Media

এই শাড়িটা নেন, বিক্রি করে দিয়েন না

ঢাকা শহরে সুযোগ পেলেই আমি হাঁটি। অনেকেই হয়তো ভাবছেন, শখ করে সকাল বিকেল হাঁটাহাটির কথা বলছি। না, শখের হাঁটার কথার বলছি না; কষ্টের হাঁটার কথা বলছি। যেমন আজকের হাঁটার কথাটাই বলি।

বারিধারা থেকে বাসায় ফিরবো। অনেকক্ষণ দাড়িয়ে থাকলাম একটি স্কুটারের জন্য। তারপর যা পাওয়া গেল, সে ভাড়া চাইলো আড়াই শ' টাকা। অনেক চাইছে স্কুটারওয়ালা। এর কমে সে যাবে না। ঈদের বাজার বলে কথা। আমি আস্তে আস্তে হাটতে শুরু করলাম। দেখি সামনে কোনও খালি স্কুটার পাওয়া যায় কি না!

ma.muhit's picture

হুমায়ূন আহমেদ এভারেস্ট থেকে নামেন না

হুমায়ুন আহমেদ২০১১ সালে তিব্বতের দিক দিয়ে প্রথমবার এভারেস্ট আরোহণের পর দেশে ফিরে এলে ২৫ আগস্টের এক সন্ধ্যায় সঙ্গীতশিল্পী প্রিয় এসআই টুটুল ভাই আমাকে নিয়ে যান কিংবদন্তি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ধানমণ্ডির দখিনা হাওয়ার ফ্ল্যাটে। রোজার মাস। ইফতারির পরপরই হাজির হই হুমায়ূন স্যারের বাসায়।

MRINAAL's picture

বাংলাদেশ কি আসলেই সুস্থ একটি মিডিয়া সমাজের দাবিদার???

আজ অনেকদিন পর ফিরে এলাম। ইচ্ছে করছে সমাজের অসামঞ্জস্যতাগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই চলিয়ে যেতে। আমার তো আর কাড়ি কাড়ি টাকা-পয়সা নেই..., তাই নিজস্ব চিন্তাশক্তিই সম্বল।

আমি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের 'যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিভাগের একজন ছাত্র। ভর্তি হয়েছিলাম ২০১১-১২ সেশনে। এই কয় বছরে যা অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি, যা উপলব্ধি করেছি তার আলোকেই আমার নিজস্ব অভিব্যক্তি ও আমার পাঠকদের উদ্দশ্যে কিছু প্রশ্ন ছুঁড়ে দিচ্ছি।

আজ আমি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর 'যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিভাগ ও দেশের মিডিয়া হাউসগুলোর আন্তঃসম্পর্কের খাদ নিয়ে কথা বলতে যাচ্ছি...............

Aly.Zaker's picture

আন্তঃমহাদেশের পথে...

১৯৭৪-এর অক্টোবর। ততদিনে বাংলাদেশে দর্শনীর বিনিময়ে নিয়মিত নাটক মঞ্চায়নের দেড় বছর পার হয়ে গেছে। '৭৩-এর ৩ ফেব্রুয়ারি যাত্রা শুরু করেছিলাম ব্রিটিশ কাউন্সিল মঞ্চে। নাটক ছিল বাদল সরকারের 'বাকী ইতিহাস'। ইতিমধ্যে আরও তিন-চারটি নাটক মঞ্চে এনেছি আমরা। প্রতিষ্ঠিত হয়েছি নিবেদিতপ্রাণ নাট্যকর্মী হিসেবে। এখন ভাবতে যদিও হাসি পায় যে, সূচনার সময়ে কত অল্প পরিশ্রমে কত বড় স্বীকৃতি আমরা পেয়েছিলাম। তখন কিন্তু এর মূল্য যথেষ্ট ছিল। এই ধরনের স্বীকৃতি এবং সাধুবাদ আমাদের উজ্জীবিত করত। সবচেয়ে বড় কথা, এর থেকে আমাদের মাঝে এক ধরনের দায়িত্ববোধও জন্ম নিয়েছিল। দিন শেষে সব কাজের পর ভাবতাম, হাল ছাড়া যাবে না কোনোমতেই। দ্বিগুণ উৎসা

syed shah salim ahmed's picture

গেট আউট ফ্রম হেয়ার***লেসবিয়ান- সংবাদ সম্মেলনে নারী সাংবাদিককে এমন ভাবে নাজেহাল করলেন..

ক্রেমলিনের ন্যাশনালিষ্ট লিডার ভ্লাদিমির জিরোনোভস্কি গতকাল প্রেস কনফারেন্সে রাশিয়া টুডের মহিলা সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে অত্যন্ত অশোভন ভাষায় রেগে গিয়ে বলে, হোয়াট আর ইউ ডয়িং ইন হেয়ার***, ইউ আর ইন প্র্যাগনেন্ট, গো হোম, সিট এন্ড রিলাক্স, লুক আফটার ইউর চিলড্রেন।

