বলা হয়ে থাকে, সংসদীয় গণতন্ত্রের হাত অনেক লম্বা। আবার এটাও বলা হয়ে থাকে, ব্রিটিশ গণতন্ত্রের শক্তি এতটাই বেশি যে নারীকে সে কেবল পুরুষ আর পুরুষকে নারীতে রূপান্তরিত করতে পারে না। তাছাড়া সব ক্ষমতাই রয়েছে ব্রিটিশ গণতন্ত্রের। এটা শুধু সেকাল থেকে বলে আসা কথার কথা নয়, বাস্তবেও সংসদীয় গণতন্ত্রের বিজয় পতাকা উড্ডীন ছিল বিশ্বব্যাপী। সংসদীয় গণতন্ত্র বজায় রেখে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভূখ-কে শত শত বছর শাসন করেছে। তাদের উপনিবেশ ছিল পৃথিবীর এক-চতুর্থাংশজুড়ে। কিন্তু শত শত বছর আগে গণতন্ত্রের যাত্রা ব্রিটেন থেকে শুরু হলেও সেই সূচনাকালে কখনই 'ষড়যন্ত্রের হাতও যে বিরাট লম্বা ও শক্তিশালী', সে কথাটা ভাবা হয়নি। যতই দিন গড়িয়েছে ততই ষড়যন্ত্রের শক্তি ও তার লম্বা হাতের পরিচয় মানবজাতির সামনে পরিষ্কার হয়েছে। অবস্থা এমন হয়েছে, পৃথিবীর কোন কোন দেশ পরিচিতিই পেয়েছে ষড়যন্ত্রের দেশ হিসেবে। ক্ষমতায় যাওয়ার অন্যতম সিঁড়ি হয়ে দাঁড়িয়েছে_ ষড়যন্ত্র। পাকিস্তান নামে দেশটির ইতিহাস যদি পর্যালোচনা করা যায়, তাহলে ষড়যন্ত্রের শক্তি ও লম্বা হাতের পরিচয়ই পরিস্ফূট হয়ে উঠবে। ক্ষমতায় যাওয়ার একমাত্র উপায় হয়ে দাঁড়িয়েছে সেখানে ষড়যন্ত্র। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ৪০ বছর পেরিয়েছে। এই ৪০ বছরে বেশ কয়েকবার ষড়যন্ত্র হয়েছে বড় আকারে। তবে শেষ বিচারে জনতার ইচ্ছা-অনিচ্ছাই প্রাধান্য পেয়েছে সবার উপরে। অর্থাৎ যারা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জনগণের মতামতের তোয়াক্কা না করে ক্ষমতা হস্তগত করেছিল জনতার বিদ্রোহ এবং রায়েই একদিন তাদের ক্ষমতার মঞ্চ থেকে বিদায় নিতে হয়েছে। পাকিস্তানের মতো তা স্থায়ী রূপধারণ করতে পারেনি। বাঙালি গণতন্ত্রপ্রিয়_ এ কথা বারবার প্রমাণিত হয়েছে।
তবু ষড়যন্ত্রকারী বা ক্ষমতার মোহে যারা অন্ধ তারা ওই সত্যটা বুঝতে চায় না। সেজন্য তাদের খেসারতও দিতে হয়েছে প্রতিটি বার। ১৯ ও ২০ জানুয়ারি প্রকাশিত ও প্রচারিত খবরে দেশবাসী জানতে পেরেছিল দেশে এক ভয়ঙ্কর ষড়যন্ত্র হয়েছিল। ষড়যন্ত্রের সূতিকাগার ছিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে। এই বাহিনীর পক্ষ থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে দেশবাসীকে জানানো হয়েছিল_ সেনাবাহিনীতে কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত কিছু সেনাসদস্য গভীর ষড়যন্ত্র করেছিল বর্তমান ক্ষমতাসীন গণতান্ত্রিক সরকার উচ্ছেদ করার। কিন্তু আমাদের সেনাবাহিনী অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে সেই ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিতে সক্ষম হয়েছে। তখনই বলা হয়েছিল, ষড়যন্ত্রকারী কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং কিছু সদস্য পালিয়ে যেতে পেরেছে। তাদের অবিলম্বে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। পরে সেই ষড়যন্ত্র বা ক্যু সম্পর্কে যেসব খবর সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে, তাতে ষড়যন্ত্রটি ছিল ব্যাপক এবং শিকড় ছিল বেশ গভীরে। অর্থাৎ গণতান্ত্রিক