Politics

Ikteder.Ahmed's picture

পাকিস্তানের স্থিতিশীলতা বিপন্নে দায় কার

যে কোনো দেশের স্থিতিশীলতার জন্য গণতন্ত্র অপরিহার্য। গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় জনমতের প্রতিফলনে সরকার পরিচালিত হয়। গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনই হলো সরকার পরিবর্তনের একমাত্র পন্থা। গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা অনুসৃত হয় এমন দেশে নির্বাচনের নিরপেক্ষতা ক্ষুণ্ন হলে তা দেশের স্থিতিশীলতার পথে বাধা হিসেবে দেখা দেয়।
গণতন্ত্র
১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ বিভাজনের আগে ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ শাসকরা প্রায় ২০০ বছর এ অঞ্চলের শাসনক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিল। এর আগে প্রায় ৬০০ বছর ভারতবর্ষ বিভিন্ন মুসলিম শাসক দ্বারা শাসিত হয়েছিল। ভারতবর্ষে এক হাজার বছরের অধিককাল আগে মুসলমানদের আগমন শুরু হয়। এ অঞ্চলে মুসলমান ও হিন্দু সম্প্রদায় দীর্ঘকাল সৌহার্দ ও সম্প্রীতির মধ্যে বসবাস করে আসছিল।

Golam.Mortoza's picture

ঢাকা নিয়ে রঙ্গ রসিকতা

১. নির্বাচন দিলে আবারও বিএনপি প্রার্থী সাদেক হোসেন খোকার বা অন্য কারও জেতার সম্ভাবনা, পরাজয়ের সম্ভাবনা আওয়ামী লীগ প্রার্থীর। আবার মেয়রের মেয়াদও উত্তীর্ণ হয়ে গেছে আগেই। খোকাকে সরানোও দরকার। সুতরাং দুই ভাগ কর ঢাকা। যুক্তি কি? ঢাকা শহর অনেক বড় হয়ে গেছে। একজন মেয়র দিয়ে চলবে না। পৃথিবীতে ঢাকা শহরের চেয়ে অনেক অনেক বড় শহরেরও মেয়র একজন!
golam mortoza
২. দুই ভাগ করা হলো। তাতেও আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা জিতবে, নিশ্চয়তা তো নেই বরং পরাজয়ের প্রায় নিশ্চিত নিশ্চয়তা বিরাজমান। সুতরাং নির্বাচন বন্ধ। সেই পুরনো কৌশলের প্রয়োগ, সীমানা বিরোধ, মামলা। দুই ভাগে দু’জন প্রশাসক নিয়োগ। প্রশাসক বদল হচ্ছে, মেয়াদ বাড়ছে। নির্বাচনের খবর নেই, বিজয়ের নিশ্চয়তা না থাকায়। একদিকে মুখে অনির্বাচিতদের বিরুদ্ধে জেহাদ, অন্যদিকে অনির্বাচিতদের হাতে রাজধানী ঢাকার দায়িত্ব!

Abdul.Gaffar.Chowdhury's picture

ভাসানী থেকে হাসিনা:আওয়ামী লীগ রাজনীতির চার অধ্যায়

সম্প্রতি আমি একটি মজার প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছিলাম। প্রশ্নটা করেছিলেন এক বিদেশি সাংবাদিক বন্ধু। তিনি বলেছেন, 'ইংরেজের জাতীয় চরিত্রের সবচেয়ে বেশি প্রতিফলন ঘটে কনজারভেটিভ বা রক্ষণশীল দলের মধ্যে। ইংরেজ চরিত্রের রক্ষণশীলতা আধিপত্য লিপ্সা এবং সহিষ্ণু সামাজিকতার সবচেয়ে বেশি প্রকাশ ঘটেছে কনজারভেটিভ দলের মধ্যে। এ জন্য বহু বিবর্তনের মধ্য দিয়েও ব্রিটেনের দুটি প্রধান দলের একটি হয়ে কনজারভেটিভ পার্টি এখনও টিকে আছে।' এই বক্তব্যটি আমাকে জানানোর পর বিদেশি বন্ধুর প্রশ্ন ছিল, বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি_ কোন দলটির মধ্যে বাংলাদেশের মানুষের রাজনৈতিক ও সামাজিক চরিত্র এবং তার বিবর্তনের সবচেয়ে বেশি প্রতিফলন ঘটেছে?
awami league
প্রশ্নটির জবাব দিতে আমাকে ভাবতে হয়নি। তাকে বলেছি, আওয়ামী লীগের মধ্যে। এই দলটির মধ্যে বাঙালি চরিত্রের পতন, উত্থান, আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক বিবর্তনের একটি ধারাবাহিকতা পাবেন। বাংলাদেশের মানুষের সামাজিক চাহিদা ও রাজনৈতিক প্রয়োজন থেকে আওয়ামী লীগের জন্ম। 'পান-বিড়িওয়ালাদের পার্টি' (রেহমান সোবহানের ভাষায়) থেকে আজ বাংলাদেশি নব্য বুর্জোয়াদের দল হিসেবে আওয়ামী লীগ তাই গড়ে উঠতে পেরেছে।

