History of Bangladesh

Kader.Siddique's picture

কে কুলাঙ্গার, তুমি না আমি?

গত পর্ব পরে পত্রিকা অফিসে কতজন যোগাযোগ করেছে জানি না, তবে অসংখ্য পাঠক ফোন করেছেন। যাতে অন্যান্য কাজ করা মুশকিল হয়ে পড়ে। মুক্তিযোদ্ধাদের দুরবস্থায় তারা খুবই শঙ্কিত, ব্যথিত, মর্মাহত। বিশেষ করে এক শ্রেণীর পাঠক ফোন করে বলছিলেন, আরেকটু লিখে প্রসঙ্গটা শেষ করে ফেললে আরো মজা পাওয়া যেত। ওই ধরনের পাঠক বন্ধুদের কী বলি? মজা কাকে বলে জীবনে কখনো খুঁজে দেখার সুযোগ পাইনি। শত কষ্টে জীবনটা মোটামুটি স্বস্তি আর আনন্দেই কাটিয়েছি। আইয়ুব, মোনায়েম আমাদের সোজা করতে বারবার জেলে পাঠাতেন। কিন্তু আমরা তেমন একটা সোজা হতাম না। আমরা আমাদের মতোই থাকতাম।
kader siddque
আমাদের মতো থেকে আমরা আইয়ুব খানকে তাড়িয়েছি। ইয়াহিয়া ট্যাংক কামান বন্দুক নিয়ে এসে রক্তের গঙ্গা বইয়ে আমাদের দমাতে পারেনি। আমরা তার ট্যাংক কামান গুঁড়িয়ে হাতে ধরিয়ে দিয়েছিলাম। সেদিন জনাব মায়াও বলেছেন, বিরোধীদের পা গুঁড়িয়ে হাতে ধরিয়ে দেবেন। চাঁদপুর মতলবের মানুষ দিতেও পারেন। ভাগ্য সুপ্রসন্ন তাই করে কেটে খেয়ে গেলেন। মুক্তিযুদ্ধের পরে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে টাকাসহ গ্রেফতার করে শাহবাগে বেতার ভবনে আটকে রাখা হয়েছিল। দেশ স্বাধীন হয়েছে ঢাকার একজন মুক্তিযোদ্ধা অনেকের অনুরোধে মুক্তি পেয়েছিল।

জয় বাংলা বনাম জিন্দাবাদ

‘জয় বাংলা’ ও ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ এ দু’টি স্লোগান নিয়ে অনেক বছর যাবৎই বিতর্ক চলছে। আওয়ামী লীগের স্লোগান হলো জয় বাংলা আর বিএনপি’র স্লোগান হলো বাংলাদেশ জিন্দাবাদ। আওয়ামী লীগ যদি জয় বাংলা স্লোগান দিয়েই ক্ষান্ত থাকত, তাহলে সমস্যা ছিল না; কিন্তু সমস্যা হচ্ছে এই যে, আওয়ামী লীগ মনে করে যারা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেয় না তারা পাকিস্তানের এজেন্ট। অতএব তাদের পাকিস্তানে চলে যাওয়া উচিত।’ আর বিএনপি মনে করে জয় বাংলা স্লোগানটি তাদের প্রাসঙ্গিকতা হারিয়েছে। এখন আর জয় বাংলা স্লোগান দেয়ার কোনো প্রয়োজন নেই বরং বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলাটাই অধিকতর যুক্তিযুক্ত।
joy bangla
আওয়ামী লীগের দাবি হচ্ছে জয় বাংলা হচ্ছে বাংলা স্লোগান আর জিন্দাবাদ হচ্ছে পাকিস্তানী স্লোগান, যেহেতু জিন্দাবাদ একটি উর্দু শব্দ। আওয়ামী লীগের এই দাবি সঠিক নয়। কারণ ‘জয়’ এবং ‘জিব্দাবাদ’ এই দু’টি শব্দই বিদেশী। তবে এ দু’টি বিদেশী শব্দই বাংলায় এখন স্থান করে নিয়েছে। বাংলা একাডেমির ‘ব্যবহারিক বাংলা অভিধান’ ঘাঁটলে পাঠক তার প্রমাণ পাবেন।

বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান :তাঁর দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগ

১৯৬১ সালের ১৫ আগস্ট পাকিস্তানের রিসালপুরস্থ বিমান বাহিনী একাডেমিতে ফ্লাইং ক্যাডেট হিসেবে ৩৬ নম্বর জিডি পাইলট শর্ট কোর্সে যোগ দেন। অল্প দিনের মধ্যেই একজন চৌকষ ক্যাডেট হিসেবে নিজের স্থান দখল করে নেন। ১৯৬৩ সালে পাইলট অফিসার হিসেবে কমিশন লাভ করেন এবং ১৯৬৭ সালের ২৩ জুলাই ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট হিসেবে পদোন্নতি পান। ১৯৬৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর ১৭ দিনের পাক-ভারত যুদ্ধে তিনি বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এবং 'সিতারা-ই-হারব' পদক পেয়েছিলেন তবুও তত্কালীন পূর্ব পাকিস্তান অর্থাত্ আজকের বাংলাদেশের প্রতি পাকিস্তানিদের বিমাতাসুলভ আচরণে দারুণ দু:খ পান। এদিকে ১৯৭০ সালের নির্বাচনের সময় পাকিস্তানিদের আচরণ দেখে তিনি ক্ষুদ্ধ হন এবং বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাঙালিদের নিরঙ্কুশ বিজয়ে আশায় বুক বাঁধেন।
motiur rahman
৭ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধুর দেয়া ঐতিহাসিক ভাষণে তিনি উজ্জীবিত হন ও 'স্বাধীনতার সংগ্রাম'কে বাস্তবে রূপ দিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন। ২৫ মার্চের কালরাত্রিতে তিনি ছিলেন নরসিংদীর গ্রামের বাড়িতে। ঐ রাতের গণহত্যার কথা রেডিওতে শুনতে পান এবং গ্রামের লোকদের একত্রিত করে খান সেনাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। ইতোমধ্যে ঢাকা থেকে অস্ত্রসহ পালিয়ে আসা বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরাও একত্রিত হতে থাকে। তিনি সকলকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলার প্রস্তুতি নেন।

Harun.Ur.Rashid's picture

এসেছিল শুধু একজন

'বঙ্গবন্ধুর এই একজন আপনজনের কথা আমরা ১৫ আগস্ট যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে স্মরণ করি না, এই সত্যটুকু সত্যি দুর্ভাগ্যজনক। এত বড় আত্মত্যাগের কোনো স্বীকৃতি জাতি এখনও দেয়নি। একটি রাষ্ট্রীয় খেতাব তার কপালে জোটেনি। কোনো আলোচনা সভায়, প্রবন্ধে ও স্মৃতিচারণে তার নামটি আসে না। আত্মীয়-স্বজন ও আপনজন ছাড়া কেউ তার কবর জিয়ারত করেন না, ফুলের তোড়া দেন না।
bangabandhu
এ কথাগুলো অত্যন্ত আক্ষেপের সঙ্গে উচ্চারণ করেছেন প্রখ্যাত সাংবাদিক এবিএম মূসা তার ১৯৯৭ সালের ১৭ আগস্ট প্রকাশিত 'এসেছিল শুধু একজন' শীর্ষক প্রবন্ধে।

জেল থেকে দেখা ১৫ আগস্ট

১৫ আগস্ট ১৯৭৫। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ২৬ সেলে ভোর বেলা জাসদ নেতা রুহুল আমিন ভুঁইয়ার ডাকে ঘুম ভাঙল। তিনি জানালেন সামরিক অভ্যুত্থান হয়েছে, শেখ মুজিবুর রহমান নিহত হয়েছেন। প্রচণ্ড বিস্ময়ে তার দিকে তাকিয়ে সেল থেকে বেরিয়ে এসে জানলাম, না সত্যিই সবার মুখে মুখে ফিরছে কথাটি। রেডিওতে ঘোষণা হচ্ছে সবাই বললেন। কিছুক্ষণ পর খবর পেলাম, মেজর ডালিম রেডিওতে সামরিক বাহিনীর নামে ক্ষমতা দখল ও বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর ঘোষণা দিচ্ছেন এবং সারা দেশে কারফিউ জারির কথাও জানাচ্ছেন। তখন মনে এলো, আরে এর নাম তো আগে শুনেছি, পত্রিকায়ও এসেছিল, এক বিয়ের নিমন্ত্রণে গাজী গোলাম মোস্তফার পুত্রের ডালিমের স্ত্রীর সঙ্গে অশোভন আচরণকে কেন্দ্র করে মহা হইচইয়ের খবর, তারপর ডালিমের চাকরি গিয়েছিল। বিষণœ ও উৎকণ্ঠায় পেটে মোচড় দিয়ে ওঠে। আমাদের সেলে দু-একজন কয়েদি বিভিন্ন কাজে আসছে, তাদের জিজ্ঞেস করি। না, তারা ওইটুকুই জানে, যা আমরা এরই মধ্যে শুনেছি।
mujib
আমাদের পেছনের দশ সেলে দু-একজন ছাড়া সবাই দালাল আইনে দণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদি। দশ সেলের দালাল আইনে শাস্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে দারুণ উল্লাস। আবার পাকিস্তান হবে এ ধরনের কল্পনা অনেকের। তারা বারবার কারাগারের ফটকের শীর্ষের পতাকার দিকে তাকাচ্ছে, পরিবর্তন হয় কিনা দেখতে। তারা আশা করছিল পাকিস্তানের পতাকা উঠবে বা এমন কিছু একটা হবে। এরা এত উল্লসিত কেন, তবে কি এরা জানে, কারা করেছে, কী উদ্দেশে এই সামরিক অভ্যুত্থান হয়েছে?

