আসাম ইউনিভারসিটি, শিলচরে একখণ্ড বাংলাদেশ

Swadesh.Roy's picture

কখনও রুক্ষ পাহাড়, কখনও শুষ্ক ফসলের পাশ দিয়ে ধীরগতির একটি ট্রেনে আমরা শিলচরের দিকে এগুতে থাকি। ট্রেনের গতি আর মাঝে মাঝে থেমে থাকা বলে দেয়, আমরা যে কখন পৌঁছাব তার কোন নির্দিষ্ট সময় নেই। বোঝা গেল এখন শুধু আমাদের গন্তব্যটি নির্দিষ্ট, সময় নির্দিষ্ট নয়। আগরতলা থেকে প্লেনে না এসে আমরাই ট্রেনকে পছন্দ করেছি। তাই দোষ দেবার কিছু নেই। তাছাড়া এও তো জীবনের এক ধন। একটি ধীরগতির ট্রেন, পাশে পাথুরে পাহাড়ের গা ফুঁড়ে বেরিয়ে আছে কিছু লতাগুল্ম। কখনও মাটির পাহাড়। সেখানে বাঁশের ঝোপ। ত্রিপুরী রমণী। দুরন্ত বালক। ঢাকার বন্দী জীবন। বিদেশে একের পর এক সেমিনারে যোগ দেয়া জীবনের বাইরে একটি ত্রিপুরী রমণী, এক দুরন্ত বালক। কম কি? কিছুদূর এগুতে বোঝা গেল, বারো ঘণ্টায়ও এ জার্নি শেষ হবে না। তাই খাবার নিয়ে চিন্তা। তবে সত্যি বলতে কী, মুনতাসীর মামুন ভাইয়ের (অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন) সঙ্গে কয়েকবার ট্রাভেল করে এ আস্থা জন্মেছে, পথের কোন সমস্যার বিষয় নিয়ে না ভাবাই ভাল। ওটা তাঁর দায়িত্ব। যে কোনভাবে তিনি সমাধান করবেন। তাই কখনও ল্যাপটপটি নিয়ে কিছু লেখার চেষ্টা, আর কখনও নেট ওয়ার্ক পেলে কিছু কথা বলা। বিশেষ করে দেশের খবর নেয়ার চেষ্টা, অফিসের খবর নেয়ার চেষ্টার মধ্য দিয়ে সময় কাটতে থাকে।

এর ভেতর অধ্যাপক মেজবাহ কামাল জানালেন, তিনি ভোডা ফোনে ইন্টারনেট কানেকশন পাচ্ছেন। আমার মতো একজন ইন্টারনেট এডিকটেড পার্সনের জন্য এর থেকে সুখবর আর কী হতে পারে! একটার পর একটা সাইটে গিয়ে খুঁজতে থাকি বাংলাদেশের ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানের খবর। মনে মনে ভাবি আইএসআই শেখ হাসিনাকে যথার্থই চিনেছে। আসলে তাঁর লাইফ ক্যাটের লাইফ। কোন কিছুতে যেমন বিড়ালকে মারা যায় না, শেখ হাসিনা সত্যি সেই জীবন পেয়েছেন। বাংলাদেশের মানুষের গণতন্ত্রের আকাক্সক্ষা, বাংলাদেশের মানুষের সৌভাগ্যই হয়ত হাসিনাকে এই জীবন দিয়েছে। তাই খালেদা, নিজামী ও তারেক সৃষ্ট ২১ আগস্টের পরেও বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, অসহায়কে সহায় দেবার জন্য বেঁচে থাকেন শেখ হাসিনা। আবার বাংলাদেশের ইতিহাসে তিনি প্রথম সিভিল রাষ্ট্রনায়ক, যিনি একটি সামরিক অভ্যুত্থানের চেষ্টাকে ব্যর্থ করে দিলেন এবং সেনা সদর দফতর থেকে একটি গণতান্ত্রিক সরকারের অধীনে দেশবাসীকে জানানো হলো এ খবর। ধীরগতির ট্রেনে বসে, ইন্টারনেটে চোখ রেখে এসব কেবল চিন্তাকে ছুয়ে যায়। এমন সময়ে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠান থেকে একটা ই-মেল এলো। জানতে চাইল সবই তো বাংলাদেশে ঠিকমতো চলছিল। হঠ্যাৎ এর কারণ কি? বাংলাদেশের ডেমোক্র্যাসি কি কোন বিপদে পড়বে? খুব বিস্তারিত জবাব দেবার কোন উপায় নেই। কারণ, ফোনের ব্যালান্স কমে আসছে। সংক্ষেপে লিখি, আমি আসামে। তবে খবর পাচ্ছি সব কিছু সরকারের কন্ট্রোলে। আর অভ্যুত্থানের চেষ্টার কারণ তো অতি সোজা। কারণ বিশ্ব মৌলবাদের যে অংশটি বাংলাদেশে, তার টুটি চেপে ধরেছেন শেখ হাসিনা। প্রায় সঙ্গে সঙ্গে উত্তর পাই, ধন্যবাদ। আমি কারণটি খুঁজে পেলাম। আমার ভোডা ফোনের ব্যালান্স ৫শ’ টাকা থেকে নেমে ৬৪ টাকায় এসেছে। এখন ইন্টারনেট থেকে উঠতে হয়।

