Education

EDITOR's picture

কেন আন্দোলন ভিকারুননিসায়?

দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভিকারুননিসা নূন স্কুলের প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্রী এবং অভিভাবকেরা আজ এক বড় আন্দোলনে রয়েছেন। তাঁদের দাবি ১. যৌন নিপীড়নকারী শিক্ষক পরিমল জয়ধরের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, ২. তদন্ত সাপেক্ষে দোষী অন্য আসামি ও অপরাধীদেরও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, ৩. অধ্যক্ষের অপসারণ, ৪. নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্বাচনের মাধ্যমে পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন, ৫. জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষকদের মধ্য থেকে অধ্যক্ষ নিয়োগ, ৬. বিভিন্ন শাখায় যেসব শিক্ষকের বিরুদ্ধে আচরণগত সমস্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ ও ৭. রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ও দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা।

প্রশ্ন উঠতে পারে, পরিমল জয়ধরকে গ্রেপ্তার করার পরও কেন আন্দোলন? আন্দোলনের দাবি হিসেবে অধ্যক্ষ হোসনে আরার পদত্যাগের প্রশ্নটি কেন চলে এল? আমরা এই স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থী হিসেবে ব্যাপারটি সম্পর্কে কিছু কথা বলতে চাই, যাতে এই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে।

লম্পট শিক্ষক এবং দুর্বিনীত পুলিশ

গত ৩ জুলাই এ কলামে কুকুরবিষয়ক একটি লেখা লিখেছিলাম। ইহুদি ও মুসলমানদের কাছে কুকুর নাপাক জীব এমন একটি ধারণা দেওয়া হয়েছিল ওই লেখাটিতে। আজকের লেখাটি অবশ্য 'কুকুরবিষয়ক রচনা' নয়। এ লেখার উপজীব্য ভিকারুননিসা নূন স্কুলের পরিমল স্যার ও তার সহযোগীরা। বিরোধী দলীয় চিফ হুইপের সঙ্গে পুলিশের দুর্বিনীত সদস্যদের আচরণ সম্পর্কেও দু'চার কথা লিখতে চাই। গত ২৯ জুন এক সাবেক সহকর্মীর কাছ থেকে ফোন পাই।

শিংওয়ালা পিএইচডি ও বিধ্বস্ত এক বিশ্ববিদ্যালয়

পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষাবিদ অধ্যাপক সুশোভন সরকারকে নাকি তাঁর ছাত্ররা জিজ্ঞাসা করেছিলেন, কেন তিনি পিএইচডি করেননি। জবাবে তিনি বলেছিলেন: পিএইচডি করলে কি মাথায় শিং গজায়? প্রশ্নটি আমারও। কিন্তু যে পিএইচডির কবলে আমরা পড়েছি, তাতে আমি নিশ্চিত, তাঁর মাথায় শিং গজিয়েছে। এই শিংয়ের গুঁতোয় তছনছ হয়ে যাচ্ছে প্রকৃতই ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার উপযোগী একটি উৎকৃষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়। পিএইচডির শিংটি যে খুব ক্ষুরধার, তেমন নয়। তবে ধার বাড়াতে তিনি ব্যবহার করেন প্রধানমন্ত্রীর নাম, কখনো বঙ্গভবনের নাম, কখনো বা বলেন প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের নানা পাইক-বরকন্দাজের দাপটের কথা।

এই পিএইচডি আসলে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উৎপাদিত, সেখানেই তাঁর বেড়ে ওঠা। রাজনীতির সিঁড়ির সুবাদে সমপ্রতি একটি আধাসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পুনর্বাসিত হয়েছেন। যে বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব তিনি পেয়েছেন, মহাজোট সরকারের ডিজিটাল দর্শন বাস্তবায়নের জন্য শিক্ষার ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো জায়গা এটি, দেশি-বিদেশি আর্থিক অনুদানে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক অবস্থাটাও বেশ মোটাসোটা।

প্রসঙ্গঃ নারী স্বাধীনতার অন্তরায় বোরকার স্বাস্থ্যগত, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় কুপ্রভাব

আসুন শুরুতেই চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক নিম্নোল্লেখিত সংবাদটির দিকে -

