Judicial

Maskwaith.Ahsan's picture

মিনার মাহমুদ এবং সাগর হত্যার প্রতিশোধ আমরা নেবোই

সম্প্রতি ঢাকায় বিচিন্তার সম্পাদক মিনার মাহমুদ ও সাংবাদিক সাগর সরওয়ার খুন হয়েছেন।
মিডিওকার সাংবাদিক ও তাদের মালিক মিডিয়া ব্যাপারীর রোষানলে পড়েছিলেন এই দুই মেধাবী সাংবাদিক।ঢাকা মিডিয়ার জুরাসিক পার্কে এই দুই নদী মানুষকে ছিঁড়েফুঁড়ে ক্যানিবাল উতসব করেছে কতিপয় চাটার দল এবং চোরের খনির ভাডেরা, নব্য ধণিক ঠিকাদার সমাজ।

মিনার মাহমুদ এবং সাগর সরওয়ার উভয়েই মিডিওকার বামন সমাজে গ্যালিভার ভাবনার উচ্চতার দুরন্ত সহিস, যারা সুষম সমাজ দেখতে চেয়েছেন।অথচ বামন সাংবাদিক ও তাদের মালিক ডাইনোসর মহল তাদের চেয়ে বেশী খ্যাতিমান ও সক্ষম সাংবাদিকদের সহ্য করতে পারেনি।তাই মিনার মাহমুদকে তিলে তিলে আত্মহননের দিকে ঠেলে দিয়েছে ঐ অশিক্ষিত বলদ সমাজ।মিনারের উচ্চতা মাপার মতো স্পনসর আমাদের মৃত্যুর শহরে নেই।স্পনসররা রেড কার্পেট খোঁজে,মিডিয়ার মনন নয় শরীর খোঁজে,ক্ষমতাসীন রাজনীতির গন্ধ খোঁজে।

লোড-শেডিং এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের স্বপ্রণোদিত ঘোষণা

বর্তমানে লোড-শেডিং'এ বিদ্যুৎ যায় নাকি আসে এ প্রশ্নের উত্তর কি কেউ দিতে পারবেন? বর্তমান সরকারের আমলে বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে ব্যাপক পদক্ষেপ গৃহীত হয়েছে। তার সুফলও আমরা ভোগ করেছি। কিন্তু এখন কি হল?

বিদ্যুৎ উৎপাদনের সাথে সাথে তার চাহিদাও ব্যাপকভাবে বেড়েছে, সমন্বয় সাধনে বিদ্যুতের দাম বাড়াতে হয়েছে, সিস্টেম লস হচ্ছে, অনেক ক্ষেত্রে সাবোট্যাজ হচ্ছে, অন্য কোন সরকারই এ থেকে পরিত্রাণ দিতে পারতোনা ইত্যাদি ইত্যাদি যতই কারণ দেখাই একটা কথা অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে জনগণ এসব কোন কারণই কানে তুলবে না। যেভাবেই হোক লোড-শেডিং থেকে মুক্তি চাই এটাই মোদ্দা কথা।

সরকার তাদের অবস্থান থেকে বক্তব্য দিচ্ছে, বিরোধী দল তাদের সময় এক মেগা বিদ্যুৎ উৎপাদন না করেও সমালোচনা করতে পিছপা হচ্ছেনা; কিন্তু সবচেয়ে বড় সত্য হল আইপিএস ও জেনারেটরের বদৌলতে সরকার বা বিরোধী দলের বক্তব্য প্রদানকারীরা কেউই এর ভুক্তভোগী নয়। তারা জনগণের দুর্ভোগের কল্পিত-ধারণা থেকে মন্তব্য করছে। বাস্তবে লোডশেডিং এর ভুক্তভোগীদের প্রকৃত কষ্ট তারা কখনও উপলব্ধি করতে পারবেনা।

