Health

Harun.Ur.Rashid's picture

ফরমালিন থেকে পরিত্রাণের উপায়

খাদ্যসামগ্রীতে ফরমালিন অপব্যবহারকারীর বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান আছে বটে; কিন্তু এর কার্যকর হয় খুবই কম। যদিও হয়ে থাকে তা কয়েক বছর পর। বিচারব্যবস্থার এই এতিম অবস্থা আমাদের ভোগাচ্ছে অতীত থেকে। সবার মুখে একই কথা, আইন আছে কিন্তু তার প্রয়োগ নেই। ৮ জুলাই থেকে ১০ দিনের সিঙ্গাপুর সফরের সময় জানতে পেরেছি সেই দেশের আইনি ব্যবস্থার কঠোর প্রয়োগের কথা। সেখানে মাদক ও ভেজালের শাস্তি ৮ থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যেই কার্যকর হয়। মাদকসামগ্রী রাখা ও পণ্যে ভেজাল দেয়ার কোনো তথ্য পেলে শনাক্তকারী ব্যক্তির শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা আজীবন কারাদণ্ড। ওই দেশে ২৫ বছর বসবাসকারী এক বাঙালি বন্ধুর কাছে এ কথা শুনেছি। যৌন হয়রানি করেছে এমন নারী-পুরুষের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে তিন বেত্রাঘাত, এতে ওই দুর্বৃত্ত ব্যক্তির পুরুষত্ব বা নারীত্ব নিঃশেষ হয়ে যায়।
formaline
এসব ক্ষেত্রে ওই সভ্য দেশটিতে রাজনৈতিক বিবেচনা বা নির্বাহী প্রধানের আত্মীয় পরিচয়েও রক্ষা পাওয়ার কোনো উপায় নেই। প্রধানমন্ত্রী বা প্রেসিডেন্টের প্রিয় পুত্র বা কন্যাও যদি এ ধরনের অপকর্মের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছে এমন প্রমাণ মিললে তার শাস্তিও একই বিধানে একই পদ্ধতিতে ৮ থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে কার্যকর হয়ে থাকে।

Ahmed.Rafiq's picture

জনস্বাস্থ্য বীমা নিয়ে কিছু কথা

রাজনৈতিক বা সামাজিক আদর্শবাদীরা বলে থাকেন, খাদ্য, আবাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যের মতো বিষয়গুলো মানুষের মৌলিক অধিকারের মধ্যে পড়ে। রাষ্ট্র তার নাগরিক সদস্যদের (পল্লী সদস্যসহ) এসব সুবিধা সরবরাহ করতে দায়বদ্ধ। রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা কী বলবেন জানি না, এ দায়বদ্ধতা পূরণ খুব একটা সহজসাধ্য কাজ নয়। অবশ্য এ কথাও ঠিক, সেটা নির্ভর করে অনেকটাই সদিচ্ছার ওপর। অমিত সম্পদের অধিকারী যুক্তরাষ্ট্র তার সমাজকে ভোগবাদী আদর্শে দীক্ষিত করেও স্বল্প আয় ও দুস্থ নাগরিকদের জন্য পূর্বোক্ত মূল বিষয়গুলো সুলভ করে তুলতে পারেনি।
ahmed rafiq
কেউ কেউ বলবেন, সে চেষ্টা তাদের নেই। তাদের অর্থাৎ রাষ্ট্রের লক্ষ্য শুধু বিত্তবান ও উঠতি বিত্তবান শ্রেণি। তাই এত বড় সম্পদশালী ও শক্তিমান দেশের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকেও স্বাস্থ্য বীমা নীতি নিয়ে কী ঝকমারিই না পোহাতে হলো। কারণ সেখানেও রাজনীতিতে যথারীতি শ্রেণিস্বার্থটাই বড়। যত দূর জানা যায়, ওই স্বাস্থ্য বীমা (জনস্বাস্থ্য বীমা) নিয়ে তাঁর নিজ দল ডেমোক্র্যাটদের মধ্যেও ভিন্ন মত ছিল।

অন্ধকারের অপেক্ষা!

