার মতো ঘুরতে বেড়িয়ে যায়।

মহেড়া জমিদার বাড়ির ইতিহাসঃ
প্রকৃতির অনিন্দ্য নিকেতন মহেড়া জমিদার বাড়ী অপরূপ সৌন্দর্যে নয়নাভিরাম। তার রূপশোভা

ftekhar@Gtv's picture

মেঘালয়ের শিলং


চেরাপুঞ্জি (Cherrapunjee)
বলা হয়ে থাকে যে চেরাপুঞ্জি তে মাত্র ১টি সিজন সেটি হছে বর্ষা কাল । এখানে বৃষ্টি এবং রংধনু এর লুকোচুরি হল নিত্য দিনের সঙ্গী এক কথাই অপূর্ব। সুমদ্র পিষ্ট থেকে ১৩০০ মিটার উঁচুতে এই চেরাপুঞ্জির অবস্থান। পাহাড়ের বুক থেকে গলে পড়া রুপালি জলের ঝরনা আর চেরাপুঞ্জির বৃষ্টিপাত! অবর্ণনীয় এর সৌন্দর্য, মোহময় আবেশ।

Okalkushmando's picture

আমার বিদেশ যাত্রা -১

বিদেশে পড়তে যাব, এটা HSC এর পরে ঠিক করে ফেলেছিলাম। বিদেশে যাব, ভালো University তে পর্ব, এর পরে "বড়" হব। এটাই ছিল প্লান . বিদেশে যাব এবং পাস করে "বড়" হবার মাঝের সময়টায় ঠিক কি হবে সে খুবই clear chilona. তো কপাল ঠুকে Australiaর ভিসা apply করলাম। ঠিক করলাম Sydney এসে আমি আর দুই বন্ধু গোলাম আর আহসান একসাথে থাকব; কথায়, কিভাবে সেটা ভাবা হইনি।

ftekhar@Gtv's picture

শিলং ভ্রমন

আমি আর তানিয়া (আমার বউ ) সকাল ১১.৩০ এর সময় তমাবিল-ডাউকি সীমান্ত পার হলাম।চখে পরল মেঘালয় রাজ্যের পাহাড়, দুরে দেখা যাচ্ছে হিমালয় পর্বতশ্রেনী । ডাউকি থেকে টাটা সুমু জিপটি যখন যাত্রা শুরু করলো পাহাড়ি পথ ধরে আমরা মুগ্ধ দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন বাইরের দিকে। কতক্ষন চলার পর আমাদের ড্রাইভার বলল এটা হোল - Mawlynnong- the cleanest village in Asia গাড়ি থামলো, আমরাও নেমে পড়লাম।

Shahriar.Asif's picture

মেঘ পাহাড়ের দেশে

আড্ডা চলছিল অন্যান্য দিনের মতোই। হৈচৈ–হাহা-হিহি আর সে সাথে রিমির বানানো মজার মজার খাবার। হটাৎ বলে উঠল রিমি চলো বান্দরবন থেকে ঘুরে আসি। এমনি দুষ্টুমি করে বলা।কিন্তু সবাই যে রাজি হয়ে যাবে ও বুঝেনি। আমাকে বলা হোল প্লান কর...কবে যাবো, কিভাবে যাবো ইত্যাদি হিসাব করতে।সেই মতো প্লান প্রোগ্রাম রেডি।মাঝে একদিন টিএসসি তে বসলাম, সব ফাইনাল করে নিতে...সিধান্ত হোল ট্রেনে করেই যাবো... টিকেটটা যোগার করতে গিয়ে জান শেষ।টিকেট নাই। এখন উপায়???বাসে গেলে টাকায় কুলায় না। শেষে সিস্টেমে ৬টা টিকেট যাওবা মিলল কিন্তু টাকা লেগে গেলো অনেক...তাও বাসের থেকে কম।
530193_4669442893991_132212116_n.jpg

syed shah salim ahmed's picture

ভ্রমণঃ ভারতের পথে-প্রান্তরে-( চতুর্থ পর্ব )