উঠে যে লাভ হয়নি তা নয়। মুনতাসীর মামুন ভাই ততক্ষণে গরম লুচি আর সবজি যোগাড় করে ফেলেছেন। অর্থাৎ এখন আর রাত নিয়ে চিন্তা নেই। যত রাত হোক শিলচরে পৌঁছালে হলো। বাস্তবে অনেক রাতেই আমরা শিলচরে পৌঁছি। বাংলাদেশ সময় তখন দেড়টা। যা হোক, হোটেলে চেক ইন ও সেটেল্ডের পরে মুনতাসীর মামুন ভাইয়ের রুমে এসে দুটোর সময় আমরা খবর পাই, খাবার বসানো হয়েছে আমাদের জন্য। মনে হলো এটা বাড়ির কাছের শিলচর জার্নি না হয়ে সৈয়দ মুজতবা আলীর মতো তখনকার দিনের। আফগানিস্তান জার্নি হলেই মানাত। কারণ এ তো অনেকটা আব্দুর রহমানেরই উক্তি খাবার বসানো হয়েছে। কারণ তখন রাত বাজে আড়াইটা। যিনি অধ্যাপক সেলিমকে বলেছিলেন, খাবার বসানো হয়েছে। বোঝা গেল তিনি আব্দুর রহমানেরই কোন বংশধর। হয়ত মেওয়া বিক্রি করতে এসে তার কোন পূর্বপুরুষের এককালের আসাম-বেঙ্গলের এই চড়াটি ভাল লেগে গিয়েছিল। আর এখানেই ডেরা গাড়েন। তারপর যা ঘটে তাই আর কি। বাঙালী রমণীকে হাত ধরে ঘরে আনা। আর নতুন বংশধর। যা হোক, মিনিট পাঁচেক পরে খাবার এলো। বোঝা গেল, খাবার তৈরির জন্য বসানো হয়নি। শুধু ভাতটি গরম করা হচ্ছিল। তবুও তিনটের সময় খাবার খাওয়া। তারপরে আরেক দফা মেল চেক, দেশের সংবাদপত্রগুলো দেখে চারটের দিকে ঘুমিয়ে সকাল নয়টায় খুব তৃপ্ত মন নিয়ে রওনা দেই আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে। শিলচর শহর ও রাস্তা দিয়ে যখন গাড়িটি বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে এগিয়ে চলছিল তখন কেবলই মনে হচ্ছিল, দিল্লীর ৯ পারসেন্ট জিডিপির ওপর বসে এই শিলচরের দিকে তাকিয়ে দেখলে কেমন দেখাবে? চারপাশের মানুষের গতি, ব্যবসা- বাণিজ্য, যানবাহন সবকিছু মিলিয়ে দেখে এটা স্পষ্ট হয় যে, শিলচরের জিডিপি কোনমতেই চার পারসেন্টের বেশি নয়।

