Environment

Mir.Abdul.Alim's picture

জলজট নিরসনে চাই পরিকল্পিত নগরায়ন

বৃষ্টি হলেই রাজধানী ঢাকা আর বন্দরনগরী চট্টগ্রাম পানিতে নাকাল হয়। এটা দুই নগরের বহু বছরের পুরনো সমস্যা। এখানকার অধিবাসীদের দুর্ভোগ কেউই লাঘব করতে পারছে না। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের আগে নগরবাসীর কাছে বর্তমান নগর পিতার জলজট নিরসনে ওয়াদা ছিল। আর রাজধানী ঢাকায় তো নগর পিতাই নেই। নগর ভবন আছে দুই-দুইখানা। দলীয় বিবেচনায় আছেন দুজন প্রশাসক। সিটি করপোরেশন ভাগ হয়েছে বহু আগে। বেড়েছে জনবল আর ব্যয়। তাতে কী? এতটুকুও বাড়েনি নগরজীবনের সুখ? অভিভাবক ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে লালিত হচ্ছে রাজধানী ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। তাই স্বল্প বৃষ্টিতেই এখন নাকাল ঢাকা। জলজটের সঙ্গে ঢাকায় আছে যানজটও। বৃষ্টির ময়লা পানিতে ঢাকা ডুবলেও নগরবাসীর পানীয় জলের অভাব কিন্তু লেগে থাকে বছরজুড়েই। এভাবে কি নগর জীবন চলে? ক'দিন ধরে কী দেখছি? জলাবদ্ধতায় ডুবন্ত চট্টগ্রাম। ঢাকা নগরীও পানির তলায়।
rain
ভরসা কোথায়? আদৌ কি নগরজীবনের জলাবদ্ধতা দূর হবে? পরিকল্পিত নগরায়ন হলে জলাবদ্ধতা থাকবে না; ড্যাব বাস্তবায়ন হলে জলাবদ্ধতা থাকবে না; নগরের খালগুলো দখলমুক্ত হলে জলাবদ্ধতা থাকবে না। বাস্তবে রাজধানী ঢাকায় খাল আছে, কোথায় আছে তাই জানে না নগরবাসী। প্রশ্ন হলো, ড্যাব বাস্তবায়ন হলে ভূমিদস্যুদের কী হবে? এক টাকার পুকুর আর জমি কিনে ১০০ টাকায় বেচার স্বপ্ন যে তাহলে তাদের ভেস্তে যাবে। নগরের খালগুলো তো রাঘববোয়ালদের দখলে আছে। এগুলো দখলমুক্ত করে এ সাধ্য কার?

Milton.Biswas's picture

প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় করণীয়

বাংলাদেশের কয়েক লাখ মানুষ এখন পানিবন্দি। টানা কয়েক দিনের বৃষ্টিতে ভাদ্র মাসের প্রথম সপ্তাহে দেশের উত্তরাঞ্চলের তিস্তা অববাহিকার ১৫টি জেলার লাখ লাখ মানুষ মানবিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছে। গেল সপ্তাহের ভারী বর্ষণ আর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সময় এসেছে বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর। বন্যার কারণে দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প লালমনিরহাটের হাতিবান্ধার তিস্তা ব্যারেজ এলাকায় রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। আরো কয়েক দিন সারা দেশে ভারী বর্ষণ হলে এসব এলাকার নদ-নদীর পানি আরো বৃদ্ধি পেতে পারে। ফলে এসব এলাকায় স্থায়ী বন্যার আশঙ্কাও সঙ্গত কারণে অমূলক নয়।
bangladesh
সুতরাং বর্তমান পরিস্থিতিকে বেশ গুরুত্বের সঙ্গেই বিবেচনা করতে হবে। বন্যার দুর্যোগ মোকাবিলা করার ত্বরিত উদ্যোগ নেওয়া দরকার। অন্যদিকে ১৮ আগস্টের সংবাদ থেকে জানা গেছে, ভারতের আসামের উত্তরাখন্ড বন্যায় মৃতের সংখ্যা শতাধিক ছাড়িয়েছে। সেখানকার পরিস্থিতির অবনতি আমাদেরও উৎকণ্ঠিত করে। কারণ একই নদীর প্রবাহ রয়েছে উভয় দেশে।

Ainun.Nishat's picture

নদী ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ নেপাল ভারত সমন্বিত উদ্যোগ চাই

