Sports

Anisul.Haque's picture

আমরাই চ্যাম্পিয়ন...

২৬ মার্চ ২০১২ এই লেখাটি লিখছি—স্বাধীনতার ৪১তম বার্ষিকীর দিনটিতে। কী সুন্দর আলোকিত দিন! আমার এক চিলতে বারান্দায় সামনের ভবনের ফাঁক গলেও নাছোড় রোদ এসে পড়েছে। টবের সবুজ পাতায় পাতায় আলোর নাচন। ভালো লাগার এক স্নিগ্ধ অনুভূতিতে মনটা ভরে আছে।
আমি কম্পিউটারে লিখি। আমার ল্যাপটপ খুলতেই ওয়ালপেপারে সেই ছবিটা। সাকিব আল হাসানের বুকে মুশফিক আর নাসির। সাকিব দূরে তাকিয়ে কান্না চাপার চেষ্টা করছেন। তাঁর চোখ ফেটে জল বেরিয়ে আসছে।

কিন্তু এ ছবির দিকে তাকিয়ে কোনো দীর্ঘশ্বাস আমার বুক থেকে বেরিয়ে এল না। বরং একটা বিজয়ের গৌরব আমার অনুভূতিজুড়ে।

ফাইনাল খেলার দিন সকালে প্রথম আলোর অনলাইন সংস্করণে একটা লেখা লিখেছিলাম; ‘আমরা যেভাবে চ্যাম্পিয়ন হতে পারি’। তাতে বলেছিলাম, ক্রিকেট খুব অনিশ্চিত খেলা। জয়-পরাজয় আমাদের হাতে নেই। কিন্তু আমরা চ্যাম্পিয়ন হতে পারি সুখেলোয়াড়সুলভ আচরণ দিয়ে, স্বাগতিক হিসেবে অতিথিদের সঙ্গে মহত্তম আচরণ করে। ফলের প্রতিক্রিয়া সুন্দরভাবে প্রকাশ করার মাধ্যমে।

faruk.wasif's picture

জয় নয়, অভীষ্ট চাহিয়াছি

‘কাপ ছাড়া আর সবই জিতেছে বাংলাদেশ। সাবধান, বাংলাদেশআসছে!’—ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি ক্রিকেটার ব্রায়ান লারা

মিরপুরের সেই রাত কি কুরুক্ষেত্রের মতো হয়ে উঠেছিল? দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী সেই রাতে মুখোমুখি। আমরা যেন কৌরব, ওরা যেন পাণ্ডব। জয়ের কাছাকাছি এসে রানের গতি আটকে যাওয়া বাংলাদেশ দলকে দেখে কেবলই কর্ণের কথা মনে হচ্ছিল। মহাভারতের ট্র্যাজিক বীর কর্ণ। বিয়োগান্তক কিন্তু করুণ নন, পরাজিত কিন্তু মহীয়ান। পাণ্ডবকুলপতি অর্জুনের বিরুদ্ধে কৌরবদের হয়ে লড়ছেন কর্ণ। লড়ছেন ন্যায়ের জন্য, জয়ের জন্য নয়। যুদ্ধের চরম মুহূর্তে তাঁরই কি না রথ আটকে যায় কাদায়! কৃষ্ণ তাঁর প্রতি বিরূপ, তাঁকে অভিশাপ দিয়েছিলেন গুরু পরশুরাম, বসুন্ধরা দেবীর হিংসারও শিকার তিনি। এত সব সমীকরণেরই ফল চরম মুহূর্তে রথ অচল হয়ে যাওয়া।

