শেখ হাসিনার নোবেল পুরষ্কার নয়, ধিক্কার পাওয়া উচিত

কিছু কিছু আওয়ামী তোষামোদকারী এবং পদলেহনকারী বিভিন্ন অযুক্তি-কুযুক্তি দিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করে যাচ্ছে যে, মুঃ ইউনুসের পরিবর্তে শেখ হাসিনারই নোবেল পুরষ্কার পাওয়া উচিত ছিল | স্বদেশে এবং আন্তর্জাতিকভাবে শেখ হাসিনা বা শেখ মুজিবের চেয়ে অন্য কোনো বাংলাদেশী বেশি পরিচিতি এবং প্রাধান্য পাবে - তা আসলে এসব তোষামোদকারী এবং পদলেহনকারী শ্রেণীর মানুষরা মানতে পারছে না !

নোবেল পুরষ্কার যে অনেক আগে থেকেই বিতর্কিত হয়ে আসছে তা সবাই জানে | এটি নতুন কিছু নয় | এটি প্রমাণ করার জন্য এত গবেষণা (!) করার দরকার হয় না, এত বস্তা বস্তা ওয়েব-লিঙ্ক ঘাটাঘাটিরও প্রয়োজন হয় না | তাছাড়া - কেউ যদি নোবেল পুরষ্কারের পক্ষপাতিত্ব প্রমাণ করারই চেষ্টা করবেন, তাহলে সেই পক্ষপাতদুষ্ট পুরষ্কার পাওয়ার যোগ্য হিসাবে শেখ হাসিনাকে অধিষ্ঠিত করারই বা চেষ্টা করবেন কেন ? ব্যাপারটা হাস্যকর নয় কি ?

মুঃ ইউনুস ভালো কি মন্দ, তিনি নোবেল পাওয়ার যোগ্য নাকি যোগ্য নন, তাঁর গ্রামীন ব্যাংক সঠিক না বেঠিক - সেসব আমার বলার বিষয় নয় | আমার বলার বিষয় এই যে, শেখ হাসিনার মতো ভন্ড একজন মানুষের কোনভাবেই নোবেল পুরষ্কার পাওয়া উচিত নয়; বরং যা পাওয়া উচিত তা হছে ধিক্কার |


আওয়ামী তোষামোদকারী এবং পদলেহনকারীদের অন্যতম একজন হলেন মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী | তিনি বিবেকবর্জিত এবং অন্ধ | তিনি একজন মিথ্যুকও | মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী প্রমাণ করতে চেয়েছেন যে, চীন এবং ভারতের মত দেশে মুঃ ইউনুস কিংবা গ্রামীন ব্যাংক নিয়ে কোনো মাতামাতি নেই | পৃথিবীর অন্য অনেক দেশের মতো চীন এবং ভারতেও যে গ্রামীন ব্যাংক নিয়ে আলোচনা হচ্ছে তার প্রমান হিসেবে নিচে কিছু লিঙ্ক দেয়া হলো, কেউ ইচ্ছা করলে পড়ে নিতে পারেন |



1) http://www.asianews.it/news-en/Grameen-Bank-invited-to-set-up-in-China-7569.html : Beijing (AsiaNews) – The Chinese government has invited Muhammad Yunus, founder of the Grameen Bank and 2006 winner of the Nobel Peace Prize, to apply for a license to open a micro-credit institution in the country. ... Du Xiaoshan, deputy director of the Chinese Academy of Social Sciences' Rural Development Institute, said the Chinese government was interested in the experiments of the Grameen Bank, but time was needed to reach agreement. Yunus also expressed interest in projects in Chinese rural areas but said China needed to implement legislation pertaining to micro-credit institutions.
2) http://www.chinadaily.com.cn/bw/2009-04/06/content_7650913.htm : With the help of the State Council Leading Group Office of Poverty Alleviation and Development, Danone Microfinance Foundation was set up by Danone and Grameen Trust under Grameen Group in Beijing in March 2009.
3) http://articles.timesofindia.indiatimes.com/2007-01-12/india-business/27886615_1_dhaka-office-microfinance-organisation-icici-bank : MUMBAI: Microfinance is gathering pace in India aided by foreign investments. The most recent agency to set up operations in India is Bangladesh's now legendary Grameen Bank.
4) http://www.hindu.com/biz/2006/10/23/stories/2006102301011600.htm : THE BELATED award of the Nobel peace prize to Bangladesh's Muhammad Yunus and the Grameen Bank set up by him bring into focus the status of micro-credit in India.


