Media

syed shah salim ahmed's picture

গেট আউট ফ্রম হেয়ার***লেসবিয়ান- সংবাদ সম্মেলনে নারী সাংবাদিককে এমন ভাবে নাজেহাল করলেন..

ক্রেমলিনের ন্যাশনালিষ্ট লিডার ভ্লাদিমির জিরোনোভস্কি গতকাল প্রেস কনফারেন্সে রাশিয়া টুডের মহিলা সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে অত্যন্ত অশোভন ভাষায় রেগে গিয়ে বলে, হোয়াট আর ইউ ডয়িং ইন হেয়ার***, ইউ আর ইন প্র্যাগনেন্ট, গো হোম, সিট এন্ড রিলাক্স, লুক আফটার ইউর চিলড্রেন।

নুরুন্নাহার শিরীন's picture

জখমিত কুয়াশাভর্তি মেঘবার্তা ধুইয়ে দাও -

এমন মাঘ মাসের কুয়াশার চাদরে ঢাকা এখন গোটা জগতাকাশ তবু বাতাস ভেদ করেই জখমিত মেঘলা বার্তা আছড়ে পড়ে কোথাও কারও ঘরের দাওয়ায়। চিলতে বারান্দায়। বিদগ্ধ গন্ধের মতোন কিছু গরম অশ্রুপাতের আঁচড়ে চিড় খাওয়া পোড় খাওয়া মানুষের রোজের গেরস্থালি গুমরে ওঠে। সেসব কিছুকিছু উঠেও আসে অন্তর্জালের বদৌলতে খবর হয়ে ভোরের দৈনিক কাগজে। কেউকেউ একটু হয়তো কাতর হই সেসব পড়ে। অনেকে আবার সরেজমিন বিস্তারিত সংবাদের বিশেষ প্রতিবেদন তৈরী করতে ছুটে বেড়ান প্রত্যন্ত অঞ্চলে।

saif barkatullah's picture

এই সময়ের গণমাধ্যম: হাইপারটেনশনে যেন গা না ভাসাই

এবারের কুরবানী ঈদ সহ দুটো ঈদ কাটল কাজ-কর্ম ছাড়া। ছয় মাস পার হলো স্টেশন বন্ধ। কবে খুলবে আল্লাহ ছাড়া কেউ জানেনা। অন্য টিভি স্টেশনের বন্ধুদের ফেসবুক স্টেটাস দেখি, ঈদেরর আনন্দ, কেউ ছুটি, কেউ গরু কেনা নিয়ে বেশ ফুরফুরে আছেন। কিন্তু আমাদের কথা কেউ কী ভেবেছেন, আমরা কেমন আছি? তবে বাস্তবতা হলো, ঢাকার মিডিয়া এখন কয়েকটি ভাগে বিভক্ত। সরকার পরিবর্তনের সাথে মিডিয়া কর্মীদের সুখ-দুঃখ ভাগ হয়ে যায়। হায় বিচিত্র সেলুকাস, বাংলাদেশের মিডিয়া ম্যান…।

saif barkatullah's picture

ঘরে ঘরে অনলাইন আর জনে জনে সম্পাদক

১. আমি বর্তমানে অনলাইন দৈনিক বাংলা নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমে অতিথি লেখক হিসেবে অনেক লেখা লিখেছি। যখন আমার লেখা বাংলা নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমে প্রকাশিত হতো, ঠিক তার পরের দিন ওই লেখার শিরোনাম দিয়ে গুগলে সার্চ দিলে দেখতাম, দেশে এবং বিদেশে অনেক অনলাইন নিউজ পোর্টাল ওটার পুরোটাই কপি করে প্রকাশ করেছে। অনেকেই সূত্র দিতো, বেশিরভাগ অনলাইন আবার সূত্র ছাড়াই প্রকাশ করত।

syed shah salim ahmed's picture

প্রসঙ্গ মুন্নী সাহা এবং সাংঘাতিক সাংবাদিকতা

০১) সাংবাদিকতা এক মহান পেশা। বলা হয়ে থাকে সাংবাদিকগণ হলেন জাতির দর্পণ। আবার আধুনিক রাষ্ট্র বিজ্ঞান এই সাংবাদিকতাকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে অনায়াসেই স্বীকৃত দিয়েছে। একজন সাংবাদিক সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা নানা সুখ, দুঃখ, দুর্নীতি, সুনীতি ইত্যাদি যথাযথ ও প্রকৃত তথ্য নির্ভর ভাবে তুলে আনেন জাতির সামনে। ফলে যখন কোন অন্যায়, অনাচার, দুর্নীতি ও ব্যভিচার কেউ করে বসেন বা বৃদ্ধি পায় সরকার, প্রশাসন তখন নড়ে চড়ে বসে বা জনতার সম্মিলিত বাধ ভাঙ্গা প্রতিবাদের মুখে প্রশাসন যথাবিহিত ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে। এসব মিলেই সাংবাদিক সমাজের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরার এক মহান কারিগর-সেকথা নির্দ্বিধায় বলা যেতে পারে।

faruk.wasif's picture

বিদায় জাহাঁপনা!

