Politics

Md. Rowshon Alam's picture

কান্নার মত গভীর কিছু নেই

মানুষ সামাজিক জীব। সমাজের স্বাভাবিক নিয়ম-নীতির মধ্যেই আমাদের বসবাস। সেই স্বাভাবিক নিয়ম-নীতির বাইরে যখন অস্বাভাবিক কিছু ঘটে যায়, তখনই দেখা দেয় নানান বিপত্তি, বিশৃঙ্খলা ও অনাচার। আবার সমাজের সব কিছুই যে ঠিকঠাক বা নিয়ম-নীতির মধ্যেই চলবে, তাঁরও কোনো গ্যারান্টি নেই। বিশেষ করে সমাজের ভিতরেই যখন লুকে থাকে মানুষরুপী কিছু অস্পৃশ্য শক্তি, মনস্টার বা গডফাদার- যাদের অদম্য প্রভাব সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে, পদে পদে মানুষকে পীড়া দেয়, বেঁচে থাকার মুহূর্তগুলোকে কঠিন করে তোলে। হত্যা, গুম, অপহরণ বা নিখোঁজ হচ্ছে সেইসব মনস্টার বা অস্পৃশ্য শক্তিরই প্রভাব।

ফিলিস্তিনে ইসরাইলের বর্ণবাদী কর্তৃত্ব

১.
রাজায়-রাজায় যুদ্ধ হয় উলু খাগড়ার প্রাণ যায়। কত প্রাণ যাবে? যাক না! যতই যাবে তা হবে নিপাতনে সিদ্ধ। গাজায় নিরীহ নাগরিকদের ওপর ইসরাইলের বর্বর হামলায় মৃত্যুর মিছিলে অনবরত যোগ হচ্ছে নারী আর শিশু। অসুবিধে কোথায়!সুযোগ মতো বিবৃতি দিলেই হবে। সংগঠনের বা সংস্হার প্যাডে বিবৃতির ফরম্যাট বিশ/পঞ্চাশ বছর আগেই তৈরি আছে শুধু তারিখটা হালনাগাদ করে নেয়া হবে। নারীবাদী,শিশুবান্ধব হতে কতক্ষণ! মুখপাত্র যারা আছে তারা চাকরিতে যোগদানের সাথে সাথে বক্তব্যগুলো কয়েক প্রকার ফরম্যাটে প্রিন্টআউট নিয়ে ঝেড়ে মুখস্হ করে নেয়, কোনো সমস্যা হয় না, শুধু মুখস্হ বুলি আওড়ানো। যত বড় আন্তর্জাতিক সংস্হাতেই থাকা হোক না কেন একটুও সমস্যা হয় না।

A.S.Fahim's picture

বিএনপির ঠিকে থাকার জন্যই শক্তিশালী ছাত্রদল দরকার

ছাত্রদলের ভুলভ্রান্তি নিয়ে এবং তা দূর করা নিয়ে অতীতে অনেক লিখেছি। অনেকেই প্রশংসা করে ইনবক্সে মেসেজ দিয়েছেন। অনেকে বলেছেন ভাই এইসব বলে লাভ কি? যারা শুনার তারা শুনছে না, যারা বুঝার তারা বুঝেও নীরব। আবার অনেকেই বলেছেন এইসব লিখে ছাত্রদলের মনোবল নাকি নষ্ট করে দিচ্ছি। আপনাদের বলি আমি এমন কেউ না যে আমার লেখায় ছাত্রদলের মনোবল নষ্ট হয়ে যাবে। আর একজন সাবেক ছাত্রদল কর্মী হিসেবে নিশ্চয়ই ছাত্রদলের ক্ষতি হউক তা চাইনা। কিন্তু সমস্যা হল যে ছাত্রদলকে দেখে বড় হয়েছি সেই ছাত্রদল আর আজকের ছাত্রদলের মধ্যে বিস্তর ফারাক। তাই অসামঞ্জস্য গুলো চোখে পড়লেই হতাশা থেকেই লেখি আর আশা করি ছাত্রদল সেই আগের অবস্থায় ফিরে যাবে।

গাজা উপত্যকায় মানবতা গুমড়ে মরছে

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের বর্বর হামলা বন্ধের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। গাজা উপত্যকায় মানবতা গুমড়ে মরছে। এমন কি বর্বর আগ্রাসন চালানো ইসরাইলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র পিটার লার্নারও স্বীকার করেছেন, গাজায় বেসামরিক লোকজনের মৃত্যু একটি 'মানবিক বিপর্যয়'। প্রকৃত অর্থে এই বিপর্যয় কতটা ভয়ঙ্কর, তা কল্পনা করাও দুঃসাধ্য। দুই সপ্তাহ ধরে ছোট্ট একটি ঘনবসতিপূর্ণ উপত্যকায় 'হামাস জঙ্গি নিধনের' নামে নির্বিচারে বেসামরিক মানুষ মেরে চলেছে ইসরাইলি বাহিনী। গত দুই সপ্তাহে নিহতের সংখ্যা এক হাজারের ওপরে দাঁড়িয়েছে। আর আহত হয়েছে কয়েক হাজার। এক লাখেরও বেশি ফিলিস্তিনি গৃহহারা হয়েছে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ গাজায় অবিলম