সরকার উৎখাত করা সেনা নেতৃত্বের আমূল পরিবর্তন করা এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করে ষড়যন্ত্রকারীদের শাসন দেশে প্রতিষ্ঠিত করাই ছিল ক্যু-কারী নেতাদের মূল লক্ষ্য। আর এই লক্ষ্য অর্জনে যারা নীলনকশা প্রণয়ন করে গভীর ষড়যন্ত্র এঁটেছিল, তারা ইসলামী মৌলবাদী গোষ্ঠীর লোক! তারা আন্তর্জাতিক কোন জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে জড়িত বলেও সন্দেহ করা হয়েছে। এই ষড়যন্ত্রের রহস্য উদ্ঘাটনের উদ্দেশে এরই মধ্যে পাঁচটি তদন্ত কমিশন কাজ শুরু করেছে। তাই সেনাবাহিনীতে ষড়যন্ত্র ও সরকার উৎখাতের ওই ঘটনা নিয়ে তদন্ত চলাকালে সংবাদপত্রে বেশি লেখালেখি-মন্তব্য-বিশ্লেষণ না করাই শ্রেয়। দেশবাসী দারুণভাবে আস্থা রাখে সেনাবাহিনীর ওপর। তারা প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন করতে সক্ষম হবে। তবে অতীতে বেশিরভাগ তদন্ত রিপোর্টই আলোর মুখ দেখেনি। জনগণ আশা করে, এবারের এই তদন্ত রিপোর্ট দেশবাসী অচিরেই জানতে পারবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তেমন পদক্ষেপ নিশ্চয়ই গ্রহণ করবে। কেননা মানুষের অধিকার রয়েছে গভীর এই ষড়যন্ত্রের প্রকৃত রহস্য জানার।
সরকারের বিরুদ্ধে, এমনকি দেশের বিরুদ্ধেও ষড়যন্ত্র রয়েছে সেই প্রথম থেকেই। আওয়ামী লীগ ও তার সমমনা রাজনৈতিক শক্তি যখনই জনগণের রায়ে ক্ষমতায় এসেছে তখনই ষড়যন্ত্রকারীরা অতিমাত্রায় তৎপরতার চালিয়েছে। একাত্তরের স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে গত ৪০ বছরে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র কম হয়নি। দেশের একটি মহল সেদিন স্বাধীনতা চায়নি। রীতিমতো তারা সশস্ত্র যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছিল স্বাধীনতার বিরুদ্ধে। ৪০ বছর পরে এসে তাদের শক্তি ও বিস্তৃতি বহু গুণ বেড়েছে। বলা যায়, গাণিতিক হারে। সে তুলনায় স্বাধীনতায় যারা বিশ্বাসী তাদের মধ্যে দ্বিধাবিভক্তি বেড়েছে কয়েক গুণ। অনৈক্য তাদের শক্তির মধ্যে এমনভাবে বাসা বেঁধেছে, স্বাধীনতার পক্ষের শক্তিই এখন নির্জীব হয়ে পড়েছে। অথচ দেশের ১৬ কোটি লোকের হিসাবে স্বাধীনতার প্রতি আস্থাশীল মানুষের সংখ্যাই বেশি। কিন্তু অনৈক্য, দ্বিধাবিভক্তির কারণে এই বিশাল শক্তি আজ স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের হাতে মার খাচ্ছে। বর্তমান আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার মাত্র এক মাসের মধ্যেই বিডিআরে (বর্তমানে বিজিবিতে) বিদ্রোহ সংঘটিত করা হয়। তাতে প্রায় ৭০ জন অত্যন্ত সম্ভাবনাময় সেনা অফিসার ও অন্যদের নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছিল। মহাজোট সরকার সে ভয়াবহ ষড়যন্ত্র অত্যন্ত ধৈর্য, সাহস ও দক্ষতার সঙ্গে মোকাবিলা করেন সরকার বা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেদিন তিনি সেনাবাহিনীর পাল্টা আক্রমণ করার দাবি অত্যন্ত বিচক্ষণতার সঙ্গে বন্ধ করেছিলেন বলে জীবনহানি যেমন সীমিত হয়েছে, তেমনি সরকার পতনের মতো বড় কোন ঘটনাও ঘটতে পারেনি। তবু দেশের বিভিন্ন স্থানে বিডিআর বিদ্রোহ সীমিত আকারে হলেও ছড়িয়ে পড়েছিল।
বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা ছাড়াও দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিপত্রের যে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি পেয়েছে_ যা এখনো অনেকটাই অব্যাহত রয়েছে। তার পেছনেও দেশীয় ব্যবসায়ীদের একাংশের ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকা- সক্রিয়। দেশের প্রধান বিরোধীদল অব্যাহতভাবে সংসদ অধিবেশন বর্জন করে চলেছে, জামায়াত-শিবির ও গোপন জঙ্গি সংগঠনের হিংস্র তৎপরতা মাঝে মধ্যেই চাঙ্গা করে তোলার পেছনেও রয়েছে কোন কোন বিশেষ মহলের ষড়যন্ত্র। অর্থাৎ ষড়যন্ত্রকারীরা প্রতি পদে এই সরকারের কর্মকা-ে বাধা সৃষ্টি করে চলেছে। গণতান্ত্রিক বিধি-বিধান, রীতি-নীতির তোয়াক্কা না করে বিরোধী মহল সরকারের বিরুদ্ধে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। এমনকি মাঝে মধ্যেই নাশকতামূলক কর্মকা- চালাতেও তারা দ্বিধা করছে না। এদিকে প্রধান বিরোধীদল বিএনপি সরকার উৎখাতের আন্দোলন শুরু করেছে। তাদের নেত্রী খালেদা জিয়া দিনক্ষণ দিয়ে সরকার পতনের ঘোষণা দিচ্ছেন। তাদের সহযোগী দলগুলোও সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করার আন্দোলন করছে। পৃথিবীর কোন গণতান্ত্রিক দেশেই সরকারের মেয়াদের আগে কোন দল এ ধরনের আন্দোলন করে না। তাদের যা কিছু করার তা সংসদের মাধ্যমেই করে। সাবেক তৃতীয় বিশ্বের কিছু কিছু দেশে এ ধরনের অরাজকতা সৃষ্টির আন্দোলন লক্ষ্য করা যায়। তারপরও দেখা যাচ্ছে, পাকিস্তানের বিরোধীদল সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করার সঙ্গে সঙ্গে সংসদেও তাদের সদস্যরা যথাযথ ভূমিকা পালন করছে। অথচ বিশ্ববাসী জানে পাকিস্তানের রাজনীতি কত বেশি নৈরাজ্যকর। সে তুলনায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিম-লকে বিষাক্ত করার পরও দেশে গণতন্ত্রের চর্চা অব্যাহত রাখার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে দেশের আপামর মানুষ সর্বদাই গণতন্ত্রের পক্ষে সোচ্চার।
এটা জানা ও বোঝা সত্ত্বেও প্রচ- ক্ষমতার লোভে স্বাধীনতালাভের পর থেকে এ পর্যন্ত অনেকবার সামরিক ছাউনিতে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের চেষ্টা হয়েছে। দু'বার দুই জেনারেল তো ক্যু'র মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে প্রায় ১৪ বছর দেশ ও সরকার চালিয়েছে। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে সপরিবারে হত্যা করে যেসব সামরিক ব্যক্তি ক্ষমতা দখল করেছিল, তাদের পেছনে নাটের গুরু ছিলেন তৎকালীন সেনাবাহিনীর উপ-প্রধান জিয়াউর রহমান। পরে তিনিই পর্দার আড়াল থেকে বেরিয়ে এসে সেনাপ্রধান হয়ে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে জেঁকে বসেন। ক্ষমতায় বসে তিনিই দেশের বেশ কয়েকটি ক্যান্টনমেন্টে মিনি ক্যু'র প্রচেষ্টা চালিয়ে শত শত অপছন্দনীয় সেনা অফিসার নিধন করেন। প্রচার করা হয়, সেনা অভ্যুত্থানের প্রচেষ্টা নস্যাৎ করা হয়েছে। আবার কোন কোনটার প্রচার গোপন রাখা হয়। সেনাসদস্যদের নিয়ে এমন অনেক দাবা খেলার চালেই একদিন মাসুল দিতে হয় সেই সাবেক সেনাপ্রধান ও পরে 'হ্যাঁ-না' ভোটের মাধ্যমে এবং পরে একতরফা