ইতিহাসের ট্র্যাজিক নায়ক নবাব সিরাজকে কম মানুষই জানে, সিনেমার সিরাজউদ্দৌলাকে চেনে না এমন মানুষ কম। দুটি ভিন্ন সময়, দুটি ভিন্ন মানুষ, দুই ভিন্ন ট্র্যাজেডি, কিন্তু যেখানে তাঁরা এক হয়ে যান তা জাতীয় দুঃখ ও আবেগ। আমরা সবাই সিরাজের দুঃখ জানি, তাঁর ট্র্যাজেডি জানি, ব্যক্তি আনোয়ার হোসেনের জীবনে তাই আমাদের আগ্রহ নেই। সিরাজের জীবনকেই আমরা তাঁর জীবন বলে মেনে নিয়েছি যখন, সিরাজের হতাশা ও আক্ষেপকে যখন আনোয়ারের আবেগ থরথর কণ্ঠ আর অভিনয় দেখে বিশ্বাস করেছি, তখন আর পর্দার পেছনের আনোয়ার হোসেন কেমন, তা জানার আগ্রহ হবে কেন? হয়ওনি।

syed shah salim ahmed's picture

বিখ্যাত ব্রিটিশ সাংবাদিক স্যার ডেভিড ফ্রষ্ট আর নেই

এক সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন আর আমাদের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দুর্লভ সাক্ষাৎকার নিয়ে সারা বিশ্বে যিনি আলোড়ন তুলেছিলেন, মুক্তিকামী ও গণতন্ত্রকামী জনগণের হ্রদয়ে ব্যাপক ঝড় ও সাহসের বিদ্যুৎ ঝলকানি তুলেছিলেন, সেই খ্যাতিমান ব্রিটিশ সাংবাদিক স্যার ডেভিড ফ্রষ্ট হ্রদযন্ত্রে ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যু বরণ করেছেন।

শনিবার রাতে এক প্রমোদ তরীতে ভাষণ দেয়ার সময় হঠাৎ করে বুকে ব্যথা অনুভব করেন, তাৎক্ষণিক হ্রদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি মারা যান বলে তার পরিবার আজ নিশ্চিত করেছেন। মৃত্যু কালে ফ্রষ্টের বয়স হয়েছিলো ৭৪ বছর।

syed shah salim ahmed's picture

সাগর সারোয়ারের আম্মা সালেহা মনিরঃক্ষমা করুন মা আমাদের

প্রিয় মা,

anigif sagor.gif১৮ মাস হতে চললো, আপনি আপনার কলিজার টুকরো, নাড়ি ছেড়া ধন প্রিয় সাংবাদিক সাগর সারোয়ারের মুখে আম্মা ডাক শুনতে পাননি। একজন মমতাময়ী মায়ের জন্য এযে কতো বড় কষ্টের, কতো বড় মর্ম যাতনার, তা কেবল আপনিই জানেন মা। এ কষ্ট, এ যন্ত্রণার দগ্ধ ক্ষত কোনভাবেই তাবৎ বিশ্বের সমস্ত সম্পদ রাশি আর ভালোবাসা উজাড় করে দিয়েও লাঘব করা যাবেনা।

নুরুন্নাহার শিরীন's picture

ধ্বংসজালে খুঁজে বেড়াই বাঁশিঅলারে

আমরা আজ একটা সামাজিক, রাজনৈতিক, পারিবারিক অবক্ষয় জনিত সংকটে পতিত। কিছুকাল আগেও অবস্থা এতোটা খুনোখুনিময়তায় অনিশ্চয়তায় আচ্ছন্ন ছিলো না। কেউ কারও নয় এমন কথাটি আমি মোটেও বিশ্বাস করি না। আমাদের সবচে' প্রিয়জন, কাছের জন মা-বাবা, স্বামী-পুত্রকন্যা। পারস্পরিক পরম্পরা ধারণ করা মধুরতম স্নেহজ বন্ধন। কিন্তু, ক্রমেই সামাজিক, রাজনৈতিক, পারিবারিক আর চারপাশের অস্থিরতা আহত-জখমিত করছে বাড়ন্ত কিশোর-কিশোরীর জীবন, মেধামন। বিশেষতঃ মাদকের মরণনেশা মারণাস্ত্র হয়েই বিধ্বংসী একটা জগতে জীবনহানিকর পর্যায়ে পৌঁছিয়ে দিচ্ছে নিজের প্রিয়তম সন্তানটিকে মা-বাবার অজান্তে। পাঠসূত্রে সন্তান সঙ্গদোষে পড়েই নেশার জগতে একবার প্রবেশ করা মানেই অনবরত নেশার হাতছানি। সে হাতছানি তাকে অন্ধকারের গহ্ববরে পতিত করে নেশার আলোর ঝলকানিতে বোধবুদ্ধি সবই প্রায় ঝলসে দেয়।

WatchDog's picture

একজন দরবেশ বাবার কেচ্ছা - WD

 photo 20_zps818231a5.jpg সৌম্য দর্শন, নূরানী চেহারা আর শুভ্রতার সমুদ্র এই দরবেশ বাবার সাথে কি আপনাদের পরিচয় আছে? সাক্ষাৎ মুরিদ না হয়ে থাকলে আসুন পরিচিত হই এবং জানার চেষ্টা করি অজানা অনেক কিছু।

Syndicate content