আমরা যখন তাজমহলে পৌছি, তখন সম্ভবত বেলা ৪.৫০ কি ৫ টা হবে।তখন সূর্য বেশ বর্ণিল আলো ছড়িয়ে তাজ মহলের চূড়াকে করে তুলেছিলো এক মায়াবীচ্ছটায় আলোকিত।পৃথিবীর সাতটি আশ্চর্যের অন্যতম হলো মোঘল সম্রাট শাহজাহানের অমর কীর্তি, সম্রাজ্ঞী মমতাজ মহলের ভালোবাসার নিদর্শন স্বরুপ ঐতিহাসিক এই তাজমহল, যা আমরা স্কুলের ইতিহাসে অধ্যয়ন করেছিলাম, সরাসরি তাজমহল পরিদর্শন করতে পারবো, এ রকম কোন ধারণাই ছিলোনা। অথচ অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে আছি, ইতিহাসের সেই অমর স্বাক্ষী, শাহজাহানের অমর কীর্তি তাজমহলের দিকে।ঢুকার পথেই অবাক হয়ে যাই, কতক্ষণ যে এই ভাবে তাকিয়ে ছিলাম, খেয়ালই ছিলোনা, সম্বিৎ ফিরে পেলাম, যখন সঙ্গীয় গাইড বেশ উচ্চ স্বরে বলতেছেন, যারা ছবি তুলতে চান, এই দিকে ক্যামেরা নিয়ে অনেকেই আছেন, যে কারো সাথে আলাপ করে নিলেই হলো, ছবি তুলা শেষ হলেই সাথে-সাথে প্রিন্ট করে আপনার হাতে দিয়ে দিবে।আমরা সকল বন্ধু-বান্ধবী ও শিক্ষকবৃন্দ তখন সবাই ব্যস্ত তাজমহলের এই স্মৃতি ক্যামেরা বন্দী করে রাখতে।ছবি তুলা চলছে, আর ধীরে ধীরে আমরা সবাই এগিয়ে চলছি তাজমহলের দিকে।প্রধান সিড়ি বেয়ে আমরা সবাই একে একে অন্যান্য পর্যটকদের সাথে দৃপ্ত পদে তাজমহলের মূল স্থানে উঠে চতুর্দিক ঘুরে দেখতেছি, ইতিহাসে পড়া সেই যমুনা নদীকে দেখে বড় আক্ষেপ হলো, মৃত ও অপরিচ্ছন্ন পানি ও তার রূপ দেখে বড় কষ্ট হলো।
Recent comments
17 hours 7 min ago
17 hours 48 min ago
1 day 41 min ago
1 day 1 hour ago
1 day 1 hour ago
1 day 3 hours ago
1 day 8 hours ago
1 day 1 hour ago
2 days 17 hours ago
2 days 19 hours ago