হাইকোর্টের রায়, ধর্মীয় পোশাক পরতে বাধ্য করা যাবে না

নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ০৪-১০-২০১০

কোনো ব্যক্তিকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্মীয় পোশাক পরতে বাধ্য করা যাবে না বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। আজ সোমবার বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় দেন। আদালত রায়ে বলেছেন, ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানের চার মূলনীতির অন্যতম হচ্ছে ধর্মনিরপেক্ষতা। এটি পঞ্চম সংশোধনী রায়ের মাধ্যমে পুনঃস্থাপিত হয়েছে। কাজেই কোনো ব্যক্তিকে কোনোভাবেই ধর্মীয় পোশাক পরতে বাধ্য করা যাবে না। এটি মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী। প্রত্যেক নাগরিকেরই স্বাধীনভাবে ধর্ম পালন ও ধর্মীয় পোশাক পরিধানের অধিকার রয়েছে। এর আগে গত ২২ আগস্ট হাইকোর্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ দেশের কোনো দপ্তরে নারীদের বোরকা পরতে বাধ্য না করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। একই সঙ্গে মেয়েদের খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত না রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়। হাইকোর্টের একই বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত (সুয়োমোটো) হয়ে এ আদেশ দিয়েছিলেন।

Mostafa.Hussain's picture

কলঙ্কের দাগ কেন শিক্ষকের গায়

এক মণ দুধও নষ্ট হয়ে যেতে পারে এক ফোঁটা গোচনার দোষে। তেমনি গোজাতভুক্ত না হয়েও মানবজাতির দু-একজনই দূষিয়ে দিতে পারে দু-চার লাখ মানুষের একটি সম্প্রদায়কে। সে ক্ষেত্রে গোটা সম্প্রদায় যদি কোনো কারণে দূষিত না-ও হয়, তবু আঁচড় লেগে যায় শুদ্ধজনের গায়েও। অন্তত ঢাকার ভিকারুননিসা নূন স্কুল বসুন্ধরা শাখার শিক্ষক (!) পরিমল জয়ধরের সাম্প্রতিক কাণ্ডকারখানা দেখে বারবার মনে হচ্ছে, অবিশ্বাস্য এক ছিটা গোচনাই যেন মিশেছে গিয়ে শ্রদ্ধাভাজন শিক্ষকমণ্ডলীর মাঝখানে। আহ! কী সুন্দর নাম, কী শ্রদ্ধাভাজন পেশার একজন মানুষ সেই শিক্ষক! তাঁর কীর্তি-কাণ্ড দেখে তার পরও কি আমাদের বলতে হবে_'পরিমল লোভে অলি আসিয়া জুটিল।' সুগন্ধ, সৌরভ অর্থে যে পরিমলকে বোঝায়, তিনি কোন সৌরভ ছড়ালেন আমাদের সামনে? শিক্ষক সমাজের গায়ে কলঙ্কতিলক পরিয়ে দিয়ে তিনি তার পরও কি পরিমল থাকবেন?

Abdul.Mannan's picture

আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হৃতগৌরব ফেরার প্রত্যাশায়

১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার নব্বই বছরে পদার্পণ করল। বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সকলকে প্রাণঢালা অভিনন্দন এবং শুভেচ্ছা। যে বিশ্ববিদ্যালয়টি ১৯২১ সালের ১ জুলাই ১২টি বিভাগ, তিনটি অনুষদ, ৬০ শিক্ষক, ৮৪৭ ছাত্র আর তিনটি আবাসিক হল নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল; তা আজ হাঁটি হাঁটি পা পা করে শতবর্ষের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে এখানে তেরোটি অনুষদের ৬০টি বিভাগ, নয়টি ইনস্টিটিউট আর ৩৪টি গবেষণা কেন্দ্রে ৩২ হাজার শিক্ষার্থী পড়া লেখা করে। তাদের আবাসন সমস্যা সমাধান করার জন্য নির্মিত হয়েছে ১৮টি আবাসিক হল আর দু'টি হোস্টেল। নব্বই বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলেবরে অনেক বড় হয়েছে। নব্বই বছরের চলার পথ সব সময় কুসুমাসত্মীর্ণ ছিল না। বাধা দিয়েই শুরম্ন হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা, নব্বই বছর আগে। ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্তটা নেয়া হয়েছিল অনেকটা রাজনৈতিক কারণে। ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ হলে পূর্ব বাংলার ক্ষুব্ধ মুসলমানদের কিছুটা শান্ত করার জন্যই ভারত সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার। এই মর্মে ১৯২০ সালে ভারতীয় আইনসভায় একটি আইন পাস হয়। সিদ্ধান্ত হয় ঢাকা কলেজের পুরনো ভবনে পরের বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হবে। এতে অনেকে অখুশি হয়েছিলেন।

জাতীয় উন্নয়নে উচ্চশিক্ষা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

মানুষে মানুষে ঐক্য, দেশ ও দশের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্যবোধ সৃষ্টি ইত্যাদির মাধ্যমে উচ্চশিক্ষা খোদ জাতি এবং পরিণতিতে জাতি-রাষ্ট্র গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ। এ কথা সর্বজনবিদিত, ১৯৪৮ ও বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিভূমি রচনা করে। ভাষা আন্দোলনের সূচনা ঘটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের দ্বারা। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে অগ্রণী ভূমিকা ছিল, কলাভবনের সামনে অবস্থিত ‘অপরাজেয় বাংলা’ তারই স্বাক্ষর বহন করছে। ১৯৭১ সালের ২ মার্চ এখানেই ছাত্রসমাজের পক্ষ থেকে প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তোলন করা হয়।

প্রসঙ্গঃ বাংলা এবং বাঙ্গালির চিরন্তন সংস্কৃতি ধর্মনিরপেক্ষতা এবং আমাদের সংবিধান

দ্বিজাতিতত্ত্বের ধোঁয়াটে ফানুসে উপমহাদেশ ১৯৪৭ সালে ভারত এবং পাকিস্তান নামক ২টি ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্রের জন্ম হয় । দ্বিজাতিতত্ত্বের প্রবক্তা মুহাম্মদ আলি জিন্নাহ ব্যক্তিগত জীবনে ইউরোপীয় সংস্কৃতিতে প্রভাবিত একজন সেক্যুলার মুসলিম ছিলেন। তিনি ব্যক্তিগত জীবনে সেক্যুলার হওয়ার পরও দ্বিজাতিতত্ত্বের মত একটি ধর্মভিত্তিক পন্থা উপমহাদেশের জন্য দিয়ে গিয়েছিলেন। এর পেছনে কারণ ছিলো, মুসলমান গোষ্ঠীর পশ্চাৎপদসরিত করুণ অবস্থা যার জন্য তারা নিজেরাই দায়ী ছিলো।  ব্রিটিশ আমলে তারা ব্রিটিশদের সকল প্রকার সাহায্য করা থেকে বিরত থাকে এবং ইংরেজি শিক্ষাকে উপেক্ষা করে। পক্ষান্তরে হিন্দু জনগোষ্ঠী ইংরেজি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে ব্রিটিশদের কর্মকাণ্ডে সহায়তা করে এবং ব্রিটিশদের মনোভাজন হয়। ফলে সমাজে এবং চাকুরীক্ষেত্রে তারা প্রতিষ্ঠিত হয়। স্বাধীনতা অর্জন করতে গেলে যে গোঁয়ার হয়ে থাকা চলবে না এটি তারা অনুধাবন করতে পারলেও মুসলমান জনগোষ্ঠী তা পারেনি এবং নিজেদের গোঁয়ার্তুমির কারণে তারা সর্বক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ে ।তাদের সামগ্রিক অবস্থার উন্নতি সাধনের নিমিত্তে জিন্নাহ সাহেব নিজে সেক্যুলার হওয়া সত্ত্বেও দ্বিজাতিতত্ত্বের মাধ্যমে ভারত বিভাজনের দাবী উত্থাপন করেন । এতে মুসলমানদের সামগ্রিক অবস্থার কিছু উন্নয়ন ঘটে কিন্তু ধর্মনিরপেক্ষতা এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি চরমভাবে বিনষ্ট হয়। পুরো উপমহাদেশে ধর্মীয়-সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে,ধর্মভিন্নতার কারণে মানুষ মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করে, লুটতরাজ করে, বাড়িঘর জমিজমা বসতভিটা সকল কিছু দখল করে নেয়,রক্তগঙ্গায় ভাসিয়ে দেয় গোটা উপমহাদেশকে ।সেই দ্বিজাতিতত্ত্বের মত ধর্মীয় তথা সাম্প্রদায়িক পদ্ধতিকে পূর্ব এবং পশ্চিম পাকিস্তানের জনসাধারণ সমর্থন জানিয়েছিলো,ভারতের জনগণের মধ্যে ছিলো মিশ্র প্রতিক্রিয়া,অনেক নামকরা মুসলিম ব্যক্তিত্ব দ্বিজাতিতত্ত্বের বিরোধিতা করেছিলেন। 

শেখ হাসিনার নোবেল পুরষ্কার নয়, ধিক্কার পাওয়া উচিত

কিছু কিছু আওয়ামী তোষামোদকারী এবং পদলেহনকারী বিভিন্ন অযুক্তি-কুযুক্তি দিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করে যাচ্ছে যে, মুঃ ইউনুসের পরিবর্তে শেখ হাসিনারই নোবেল পুরষ্কার পাওয়া উচিত ছিল | স্বদেশে এবং আন্তর্জাতিকভাবে শেখ হাসিনা বা শেখ মুজিবের চেয়ে অন্য কোনো বাংলাদেশী বেশি পরিচিতি এবং প্রাধান্য পাবে - তা আসলে এসব তোষামোদকারী এবং পদলেহনকারী শ্রেণীর মানুষরা মানতে পারছে না !

