একটি অহঙ্কারের গল্প

২০০৬ সালে আকস্মিকভাবে বাংলাদেশ বিশ্ব মিডিয়ায় শিরোনাম হয়ে যায়। শুধু শিরোনামই নয়! পুরো পৃষ্ঠা জুড়ে, কেউ বা দুই পৃষ্ঠা জুড়ে বাংলাদেশকে বিভিন্নভাবে তুলে ধরে। টিভি চ্যানেলগুলো ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, ভাষা আন্দোলনসহ নানান প্রসঙ্গ প্রচার করতে থাকে। এ যেন বাংলাদেশ বিষয়ক বিশ্ব প্রতিযোগিতা। সবকিছুরই একটা উপলক্ষ থাকে। আর বাংলাদেশ শিরোনামের উপলক্ষ হচ্ছে- ড. মুহাম্মদ ইউনুস নোবেল পেয়েছেন। ট্যাক্সি ক্যাবে যাত্রী উঠে জিজ্ঞেস করছে তুমি কি বাংলাদেশী? তোমরা নোবেল পেয়েছো, কংগ্রেচুলেশন! রেষ্টুরেন্টের নিয়মিত গ্রাহকরা এসে অভিনন্দন জানিয়ে স্পেশাল ট্রিট দেয়ার আবদার জানাচ্ছে, অফিস এবং কারখানার সহকর্মীরা করমর্দন করে পার্টি আয়োজনের আহবান জানাচ্ছে। বাংলাদেশি প্রজন্ম স্কুলে সহপাঠিদের গর্বের সাথে বলছে তাদের বিরল এ প্রাপ্তির কথা। আনন্দে-গর্বে বুক স্ফীত হয়ে উঠে প্রবাসী বাঙালির। এ এক অন্য রকম অহঙ্কারের অনভূতি। প্রবাস জীবনে কেউ এত সম্মানিত বোধ করেনি কখনও। কেউ বলতে পারবেন না এর আগে দেশের এতো সুনাম কখনও শুনেছেন! সেদিন প্রত্যেক প্রবাসী বাংলাদেশী নিজেকে মনে করেছেন একজন নোবেল বিজয়ী।
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ বাংলা ভাষাকে বিশ্ব দরবারে পরিচিতি দিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতিকে নেতৃত্ব দিয়ে বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশ নামক একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত করে গেছেন। আর একবিংশ শতাব্দিতে এসে ড. মুহাম্মদ ইউনুস বাংলাদেশীদের মাথা উঁচু করে তুলে ধরলেন। দৃশ্যমান না হলেও আমাদের উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়েছে আমরা উপলব্ধি করলাম। এরপর থেকে ড. ইউনুস আমাদের জন্য অহঙ্কার হয়ে গেলেন।
প্রথম ধাক্কাটা খেলাম ড. ইউনুস যখন নোবেল পুরষ্কার নিয়ে দেশে গেলেন। ভেবেছিলাম রাষ্ট্রপতি বিমানবন্দরে এসে দেশের এ বরেণ্য সন্তানকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করবেন। দুই বড় দলের নেত্রীরা আসবেন। কিন্তু না, সেরকম কিছু হলো না। আমাদের আবেগ উচ্ছাসের রকমই আলাদা! দেশের রাষ্ট্রপতির হাসিমুখ দেখা যেখানে বিরল ঘটনা সেখানে তিনি বিমানবন্দরে আসতে গেলে সেটা বাড়াবাড়ি হয়ে যাওয়ারই কথা! আর দুই নেত্রীর আসার তো প্রশ্নই ওঠে না। তৃতিয় ব্যক্তিত্বের আবির্ভাব তাদের কারোরই কাম্য নয়। অনেকেই নোবেল বিজয়ীকে সুদখোর হিসেবে আখ্যায়িত করলেন। রাজনীতির সাথে সংশ্লিষ্টদের আচরণ দেখে মনে হলো নোবেল প্রাপ্তি কোন ব্যাপারই না। এ এমন আর কি? দেশের এক শ্রেণীর বুদ্ধিজীবী আবার ড. ইউনুসের নোবেল প্রাপ্তিতে যন্ত্রণা অনুভব করতে লাগলেন। তারা রাজনীতিবিদ এবং প্রতিক্রিয়াশীলদের সাথে সুর মিলিয়ে আরও এক ধাপ এগিয়ে গিয়ে ড. ইউনুসকে পশ্চিমা বিশ্বের দালাল বলে চিহ্নিত করলেন। এখানেই শেষ নয়; তাদের কেউ কেউ মাইক্রোক্রেডিট বা ক্ষুদ্র ঋণের জনক হিসেবে রবীন্দ্রনাথের নাম ঘোষণা করে বসলেন। তবে সুখের কথা এই যে, দেশের কোটি কোটি তরুণ প্রজন্মের মধ্যে নোবেল প্রাপ্তির অংশিদারিত্ব লক্ষ্য করা গেছে। প্রবাসী বাংলাদেশীদের মতো তারাও ড. ইউনুসকে নিয়ে গর্বিত।
আমার খুবই ইচ্ছে ছিলো নরওয়েতে যাবো। ড. ইউনুসের হাতে যখন নোবেল পুরষ্কারটা তুলে দেয়া হবে সে ঐতিহাসিক মুহুর্তের সাক্ষী হয়ে থাকবো। কিন্তু যেতে পারিনি। তবে না যাওয়ার আক্ষেপটা আমার কেটে গেছে নোবেল প্রাপ্তির পরপরই তাঁকে কাছে পেয়ে। খবর পেলাম কানাডার হ্যালিফ্যাস্কে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিশ্ব ক্ষুদ্র ঋণ সম্মেলন। ড. ইউনুস আসছেন এ সম্মেলনে। বিশ্বের বাঘা বাঘা অর্থ বিষয়ক বিশেষজ্ঞরা আসছেন বিভিন্ন দেশ থেকে। আমি ছুটে গেলাম আমার নোবেল বিজয়ীর সাথে দেখা করতে। আজ থেকে ১৮/১৯ বছর আগে ড. ইউনূসের সাথে আমার দেখা হয়েছিল টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ে। সে সময় তিনি এসেছিলেন তাঁর ক্ষুদ্র ঋণের সফলতার কথা শুনাতে। ঐ সময় দেখেছি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদরা তাঁর কথা শুনার জন্য কিভাবে উদগ্রীব ছিলেন। তারপর থেকে ক্ষুদ্র ঋণ, গ্রামীন ব্যাংক আর ড. ইউনূস মিলেমিশে একাকার। ক্ষুদ্র ঋণের কথা বললে ড. ইউনূসের নাম আসে; গ্রামীণ ব্যাংকের কথা বললে ড. ইউনূসের নাম আসে; আবার ড. ইউনূসের নাম নিলে গ্রামীণ ব্যাংক এবং ক্ষুদ্র ঋণের কথা আসে। যে নামই আসুক, ঘুরে ফিরে বারবার উচ্চারিত হতে থাকে বাংলাদেশের নাম। এ সম্মেলনের দিন-ক্ষণ ঠিক করা হয়েছিল অনেক আগে। এরিমধ্যে ঘটে গেলো নোবেল প্রাপ্তির মতো ঐতিহাসিক ঘটনা। আর এতে সম্মেলনের মাহাত্ম্য বাড়িয়ে দিল কয়েক হাজার গুণ। নিজ চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন ছিল ঘটনাবহুল সে দিনটির কথা।
কানাডার অন্যতম প্রদেশ নোভাস্কোশিয়ার রাজধানী বন্দরনগরী হ্যালিফ্যাক্স। বিমানবন্দর থেকেই সাজ সাজ রব! হোটেলে-মোটেলে স্থান সংকুলান হচ্ছে না। বুঝা যাচ্ছে এ শহরে বিরাট কিছু একটা হতে যাচ্ছে। রোববার সকাল। স্থান হ্যালিফ্যাক্স ট্রেড সেন্টার। গেটের সামনেই শোভা পাচ্ছে বিশাল এক ডিজিটাল ব্যানার। তাতে লেখা- প্রোভার্টি ইজ এ থ্রেট ফর পিস -ড. মুহাম্মদ ইউনুস। এতদিন একটা দ্বিধা-দ্বন্দ্ব কাজ করছিলো মনের মধ্যে। ড. ইউনুস হলেন অর্থনীতিবিদ, তিনি গ্রামীন ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেছেন। তাঁর তো নোবেল পাওয়ার কথা অর্থনীতিতে কিন্তু তাঁকে কেন শান্তিতে নোবেল দেয়া হলো? ব্যানারে লেখা বাণী (কোটেশন) পড়ে চিন্তার