Peer.Habibur.Rahman's picture

হাইব্রিড হটাও আওয়ামী লীগ বাঁচাও

১. রাজনৈতিক কলামে অতীত ঐতিহ্যের উদাহরণ টানতে গিয়ে আমি মেঘালয়ের কোলঘেঁষা গারো পাহাড়ের পাদদেশে ঠাঁই পাওয়া সীমান্ত জেলা ভাটির দুর্গখ্যাত হাওরের রাজধানী জলজোছনার সুনামগঞ্জকেই টেনে আনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতারা জননেতা আবদুজ জহুরকে খুব ভালো করে চেনেন। বাংলাদেশের তৃণমূল বিস্তৃত ঐতিহ্যবাহী ও এককালের গণমুখী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের একজন ব্র্যান্ডেড নির্লোভ, নিরহঙ্কারী সাদামাটা জীবনের পোড় খাওয়া রাজনীতিবিদের মডেল ছিলেন। ছাত্রজীবন থেকে মানুষের কল্যাণে আদর্শবোধ নিয়ে রাজনীতির যে পথ নিয়েছিলেন সেখান থেকে আমৃত্যু বিচ্যুত হননি। দলের প্রতি, নেতৃত্বের প্রতি যেমন ছিল তার নিঃশর্ত আনুগত্য, তেমনি ছিল কর্মী দরদি এক অসাধারণ সংগঠকের হৃদয়।
peer habibur rahman
শিক্ষিত মানুষটি আইন পেশায়ও জড়াননি। কিছু দিন শিক্ষকতা করলেও জমি বিক্রি করে পুরো জীবন ফুলটাইম রাজনীতি করেছেন। পরিবারকে রাজনীতির জন্য বারবার অনিশ্চয়তা, টানাপড়েনের দিকে ঠেলে দিলেও লোভ-লালসা তাকে স্পর্শ করতে কেউ দেখেনি। পরিবারকেও সেভাবেই তৈরি করেছিলেন। ’৭৫ উত্তরকালসহ বার বার দীর্ঘ সময় জেল খেটেছেন আর তার আটপৌরে স্ত্রী, ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের নিয়ে অভাব-অনটনের বেদনা মুখ বুজে সয়ে সংসারের হাল ধরেছেন। কর্মীদের হাসিমুখে খাইয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধের অনন্য সাধারণ এই সংগঠক আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক থেকে আমৃত্যু জেলা সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন নিষ্ঠার সঙ্গে। ’৭০ থেকে ’৯১ সাল পর্যন্ত বার বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

মামলার গতি জোরদার করা সঙ্কট উত্তরণের পথ নয়

সেদিন বিএনপির এক কেন্দ্রীয় নেতার সঙ্গে হঠাৎই দেখা। জানতে চাইলাম, কেমন আছেন? বললেন, আর কেমন! এই তো কোর্ট থেকে হাজিরা দিয়ে এলাম। এখন প্রায় প্রতিদিনই কোর্টে দৌঁড়াদৌঁড়ি করতে হচ্ছে। এরপর পকেট থেকে একটা ফর্দ বের করলেন। বললেন, এই দেখেন তালিকা। এ মাসে কোন কোন দিন হাজিরা দিতে হবে তার তালিকা। উকিল এ তালিকা করে দিয়েছেন যাতে কোনো কারণে কোনো মামলায় গরহাজির না থাকি। জিজ্ঞেস করলাম, আপনার বিরুদ্ধে কতটা মামলা আছে? তিনি তাৎক্ষনিকভাবে সঠিক সংখ্যা বলতে পারলেন না।
court
বিএনপির শীর্ষ, মাঝারি ও তৃণমূল পর্যায়ের প্রায় সব নেতার বিরুদ্ধেই এরকম অনেক মামলা রয়েছে। এসব মামলা একযোগে সক্রিয় হওয়ায় তারা এক রকম ব্যস্ত ও বিব্রতকর অবস্থায় রয়েছেন। কোর্টে হাজিরা ও মামলা মোকাবিলার কাজে তাদের অধিক সময় ব্যয় করতে হচ্ছে। বিএনপির ওই কেন্দ্রীয় নেতার কাছে জানতে চাইলাম, আন্দোলনের খবর কি? বললেন, আন্দোলন ঠেকাতেই তো এই ব্যবস্থা। আন্দোলনের ঘোষণা দেয়ার পর থেকেই যার বিরুদ্ধে যত মামলা ছিল সক্রিয় করা হয়েছে।

