Sex

প্রসঙ্গঃ সমকামিতা মানসিক রোগব্যাধি নয় তবে স্বাস্থ্যগত ক্ষতির কারণে বর্জনীয়

সমকামিতা (ইংরেজি: Homosexuality, হোমোসেক্শুয়্যালিটি) একটি যৌন প্রবৃত্তি, যার দ্বারা সমলিঙ্গের দুই ব্যক্তির মধ্যে প্রেম কিংবা যৌন আচরণ বোঝায়। প্রবৃত্তি হিসেবে, সমকামিতা বলতে বোঝায় মূলত সমলিঙ্গের কোনো ব্যক্তির প্রতি জেগে ওঠা "এক যৌন, স্নেহ বা প্রণয়ঘটিত এক ধরনের স্থায়ী স্বাভাবিক প্রবণতা"; "এছাড়া এর দ্বারা এই ধরনের সম্পর্কের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা ব্যক্তিগত বা সামাজিক পরিচিতি, এই ধরনের আচরণ এবং সমজাতীয় ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত এক সম্প্রদায়ের সদস্যতাও নির্দেশিত হয় ।

মেয়ে তোমার নিরাপত্তা কোথায়

প্রভাতের সি্নগ্ধ কোমল-রেশম আলো চোখের পাপড়ি ছুঁইয়ে গেলে যে মেয়ে দৃষ্টি মেলে অনাগত দিনের সফলতা আর সুমধুর স্বপ্নকে লালন করে। পৃথিবীকে দেখছে সে মাত্র ১৪-১৫ বছর ধরে। শিশুকাল থেকেই অধ্যবসায় ও সাধনার মাধ্যমে বড় হতে হয়। এ ধ্যান-জ্ঞান স্মরণে রেখে সর্বদাই ছুটেছে পরীক্ষার সন্তোষপূর্ণ ফলাফলের দিকে। পিতা-মাতাসহ নিকট আত্মীয়দের সম্মানিত করার জন্য ঐটুকু কচি দেহ-মনে প্রচেষ্টা নিরন্তর ছিল। প্রতিদিন যে কিশোরী একটু একটু করে পৃথিবীকে আবিষ্কার করতো বিস্ময় আভাসে। কিন্তু কখনো তার ঘূর্ণাক্ষরেও মনে হয় নেই যে হাঙ্গর, কুমির, দৈত্য-দানব তার চারপাশেই মানুষের মুখোশ পরিধান করে ঘুরে বেড়াচ্ছে। সময়-সুযোগ পেলেই বিশাল হাঁ করে বিষদাঁত ফুটিয়ে দেবে তার নিষ্পাপ দেহবরণে। প্রতিটি পুরুষই মাতৃগর্ভ থেকে জন্মলাভ করে আবার কন্যা সন্তানের জনক হয়। তথাপিও কী করে পারে সন্তানতুল্য অথবা আদরের ছোটবোন তুল্য নিজ ছাত্রীটিকে পৈশাচিক লালসার শিকার করে চরম লজ্জাজনক আর অপমানজনক এ রকম জঘন্য নোংরা পরিস্থিতির মধ্যে ঠেলে দিতে।