রহস্য

254123_229952340353684_100000167585131_1037822_6307767_n.jpg

দুনিয়া খুব আজব আর রহস্যময় । গত বছর আমার শ্রদ্ধেয় নানা, সাংবাদিক ফরহাদ খাঁ এবং নানি রহিমা খানমকে হারিয়ে বুঝতে পারলাম । আল্লাহ্‌ উনাদের মৃত্যুর আগে, আমাকে , আম্মুকে , আমার বোন এবং ভাইকে বুঝিয়ে দেয় সব, অনেক কিছুর নমুনা দিয়ে, যে ভয়াবহ কিছু হতে যাচ্ছে। উনাদের মৃত্যুর ১ মাস আগে আমার নানি ইটালি হতে ঘুরে যান। নানি যেদিন ইটালি হতে দেশে রউনা দেন, সেইদিন খুব আজব একটি ঘটনা ঘটে। তার ফ্লাইট ছিল খুব ভোঁরে। তাই উনাকে খুব তাড়াতাড়ি রউনা দেওয়া লাগত। আমি ক্লাসে যাওয়ার আগে তাকে জরিয়ে ধরি। তারপর দরজা খুলে স্কুলের উদ্দেশে না যেয়ে দরজার বাইরে দাড়িয়ে নানিকে দেখি। মন ভরে। সেও আমাকে দেখে। আর বলেন , আম্মুর দিকে খেয়াল রাখতে, ভাই বোনকে দেখে রাখতে । আমার আম্মু আর ছোট ভাই নানিকে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত নিয়ে যায়ে। আম্মু প্রথম জীবনে নানির পা ছুয়ে সালাম করে। জীবনে প্রথম। আমার ছোট ভাই নানিকে বিদায় দিয়ে আসার সমায় সারা ট্রেনে কান্না করে।

» Topics:
Badruddin.Umar's picture

আদালতের মর্যাদা রক্ষা করা আদালতেরই দায়িত্ব

কয়েকদিন আগে সাংবাদিকদের কীভাবে আচরণ করতে হবে—এর ওপর সুপ্রিমকোর্ট এক রুল জারি করেন। এই রুলিংয়ের বিরুদ্ধে সাংবাদিকরা খুব সোচ্চার সমালোচনা করেন এবং বলেন, তারা তাদের আচরণের ওপর কোনো আদালতের নিয়ন্ত্রণই মানতে বাধ্য নন। এক্ষেত্রে আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কেও তারা প্রশ্ন তোলেন।

সাংবাদিকদের সম্পর্কে সুপ্রিমকোর্টের এই রুলিংয়ের আশু কারণ ছিল ১১ ফেব্রুয়ারি এক সাংবাদিক দম্পতি খুন হওয়া বিষয়ে পুলিশ ও সরকারের দায়িত্বহীনতা নিয়ে সাংবাদিকদের বক্তব্য। আসলে এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে পুলিশ ও সরকার যা করছে তাতে শুধু সাংবাদিক মহল নয়, সাধারণ মানুষের মধ্যেও বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনা ঘটার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঘোষণা করেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই অপরাধীদের গ্রেফতার করা হবে। এটা ছিল এক দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য। কারণ এ ধরনের একটা হত্যাকাণ্ডের সুরাহা এত অল্প সময়ে হবে, এটা মনে করা কোনো স্বাভাবিক চিন্তা নয়। ঘোষিত সময়সীমার মধ্যে অপরাধী চিহ্নিত ও শনাক্ত করা সম্ভব না হওয়ায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ঘোষণার ভুয়া চরিত্র সবার কাছেই স্পষ্ট হলো। সেই পরিস্থিতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার সুর পাল্টে বললেন, এ ধরনের অপরাধের সুরাহা হতে দেরি হবে। শুধু তাই নয়, তিনি পরে আবার জানালেন, এ হত্যাকাণ্ডের তদন্তের দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রী নিজের হাতে নিয়েছেন। এর কী প্রয়োজন ছিল বোঝা মুশকিল।

WatchDog's picture

ছ্যারছ্যার আলীর সুপ্রীম কোর্ট অধ্যায়...WD

স্থায়ী করার মত ছ্যারছ্যার আলীদের কোন পরিচয় নেই। নেই বর্ণনা করার মত আকার আকৃতি অথবা চিঠি পাঠাবার মত ঠিকানা। রাজনীতি নামক গুপ্তধন আবিস্কারের ছিছিম ফাঁক যাদের জানা আছে তাদের সবাই কোন না কোন ভাবে একজন ছ্যারছ্যার। এরা একাধারে রাজনীতিবিদ, মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী, প্রেসিডেন্ট, জনপ্রতিনিধি; পাশাপাশি ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, উকিল, মোক্তার, শিক্ষক, বিচারপতি সহ সৈনিক অথবা সচিবালয়ের শক্তিশালী আমলা। বাংলাদেশের ইতিহাস, ভুগোল, পৌরণীতি, সৌরণীতি, অর্থবিদ্যা, সমাজবিদ্যা সহ সমাজের সর্ব বিষয়ে, সর্বস্তরে ও সর্বতলায় এদের অবাধ রাজত্ব। দেশটার ভৌগলিক স্বাধীনতা যাদের ভাগ্য পরিবর্তনে যুগান্তরী ভুমিকা রাখছে তাদের অন্যতম এই ছ্যারছ্যারের দল। নূহ (আঃ) প্লাবনের মত গোটা বাংলাদেশ এখন ছ্যারছ্যারদের প্লাবনে প্লাবিত। ছ্যারছ্যার বিপর্যয়ে বিপর্যস্তদের তালিকা প্রকাশ করতে গেলে এর দৈর্ঘ্য টেকনাফ-তেতুলিয়া দৈর্ঘ্যকেও হার মানাবে, এমনটাই আজকের বাস্তবতা, বাংলাদেশি বাস্তবতা।