বিভীষিকাময় আগস্টের সেই কালরাত

১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস। ১৯৭৫ সালের এই রাতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। ঘাতকরা একই রাতে আরো কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতাকে হত্যা করে। ফলে রাজনৈতিক অঙ্গনে শূন্যতার সৃষ্টি হয়। বঙ্গবন্ধু ভাবতেন সবাই তাঁর বন্ধু ও মিত্র। এ কারণেই রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আসীনে থেকেও সাধারণ মানুষের মতোই চলাফেরা করতেন। কুশলবিনিময় করতেন। ভাবতেই পারেননি তাঁর শ্রমের ফসল স্বাধীন বাংলাদেশে ওই ধরনের হিংস্র স্বভাবের মানুষ থাকতে পারে। বাঙালি জাতি যুগ যুগ ধরে তাদের ঘৃণা করবে এবং ধিক্কার জানাবে। আজও সেই ধানমণ্ডির সেই বাড়িটি হত্যাকাণ্ডের চিত্র ধারণ করে দাঁড়িয়ে আছে সাক্ষী হয়ে। রক্তের দাগ আর জীবন হননকারী বুলেটের প্রমাণ বহন করছে দেয়ালগুলো, যা দর্শনার্থীদের মনকে ব্যথিত করে। বঙ্গবন্ধুর পরিধেয় সেই রক্তমাখা পাঞ্জাবি, মুজিব কোট, চশমা, জায়নামাজ আর পবিত্র কোরআন শরিফ সংরক্ষিত রয়েছে যথাস্থানে।
lljljljl
ওই নৃশংস হত্যার সংবাদ পেয়ে ব্রিটেনের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী হ্যারল্ড উইলসন লন্ডনের এক বাঙালি সাংবাদিকের কাছে লিখিত শোকবাণীতে উল্লেখ করেন, এটা আপনাদের কাছে এক বিরাট ন্যাশনাল ট্র্যাজেডি। আমার কাছে এক পরম শোকাবহ পার্সোনাল ট্র্যাজেডি। বিদেশি সাংবাদিক সিরিল ডান বলেছেন, বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে শেখ মুজিবই একমাত্র নেতা, যিনি রক্তে, বর্ণে, ভাষায়, কৃষ্টিতে এবং জন্মগত সূত্রেও ছিলেন খাঁটি বাঙালি। ব্রিটিশ মানবতাবাদী আন্দোলনের প্রয়াত মনীষী লর্ড ব্রকওয়ে মন্তব্য করেছিলেন, নেতা হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব এক অর্থে মহান নেতা, যিনি একই সঙ্গে একটি 'স্বাধীন জাতি ও স্বাধীন ভূমির জনক'।

ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের কথা বলতেও লজ্জা পাই

বেগম জাহান আরা লাখ লাখ শহীদের আত্মত্যাগে মহান মুক্তিযুদ্ধ আমাদের জাতীয় জীবনের শ্রেষ্ঠ গৌরব। যেসব বীর মুক্তিযোদ্ধা দেশমাতৃকার জন্য নিজের প্রাণ উৎসর্গ করেছেন, সেসব হীরক সন্তানের জন্যই আমরা পেয়েছি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। মুক্তিযুদ্ধের শ্রেষ্ঠ অর্জন এই সোনার বাংলা। মুক্তিযোদ্ধা শব্দটা উচ্চারণ করে যে গাজী সৈনিকেরা তাদের পরিচয় দেন, তাদের চরণধুলো তুলে সারা গায়ে মাখতে ইচ্ছে করে। শোক তাপ দুঃখ বেদনা, আত্মীয়বিচ্ছেদ, সম্পদ বিনাশ, জীবনের বিড়ম্বনা, লাখ লাখ মা-বোনের নির্যাতনের ক্ষত, সব মেনে নিয়েছিলাম স্বাধীন দেশের পতাকা দেখে। বুকের ভেতর ক্ষরণ রেখেই অহঙ্কার করেছি বাংলাদেশের জন্য।
hlhll
যুদ্ধের সময় গ্রামে দাদার বাড়ি থাকাকালে এক মুক্তিযোদ্ধার শহীদ হওয়ার খবর পাই। তিনি আমার চাচাতো ভাইয়ের বৈবাহিকসূত্রের আত্মীয়। কোনো দিন দেখিনি তাকে। চিনিও না। কিন্তু কী বুকচাপা কান্না সেদিন বাড়িতে! মনে হয়েছিল, অতি আপন কেউ বিদায় নিল। এই আবেগেরে কান্না এবং বেদনা সে-ই বুঝতে পারবে, যার এমন অভিজ্ঞতা আছে।