Sazzad.Qadir's picture

পরনোগ্রাফি: ইন্দ্রিয়ঘন অভিজ্ঞতা

ষাটের দশকে কয়েকজন কবি বিতর্কিত হয়েছিলেন যৌন বিষয়াদি নিয়ে খোলামেলা ভাষায় লিখে। তাঁদের মূল প্রেরণা ছিলেন তিরিশের কয়েকজন কবি। তবে তাঁরা সাহস পেয়েছিলেন পঞ্চাশ দশকের কয়েকজন কবির  যাঁরা নতুন সাহিত্য-আন্দোলন শুরু করতে গিয়ে শ্লীল-অশ্লীলতার বিতর্ক সৃষ্টি করে জড়িয়েছিলেন মামলা-মোকদ্দমায়। আমাদের ওই কবিরা সাহস দেখিয়েছিলেন আরও বেশি। তাঁদের লেখা দুর্নাম কুড়িয়েছিল ‘অশ্লীল’ বলে, অনেকে বলেছিলেন পরনোগ্রাফি-ও। আজকের পাঠকদের কাছে ওই লেখাগুলো যে নেহাৎ জোলো বা পানসে ঠেকবে তা জোর দিয়েই বলতে পারি আমি। তবে ওই কবিদের একজন সত্যি-সত্যি পরনোগ্রাফি লিখেছিলেন একটি। তখন ওগুলোকে বলা হতো ‘চটি বই’। এ রকম নাম হওয়ার কারণ, ও বইগুলোতে প্রচ্ছদ বা মলাট থাকতো না।

কোনও প্রকাশকের কথায় ওই কবি তৈরি করেছিলেন পাণ্ডুলিপি। ফুলস্কেপ সাইজের কাগজে ৭২ পৃষ্ঠা জুড়ে রগরগে ভাষায় তিনি লিখেছিলেন সম্ভব-অসম্ভব নানা রকম যৌনলীলার বিবরণ। তাঁকে আট আনা (৫০ পয়সা) দিয়ে এক ঘণ্টার জন্য ধার নিয়ে পড়েছিলাম সেটা। ওই কবি গদ্যের চর্চা করেন নি, করলে আমাদের সেরা কথাসাহিত্যিকদের একজন হতে পারতেন।

প্রসঙ্গঃ নারী স্বাধীনতার অন্তরায় বোরকার স্বাস্থ্যগত, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় কুপ্রভাব

আসুন শুরুতেই চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক নিম্নোল্লেখিত সংবাদটির দিকে -

হাইকোর্টের রায়, ধর্মীয় পোশাক পরতে বাধ্য করা যাবে না

নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ০৪-১০-২০১০

কোনো ব্যক্তিকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্মীয় পোশাক পরতে বাধ্য করা যাবে না বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। আজ সোমবার বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় দেন। আদালত রায়ে বলেছেন, ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানের চার মূলনীতির অন্যতম হচ্ছে ধর্মনিরপেক্ষতা। এটি পঞ্চম সংশোধনী রায়ের মাধ্যমে পুনঃস্থাপিত হয়েছে। কাজেই কোনো ব্যক্তিকে কোনোভাবেই ধর্মীয় পোশাক পরতে বাধ্য করা যাবে না। এটি মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী। প্রত্যেক নাগরিকেরই স্বাধীনভাবে ধর্ম পালন ও ধর্মীয় পোশাক পরিধানের অধিকার রয়েছে। এর আগে গত ২২ আগস্ট হাইকোর্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ দেশের কোনো দপ্তরে নারীদের বোরকা পরতে বাধ্য না করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। একই সঙ্গে মেয়েদের খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত না রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়। হাইকোর্টের একই বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত (সুয়োমোটো) হয়ে এ আদেশ দিয়েছিলেন।

প্রসঙ্গঃ সমকামিতা ও এইডসের আন্তঃসম্পর্ক এবং একটি গ্রন্থ সমালোচনা

এইডস এবং সমকামিতার ওপর জনসচেতনতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে সমকাম এবং এইডসে আক্রান্তদের জন্য উৎসর্গীকৃত

