Politics

Badiur.Rahman's picture

জন্ম, মৃত্যু, বিয়ে- সাধ্য কী বলে টিয়ে

জন্ম, মৃত্যু, বিয়ে- এগুলো নাকি সম্পূর্ণ আল্লাহর হাতে। ভবিষ্যৎ বক্তা টিয়ে পাখিরও সাধ্য নেই এসবের ভবিষ্যদ্বাণী করার। কখন কার জন্ম হবে, কার কখন এবং কোথায় বিয়ে হবে, আর কে কখন কীভাবে মৃত্যুবরণ করবে- সবই নাকি কপালের বা ভাগ্যের ব্যাপার। ক্যাটালিস্ট বা অদৃষ্টবাদীদের দলে আমিও একজন। তবে আমি অবশ্যই ‘রাখে আল্লাহ মারে কে’ বলে আল্লাহর নাম নিয়ে আগুনে ঝাঁপ দিতে কিংবা চলন্ত ট্রাক বা ট্রেনের নিচে লাফ দিয়ে আমার মৃত্যুকে আল্লাহর হাতে ছেড়ে দিতে নারাজ। কিন্তু কিছু কিছু মোল্লার সঙ্গে এ নিয়ে আমার বনিবনা হয় না। তাদের মত হচ্ছে, ওভাবে ঝাঁপ বা লাফ দিয়ে আমি মৃত্যুবরণ করলেও ওটাও আল্লাহর হুকুমে হয়েছে। তারা ধর্ম বিশ্বাসে এত দৃঢ় (না গোঁড়া!) যে, আমার আগুনে ঝাঁপ দেয়া বা ট্রাক-ট্রেনের নিচে লাফ দেয়াকেও আল্লাহর ইশারাতে হয়েছে মর্মে বলতে চান। তারা ‘রাখে আল্লাহ মারে কে’ বলে থাকেন, যেমন শেখ হাসিনাও বলে থাকেন।
hasina
অবশ্যই আল্লাহর অশেষ রহমতে তিনি ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা থেকে বেঁচে গেছেন। তাহলে ওই শ্রেণীর মোল্লাদের ব্যাখ্যায়, তাকে মারার ষড়যন্ত্রও হয়েছিল আল্লাহর ইচ্ছায়, আবার রক্ষাও পেয়েছেন আল্লাহর ইচ্ছায়। তারা অনেক সময়ে সুবিধাজনক মত প্রকাশ করতে ওস্তাদ, তাই ‘মারে আল্লাহ রাখে কে’ সব সময়ে বলতে চান না। নিজের অপছন্দের কেউ হলে কেবল তখন বলে থাকেন, ‘মারে আল্লাহ রাখে কে’।

Mahmudur.Rahman.Manna's picture

বিএনপিকে যেসব কথা ভাবতে হবে

ঈদের আগে থেকে বেগম জিয়া বলে আসছেন, ঈদের পরে তিনি আন্দোলনের কর্মসূচি দেবেন। ইফতার পার্টিসহ প্রায় প্রতিদিনের বক্তব্যে তিনি বলতেন এসব কথা। ৫ জানুয়ারির নির্বাচনী প্রহসনের পর নিস্তরঙ্গ পুকুরে খানিকটা ঢেউ উঠেছিল। রংপুরের এক জনসভায় বিএনপির নেতা-কর্মীদের পক্ষ থেকে হরতাল অবরোধের পক্ষে স্লোগান উঠেছিল। বেগম জিয়া বলেছিলেন, হবে সেসবও হবে। অনেকের মনে হয়েছিল, ঈদের পরে আবার বোধহয় নতুন করে শুরু হবে।
khaleda zia
প্রকৃতপক্ষে ৫ জানুয়ারির আগের আন্দোলন বিশেষ করে ২৯ ডিসেম্বরের 'গণতন্ত্র অভিযাত্রা'র সীমাহীন ব্যর্থতার পর দেশের মানুষের আস্থা হারিয়েছিল বিএনপি। এত কথা বলল, কিন্তু কিছুই তো করতে পারল না। আসলে ৫ জানুয়ারির পর বাংলাদেশের রাজনীতির চালচিত্র ও চরিত্র দুটোই বদলে গিয়েছিল। আমি এরকম করে বলি, ৫ জানুয়ারির পর থেকে এই সরকার ও সরকারি দল অনির্বাচিত, বিতর্কিত, দেশে-বিদেশে সমালোচিত আর বিরোধী দল পরাজিত, বিপর্যস্ত, বিধ্বস্ত।