বাস্তবের মত গল্পের ছ্যারছ্যারেরও স্থায়ী কোন পরিচয় নেই। ছাগলনাইয়্যা হতে শুরু হলেও গল্পের গতি প্রকৃতি তাকে নিয়ে যাবে বাংলাদেশের সর্বত্র। কখনো আসল ন্যাশনালিষ্ট পার্টির সদস্য হয়ে নিউ ইয়র্ক যাত্রা, কখনো আমজনতা লীগের এমপি বনে ইলশা হাজী হত্যা, সমাজের পরতে পরতে লুকিয়ে থাকা অপরাধ চক্রের হোতা হয়ে সমসাময়িক ঘটনাবলির নাম ভূমিকায় অভিনয় করবে আমার ছ্যারছ্যার। এ পর্বে ছ্যারছ্যারের যাত্রা ..... উচ্চ আদালত।

গরিব মানুষের বিচার পাওয়ার উপায় কী?

প্রচলিত আইন অনুযায়ী, বেআইনি কাজের প্রতিকারের জন্য আদালতের সুরক্ষা পাওয়া প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার। কিন্তু এ দেশের আদালত বা বিচারালয়ের বিন্যাস এতই শহরকেন্দ্রিক যে তাতে দেশের ৭৫ শতাংশ মানুষ, যারা জেলা শহরের বাইরে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে বসবাস করে, তাদের পক্ষে আদালতের চৌকাঠ পেরোনো খুব একটা সহজ হয় না। বেআইনি হস্তক্ষেপের শিকার ব্যক্তি বা পরিবারটি যদি গরিব, নারী বা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কেউ হন, তাঁদের পক্ষে শহরাশ্রয়ী বিচারালয় পর্যন্ত পৌঁছানো আরও অনেক বেশি কঠিন। বিচার-পদ্ধতি ও প্রক্রিয়ার জটিলতার প্রশ্ন বাদ দিলেও শুধু বসবাসস্থল থেকে ভৌত দূরত্বের কারণে ভুক্তভোগীদের অনেকেই আদালত পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেন না। হাতে গোনা ১০-১২টি উপজেলা ব্যতীত দেশের সর্বত্রই আদালত-ব্যবস্থা জেলা পর্যায়ে এসেই থেমে আছে। অথচ জেলা কেন্দ্র থেকে দেশের জেলাগুলোর প্রান্তসীমার দূরত্ব কোথাও কোথাও শত মাইলেরও বেশি। জেলার নিচে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যন্ত সরকারের অন্য দুটি অঙ্গ আইন ও নির্বাহী বিভাগের সংগঠন ও সেবা বিস্তৃত হলেও সেখানে বিচার বিভাগ অনুপস্থিত। ফলে দেশের গ্রামাঞ্চলের মানুষ, বিশেষত গরিব ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী আইন-আদালতের সুরক্ষা চাদরের বাইরেই অবস্থান করছে।
বিচারব্যবস্থার জটিলতা ও আদালত কাঠামোর অতি সনাতনী ও কেন্দ্রীকৃত বিন্যাসের কারণে সামগ্রিক বিচারব্যবস্থা নিজে থেকেই নানা সংকটের সম্মুখীন। দেশের আদালতসমূহে ভয়াবহ মামলাজট—যা গত বছর পর্যন্ত ছিল ২২ লাখের কাছাকাছি—এ সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে ছাড়া কমছে না। পুলিশপ্রধানের ভাষ্যমতে, সারা দেশের থানাসমূহে ২০১১ সালে এক লাখ ৬৯ হাজার ৬৬৭টি মামলা দায়ের হয়।

» Topics:
Mizanur.Rahman.Khan's picture

বিচারকদের ‘দুর্নীতি’ এবং প্রধান বিচারপতির হুঁশিয়ারি

প্রধান বিচারপতি এম মোজাম্মেল হোসেন গত ৩০ ডিসেম্বর শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে জেলা জজদের সমাবেশে বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমার অবস্থান দৃঢ় এবং স্পষ্ট। বিচার বিভাগে কোনো ধরনের দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। এ প্রসঙ্গে তিনি ‘জিরো টলারেন্স’ শব্দটিও উল্লেখ করেন। তাঁর কথায়, বিচার বিভাগে দুর্নীতির অভিযোগ তিনি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছেন। কারণ, বিচার বিভাগে দুর্নীতির কোনো জায়গা নেই। মাননীয় প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্য অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে মূল্যায়নের দাবি রাখে।