নোবেল পুরষ্কার যে অনেক আগে থেকেই বিতর্কিত হয়ে আসছে তা সবাই জানে | এটি নতুন কিছু নয় | এটি প্রমাণ করার জন্য এত গবেষণা (!) করার দরকার হয় না, এত বস্তা বস্তা ওয়েব-লিঙ্ক ঘাটাঘাটিরও প্রয়োজন হয় না | তাছাড়া - কেউ যদি নোবেল পুরষ্কারের পক্ষপাতিত্ব প্রমাণ করারই চেষ্টা করবেন, তাহলে সেই পক্ষপাতদুষ্ট পুরষ্কার পাওয়ার যোগ্য হিসাবে শেখ হাসিনাকে অধিষ্ঠিত করারই বা চেষ্টা করবেন কেন ? ব্যাপারটা হাস্যকর নয় কি ?

মুঃ ইউনুস ভালো কি মন্দ, তিনি নোবেল পাওয়ার যোগ্য নাকি যোগ্য নন, তাঁর গ্রামীন ব্যাংক সঠিক না বেঠিক - সেসব আমার বলার বিষয় নয় | আমার বলার বিষয় এই যে, শেখ হাসিনার মতো ভন্ড একজন মানুষের কোনভাবেই নোবেল পুরষ্কার পাওয়া উচিত নয়; বরং যা পাওয়া উচিত তা হছে ধিক্কার |


আওয়ামী তোষামোদকারী এবং পদলেহনকারীদের অন্যতম একজন হলেন মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী | তিনি বিবেকবর্জিত এবং অন্ধ | তিনি একজন মিথ্যুকও | মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী প্রমাণ করতে চেয়েছেন যে, চীন এবং ভারতের মত দেশে মুঃ ইউনুস কিংবা গ্রামীন ব্যাংক নিয়ে কোনো মাতামাতি নেই | পৃথিবীর অন্য অনেক দেশের মতো চীন এবং ভারতেও যে গ্রামীন ব্যাংক নিয়ে আলোচনা হচ্ছে তার প্রমান হিসেবে নিচে কিছু লিঙ্ক দেয়া হলো, কেউ ইচ্ছা করলে পড়ে নিতে পারেন |

Mamun.Rashid's picture

শিক্ষাক্ষেত্রে সমস্যা এবং সমকালীন ভাবনা

শিক্ষা বিষয়টি চিরকালের। মানুষ প্রতিনিয়ত জ্ঞানার্জনের মাধ্যমেই নিজেকে সমৃদ্ধ করছে। নিজের জগত এবং সময়কে আরও উজ্জ্বল করে তুলছে। যেহেতু শিৰার সঙ্গে চিরকালের সম্পর্ক_ মানে অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যত জড়িয়ে, তাই এর সঙ্গে চিরকালের বিষয়টিও জড়িয়ে। এই চিরকালীনতার ভেতরেও কিছু সমস্যা তৈরি হয় সমকালে। যেসব সমস্যার তৈরি সমকালে তার সমাধান সম্ভব, যদি প্রথমেই নজর দেয়া যায়। আর নজর যদি এড়িয়ে যায়, তাহলে ক্রমে সেটাই হয়ে যায় চিরকালের সমস্যা। আমাদের শিৰা এবং শিৰা ব্যবস্থার দুর্বলতার কথা কারও জানা নয়। স্থান-কাল-পাত্রভেদে এ নিয়ে অনেক আলোচনাও হয়েছে। সেই আলোচনায় যাঁরা অংশ নেন তাঁরা যেমন তেমনি যাঁরা আলোচনার শ্রোতা তাঁরাও কথাগুলো বলে এবং শুনেই স্বসত্মি বোধ করেন। কিন্তু সমস্যা ঠিক কতদূর পর্যন্ত বিস্তৃত সে বিষয়ে কোন পৰ থেকে সিদ্ধানত্ম পাওয়া না গেলেও আমরা যদি সচেতন হই, আনত্মরিক হই, তাহলে এ সব সমস্যারই সমাধান সম্ভব। চিরকালীন এবং সমকালীন মিলিয়ে আমাদের শিৰা ব্যবস্থার যে হাল আজ তার এতটাই ভয়াবহ দুরবস্থা যে, এ বিষয়ের বক্তা এবং শ্রোতা উভয়েরই জোর দেবার সময় এসেছে।

Syndicate content