আমাদের দেশের জনগণের একটি মজ্জাগত বৈশিষ্ট্য হলো, তারা ডাক্তারের কাছে সহজে যেতে চায়না, নিজেই নিজের চিকিৎসা করে, আমাদের অভিজিৎ বাবুও চিকিৎসক না হয়েই এইডসের মত একটি মরনঘাতী ব্যাধিতে সমকামের কোন সংশ্লিষ্টতা নেই বলে প্রচার করে সমাজের উপর তার অপচিকিৎসা চালিয়ে যান । আমার বাবা ইতিহাসের লোক, চিকিৎসক নন, আমার মাতামহ রাষ্ট্রবিজ্ঞানের লোক – ১৯৫২ সালের ভাষা সৈনিক তথা একাত্তরের বুদ্ধিজীবী মুহাম্মদ জিয়াদ আলী, তিনিও চিকিৎসাবিদ্যার সঙ্গে জড়িত নন । তাদের মাঝে মাঝে দেখি ড্রাগ ম্যানুয়াল বা মিমস, সিমস, পিমস ইত্যাদি নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করতে, হয়তো কারো কোন ছোটখাটো শারীরিক সমস্যা হয়েছে, তখন তারা মিমস লব্ধ জ্ঞানে রোগীকে বলেন প্যারাসিটামল বা অ্যান্টি অ্যালারজিক খেতে । এই কাজটি বাংলাদেশে অনেকেই করেন, একটু কাশি হলেই দেখা যায়, কফ সিরাপ তুসকা খাওয়া শুরু করেন । ভাইরাল কমন কোল্ডে অনেকে অনেকে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া শুরু করেন । কেউবা ঘন সর্দিতে আন্দাজে অ্যালাট্রল খাওয়া শুরু করেন । আমি মনে মনে হাসি, কেননা চিকিৎসক হতে গেলে ৫ বছর এমবিবিএস পড়তে হয়, তারপর তিনি ডাক্তারি করতে পারেন, শুধু ইন্ডিকেশন- ডোজ-সাইড এফেক্ট-প্রিকোশন দেখে ঔষধ দেওয়া যায়না ।

Hasan Kamrul's picture

শহুরে নীলদর্পণ

সেই কবে কোন এক মনিষী বলেছেন প্রেমের স্বাদ নাকি মরনে। তাই বুঝি প্রেমিকাকে পাওয়ার নেশায় ভোগের নেশায় উত্তাল প্রেমিক। কেউ স্বেচ্ছায় মূল্যবান নারীত্ব বিসর্জন দিচ্ছে আধুনিকতার ছোঁয়ায় । কেউ বা আবার উচ্চবিত্তকে মনে প্রাণে ধারণ করতে গিয়ে ডিস্কো ক্লাবে রাতভর মদের নেশায় আধুনিক হওয়ার সকল ধাপ পাড়ি দিচ্ছে। ধনী বাবা মায়ের সময় কোথায় সন্তানের খোঁজ খবর নেয়ার। বাবা ব্যস্ত ক্লাইন্টকে সময় দিতে গিয়ে আর মা সেতো সোসাইটি ম্যান্টেইন করতেই প্রতিদিন রাত করে বাসায় ফিরেন। বাবা মায়ের এমন অনুপস্থিতিতে ছেলে মেয়েরা বেপরোয়া হয়ে উঠছে। যদি কোন মেয়ে তার মাকে দেখেন বাবার ব্যবসায়িক পার্টনারের সাথে মা সিঙ্গাপুরে ট্যুরে যাচ্ছেন কিন্বা বাবা তার সুন্দরি পিএস’র সাথে অন্তরঙ্গ মুহূর্ত কাটাতে রাত পর্যন্ত অফিস করেন।

