Politics

syed shah salim ahmed's picture

সাংসদ প্রিয় গোলাম মাওলা রনি-জাতিকে জানাবেন কি ?

গোলাম মাওলা রনি- একজন চৌকস আইন প্রণেতা, কলাম লেখক, সামাজিক মাধ্যম ফেইস বুক এর জনপ্রিয় স্ট্যাটাস দাতা। রনি লিখেন ভালো, গল্প উপস্থাপনের চমৎকার সব গুণ বলা যায় ভালো করেই উনার ধাতস্থ।অনলাইনের একটা দৈনিক পত্রিকাও উনার রয়েছে। এছাড়াও নানান ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাথেও উনি জড়িত।

Masuda.Bhatti's picture

রাষ্ট্রক্ষমতা থেকে জনগণকে দূরে রাখার অব্যাহত ষড়যন্ত্র

এ কলামের নিয়মিত পাঠকের নিশ্চয়ই মনে থাকবে যে, আমি মাত্র কিছুদিন আগেই একটি লেখায় উল্লেখ করেছিলাম, এদেশে জনগণই ক্ষমতার একমাত্র উৎস নয়। বরং জনগণকে কাঁচকলা দেখিয়ে নানা কায়দায় ক্ষমতা দখলের ঘটনা যেমন এদেশে অতীতে ঘটেছে এখনও তেমনই জনগণের ওপর আস্থাশীল না হয়ে ক্ষমতায় যাওয়ারও নানা চেষ্টা চলছে সর্বত্র। তাই আবারও এই বিষয়টি নিয়েই কলম ধরতে হচ্ছে। সত্যি কথা বলতে কি, বিষয়টি আজকাল এতটাই নগ্ন এবং নোংরা হয়ে উঠেছে যে, এবারই এসব বন্ধ না হলে ভবিষ্যতের বাংলাদেশে এ নিয়েই তৈরি হবে বড় ধরনের জটিলতা। কয়েকটি মোটা দাগের উদাহরণ দেয়া যাক।

Abdul.Gaffar.Chowdhury's picture

এবার যুদ্ধরত বাঙালি বিজয় দিবস পালন করল

বাংলাদেশের মানুষের এবারের বিজয় দিবস পালনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। যুদ্ধরত অবস্থায় তাকে বিজয় দিবস পালন করতে হয়েছে। এটা অনেকে অনুধাবন করতে পেরেছেন কি না জানি না। ৪২ বছর আগে (১৯৭১) তারা যে যুদ্ধটি শুরু করেছিল, সেটি অর্ধসমাপ্ত রয়ে গিয়েছিল। স্বাধীনতালাভের পর বাংলাদেশের মানুষের সেই যুদ্ধটি ক্ষমতার নানা হাতবদলের মধ্য দিয়েও নানা চেহারায় অব্যাহত ছিল। এবার সেটা আবার পূর্ণাঙ্গভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে। এটাই চূড়ান্ত যুদ্ধ মনে হয়। এই যুদ্ধের ফলাফল দ্বারাই বাংলার ভাগ্য হয়তো আবার দীর্ঘকালের জন্য নির্ধারিত হয়ে যাবে।

Hasan.Ahmed.Chowdhury.Kiron's picture

সহাবস্থান তৈরি করুন- সমাধানে আসুন

বিএনপির দুঃসময়ের কাণ্ডারি, দলের মুখপাত্র সাবেক জনপ্রিয় ছাত্রনেতা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি এবং বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এখন কারাগারে। এক অদ্ভুত অভিযান প্রক্রিয়ায় গত ২৯ ডিসেম্বর শুক্রবার রাতে রুহুল কবির রিজভীকে গ্রেফতার করা হয়। রিজভীকে যে প্রক্রিয়ায় বা যেভাবে গ্রেফতার করা হয় তাতে করে মনে হয়েছে, মধ্যরাতে জনপ্রিয় কোনো রাজনৈতিক নেতাকে নয়, নামকরা কোনো ডাকাত বা তস্করকে গ্রেফতার করতে গিয়েছিল গোয়েন্দা পুলিশ।

Mainul.Hossain's picture

সংকট নিরসনের সহজ পথ সরকারেরও জানা

অন্য লোকের জীবনদানের বিনিময়ে আমাদের রাজনীতি করার যে ঐতিহ্য গড়ে উঠেছে তার অবশ্যই অবসান হওয়া দরকার। ভাষা আন্দোলন বলুন আর অন্য কোনো স্বৈরশাসনবিরোধী আন্দোলন বলুন, আমাদের সাধারণ মানুষই সবচেয়ে বেশি নির্যাতন সয়েছে এবং ত্যাগ স্বীকার করেছে। আমাদের সব রাজনৈতিক সংগ্রামে দাবি আদায়ে রক্ত ও জীবনদানের কথা বলতে নেতাদের কোনো অসুবিধা হয়নি।

Ali.Riaz's picture

ভোট গ্রহণের আগেই ফল নির্ধারিত?

