Science

nebula morshed's picture

সপ্তর্ষীর আশ্রম।

সূর্য অস্ত যাবার পর উওর পূর্ব আকাশের দিকে তাকালে দেখতে পাবেন বিরাট এক প্রশ্ন বোধক চিন্হ আকারে জ্বল জ্বল করছে সপ্তর্ষী মন্ডল।এই মন্ডলটির পাশ্চাত্য নাম উরসা মেজর (Ursa Major) একে বিগ ডিপারও বলে।

এখানে একটি বহৎ ভাল্লুকের কল্পনা করা হয়েছে।আরবীতে এই মন্ডলের নাম "দোব্বে আকবর"বা বৃহৎ ভাল্লুক বলা হয়।তথাপিও একে "বানাত নাশ"বা জানাযা হিসাবে অনেকেই জানে,পশ্চিমের চারটি তারা দিয়ে শবাধার এবং পূবের তিনটি তারা দিয়ে পিছনের লোক কল্পনা করা হয়।

ভারতীয় পূরানে এই মন্ডলকে "চিত্রশিখন্ডী বলা হয়েছে,এখানে একটি ময়ূরের আকৃতি প্রকাশ পায়।

এই মন্ডলটি আকাশে যতগুলি তারা মন্ডল আছে তার মধ্যে তৃতীয় বৃহৎম তারা মন্ডল।এটি আকাশের 1,280 স্কয়ার ডিগ্রী স্হান দখল করে আছে।

এই মন্ডলের পশ্চিম চারটি তারা দিয়ে ভাল্লুকের শরীর এবং পূবের তিনটি তারা দিয়ে ভাল্লুকের লেজ কল্পনা করা হয়েছে।যদিও সাতটি তারা নিয়ে এই মন্ডল গঠিত,তবুও চিত্রে ভাল্লুকের পায়ে এবং মুখে অনেকগুলি ছোট ছোট তারা আছে।আবার একে যখন বড় চামচ হিসাবে কল্পনা করা হয়,তখন মন্ডলের পশ্চিমের চারটি তারা দিয়ে পেয়ালা এবং পূবের তিনটি তারা দিয়ে এই পেয়ালার হাতল কল্পনা করা হয়েছে,বিগ ডিপারে ছোট ছোট তারা গুলো স্হান পায়নি।

Hasan Kamrul's picture

খনিজ বালির ভবিষ্যৎ ও বাংলাদেশ :প্রয়োজন যথাযথ উদ্যোগ

প্রাকৃতিকভাবেই বাংলাদেশের পলল সমভূমি। ভাটি অঞ্চলের দেশ হওয়ায় অসংখ্য নদীর প্রবাহ রয়েছে এদেশে। পদ্মা, মেঘনা আর যমুনার সম্মিলনে গড়ে উঠেছে পৃথিবীর বৃহত্তম বদ্বীপ_ যা গাঙ্গেত্রিয় বদ্বীপ হিসেবেই বেশি পরিচিত। ছোট বড় সব মিলিয়ে এ দেশে নদনদীর সংখ্যা দুই হাজারের মতো। প্রতি বছর উজান থেকে অর্থাৎ হিমালয় থেকে নেমে আসা পলি বাংলাদেশের ভূঅভ্যন্তরে প্রবেশ করে_ যা পদ্মা, মেঘনা, যমুনার প্রবহমানে বিস্তৃত হয়ে জমা হচ্ছে নিম্নাঞ্চলে। নদীর বুকে জেগে উঠছে অসংখ্য চর। এতে নদীর নাব্য হ্রাস পাচ্ছে। প্রতি বছরই বর্ষা মৌসুমের পর নতুন নতুন চর জেগে ওঠায় বাংলাদেশের নদনদীগুলো ক্রমেই সংকুচিত হয়ে পড়ছে। এ কারণে নদীবিধৌত বাংলাদেশের নদীপথ হারিয়ে যাচ্ছে নিত্যদিনের জীবন থেকে। এটা এক দিকে যেমন কষ্টের, অন্যদিকে খুশির বিষয় হচ্ছে, বিস্তীর্ণ এই বালিকারাশির চরের বালির সঙ্গে মিশে আছে মূল্যবান অর্থকরী ভারি খনিজ_ যা দিয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতির চেহারা পাল্টে দেয়া সম্ভব।