নির্বাচনে 'বিজয়ী' রাষ্ট্রপতিকে। নৃশংসভাবে নিহত হতে হয় সেনাসদস্যদের হাতেই। এরপর মাত্র দুই বছর পার না হতেই আবার ক্ষমতা দখল করেন সে সময়ের সেনাপ্রধান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। তিনি প্রায় ৯ বছর ক্ষমতা অাঁকড়ে থাকেন। সম্মিলিত রাজনৈতিক শক্তি ও জনতার বিক্ষোভ-প্রতিবাদের মুখে একদিন তাকেও ক্ষমতা ছাড়তে হয়। তাই এ কথা সত্যি, স্বাধীনতার পর গত ৪০ বছরে সেনাছাউনিতে ক্ষমতা দখলের যতগুলো ষড়যন্ত্র হয়েছে_ যাতে শত-সহস্র সেনাসদস্য নিহত হয়েছে, তার কোনটাই প্রকৃত অর্থে নস্যাৎ করার উদাহরণ দেখাতে পারেনি সেনাবাহিনী বা ক্ষমতাসীন সরকার। সেদিক দিয়ে বিচার করলে এবারই অর্থাৎ সাম্প্রতিককালের সেনাবাহিনীর একাংশের এ ক্যু প্রচেষ্টা বা ক্ষমতা দখলের ষড়যন্ত্র সেনাবাহিনী অত্যন্ত সাহস ও দক্ষতার সঙ্গে নস্যাৎ করতে সক্ষম হয়েছে। এটা নিঃসন্দেহে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইতিহাসে একটি অনন্য কৃতিত্বপূর্ণ উদাহরণ। তবে সেনাবাহিনীকে মনে রাখতে হবে_ ষড়যন্ত্রকারীদের হাত কিন্তু অনেক লম্বা।
একটি পত্রিকার খবরেই বলা হয়েছে, ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত কিছু লোক ধরা পড়লেও বা কিছু লোক পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও তাদের ষড়যন্ত্র একেবারে থেমে যায়নি। সেনাবাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মিডিয়ায় ষড়যন্ত্র না থেমে যাওয়ার কথাই বলেছেন। ধরা পড়েনি এমন সেনাসদস্যরা মরণ কামড় দিতে পারে। সরকার পরিবর্তনের মতো বড় কোন অঘটন ঘটাতে না পারলেও সেনাছাউনি বা দেশে চরম কোন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে_ এমন আশঙ্কা দেশের প্রতিটি রাজনীতি-সচেতন মানুষের। ষড়যন্ত্রকারীরা কতখানি হিংস্র ও দুঃসাহসী, তারা ব্যাপক নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে থেকেও ষড়যন্ত্রের জাল তৈরি করেছিল_ যার পরিনাম হয় বিজয় অর্জন নয়তো রক্তপাত। সে কারণে সেনাবাহিনী ও সরকারকে আরও বেশি সতর্ক হয়ে ষড়যন্ত্রের মূল তৎপরতা ও তার রহস্য খুঁজে বের করতে হবে। আর এ কাজ করতে হবে দ্রুততার সঙ্গে। কালক্ষেপণ মহাক্ষতির সম্ভাবনাই বেশি। কারণ যে মুহূর্তে সেনা অভ্যন্তরে সরকার হটানোর জাল বোনা হয়েছিল সে সময়ই বিএনপি-জামায়াতসহ বিরোধী মহল সরকারের বিরুদ্ধে তুমূল আন্দোলন করার প্রস্তুতি নিয়েছে। তারা রোডমার্চ, মহাসমাবেশ, জঙ্গি হামলা, ঢাকা চলো ও সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করার মতো কঠিন কর্মসূচি গ্রহণ করছে। সেনা অভ্যন্তরে সৃষ্ট ষড়যন্ত্রের সঙ্গে এসব আন্দোলনের কোন যোগসূত্র আছে কি না, সেটাও সরকারের খতিয়ে দেখা উচিত।