নুরুন্নাহার শিরীন's picture

জখমিত কুয়াশাভর্তি মেঘবার্তা ধুইয়ে দাও -

এমন মাঘ মাসের কুয়াশার চাদরে ঢাকা এখন গোটা জগতাকাশ তবু বাতাস ভেদ করেই জখমিত মেঘলা বার্তা আছড়ে পড়ে কোথাও কারও ঘরের দাওয়ায়। চিলতে বারান্দায়। বিদগ্ধ গন্ধের মতোন কিছু গরম অশ্রুপাতের আঁচড়ে চিড় খাওয়া পোড় খাওয়া মানুষের রোজের গেরস্থালি গুমরে ওঠে। সেসব কিছুকিছু উঠেও আসে অন্তর্জালের বদৌলতে খবর হয়ে ভোরের দৈনিক কাগজে। কেউকেউ একটু হয়তো কাতর হই সেসব পড়ে। অনেকে আবার সরেজমিন বিস্তারিত সংবাদের বিশেষ প্রতিবেদন তৈরী করতে ছুটে বেড়ান প্রত্যন্ত অঞ্চলে।

saif barkatullah's picture

এই সময়ের গণমাধ্যম: হাইপারটেনশনে যেন গা না ভাসাই

এবারের কুরবানী ঈদ সহ দুটো ঈদ কাটল কাজ-কর্ম ছাড়া। ছয় মাস পার হলো স্টেশন বন্ধ। কবে খুলবে আল্লাহ ছাড়া কেউ জানেনা। অন্য টিভি স্টেশনের বন্ধুদের ফেসবুক স্টেটাস দেখি, ঈদেরর আনন্দ, কেউ ছুটি, কেউ গরু কেনা নিয়ে বেশ ফুরফুরে আছেন। কিন্তু আমাদের কথা কেউ কী ভেবেছেন, আমরা কেমন আছি? তবে বাস্তবতা হলো, ঢাকার মিডিয়া এখন কয়েকটি ভাগে বিভক্ত। সরকার পরিবর্তনের সাথে মিডিয়া কর্মীদের সুখ-দুঃখ ভাগ হয়ে যায়। হায় বিচিত্র সেলুকাস, বাংলাদেশের মিডিয়া ম্যান…।

saif barkatullah's picture

ঘরে ঘরে অনলাইন আর জনে জনে সম্পাদক

১. আমি বর্তমানে অনলাইন দৈনিক বাংলা নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমে অতিথি লেখক হিসেবে অনেক লেখা লিখেছি। যখন আমার লেখা বাংলা নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমে প্রকাশিত হতো, ঠিক তার পরের দিন ওই লেখার শিরোনাম দিয়ে গুগলে সার্চ দিলে দেখতাম, দেশে এবং বিদেশে অনেক অনলাইন নিউজ পোর্টাল ওটার পুরোটাই কপি করে প্রকাশ করেছে। অনেকেই সূত্র দিতো, বেশিরভাগ অনলাইন আবার সূত্র ছাড়াই প্রকাশ করত।

syed shah salim ahmed's picture

প্রসঙ্গ মুন্নী সাহা এবং সাংঘাতিক সাংবাদিকতা

০১) সাংবাদিকতা এক মহান পেশা। বলা হয়ে থাকে সাংবাদিকগণ হলেন জাতির দর্পণ। আবার আধুনিক রাষ্ট্র বিজ্ঞান এই সাংবাদিকতাকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে অনায়াসেই স্বীকৃত দিয়েছে। একজন সাংবাদিক সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা নানা সুখ, দুঃখ, দুর্নীতি, সুনীতি ইত্যাদি যথাযথ ও প্রকৃত তথ্য নির্ভর ভাবে তুলে আনেন জাতির সামনে। ফলে যখন কোন অন্যায়, অনাচার, দুর্নীতি ও ব্যভিচার কেউ করে বসেন বা বৃদ্ধি পায় সরকার, প্রশাসন তখন নড়ে চড়ে বসে বা জনতার সম্মিলিত বাধ ভাঙ্গা প্রতিবাদের মুখে প্রশাসন যথাবিহিত ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে। এসব মিলেই সাংবাদিক সমাজের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরার এক মহান কারিগর-সেকথা নির্দ্বিধায় বলা যেতে পারে।

faruk.wasif's picture

বিদায় জাহাঁপনা!

ইতিহাসের ট্র্যাজিক নায়ক নবাব সিরাজকে কম মানুষই জানে, সিনেমার সিরাজউদ্দৌলাকে চেনে না এমন মানুষ কম। দুটি ভিন্ন সময়, দুটি ভিন্ন মানুষ, দুই ভিন্ন ট্র্যাজেডি, কিন্তু যেখানে তাঁরা এক হয়ে যান তা জাতীয় দুঃখ ও আবেগ। আমরা সবাই সিরাজের দুঃখ জানি, তাঁর ট্র্যাজেডি জানি, ব্যক্তি আনোয়ার হোসেনের জীবনে তাই আমাদের আগ্রহ নেই। সিরাজের জীবনকেই আমরা তাঁর জীবন বলে মেনে নিয়েছি যখন, সিরাজের হতাশা ও আক্ষেপকে যখন আনোয়ারের আবেগ থরথর কণ্ঠ আর অভিনয় দেখে বিশ্বাস করেছি, তখন আর পর্দার পেছনের আনোয়ার হোসেন কেমন, তা জানার আগ্রহ হবে কেন? হয়ওনি।

Syndicate content