Entertainment

shorof's picture

"পড়ে না চোখের পলক, কী অপরূপ প্রকৃতির ঝলক"

La.jpg
বাসা থেকে ফুরফুরে মেজাজে বের হলাম। পথে এক মধ্যবয়সী মুরব্বী টাইপ লোকের সাথে দেখা। লোকটি আমার পূর্ব পরিচিত। লোকটির সাথে দেখা হলে হরহামেশাই কিছু একটা নিয়ে কথা হয়। কেমন আছি, কোথায় যাচ্ছি, সময় কেমন কাঁটছে- এই ধরনের কথাবার্তা। আমি লোকটিকে বেশ শ্রদ্ধার চোখেই দেখি। লোকটির সাথে সকালবেলা কখনোই দেখা হয়না। আজ দেখা হতেই তিনি জিজ্ঞেস করলেন- "কোথায় যাচ্ছ?"

টয়লেট টিস্যুর চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাস

Bangladesh Pratidin

টয়লেট টিস্যুর সাথে সংবাদপত্রের তুলনা করার ধৃষ্টতা আমাদের নেই। কোন নাগরিকের এটি করাও উচিত নয় কিন্তু এ দুটোর সাথে সম্পর্কের বাস্তবতা থেকে পাঠকদের বিরত রাখলে নাগরিক হিসাবে আমরা দায়মুক্ত থাকতে পারবোনা।

বসুন্ধরা গ্রুপের শাহ আলমের দুর্দিন শুরু হয় ১/১১ এর পর থেকে। প্রথম আলোর একের পর এক রিপোর্টে তিনি তখন দিশেহারা। মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পরও যা অব্যহত থাকে। ঠিক এমন একটি সময়ে তার অনুদান গ্রহীতা সাংবাদিকদের একজন মসিহা হিসাবে আবির্ভূত হয়।

tender.png

তার পরামর্শে মুলত ব্যবসায়িক যুদ্ধের প্রতিষেধক হিসাবে প্রতিষ্ঠা হয় একটি পত্রিকা নাম বাংলাদেশ প্রতিদিন। বাজার দখলের জন্য এক উপদেষ্টার পরামর্শে দানবীর শাহআলম ভর্তুকী দিয়ে দুই টাকা মূল্যে পত্রিকা বিক্রিতে সম্মত হয়।

চলচ্চিত্রে রাহুগ্রাস এবং হাসন রাজার ফ্ল্যাটে বসবাস!

চলমান চিত্র, চলচ্চিত্র। একটি জনপ্রিয় শক্তিশালী বিনোদন মাধ্যম। মাইক্রো বিজ্ঞানের কল্যাণে বিনোদনের অনেক যান্ত্রিক উপকরণ আবিষ্কৃত হলেও সিনেমার প্রতি দর্শকদের আকর্ষণ এখনও অব্যাহত আছে। পাশাপাশি নির্মাণ ব্যয় অতিমাত্রায় বাড়লেও চলচ্চিত্র সৃষ্টির অগ্রযাত্রা থামছে না। এখানে বলে রাখা ভালো, দেশের অর্থনীতির মাপকাঠিতে চলচ্চিত্র নির্মাণের সংখ্যা নির্ভর করে না। তবে দেশের রাজনৈতিক অবস্থার অস্থিরতা বা স্থিতিশীলতার ওপর চলচ্চিত্র ব্যবসার ভাগ্য অনেকটা হেরফের হয়ে থাকে—এটা সত্য। আমাদের দেশে সঙ্গীঁত ও চলচ্চিত্রে পাইরেসি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে একথা বলা যায়। পাইরেসি এমন এক পর্যায়ে গেছে, একটি ছায়াছবির পাইরেসি সিন্ডিকেট দমন বাবদ ব্যয় বরাদ্দ রেখে প্রযোজকরা পূর্ণাঙ্গ বাজেট তৈরি করেন। কেননা, পাইরেসি সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত কোন জনপ্রিয় ব্যবসাসফল সম্ভাব্য সিনেমাকে এক সপ্তাহের মধ্যে পথে বসিয়ে দিতে পারে। সরকারের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ বাহিনী নাকি এখানে অসহায়।

