Personal

WatchDog's picture

'যেদিন পরবে না মোর পায়ের চিহ্ন...' WD

 photo 06-4_zpsb07b8aec.jpg
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অবসর প্রাপ্ত একজন সেনা অফিসারের সাথে দেশ নিয়ে কথা বলছিলাম। মেরুকরণের সুনামিতে ভেসে এই জেনারেল কোন বন্দরে ঠাঁই নিয়েছেন কথা বার্তায় কিছুটা হলেও আন্দাজ করা গেছে। বিত্ত বৈভবের সমুদ্রে ভাসছেন তিনি। কেবল দেশে নয়, বিদেশেও জমিয়েছেন সম্পদের পাহাড়। সরকারের সুনজর ছাড়া বাংলাদেশের একটা তেলাপোকাও অতিরিক্ত তেল শিকার করতে অক্ষম, এমনটাই আজকের

আজীব রাজীব's picture

কি দরকার ছিল এই অনর্থক বড় হয়ে যাওয়ার...??!!

একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা, মনে থাকতে থাকতে বলে রাখি। আজ থেকে ঠিক ২৫ বছর আগের এই দিনে ধরাধামে আগমন ঘটেছিল এ অধমের। যদিও সার্টিফিকেটের হিসেবে ওটা ২৩। ঘণ্টা মিনিট হিসেব করে বলতে পারছি না। আম্মুকে জিজ্ঞেস করা হয়নি কখনো। তবে দিন ছিল সোমবার। মোবাইলের ক্যালেন্ডার ঘেঁটে বের করেছি একটু আগে। আমার ধারনা ছিল শনি বার হওয়ার একটা হাই চান্স থাকতে পারে। তবু আনন্দে আটখানা হতে পারছি না। কপালে শনির দশা আগে যেমন ছিল ভবিষ্যতেও তেমনি থাকবে বলে বিশ্বাস।

আজীব রাজীব's picture

কিছু কিছু কথা বলে ফেলার জন্য হিম্মত লাগে...; আমার নাই

সকাল শুরু হল একটা গুড নিউজ দিয়ে। তিন বছর পর লেখাপড়ায় ফেরত এসে বহু সংগ্রাম করে ২ টা পরীক্ষা দিয়েছিলাম। আজ দেখি কপাল গুণে পাশ করে গেছি। খুশির সংবাদ। আম্মুকে ফোন দিলাম। খুশি হবে যে জানা ছিল।

প্রতিদিন ফোন করে খোঁজখবর নেয়ার ট্রেডিশনটা কখনো তৈরি হয়ে উঠে নি আমাদের মাঝে। মাসে হয়ত দুইএকবার কথা হয়। কোন কোন সময় তাও না। সত্য কথা বলতে টাকা না ফুরালে ফোন করার কথা মনে পরে না

আজীব রাজীব's picture

দিনগুলি হারিয়ে গেছে। প্রতিযোগী সেই বন্ধুরাও...

অল্প বয়সেই পেকে গিয়েছিলাম হয়ত...
স্কুল শেষে অন্যরা যখন সাইবার ক্যাফে ঢুকে পর্ণ-স্যাইট ঘাটাঘাটিতে ব্যাস্ত, আমরা ক'জন বেহুদা পাকনা পোলাপান তখন হেল্কিদুল্কি চালে স্কুল লাইব্রেরিতে ঢুকতাম। মাথায় ঘুরত নিউক্লিয়ার ফিজিক্স কিংবা স্পেস-সায়েন্স!!
গাদাগাদা বই ছিল জিলা স্কুলের লাইব্রেরিতে। ওয়ার্ল্ড লাইব্রেরি থেকে ডোনেট করা অনেক রেয়ার রেয়ার বই। দেখে লোভ লেগে যেত। সুন্দরীদের মন আর পছন্দ হয়ে যাওয়া কিছু বই ছাড়া অন্য কিছু চুরির উৎসাহ পাই নি কখনো। প্রথমটাতে ভয়াবহ রকম ব্যর্থ হলেও দ্বিত্বীয়টায় সাফল্য একেবারে মন্দ না।

Shawnchoy.Rahman's picture

এমন একটা দেশই কি চেয়েছিলাম !?

দেশের বিভিন্ন ঘটনা-দুর্ঘটনা নিয়ে পুরাই ফাপরের মধ্যে আছি

১. প্রথমে হেফাজতে ইসলামীর ১৩ দফা দাবী প্রসঙ্গে আসা যাক্‌। ১৩ দফা দাবীর মূল কথা একটাই - বাংলাদেশকে ইসলামিক নিয়ম-নীতি অনুযায়ী চলতে হবে, ইসলামের বিন্দুমাত্র সমালোচনা করা যাবে না, সমালোচনা করলেই শাস্তি।
বাংলাদেশের বেশির ভাগ মানুষ মুসলমান হতে পারে কিন্তু বাংলাদেশকে ইসলামী দেশ-এর লেবেল কোনভাবেই দেয়া যাবে না। বাংলাদেশ সৌদিআরব কিংবা ইরান কিংবা আফগানিস্তান নয়। সব ধর্মাবলম্বী মুক্তিযোদ্ধারা এক সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাংলাদেশের মুক্তির জন্য যুদ্ধ করে দেশকে