অবশ্য এর তিন দিন পরে গৌহাটি প্রেসক্লাবে মিট দ্য প্রেসে এই চার পারসেন্ট জিডিপির কথা বলতে হয়েছিল। সেখানে সাংবাদিকরা আমাকে বলেন, বাংলাদেশ থেকে প্রতিনিয়ত আসামে অনুপ্রবেশ ঘটছে। আমি সরকারের কেউ নই, তাই তাদের বলি দেখুন একজন সাংবাদিক হিসেবে আমার কাছে যে তথ্য আছে তাতে বলতে পারি বাংলাদেশ থেকে একজনও আসামে অবৈধভাবে প্রবেশ করছেন না। বিশেষ করে এখানে থাকার জন্য তো নয়ই। তবে হ্যা, পৃথিবীর প্রতিটি সীমান্তে যা ঘটে এখানেও সেটা ঘটতে পারে। অর্থাৎ পৃথিবীর প্রতিটি সীমান্তের ভেতর একটি নির্দিষ্ট এলাকা পর্যন্ত অনেক সময় যাতায়াত হয়। তবে সিলেটের মানুষ কেন শিলচরে বা করিমগঞ্জে স্থানীভাবে থাকার জন্য আসবে? বাংলাদেশের জিডিপি সাড়ে ছয়। আর সিলেটকে আলাদা করে হিসেব করলে সেটা ৯ হতে পারে। কারণ বাংলাদেশের একটি বিরাট অঙ্কের রেমিট্যান্স আনে বিদেশ থেকে সিলেটবাসীরা। তাই অর্থনীতির পাল্লা সিলেটেই ভারি। আর মানুষের মাইগ্রেসানের মূল কারণ কিন্তু অর্থনীতি।

কিন্তু এ ৪ পারসেন্ট জিডিপির শহর শিলচর পার হয়ে আরও ত্রিশ মিনিট এগিয়ে যখন আমরা আসাম ইউনিভারসিটির গেটে পৌঁছাই তখন কিন্তু ইউনিভারসিটিটি বলে দেয়, এটা ৯ না হোক ৭ পারসেন্ট জিডিপির দেশের একটি ইউনিভারসিটি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ কামাল, যাকে বলা যেতে পারে বাংলাদেশের নীরব দূতউত্তর-পূর্ব ভারতে তিনি জানালেন, এ বিশ্ববিদ্যালয়টির অবস্থান ভারতের ৬৪০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে ৪১তম। আর এ বিশ্ববিদ্যালয়টির ৪১তম অবস্থানে উন্নীত হবার পিছনে যাঁর সব থেকে বেশি অবদান তিনি এ বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ভিসি তপোধীর চক্রবর্তী।
আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। কিন্তু আলোচক ও দর্শকের সারিতে প্রায় সমান সংখ্যক বাংলাদেশী। দ্বিতীয় দিন অর্থাৎ ২২ তারিখ থেকে এখানে আলোচনার বিষয়বস্তু, ভারত-বাংলাদেশ উপআঞ্চলিক সহযোগিতা সমাজ, ইতিহাস, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির প্রেক্ষিতে। ২২ তারিখের মূল আলোচক অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন। তবে ২২ তারিখের আলোচনা প্রসঙ্গে আসার আগে ফিরে যাওয়া প্রয়োজন, আসাম বিশ্ববিদ্যালয় ও তপোধীর চক্রবর্তী প্রসঙ্গে। আসামের এ বিশ্ববিদ্যালয়টির সেমিনার হলে যাবার আগেই বিশ্ববিদ্যালয়টি জানিয়ে দেয় এর প্রাণের ভেতর একটি বাংলাদেশ আছে। সেই বাংলাদেশই বন্ধুত্ব খুঁজছে বাংলাদেশের সঙ্গে। আর তার প্রতীক হিসেবে সেখানে দাঁড়িয়ে আছে ভাষা শহীদদের স্মরণে নির্মিত শহীদ মিনার। এ ভাষা শহীদরা শিলচরের মানুষের ভাষায় আমাদের সালাম বরকতের ভাই। অর্থাৎ আমাদের বাংলা ভাষার দাবিতে সালাম-বরকতরা প্রাণ দেবার পরে শিলচরে বাংলার দাবিতে যারা প্রাণ দিয়েছিল তাদের স্মরণে তৈরি এ শহীদ মিনার। আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি তপোধীর চক্রবর্তীর উদ্বোধন করা এ শহীদ মিনার।

