Personal

Rita Roy Mithu's picture

ইংরেজী ভুলে যাওয়া আমি!

আমাদের কোন গৃহশিক্ষক ছিল না, ইংরেজী পড়তাম বাবার কাছে, অংক করতাম মায়ের কাছে। মায়ের কাছে পড়ার একটা মজা ছিল, মা কখনওই বলতোনা, " এই সাধারণ অংক পারসনা, ঐকিক নিয়ম, সুদকষা, কিছুই জানসনা?" আমাদেরকে প্রশ্ন না করে নিজেই অংক করে দিত। আর বাবা ছিল মারাত্মক, ইংলিশ গ্রামার একেবারে গুলিয়ে খাওয়াতো। বাবাকে নিয়ে আমাদের ছিল মহাযন্ত্রণা, পড়ার সময় তো পড়াতোই, ভাত খেতে বসেছি, খাওয়ার মধ্যেই প্রশ্ন, " ক তো দেখি, বাজার করতে গিয়া দেখি মাছের বাজারে অগ্নিমূল্য--ট্র্যানশ্লেশান কি হইব?" ধরণের প্রশ্ন। তবে, বাবার দেয়া এই যন্ত্রণা আমি উপভোগ করতাম, তখন মাথা ছিল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ঘিলুতে ঠাসা, যে যা শেখায়, চট করে শিখে ফেলি, একমাত্র ভূগোল ছাড়া। তাছাড়া মেজদার সাথে ছিল প্রতিযোগীতা, মেজদা উত্তর দেয়ার আগেই আমি উত্তর দিইয়ে ফেলতাম, ব্যস, বাবার মনোযোগ গিয়ে পড়তো মেজদার উপর। মেজদাকে পেরেশান হতে দেখলে আমার খুব ভালো লাগতো।

এই শাড়িটা নেন, বিক্রি করে দিয়েন না

ঢাকা শহরে সুযোগ পেলেই আমি হাঁটি। অনেকেই হয়তো ভাবছেন, শখ করে সকাল বিকেল হাঁটাহাটির কথা বলছি। না, শখের হাঁটার কথার বলছি না; কষ্টের হাঁটার কথা বলছি। যেমন আজকের হাঁটার কথাটাই বলি।

বারিধারা থেকে বাসায় ফিরবো। অনেকক্ষণ দাড়িয়ে থাকলাম একটি স্কুটারের জন্য। তারপর যা পাওয়া গেল, সে ভাড়া চাইলো আড়াই শ' টাকা। অনেক চাইছে স্কুটারওয়ালা। এর কমে সে যাবে না। ঈদের বাজার বলে কথা। আমি আস্তে আস্তে হাটতে শুরু করলাম। দেখি সামনে কোনও খালি স্কুটার পাওয়া যায় কি না!

Shafiul Azam Shipon's picture

‘মুক্তিযোদ্ধা ফিরোজ আহমেদ’

প্রত্যহ চলের পথে দেখা হতো,হতো কুশল বিনিময়,সর্বদা মৃদু হাসি,অত্যান্ত বিনয়ী একজন মানুষ ছিলেন যিনি, তাঁকে আর কোনোদিন দেখতে পাবোনা,কথা হবে না কখনোই,মৃত্যু মানেই এমন নির্মম সত্যের মুখোমুখি দাড়াতে হয় আমাদের।
মৃত্যু মানুষের দেহটাকে বিলুপ্ত করে দেয় ঠিকই তবে তার কাজগুলো তাঁকে স্মরনীয় করে রাখে,জীবিতদের মাঝে।জীবতদের সমাজে,রাষ্ট্রে,সমগ্র বিশ্বে।আজকের কৃতকর্মগুলো কাল হয়ে যায় স্মৃতি এবং কাল পেরলে হয় তা ইতিহাস।

WatchDog's picture

আল কায়েদা হুমকি ও ক্ষমতা সমীকরণের মধুচন্দ্রিমা...WD

16.jpg পাঠকদের মনে থাকতে পারে বিএনপির শেষ টার্মের শেষ দিকের কিছু ঘটনা। হঠাৎ করে ভারতীয় মিডিয়া ইনিয়ে বিনিয়ে প্রচার করতে শুরু করে আল কায়েদার সেকেন্ড-ইন-কমান্ড মিশরীয় ডাক্তার আইমেন আল জাওহিরি নাকি বাংলাদেশে। এবং বাংলাদেশি সরকার তাকে সব ধরণের সহযোগীতা দিয়ে লুকিয়ে রাখছে। একই সময় যুক্তরাষ্ট্র সফরের আসেন তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী জনাবা শেখ হাসিনা। তিনি পরিষ্কার ভাষায় মার্কিনিদের জানিয়ে দেন এখনই ব্যবস্থা না নিলে বাংলাদেশ হতে যাচ্ছে পরবর্তী আফগানিস্থান।