মধ্যে পড়ে গেলাম। ঠিকই তো! উল্লেখিত বাণী অনুবাদ করলে দাঁড়ায় -'দারিদ্র শান্তির জন্য হুমকি'। বিজ্ঞানের অনেক প্রচলিত ধারণার মতো এ কথাটি সকলেরই জানা। তবে চিরসত্য এ কথাটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরেছেন ড. মুহাম্মদ ইউনুস। তিনি শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সর্বাগ্রে দারিদ্র বিমোচন করতে চান। তাই তো তাঁকে শান্তির জন্য নোবেল দেয়া হয়েছে। রেজিষ্ট্রেশন বুথে গিয়ে মিডিয়া পাসটি সংগ্রহ করে অডিটোরিয়ামে ঢুকলাম। শত শত ক্যামেরা তাক করা মূল ফটকের দিকে। ঐতিহ্যবাহী স্কটিশ একটি বাদক দল সানাই বাজাতে বাজাতে পাশ দিয়ে ভিতরে ঢুকে গেলো। তারপর অতিথিরা একে একে পা রাখতে শুরু করলেন। প্রথমে স্পেনের রাণী, তারপর হণ্ডুরাসের প্রেসিডেন্ট, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী, উরুগুয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট, কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী, নোভাস্কশিয়ার মুখ্যমন্ত্রী, হ্যালিফ্যাক্সের মেয়র প্রমুখ। অতিথি সকলে দাঁড়িয়ে অধীর আগ্রহে যার জন্য অপেক্ষা করছিলেন এবার তিনি পা রাখলেন। করতালিতে মুখরিত অডিটোরিয়াম, শতাধিক ক্যামেরার ফ্লাশ এক সাথে জ্বলে উঠলো। বড় বড় পর্দাগুলোতে তাঁর চেহারা ভেসে উঠলো। পরনে সেই খদ্দরের কোর্তা। মুখে সেই হাসি। তিনি আমাদের ড. মুহাম্মদ ইউনূস। হুমড়ি খেয়ে পড়লো ফটো সাংবাদিকের দল। হাত উঁচিয়ে তিনি অভিবাদন জানালেন সকলকে। মুখোমুখি হতেই জড়িয়ে ধরে বুকে টেনে নিলেন আমাকে। এরিমধ্যে আফ্রিকান একটি নৃত্যদল ঢোলের গগণ বিদারী আওয়াজ তুলে অতিথিদের আনুষ্ঠানিক স্বাগত জানালো।
সম্মানিত অতিথিরা মঞ্চে উঠলেন। তারপর ঘোষণা অনুযায়ী একে একে তাঁরা বক্তব্য রাখতে শুরু করলেন। সকলের মুখে একটি নাম ড. ইউনূস। সেই সাথে বাংলাদেশ। যতবার ইউনূসের নাম, বাংলাদেশের নাম উচ্চারিত হলো ততবার করতালিতে মুখরিত হয়ে উঠলো অডিটোরিয়াম। দীর্ঘ প্রবাস জীবনে এত সম্মানিত বোধ হইনি কখনও। বক্তারা ড. ইউনূসের প্রশংসায় ছিলেন পঞ্চমুখ। তাঁর ব্যক্তিত্ব, তাঁর কর্মকাণ্ডের ফিরিস্তি শুনে যে কারো মনে হতে পারে এটা ক্ষুদ্র ঋণ সম্মেলন নয়; ড. ইউনূসের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বললেন তার দেশে ড. ইউনূসের ক্ষুদ্র ঋণ চালু করেছেন, হণ্ডুরাসের প্রেসিডেন্ট, উরুগুয়ের ভাইস প্রেসিডেন্টও একই কথা বললেন। কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী এমন কোন প্রশংসা বাক্য নেই যা অবশিষ্ট রেখেছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী ও তার সরকারের পক্ষ থেকে ড. ইউনূসকে স্বাগত জানিয়ে ক্ষুদ্র ঋণ প্রকল্পে ৪০ মিলিয়ন ডলার সহায়তা তহবিল দানের কথা ঘোষণা করলেন। অবশেষে ড. ইউনূস মাইক্রোফোনের