তপোধীর চক্রবর্তীকে দেখলেই বোঝা যায়, ইনি একজন হরফুন মৌলা। জুতো সেলাই থেকে চণ্ডিপাঠ সব কাজই তিনি করতে জানেন। আর তাঁর পদক্ষেপই বলে দেয় তিনি রাজনীতি থেকে উঠে এসেছেন। রাজনীতি ছাড়া মানুষকে এতটা মানুষের সংলগ্ন ও জড়তাহীন হতে অন্য কোন কিছু সহায়তা করে না। প্রথম সেশনে তপোধীর চক্রবর্তীর বক্তব্য শোনার পরে মনে মনে স্থির হলাম তিনি কিছু না হোক ছাত্রজীবনে রাজনীতি করতেন। দুপুরে খাওয়ার সময় তপোধীর চক্রবর্তীকে হাসতে হাসতে বলি, আমি কিন্তু স্থির, আপনি ছাত্রজীবনে রাজনীতি করতেন। ছাত্রজীবনে রাজনীতি না করলে কোন শিক্ষক এত বড় সংগঠক হতে পারে না। তপোধীর চক্রবর্তী হেসে উত্তর দিলেন, তিনি খুবই একটি খারাপ রাজনীতি করতেন। তিনি ছাত্র ফেডারেশন করতেন। ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি মার্কসবাদীদের অর্থাৎ সিপিএমের ছাত্র সংগঠন ছাত্র ফেডারেশন। তপোধীর চক্রবর্তী যে একটি বাম গণতান্ত্রিক রাজনীতি থেকে উঠে এসেছেন সেটা বোঝা যায় শুধু তাঁর আসাম ইউনিভারসিটির অগ্রগতির কাজে নয়, আসাম ইউনিভারসিটির মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে তাঁর যে চেষ্টা সেটা দেখে। তিনি এবং তাঁর বিশ্ববিদ্যালয় যে সম্পর্ক চাচ্ছে এ সম্পর্ক কোন বড় বা ছোট রাষ্ট্রের ভেতরের সম্পর্ক নয়। দুটি সমমর্যাদাশীল রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক। সর্বোপরি সমাজের অগ্রগামী অংশের একজন প্রতিনিধি হিসেবে তিনি এটা খুব ভালভাবে উপলব্ধি করেছেন যে, ভারতের এই ল্যান্ড লক এরিয়াটির উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা ও বন্ধুত্ব ছাড়া কোন উপায় নেই। আর একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ শুধু ডিগ্রী দেয়া নয়, দেশ জাতি ও মানুষ এবং দেশের অর্থনীতি বিনির্মাণ এসব দায়িত্বও বর্তায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর। যেমন আমি আগেও একটি লেখায় লিখেছি, এখানেও উল্লেখ করছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ই মনে হয় পৃথিবীর একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় যে বিশ্ববিদ্যালয় একটি ভাষার মর্যাদা, একটি জাতির বিনির্মাণ ও একটি স্বাধীন রাষ্ট্র সৃষ্টিতে পথপ্রর্দশকের ভূমিকা পালন করেছে। আমার মনে হলো, আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ও ডিগ্রী দেবার বাইরে এসে ভারতের এ অর্থনৈতিকভাবে পশ্চাৎপদ এলাকাকে উন্নত করার জন্য, এর অর্থনীতি বিনির্মাণের জন্য, পাশাপাশি বাংলাদেশের উন্নতির জন্য যে উপআঞ্চলিক সম্পর্কের প্রয়োজন সেই লক্ষ্যে কাজ করছে।

আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এ সেমিনার চলেছিল ২৫ জানুয়ারি অবধি। ২২ তারিখের পরের কোন সেমিনারে যোগ দিতে পারিনি। ২৩ তারিখ গুয়াহাটি চলে যাই। যা হোক, ২২ তারিখ সেমিনারে বাংলাদেশের শিক্ষা সচিব কামাল নাসের চৌধুরী বা কবি কামাল চৌধুরী গিয়ে যোগ দেন। এ দিনের প্রথম অধিবেশেনের মূল প্রবন্ধ ছিল বাঙালী মানস ও রাষ্ট্র গঠন। বক্তা মুনতাসীর মামুন। একটি প্রবন্ধ যে মানুষ এমন পিনপতন নীরবতায় শুনতে পারে সেটা ঠিক এ সেমিনারে উপস্থিত না হলে বোঝা সম্ভব হতো না। বাঙালীর রাষ্ট্র গঠনের মানসে শুধুমাত্র মুসলিম মৌলবাদীরা বাধা নয়, হিন্দু মৌলবাদীরা যেভাবে বাধার সৃষ্টি হয়েছিল সেটাও তুলে আনেন মুনতাসীর মামুন এ প্রবন্ধে। অধিবেশন শেষে শ্রোতাদের বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, তারা তাদের চেতনায় একটি নতুন দিগন্ত পেয়েছে।