কয়েকদিন আগে সব পত্রিকাতেই একটি খবর দেখলাম। খবরটি হলো, পানিবিদ্যুৎ কেনার ব্যাপারে নেপাল ও বাংলাদেশের উচ্চ পর্যায়ে সরকারি কর্মকর্তাদের বৈঠক হয়েছে। ওই বৈঠকে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় তথা যৌথ নদী কমিশনের উপস্থিতি ছিল কি-না তা বুঝতে পারলাম না। হয়তো ছিল, হয়তো ছিল না। যেহেতু খবরে তাদের কথা উল্লেখ নেই, তাহলে ধরে নেওয়া যায়, তাদের উপস্থিতি কোনো মুখ্য ভূমিকার জন্য ছিল না। একই সঙ্গে আমার মনে প্রশ্ন জেগেছে, ওই বৈঠকে ভারত কেন অনুপস্থিত ছিল? গঙ্গাসহ কয়েকটি প্রধান নদী নেপাল, ভারত ও বাংলাদেশ_ তিন দেশের মধ্যে প্রবাহিত হয়েছে। অথবা নেপালের নদীগুলো ভারত-বাংলাদেশের নদীর উপনদী হিসেবে অবদান রাখছে। তিন দেশের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও একত্রিত সিদ্ধান্ত প্রয়োজন, সে কথাও সবাই বলার চেষ্টা করে আসছি। এখন নেপাল ও বাংলাদেশের মধ্যে পানিবিদ্যুৎ বিষয়ক আলোচনায় ভারতের অনুপস্থিতির বিষয়টি আমরা যারা পানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে ভাবি, তাদের জন্য বিশেষ উদ্বেগের কারণ।
River
আমরা সবসময় বলে আসছি, একটি নদীর পানির ব্যবস্থাপনা হতে হবে অববাহিকাভিত্তিক। অর্থাৎ নদীটা যেখানে শুরু হলো, সেখান থেকে যেখানে শেষ হলো, অর্থাৎ সাগরে। সেই পর্যন্ত একটি সম্পূর্ণ পরিকল্পনায় আনতে হবে।

Mir.Abdul.Alim's picture

নতুন ভবন হেলে পড়ছে :ভূমিকম্প হলে কী হবে?

দেশে ভবন ধসের ঘটনা বেড়েই চলছে। একটি ভবন আরেকটির গায়ে হেলে পড়ছে। ধসে পড়ছে ভবন। ভবনের দেয়ালে। মেঝেতে ফাটল দেখা দিচ্ছে। ইতোপূর্বে ভবন ধসে বহু হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে। এর বড় উদাহরণ হচ্ছে সাভারের রানা প্লাজা, রাজধানীর বেগুনবাড়ী ও পূর্ব নাখালপাড়ার ভবন ধস। সর্বশেষ ১২ আগস্ট ভোরে পুরান ঢাকার বংশালের ৯৯/১ সিদ্দিকবাজারে চারতলা একটি ভবনে ফাটল দেখা দেয় এবং হেলে পড়ে। এ খবর পেয়ে পুলিশ এসে দ্রুত ভবন থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে দেন। ফলে হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। ঐ ভবনটিতে ফাটল দেখা দেয়ার পর পাশের আরো দুটি টিনশেড ঘরেও ফাটল দেখা দেয়। ঐ ৩টি ভবন সিলগালা করে দিয়েছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)।
Building
এর আগে ২৭ মে, ২০১৪তে রাজধানীর কল্যাণপুরে হেলে পড়ে মিজান টাওয়ার। এভাবে কোন প্রকার ভূমিকম্প ছাড়াই দেশের বিভিন্ন স্থানে ভবন হেলে পড়ছে; ধসে পড়ছে। সমপ্রতি কালে এ প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। কারণ ব্যাপক নির্মাণ ত্রুটি নিয়ে দেশে অসংখ্য বাড়ি-ঘর নির্মাণ করা হয়েছে এবং হচ্ছে। আছে জরাজীর্ণ ভবন। ভূমিকম্পজনিত কোন কারণ ছাড়াই যখন এসব ভবন হেলে পড়ে তখন প্রশ্ন, ভূমিকম্প হলে কী হবে?