জন্মমুহূর্ত থেকে নিয়তি তাঁর শত্রু, জীবনের চরম সংকটে সেই নিয়তিই তাঁকে অন্তিম ছলনাটি করে। সে রকম বেকায়দা অবস্থাতেই অর্জুন তাঁকে তীরবিদ্ধ করে হত্যা করেন। মহাভারতের মহানায়ক অর্জুন হলেও তাঁকে কোথাও শঠ, কোথাও ক্ষুদ্রমনা লাগে। নিয়তির নির্দেশ, অর্জুনই কুরু ময়দানে জয় পাবেন; কিন্তু মানবহূদয়ের ময়দানে যিনি বিজয়ী, তিনি কর্ণ। সমগ্র মহাভারতের আখ্যানজুড়ে এই পরাজিত বীরকেই বেশি উজ্জ্বল লাগে। মানবমনে কর্ণ চরিত্র এমনই বিষণ্ন মায়া জাগায়।

shorof's picture

এ কান্না ভালোবাসার

টানটান উত্তেজনাপূর্ণ এক ক্রিকেট ম্যাচ দেখল পুরো ক্রিকেট বিশ্ব। গতকালের এশিয়া কাপের ফাইনাল ম্যাচে বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তানের খেলাটির দিকে দৃষ্টি ছিল বাংলাদেশী কোটি কোটি ক্রিকেট ভক্তদের পাশাপাশি পুরো ক্রিকেট বিশ্বের। ফাইনাল খেলা ফাইনালের মতোই হয়েছে। এ খেলাটি দেখতে মাঠে উপস্থিত ছিলেন অগনিত ক্রিকেট ভক্তের পাশাপাশি বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো: জিল্লুর রহমান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, মাননীয় বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেন মুহাম্মদ এরশাদ এবং সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ অনেকে। খেলাটি দেখতে টেলিভিশনের পর্দায় বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি নাগরিক চোখ রেখেছিল। চাকুরীজীবি মানুষেরা এদিন একটু আগে-বাগেই অফিস থেকে ছুটি নিয়ে খেলা দেখতে টেলিভিশন পর্দায় অপলক দৃষ্টিতে বসেছিল। দেশের বিভিন্ন জায়গায় বড় পর্দায় খেলাটি দেখার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সব জয়গায়ই ক্রিকেট ভক্তের ভীড়। সবাই হইহুল্লোড় করে খেলাটি উপভোগ করছিল। বাংলাদেশ যখন ফিল্ডিং করছিল তখন একটি উইকেটের পতনে সবাই তুমুল করতালি সহকারে এটিকে উদযাপন করছিল। আবার যখন বাংলাদেশ ব্যাটিং করছিল তখন প্রতিটি রান প্রাপ্তিতেই তুমুল করতালি দিয়ে উদযাপন করছিল। মাঠে যাঁরা দেখছিল তাঁরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশী খেলোয়াড়দেরকে উৎসাহ যুগিয়েছিল। সবাই অধীর আগ্রহে আরেকটি জয় দেখার অপেক্ষায় ছিল। আরেকটি বিজয়োল্লাস করার অপেক্ষায় ছিল। কিন্তু হলো না। বাংলাদেশ মাত্র দুই রানের জন্য এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন হতে পারল না। কিন্তু তাতে কী পরেরবার তো হবে। আমরা তো ভালো খেলেছি। ভালো খেললে আমাদের জয় হবেই।

Rita Roy Mithu's picture

মাত্র ২ রানে পরাজয় = মাত্র ২ রানে জয়!!

আমার এই লেখার শিরোনামই বলে দিচ্ছে, এশিয়া কাপ ফাইনালের রেজাল্টকে আমি কিভাবে দেখছি। এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশকে পরাজিত বলতে আমি রাজী নই। পরাজয় তখনই হতো, যখন দুই দলের জয়-পরাজয়ের ব্যবধান কমপক্ষে ২০ রানের হতো। যে কোন প্রতিযোগীতায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীর যোগ্যতার মান মোটামুটি একই স্কেলেই থাকে। যে আজ প্রথম হলো, সে-ই আবার আগামীকাল তৃতীয় স্থানে চলে যেতে পারে। কাজেই চ্যাম্পিয়ন বা রানার্স আপ পজিশন দিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে মাপা যাবেনা। আজকে শেষের চার আসেনি রাজিবের ব্যাট থেকে, তার মানেই ঐ মুহূর্তটুকু বাংলাদেশের জন্য ছিলনা, আজকের ঐ মুহূর্তটুকু পাকিস্তানের জন্য তোলা ছিল, আজকে না হয়ে আগামী