ভারতের পুনেতে পুনে ফিল্ম ইনস্টিটিউট, পশ্চিমবঙ্গে সত্যজিত্ রায় ফিল্ম ইনস্টিটিউটসহ আরও অনেক সরকারি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে। চিত্রাভিনেতা অমিতাভ থেকে শুরু করে কিং খান শাহরুখ পর্যন্ত প্রায় সবাই কোনো না কোনো ফিল্ম ইনস্টিটিউট থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। কিন্তু আমাদের দেশে ওরকম কিছু নেই। আল্লাহ প্রদত্ত প্রতিভা আর বাপ-মায়ের দোয়া নিয়ে নায়ক-নায়িকা, শিল্পী, কলাকুশলী আমাদের চলচ্চিত্রাঙ্গনে প্রবেশ করেন। এভাবেই আমরা পেয়েছিলাম নায়করাজ রাজ্জাক, ইলিয়াস কাঞ্চন, সালমান শাহ্, কবরী, শাবানা, শাবনূর এবং হালের নায়ক শাকিব খান।

বাংলাদেশে ভারতীয় চলচ্চিত্র

গণমাধ্যমের বড় একটা অংশজুড়ে আছে চলচ্চিত্র জগৎ। চলচ্চিত্র জগতের অবস্থা অনেকের মতো একটি বিষয় আমাকেও চিন্তিত করে তুলছে। যেভাবে একের পর এক সিনেমা হল বন্ধ হচ্ছে, নির্মিত চলচ্চিত্রগুলো কোথায় প্রদর্শিত হবে!

১৯১০ সালে ঢাকায় প্রথম প্রেক্ষাগৃহ গড়ে ওঠে। চলচ্চিত্রের ঢেউ গিয়ে পড়ে জমিদার ও ধনী ব্যক্তিদের মধ্যে। তারা নির্মাণ শুরু করে বিলাসবহুল প্রেক্ষাগৃহগুলো। ১৯২৪ সালে নির্মিত 'পিকচার প্যালেস' 'রূপমহল' নামে এবং 'মুকুল' 'আজাদ' নামে রূপান্তরিত হয়। ১৯২৭ সালে নির্মিত হয় লায়ন এবং ১৯৩১ সালে মানসী। তবে এ পুরো সময়জুড়ে ছিল নির্বাক ইংরেজি ও ফরাসি ছবির প্রদর্শন। আর কলকাতা থেকে স্টিমারে চলচ্চিত্রের ফিল্ম আসত। স্বাধীন বাংলাদেশে আবারও আসছে ভারতীয় সিনেমা। তবে তখনকার আসা আর এখনকার আসায় অনেক ফারাক রয়েছে। পাকিস্তান আমলে ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধের পর ভারতীয় ছবি, হিন্দি ভাষার ছবি নিষিদ্ধ হয়; এর ধারাবাহিকতা চলে বাংলাদেশেও। এখন বাংলাদেশে রয়েছে নিজস্ব ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি; স্বাধীনতার পর যেটি একটি সফল ইন্ডাস্ট্রি হিসেবে দাঁড়িয়েছিল। অবশ্য আশির দশক থেকে কিছুটা ধস শুরু হয়, যা বর্তমানে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।

Anik Bin Rashid's picture

নির্দোষ কুত্তা কেন নিবে তার দায়ভার ?(ভিন্ন রম্য খবর)

anikrashid201112061323156947_Anikkkkkkkk.jpg
ভিন্ন রম্য খবর:
নির্দোষ কুত্তা কেন নিবে তার দায়ভার ?