যাই হউক অবশেষে সন্ধ্যা নাগাদ আমরা শিমলা পৌছলাম।শিমলার ময়ূর হোটেল আগে থেকেই বুক করা ছিলো, আমরা সকলেই সেখানে উঠলাম। শিমলা আসার আগে ধারণাই ছিলোনা, এতো ঠান্ডা হতে পারে, তাপমাত্রা ছিলো তখন একেবারে হিমাংকের নীচে।অবশ্য ময়ূর হোটেলের প্রতিটি রুমে গ্রীজার ছিলো, যে কারণে গরম পানি পেতে আমাদের কারো কোন অসুবিধা হয়নাই। রাতের খাবার খেয়ে আমরা সবাই মিলে হোটেল থেকে খানিক দূরে পায়চারী করে বেড়াই।রাতের শিমলা অসাধারণ, তাছাড়া আমরা যে জায়গায় পায়চারি করছিলাম, সে জায়গা ছিলো ভূমি থেকে প্রায় আট হাজার ফিট উপরে।বলা বাহুল্য মূল শিমলা শহর কিংবা তার মার্কেট ভ্রমণে রেল ষ্টেশন থেকে নেমেই আপনাকে তখন কেবলই মনে হবে উপরের দিকে চলা, চলতে চলতে আকা-বাকা, শর্পিল গতির রাস্তা এমন করে উপরের দিকে উঠে গেছে যে, আপনাকে লিফট-এর সাহায্য নিতে হবে।

Waset Shahin's picture

জাপানের স্মৃতি ৮ম পর্ব

জাপানীদের পারস্পরিক সম্ভাষন খুবই সুন্দর ও আন্তরিক । নিজেরা মুখোমুখি হলে এমনকি চেনা মুখের বিদেশিদেরো তারা মৃদু হাসির সম্ভাষন জানাতে কসুর করে না । আমরাও দু একদিনেই শিখে নিয়ছিলাম । টিআইসিতে সকালে ব্রেকফাস্টের জন্য রুম থেকে বেরিয়ে লবিতে পৌঁছার সাথে সাথেই শুরু হত সম্ভাষন বিনিময়, ওহাইও গোজাইমাছ । এটা সকাল বেলার সম্ভাষন । দুপুরে ‘কনিচুয়া’ এবং সন্ধ্যা থেকে ‘ কোম্বাওয়া’। পরিচিত হলে মৃদু হাসি সম্প্রসারিত হত বড় হাসিতে ।

ওদের এক বিশেষ সংস্কৃতি হচ্ছে বাউ করা । কোমরের দিক থেকে দেহকে একটু সামনে ঝুঁকিয়ে এনে অন্যকে বাউ করে ওরা । তবে এটা সম্ভবত মান্যগন্য লোকের ক্ষেত্রে প্রজোয্য । আমরা যেমন পা ছুঁয়ে সালাম করি তেমন ধরনের আদব । যে যত বেশি সন্মানিত তার জন্য কোমর বাঁকানোর পরিমান তত বেশি । প্রথম দিন জাপানী সংস্কৃতির ক্লাশে এ নিয়ে বেশ মজা হয়েছিল । লেকচারার হেসে হেসে বললেন, যখন আপনি আপনার বসকে বাউ করবেন ৩০ ডিগ্রি বাঁকুন , যখন প্রধানমন্ত্রীকে এবার বাঁকুন ৪৫ ডিগ্রি এবং যখন স্ত্রীকে ৯০ ডিগ্রি বাঁকতে ভুল করবেন না । বলেই বিশাল এক অট্টহাসি । আমরাও সবাই হেসেছি তাঁর সাথে ।

Ajoy.Dasgupta's picture

অনেক টানা ছুটি, আয়োজন কী আছে!

