Technology

Muhammed.Zafar.Iqbal's picture

একটি ডিজিটাল বিপর্যয়

বর্তমান সরকার একটা বড় কাজ করেছে—এই দেশের সব মানুষকে ‘ডিজিটাল’ শব্দটি শিখিয়ে দিয়েছে। প্রথম প্রথম শব্দটা নিয়ে একটু বিভ্রান্তি ছিল, এখন সেই বিভ্রান্তি নেই। তবে ডিজিটাল সাফল্যের পাশাপাশি মাঝেমধ্যে ডিজিটাল বিপর্যয় হয়ে কিছু একটা যে বুমেরাং হয়ে ফিরে আসে না তা নয়। সর্বশেষ বুমেরাংটি হচ্ছে ডিজিটাল পদ্ধতিতে বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার আবেদন। পদ্ধতিটা নতুন নয়—আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিপরীক্ষার রেজিস্ট্রেশনের জন্য আমরা প্রথমবার এটি শুরু করেছিলাম—এখন বিষয়টি প্রায় রুটিনমাফিক সবাই ব্যবহার করে। কাজেই পিএসসি তাদের বিসিএস আবেদনের জন্য এটি ব্যবহার করেছে, তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই—কিন্তু এটি যেভাবে দেশে একটি বিপর্যয়ের জন্ম দিয়েছে তাতে অবাক হওয়ার একটা সুযোগ তৈরি হয়ে গেছে।

বিষয়টি ঘটেছে এভাবে: প্রার্থীদের আবেদনের শেষ সময় ছিল ৭ এপ্রিল ২০১২ তারিখের দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত। কাজেই কোনো প্রার্থী যদি একেবারে শেষ মুহূর্তেও (রাত ১১টা বেজে ৫৯ মিনিট ৫৯ সেকেন্ড) আবেদন করেন তাহলে তাঁর আবেদনটি প্রক্রিয়া করতে হবে। সেটি করা হয়নি।

Rita Roy Mithu's picture

ফেসবুক নেয়ও অনেক, দেয়ও কম না!

মঞ্জুর মোর্শেদ ফেসবুক নিয়ে একটি চমৎকার ফিচার লিখেছেন বিডিনিউজ২৪ব্লগে। লেখাটি খুবই চমৎকার এবং সময়োপযোগী। ফেসবুক কিভাবে সবাইকে সমাজ, সংস্কৃতি থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলছে, সেটাই মোর্শেদ সুন্দর করে বুঝাতে চেষ্টা করেছে। আমি নিজেও মাঝে মাঝে বিভ্রান্ত হই ফেসবুক নিয়ে। তবে ব্যক্তিগতভাবে ফেসবুক আমাকে দিয়েছে অনেক, নিয়েছেও অনেক। দেওয়া-নেওয়ার হিসেব করলে দেখতে পাই, আমার ব্যক্তিগত লাভ হয়েছে অনেক বেশী। আর পারিবারিক লাভ আপাতত হতাশাজনক হলেও ভবিষ্যতে আশাব্যঞ্জক হলে হতেও পারে। ব্যাপারটা পরিষ্কারভাবে বলতে গেলে আমার নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে হবে, সবার সাথে।

শত শত ফেসবুক একাউন্ট এক সাথে তৈরি করুন ফেসবুক অটো সফটওয়ারে দিয়ে

আজকে একটা জটিল জিনিস দেখবো সবাইকে। সেটা হল এমন একটা সফটওয়ারে সেটি দিয়ে আপনি ইচ্ছে মত শত শত ফেসবুক আইডি খুলতে পারবেন এক সাথে। এই ফেসবুক ক্রেকিং সফটওয়্যার টি ব্যবহার করাও খুব সহজ। এতে আপনার লাভ? ফেসবুক এর একাউন্ট খুলেও ভাই বহুত টাকা পয়সা পাওয়া যায়। freelancer.com থেকে ঘুরে দেখে আসতে পারবেন। যাই হক এই সফটওয়্যার টি ভয়ের কারন নেই কারন এখানে আপনার নিজের কোন ফেসবুক এর আইডি বা পাসওয়ার্ড ব্যবহারের কোন কাহিনী নাই।

ডুল্যান্সারের ফ্যানপেজ হ্যাক ও কতিপয় মানুষের নগ্ন নৃত্ত !!