মানুষের পাঁচটি মৌলিক অধিকারের মধ্যে সরাসরি টয়লেটের কথা নেই। তবে বেঁচে থাকার জন্য টয়লেটও যে আবশ্যক তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সরাসরি বলা না হলেও মানুষের বাসস্থানের মধ্যে বিষয়টা চলে আসে। আবার খাদ্য গ্রহণের সঙ্গেও রয়েছে এর প্রত্যক্ষ সম্পর্ক। সুস্থ প্রত্যেককেই দিনে অন্তত একবার প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে হয়। তাই মানুষ থাকার জায়গার সঙ্গে শৌচকার্য সম্পাদনের বিষয়টিরও ব্যবস্থা করেন। এর বিপরীত চিত্র এখন ব্যতিক্রম। টয়লেট নেই, খোলা জায়গায় প্রাকৃতিক কর্ম সারেন_ এ রকমটা অনেকে কল্পনাও করতে পারেন না। আমাদের প্রতিবেশী ভারতে অবশ্য টয়লেট সমস্যা এখনও প্রকট।
toilet
মঙ্গলবার বিবিসির একটি প্রতিবেদনেও বিষয়টি এসেছে। 'ইন্ডিয়া ব্রাইডস লিভ হাজব্যান্ডস হোমস ফর ল্যাক অব টয়লেটস' শিরোনামই তা স্পষ্ট করছে। ভারতের উত্তর প্রদেশের ছয়জন নতুন বিবাহিত স্ত্রী টয়লেট না থাকার কারণে স্বামীর বাড়ি ত্যাগ করে বাবার বাড়ি চলে গেছেন। তারা বলছেন, টয়লেট নির্মাণ করলেই কেবল স্বামীর বাড়ি ফিরবেন।

ইবোলার বিস্তার রোধ করা ছাড়া আর কোনো পথ নেই

ইবোলা ভাইরাস রোগটি মহামারীরূপে আবির্ভূত হয়ে কয়েক মাস হল পৃথিবীতে রীতিমতো দুশ্চিন্তার কারণ হিসেবে দেখা দিয়েছে। সংক্রামক ব্যাধি মহামারীর কারণে মানবসমাজ যুগে যুগে সংকটের সম্মুখীন হয়েছে। অতীতে সংক্রামক ব্যাধির মহামারী মানবসমাজকে সংকটে ফেলার কারণ তখন এসব ব্যাধির চিকিৎসা, নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি মানুষের আয়ত্তের মধ্যে ছিল না। সে সময় মানুষ বেঘোরে মারা পড়েছে, যতদিন না রোগের জীবাণুটি প্রাকৃতিকভাবে সংক্রমণ ক্ষমতা বা মানব শরীরে ব্যাধি সৃষ্টির ক্ষমতা হারিয়ে ফেলায় মহামারীটি ধীরে ধীরে স্তিমিত হয়ে পড়েছে অথবা মহামারী অঞ্চলে সব মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
Ebola
বর্তমান যুগে একদিকে যেমন সংক্রামক ব্যাধির চিকিৎসা ও নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি মানুষের আয়ত্তে এসেছে, তেমনি দ্রুতগামী যানবাহন জীবাণু সংক্রমণ সহজ করেছে এবং মহামারী ছড়াতে সাহায্য করেছে। তদুপরি যদি কোনো সংক্রামক জীবাণুর বিরুদ্ধে চিকিৎসা না থাকে সে ক্ষেত্রে শুধু নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি প্রয়োগ করে এর মোকাবেলা করা ছাড়া আর কোনো পথ থাকে না। ইবোলা ভাইরাস রোগ এমনই একটি মহামারী সৃষ্টি করেছে পশ্চিম আফ্রিকার কয়েকটি দেশে। এর চিকিৎসা এখনও আবিষ্কার হয়নি। তাই শুধু নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি প্রয়োগ করে এর বিস্তৃতি নিয়ন্ত্রণ করা ছাড়া আর কিছুই করার নেই।

Md. Rowshon Alam's picture

ইবোলা ভাইরাসের সংক্রমন ও নিয়ন্ত্রন

বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আলোচিত ও আতংকিত একটি ভাইরাসের নাম হচ্ছে ইবোলা। এই আতংক এখন সাড়া পৃথিবীব্যাপী। আতঙ্কের মূলকারণটি এখন আর আমাদের অজানাও নয়। এই ভাইরাসটির সংক্রমণে ইতিমধ্যেই ওয়েস্ট আফ্রিকার ১০১৩ জন মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। আক্রান্ত হয়েছে আরো অনেক বেশি (সাসপেকটেড কেস ১৮৪৮ জন)।ebola_virus.jpg