এতদিন চরের বালিকে সাধারণ মানের বালি হিসেবে ভাবা হতো। এ নিয়ে খুব একটা গবেষণাকর্ম ও অনুসন্ধান কার্যক্রম হয়নি। সম্প্রতি সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান চরের বালি নিয়ে গবেষণা শুরু করেছে। প্রাথমিক সমীক্ষায় মূল্যবান ভারী খনিজের উপস্থিতি নির্ণয়ের পর কিছু এলাকায় ব্যাপক অনুসন্ধান কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে এসব খনিজের ধরন, প্রকৃতি, গুণগত মান ও মজুদের পরিমাণ নির্ণয় করা সম্ভব বলে মনে করেন ভূবিজ্ঞানীরা।

Tanvirul.Islam's picture

বিজ্ঞান কেন মাতৃভাষায়?

মাতৃভাষায় বিজ্ঞান শিক্ষা কেন জরুরী, সে আলোচনা প্রায়ই ঘুরে যায় বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান শিক্ষা কেন সম্ভব নয়, সে দিকে।

এ প্রসঙ্গে যে ক’টি বাধার কথা প্রায়ই শুনি সেগুলো হলো-
• মিথস্ক্রিয়ায় বাধা: বিজ্ঞান সাধক কোনো বিচ্ছিন্ন দ্বীপ নন। জ্ঞানের বহু শাখা, বহু মতের সাথে মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমেই একজন হয়ে ওঠেন সফল বিজ্ঞানী। বাংলায় বিজ্ঞান শিখে আমরা কি সেই মিথস্ক্রিয়ার দ্বার রুদ্ধ করে ফেলবো না?
• অবকাঠামোগত বাধা: বাংলায় কি বিজ্ঞান শিক্ষার যথেষ্ট অবকাঠামো আছে? বিজ্ঞান নিয়ে বাংলায় লেখা ভালো বই, বা গুরুত্বপূর্ণ বিদেশি বইয়ের বাংলা অনুবাদ কি সহজে (বা আদৌ) পাওয়া যায়?
• চাকরি ক্ষেত্রে বাধা: বাংলায় বিজ্ঞান বা প্রকৌশল শিখে বিদেশে গিয়ে কি কেউ চাকরি পাবে? ইংরেজীটা ভালোভাবে শিখে নিয়ে পার্শবর্তীদেশ কীভাবে তর তর করে এগিয়ে যাচ্ছে সে তো আমরা সবাই দেখছি। এসময় আবার উলটো কথা কেন?

Hasan Kamrul's picture

নতুন আশা জাগানিয়া নতুন গ্যাসক্ষেত্র

দেশে গ্যাসের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে | বাড়ছেনা মজুদ | সরকারি হিসেব মতে, প্রতিদিনকার ২৫০০ মিলিয়ন ঘনফুটের চাহিদার বিপরীতে যোগান দেয়া সম্ভব হচ্ছে ১৮৫০ মিলিয়ন ঘনফুট | ৬৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের ঘাটতি রয়েছে প্রতিদিন | বছরে কয়েক বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের ঘাটতির বোঝা মাথায় নিয়ে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশের স্বপ্ন দেখছে | বিদ্যুতের নাকাল অবস্থার মধ্য দিয়ে দেশ চলছে | বিদ্যুতের যোগান দেয়া নিয়ে সরকারের ভিতর অস্থিরতা দিন দিন প্রকট হচ্ছে | হিমশিম খাচ্ছে ক্ষমতার বৃত্ত | এ সেক্টরের ব্যর্থতা মানেই ক্ষমতার ব্যর্থতা | সব সরকারই বিদ্যুত নিয়ে খুব আশার কথা শুনায় | কিন্তু এ সেক্টর জন্গণের আশা পূরণে কখনো খুব একটা ভূমিকা রাখতে পা

» Topics:
হামিদুজ্জামান সুমন's picture

তবে কি আইনস্টাইন ভুল ছিলেন!