দেশকে চরম নৈরাজ্যের মধ্যে নিক্ষেপ করার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চলছে। সরকারের মেয়াদের আর মাত্র দুই বছর বাকি। এ সময়ের মধ্যে সরকারের হাতে রয়েছে বড় বড় কিছু কাজ। বিশেষ করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও গ্রেনেড হামলাসহ বড় বড় কয়েকটি বোমা হামলার বিচারকাজ যদি এই সরকার সম্পন্ন করে যেতে না পারে তাহলে জনগণের কাছে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছেও তাদের জবাবদিহি করতে হবে। তার ওপর দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের অনেকগুলো বড় প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন বা শুরু করার ওয়াদা ছিল। কিন্তু অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, সে ধরনের বড় প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন দূরের কথা, শুরু করতে পারবে কি-না সন্দেহ। যেমন পদ্মা সেতুর কাজ।
সরকার যখন তার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে কিছু বড় প্রকল্পের কাজ সমাধা করার চেষ্টা চালাচ্ছে, তখনই সেনাছাউনিতে গভীর ষড়যন্ত্রের নীলনকশা বাস্তবায়নের কাজ শুরু হতে চলেছিল। সেই সঙ্গে সম্মিলিত বিরোধীমহল সব শক্তি নিয়ে মাঠে নেমেছে সরকারকে নাস্তানাবুদ করে তাকে পদত্যাগে বাধ্য করতে। দেশের কথা, গণতন্ত্রের কথা কারও মাথাতেই নেই। ক্ষমতার লোভ সব দেশপ্রেম ছাপিয়ে উপচে উঠেছে। এ অবস্থায় সরকার ও গণতন্ত্রপ্রিয় সব শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের অশুভ তৎপরতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। গণতান্ত্রিক ও দেশপ্রেমিক শক্তির ঐক্যের কোন বিকল্প নেই।

Comments
www.pickmaxshoes.com Discount Air max 2010 shoes free shipping
50% OFF Price ! Free Shipping accept paypal wholesale and retail. Our company supply high quality Cheap Nike Air Max Shoes , UGG Boots , Air Jordan Shoes , Nike Shox Shoes , Nike Basketball Shoes , Asics Onitsuka Tiger , NFL Jerseys and with factory price . We offer high quality, low price, best service and free shiping! We guarantee that seven days of door-to-door!
Web site: http://www.pickmaxshoes.com
Nike Air Max 90 shoes
Nike Air Max 95 shoes
Nike Air Max 87 shoes
Nike air max 2012 shoes
Nike air max 2011 shoes
Nike Air Max 2010 shoes
Nike Air Max 2009 shoes
Nike Air max 90 mix max 2009 shoes
Buy cheap Air Jordan 4 shoes free shipping Accept Paypal wholesale and retail
Buy cheap Air Jordan 5 shoes free shipping Accept Paypal wholesale and retail
Buy cheap Air Jordan 11 shoes free shipping Accept Paypal wholesale and retail
Buy cheap Air Jordan 13 shoes free shipping Accept Paypal wholesale and retail
UGG Bailey Button Triplet Boots 1873 UGG Boots 1873
UGG Classic Short Boot 5825 UGG Boots 5825
UGG Classic Tall 5815 UGG Boots 5815
UGG Bailey Button Boots 5803 UGG Boots 5803
UGG 5251 Kids UGG Boots 5251
UGG Bailey Button 5991 UGG Boots 5991
Nike Shox Shoes
If any questions, please feel free to contact us!
web site: http://www.pickmaxshoes.com
50% OFF Price ! Free Shipping accept paypal wholesale and retail. Our company supply high quality Cheap Nike Air Max Shoes, UGG Boots , Air Jordan Shoes, Nike Shox Shoes , Nike Basketball Shoes, Asics Onitsuka Tiger, factory price. www.pickmaxshoes.com