History of Bangladesh

Kamrul Hasan Masuk's picture

বাংলাদেশের ভুখন্ড ভারত দখল করে রেখেছে, আসুন সোচ্চার হই।

বাংলাদেশের ভুখন্ড আসাম, ত্রিপুরা, মুর্শিবাদ, মালদহ ভারত জোর করে দখল করে রেখেছে। একটা সময় উপরের সবগুলো এলাকা নিয়েই বাংলা বলা হত। ভারত কৌশলে বাংলাকে বিভক্ত করে। রবিন্দ্রনাথ বলেছিলেন, ভঙ্গ মাতার অঙ্গছেদ। মাওলানা হামিদ খান ভাসানি বলেছেন, ত্রিপুরা, আসাম যতদিন বাংলাদেশের সাথে একিভুত না হতে পারবে ততদিন আমরা পূর্ণ স্বাধীনতা ফিরে পাব না। এখনই সময়। আসুন সবাই সোচ্চার হই। দেশ প্রেমে জাগ্রত হই। কবিতার কয়েকটি লাইন বলতে হয়।

ভানু ভাস্কর's picture

বঙ্গবন্ধুর প্রতি সত্যাচার

দীঘির জলে একটি পদ্ম ফোঁটা,
আর টলমল জল।
আর যে কিছুই নেই,
এই পদ্মের ইতিহাস জানে যে-ই,
সে-ই তো দেশপ্রেমিক।
দাম্ভিকেরা জানবে না সে গান,
জলপদ্মের কেমনতর দান?
কেমন করে একটি কুঁড়ি উচ্চশিরে
সবার কথা কয়!

২৬ মার্চ ও জামায়াতের যুদ্ধাপরাধ

২৬ মার্চ ৭১ থেকে জামায়াত আইনের চোখে বাংলাদেশে অবৈধ। ১৬ ডিসেম্বর তৎকালিন রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী যখন নিঃশর্ত আত্মসমর্পন করল তখন ঐ হানাদার বাহিনীর সাথে তাদের সব ধরনের সহযোগী বাহিনীও নিঃশর্ত আত্মসমর্পন করেছে, এর প্রমাণ তারা দিয়েছে আত্মসমর্পন দলিলে সই দিয়ে। ১৬ ডিসেম্বর সই দেয়ার মাধ্যমে বাস্তবে প্রমাণ হয়ে গেল ২৬ মার্চ থেকে প্রায় নয় মাস জুড়ে হানাদারদের সাথে রাজাকার আলবদররা যে অন্যায় অপতৎপরতা চালিয়েছে যা যুদ্ধাপরাধ, তা সম্পূর্ণরূপে বাংলার মাটিতে অবৈধ ছিল।

আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস পালনের আহ্বান

দুনিয়াজুড়ে মানুষের সংগ্রাম তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে- গণহত্যা বন্ধ করো। আরেকটি দাবিও জোরেশোরে উঠেছে, গণহত্যাকারী মানবতাবিরোধীদের বিচার করো।

আজ ২৫ মার্চ আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস পালনের দাবির প্রতি একাত্মতা প্রকাশের জন্য সারাবিশ্বের সকল শান্তিকামী মানুষের কাছে আহ্বান।

ভানু ভাস্কর's picture

একটি বক্তৃতা

(সামনের কোমলমতি শিশুদের উদ্দেশ্যে) আমার খুব ইচ্ছে করছে আমি তোমাদের সাথে নিচে গিয়ে এক সাথে বসি। আমার এ উঁচু আসনে বসতে ইচ্ছে করে না তোমাদের ছেড়ে। খুবই ইচ্ছে করছে যে, এখনই তোমাদের কাছে গিয়ে বসি। তোমরা আমার বন্ধু।

নুরুন্নাহার শিরীন's picture

স্মৃতিভারাতুর ১৯৭২, ১০-ই জানুয়ারী, বঙ্গবন্ধু এবঙ আজকের বাংলাদেশ

আজ অনেক স্মৃতিভারাতুর হদয়ে লিখছি যে - পরাধীনতার বেদনা কেবল পরাধীন দেশের জাতি ব্যাতীত বোঝা কঠিন। আজকের বাংলাদেশ নিয়ে কত না আলোচনা / সমালোচনার ঝড় দেশে / বিদেশে। আজ অনেকে স্বীকার করতে পর্যন্ত নারাজ হয়ে কত যে অন্যায় বিভ্রান্তিকর তথ্য হাজির করে সত্যকে মিথ্যা বানিয়ে বানোয়াট ইতিহাসের গোড়াপত্তন করতে চান দেখছি আর অত্যন্ত দুঃখের সাথেই বুঝি যাই যে প্রজন্মের আন্দোলনের শ্লোগানটি সঠিক - "মুক্তিযুদ্ধ হয়নি শেষ / গর্জে ওঠো বাংলাদেশ।" আদতেই গোড়ায় গলদ যাদের তারা যদি বা মুক্তিযোদ্ধা হয়েও থাকেন একদা, তারা এখন যতই মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস লেখেন তাতে গলদ / বিভ্রান্তিকর চাতুরী থাকবেই সন্দেহ নেই। অর্থাৎ তাদের কথিত ইতি