Abdul.Matin.Khan's picture

যুদ্ধ তাদের বাধাতেই হবে

মানুষের স্বভাব হলো তার প্রিয় জিনিসকে রক্ষা করা। এ কথা বললে সবটা বলা হয় না। প্রশ্ন ওঠে প্রিয় জিনিস বলতে কী বুঝতে হবে। প্রিয় জিনিস বলতে সাধারণভাবে বোঝায় অনেক জিনিসের মধ্যে যেটি বা যে কটি তুলনামূলকভাবে বেশি প্রয়োজনীয় অথবা দামি। প্রয়োজনের মধ্যে পড়ে হাতিয়ার যার তৈরিতে কম দামের বস্তু যেমন মাটি, কাঠ ও লোহা এবং তামা, পিতল, অ্যালুমিনিয়াম প্রভৃতি ব্যবহৃত হয়। তবে প্রয়োজনের মধ্যে সব থেকে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত হলো স্টেপল ফুড বা মূল খাবার; বাঙালির চাল, আটা আর ইউরোপীয়দের গম, আলু। এগুলো, পারলে, মানুষ মাছ, গোশত, ডাল, তরিতরকারিসহ খায়। মানুষকে র‌্যাশনাল অ্যানিমল বা যুক্তিবাদী প্রাণী বলেছেন অ্যারিস্টটল। বার্ট্রান্ড রাসেল এ কথা মানতে নারাজ। তিনি বলেন, মানুষ র‌্যাশনাল হলে লোহার চেয়ে সোনাকে বেশি দাম দিত না। মানুষ যৌক্তিক অথবা অযৌক্তিকভাবে যেসব জিনিসকে বেশি দাম এবং গুরুত্ব দেয় সেগুলোকেই তার প্রিয় বস্তু বলে ধরতে হয়।
Nature
পৃথিবীতে ধরতে গেলে সব জিনিসই আক্রা। অঢেল বলতে কিছু নেই। বাংলাদেশে অধিক বৃষ্টিপাত এবং নদীনালা খালবিলের জন্য পানি অঢেল মনে হতে পারে। কিন্তু বাংলাদেশে সুপেয় পানির যথেষ্ট অভাব রয়েছে। লোকসংখ্যা বৃদ্ধির চাপে সমুদ্র তীরবর্তী এলাকায় বাংলাদেশের কয়েক কোটি দুর্ভাগা মানুষ বাস করে। ওইসব জায়গায় খাদ্যোৎপাদন তো বটেই_ রান্না, খাওয়া, গোসল প্রভৃতি স্বাভাবিকভাবে চালিয়ে যাওয়া কষ্টকর। বাংলাদেশের ওইসব জায়গায় কারো বসবাস করা ঠিক নয়।

তারুণ্য ও মানসিক স্বাস্থ্য

স্বপ্ন ও সম্ভাবনাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে যুবশক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। আত্মপ্রত্যয়ী যুব সমাজ একটি দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি বদলে দিতে পারে। আনতে পারে ইতিবাচক পরিবর্তন। তারুণ্যের সম্ভাবনাকে বৈশ্বিক সমাজের সামনে তুলে ধরতে প্রতি বছর ১২ আগস্ট আন্তর্জাতিক যুব দিবস হিসেবে পালিত হয়। এই দিবস পালনের উদ্দেশ্য হলো যুবকদের ঘিরে থাকা সাংস্কৃতিক ও আইনি বিষয়গুলোতে বিশ্ববাসীর মনোযোগ টেনে নেওয়া। এ ছাড়া বিশ্বব্যাপী যুবকরা যেসব চ্যালেঞ্জ ও প্রতিকূলতার মুখোমুখি হচ্ছে, সে ব্যাপারে তাদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করাও এ দিবস পালনের উদ্দেশ্য।
dhfhf
১৯৯৮ সালের ৮ থেকে ১২ আগস্ট পর্তুগালের লিসবনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের যুববিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের নিয়ে একটি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ১২ আগস্টকে আন্তর্জাতিক যুব দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব করা হয়। ১৯৯৯ সালের ১৭ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ রেজুলেশন ৫৪/১২০-এর মাধ্যমে এ প্রস্তাবকে সমর্থন করে। এর পর ২০০০ সাল থেকে প্রতি বছর ১২ আগস্ট আন্তর্জাতিক যুব দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