মুঃ ইউনুস এবং তাঁর গ্রামীন ব্যাংকের কথা থাক | যেসব কারণে শেখ হাসিনার ধিক্কার পাওয়া উচিত তার অন্যতম কিছু কারণ নিচে দেয়া হলোঃ


১) পার্বত্য শান্তি চুক্তি

শান্তি চুক্তির এক যুগ পরেও প্রকৃত শান্তির চেহারা দেখেনি পার্বত্যবাসী | পার্বত্য অঞ্চল এখনো অশান্ত | এখনো সেখানে দাঙ্গায় মানুষ মরছে, ঘর-বাড়ী পুড়ছে |   আজও পার্বত্য এলাকার মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছে, মানুষ তার মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, লুণ্ঠিত হচ্ছে নারীর অধিকার ও সম্ভ্রম | জনসংহতি সমিতির সভাপতি সন্তু লারমা  নিজেই অভিযোগ তুলেছেন যে, আওয়ামী সরকার পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নে আন্তরিক নয় বরং এ চুক্তি নিয়ে তারা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন | তিনি আরও অভিযোগ করেছেন যে, সরকার নিজেদেরকে চুক্তির স্বপক্ষের দাবি করলেও সরকারের একটি মহল চুক্তি বাস্তবায়নে বাধা দিতে চুক্তি বিরোধী উপজাতি সংগঠন ইউপিডিএফকে লালন করছে | অন্যদিকে ইউপিডিএফ (ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট) এই চুক্তিকে ভাওতাবাজির চুক্তি বলে আখ্যায়িত করেছে | আর পার্বত্য সমধিকার আন্দোলন পার্বত্য চুক্তিকে কালো চুক্তি হিসেবে উল্লেখ করে দিনটিকে কালো দিবস হিসাবে পালন করে যাচ্ছে | চুক্তি  পক্ষের জনসংহতি সমিতি ও  চুক্তি বিরোধী ইউপিডিএফ এর মধ্যে ভাতৃঘাতি দন্দ্ব সংঘাত  নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার  হয়ে দাঁড়িয়েছে | এটি তাহলে কিসের চুক্তি, এই চুক্তির ভবিষ্যতই বা কি ? ধিক্কার ! 

২) জাতীয়তাবাদ

কয়েক দিন আগে আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছেন, "মহান মুক্তিযুদ্ধে পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতি, নৃ-গোষ্ঠীদের ভূমিকা রয়েছে | ... দেশের সকল এলাকার জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের নাগরিক |" তাই যদি সত্যি হয় তাহলে শেখ হাসিনা এখনও বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ না বলে বাঙালী জাতীয়তাবাদ বলেন কেন ? বলেন একারণে  যে,  শেখ হাসিনার পিতা  শেখ মুজিব যেমন আদিবাসীদের আলাদা জাতিসত্ত্বা স্বীকার করতেন না, তিনি নিজেও আসলে তা স্বীকার করেন না | তাহলে লোক দেখানো এই শান্তি চুক্তির কারণ কি ? কারণ বিশ্ববাসীর বাহবা কুড়ানো এবং বাড়তি কিছু ভোটের প্রত্যাশা | ধিক্কার !