সামনে এসে দাঁড়ালেন। সত্যি কথা বলতে কি সেদিন তাঁকে দশ ফুট লম্বা মনে হচ্ছিল। ড. ইউনূস হুঙ্কার দিয়ে বললেন, ২০১৫ সালের মধ্যে বিশ্বে দারিদ্র বিমোচন হবেই হবে। তিনি বললেন, 'আমি গরীব দেখানোর জন্য বাংলাদেশে মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠিত করবো। আপনারা এসে দেখে যাবেন'। তিনি নিশ্চিত। দেখলাম তাঁর চোখে অন্য এক বাংলাদেশের দৃশ্য ফুটে উঠেছে। সকলেই মুগ্ধ হয়ে শুনছিলেন ড. ইউনূসের কথা। তিনি বলেন, 'আমি নোবেল পুরস্কার অর্ধেক পেয়েছি। বাকি অর্ধেক পেয়েছে গ্রামীণ ব্যাংক তথা বাংলাদেশের ৬৭ লাখ মহিলা। মনে রাখবেন তারাও নোবেল বিজয়ী।'
তিনি স্পেনের রানী সোফিয়ার কাঁধে ঝুলানো কাপড়টির দিকে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বললেন, এ কাপড়ের নাম 'গামছা'। এর মূল্য মাত্র ২০ সেন্ট। বাংলাদেশের এক স্বাবলম্বী মেয়ে হাত দিয়ে তৈরি করেছে এ গামছা। স্পেনের রাণী গত কয়েক বছর ধরে সে গামছা তার সবচেয়ে দামী ভূষণ হিসেবে ব্যবহার করে আসছেন। ড. ইউনূস তাঁর মোহনীয় বক্তব্যে উপস্থিত দুই সহস্রাধিক লোকের মধ্যে যে উদ্দীপনা তৈরি করলেন, প্রেরণার যে আবহ তৈরি করে দিলেন তাতে সকলেই নিশ্চিত যে, তাঁর কথামতো বিশ্বের ৫০০ মিলিয়ন মানুষ দারিদ্রের অভিশাপ থেকে অবশ্যই মুক্ত হবে।
বিকেলে অনুষ্ঠান শেষে শহর দেখবো বলে একটি ট্যাক্সি ভাড়া করলাম। যাত্রা পথে ড্রাইভার জিজ্ঞেস করলো আমরা কোথাকার মানুষ, কেন এসেছি। বললাম আমাদের প্রাপ্তির কথা, গর্বের কথা। গন্তব্যে পৌঁছে মিটার অনুযায়ী যখন ভাড়া দিতে গেলাম ক্যাব ড্রাইভার ভাড়া নিতে অস্বীকার করে বসলো। অবশ্য বিনয়ের সাথে। অবাক হয়ে জানতে চাইলাম- কেন? হাত উঁচিয়ে বললো-'বাংলাদেশকে সেল্যুট। তোমাদের কাছ থেকে আজ আমি ভাড়া নেবো না। আমি কানাডার এক নগন্য ব্যক্তি তোমাদের আনন্দের অংশীদার হয়ে থাকলাম'।
আজ যখন ড. ইউনুসকে অপমানে অপমানে লাঞ্ছিত করা হচ্ছে আর সে সংবাদটি বিশ্বের তাবৎ মিডিয়ায় নিন্দার সাথে পরিবেশিত হচ্ছে তখন আমার সেই ক্যাব ড্রাইভারের কথা বারবার মনে পড়ছে।
(লেখাটি পূর্ব প্রকাশিত। বর্তমান প্রেক্ষাপটে পাঠকদের সাথে শেয়ার করার জন্য লেখাটি পুন:প্রকাশ করা হলো। আমি দেশ ও প্রবাসের সকল বাংলাদেশীদের আহবান জানাচ্ছি- আমরা যে, যেখােন, যে অবস্থায় আছি আমরা সতে্যর পক্ষে, দেশ ও জাতির ভাবমূর্তি রক্ষায় এগিয়ে আসা উচিত।)
- Nazrul Minto's blog
- Login to post comments
- 1157 reads
একই রকম আরো কিছু ব্লগ
- Domino effect, বিশ্বাস করলে ঠকবেন... - WatchDog
- জেগে উঠুক প্রতিটি বাংলাদেশী - Shawnchoy.Rahman
- একটি অহঙ্কারের গল্প - Nazrul Minto
- আসুন প্রতিবাদ করি, প্রতিরোধ গড়ে তুলি... - WatchDog
- ড. ইউনূসকে অপসারণের আদেশ প্রত্যাহার করুন - suhrrid
- নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংকের ভাগ্যচক্র! - Atiqul.Haque.Ch...
- সম্মানিতকে সম্মান করাই ধর্ম - Fakir.Abdur.Razzak
- ড. ইউনূস এবং অমর্ত্য সেন - Jahangir.Alam.S...
- গরু-ছাগল নিয়ে জাতীয় মাতামাতি - Hasan.Hafiz
- ছিনতাই ডাকাতি বৃদ্ধি ও পুলিশে অনাস্থা - sadek.khan

6Comments
Womens Nike Free 5.0 Running Shoes Field drills, running and lifting call for the agility and strength that the Nike Free 3.0 Men's Running Shoes provide. These advanced, barefoot-like trainers are designed to give you the support you need during everyday workouts, while also allowing you to strengthen muscles that wouldn't normally get used in regular training shoes.
The Nike Free Run revolution has now spilled over to training. These shoes are designed with flex grooves that enhance flexibility and agility, while the solid rubber pods in the heel allow for multi-directional traction. The full inner sleeve wraps the foot with lightweight mesh for breathability, as well as comfort.
Performance details and a barefoot feel combine to create these explosive training shoes.
If Womens Nike Free 5.0 is not for you, then, we still have a lot of Original Nike Free Run Shoes online store.
Monster Beats NFL, The sound clarity, bass, highs, lows, and all that other stuff just sounds so effing good. Everything sounds just so crisp and crystal clear. Sound aside, these headphones will really stand out. You can't help but be noticed. Now I'm not sure if owning a pair of ostentatious headphones is your thing, but you'll definitely turn heads, especially from other Beats owners. Again, the silvers are not that common and tend to stand out. When I first put Monster Beats NFL Headphone series on, I knew I was in for something special. The headphones are designed to have a suction effect over your ear. Even without music playing you'll notice how diminished your hearing capacity is after simply putting the headphones on. When you actually play a song it's unreal. The only way I can describe it is to say you are actually immersed within the song. You'll hear notes and chords you hadn't heard before. Sometimes I find myself singing out loud to my favorite songs because I can't hear anything but the music. It's like being at your own personal concert starring your favorite artist.