নারীর প্রয়োজনেই শ্রেষ্ঠত্ব পুরুষের - মঈনুল আহসান

          আল্লাহর বিধানে সকল সময়ের সকল পণ্য ও প্রাণের জন্য রয়েছে পরিমিত লাভালাভ। কিন্তু দুনিয়ার বুকে ক্ষণিকের বাসিন্দা হয়ে এসে মানুষ পেতে চায় অতি আয়েস সাধ্য দ্রুততর লাভ। তাই নিজেদের আপাতঃ সুন্দর কাজ কারবারে মানুষ যেখানে বোধ করে পরম স্বাচ্ছ্যন্দ সেখানে আল্লাহর যে কোন নির্দেশ বা বিধানের ক্ষেত্রে তার মনে উঁকি দেয় অন্তহীন প্রশ্নকারণ সেসব বিধানের ভেতরে লুক্কায়িত লাভের গুড় সহসা চোখে পড়ে না, সবাই দেখতে পায় নাসেজন্যেই আল্লাহর বিধানে যখন পুরুষকে শ্রেষ্ঠত্ব ও অধিকার দেয়া হয় নারীর উপরে (সূরা ২ : আয়াত ২২৮; সূরা ৩: আয়াত ৩৪) তখন দুনিয়ার তাবৎ বিদ্বানদের কাছে তা হয় অগ্রহণযোগ্য আর নারীবাদীরা তাতে বোধ করে চরম অপমান অথচ নিজেদের প্রাত্যহিক জীবনে কাউকে না কাউকে সেরা হিসেবে মেনে নিয়ে তার অধীনে বা অধিকারে থেকে দিনপাত করাটা মানুষের জন্য অতি স্বাভাবিক ঘটনা

নারী, পাশ্চাত্য এবং অবিনাশী সামাজিক কাঠামো - মঈনুল আহসান

মা ও সন্তানের মাধ্যে নাড়ী ও আত্মার বন্ধন এক সর্বজনীন সত্য। এই বন্ধনের পরিসীমা জৈবিক, বৈষয়িক ও মানসিক সমস্ত চাওয়া-পাওয়া এবং সময়ের সীমানা পেরিয়ে ব্যক্তিগত এবং সামাজিক মান-সম্মান ও ইজ্জত-আব্রু অবধি বিস্তৃত। মায়ের সাথে এই বাঁধন সন্তানের জন্য যেন অতি পবিত্র এক আমানত যা কিনা জীবনের মত জীবনান্তেও চরম ও পরম সত্য হিসেবে স্বীকৃত। সেজন্যেই যে কোন সংঘর্ষ-সংঘাতে প্রতিপক্ষকে হেয় করতে, উত্তেজিত করতে অথবা তার প্রতি অন্তরের ঘৃণা উগড়ে দিতে মা-বোন কেন্দ্রিক কটূবাক্য কাজ করে থাকে অব্যর্থ এক অস্ত্র হিসেবে। এই অস্ত্র জাতি, ধর্ম, ভাষা, বর্ণ, ধনী, গরীব নির্বিশেষে বিশ্বের যে কোন  প্রান্তের যে কোন আদম সন্তানের জন্য একই ভাবে কার্যকর এবং একই রকম স্পর্শকাতর। এজন্যেই মা-বোনের পদস্খলন একটি পরিবারকে অথবা সাধারন ভাবে একটি জাতির মেয়েদের অধঃপতন একটি সমাজকে যে ভাবে এবং যত দ্রুত বিপর্যস্ত ও বিধ্বস্ত করতে পারে শুধু পুরুষের পদস্খলন তা করতে পারে না। পুরুষের অধঃপতন সাধারনত ক্ষতিগ্রস্থ করে ব্যক্তিকে কিন্তু নারী যেহেতু পরিবার, সংসার ও সমাজের ভিত্তিমূল তাই তাদের পদস্খলনের প্রতিক্রিয়া হয়ে থাকে ব্যপক ভিত্তিক এবং দীর্ঘ মেয়াদী। অনেকটা গাছের মূল ও কান্ডের মত। কিছু ডালপালা কান্ড থেকে ভেঙ্গে পড়লেও গাছে ফল হতে পারে কিন্তু শেকড়ে পচন ধরলে পুরো গাছটাকেই প্রাণ হারাতে হয় অকালে।

‘উড’ সংস্কৃতির ধাক্কায় পথহারা নারী স্বাতন্ত্র্য - মঈনুল আহসান

[এক] আজকের দুনিয়ায় নারীকে পণ্য হিসেবে বাজারজাত করতে বিশ্ব অর্থনীতির  কথিত উন্নয়ন পরিসংখ্যান সহ অনেকের অনেক রকম অবদান বা ভূমিকা থাকলেও এক্ষেত্রে সবাইকে টেক্কা দিয়ে চলেছে হলিউড-বলিউডের সর্বগ্রাসী স্বপ্নীল থাবা। মাদকাসক্তদের মতই বিশ্ব আজ আসক্ত এই দুই ‘উড’-এর নেশায়। উন্নত প্রযুক্তির হাত ধরে এই দুই ‘উড’ সংস্কৃতি এখন সিনেমা হলের সীমানা পেরিয়ে ঢুকে পরেছে মানুষের ঘরে ঘরে। পৌঁছে গেছে কচি শিশুর আঙ্গুলের ডগায়। রূপ-রং আর জৌলুষময় এই জগত দুটোতে কল্পনার ফানুস মিশিয়ে তৈরী হয় যে জীবন ব্যবস্থা সেখানে সাধারনতঃ নায়করা মরে না, নায়িকাদের রূপ-লাবণ্য কমে না। বার্ধক্য তাদের ছুঁতে পারে না। নিত্য জীবনের রোগ-শোক, দুঃখ-ব্যাধি সেখানে হানা দেয় না। অতি ভাবুক এবং কষ্ট কল্পনার সেই জীবনের স্বপ্নেই বিভোর বিশ্বের বর্তমান প্রজন্ম। জীবনকে তারা সেরকম তারুণ্যময় স্মার্ট ভাবতেই আগ্রহী। স্মার্টনেসের উল্টো পিঠে লিখা আছে যে সরলতা কিম্বা অক্ষমতা সে সম্বন্ধে তারা একেবারেই অজ্ঞ অথবা জেনেশুনে নিস্পৃহ। তাই বার্ধ্যক পীড়িত বাবা-মা তাদের কাছে আজ অগ্রহণযোগ্য।

যৌন সংস্কৃতির দেশ ও ফেনসিডিল প্রিয় জাতি

শিরোনামের প্রথমাংশটুকু ভারত প্রসঙ্গে এবং দ্বিতীয়াংশটি অবশ্যই বাংলাদেশ প্রসঙ্গে। এ থেকে অবশ্য এটা অনুমান করা ঠিক হবে না যে, ভারতের সবাই যৌন সংস্কৃতির অনুসারী বা বাংলাদেশের সবাই ফেনসিডিলখোর। কিন্তু কথায় আছে ‘পাপী মরে দশ ঘর নিয়ে’ এটাও তেমন। দুষ্কর্মের সঙ্গে যুক্ত থাকে কিছু লোক, দোষ হয় গোটা দেশ বা জাতির। অবশ্য যৌন সংস্কৃতির বিকাশ ভারতে অতি প্রাচীনকাল থেকে ধর্মের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে। সুপ্রাচীনকাল থেকে ভারতে মন্দিরে মন্দিরে দেবালয়ে দেবদাসী প্রথার প্রচলন আছে। কামকলা প্রশিক্ষণের জন্য শাস্ত্র তৈরি হয়েছে ভারতে যা বাত্স্যায়নের কামসূত্র নামে পরিচিত। এর ব্যাপক প্রয়োগ একাল পর্যন্ত পরিব্যাপ্ত।

ধর্মাচার এবং যৌনাচারের সহ-অবস্থানের প্রসঙ্গে আসি আগে। ভারতীয় যে কোনো টিভি চ্যানেল খুললেই তার প্রমাণ পাওয়া যাবে। প্রাচীনকালে যেমন যে মন্দিরে দেবতার পূজা চলত, সেই মন্দিরেই দেবদাসীদের দেহদানও (ব্যবসা) চলত যেন ধর্মের অঙ্গ হয়ে। একালেও তেমনি যে টিভি চ্যানেলে অতিশয় অতিরঞ্জিতভাবে যে কোনো নাটকে ধর্মাচারের বাড়াবাড়ি প্রদর্শন চলে, সে চ্যানেলেই বিজ্ঞাপনে বা আইটেমগার্লদের নাচের নামে যৌনাঙ্গের ধস্তাধস্তিতে চলে দেহ ব্যবসা।