Hasnat.abdul.Hai's picture

নদীতে মৃত্যু

নদীমাতৃক বাংলাদেশ। অসংখ্য নদ-নদীর এই দেশে অনেকের জীবন ও জীবিকা গড়ে উঠেছে নদীকে কেন্দ্র করে। যারা জীবিকার জন্য প্রত্যক্ষভাবে নদীর ওপর নির্ভর করে না, তারাও নানাভাবে নদীর উপকার গ্রহণ করে। মানুষের যাতায়াতের জন্য নদী ভূমিকা রেখেছে আবহমানকাল থেকে। নৌকা, লঞ্চ, স্টিমার নৌপথের বাহন হিসেবে বহুল ব্যবহৃত। কোনও কোনও গন্তব্যে এসব যানবাহন ছাড়া অন্য বিকল্প নেই। বাস, ট্রেনের সংখ্যা বাড়লেও নদীপথে যাতায়াতের ওপর এর প্রভাব পড়েনি। চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নদীপথে যাতায়াতের মাধ্যমগুলোর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। নৌকা, লঞ্চ, স্টিমারের উপস্থিতির জন্য খোলামেলা নদীর দৃশ্য এখন বিরল।
lonch
নদীপথে যাতায়াত যেমন বেড়েছে, তেমনি বৃদ্ধি পেয়েছে নদীতে দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু। প্রতি বছরই নৌকা আর লঞ্চডুবিতে মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। নৌকাডুবিতে মারা যায় কয়েকজন, লঞ্চডুবি হলে মৃত্যুর শিকার হয় শত শত। মৃতের এ সংখ্যার জন্যই প্রতিটি লঞ্চডুবি হয়ে দাঁড়িয়েছে এক নিদারুণ ট্র্যাজেডি। এমনি এক ট্র্যাজেডি সংঘটিত হলো পদ্মায়, মাওয়া নদীবন্দরের অদূরে। প্রায় দুই শতাধিক যাত্রী নিয়ে পিনাক-৬ নামের লঞ্চ নিখোঁজ। নিখোঁজ যাত্রীদের জীবিত দেখার আশা ছেড়ে দিয়েছে তাদের আত্মীয়স্বজন।

Ajay.DasGupta's picture

পদ্মা সর্বনাশী (!) নাকি দায় মানুষের?

বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রস্তুতি পর্বে স্লোগান ছিল_ 'পদ্মা-মেঘনা-যমুনা তোমার আমার ঠিকানা।' আমাদের নিত্যদিনের জীবনে নদীর গুরুত্ব বোঝাতে এর চেয়ে ভালো স্লোগান আর কীবা হতে পারে! আমাদের প্রধান নদ-নদীর মধ্যে সবচেয়ে বড় ব্রহ্মপুত্র। পদ্মা-মেঘনাও বড় নদী। আরও আছে সুরমা, কুশিয়ারা, বাঙালি, তিস্তা, ধরলা, পুনর্ভবা, গড়াই, কপোতাক্ষ, মহানন্দা। কত সুন্দর সুন্দর নাম!
padma
মাওয়ার কাছে প্রমত্ত পদ্মায় ৪ আগস্টের লঞ্চডুবির পর শত শত পরিবারের কাছে এ নদীটি কেবলই সর্বনাশী। এভাবে মেঘনা, যমুনা, ব্রহ্মপুত্র বা পায়রা কিংবা বিষখালী নদ-নদী যখন কারও বুকের ধন টেনে নেয়, তখন বুকের মধ্যে যে হাহাকার চলতে থাকে তা যেন নদীর মতোই বহমান। কখনও থামে না। এসব নদ-নদী আমাদের পরিবেশ রক্ষা করে, সেচের পানির জোগান দেয়, মাছের ভাণ্ডার হিসেবে কাজ করে। যাতায়াত ও মালপত্র পরিবহনের জন্যও নদীপথের গুরুত্ব অপরিসীম।

প্রকৃতির বৈরিতা বেড়েই চলেছে

আজ সারা বিশ্বে হাহাকার উঠেছে প্রকৃতির জন্য এ ধরার বুকে মানুষ নামের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রাণীটি বেঁচে থাকবে কি না। তবে এ জন্য প্রকৃতি নিজে দায়ী নয়। মানুষ নিজেই তার কর্মকাণ্ডে এ ধ্বংস ডেকে আনছে। কিছু ভোগবাদী মানুষের অর্থের লোলুপতার জন্য আজ এ হাল। বিগত পঞ্চাশের দশকে দেখেছি, পৌষের শেষ মাঘের প্রথমে পশলা বৃষ্টি হতো। তাতে রবিশস্যের উৎপাদন ভালো হতো। আবার বর্ষাকালে বৃষ্টি ও বন্যা স্বাভাবিক ছিল। আমন ধানের ফুল আসার আগ মুহূর্তে থোড়ে পানির প্রয়োজন হতো এবং তখন পরিমিত বৃষ্টি হতো। স্বাভাবিক যে বন্যা হতো তাতে জমিতে প্রচুর পলিমাটি পড়ায় উর্বরতা বাড়ত।
bangladesh
আর বর্তমানে যখন বৃষ্টির প্রয়োজন নেই তখন মুষলধারে বৃষ্টি হয়। যখন বৃষ্টির পানির প্রয়োজন, তখন ধান ও অন্যান্য ফসলের ক্ষেত ফেটে চৌচির। বন্যায় ফসল নষ্ট করে। ঝড়-জলোচ্ছ্বাস এসে মানুষের জান-মালসহ সর্বস্ব ধ্বংস করে দিয়ে যায়। এখন মরু অঞ্চলেও বৃষ্টিতে বন্যা হচ্ছে। কয়েক বছর আগে হজ মওসুমে সৌদি আরবে প্রবল বন্যায় শতাধিক লোক মারা গেছে। আরব আমিরাতেও কিছু দিন আগে অস্বাভাবিক বৃষ্টিতে বন্যা হয়েছে।