আসাম বিশ্ববিদ্যালয়কে পিছনে ফেলে ২২ তারিখ বিকেলে যখন চলে আসি তখন মনে হচ্ছিল, বাস্তবে আসাম বিশ্ববিদ্যালয় এ এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নের সহযোগিতার জন্য একটি নতুন কাজ শুরু করেছে। এ কাজ আরও অনেকের শুরু করা উচিত। কারণ, এ এলাকার সঙ্গে অর্থাৎ বাংলাদেশ ও উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে সাংস্কৃতিক যোগাযোগ যেমন আমাদের হাজার বছরের তেমনি অর্থনৈতিক যোগাযোগও হাজার বছরের। অন্যদিকে আধুনিক যে কানেকটিভিটি আর গোড়াপত্তন ইংরেজ করেছিল। সেই কানেকটিভিটির ভেতর একটি একক চরিত্র ছিল। আর ইংরেজের কানেকটিভিটির মূল উদ্দেশ্য ছিল অর্থনৈতিক যোগসূত্র গড়ে তোলা। আজ আবার বিশ্বায়নের যুগে এসে দেশে দেশে অর্থনীতির যোগসূত্র গড়ে তোলার সময় এসেছে। উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক যোগসূত্র শুধু ঐতিহাসিক নয়, এটা প্রয়োজনীয়। বাংলাদেশ ও উত্তর-পূর্ব ভারতের অর্থনীতির জন্য এ যোগসূত্র গড়ে তুলতেই হবে। আর সেটাকে স্থায়ী রূপ দেবার জন্য প্রয়োজন মানুষে মানুষের সম্পর্ক। মনে হলো আসাম বিশ্ববিদ্যালয় যেন শিলচরে একখণ্ড বাংলাদেশ হয়ে সেই কাজটিই করছে।

» Topics:

Comments

Discount nike air max 90 shoes at www.pickmaxshoes.com

Discount nike air max shoes Cheap Nike Shox is the hot sale shoes nowadays which is supplying on our online store,because these Nike Shox Clearance is in superior quality and cheap price.The goods are perfect for everybody who want to have a pairs of cheap Nike Shox R4 shoes.Cheap Jordan Shoes can be to one of the most elements a well-known institution producing shoes in collision with Nike.The Air Jordans are supplied getting a carbon fiber plate concerning the bottom belonging for that solo in purchase give comfort and at identical time to possess along utilization belonging for those shoes.Ugg Classic Cardy is concerning the marketplace using the quantity of extraordinary variations and colors and there are no design suggestions in ailments of placing on these boots.You can dye the sheepskin to what really coloring you need furthermore in the direction of the Ugg Tall Boots variation can go from casual to flamboyant depending within your person or females taste.Burberry Outlet bags as well as bags only to reflect each of our personality,which gives a method to show our incredibly tiny earth.This particular Burberry Bags Sale carrier can have the luxurious community available for you,specially when anyone carry it coupled with attire done to you!


50% OFF Price ! Free Shipping accept paypal wholesale and retail . Our company supply high quality Cheap Nike Air Max Shoes , UGG Boots , Air Jordan Shoes , Nike Shox Shoes Nike Basketball Shoes , Asics Onitsuka Tiger , NFL Jerseys and with factory price . We offer high quality, low price, best service and free shiping! We guarantee that seven days of door-to-door!

Web site: http://www.pickmaxshoes.com

50% OFF Price ! Free Shipping accept paypal wholesale and retail. Our company supply high quality Cheap Nike Air Max Shoes, UGG Boots , Air Jordan Shoes, Nike Shox Shoes , Nike Basketball Shoes, Asics Onitsuka Tiger, factory price. www.pickmaxshoes.com