গত বৃহস্পতিবার কতিপয় হ্যাকার কর্তৃক হ্যাক হয় বাংলাদেশী আউটসোর্সিং কোম্পানি ডুল্যান্সারের ফেসবুক ফ্যানপেজ ! হ্যাকাররা সেখানে ডুল্যান্সারের মূল সাইটও হ্যাক করার হুমকি প্রদান করেছে! হ্যাক করার পর পেজ থেকে একের পর এক অশ্লীল স্ট্যাটাস ও হুমকি বার্তা প্রদান করে সাইটের অনেক কর্মীকে বিভ্রান্তিতে ফেলে দিয়েছে তারা ।

কিন্তু ভেবে অবাক হচ্ছি অনেকে হ্যাকিং এর মত একটি জঘন্য কাজকে উৎসাহিত করে নগ্ন নৃত্য শুরু করে দিয়েছে! অবাক হচ্ছি কিছু মানুষের নগ্ন মানসিকতা দেখে যাদের অনেকেই ফ্রিলান্সিং এ অনেকের অনুসরনীয় হওয়ার কথা ছিল এবং কয়েকজন আমারো খুব প্রিয় ব্যক্তিত্ব ছিল ! তাদের যুক্তি ডুল্যান্সার বা এই ধরনের PTC সাইট নাকি তরুণ দের সময় নষ্ট করছে! মেধা অপচয় করছে !! বড়ই অদ্ভুত কথা !! তাদের ধারনা বাংলাদেশের সব ছেলেমেয়ে টেকনিক্যালি দক্ষ বা সবাইকেই দক্ষ হতে হবে !! সবাই প্রোগ্রামার হবে! সবাই ওয়েব ডিজাইনার হবে! SEO Specialist হবে ইত্যাদি ইত্যাদি...... ।। তারা সবাই আদর্শ ফ্রিল্যান্সার হবে !! ক্লিকের মত সামান্য কাজ তারা কেন করবে??!! কেন তাদের মূল্যবান(!) সময় নষ্ট করবে !!

শ্লীলতার সীমা ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন

অশ্লীলতার দায়ে সমরেশ বসুর উপন্যাস 'প্রজাপতি' নিষিদ্ধ হলে বুদ্ধদেব বসু বলেছিলেন, 'এই বইয়ের নায়ক বা অনায়ক সমসাময়িক পশ্চিমবঙ্গের রকবাজ ছেলেদের টাইপ। এরা আমাদের সকলেরই পরিচিত। এই যুবকেরা সাধারণত যে-সব ভাষায় কথা বলে, সেই ভাষাতেই এই উপন্যাস লেখা। এই বইতে এত বেশি 'সস্ন্যাং' ব্যবহারের এটাই যৌক্তিকতা। এই স্টাইল জীবন্ত এবং জীবনের অবিকল প্রতিচ্ছবি। এখানেই এ-উপন্যাসের সাফল্য।' আঠারো বছর নিষিদ্ধ থাকার পর প্রজাপতি অভিযোগমুক্ত হয়েছিল। 'প্রজাপতি'র প্রকাশক বলেছিলেন, এই আঠারো বছরে পাঠকের মনে প্রজাপতি নিয়ে জেগেছে নিরন্তর কৌতূহল। প্রকাশক হিসেবে আমাদের কাছে অনেকে এসেছেন। শুধু বইটি কেমন একবার চোখে দেখবেন, কেন এ অভিযোগ একবার তা যাচাই করে দেখবেন।

প্রজাপতি যাঁরা পড়েছেন তাঁরা জানেন নিষিদ্ধ হওয়ার মতো কোন উপাদান এ বইয়ে নেই। না বিষয়বস্তুতে না ভাষায়। ওই সময়ের প্রেৰাপটেও তা যথেষ্ট বাস্তবানুগ। বুদ্ধদেব বসু যেমন বলেছেন। বরং নিষিদ্ধ করাতে বইটির প্রতি আগ্রহ আরও বেড়েছিল। 'নিষিদ্ধ' শব্দটাতেই মাদকতা। নিষেধের বেড়াজাল যত বেশি কঠোর উন্মোচনের আকাঙ্ৰা ততই প্রবল। শুধু সাহিত্য বা চলচ্চিত্র নয় সঙ্গীত নাটক যাত্রাপালা ইত্যাদি অনেক কিছুতেই বিভিন্ন সময় নিষিদ্ধের ছাপ মারা হয়েছে।

Faham.Abdus.Salam's picture

ফেসবুক স্টেটাস কি সেডিশাস হতে পারে?