৩) মুক্তিযুদ্ধের চেতনা

শেখ হাসিনা কথায় কথায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলেন | মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীদের বিচারের শপথ নিয়ে তিনি ক্ষমতায় এসেছেন | আসলেই কি তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করেন ? করেন না | করলে তার সরকারেই কিভাবে মন্ত্রী পর্যায়ে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীর স্থান হয় ? তিনি কিভাবে একজন মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীর সাথে আত্মীয়তা করেন ? ধিক্কার !

৪) ধর্ম নিরপেক্ষতা

শেখ হাসিনা বাহাত্তরের সংবিধানে ফিরে যেতে চান | বাহাত্তরের সংবিধানের একটি মৌলিকতা হচ্ছে ধর্ম নিরপেক্ষতা | রাষ্ট্রধর্ম হিসাবে ইসলামকে মেনে নিয়ে এবং সংবিধানে 'বিসমিল্লাহ' সংযুক্ত রেখে তিনি কোন পথে বাহাত্তরের সংবিধানে ফিরে যাচ্ছেন ?  তিনি কি জনগনকে এতটাই মূর্খ মনে করেন ? ধিক্কার !

৫) স্বদেশ প্রেম

কয়েকদিন আগে তিনি দাবি করেছেন যে, এদেশটাকে কেউ  তাঁর চেয়ে বেশি ভালো বাসে না | দেশের প্রতি তাঁর এতই ভালবাসা যে, তিনি তাঁর সন্তানদের দেশের মাটিতে না রেখে বিদেশের নিরাপদ জীবন বেছে নিতে দিয়েছেন | ছেলেকে বিদেশী মেয়ে বিয়ে করিয়েছেন | যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে না পারলেও মেয়েকে দেশে না এনে আরেক দেশে গিয়ে বসবাস করতে দিয়েছেন | হায় রে দেশ প্রেম ! মোল্লারা যেমন ধর্মের দোহাই দিয়ে জীবন যাপন করলেও নিজের সন্তানকে মাদ্রাসায় না পাঠিয়ে আধুনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠায়, শেখ হাসিনাও তেমনি মুখে দেশের কথা বললেও সন্তানের ক্ষেত্রে বিদেশকেই শ্রেয় বিবেচনা করেন | ধিক্কার !

এত কিছুর পরও কেউ যদি শেখ হাসিনার পক্ষে সাফাই গায় এবং তাঁকে নোবেল পুরষ্কারের যোগ্য মনে করেন, তাহলে কি সেই সাফাইকারীকেও ধিক্কার জানানো উচিত নয় ? 

23Comments

1
Robin Mojumdar
Mon, 04/07/2011 - 11:08pm

This guy, as always, tries to prove himself a big shot. But people take him nothing more than a poor clown. This stupid should stop writing these pieces of shit and better go suck Hasina’s dirty feet.

2
Novoteez Sehgal
Tue, 05/07/2011 - 2:24am

এই বেটা বোকাচুদা, আয় আমার ধোনটা চুস্যে দে । মশফিক ইমতিয়াজ সাররে গালি দিলে তুমার মা বইনরে চুদুম বেস্যা নাতির পুলা । আয় আমার পাছাটা চাইটা দে । হেঃ হেঃ হেঃ ।

3
SadekurRahman
Mon, 04/07/2011 - 10:57pm

আপনি একটা ফালতু বাচাল প্রকিতির মানুষ | একগাদা সস্তা তথ্য উপস্থাপন করলেই কেউ জ্ঞানী হয়ে যায় না | কিছু ছাগল যদি আরেকটা ছাগলের ছাগলামি সমর্থন করে, তাতেও একটা ছাগল গরু হয়ে যায় না | আপনি শুধুমাত্র আওয়ামী পা-চাটা ফালতু ছাগলই নন, একজন অসুস্থ মানুষও |

4
মুশফিক ইমতিয়াজ ...
মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী's picture
Thu, 07/07/2011 - 5:06am

১) প্রকৃতি বানানই ভুল ।

২) তথ্য তো তথ্যই, তার আবার সস্তা - অসস্তা কি ?