Professor.Abu.Sayeed's picture

বঙ্গবন্ধুর উদারতা : বিএনপির হীনমন্যতা

১. ঐতিহাসিক ও তথ্যগতভাবে সত্য যে, মেজর জিয়াউর রহমান ২৭ মার্চ ১৯৭১ সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন। পরবর্তীতে তিনি ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে মুজিবনগর সরকারের অধীনে সেক্টর কমান্ডার হিসেবে আনুগত্যের শপথ গ্রহণ করেন। 'একটি জাতির জন্ম' জিয়াউর রহমান লিখেছেন, 'তারপর এলো ১লা মার্চ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু মুজিবুর রহমানের উদাত্ত আহ্বানে সারা দেশে শুরু হলো ব্যাপক অসহযোগ আন্দোলন।' তিনি লিখেছেন : '৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ঘোষণা আমাদের কাছে এক গ্রিন সিগনাল বলে মনে হলো।' জিয়ার কাছে বঙ্গবন্ধু ছিলেন জাতির পিতা।
abu sayeed
২. মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি জেনারেল ওসমানী মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন জিয়াউর রহমানকে সেনাবাহিনীতে অসদাচরণের অভিযোগে কমপক্ষে তিনবার বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও তাজউদ্দীন আহমদ প্রধান সেনাপতির এই সুপারিশ অগ্রাহ্য করেন। বঙ্গবন্ধু জেনারেল ওসমানীর আপত্তি সত্ত্বেও মেজর জিয়াকে মেজর জেনারেল পদে পদায়ন করেন এবং ডেপুটি চিফ অব আর্মি স্টাফের দায়িত্ব প্রদান করেন।

Milton.Biswas's picture

শেখ হাসিনা বারবার টার্গেট কেন?

জননেত্রী শেখ হাসিনাকে এই বাংলাদেশে একাধিকবার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। সে চেষ্টার ঘটনাগুলো ১৯৮১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ব্যর্থ হিসেবে গণ্য হয়েছে। বরং তার জনপ্রিয়তা আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। ষড়যন্ত্রকারীরা পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে। তবে সেসব ঘটনায় নেত্রীকে প্রাণনাশে ব্যর্থ হলেও অনেক নেতাকর্মীকে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মম হত্যাকাণ্ডের ৩০ বছর পর সেই আগস্ট মাসেই আবারো গণহত্যার ঘটনা ঘটে।
hasina
২০০৪ সালের ২১ আগস্টের পরিকল্পিত গ্রেনেড হামলা ছিল বিএনপি-জামায়াত জোট তথা খালেদা-নিজামীর নীলনকশা আর জঙ্গিবাদ উত্থানের ভয়ঙ্কর দৃষ্টান্ত। সেদিন বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলায় তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ প্রায় তিনশ'র বেশি নেতা-কর্মী গুরুতর আহত হন; নিহত হন আওয়ামী মহিলা লীগ নেত্রী, সাবেক রাষ্ট্রপতির সহধর্মিণী আইভি রহমানসহ ২৪ জন।