shorof's picture

বিজয়োল্লাস

অভিনন্দন। অভিনন্দন। অভিনন্দন।
বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে প্রাণঢালা অভিনন্দন। সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন শ্রীলংকাকে পাঁচ উইকেটে হারিয়ে বাংলাদেশ এখন এশিয়া কাপের ফাইনালে। পরপর দুই ম্যাচে সাবেক এবং বর্তমান দুই বিশ্ব চ্যাম্পিয়নকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। এ বিজয়ে কোটি কোটি বাঙ্গালী দর্শক খুবই আনন্দিত। আমিও আনন্দিত। এ বিজয় ক্রিকেটারদের। এ বিজয় বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের। এ বিজয় আমাদের সকলের। আন্তরিকতা এবং দায়িত্বশীলতার সাথে খেললে বিজয় আমাদের সুনিশ্চিত। এটা তারই প্রমাণ।

ক্রিকেটপ্রিয় বাংলাদেশের কোটি কোটি দর্শকদের কাছে গতকালের দিনটি ছিল নিঃসন্দেহে তৃপ্তিদায়ক, আনন্দদায়ক। এ বিজয়ে সবাই হইহুল্লোড় করে রাস্তায় আনন্দ মিছিল করে উদযাপন করছে। আমাদের শাবিপ্রবি ক্যাম্পাসসহ দেশের নানান জায়গায় বিজয় মিছিলের খবর পাওয়া গেছে। সবাই স্বত:স্ফুর্তভাবে এ বিজয় মিছিলে অংশ গ্রহণ করে একে অন্যের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করে নিচ্ছে। এ বিজয় আনন্দ পুরো দেশবাসী দলমত নির্বিশেষে উদযাপন করেছে।

আমি এবং আমরা আশা করব এশিয়া কাপের ফাইনালেও বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা আন্তরিকতা এবং দায়িত্বশীলতার সাথে খেলে আরেকটি বিজয় ছিনিয়ে আনবে। আমার বিশ্বাস ফাইনাল খেলায় জয়ের মাধ্যমে আমরা আরেকটি বিজয়োল্লাস করতে পারবো।

shorof's picture

ক্রিকেটের জয় হয়েছে, বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের জয় হয়েছে, আমাদের জয় হয়েছে

অভিনন্দন। অভিনন্দন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে। শাবাশ বাংলাদেশ।
ভারত বনাম বাংলাদেশের খেলায় বাংলাদেশ জয়ী হয়েছে। এটা আমাদের পুরো দেশবাসীর জন্যে অত্যন্ত আনন্দের, গৌরবের। এ আনন্দ সবাই ভাগাভাগি করে নিক এবং সবাই নিচ্ছেও। আমাদের শাবিপ্রবি ক্যাম্পাসসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় আনন্দ মিছিল করে এই আনন্দ সবাই ভাগাভাগি করে নিচ্ছে। কিছুক্ষণ পূর্বে শাবিপ্রবি ক্যাম্পাস থেকে একটি আনন্দ মিছিল বের হতে দেখলাম। দেখে বেশ ভালো লাগল। আমিও এতে কিছুক্ষণ যোগ দিয়ে আসলাম।

Abul.Momen's picture

আত্মসমর্পণের বৃত্ত থেকে ক্রিকেট দলকে বেরোতে হবে

চট্টগ্রামে বাংলাদেশ দলের ৭২ টেস্টে ৩৫তম ইনিংস পরাজয়ের পর দেশের ক্রিকেট নিয়ে তলিয়ে ভাবা এবং সঠিক পথ নির্ধারণ করা জরুরি হয়ে পড়েছে। আন্তর্জাতিক আসরে হাসির পাত্র হতে দেশের সব মানুষ রাজি নয়। নিজেদের দলের জন্যও আর ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। দেখতে দেখতে টেস্ট খেলারও যুগপূর্তি হতে চলল, ওয়ানডে খেলছি ২৫ বছর হলো। অতিসম্প্রতি জিম্বাবুয়ে দল দেখিয়েছে, পিছিয়ে পড়লেও আবার কীভাবে ঘুরে দাঁড়াতে হয়। এখন বাংলাদেশের জন্য হোম গ্রাউন্ডেও বদলে যাওয়া জিম্বাবুয়েকে হারানোর সম্ভাবনা কমে গেছে।