৩) আমি যে জ্ঞানী তা আমি কোথাও দাবী করিনি, আমার ফ্যানেরাই এমন দাবী করে । এতে আমার কি করার আছে ?

৪) গালাগালি করলেই বড় হওয়া যায় ?

৫) আইসিহটের লেখা নিয়ে যে অনেক মানুষ হাসাহাসি আর সমালোচনা করেছে, তাতে প্রমাণিত হয়, আইসিহটের সমর্থনদাতারাও গোপালভাঁড় । আপনিও তাদের একজন, গোপালভাঁড় ।

5
Novteez Sehgal
Thu, 07/07/2011 - 7:46am

এতো জ্ঞানী যে "সস্তা তথ্য" কি সেটা জানেন না!! সস্তা জনপ্রিয়তা কি - সে-টা জানেন ত? হাহাহাঃ। একটা জোক সুনেছিলাম এমনঃ এক লোক বলছেন যে তিনি ৩টা কারনে খুব বিখ্যাত ...(১) খুব ভাল অংক পারেন, (২) স্মরণ শক্তি খুব প্রখর, (৩) ... ... কিছুক্ষণ ইতস্তত করে জানালেন যে, তিন নাম্বার কারন্টা উনার এই মুহূর্তে মনে আসছে না ...... হু, প্রখর স্মরণশক্তি ওয়ালা লোক বটেই ... লোকে আপনাকে জ্ঞানী বলে বটে!! হে হে হেঃ।     


আপনার লেখা পড়েও অনেকে আপনাকে হিজড়া, জারজ, জোকার, ক্লাউন, ... ইত্যাদি বলে, এবার বলেন তো দেখি - তাতে কি প্রমানিত হয়!! হাদারাম ভোদারাম কোথাকার!!

6
Novoteez Sehgal
Fri, 08/07/2011 - 10:21am

ফেক নভতিজ, তুমার আম্মু সস্তা পতিতা এইডা জাইনা রাইখো, হেঃহেঃহেঃ । তুমার আম্মুরে উলটা কইর‍্যা চুইদা প্রেগন্যান্ট বানায় দিছি, মাগির ভোদায় রস ভইর‍্যা দিছি । তুমার আম্মুর চুলের মুঠি ধইর‍্যা মাগিরে ধর্ষণ কইর‍্যা মাইড়া ফালাইছি । তুমার আম্মু ছিল টানবাজারের পতিতা। সুয়রের বাচ্চা । তুর আম্মুর ভোদায় ঠাপায় ঠাপায় এমন চুদা চুদছি যে মাগির কালা ভোদা ফাইট্টা টুটা ফুটা হইয়া গেছে আর ঐ কালা ভোডা দিয়া শুঁটকী মাছের পচা দুরগন্দ বারাইতেছে । দুদিন পর তুর আম্মুর ভোদায় কালা কালা পোকা ধরবো । মাগির পুয়া ।

7
মুশফিক ইমতিয়াজ ...
মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী's picture
Mon, 04/07/2011 - 10:56pm

গ্রামীন ডানোনের বিরুদ্ধে মামলা - ডানোন আর ইউনূস - চোরে চোরে মাসতুতো ভাইদের মধ্যে চুক্তি (উপরের চিত্র দ্রষ্টব্য)

 