গত বছর জুলাই মাসে অস্ট্রেলিয়ার একটি টেলিভিশান ইন্টারভিউতে নরম্যান মুর প্রস্তাব করেন যে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার (অস্ট্রেলিয়ার একটি রাজ্য) উচিৎ হবে অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেশান থেকে বের হয়ে একটি পৃথক রাষ্ট্র গঠন করা। তিনি সে রাষ্ট্রের সম্ভাব্য দুটো নামও উল্লেখ করেন: হিস্পিরিয়া কিংবা ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া। নরম্যান মুর কোনো হেদি-পেদি-নেদি নন, ঐ রাজ্যের ক্ষমতাসীন খনিজ মন্ত্রী। তার নালিশ: ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার খনিজ আয়ের প্রায় ৭০ শতাংশ চলে যাচ্ছে অন্যান্য রাজ্যে। অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেশান গঠিত হয়েছিলো যে চেতনাকে লক্ষ্য করে, এ ধরনের বণ্টন ব্যবস্থা তার বিপক্ষে যায় বলে এ ফেডারেশান থেকে বের হয়ে নতুন একটি রাষ্ট্র গঠন করা প্রয়োজন।

মি. মুরের বক্তব্যটিকে কি রাষ্ট্র-বিরোধী বলা যেতে পারে? ধারণা করি যে উপমহাদেশে, মিডিয়ায় এই ধরনের কথা বললে ফাঁসিতে লটকে পড়ার সম্ভাবনা আছে। তবে অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় মিডিয়ায় আপাত দৃষ্টিতে রাষ্ট্র-বিরোধী এই মন্তব্যের জন্য এই মন্ত্রীর বিরুদ্ধে কোনো রাষ্ট্রদ্রোহিতার (সেডিশান) মামলা হয় নি, মন্ত্রণালয় চলে যায় নি, এমন কি জানামতে তিনি রাজ্য সরকার কিংবা দল থেকে তিরস্কৃতও হন নি। মন্ত্রী হয়েছেন দেখে কি তার নিজস্ব কোনো মত থাকবে না?

ফেসবুক থেকে সরাসরি উপোভোগ করুন ৩য় বাংলা ব্লগ দিবস এবং আপনার বন্ধুকে পাঁঠিয়ে দিন ব্লগার গিফট

আজ ১৯শে ডিসেম্বর, সোমবার, ২০১১, বিকেল ৫টায় শুরু হয়ে গেছে ৩য় বাংলা ব্লগ দিবস। ব্লগিং এর শক্তি ও সম্ভাবনাকে আরো নিবিড়ভাবে বিস্তৃতির জন্য বিগত দুই বছর যাবৎ বাংলা ব্লগ দিবস পালিত হয়েছে।এবছর ১৯শে ডিসেম্বর পালিত হচ্ছে ৩য় বাংলা ব্লগ দিবস।যারা এই অনুষ্ঠানে সরাসরি যেতে পারছে না তাদের হতাশ হবার কিছু নেই।লাইভ টেলিকাস্ট হচ্ছে ইভেন্টটি ।কমজগত ডট কম থেকে ব্লগ দিবস এর পুরো অনুষ্ঠানটি লাইভ টেলিকাস্ট করা হচ্ছে।আপনারা আপনাদের facebook অ্যাকাউন্ট থেকে বসে সরাসরি অনুষ্ঠান দেখতে পারবেন।অন্য কোন লিঙ্কে এ যাবার দরকার হবে না।চাইলে আপনি অনলাইনে আপনার মন্তব্য পাঠাতে পারবেন।

mustafa.jabbar's picture

একুশ শতক: ডিজিটাল নির্বাচন

নির্বাচন ব্যবস্থা ডিজিটাল হলে আমাদের সময় বাঁচবে, খরচ কমবে এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা তৈরি হবে_এ বিষয়ে কারও কোন সন্দেহ নেই। গত নির্বাচনের আগে কেবল ছবিসহ ভোটার তালিকা তৈরি করার ফলে কোটির মতো ভুয়া ভোটার বাদ পড়ে। কাগজের তালিকায় যারা অবাধে থাকতে পারত ছবিসহ ভোটার তালিকায় তারা থাকতে পারেনি। যদি নির্বাচন কমিশন ছবিসহ ভোটার তালিকায় ডুপিস্নকেট ছবি যাচাই করার ব্যবস্থা প্রবর্তন করতে পারে তবে ভুয়া ভোটার হবার সামান্যতম সুযোগও থাকবে না। আমরা বরাবরই বলে আসছি যে, ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করা কেবল কাজের সুবিধার জন্য নয় বরং স্বচ্ছতা ও জবাবহিদিতা তৈরি করাও ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের অন্যতম কারণ। আমরা যাদের কাছ থেকে গণতন্ত্রের বাণী শুনি, তাদেরকে বুঝতে হবে নির্বাচন হচ্ছে গণতন্ত্রের একটি বড় ভিত্তি। সেই নির্বাচনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ হলো একটি সঠিক ভোটার তালিকা। একই সঙ্গে এটিও নিশ্চিত করা যে, ভোটদান যেন সঠিক হয়। তাই ডিজিটাল নির্বাচন ব্যবস্থা প্রকৃতার্থে গণতন্ত্রের একটি বড় ভিত্তি। এই ভিত্তি দুর্বল রেখে আমরা ডেমোক্রেসির কথা বলতে পারি না।