Abdul.Gaffar.Chowdhury's picture

শেখ কামাল আজ যদি বেঁচে থাকতেন...

আজ ৫ আগস্ট। বঙ্গবন্ধুর বড় ছেলে শেখ কামালের জন্মদিন। ১৯৪৯ সালের পাঁচ আগস্ট তাঁর জন্ম। আজ বেঁচে থাকলে তাঁর বয়স হতো ৬৫ বছর। তাঁকে যখন হত্যা করা হয়, তখন তাঁর বয়স মাত্র ২৬ বছর। সদ্য বিবাহিত যুবক। মৃত্যুর মাত্র এক মাস আগে (১৪ জুলাই ১৯৭৫) ক্রীড়াবিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের 'ফার্স্ট ফিমেল ব্লু' সুলতানার সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। তাঁর হাতের বিয়ের মেহেদির রং তখনো মুছে যায়নি। এই অবস্থায় গোটা পরিবারের সঙ্গে এই নবদম্পতিকেও হত্যা করা হয়। তাঁর ছোট ভাই শেখ জামাল, সে-ও তখন নববিবাহিত। একেবারেই ছোট ভাই ১০ বছরের রাসেলকেও তাঁদের সঙ্গে নরপশুরা একই রাতে হত্যা করে।
কামাল
বড় বোন, বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চেয়ে শেখ কামাল ছিলেন বছর দুই কি তিনেকের ছোট। পিঠাপিঠি ভাইবোন বলে দুজনের মধ্যে খুনসুটি ও অন্তরঙ্গতাও ছিল বেশি। এ সম্পর্কে একটি চমৎকার গল্প শুনেছিলাম বঙ্গবন্ধুর কাছে। রাজনৈতিক জীবনে বঙ্গবন্ধু প্রায়ই জেলে যেতেন। ফলে বড় মেয়ে শেখ হাসিনা তাঁকে ভালোভাবে চিনলে-জানলেও তাঁর ছোট ভাইবোনরা জেলে আটক বাবার দেখা-সাক্ষাৎ পেত খুব কমই।

Ranjit.Biswas's picture

সর্বসেরা মানবনিরপেক্ষ আয়োজন

: আপনাকে যদি আজ একাডেমিক কিছু প্রশ্ন করি, জবাব দিতে পারবেন?

: আমি তত পারঙ্গম এখনো হয়ে উঠিনি এবং কখনো হয়ে উঠতে পারব বলে দুঃসাহসও করি না। কখনো আমি হয়ে উঠতে পারব না, যে জন সংসারের সব প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে। আমি কোনো 'টক শো তারকা' নই। আমাকে আগে প্রশ্ন শুনতে হবে, তারপর বলব, জবাব দিতে পারব কি না। বলুন, আপনার একাডেমিক প্রশ্নটি কী।
বাংলা নববর্ষ
: বাংলা নববর্ষের কথা বলতে চাই। নববর্ষ উদ্‌যাপনের সূত্র সন্ধান করতে চাই। কারণ কিছু কিছু মানুষ এখনো বলে বেড়ায়, উৎসবটি তো আমাদের নয়, ওদের; যারা পাকিস্তানের বিপক্ষে।

কূটনৈতিক সীমা অতিক্রম করা প্রত্যাশিত নয়

দুই দেশের মধ্যে দূত বা রাষ্ট্রদূত বিনিময়ের রেওয়াজ অতি প্রাচীন। ইংরেজ রাজদূত স্যার টমাস রো রাজা প্রথম জর্জের আমলে তার দূত হয়ে মোগল সম্রাট জাহাঙ্গীরের দরবারে এসেছিলেন ১৬১৫ সালে। উদ্দেশ্য ছিল প্রাচুর্যের দেশ ভারতবর্ষে বাণিজ্য করার অনুমতি। জাহাঙ্গীরের প্রাসাদ দেখে রো অনেকটা হতভম্ব ও বাকরুদ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন। তার ধারণা ছিল না একজন সম্রাট এত শানশওকত আর জেল্লার মধ্যে বাস করতে পারেন।

Syndicate content