প্রতিবেদকঃ আরিফুজ্জামান তুহিন

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে ভেজাল খাদ্য উৎপাদনের দায়ে ঢাকা সিটি করপোরেশনের (ডিসিসি) বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতে মামলা হয়েছে। ভেজাল খাদ্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী এ মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলে তিনি সর্বোচ্চ এক বছরের জেল অথবা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।
বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সোমবার ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন ‘শক্তি দই’-এ ভেজাল ধরা পড়ায় বিশুদ্ধ খাদ্য অধ্যাদেশ ১৯৬৯-এর ৬(১) ধারা অনুযায়ী উৎপাদক প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ ডানোনের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুল আলমের আদালতে মামলা করা হয়। মামলা নম্বর ১০/২০১১। সূত্র জানায়, ঢাকা সিটি করপোরেশনের পরীক্ষাগারে শক্তি দইয়ে ভেজাল ধরা পড়ে। আইন অনুযায়ী সিটি করপোরেশনের মেয়রের পক্ষে প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাসিরুদ্দিনের অনুমোদনক্রমে মামলা দায়ের করেন স্বাস্থ্য পরিদর্শক মো. কামরুল হোসেন। এ মামলায় আরো দুজনকে আসামি করা হয়েছে। তাঁরা শক্তি দইয়ের পরিবেশক ও বিক্রেতা।
বিশুদ্ধ খাদ্য অধ্যাদেশ ১৯৬৯ অনুযায়ী গ্রামীণ ডানোনের স্বত্বাধিকারী হিসেবে এ মামলায় ড. ইউনূসকে সশরীরে আদালতে হাজিরা দিতে হবে। তাঁকে সমন জারির প্রস্তুতি চলছে।
ডিসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাসিরুদ্দিন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বেশ কয়েক দিন আগে গ্রামীণ ডানোন কম্পানির শক্তি দইয়ের মান নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ডিসিসির পরীক্ষাগারে এ দই পরীক্ষা করা হয়। তাতে দেখা যায়, দইয়ে যে যে উপাদান যে মাত্রায় থাকার কথা, তা এ পণ্যে নেই।’ তিনি আরো বলেন, ‘এ দইয়ের মান নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর বাজার থেকে আরো কয়েকটি ব্র্যান্ডের দইয়ের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। তাতে দেখা যায়, কেবল শক্তি দই নয়, বাজারের অনেক দই-ই মানসম্মত নয়। ওই সব দইয়ের উৎপাদনকারীদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
২০০৬ সালের মার্চে বগুড়ায় ফরাসি কম্পানি ডানোন ও গ্রামীণ ফুডসের যৌথ উদ্যোগে এ প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু হয়। সে সময় গ্রামীণ ডানোন ফুডসের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে দাবি করা হয়, বাংলাদেশের শিশুদের পুষ্টির বিষয়টি মাথায় রেখেই শক্তি দই উৎপাদনের পদ্ধতিটি বিশেষভাবে তৈরি করেছেন ডানোনের গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগের বিশেষজ্ঞরা। এ গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ইমপ্রুভড নিউট্রিশন’-এর কারিগরি সহায়তা নিয়েছে বলে প্রচার চালানো হয়। শক্তি দইয়ের উৎপাদন নিয়ে বলা হয়, এ দই ঝোলাগুড় ও চিনি মিশিয়ে গরুর দুধ থেকে উৎপাদিত হয়। শক্তি দইয়ের বিশেষ উপাদান শিশুদের ডায়রিয়ার তীব্রতা ও স্থায়িত্ব কমিয়ে দেয়। প্রতি ৬০ গ্রাম শক্তি দইয়ে শিশুর প্রতিদিনের ভিটামিন এ, আয়রন, জিংক ও আয়োডিনের ৩০ শতাংশ চাহিদা মেটায় বলে দাবি করা হয়।
দরিদ্র শিশুদের অপুষ্টি দূর করার কথা বলে ২০০৬ সালে শক্তি দইয়ের উদ্বোধনকালে ফরাসি কিংবদন্তি ফুটবলার জিনেদিন জিদানকে ঢাকায় এনেছিল কম্পানিটি। কিন্তু শক্তি দইয়ে ভেজাল শনাক্ত হওয়ার পর কম্পানির প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলা হওয়ায় প্রশ্নের মুখে পড়েছে তাঁদের দেওয়া সব প্রতিশ্রুতি।
যুক্তরাষ্ট্রেও জরিমানা গুনেছে ডানোন
বাংলাদেশেই প্রথম ডানোনের বিরুদ্ধে ভেজাল পণ্য উৎপাদনের অভিযোগ উঠেনি, যুক্তরাষ্ট্রেও কম্পানিটিকে মোটা অঙ্কের জরিমানা গুনতে হয়েছে। বিশ্বব্যাপী পুষ্টিমান বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দিলেও ডানোনের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে ভেজাল পণ্য বিক্রি করার দায়ে জরিমানা দিতে হয়েছে। গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র থেকে দ্য নিউজ ট্রিবিউন ডটকম-এ প্রকাশিত খবরে জানা যায়, ‘অ্যাক্টিভিয়া চ্যালেঞ্জ’ দিয়ে হজমে উপকারী এক ধরনের দই বাজারজাত করে ডানোন। তাদের দাবি করা তথ্য চ্যালেঞ্জ করে মামলা করা হয়। মামলায় ডানোন পরাজিত হলে মিথ্যা তথ্য দিয়ে পণ্য বিক্রির দায়ে তাদের দুই কোটি ১০ লাখ ডলার জরিমানা করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ৩৯টি অঙ্গরাজ্যে ডানোনের বিরুদ্ধে মামলা হয়। শুধু ওয়াশিংটনেই ডানোনকে চার লাখ ২৫ লাখ ডলার জরিমানা দিতে হয়েছে। ওয়াশিংটনের অ্যাটর্নি জেনারেলের পক্ষ থেকে মামলাটি করা হয়। কোনো খাদ্য উৎপাদনকারীর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য মিলিয়ে এটিই সর্বোচ্চ জরিমানা আদায়ের নজির।