বাংলাদেশে ৫ জানুয়ারি ২০১৪-এ যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, তার ফল আমরা এখনই জানি। ইতিমধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনের ফল কার্যত প্রকাশিত হয়েছে এবং বাদবাকি আসনগুলোর ফলাফলের অনুমানও আমরা সহজেই করতে পারি। আওয়ামী লীগ এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনেই কেবল বিজয়ী হবে তা নয়, এককভাবে দুই-তৃতীয়াংশ আসনও পাবে। সংসদ হবে আওয়ামী লীগের শরিকদের প্রতিনিধিদের নিয়ে। একটি ভোট প্রদানের আগে, এমনকি নির্বাচনের ব্যালট ছাপারও আগে কী করে আমরা ফলাফল জানতে পারলাম, তার ব্যাখ্যা নির্বাচন কমিশন দেয়নি।

Syed.Abul.Maksud's picture

হাতির দাঁত ও বাংলাদেশ

হাতি যে দাঁতগুলো দিয়ে খায়, সেগুলো আমরা দেখতে পাই না। যে দাঁত দুটি আমরা দেখি, ও-দুটি তার শোভাবর্ধনকারী দাঁত। শুঁড়ে ঢাকা ভেতরের দাঁতগুলো অতি ধারালো ও তীক্ষ। তা ছাড়া হাতিরও মাহুত থাকে। সেই হস্তীচালক যেভাবে নির্দেশ দেয়, হাতি সেভাবেই চলে। কারণ, তারও পুরোপুরি স্বাধীনতা নেই যা খুশি করার।
প্রকাশ্যে কথা বলার সময় আন্তর্জাতিক কূটনীতিকদের মুখে যে হাসিটি দেখা যায়, সেটি তাঁর শোভা মাত্র।

Mchowdhury's picture

আওয়ামীলীগের বাকশালী ভাবনা, বিএনপির পলায়নপরতা আর জামায়াতের পালে হাওয়া

আওয়ামীলীগের বাকশালী ভাবনা
আমাদের দুই নেত্রী মানবিক আচরণের দিক দিয়ে সবচেয়ে উন্নত অবস্থায় থাকেন যখন তারা থাকেন অন্তরীন । অন্তত সল্পসময়ের জন্যে হলেও দেশের মানুষের সেটি দেখার বা জানার সুযোগ হয়েছে অতীতে। অন্তরীন থাকা অবস্থায় দুই নেত্রী যখন পাশাপাশি অবস্থান করছিলেন তারা তখন একজন অন্যের নিত্য খোজ-খবর করেছেন, এমনকি একজন আরেকজনকে ভাল মন্দ রান্না পর্যন্ত করে খায়িয়েছেন বলেও আমরা শুনেছি।

syed shah salim ahmed's picture

যে গল্পের শুরু আছে শেষ নেইঃহাসিনা জানেন, খালেদা জানেন, জানেন না জনগণ-০৪

স্থান কেবিনেট কক্ষ
মন্ত্রী সভার বৈঠক। তবে আগের মতো নেই ঝাঁক ঝমক, নেই সেই তরুণ-বৃদ্ধদের সমারোহ। এখনকার মন্ত্রী সভা অবশ্য তারকা রাজনৈতিক আর চটকদার বক্তাদের সমন্বয়ে গড়া।তবে মজার ব্যাপার সাধের জাপার শীর্ষ মন্ত্রীরা অনুপস্থিত, নাটকের পর নাটক চলছে। পিন পতন নীরবতা।

AKM.Shahnawaz's picture

শেষ আশ্রয়স্থল নিয়েও এখন দ্বিধা

৪২ বছর পর যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আয়োজন মুক্তিযুদ্ধস্নাত মানুষকে নতুনভাবে উদ্দীপ্ত করেছিল। অনেকটা হতাশামুক্ত করেছিলও বলা যায়। এই মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচারের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের মানুষ দায়মুক্ত হতে চেয়েছে। তাই এবারের মহাজোট যখন নির্বাচনী ইশতেহারে মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তখন মুক্তমনের মানুষ, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম মহাজোটকে সমর্থন দিতে দ্বিধা করেনি।

Syndicate content