mustafa.jabbar's picture

একুশ শতক ॥ ডিজিটাল নির্বাচন

কেউ চাক বা না চাক, বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থার ডিজিটাল রূপানত্মর হবেই। চট্টগ্রাম ও কুমিলস্নায় সফলতার সঙ্গে ইভিএম ব্যবহারের ফলে এবার কুমিল্লায় ইভিএম ব্যবহৃত হবে বলে সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়েছে। কুমিল্লায় এর প্রয়োগ সফল হলে সেটি যে জাতীয় নির্বাচনে ব্যবহৃত হবে সেই বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। আমরা আমাদের নির্বাচন ব্যবস্থার ডিজিটাল রূপানত্মরের পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে নির্বাচন ব্যবস্থার ডিজিটাল রূপান্তর নিয়ে সর্বশেষ প্রসঙ্গগুলো এই নিবন্ধে আলোচনা করছি _লেখক)
নারায়ণগঞ্জের নির্বাচন নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। এখনও হচ্ছে। সর্বশেষ আলোচনার বিষয় হয়েছে শামিম ওসমানের লাগামহীন বক্তৃতা। পরাজিত হবার পর তিনি তার অনুগত নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে নানা ধরনের কথা বলেছেন। হুমকি ধামকির পাশাপাশি কিছু কিছু নাটকীয় কথাবার্তা বলেছেন। তার আক্রমণের শিকারদের মাঝে প্রবীন সাংবাদিক এবিএম মুসাও আছেন। এছাড়াও ওখানে কে জিতেছে, কেন জিতেছে এবং বাংলাদেশের রাজনীতিতে এই নির্বাচনের কি কি প্রভাব পড়লো সেইসব নিয়ে বিপুল আলোচনা হচ্ছে। সাম্প্রতিককালে এমন আলোচনা আর কোন নির্বাচন নিয়ে হয়নি।

mustafa.jabbar's picture

কম দামি ল্যাপটপের বাজার ও দোয়েল

এরই মাঝে আমরা এটি নিশ্চিতভাবেই বলতে পারি, ডেস্কটপ পার্সোনাল কম্পিউটারের যুগ শেষ হয়ে বহনযোগ্য পিসির যুগ শুরু হয়েছে। অনেকেই এ কথা বলেন, অ্যাপল কম্পিউটারের প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস পিসি যুগের প্রবর্তন করেছিলেন। আবার তিনিই সেই পিসি যুগের অবসান করে গেছেন। তারা অ্যাপল কম্পিউটারের আইপ্যা ও আইফোনের কথা প্রসঙ্গত উল্লেখ করেন। কথাটি হয়তো সত্য। কারণ সারাদুনিয়া এখন ডেস্কটপ পিসির দিন ফুরিয়ে আসছে। বস্তুত দুনিয়াজোড়া ডেস্কটপ পিসির বাজার কমছে আর বহনযোগ্য কম্পিউটারের বাজার বাড়ছে। ২০০৮ সাল পর্যন্ত ডেস্কটপ পিসির আধিপত্য থাকলেও ২০১১ সালে বিশ্বজুড়ে বহনযোগ্য পিসির আধিপত্য বিরাজ করছে। ধারণা করা হচ্ছে, ২০১৫ সালে এই আধিপত্য আরও বাড়বে। এমনকি কেউ কেউ মনে করেন, ২০১৫ সালে বহনযোগ্য পিসির পরিমাণ ডেস্কটপ পিসির তিনগুণ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। ল্যাপটপ, নোটবুক, নেটবুক, ট্যাবলেট ইত্যাদির সঙ্গে স্মার্টফোনকে যুক্ত করলে এ পরিমাণ হয়তো আরও অনেক বেশি হয়ে যাবে। বস্তুত বহনযোগ্য কম্পিউটারের প্রবৃদ্ধি অনেকেরই ধারণার বাইরে। বহনযোগ্যতার পাশাপাশি এসবের দাম কমে যাওয়া এ প্রবৃদ্ধির অন্যতম কারণ।