Mujahidul.Islam.Selim's picture

অস্ত্রমুক্ত করতে হবে ইসরাইলকে

গত ২১ দিন ধরে ইসরাইল ফিলিস্তিনের গাজা ভূখণ্ডে গণহত্যা চালিয়ে যাচ্ছে। গাজা ভূখণ্ডের প্রায় সব মানুষই মুসলমান। অধিবাসীদের ৮০ শতাংশ হলো ইসরাইল অধিকৃত অঞ্চল থেকে বিতাড়িত উদ্বাস্তু। অন্যদিকে ইসরাইল হলো দখলকৃত ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে স্থাপিত একটি ইহুদি রাষ্ট্র। এটি একটি 'জায়নবাদী' রাষ্ট্র। তার মতবাদ হচ্ছে, "ইহুদিরা হলো ঈশ্বরের 'বাছাইকৃত' জনগোষ্ঠী এবং ফিলিস্তিন ভূখণ্ড হলো তাদের জন্য ঈশ্বর কর্তৃক নির্ধারণ করে দেয়া আবাসস্থল"। একথা পরিষ্কার যে, এই মতবাদ হলো বর্ণবাদী, প্রতিক্রিয়াশীল, সাম্প্রদায়িক ও ফ্যাসিস্ট চরিত্রের। ইসরাইলের বেশিরভাগ মানুষ হলো ইহুদি এবং সেসব ইহুদির প্রায় সবাই হলো গত ৬০ বছর ধরে সেখানে

WatchDog's picture

মধ্যপ্রাচ্য, যুদ্ধ ও শান্তি...WD

17.jpg জানুয়ারি ৩, ২০০১ সাল। হোয়াইট হাউস হতে ঘোষণা এলো মধ্যপ্রাচ্য শান্তি আলোচনায় দুই পক্ষের কাছে গ্রহণযোগ্য একটা সমাধান পাওয়া গেছে। ঘোষণার সমর্থনে ইসরায়েলই কর্তৃপক্ষও ঘোষণা দিল সতর্ক আশাবাদের। অন্য ক্যাম্প হতেও স্বীকার করা হল ত্রি-পক্ষীয় বুঝাপড়ার। এর আগে ২৩ সে ডিসেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন চারদিনের সময় দিয়ে দরকষাকষি করা যাবেনা এমন একটা প্রস্তাব উত্থাপন করেন শান্তি আলোচনায়। প্রস্তাবের সারমর্ম ছিলঃ প্যালেষ্টাইনিরা পশ্চিম তীরের শতকার ৯৬ ভাগের দখল পাবে, বাকি চার ভাগ যাবে ইসরায়েলদের দখলে। পূর্ব জেরুজালেমে বসতি-স্থাপ

Masud.Majumder's picture

মুক্তি নয় তো মৃত্যু

Gazaজানবাজ হওয়া ছাড়া ফিলিস্তিনিদের আর কী করার ছিল বা আছে! নিজ ভূমে তারা অবরুদ্ধ, পরাধীন। টানা অবরোধ তাদের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। অবরুদ্ধ অবস্থায় ঘরে বসে মৃত্যুর চেয়ে শেষ লড়াইটুকু করে শহীদ হওয়া অনেক বেশি শ্রেয়। সব বিবেচনায় ফিলিস্তিনিদের সামনে একটা পথই খোলা আছে; স্বাধীনতা, নয়তো মৃত্যু। সম্ভবত এ কারণেই তারা জেনে বুঝে মৃত্যুর মিছিলে যোগ দিয়েছে। এ মিছিল শুরু হয়েছে ১৯৪৮ সাল থেকে। টানা ৬৬ বছর ধরে তারা অঘোষিত বন্দী জীবনযাপন করছে।

Mir.Abdul.Alim's picture

ঈদ আনন্দ নয়: ভয় হচ্ছে, ভীষণ ভয়!

কটা মাস ভালোয় ভালোয় কাটল। কিন্তু এখন ভয় হচ্ছে, ভীষণ ভয়!

syed shah salim ahmed's picture

মুজিব থেকে এরশাদঃ কাকতালীয় এক মিল:হাসিনা কি বাদ পড়বেন ?

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ভারত কেন্দ্রিক কিংবা ভারত ইস্যু এক বিরাট ভূমিকা রেখে থাকে। কি সরকারি কি বিরোধীদল- এ ক্ষেত্রে যেই ক্ষমতায় থাকে, ভারতীয় ইস্যুকে বিরোধীদল বেশ কায়দা কানুনের সাথে কাজে লাগিয়ে থাকে, ব্যতিক্রম শুধু শেখ হাসিনার ২০০৯ থেকে এখন পর্যন্ত চলে আসা সরকার। এ ক্ষেত্রে বিরোধীদল যতোটা না ভারতীয় এই কায়েমি ইস্যুকে মিডিয়া কেন্দ্রিক শোরগোল তুলতে পেরেছে, ততোটাই জনমনে আলোড়ন তুলে ফায়দা ঘরে তুলতে ব্যর্থ হয়েছে। কেননা বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই প্রত্যেকটা সরকারের সময়েই বিরোধীদল ভারতীয় ইস্যুকে বেশ দক্ষতার সাথে কাজে লাগিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলো। শেখ হাসিনার সরকার ব্যতিক্রম এই কারনে যে প্রচণ্ড

faruk.joshi's picture

ব্রিটেনের রাজনীতিতে বাঙালির ভবিষ্যৎ

ব্রিটেনের সাম্প্রতিক স্থানীয় নির্বাচনে একটা ধাক্কা এসেছে ক্ষমতাশীন দলের। ব্রিটিশ রাজনীতিতে মাত্র ক'টা বছরের জানাশোনা নিয়ে ইউকিপ নামের দলটি মাঠে এসেই স্থানীয় নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক জনপ্রতিনিধি পেতে সক্ষম হয়েছে। এবং ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টে পেয়েছে অপ্রত্যাশিত ফল। গোটা ব্রিটেন থেকে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টে এখন তাদের আসন ২৪টি। লেবার দলের ২০টি, টোরির ১৯টি এবং লিবারেল ডেমোক্র্যাটের মাত্র ১টি।

Syndicate content