Md. Galib Mehdi Khan's picture

'ইকাত্তর কা বদলা হাম লে কর রহেঙ্গে।' (শেষ খন্ড)

আজ যে সব বিশ্ব পরাশক্তি মানবতা বিরোধী অপরাধীদের শাস্তি দিতে গেলে মানবতার ধুয়া তুলছেন তাদের চোখে পড়েনি- ক’দিন আগে উত্তর কোরিয়ার নেতা জাং সং-থায়েক এর বিরুদ্ধে সাজানো বিচার ও রায় কার্যকর করার ঘটনাটি? এর পূর্বে লাদেন হত্যাকাণ্ড, গাদ্দাফি হত্যাকাণ্ড, সাদ্দামের বিরুদ্ধে সাজানো বিচার ও রায় কার্যকর এ সবই খুব মানবিক বলে মনে হয়েছিল! আবু গারীব কারাগারকে তাদের কাছে কি মানবতার মহান দৃষ্টান্ত বলে মনে হয়?

Md. Galib Mehdi Khan's picture

'ইকাত্তর কা বদলা হাম লে কর রহেঙ্গে।' (প্রথম খন্ড)

চাইলেই ইতিহাস পালটে দেয়া যায় না। ঐতিহাসিক সত্যকে ইতিহাস নিজেই নিজের বুকে স্থান করে দেয়। আর সব মিথ্যেই এক সময় মুছেও যায়। এটাই ধ্রুব সত্য। ইতিহাসের রক্ষাকবচ ঘটনার পরম্পরা। যা সব ভ্রান্তি দূর করে সঠিক তথ্যকে করে তোলে দেদীপ্যমান। কথাগুলো এ জন্য বললাম যে, বাংলাদেশের ইতিহাস তার সংবিধানের মতই অসংখ্য বার কাঁটা ছেড়া হয়েছে। নিজেদের সুবিধা অনুযায়ী ক্রমাগত চলেছে সংযোজন-বিয়োজন। প্রজন্মের পর প্রজন্মকে করা হয়েছে বিভ্রান্ত।

নুরুন্নাহার শিরীন's picture

অরাজকতা আন্তর্জাতিক চাপের তোয়াক্কা না করে সরকার বিজয় মাসে জয়রথে

বাংলাদেশ বিজয়ের তেতাল্লিশ বছরে নতুন একটা বিজয়ের প্রহর উপহার পেয়েছে শেখ হাসিনা সরকারের শেষবেলায়। দেশব্যাপী অবরোধের আগুনে নজিরবিহীন সন্ত্রাসী বিরোধী দলীয় উতপাত এবঙ আন্তর্জাতিক অপততপরতার চাপের তোয়াক্কা না করে শেখ হাসিনা সরকার দেখিয়ে দিলো বিশ্বকে যুদ্ধাপরাধী বিচারে বর্তমান বাংলাদেশ সরকার কোনও চাপেই পিছ পা নয়। কেননা শেখ হাসিনা সরকার যখন যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু করার জন্য আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করে চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীদের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে বিচারিক প্রক্রিয়া চালায় তখন হতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের শুরু। যে আমেরিকা জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার এমন কি বৃহ

বাতিল করুন এই কালো আইন।

"ক্ষমতা কখনো চিরস্থায়ী হয় না" ~ এই লাইনটির অনেকগুলো অর্থ আছে। "আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি'র ক্ষমতার মসনদে বসার রিভলভিং চেয়ার" হচ্ছে ওই অনেকগুলো অর্থের একটা।

বাংলাদেশ একটি নতুন দেশ। বয়স মাত্র ৪২ বছর। ৭১-পরবর্তী জন্মগ্রহণ করা প্রজন্ম আজো দেশের কোনো গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে না। '৬০ এর দশকে প্রশিক্ষিত রাজনীতিবিদরাই আজো দেশের বিভিন্ন গনতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার। পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে আন্দোলন আর সংগ্রামের পথ ধরে তৈরী হওয়া সেই প্রজন্ম একটি আধুনিক বাংলাদেশের নেতৃত্ব দিতে বার বার হয়েছে ব্যর্থ।

Syndicate content