আজ থেকে ১০৬ বছর আগে ১৯০৫ সালে ‘রিলেটিভিটি’ বা ‘আপেক্ষিকতত্ত্ব’ মতবাদে মহাবিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন দেখিয়েছিলেন,

আলোর গতি সবচেয়ে বেশি। তার রিলেটিভিটি মতবাদ অনুযায়ী কোনো বস্তুর গতি আলোর চেয়ে বেশি হওয়া তো দূরের কথা এমনকি সমানও হতে পারে না। কোন বস্তু আলোর বেগে পথ অতিক্রম করলে ঐ বস্তুর সমস্ত ভর শক্তিতে পরিনত হবে।

Hasan Kamrul's picture

জামালগঞ্জে কোলগ্যাসিফিকেশন প্রকল্প গ্রহণ করুন

বৈজ্ঞানিক উপায়ে কোলগ্যাসিফিকেশন প্রযুক্তির মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ কয়লা পুড়িয়ে গ্যাসে রূপান্তর করার প্রতিযোগিতা পৃথিবীজুড়ে শুরু হয়েছে। কয়লার স্তরের গভীরতার ওপরই নির্ভরশীল এ প্রযুক্তি। অধিক গভীরের কয়লা উত্তোলন করা ব্যয়সাপেক্ষ এমনকি কখনও কখনও দুঃসাধ্যও বটে। সাধারণত সেসব খনিতে কোলগ্যাসিফিকেশন প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। ভূবিজ্ঞানীদের তথ্য মতে, কয়লা স্তরের গড় গভীরতা ২০০ থেকে ৬০০ মিটারের মধ্যে হলেই পরিবেশসম্মত উপায়ে ভূগর্ভস্থ খনি স্থাপনের স্থলে কোলগ্যাসিফিকেশন প্রযুক্তি প্রয়োগ সুবিধাজনক। ক্লিন কোলের ধারণা থেকেই কোলগ্যাসিফিকেশনের ভিন্ন মাত্রার এ প্রযুক্তির উদ্ভাবন ঘটে ১৯১২ সালে। চীনে ৩০টিরও বেশি কোলগ্যাসিফিকেশন প্রকল্প রয়েছে। ২০০৭ সালে ভারত গুজরাট ও পশ্চিমবঙ্গের কয়লাখনিতে কোলগ্যাসিফিকেশন প্রযুক্তির প্রাথমিক পরীক্ষা চালায়। প্রাথমিক নিরীক্ষা শেষে ভারত ৩৫০ বিলিয়ন টন প্রাকৃতিক কয়লাকে কোলগ্যাসিফিকেশনের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গ্যাসে রূপান্তরের বাণিজ্যিকীকরণের বিশাল কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। দক্ষিণ আফ্রিকার সোসোল ও এসকোম কোম্পানি ২০০০ সালে পাইলট প্রকল্প হিসেবে কোলগ্যাসিফিকেশন প্রকল্প গ্রহণ করে।

প্রসঙ্গঃ সমকামিতা মানসিক রোগব্যাধি নয় তবে স্বাস্থ্যগত ক্ষতির কারণে বর্জনীয়

সমকামিতা (ইংরেজি: Homosexuality, হোমোসেক্শুয়্যালিটি) একটি যৌন প্রবৃত্তি, যার দ্বারা সমলিঙ্গের দুই ব্যক্তির মধ্যে প্রেম কিংবা যৌন আচরণ বোঝায়। প্রবৃত্তি হিসেবে, সমকামিতা বলতে বোঝায় মূলত সমলিঙ্গের কোনো ব্যক্তির প্রতি জেগে ওঠা "এক যৌন, স্নেহ বা প্রণয়ঘটিত এক ধরনের স্থায়ী স্বাভাবিক প্রবণতা"; "এছাড়া এর দ্বারা এই ধরনের সম্পর্কের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা ব্যক্তিগত বা সামাজিক পরিচিতি, এই ধরনের আচরণ এবং সমজাতীয় ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত এক সম্প্রদায়ের সদস্যতাও নির্দেশিত হয় ।

অনলাইন আয়ের সত্যতা ও বাস্তবতাঃ আয় করুন; তবে ভুয়া/স্কাম সাইট সম্পর্কে সাবধান!!!