'প্রায় সব মাসেই এমন টানা ছুটি, তা কই যাবেন ঠিক করলেন?' এমন একটি বার্তা এলো ফেসবুকে। কে প্রথম পোস্ট দিয়েছে, জানা নেই। তবে এতে অনুরোধ রয়েছে_ আগেভাগেই যেহেতু জেনে গেলেন বছরে কয়েকবার একটানা ছুটি পাচ্ছেন তিনদিন করে। এখন থেকেই প্ল্যান করে ফেলুন, পরিবারের সদস্য কিংবা বন্ধুদের নিয়ে কোথায় যাবেন বেড়াতে। ফেসবুক বার্তার বিষয়বস্তু একদম স্পষ্ট_ দিনক্ষণ উল্লেখ করা। ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারি, মার্চ, এপ্রিল, মে ও আগস্ট মাসে সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে পড়েছে একটি করে সরকারি ছুটির দিন_ একুশে ফেব্রুয়ারি_ বৃহস্পতিবার, ১৭ মার্চ_ রোববার (বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন), ১৪ এপ্রিল_ রোববার (বাংলা নববর্ষ, ১৩২০), ২৩ মে_ বৃহস্পতিবার (বৌদ্ধ পূর্ণিমা), ৮ আগস্ট_বৃহস্পতিবার (জন্মাষ্টমী), এই আগস্টের ১৫ তারিখ_ জাতীয় শোক দিবস, বৃহস্পতিবার। বার্তায় আরও বলা হয়,

syed shah salim ahmed's picture

ভ্রমণ : ভারতের পথে-প্রান্তরে (তৃতীয় পর্ব)

আমরা যখন তাজমহলে পৌছি, তখন সম্ভবত বেলা ৪.৫০ কি ৫ টা হবে।তখন সূর্য বেশ বর্ণিল আলো ছড়িয়ে তাজ মহলের চূড়াকে করে তুলেছিলো এক মায়াবীচ্ছটায় আলোকিত।পৃথিবীর সাতটি আশ্চর্যের অন্যতম হলো মোঘল সম্রাট শাহজাহানের অমর কীর্তি, সম্রাজ্ঞী মমতাজ মহলের ভালোবাসার নিদর্শন স্বরুপ ঐতিহাসিক এই তাজমহল, যা আমরা স্কুলের ইতিহাসে অধ্যয়ন করেছিলাম, সরাসরি তাজমহল পরিদর্শন করতে পারবো, এ রকম কোন ধারণাই ছিলোনা। অথচ অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে আছি, ইতিহাসের সেই অমর স্বাক্ষী, শাহজাহানের অমর কীর্তি তাজমহলের দিকে।ঢুকার পথেই অবাক হয়ে যাই, কতক্ষণ যে এই ভাবে তাকিয়ে ছিলাম, খেয়ালই ছিলোনা, সম্বিৎ ফিরে পেলাম, যখন সঙ্গীয় গাইড বেশ উচ্চ স্বরে বলতেছেন, যারা ছবি তুলতে চান, এই দিকে ক্যামেরা নিয়ে অনেকেই আছেন, যে কারো সাথে আলাপ করে নিলেই হলো, ছবি তুলা শেষ হলেই সাথে-সাথে প্রিন্ট করে আপনার হাতে দিয়ে দিবে।আমরা সকল বন্ধু-বান্ধবী ও শিক্ষকবৃন্দ তখন সবাই ব্যস্ত তাজমহলের এই স্মৃতি ক্যামেরা বন্দী করে রাখতে।ছবি তুলা চলছে, আর ধীরে ধীরে আমরা সবাই এগিয়ে চলছি তাজমহলের দিকে।প্রধান সিড়ি বেয়ে আমরা সবাই একে একে অন্যান্য পর্যটকদের সাথে দৃপ্ত পদে তাজমহলের মূল স্থানে উঠে চতুর্দিক ঘুরে দেখতেছি, ইতিহাসে পড়া সেই যমুনা নদীকে দেখে বড় আক্ষেপ হলো, মৃত ও অপরিচ্ছন্ন পানি ও তার রূপ দেখে বড় কষ্ট হলো।

Syndicate content