Dr. Sultan.Mahmud.Rana's picture

নীতিমালা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও বস্তুনিষ্ঠতা

গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে জবাবদিহিমূলক সরকারব্যবস্থা আবশ্যক। তবে জবাবদিহিমূলক সরকারব্যবস্থার অন্যতম পূর্বশর্ত গণমাধ্যমের স্বাধীনতা। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সরকার সাধারণত জনগণের ইচ্ছা, চাহিদা ও আকাঙ্ক্ষা মোতাবেক কাজ করে। তাদের এই আশা-আকাঙ্ক্ষা আইনপ্রণেতাদের মাধ্যমে আইনে পরিণত হয় এবং এই আইনকে সুষ্ঠুভাবে পালন করার দায়িত্ব প্রশাসকদের। তাঁদের জবাবদিহি করতে হয়। আর জবাবদিহি হলো আইনানুগ, নির্দিষ্ট কর্মপদ্ধতি, বিস্তৃত নিয়মকানুন, যার মাধ্যমে সরকারি কর্মচারীর দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা হয়। সার্বিকভাবে বলা যায়, 'বস্তুনিষ্ঠতা ও রাষ্ট্রীয় ও সাংগঠনিক পর্যায়ের নিয়মনীতির মাধ্যমই হলো জবাবদিহিতা।'
media
গণতন্ত্র, গণমাধ্যম ও জবাবদিহিতা একই সূত্রে গাঁথা। সামরিক বা কর্তৃত্ববাদী শাসকদের জনগণের ভোটের অপেক্ষায় থাকতে হয় না, তাই গণবিরোধী কর্মকাণ্ড বা অপকর্মের জন্য সরকারকে জবাবদিহি করতে হয় না। কিন্তু একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়। তাই সরকার জবাবদিহি করতে বাধ্য হয়।

Mostafa.Kamal's picture

মোদির প্রতিবেশী ভাবনা ও বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক

ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দর কুমার গুজরালের মতবাদ সম্পর্কে হয়তো অনেকেরই ধারণা আছে। তিনি যখন সে দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন, তখন পররাষ্ট্রনীতির বিষয়ে নতুন একটি মতবাদ দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের ব্যাপারে ভারতের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। এ ক্ষেত্রে ভারত প্রতিবেশীদের সঙ্গে বড়ভাইসুলভ আচরণ করবে না। প্রতিবেশী দেশগুলোকে ভয়ভীতির মধ্যে রাখবে না। ভারতের নীতি হওয়া উচিত, প্রতিবেশীদের কাছ থেকে নেবে না, দেবে। প্রতিবেশীর উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। প্রতিবেশীরা ছোট রাষ্ট্র হলেও সমান দৃষ্টিতে দেখবে এবং কোনো রকম প্রভাব বিস্তার করবে না।
mostofa kamal
পরে গুজরাল ভারতের প্রধানমন্ত্রীও হয়েছিলেন এবং তিনি তাঁর মতবাদ নিয়ে বিস্তর কাজ করেন। তিনি ভারতের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ে একটি বইও লেখেন। তাতেও তিনি প্রতিবেশীদের বিষয়ে ভারতীয় নীতি কী হওয়া উচিত, তা উল্লেখ করেন। সেই নীতিই গুজরাল ডকট্রিন বা মতবাদ হিসেবে গুরুত্ব পায়। ভারতের পররাষ্ট্র দপ্তর দক্ষিণ ব্লক যাতে চানক্য কূটনীতির প্রভাব-বলয় থেকে বেরিয়ে আসতে পারে, সে জন্যই গুজরাল তাঁর মতবাদ নিয়ে অগ্রসর হন। কিন্তু তিনি প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে বিদায় নেওয়ার পরই তাঁর মতবাদটি একেবারে কার্পেটের নিচে চলে যায়।

Kader.Siddique's picture

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, অপদার্থদের কি ক্ষমা করা যায় না?