অনলাইন আর্নিং এখন আর অবাস্তব কিছু নয় এবং এর অনেক পথই খোলা আছে। তবে কিছু কিছু ভাই বুঝে হোক না বুঝে হোক আর সঠিক আরনিং সাইট না চিনেই হোক স্কাম বা ভুয়া সাইটের লোভনীয় আয়ের প্রচার চালিয়ে যেমন নিজেও হয়রান এবং বিভ্রান্ত হন, তেমনি আমাদেরও রীতিমত ধোকায় ফেলে দেন। তাই আমি আজ আসল অনলাইন আরনিং সাইটের পরিচয় ও পদ্ধতি সম্পর্কে বলবো যাতে কেউ প্রতারিত না হন। আর আপনি চাইলেই অনলাইন থেকে আর্ন করতে পারবেন, তা ১০০% নিশ্চিত?

প্রকৃত আরনিং সাইটের প্রথম বৈশিষ্ট্যই হল--সাইট কর্তৃপক্ষ এবং আয়কারীদের সাথে বিভিন্নভাবে যোগাযোগস্থাপন হয়ে থাকে। এমনকি সেই সাইটের ফোরামের মাধ্যমে বা FAQ এর মাধ্যমে তারা তাদের প্রশ্নোত্তর ও সদস্যদের নানা সমস্যার সমাধান দিয়ে থাকে। আয়কারী সদস্যরাও তাদের মতামত-পরামর্শসহ লেখালেখির সুযোগ পান; মানে জবাবদিহিতা আছে মানে যাকে বলে ইন্টারেক্টিভ সাইট। ফলে কোন সন্দেহ, বিভ্রান্তি যেমন থাকেনা তেমনি সেই সাইটের সদস্যও দ্রুত বেড়ে যায় এবং লেনদেনের অস্বচ্ছতাও থাকে না। পেমেন্টও নিশ্চিত থাকে। অন্যদিকে স্কাম বা ভূয়া সাইটের প্রথম কাজই হল--কাউকে ধরা না দেয়া বা কারো প্রশ্নের কোনরকম জবাব না দেয়া আর জবাবদিহিতা ও কোন পেমেন্টের তো প্রশ্নই আসেনা। শুধু সাইটের কিংবা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমেই অবাস্তব অফার দেয়া এবং লোভ দেখানো; বড়কথা ওসব সাইটে কোন ফোরাম থাকেনা বা FAQ পদ্ধতিও নেই।

মধ্যযুগে বিজ্ঞান চর্চায় মুসলমানদের বিস্ময়কর অবদান

jabir1.jpg
রসায়ন শাস্ত্রের জনক জাবির ইবন হাইয়ান
Cannon.jpg
ইবন সীনা লিখিত ‘কানুন ফিত তিব’ ৩শ বছর ধরে ইউরোপীয় মেডিক্যাল কলেজে পাঠ্যভূক্ত ছিল

Muhammad.Kaykobad's picture

তথ্যপ্রযুক্তি বিকাশেতরুণদের সম্ভাবনা

বিগত বছর কয়েক অলিম্পিক শব্দের পাশাপাশি অলিম্পিয়াড শব্দটিও বিশেষ করে, আমাদের তরুণ প্রজন্মের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। গণিত অলিম্পিয়াডের ১০ বছর পূর্তি হয়েছে। এর হাত ধরে ইনফরমেটিকস অলিম্পিয়াড (স্কুল-কলেজের ছাত্রদের প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা) চলছে ২০০৪ সাল থেকে। আমাদের ছাত্ররা সর্বপ্রথম ২০০৬ সালে মেক্সিকোর মেরিডা শহরে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। তারপর কাগ্রেব, কায়রো, বুলগেরিয়ার ব্লভডিভ, কানাডা ঘুরে এবার হচ্ছে থাইল্যান্ডের পাতায়া শহরে। এর মধ্যে ২০০৯ সালে মো. আবিরুল ইসলাম তাক লাগানো সাফল্য এনেছে—উপমহাদেশের আট প্রতিযোগীর মধ্যে শ্রেষ্ঠ ফলাফল নিয়ে রৌপ্য পদক অর্জন—জ্ঞানভিত্তিক প্রতিযোগিতা অলিম্পিয়াডে এযাবৎকালে শ্রেষ্ঠ ফলাফল। ২০১১ সালে প্রথমবারের মতো আমাদের ছাত্ররা আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াড (আমস্টারডাম), আন্তর্জাতিক পদার্থবিজ্ঞানের অলিম্পিয়াড (ব্যাংকক, থাইল্যান্ড) এবং আন্তর্জাতিক ইনফরমেটিকস অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ করছে।