বিচারকদের পদোন্নতির জন্য বার্ষিক গোপনীয় অনুবেদন বা এসিআর মুখ্য ভূমিকা রাখে। জেলা ও দায়রা জজদের এসিআর লেখেন হাইকোর্টের বিচারকেরা। ৮ সেপ্টেম্বর ২০১১ ‘সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে’ ৪২ জন অতিরিক্ত জেলা জজকে জেলা জজ হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়। প্রধান বিচারপতি এবং হাইকোর্টের তিন বিচারক (বিচারপতি সিদ্দিকুর রহমান মিয়া, বিচারপতি এ টি এম ফজলে কবীর ও বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী) নিয়ে গঠিত জিএ বা জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন কমিটি প্রাথমিকভাবে একটি তালিকা তৈরি করে। সেই তালিকা চূড়ান্তভাবে অনুমোদিত হয় ফুল কোর্টে। ফুল কোর্ট হাইকোর্ট বিভাগের সব বিচারক (বর্তমানে প্রায় ১০০) নিয়ে গঠিত। যত দূর জানি, জিএ কমিটি যে তালিকা প্রস্তুত করে, মোটামুটি সেই তালিকাই ফুল কোর্টে অনুমোদিত হয়। আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ে আইনসচিবের (একজন জেলা জজ) নেতৃত্বে একটি বিভাগীয় পদোন্নতি কমিটি রয়েছে। সেই কমিটি সর্বাগ্রে তালিকা করে সুপ্রিম কোর্টের কাছে পাঠায়।

WatchDog's picture

একজন বিচারক ও এক রাতে ১ কোটি আয়ের কেচ্ছা!

Photobucket এক রাতে কোটিপতি বনতে চাইলে আপনাকে হয় জুয়া খেলতে হবে অথবা বড় ধরণের কোন অপকর্মের সাথে নিজকে জড়াতে হবে। স্টকমার্কেট অথবা ব্যবসায়িক লেনদেন হতেও কোটি টাকা আয় সম্ভব যদি তা হয় দিনের বেলা। কিন্তু প্রসঙ্গ যেহেতু এক রাতের, সংগত কারণে মাধ্যম দুটোকে বাদ দিতে হচ্ছে। কিন্তু এসবের বাইরে গিয়ে সামান্য বেতনের চাকরী করেও যে এক রাতে কোটিপতি বনা যায় তার বিশ্ব রেকর্ড করলেন বাংলাদেশের জনৈক বিচারক। আসুন পরিচিত হই এই ভাগ্যবান বিচারকের সাথে এবং অভিনন্দন জানাই দেশের বিচার ব্যবস্থাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্যে।

WatchDog's picture

'৭৫'এর হত্যা অবৈধ হলে এ হত্যাও অবৈধ...WD

Photobucket নিখোঁজ হয়ে যাচ্ছে মানুষ। ভুতুরে কায়দায় হাওয়া হয়ে যাচ্ছে ওরা। নগর, বন্দর, হাট-মাঠ-ঘাট হতে কোন এক অলৌকিক শক্তিবলে উধাও হচ্ছে দু’হাত দু’পা ওয়ালা আদম। ১৯৩৯ হতে ৪৫ সাল পর্যন্ত ইউরোপে অহরহই ঘটতো এ ঘটনা। ১৯৭৩-৭৫ সালে সদ্য জন্ম নেয়া বাংলাদেশও অভিজ্ঞতা অর্জন করেছিল নিখোঁজ হওয়ার ভৌতিক অধ্যায়। হিটলারের গেস্টাপো আর হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালীর রক্ষীবাহিনী নীরবে, নিঃশব্দে, অনেকটা ’ইনভিজিবল

Wahiduzzaman Chy's picture

একটি চিরকুট: বিচারের বাণী যখন নিভৃতে কাঁদে

(২০০৬ সালের ঘটনা; সেই বছর আমি প্রথমবারের মতো বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে পদার্পন করেছি, সেই বছর আমার উপর দিয়ে এক ভয়াল ঝড় বয়ে গেলো। একটি মিথ্যা সাজানো মামলায় আমাকে আসামী করা হলো। বিনা অপরাধে ১০১ দিন টানা জেল খাটলাম, পরে জামিনে বের হতে সমর্থ হই। নিজের জীবনটাকে আবার নতুনভাবে গুছিয়ে নিতে শুরু করলাম। আমার মামলার চার্জ গঠনের সময় কোর্ট আমাকে জিজ্ঞেস করলো আমি দোষী না কি নির্দোষ; আমি সেদিন আমার নিজের লেখা এই চিরকুট-টা আদালতের সমীপে উপস্থাপন করেছিলাম।)

মাননীয় বিচারক,