কথায় কথায় "কুত্তার লেজ কখনও সোজা হয় না"--এই কথা আর বলা্র সুযোগ নেই !!!
আমরা যখন অন্যজনকে বার বার তার আপন আপন স্বভাব থেকে ফিরাতে ব্যর্থ হই তখন আমরা তার দিকে ধিক্কার দিয়ে, কুত্তার সাথে তুলনা
করে উপরোক্ত প্র্রবাদটা ছুঁড়ে দেই ।
... কিন্তু অপরাধহীন কুত্তা কেন নিবে তার দায়ভার ?

Anik Bin Rashid's picture

আল্লাহর অপরূপ সৃষ্টি।

ভ্রমন মানুষের ঙ্গানকে বৃদ্ধি করে।ভ্রমন আমাদের মনকে ফুরফুরে মেজাজে রাখে।যান্ত্রিক জীবনের যান্ত্রিকতা ভুলতে ভ্রমনের বিকল্প নেই।পবিত্র কোরআনে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন‍ ‘এটা সেই আল্লাহরই সৃষ্টি নৈপুণ্য, যিনি সবকিছুই সৌন্দর্য ও শৃঙ্খলার সাথে সৃষ্টি করেছেন।’ (সূরা নামল, আয়াত ৮৮)। শেখ সাদীর মতে, ‘দুনিয়াতে দু’ব্যক্তি সর্বশ্রেষ্ঠ জ্ঞানী, ভাবুক বা চিন্তাশীল ব্যক্তি এবং দেশ সফরকারী ব্যক্তি।’

» Topics:
Haidar.Akbar.Khan.Rono's picture

গেরিলার রাজনৈতিক তাৎপর্য ও শিল্পমূল্য

স্বাধীনতার ৪০ বছর পর হলেও 'গেরিলা' নামের অসাধারণ চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়েছে। এই চলচ্চিত্রটির নান্দনিক সৌন্দর্য ও শিল্পগুণ অসামান্য। একই সঙ্গে এমন চলচ্চিত্রের রাজনৈতিক তাৎপর্য ও প্রয়োজনীয়তা খুব বেশি। বিশেষ করে এখন যখন নানাভাবে মুক্তিযুদ্ধকে বিস্মৃত ও বিকৃত করার অপচেষ্টা চলছে, তখন এই চলচ্চিত্রের বহুল প্রচার ও প্রদর্শনী খুবই দরকার বলে মনে হয়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ধারাকে যারা সত্যিকার অর্থে এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়, তেমন রাজনৈতিক দল, সংগঠন ও সংস্থাগুলোর উচিত দেশের সর্বত্র এই চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী সংগঠিত করা। এই দায়িত্ব নেওয়া উচিত রাজনৈতিক কর্তব্য হিসেবেই। চলচ্চিত্র নির্মাতা নাসিরউদ্দীন ইউসুফ (বাচ্চু) নিজে অস্ত্রহাতে যুদ্ধ করেছেন। আবার নাট্যশিল্পী ও পরিচালক হিসেবেও প্রতিভাবান। ব্যক্তিগত প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা ও শৈল্পিক প্রতিভা_এই দুয়ের সংমিশ্রণের ফলে আমরা যা পেয়েছি, তা এক অনবদ্য সৃষ্টি।

এর আগেও অনেক মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সিনেমা, মঞ্চনাটক, টিভিনাটক হয়েছে; গল্প, উপন্যাস, কবিতাও আছে। তবে যতটা হওয়া দরকার ছিল, ততটা হয়নি। এটা আমার অভিমত। এর মধ্যে অবশ্যই কয়েকটা বেশ উঁচুমানের, যথেষ্ট উৎকৃষ্ট। কিন্তু বলতে বাধা নেই যে বেশির ভাগ রচনা তেমন মান অর্জন করতে পারেনি। উপরন্তু মুক্তিযুদ্ধের সামগ্রিকতাকে একসঙ্গে ধারণ করা বোধহয় এর আগে সম্ভব হয়নি।