If you decide you want Cheap Monster Beats at the same time, you can always enter into the Nike store, there are a variety of limited edition, cheap Nike Lunar Running Shoes and Air jordan 2012 Sale.
তিনি স্পেনের রানী সোফিয়ার কাঁধে ঝুলানো কাপড়টির দিকে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বললেন, এ কাপড়ের নাম 'গামছা'। এর মূল্য মাত্র ২০ সেন্ট। বাংলাদেশের এক স্বাবলম্বী মেয়ে হাত দিয়ে তৈরি করেছে এ গামছা। স্পেনের রাণী গত কয়েক বছর ধরে সে গামছা তার সবচেয়ে দামী ভূষণ হিসেবে ব্যবহার করে আসছেন। ড. ইউনূস তাঁর মোহনীয় বক্তব্যে উপস্থিত দুই সহস্রাধিক লোকের মধ্যে যে উদ্দীপনা তৈরি করলেন, প্রেরণার যে আবহ তৈরি করে দিলেন তাতে সকলেই নিশ্চিত যে, তাঁর কথামতো বিশ্বের ৫০০ মিলিয়ন মানুষ দারিদ্রের অভিশাপ থেকে অবশ্যই মুক্ত হবে।
design furniture
Well, to start with I can honestly say, JORDAN III (3) AIR JORDAN 3 I have. Around the soles stitched on it is very good. Almost similar to the Air Jordan cool gray released in 2007. I know, I know it is not the release of the original color, but for me, hey Jordan. Air Jordan due to their own head, I remember my first air Jordan 1 1985.Good memories! But all the AIR JORDAN shoes. Like I said, my first impression is quite good. AIR JORDAN 3 line is my second favorite of the Air Jordan XI (11). My only hope is that JB will reconsider the cold gray Jordan 3 again. This is one I missed when they were released in 2007, but now I really like the color. Gray uppers with a touch of black rear panel, of course, there are famous people who jump red tongue and elephant print toe and heel. It just one time on a pick-up game to play on the court, I feel good. The ankle support is so-so. Take it home and cleaned it up really good. No more playing in these babies. Applies only causal use. Release Jordan stealth lot of people through this before. Somtimes you through some of the AIR JORDAN release, you never know when they will be released again, and consider the Air Jordan 3 they go up in value, especially when you find them on eBay. The price is ridiculous. Jordan head .. collection .. enjoy. Do not sell! God bless airborne infantry Hooorahhh! !
If I have time will go to see Nike Free Run Discount Shoes, I heard my friend say Nike free run running shoes is also a very good choice.
(লেখাটি পূর্ব প্রকাশিত। বর্তমান প্রেক্ষাপটে পাঠকদের সাথে শেয়ার করার জন্য লেখাটি পুন:প্রকাশ করা হলো। আমি দেশ ও প্রবাসের সকল বাংলাদেশীদের আহবান জানাচ্ছি- আমরা যে, যেখােন, যে অবস্থায় আছি আমরা সতে্যর পক্ষে, দেশ ও জাতির ভাবমূর্তি রক্ষায় এগিয়ে আসা উচিত।)
(লেখাটি পূর্ব প্রকাশিত। বর্তমান প্রেক্ষাপটে পাঠকদের সাথে শেয়ার করার জন্য লেখাটি পুন:প্রকাশ করা হলো। আমি দেশ ও প্রবাসের সকল বাংলাদেশীদের আহবান জানাচ্ছি- আমরা যে, যেখােন, যে অবস্থায় আছি আমরা সতে্যর পক্ষে, দেশ ও জাতির ভাবমূর্তি রক্ষায় এগিয়ে আসা উচিত।)