Dr.Sadat.Hussain's picture

নিরন্তর নজরদারি সুশাসনের জন্য একটি অত্যাবশ্যকীয় হাতিয়ার

খবরটি এসেছে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত থেকে। মোদি সরকার আমলাদের জন্য সংশোধিত আচরণ নির্দেশিকা জারি করেছে। নির্দেশনায় সরকারি কর্মকর্তাদের উন্নত নৈতিক মান, নিষ্ঠা ও সততা বজায় রাখতে বলা হয়েছে। অনুশাসন দেওয়া হয়েছে, সরকারি কর্মকর্তারা যাতে রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা বজায় রাখেন এবং পরিবার-পরিজন বা বন্ধুবান্ধবকে সুবিধা দেওয়ার জন্য কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করেন। তাঁরা যেন কেবল গুরুত্ব ও উপযুক্ততার নিরিখেই কোনো বিকল্প বাছাই করেন, সিদ্ধান্ত নেন এবং সুপারিশ করেন। আচরণ নির্দেশিকায় সরকারি কাজকর্মে, বিশেষ করে জাতীয় নিরাপত্তা, দেশের কৌশলগত, বৈজ্ঞানিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থ এবং অপরাপর দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কসংক্রান্ত বিষয়াদিতে গোপনীয়তা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।
narendra modi
নতুন নির্দেশনাবলি অনুযায়ী কর্মকর্তাদের সাংবিধানিক অনুশাসনের আওতায় উচ্চমানের পেশাদারত্ব প্রদর্শনের জন্য বলা হয়েছে। আরো বলা হয়েছে, তাঁরা যেন দেশের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা বজায় রাখেন, সরকারি কর্মকাণ্ডে নিষ্ঠা বজায় রাখেন, সাধারণ নাগরিক বিশেষ করে গরিব ও সুবিধাবঞ্চিত নাগরিকদের সঙ্গে আচরণে ন্যায় ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখেন। আপাতত এসব নির্দেশনার প্রয়োগ তিনটি উচ্চতম অল ইন্ডিয়া সার্ভিস, অর্থাৎ আইএএস, আইএফএস ও আইপিএস কর্মকাণ্ডের মধ্যে সীমিত রাখা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে এই নির্দেশনাবলি অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীর জন্য প্রযোজ্য হতে পারে।

সাম্প্রদায়িকতা ও বর্ণবাদ উভয়ই অমানবিক

ইসরাইলের হামলায় গাজায় এ পর্যন্ত দুই হাজারের ওপর ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এর মধ্যে ৫০০ শিশু এ হামলার শিকার হয়েছে। তারা দু’চোখে স্বপ্ন নিয়ে বেড়ে ওঠার আগেই জায়নবাদী জিঘাংসার শিকার হয়ে অকালে পৃথিবী থেকে চলে গেল। যুদ্ধ এমনই মানব বিধ্বংসী কর্মকাণ্ড যে, যেখানে যখনই যুদ্ধ লেগেছে সেখানে যুদ্ধ রণক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ না থেকে নির্দোষ বেসামরিক নাগরিকের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে এবং সেই ভয়াবহতার শিকার হয়েছে শিশু ও নারী। মধ্যপ্রাচ্যসহ গাজার ঘটনা শিশু হত্যারই ঘটনা। প্রতিহিংসা যখন মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে তখন মানবতা লোপ পায়; গাজায় পাঁচশ’ শিশু হত্যা সর্বোচ্চ মানবতা লংঘনের দৃষ্টান্ত। অবশ্য ইসরাইল অর্ধশতাব্দী ধরে মানবতা লংঘন করেই চলেছে। কেউ তাকে থামাতে পারছে না। মার্কিন বিগ সুপার পাওয়ার ইসরাইলের প্রিন্সিপাল ডিফেন্স, এটা কোনো গোপন বা রাখঢাকের বিষয় নয়। ইসরাইল মধ্যপ্রাচ্যের অনৈক্যের সুযোগ নিচ্ছে এতেও কোনো সন্দেহ নেই।
আর মধ্যপ্রাচ্যকে অনৈক্যের, বিভাজনের মধ্যে ফেলে রেখেছে খোদ মার্কিন পলিটিক্স।
gaza
গাজায় ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর ইসরাইলের চালানো গণহত্যার তীব্র নিন্দা জানিয়ে প্রকাশ্যে বিবৃতি দিয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ইহুদি গণহত্যা বা হলোকষ্ট থেকে বেঁচে যাওয়া তিনশ’র বেশি ইহুদি ও তাদের উত্তরসূরিরা। জাতিসংঘের শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) শনিবার চলমান লড়াই থেকে গাজার শিশুদের রক্ষার জন্য সব পক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। ইহুদি বিবৃতি প্রদানকারীরা তাদের বিবৃতিতে বলেছেন, ‘ইসরাইলি সমাজে ফিলিস্তিনিদের প্রতি বর্ণবাদী অমানুষিক আচরণ এখন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে।’