(আজ প্রথমেই একটি ভুল সংশোধন করা দরকার। ক'দিন আগে দিল্লি গিয়েছিলাম। বহুদিন পর প্রখ্যাত সাংবাদিক কলামিস্ট এম জে আকবরের সঙ্গে দেখা। অনেক দিন পর দুজন প্রিয় মানুষ একত্রিত হলে যেমন হয়, আমারও তেমন হয়েছিল। ভালো লাগায়, বুক ভরে যাওয়ায় গত পর্বে এক মারাত্দক ভুল করে ফেলেছি। এম জে আকবর National Spokesman of BJP মানে বিজেপির জাতীয় মুখপাত্রের স্থলে ভারতের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদির জাতীয় তথ্য উপদেষ্টা লিখেছিলাম। কিন্তু তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নন, তিনি বিজেপির জাতীয় উপদেষ্টা। এ ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করছি।)
kader siddque
'৭৫-এর ১৫ আগস্ট ছিল শুক্রবার। ৩৯ বছর পর এবারের ১৫ আগস্টও শুক্রবার। সেদিন আকাশ ভেঙে কান্না ঝরছিল, এবার সকাল থেকে সারা দিন ঝিরিঝিরি বৃষ্টি পড়ছিল। বঙ্গবন্ধু নিহত হওয়ার ৩৯ বছর পর আগের রাতে গলফ ক্লাবে ক্যাপ্টেন আবদুল মাজেদ মিয়া খাজার ছেলে ক্যাপ্টেন আবদুল হামিদ মেহেদীর বিয়েতে গিয়েছিলাম। আপনি নিশ্চয়ই জানেন, আমার স্ত্রী নাসরীনের জন্মও ১৪ আগস্ট।

SA.Malek's picture

বাঙালি জাতীয়তাবাদ আন্তর্জাতিকতাবাদ ও ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু পঞ্চাশ ও ষাট দশকে যখন স্বায়ত্তশাসনভিত্তিক বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন তখন এ দেশের মার্কসবাদীরা আন্তর্জাতিকতাবাদের প্রসঙ্গ তুলে বাঙালি জাতীয়তাবাদের আন্দোলন দুর্বল করার চেষ্টা করেন। বঙ্গবন্ধু কিন্তু সে কারণে বিন্দুমাত্র পিছপা হননি। বরং এক চরম প্রতিকূল পরিবেশে তিনি লাহোরের মাটিতে দাঁড়িয়ে ছয় দফার ঘোষণা দেন এবং পরে পূর্ব বাংলায় ছয় দফাভিত্তিক প্রবল গণআন্দোলন গড়ে তুলে বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনাকে দ্রুত শানিত করতে সক্ষম হন। সেদিনের রাজনৈতিক সস্নোগান ছিল_ 'পদ্মা মেঘনা যমুনা, তোমার আমার ঠিকানা', 'জাগো জাগো বাঙালি জাগো', 'বীর বাঙালি অস্ত্র ধর, বাংলাদেশ স্বাধীন কর'।এসব সস্নোগানই প্রমাণ করে বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনার জাগরণ ঘটনানোর জন্য কী আপ্রাণ চেষ্টা করে সফল হয়েছিলেন। তারই নির্দেশে সত্যিই বাঙালি একদিন অস্ত্র ধরে বাংলাদেশ স্বাধীন করেছে।
bangabandhu
ভাষা আন্দোলনের পথ ধরে বঙ্গবন্ধু ভাষা ও সংস্কৃতি ভিত্তিক জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে ক্রমবিকাশের ধারায় এগিয়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হন। সেদিনও বাংলাদেশে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী ছিল। তারা কিন্তু তখন পৃথকভাবে স্বাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন করেনি। বরং বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশে স্বাধীন করার আন্দোলনে সর্বাত্মকভাবে আত্মনিয়োগ করেছে। সেদিন আন্দোলনের মুখ্য বিষয় ছিল বাঙালি, বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা। বাংলাদেশ স্বাধীন না করতে পারলে বৃহৎ বা ক্ষুদ্র কোনো জাতিসত্তাই যে নিরাপদ হবে না, এ কথা সঠিকভাবে অনুধাবন করেই ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী বৃহত্তম গোষ্ঠীর সঙ্গে সংযোজিত হয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে।