Ahmed.Rafiq's picture

অভিভাবকহীন সমাজে নদী ও মানুষ বড়ই অসহায়

'চিত্রা' আমার কৈশোরের স্বপ্ননদী, তারুণ্যের ভালোবাসা। চিত্রার স্বাচ্ছন্দ্য স্রোতে লঞ্চ আর স্টিমারের বাঁশি যেন দূরযাত্রার আহ্বান, যদিও যাত্রা আসলে খুব দূরের ছিল না। চিত্রা নদী তখন মনের খুশিতে বয়ে চলেছে- দুই তীরের তাল, নারিকেল, খেজুরগাছের ছায়া বুকে ধরে। গাছগাছালির প্রাকৃত সৌন্দর্যে নদীতীরের শহরগুলোকেও মনে হয়েছে আধাগ্রাম। চিত্রাতীরের শহর ও গঞ্জগুলো সম্পর্কেও একই কথা খাটে।
ইইইক
বাংলা সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ থেকে শুরু করে অত্যাধুনিককালের লোকদের হাতেও নদী ও জলস্রোত জীবনপ্রবাহের বিশেষ রূপ নিয়ে ধরা পড়েছে। নদীমাতৃক উপন্যাসের সংখ্যা অপেক্ষাকৃত কম হলেও গুণমানে ওরা কালজয়ী। আর ছোটগল্পে নদী ও নদীতীরের জীবন-জনপদ তো হরহামেশার নান্দনিক পরিচর্যার বিষয়। ইহজাগতিক ও নান্দনিক উভয় দিকে নদী ও জলস্রোত বাংলাদেশি জীবনে প্রাণের স্রোত হিসেবে বিবেচ্য। অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক- সর্বদিক বিবেচনায়।

পানিতে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা

ভেবে দেখেন তো প্রতিদিন কত পরিমাণ পানি আপনি অপচয় করেন। আপনার পরিবারের সদস্য যারা, কী পরিমাণ পানি অপচয় করছেন। আমরা পানির অপচয় যদি রুখতে না পারি, এই মূল্যবান পানি একসময় চরম রুষ্ট হয়ে আমাদের থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেবে, দেখে নেবেন।

আপনার উঁচু তলার ফ্ল্যাট থেকে নীচের অসহায় মানুষের দিকে ফিরে তাকালে আপনি নিশ্চয় দেখবেন পানি না পাওয়ার কী নিদারুণ কষ্টে তারা ভুগছে। এটাই সত্যি মুষ্টিমেয় মানুষ ছাড়া আমরা সকলে পানির যথেচ্ছাচার ব্যবহার করি। ইস্ পানি না পাওয়ার যন্ত্রণা যদি বুঝতাম!

ভানু ভাস্কর's picture

মাইক সংস্কৃতিঃ ভ্রুক্ষেপহীন গোঁড়ামী সম্বন্ধীয় ক্যাঁচাল

মসজিদে নামাজ চলছে। ধর্মপ্রাণ মুসলমানের অখন্ড মনযোগের এই প্রার্থনা সভা হতে মনযোগ বিনষ্ট হয়ে গেল। সর্বশক্তিমান আল্লাহকে স্মরনে ঘটল ব্যাঘাত। বাইরে মাইকের সুতীব্র আওয়াজ; ঘোষিত হচ্ছেঃ হজরত অমুক, যিনি জাহানের বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ; নাম জানা, না জানা অনেক অনেক টাইটেলের পিন্ডি চটকিয়ে আমাদের মাঝে হাজির হবার খায়েশ করেছেন, চেঁচাবেন বলে। চেঁচাবার সে অনুষ্ঠানের নাম ওয়াজ।

Syndicate content