Ripon Islam's picture

দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে: মির্জা আব্বাস

সরকার ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় নেতাকর্মীদের জড়াচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা মহানগর আহ্বায়ক মির্জা আব্বাস।দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে: মির্জা আব্বাস সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা মহানগর আহ্বায়ক মির্জা আব্বাস- ফোকাস বাংলা

তিনি বলেন, 'সরকারের এই ফ্যাসিস্ট আচরণের কারণে আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। এর মোকাবিলায় আন্দোলন ছাড়া বিকল্প নেই।'

Moyeenul.Alam's picture

গাজা আক্রমণে ইহুদিবিদ্বেষ ইউরোপে মাথাচাড়া দিচ্ছে

ইসরাইলের গাজায় বারবার এবং বেপরোয়া হামলায় শিশু, নারীসহ দুই হাজারের ওপর বেসামরিক ফিলিস্তিনি নাগরিক হত্যার অন্যতম এবং সম্ভবত ইসরাইলের অচিন্ত্যপূর্ব প্রতিক্রিয়ায় ইউরোপের একাধিক দেশে ইহুদিবিদ্বেষ (অ্যান্টি-সেমিটিজম) এমনভাবে মাথাচাড়া দিয়েছে যে, তা ইউরোপে বসবাসকারী ইহুদিদের মনে ভীতির সঞ্চার করেছে। অনেক ইহুদি ইউরোপ থেকে বহির্গমন করছে অথবা বহির্গমন করার চিন্তা করছে।
gaza
ইউরোপের শিাবিদ ও গবেষক যারা ইহুদিবিদ্বেষের ওপর গবেষণা করেন, তারা বলছেন চলমান গাজা সংঘর্ষের প্রতিক্রিয়ায় ইহুদিদের নিন্দা করা এবং ইহুদিদের প্রতি বিদ্বেষমূলক বক্তব্য প্রদান শিতি মধ্যবিত্ত সমাজে এখন ক্রমেই অধিকতর গ্রহণীয় হয়ে উঠছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সর্বাধিক প্রভাবশালী সংবাদপত্র দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস (আগস্ট ৯-১০ তারিখ সংখ্যা) ‘অ্যান্টি-সেমিটিজম রাইজেস ওভার কনফিক্ট ইন গাজা’ (গাজা সংঘর্ষের ফলে ইহুদিবিদ্বেষের উত্থান হচ্ছে) হেডলাইন দিয়ে নিজস্ব প্রতিবেদকের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, যাতে এসব তথ্য পরিবেশিত হয়েছে।

Masud.Majumder's picture

বিরোধী দল কি ধান্দাবাজ!

মৃত ব্যক্তি কিয়ামত ছাড়া আর কখনো জীবিত হবে না। ঘটে যাওয়া কোনো ঘটনারও হুবহু পুনরাবৃত্তি ঘটবে না। তবে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটে ভিন্ন অবয়বে। তা দুয়ে দুয়ে চারের মতো হয় না। ধরন ও প্রকৃতিতে আলাদা হলেও ইতিহাসের পুনরাবৃত্তিতে অনেক ক্ষেত্রে অভিন্ন ফলাফল দেখা যায়। তা ছাড়া খলনায়ক ও বিশ্বাসঘাতকদের পরিণতি কোনো কালেই ভালো হয়নি, তার প্রমাণ শত-সহস্র। বিশ্বাসঘাতক বিশ্বাস ভঙ্গকারীকে বুঝায়, তবে মুনাফেকের অর্থ আরো ব্যাপক। বর্ণচোরা, দ্বিমুখী কিংবা দ্বৈত চরিত্রের মানুষদেরও মুনাফেকের তালিকায় ফেলা হয়।

১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর যুদ্ধে বাংলার ভাগ্য বিপর্যয় ঘটে যায়। সবার জানা পলাশীর সাথে জড়িত সব বিশ্বাসঘাতক, মুনাফেক জীবদ্দশায় প্রকৃতির প্রতিশোধ এড়াতে পারেনি। এই দেশে পলাশীর মতো হুবহু কোনো ঘটনার পুনরাবৃত্তি এখনো ঘটেনি। তবে বাংলা-বিহার ও উড়িষ্যার পর প্রতিটি আঞ্চলিক যুদ্ধে ইংরেজরা অভিন্ন অর্থাৎ বিশ্বাসঘাতকতার সুযোগে ভাগ করো শাসন করো নীতি অনুসরণ করে আগ্রাসন ও আধিপত্য বিস্তারে সফল হয়েছে।

Syndicate content