Nazmul_H_Khan's picture

সবুজ শান্তির দেশ হোক বাংলাদেশ - পর্ব(৪) - চাই কৃষিনির্ভর সভ্যতার জাগরণ।

চার হাজার বছরেরও আগে থেকে বাংলার জনপদে মানুষের বসতি গড়ে উঠে। আর, দুই হাজার বৎসর অতিক্রম করে ফেলেছে এই জনপদে বাঙ্গালীর বসবাস। বাঙ্গালী অধ্যুষিত এই জনপদটার নাম হয় বঙ্গ; আর তখন থেকেই শুরু বাঙ্গালী সভ্যতার বিকাশ। কালের ধারাবাহিকতায় বাঙ্গালীরা এই বাংলাকে গড়ে তুলেছিল এক সমৃদ্ধ জনপদে। বিশেষকরে, যখন থেকে এই জনপদটায় কৃষিসভ্যতা আপন মহিমায় বিকশিত হতে শুরু করে।
Agriculture.jpg

Nazmul_H_Khan's picture

সবুজ শান্তির দেশ হোক বাংলাদেশ - পর্ব (৩) - বাংলার প্রকৃতি ও রূপ

Fermer.jpgবাংলাদেশ হচ্ছে পৃথিবীর সর্ব বৃহৎ River Delta । গঙ্গা, মেঘনা ও ব্রহ্মপুত্রের অববাহিকায় পলি জমে গড়ে উঠা এই ব-দ্বীপটা পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা উর্বর জমি নিয়ে গড়ে উঠা একটা দেশ। দেশের জলবায়ুটাও কৃষিকাজের জন খুবই উপযোগী। সবুজের সমারোহ এই বদ্বীপের অনন্য বৈশিষ্ট্য, তাই একে বলা হয় Green Delta । কৃষিকাজের উপযোগিতা বিবেচনা করলে পুরো দেশটাকেই তুলনা করা চলে প্রায় একটা Green House (যেখানে কৃত্রিম পরিবেশ সৃষ্টি করে গাছ ও ফসল উৎপন্ন হয়) এর সাথে। কারণ, তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, আলো, বায়ু প্রবাহ, দিবা-রাত্রির ব্যবধানসহ যে সকল Environ

Rita Roy Mithu's picture

বিজ্ঞাপনের চক্করে

“আজ আবার সেই পথে দেখা হয়ে গেল, কত সুর কত গান মনে পড়ে গেল’—এই গানের কলি দিয়ে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠিত এক ফোন কোম্পাণীর বিজ্ঞাপন দেখানো হতো টিভিতে, যা কিনা ওয়ান অব দ্য বেস্টস বিজ্ঞাপন ছিল আমার কাছে। ছিল বলছি কারণ এই বিজ্ঞাপনটা আর দেখা্নো হয়না ইদানিং। একই কোম্পাণীর আরেকটি ‘কাছে থাকুন’ বিজ্ঞাপন যা কিনা চোখে জল এনে দেয়, তা হলো মুক্তিযুদ্ধের সময় হারিয়ে যাওয়া ভাই ‘বাবু’কে নিয়ে আবেগময় স্মৃতিচারণ। শুধু এই দুইটা বিজ্ঞাপন দেখার জন্য আমি কতদিন টিভির সামনে বসে থেকেছি। আসলে আমি এখানে ঐ ফোন কোম্পাণীর জয়গান করছিনা। আমি জয়গান করছি মানুষের সৃজনশীলতার। প্রশংসা করছি যে বা যারা এত সুন্দর সুন্দর বিজ্ঞাপন তৈরী করছেন তাদের।

ছোটবেলাতে রেডিওতে বিজ্ঞাপন যেগুলো শুনতে পেতাম, এখন ভাবলেই হাসি পায়। আমাদের মধ্যে একটা ধারণা তৈরী হয়ে গেছিল যে বিজ্ঞাপনের জিনিস মানেই রদ্দিমার্কা জিনিস। খুবই নিম্নমানের জিনিস বলেই বিক্রী বাড়ানোর জন্য বিজ্ঞাপন তৈরী করা হয়।