Literature

Ali.Habib's picture

চিত্রগুপ্তের 'ছহি বড় জঙ্গিনামা'

স্বর্গের দেবতাদের নিয়ে নিয়মিত বৈঠকে পরমেশ্বর ঠিক করলেন, দেবতাদের সবাইকে আবার তিনি মর্ত্যে পাঠাবেন। মর্ত্যলোক নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। এখন পরাশক্তির লড়াই নেই। তার পরও শান্তি নেই মর্ত্যে। দেশে দেশে অশান্তি লেগেই আছে। যুদ্ধ যেন নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্বশান্তির কথা মুখে বলা হচ্ছে ঠিকই, শান্তির আগুনে পুড়ছে বিশ্ব। এর কারণ যে তাঁর অজ্ঞাত, তা নয়। সর্বজ্ঞ তিনি। সব কিছুই সবার আগে জানতে পারেন। তবু দেবতাদের মর্ত্যে পাঠিয়ে সরেজমিন প্রতিবেদন চাইছেন তিনি। পরমেশ্বর তাঁর ইচ্ছার কথা সবাইকে জানিয়েছেন। বৈঠকে সবার আগে তাঁর দৃষ্টি গেল চিত্রগুপ্তের দিকে। স্বর্গের এই বৃদ্ধ পেশকার তাতে প্রমাদ গুনলেন। এখ

মফিজুল ইসলাম খান's picture

একদিন মাঝ রাতে


কোন্ দিকে যাবো আমি? যেদিকে তাকাই
স্রোতের উল্টো রথ কাঁটার পাহাড়
ছিন্নভিন্ন ঘর বাবার সংসার
জ্বলে পুড়ে ছারখার । পড়শী বন্ধু
তোর প্রেম প্রেম খেলা করেছে বিনাশ
আমার স্বপ্ন ঘোড়া সোনালী আগামী
এখন মৃত চাতাল । কাকে বলে প্রেম?

আবদুল হক's picture

কবিতা কী বলে

মনের ভাবের কোনো ছক নেই, চৌহদ্দি নেই। কিন্তু ভাষার শক্তির সীমা আছে। মননশীল মন সেই সীমায় বাধা পায়, মুক্তি চায়, পথ খোঁজে। চেনা শব্দে গোনা শব্দে যখন তার চলে না, মন তখন শব্দে ভর করে সেই শব্দকে ছাড়িয়ে যায়। উড়োজাহাজ চাকায় ভর করেই চাকার সীমা ছাড়িয়ে অসীম আকাশে পাখা মেলে, দূরাভিসারী কবিমন তেমনি শব্দকে আশ্রয় করেই শব্দোত্তর অনন্তের দিকে উড়ে চলে।

মফিজুল ইসলাম খান's picture

নষ্টা রমণী

পর্দা উঠলেই দেখা যাবে এক নষ্টা রমণী
খেলায় মাতোয়ারা
দেহের ভাঁজে ভাঁজে ছন্দের ঊঠানামা জলসানো যৌবন
চোখের কার্ণিশে কামোনার বহ্নিশিখা
হৃদয় ছুঁয়ে যায় ।

Mchowdhury's picture

আমাদের সংগ্রামী চেতনায় চিত্রকলা- জয়নুল আর সুলতানের অবদান

zainul_abedin.jpgShilparjo_famine5.jpg
sultan1.jpgsm-sultan-paint.jpg

বাংলাদেশের মানুষের জীবন যাত্রা আর প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যের প্রভাব অত্যন্ত গভীর ভাবে প্রেরণা যুগিয়েছে আমাদের শিল্প-সাহিত্যে, আমাদের মেধায় এবং মননে। ষড়ঋতু আমাদের দিয়েছে নব নব সৃষ্টির প্রেরণা। আবার আমাদের এই সৃষ্টিশীলতা গভীর ভাবে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে আমাদের সংগ্রামে, আমাদের অধিকার আদায়ে।

sfk505's picture

কবি শফিকুল ইসলামের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ “তবুও বৃষ্টি আসুক”

তবুও বৃষ্টি আসুক
পর্যালোচনায়- ডঃ আশরাফ সিদ্দিকী
সাবেক মহাপরিচালক,
বাংলা একাডেমী।