Mobaidur Rahman's picture

মুসলিম জাহানের দেশে দেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অবাঞ্ছিত সামরিক হস্তক্ষেপ

আমেরিকার কোনো কথায় আর বিশ্বাস করা উচিত হবে না। বিশেষ করে মুসলমানদের ক্ষেত্রে তাদের কথার কোনোই দাম নেই। প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা কথা দিয়েছিলেন, ২০১১ সালে ইরাক থেকে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহার করা হবে। হয়েছিলও তাই। খুব বড় গলায় আমেরিকা বলেছিল, তারা ইরাকি জনগণকে দিয়ে ইরাকে সামরিক বাহিনী গঠন করে দিয়েছে। তাদের অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। এখন তারাই বিদ্রোহীদের সামাল দেবে। যদিও মার্কিনিদের বিশ্বাস করা যায় না, তবুও মানুষ ফেসভ্যালু হিসেবে ওবামার কথা বিশ্বাস করেছিল। কিন্তু মুসলমানদের ক্ষেত্রে তার কোনো কথা বা ওয়াদা তিনি রক্ষা করেননি।
obama
প্রথম মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর তিনি মিসরে আসেন এবং মধ্যপ্রাচ্য সমস্যার সমাধান হিসেবে ‘টু স্টেট থিওরি’ বা দুই রাষ্ট্র তত্ত্ব উপস্থাপন করেন। দুই রাষ্ট্র তত্ত্বের অর্থ হলো, মধ্যপ্রাচ্যে দুটি রাষ্ট্র থাকবে। একটি হলো ইসরাইল, আরেকটি হলো ফিলিস্তিন। ইসরাইল রাষ্ট্র তো বহাল তবিয়তেই আছে।

shafik.rehman's picture

যে ১০টি কারণে আওয়ামী লীগের গ্রহণযোগ্য যে ১টি কারণে বিরোধীদের পরিত্যাজ্য

সত্তর দশকের গোড়ার দিকে। আওয়ামী লীগ তখন ক্ষমতাসীন। শেখ মুজিবুর রহমান তখন প্রধানমন্ত্রী।

তদানীন্তন শীর্ষ ব্যবসায়ী শিল্পপতি রূপে খ্যাত মি. জহুরুল ইসলামের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের গ্রুপ ফাইনান্স ডিরেক্টর রূপে আমি কাজ করছিলাম।

এছাড়া আমি পরিচিত হয়ে উঠেছিলাম টিভি উপস্থাপক রূপে। সেই সময়ে বাংলাদেশ টেলিভিশন কর্পরেশনের (বিটিভি) একমাত্র স্টুডিও এবং অফিসসমূহ ছিল মতিঝিলে ডিআইটি ভবনে। হঠাৎ এক সকালে বিটিভি কর্তৃপক্ষ থেকে ফোনে আমাকে জানানো হলো, একটি বিশেষ অনুষ্ঠান আমাকে উপস্থাপন করতে হবে।
shafik rehman
জানতে চাইলাম অনুষ্ঠানটির বিষয় বস্তু কি? বিশেষ কেন? এবং কারা উপস্থাপিত হবেন?

উত্তর পেলাম, অনুষ্ঠানের বিষয় বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চ বার্ষিকী পরিকল্পনা (ফার্স্ট ফাইভ ইয়ার প্ল্যান)। সেজন্য এটি জাতীয়ভাবে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত হবেন প্ল্যানিং কমিশনের প্রধান চার সদস্যের মধ্যে দুই সদস্য, প্রফেসর রেহমান সোবহান এবং ড. মোশাররফ হোসেন।

Syndicate content