8
icy hot
Mon, 04/07/2011 - 11:56pm

অন্য অনেক দইসহ শক্তি দই-এ ভেজাল পাওয়া গেছে | ভেজাল বলতে যে উপাদান যতটুকু থাকার দরকার ততটুকু নেই | শক্তি দই-এইর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে | মামলায় হারলে মুঃ ইউনুসের জেল-জরিমানা হতে পারে | কিন্তু মামলায় হারার আগ পর্যন্ত  এর জন্য তাঁকে কি চোর বলা যায় ? মুশফিকের মতো আওয়ামী ছা-পোষা মতলববাজ এবং অন্ধ কুত্তার পক্ষেই তা বলা সম্ভব | বর্তমান সরকার প্রফেসর ইউনুসকে অপমানিত করার যে হীন প্রকল্প হাতে নিয়েছে, এই মামলা সেই প্রকল্পেরই একটা অংশ | শেখ হাসিনার এই প্রতিহিংসা কেবল আওয়ামী লীগের পতনই ডেকে আনছে |

9
dark.horse
Mon, 04/07/2011 - 7:07am

আপনারা এখনো বুঝতে পারেননি যে icy hot, নভতিজ ছাগল, বিশিষ্ঠ ভাইরাস গবেষক একই ব্যাক্তি। এক নাম দিয়ে ৩১ টা পোস্ট করেছে কিন্তু কোন জনপ্রিয়তা পায়নি আর পাবেই বা কিভাবে? লিখলেই তো আর লেখক হয়া যায় না। তাই জনপ্রিয় হবার জন্য ভিন্ন রাস্তা বেছে নিয়েছে।

10
Novteez Sehgal
Mon, 04/07/2011 - 10:36pm

আমার সাথে যে সব প্রসঙ্গ নিয়ে তর্ক করছিলেন, সব ছেড়ে ছূড়ে লেজ গুটিয়ে ত দোড় দিলেন স্বঘোষিত পন্ডিত মহাশয়!!!! নিউটনের সুত্র রেফারেন্সিং, ভাইরাস বিষয়ক home task, source of info, যথেষ্ট শিক্ষা, generic solution, ফ্রি এন্টি-ভাইরাস, ভয়ঙ্করী বেশী বিদ্যা, pirated OS vs. hidden recovery partion  . ... ইত্যাদি সব  ... সবকিছুই!! হা হা হাঃ। এখন আবার আমার নাম নিচ্ছেন!! লজ্জার বোরখা পড়েছেন তো!