‘তবুও বৃষ্টি আসুক’ কবি শফিকুল ইসলামের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ। গ্রন্থটি প্রকাশ করেছে আগামী প্রকাশনী। তার কবিতা আমি ইতিপূর্বে পড়েছি । ভাষা বর্ণনা প্রাঞ্জল এবং তীব্র নির্বাচনী। “তবুও বৃষ্টি আসুক” গ্রন্থে মোট ৪১ টি কবিতা রচিত হয়েছে। প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত এ গ্রন্থ পাঠ করে পূর্বেই বলেছি, মন অনাবিল তৃপ্তিতে ভরে যায়।

নুরুন্নাহার শিরীন's picture

অর্বাচীনের দিবসরজনী

অর্বাচীন অনেক দিন লিখিনি প্রিয়ব্লগে। চিকিতসার কারণে অনেক দিন দেশের বাইরে ছিলাম। ফিরে এসেছি এবার ডাক্তার-এর প্রেসক্রাইব করা প্রত্যেক সপ্তাহে একটা করে ইনজেকশনের বাক্স সমেত। ব্যাংককে একটা পুশ করেই দেয়া হয়েছে। তো, এইসব ঝক্কির মাঝে কাটছে দিবসরজনী। তাই বলে কি কাব্য বাতিক কমে? কমেনি। উপরন্তু বেড়েছে। প্রায় বুড়োর দিকে ধাবিত বলে কখন কি হয় জীবন ভাইয়ের সেই ভাবনাজাত চিন্তাজাল কথাজালেই বেঁধে রাখার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছি। অবকাশের প্রিয় বলতে এই একটা মাত্র কাজেই সময় কাটাই। অনেকটা নন্দলালের দশা আর কি।

Quazi Hassan's picture

নীলে নীলে নীলাম্বরী

Cancun 1.png

নীল রঙে মন আনন্দে মেতে উঠে না ,এমন মানুষ কি আছে?
যদি বিশাল একটা জায়গা জুড়ে যদি থাকে হালকা নীল, তার পরে গাঢ় মানে ভীষণ গাঢ় নীল,আর শেষে আকাশী নীল---- মনুষ্য চোখে যদি একবারে একসাথে এই তিন নীল যদি একবারে এক সাথে এসে ধরা দেয়, তা হলে তার আবেশ মনের মধ্যে যেয়ে পড়বেই। মনের সব বিষাদ মুহূর্তেই বিলীন হয়ে কোথায় যেন হারিয়ে যায়।

Waset Shahin's picture

রঙধনূ-৮

সেমিস্টারের শুরুতে রেন্টাল লাইব্রেরী থেকে বই দিবে। ফর্ম খু্ঁজে পাওয়া যাচ্ছেনা। সব সময়েই লাইব্রেরীর সামনে এক গাদা রাখা থাকে। এবার নেই। বিষয় কি? তখনো লাইব্রেরী খোলেনি। কাউন্টারের ফাঁকে মাথা নিয়ে রাহিম জানতে চাইল ফর্ম কোথায়। ‘ফর্মতো বাইরে টেবিলের উপর রাখা আছে, নিয়ে নেন।‘ ‘কিন্তু টেবিলেতো ফর্ম নেই।‘ রুম থেকে একজন কর্মচারী বেরিয়ে এসে দেখল, আসলেই নেই। সে আশ্চর্য হল। কয়েক রিম কাগজের ফর্ম সাইক্লোস্টাইল করা হয়েছে। গেল কই সেসব? লাইব্রেরীয়ানকে জানানো হল। ভেতরে বাইরে আরো ভাল করে খোঁজা হল। কোথাও পাওয়া গেল না। অগত্যা লাইব্রেরীয়ান ঘোষনা করে দিলেন সেদিন বই দেয়ে হবেনা, পরের দিন দেয়া হবে।

Waset Shahin's picture

রংধনূ-৭

সাহেদাই দরোজা খুলে দিলেন। তমাকে দেখেই হাত দিয়ে কাছে টেনে নিলেন। ‘কেমন আছ তুমি মা?’ মার গলা জড়িয়ে ধরে তমা জিজ্ঞেস করল।
‘আছি মা ভাল, তুই কেমন আছিস?’
মেয়েকে তাঁর ঘরে রেখে তিনি রান্না ঘরে ঢুকলেন। দ্রুত এক গ্লাস লেবুর শরবৎ বানিয়ে নিয়ে এলেন। রাত দশটা বাজে প্রায়। তাঁর রাতের খাবার শেষ হয়েছে বেশ আগে। তমা বলল,’ শরবৎ খাবনা। ভাত খাব। খিদে লেগেছে। ভাত কি মা আছে?’ সাহেদা হাসলেন।

Syndicate content