Md. Rowshon Alam's picture

ক্যান্সারমুক্ত পৃথিবী গড়ি

কিছু কিছু রোগ বা ইনফেকশনের সৃষ্টি হয় মাইক্রবস বা অণুজীব বা জীবাণু দ্বারা (ব্যাকটেরিয়া, ফাঙ্গাস, প্রটোজোয়া, ভাইরাস)। সেই রোগ বা ইনফেকশনগুলো হচ্ছে যেমন নিউমোনিয়া, ইনফ্লুয়েঞ্জা ও টিউবারকোলসিস বা যক্ষ্মা। এক সেঞ্চুরি আগেও এই রোগগুলো কোনো সাধারণ রোগ ছিল না, ছিল বরং ভয়ানক আতঙ্কিত ও অপ্রতিরোধ্য। এগুলো আমাদের এনসেসটার বা পূর্বপুরুষদের অমূল্য জীবনকে নিমিষেই কেড়ে নিত। কারণ এই অসুস্থতাগুলোর বিরুদ্ধে কোনো কার্যকরী প্রতিষেধক তখনো আবিষ্কৃত হয়নি।

Md. Rowshon Alam's picture

ক্যান্সারমুক্ত পৃথিবী গড়ি

কিছু কিছু রোগ বা ইনফেকশনের সৃষ্টি হয় মাইক্রবস বা অণুজীব বা জীবাণু দ্বারা (ব্যাকটেরিয়া, ফাঙ্গাস, প্রটোজোয়া, ভাইরাস)। সেই রোগ বা ইনফেকশনগুলো হচ্ছে যেমন নিউমোনিয়া, ইনফ্লুয়েঞ্জা ও টিউবারকোলসিস বা যক্ষ্মা। এক সেঞ্চুরি আগেও এই রোগগুলো কোনো সাধারণ রোগ ছিল না, ছিল বরং ভয়ানক আতঙ্কিত ও অপ্রতিরোধ্য। এগুলো আমাদের এনসেসটার বা পূর্বপুরুষদের অমূল্য জীবনকে নিমিষেই কেড়ে নিত। কারণ এই অসুস্থতাগুলোর বিরুদ্ধে কোনো কার্যকরী প্রতিষেধক তখনো আবিষ্কৃত হয়নি। আরো জেনে অবাক হতে হয় যে, ১৯০০ সালের দিকে আমেরিকাতেও সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা যেত মাইক্রোবাইল ডিজিজের মাধ্যমে অর্থাত্ নিউমোনিয়া, ইনফ্লুয়েঞ্জা ও যক

Md. Rowshon Alam's picture

জেনে রাখা ভালঃ কার্সিনোজেন, ফরমালিন ও ক্যান্সার

কিছু কিছু রোগ বা ইনফেকশনের সৃষ্টি হয় মাইক্রবস বা অণুজীব বা জীবাণু দ্বারা (ব্যাকটেরিয়া, ফাঙ্গাস, প্রটোজোয়া, ভাইরাস)। সেই রোগ বা ইনফেকশনগুলো হচ্ছে যেমন নিউমোনিয়া, ইনফ্লুয়েঞ্জা ও টিউবারকোলসিস বা যক্ষ্মা। এক সেঞ্চুরি আগেও এই রোগগুলো কোনো সাধারণ রোগ ছিল না, ছিল বরং ভয়ানক আতঙ্কিত ও অপ্রতিরোধ্য। এগুলো আমাদের এনসেসটার বা পূর্বপুরুষদের অমূল্য জীবনকে নিমিষেই কেড়ে নিত। কারণ এই অসুস্থতাগুলোর বিরুদ্ধে কোনো কার্যকরী প্রতিষেধক তখনো আবিষ্কৃত হয়নি। আরো জেনে অবাক হতে হয় যে, ১৯০০ সালের দিকে আমেরিকাতেও সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা যেত মাইক্রোবায়াল ডিজিজের মাধ্যমে অর্থাৎ নিউমোনিয়া, ইনফ্লুয়েঞ্জা ও যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয়ে (ন্যাচার ম্যাগাজিন, ২৯শে মে, ২০১৪)। শত বছর আগে এই রোগগুলো সাড়া পৃথিবীজুড়েই ছিল আতঙ্কের এবং জীবনঘাতী। এখন তা আর ভয়ানক বা মহামারী কিছু নয়। খুব সাধারণ রোগ এগুলো এখন। কারণ এন্টিবায়োটিক ও অন্যান্য আধুনিক মেডিসিন আবিষ্কারের ফলে মাইক্রোবায়াল ডিজিজগুলোকে মহামারী পর্যায় থেকে নামিয়ে একেবারে নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আনা সম্ভবপর হয়েছে।

Syndicate content