আইসিসির টেস্ট র‌্যাংকিংয়ে আমাদের অবস্থান বরাবর সবার পেছনে আছে। তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই, আপত্তিরও কারণ নেই। আমি বলব, র‌্যাংকিংয়ের সঙ্গে রেটিংটাও দেখতে। তাতে যে কোনো অগ্রগতি নেই। প্রথম আটটি দলের পরস্পরের মধ্যে অবস্থানের ক্রম অনুসারে রেটিংয়ের ব্যবধান খুব বেশি নয়। প্রথম থেকে দ্বিতীয়ের ব্যবধান মাত্র ৭—১২৫ ও ১১৮। প্রথমের সঙ্গে অষ্টমের ব্যবধানের হার—৪: ৩। কিন্তু অষ্টমের সঙ্গে নবমের অর্থাৎ বাংলাদেশের ব্যবধানের হার—১০: ১। এটা বরাবরই এই রকম। ওয়ানডেতেও অবস্থা একই রকম। তবে টেস্টই মূল ক্রিকেট বলে এ লেখা, সেটিই আমার বিচার্য বিষয়।

» Topics:
Hasan.Hafiz's picture

অভিনন্দন খোদেজা ও মহিলা ক্রিকেট দলকে

তার নাম খোদেজা বেগম। কঠিন শ্রমজীবী, সাহসিনী। খেজুর গাছের রস সংগ্রহের যে পেশা, গাছি বলে তাকে। গাছি হিসেবে সেই চ্যালেঞ্জিং কাজ তিনি করে যাচ্ছেন। পুরুষের পাশাপাশি। তাকে অভিনন্দন। বয়স তার ৫০ পেরিয়ে গেছে। বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করে অন্যত্র চলে যান। সংসারে বিপর্যয়। পরিবার পোষণের জোয়াল কাঁধে তুলে নেন তিনি। পালন করেন মা ও আট ভাইবোনকে দেখভাল করার গুরুদায়িত্ব। নিজের দিকে তাকানোর ফুরসত মেলেনি। বিয়ে হয়নি।

জীবনসংগ্রামী এই নারী চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার তিতুদহ ইউনিয়নের গবরপাড়া গ্রামের। মাত্র ১৪ বছর বয়সেই শ্রমজীবী হিসেবে তিনি অবতীর্ণ হন জীবনযুদ্ধে। পেশা বদলাতে হয়েছে বার বার। কখনও পরের জমিতে লাঙল দেয়া, শ্যালো মেশিন চালানো, মাটি কোপানো, ধান-পাটের বোঝা বহন ইত্যাদি। এখন কোমরে শক্ত দড়ি বেঁধে, কাঁধে সাজসরঞ্জাম নিয়ে করে চলেছেন খেজুর গাছ কাটার কাজ। ঝুঁকিপূর্ণ পেশা। অনেক পুরুষও এ কাজকে ভয় পান।

U.S. shows no quit in victory

DRESDEN, Germany — This U.S. Women’s World Cup campaign has a chance to get big now. It’s one of the slowest weeks on the U.S. sports calendar, so there’s not much competition, and any time you mix patriotism and miraculous comebacks and appealing athletes who world cup football shirts play for the purity of the sport — and the winning, of course, always the winning — well, you’ve got something that could blow up.

» Topics:

Workforce to peak in 2013

BEIJING – The number of Chinese who are in their working years will peak in 2013 and then decline afterward, according to a recent report by Allianz cheap football shirts, a leading German financial group.That finding provides further evidence that the Chinese population is getting older on average and that good reasons exist to loosen the country’s family-planning policy.The national policy, which has been in place since the late 1970s, restricts most urban couples to having a single child.”If China sticks to its current retirement age, the co

» Topics: