History

স্বাধীনতার ঘোষণা

স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে কোন বিতর্ক বা ইস্যু তৈরির জন্য এ পোষ্টটা দিচ্ছি না। ডকুমেন্টারিটা হাতের কাছে পাওয়ায় শেয়ার করলাম।

declaration of independence of Bangladesh-Original Speech by Ziaur Rahman
http://www.youtube.com/watch?v=h_n9AvFWGeA

Zia clarifies his timing of declaration of independence
http://www.youtube.com/watch?v=XtAUbEfi58E

Tags:

Indian Nuke Safety & IAEA By Zaheerul Hassan

Times of India reported on November 30, 2009 about radiation contamination at the Kaiga nuclear plant in Karnataka. The locals residing in surrounding area suffered with heavy damages in the shape of casualties of inhabitants and livestock worth costing in corers. Indian Prime Minister (PM) Manmohan Singh has denied any radiation leakage and said there was "nothing to worry about". He further added that he has been briefed that it is a small matter of contamination and is not linked to any leak. In this regard global nuke experts really got astonished over Indian PM statement in which he tried to tone down the most serious crisis of India i.e. Safety and security of Indian Nuke Plants . Should we consider that Manmohan Singh statement is a mater of poor knowledge or extremists Hindu lobby present in the government deliberately reluctant to share confidential nature of information to their Sikh PM. Indian Intelligence Agencies did not even timely confirm to their PM about the involvement of minorities’ killer “Lt Col Prohit’ and elimination of their loving son “LTTE Chief Prabharkan”.

রাজাকারদেরকে কারা নির্বাচন করিল?

মিডিয়াতে এখন ১৯৭১ এর শহীদদেরকে কে এবং কীভাবে নির্মমভাবে হত্যা করেছিল তার বিবরণ দেখে বিস্মিত হই।
ঘৃণায় আত্মা পর্যন্ত নড়ে ঊঠে।
ঐ সব রজাকারদেরকে যারা পূনর্বাসন করেছিল তাদের জন্যও ঘৃণা হয়। তাদের বিচার করার কথা বলা হয়।

কিন্তু ঐসব রাজাকারদেরকে যারা ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে এম পি বানিয়ে সংসদে পাঠিয়েছিল তাদের কী বিচার হবে?
যারা রাজাকার তারাতো রাজাকারই কিন্তু যারা তাদের সমর্থক তারাওতো রাজাকার।
এখন ঐ সব ভোটদাতা জনসাধারণ নামের রাজাকারদের কী বিচার হবে?
ধন্যাবাদ
আখতার হুসাইন
কানাডা

Roubo Nation - Holy Book of Gamelian

D.s.FThe Historical Roubo Nation Song

The world we live is the world we love.
It’s the world of peaceful heart.
Love the land of our nation,
Love the land of our liberation.
It’s the world we love.

Go on, love on, live on,
The world of love…..

By the kindness of lords,
By the bless Roubo-es.

Feel all, see all, love all,
The world of Roubo.

In the heart of yours,
You will find the place of love…
The place of dream.
The place of the world….

The Roubo lord nation……..

Tags:

Tribute : The Bangladeshis Killed in 9/11

M. Tawsif Salam
11 September, 2009, Dhaka

Bangladeshis Killed in 9-11

Clockwise: Mohammed Salahuddin Chowdhury, Mohammad Shahjahan, Nurul Haque Miah, Abul Kashem Chowdhury, Shakila Yasmin and Shabbir Ahmed.

Immediately after the horrible 9/11 attacks, the perception about Bangladeshi fatalities was that at least 50 of our countrymen have been missing in the rubles, dead or else. Watching the twin towers of the World Trade Center emitting smokes almost like two sky-scrapping chimneys, initially very few people overseas were concerned about knowing how much people of what nationalities have been victims, apart from those who knowingly had family members, coworkers or friends working in New York’s Lower Manhattan that day.

ক্রমশঃ

উত্‌সর্গঃ মতিউর রহমান নিজামী । অনেক মানুষ আছে যারা এই মানুষের রূপ ধারনকারী পশুটিকে নিজ হাতে গুলি করে মারতে চান, কেউ চান তাঁকে ফাঁসি দিতে, কেউ কেউ বলেন এই “মাল”টিকে জ্যান্ত পুঁতে ফেলা উচিত, অতি আবেগ প্রবণ কেউ কেউ তার দাড়ি আর ভুরু কামিয়ে দিতে চান… কেন জানি আমার কোন শাস্তিই পছন্দ হয় না । কোন শাস্তি মন মত হলে কোনোটা আবার প্রাণ মত হয় না ।

প্রায়-ই ভাবি হুজুর নিজামীকে কোলে করে বসাই, আদর করে প্রতিদিন সকালে দুই চামচ কাঁচা গু খাওয়াই… আর কিছুক্ষণ পর পর বলি… হুজুরের ভাল্লাগে ?… লাগে ?…

(লেখাটি মহান বিজয় দিবসের আগে লেখা । এবং পূর্ব প্রকাশিত)

বাকশাল এবং আমাদের এ সময়ের রাজনীতি

২৫ জানুয়ারী বাংলাদেশ ও বাংলাদেশীদের জন্য এক অবিস্শরনীয় দিন।১৭৫৭ সালের ২৩ জুন,১৯০৫ সালের বঙ্গ বিভাগের দিন,১৯১১ সালের বঙ্গ বিভাগ রদের দিন,১৯৪০ এর লাহোর প্রস্তাব,১৯৪৭ এর ১৪ অগাস্ট,১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলন,১৯৬৯ এর গন অভ্যুন্থান,১৯৭১ এর স্বাধীনতা সংগ্রাম, সিপাহী-জনতা বিপ্লবের ৭ ই নভেম্বর মতই ২৫ জানুয়ারী বাংলার আকাশে চিরদিন কলংকময় দিবস হিসেবে জেগে থাকবে।

১৯৭৫ সালের এই দিনেই গনতান্ত্রিক চেতনাকে দুপায়ে দলিত-মথিত করে দালাল পরিবেষ্টিত এক ব্যর্থ রাষ্ট্রনায়ক শেখ মুজিবুর রহমান গঠন করেন বাকশাল।জাতি হিসেবে এটা খুবই দু:খজনক যে,গনতান্ত্রিক অধিকার লড়াইয়ের লড়াকু সৈনিক শেখ মুজিবের হাত ধরেই বাকশাল নামক এক গনতন্ত্র বিধ্বংসী তন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।প্রশ্ন জাগতেই পারে তাহলে কি শেখ মুজিব ক্ষমতার লোভেই প্রয়োজনানুসারে গনতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছেন?প্রয়োজন শেষে তাই ক্ষমতাকে কু্ক্ষিগত করার তাগিদেই কায়েম করেন এক নতুন একনায়কতন্ত্র সৈরাচারী ব্যবস্থা বাকশাল।একালের আওয়ামী জ্ঞানপাপীদের মতই সেদিনও শেখ মুজিবকে ঘিরে রেখেছিল এক ঝাক সুশীল।তাদের কুবৃদ্ধির অভিনব আবিস্কার ছিল বাকশাল।শেখ মুজিব কিছুতেই এমন কোন মহামানব ছিলেননা যে,তার এক নায়কতান্ত্রিকতায় দেশে সুশাসনের জোয়ার বয়ে যাবে।সত্যি সত্যি জোয়ার বয়েছিল তাই সন্ত্রাস, খুন, রাহাজানি, চাদাবাজি, লুটপাট, ডাকাতি, ভারতের দখল-দারিত্ব আর চোরা-চালানের স্বর্গরাজ্যের। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে অতিমাত্রায় বিজয়ের পর শেখ মুজিব কখনো কি কোথায় স্বাধীনতার দাবী তুলেছিলেন? ইহাহিয়া,ভুট্টো তথা তখনকার ক্ষমতাসীন নেতৃবৃন্দের সাথে তার বৈঠকের বিষয়বস্তু কি তার প্রধানমন্ত্রীত্ব পাওয়া না পাওয়া নিয়ে ছিলনা?২৫ মার্চের কালো রাত্রে বাংলাদেশী নিধনের উন্মত্ততার মাঝেও শেখ মুজিব কিভাবে নির্লিপ্ত বসে ছিলেন না ধানমন্ডির ৩২নম্বর বাসায় পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে বন্দী হবার আশায়।আর কেনই বা দেশ স্বাধীনের পর দেশে না ফিরে তাকে যেতে হয় বা নিয়ে যাওয়া হয় ব্রিটেনের মাটিতে?

আওয়ামী-বাকশাল সরকারের ব্যর্থতা সম্পর্কে আর্ন্তজাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলোর বক্তব্য কেমন ছিল?

বিদেশী সংবাদ মাধ্যমগুলোর প্রতিক্রিয়া জানার জন্য তাদের প্রকাশিত কয়েকটি নিবন্ধ পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হল।

লন্ডন থেকে প্রকাশিত নিউ স্টেটসম্যান পত্রিকায় ২৭শে সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ এ জনাথন ভিন্নাম্বলম্বী এক প্রতিবেদনে লেখেন, “এমন একদিন ছিল যখন শেখ মুজিব ঢাকার রাস্তায় বের হলে জনসাধারণ হাত তুলে ‘জয় বাংলা’ ধ্বনিতে মেতে উঠত। আর আজ যখন স্বীয় বাসভবন থেকে তিনি অফিসের দিকে যান তখন চর্তুদিকে থাকে পুলিশের কড়া পাহারা। পথচারীরা সজ্ঞানে তার যাতায়াত উপেক্ষা করে। জাতির পিতাও আর গাড়ির জানালা দিয়ে হাত আন্দোলিত করেন না। তার দৃষ্টি থাকে সামনের দিকে নিবদ্ধ। বাংলাদেশ আজ বিপজ্জনকভাবে অরাজকতার মুখোমুখি। লাখ লাখ লোক ক্ষুধার্ত। হাজার হাজার মানুষ আজ অনাহারে মরছে। মফস্বল এলাকার স্থানীয় কর্মচারীরা ভয় পাচ্ছে যে আগামী মাস খুব দুঃসময় হবে। ক্ষুধার্ত মানুষের ভীড়ে ঢাকায় দম বন্ধ হয়ে আসে। এখন আবার চলছে বন্যা উপদ্রুতদের ভীড়। আগত লোকজনরা এমন নোংরা অবস্থায় থাকে যার তুলনা দুনিয়ার কোথাও নাই। কোথাও বিনামূল্যে কিছু বিতরণ করা হলে শরনার্থীদের মধ্যে মারামারি লেগে যায়। বুদ্ধিজীবিরা বলেন, এই ক্ষুধার্ত জনতা ক্ষেপে গেলে তাদের রক্ষা নেই। বাংলাদেশ আজ দেউলিয়া। গত আঠারো মাসে চালের দাম ৪ গুন বেড়েছে। সরকারি কর্মচারীদের মাইনের সবটুকুই চলে যায় খাদ্যসামগ্রী কিনতে আর গরীবরা থাকে অনাহারে।

মার্কিন গণতন্ত্রের স্বরূপ : ওয়াশিংটন ডিসির অধিবাসীদের ভোটাধিকার নেই !

পাশ্চাত্যের দেশগুলো বিশেষ করে বৃটেন ও যুক্তরাষ্ট্র গণতন্ত্র এবং নির্বাচন নিয়ে বড় বড় কথা বলে। সুযোগ পেলেই তারা নিজেদের শিবির ভুক্তদেশগুলো ছাড়া অন্য কোথাও বিশেষ করে ইরানে গণতন্ত্র নেই বলে দাবি করে। ইরানের নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা চালায়। অথচ অনেকেই জানেন না, যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসির অধিবাসীরা কংগ্রেস এবং সিনেট নির্বাচনে ভোট দিতে পারেন না। ডিসি ভোট অর্গানাইজেশন বা ডিসি ভোট নামের একটি সংগঠন গত দশ বছর ধরে এই অবস্থার পরিবর্তন ঘটানোর চেষ্টা করছে। এই সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক ইলির জায়েরকার একটি সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়েছে। 

যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসির জনসংখ্যা প্রায় ৬ লক্ষ। তবে মার্কিন কংগ্রেস নির্বাচনে এদের ভোট দেয়ার কোনো ক্ষমতা নেই। ওয়াশিংটন ডি.সির অধিবাসীরা কংগ্রেস নির্বাচনে ভোট দিতে পারেন না এ কথা আপনি জানতেন না, তাই না ? না, তা হলে আপনি অবাক হবেন না। একটি জরীপে দেখা গেছে, খোদ যুক্তরাষ্ট্রের ৮০ শতাংশ মানুষ এ বিষয়টি জানেন না।  বিস্তারিত সাক্ষাৎকারটি এখানে পাবেন