ফেসবুকীয় দিনলিপি-০১১

ডিসেম্বর ৩০, ২০১৩। ১১.৫০।
একটু পেছন ফিরে দেখা...
https://fbcdn-sphotos-a-a.akamaihd.net/hphotos-ak-prn2/p480x480/1535471_794784347205725_80741034_n.jpg

ডিসেম্বর ৩০, ২০১৩। ১১.০৪।
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, সহিংসতা প্রতিরোধ ইত্যাদির জন্য সরকারের প্রশিক্ষিত বাহিনী রয়েছে। যতো বেশি সহিংসতার চেষ্টা, ততো কড়া প্রতিরোধ সরকার গ্রহন করতেই পারে। এটা সরকারের দায়িত্বও বটে। কিন্তু আমরা দেখছি একজন মহিলাকে মাটিতে ফেলে পেটানো হচ্ছে।

syed shah salim ahmed's picture

শেকড় সন্ধানী লেখক মোস্তফা কামালের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি

সম্ভবত: তখন ১৯৮২ সালের শেষের দিক। এমসি কলেজ হোস্টেলে বিকেল বেলা বসে আছি। ভাবছি কি করা যায়। এমন সময় সদা হাস্যোজ্জলভাবে আমাদের দিকে এগিয়ে এলেন। নিজেই নিজের পরিচয় দিয়ে সহাস্যে আমাদের সাথে কুশল বিনিময় করলেন। পরিচয় পর্বের পর একনাগাড়ে অনেকগুলো মূল্যবান কথা অনর্গল বলে গেলেন,সিলেটী নাগরী, ফার্সি, উর্দু, আরবি, বাংলা কতো ভাষা মিশ্রণ করে সমান তালে বলে চললেন। নাজিম হিকমত সহ হাসান হাফিজুর রহমান, ফররুখ আহমেদ, মীর মোশাররফ হোসেন, জসীম উদ্দিন, রবীন্দ্রনাথ, নজরুলের কবিতা, সৈয়দ মুজতবা আলীর প্রবন্ধ থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে একের পর বলে চললেন।

WatchDog's picture

সমস্যার ডিজিটাল সমাধান, বাংলাদেশের বিভক্তি.....WD

14.jpgপ্রস্তাবটা আগেও একবার দিয়েছিলাম। হালে পানি পায়নি, বাজারেও বিকায়নি। ইতিমধ্যে দশ বছর পেরিয়ে গেছে। কিন্তু প্রস্তাবের গুরুত্ব আমার বিবেচনায় এতটুকু কমেনি, বরং বেড়ে আকাশমুখী হয়েছে কেবল। সমাধানের অন্বেষায় ছুটছে বাংলাদেশ।

syed shah salim ahmed's picture

একজন রুপা হক এবং ব্রিটিশ পার্লামেন্টের বাঙালির আশা জাগানিয়া স্বপ্নের সোপান

আগামী ২০১৫ সালে ব্রিটেনের পার্লামেন্ট নির্বাচন। কিন্তু এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে নির্বাচনী তোড়জোড়। প্রধান দুই পার্টি লেবার ও ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ এবং মধ্যপন্থী লিবডেম তাদের প্রার্থী মনোনয়ন চূড়ান্ত করছে। ব্রিটেনের পার্লামেন্টের প্রার্থী মনোনয়ন পেতে অনেক কাট-খড় পোড়াতে হয়।

এই জনপদ ধ্বংস করার জন্য এই জাতিগোষ্ঠিই যথেষ্ঠ

মানুষ তিল তিল করে সভ্যতা গড়ে তুলেছে আর প্রকৃতি বিভিন্ন সময়ে নানা তান্ডবে তা ধ্বংস করেছে ।ফিলিপাইন ধুঁকছে দগদগে আঘাতের ঝন্চা বুকে ধরে।অষ্ট্রেলিয়া পুড়েছে কয়েক সপ্তাহ ধরে । দারুণ তান্ডবে আমেরিকার জনপদ তছনছ হয়েছে । জাপান নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ার শংকায় পড়েছিল সুনামির ভয়াবহতায় । সবাই ঘুরে দাঁ ড়িয়েছে যুদ্ধ করছে নিজেদের অগ্রযাত্রাকে দূর্বার গতিতে সামনে এগিয়ে নিতে ।

Rita Roy Mithu's picture

সুখ এবং সুখী!!

আজ আমার বড়ই সুখের দিন, কারণ আগামী দুইদিন আমার ছুটি। এমন সুখের দিন প্রতিমাসের চতুর্থ সপ্তাহে আসে। আগে এমন ছিলনা, গত দু’মাস হলো, স্বার্থ কিছু ছাড় দিয়ে এই সুখ কিনেছি।
ওয়ালমার্টে ডিপার্টমেন্ট ম্যানেজার বাদে আর কারোরই উইকএন্ড ছুটি থাকেনা। সপ্তাহে দুই দিন ছুটি থাকে, তবে সেই দুই দিন সপ্তাহের যে কোন দুই দিন হতে পারে। আমি এইসব নিয়মের গভীরে যাইনা, যা নিয়ম আছে, সেভাবেই মেনে চলি।

Syndicate content