WatchDog's picture

তামেরলান তাসেরনায়েভ, ঝওহর তাসেনায়েভ ও চেচেন ইতিহাসের অলিখিত অধ্যায়...WD

 photo 11-6_zps7ad358e4.jpg

আমার ভ্রমণ তালিকায় এমন কতগুলো নাম আছে যা স্মৃতির মণিকোঠায় আজীবন লালন করে যাব। চেচনিয়ার রাজধানী গ্রোজনি তেমনি একটা নাম। ভ্রমণ পিপাসু বাইরের দুনিয়ার জন্য জন্যে রুশ দেশের ঐ এলাকা কোন কালেই উন্মুক্ত ছিলনা। এ বিবেচনায় নিজেকে ভাগ্যবান মনে করার যথেষ্ট কারণ আছে। পাহাড় পর্বত ঘেরা সৌন্দর্য্যের অপরূপ লীলাভূমি চেচনিয়া ও ইঙ্গুশেটিয়ার মানুষ গুলোর সাথে যারা মেশেনি তাদের পক্ষে কঠিন হবে পৃথিবীর এ অঞ্চলের জীবন সম্পর্কে ধারণা পেতে। যদিও জীবন নিয়ে স্বপ্ন দেখার বাস্তবতা বার বার ব্যাহত হয়েছে চেচেনদের জন্য। ১৯১৭ সালের অক্টোবর বিপ্লবের

abdullah.shafi's picture

"বাসচালক থেকে প্রেসিডেন্ট" বনাম আম-জনতার বয়ান

মিরপুর হতে কাওরানবাজার আসতে প্রতিদিনই বেশ বেগ পেতে হয়... বাস সার্ভিসের মধ্যে বিলাসবহুল "এনা পরিবহন", ভাল সার্ভিস এর "বিকল্প (১৭)", মোটামুটি "বিহঙ্গ", উড়া-ধুড়া "সিল্কসিটি-ইটিসি" আর আকাশের চাঁদ "বিআরটিসি".... মাঝে মাঝে ভোরবেলা ছেলেকে স্কুলে দিয়ে বাসে উঠতে হয়.. নয়তো ১১টার পর ... দেরী করে বের হলে কোন সমস‌্যা নেই.. আরামে বিআরটিসির উপরে বসে আসা যায় ..কিন্তু সকালে রিতিমতো যুদ্ধ!

bus.jpg

Md. Galib Mehadi Khan's picture

“চলে যেতে হয়, তবে সে যাওয়াটা যেন এমনি সম্মানজনক হয়”।

মহামান্য রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান দিয়ে গেলেন অনেক কিছুই। ১৯৫২’র ভাষা আন্দোলন, ১৯৬২’র সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলন, ১৯৬৬ ‘র ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানসহ প্রতিটি গণ-আন্দোলনে তিনি ছিলেন একজন অগ্রণী সৈনিক। যার প্রতিদানে এ জাতি তাকে ১৯৭০’এ তৎকালীন পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য সহ ছয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত করে এবং ২০০৯ সালে তিনি বাংলাদেশের ১৯তম রাষ্ট্রপতির মর্যাদায় ভূষিত হন। শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি থাকা অবস্থায়ই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুতে শোকাহত জাতি তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন করছে। এ তার একান্তই নিজের অর্জন।

আজীব রাজীব's picture

পানসে হাসি দিয়ে এড়িয়ে যাওয়া ছাড়া আর কোন উপায় থাকে না...

বেশ পুরোনো আর সস্তাই বলতে হবে পাঞ্জাবীটা। যতদূর মনে পরে চারশ টাকায় কিনেছিলাম বছর আটেক আগে। তবে আমার কাছে মোটামুটি ভাবে অমূল্যই বলা চলে। ঠোট উল্টে কেঁদে ফেলা এক বোকা মেয়ের চোখের পানি লেগে আছে এটায়। যে কিনা বহু বছর আগে "মিস্টার রং" এর প্রেমে পড়েছিল। দুজন দুই মেরুর বাসিন্দা ছিলম আমরা। তবুও কোত্থেকে কী হয়ে গেল বুঝতেই পারিনি। বোঝার কোন উপায়ও নেই এখন আর।

আজীব রাজীব's picture

দিবাস্বপ্ন...

- কেমন আছ?
- আগের মতই| বদলাইনি খুব একটা..
- বাঁকা করে উত্তর দেয়ার অভ্যাসটা গেল না তোমার!
- ঐ যে বললাম বদলাইনি|
- থেমে আছ কেন? নুতন করে শুরু করতে পার না সবকিছু?
- মুলো নাই যে সামনে…!! গাধামীটা পাকা-পোক্ত ভাবে গেড়ে গেছে| সামনে মুলো না ঝুলালে জায়গায় দাড়িয়ে ঘুর-পাক খাই..
- হাসা উচিত কী না বুঝতে পারছি না|
- এখনও সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগ তা হলে!!??

Syndicate content