n's blog

মেঘে মেঘে রংধনু

১.
মায়ের ঘরে গভীর রাতে আলো জ্বলছে দেখে দরজার কাছে দাঁড়ালাম। মা কখনও দরজা বন্ধ করে ঘুমায় না। আমি দরজায় গিয়ে দাঁড়াতেই কীভাবে যেন টের পেলো। লেখার টেবিলে বসে, লেখা থেকে মুখ না তুলে বললো, কী রে, ঘুমুসনি?
- না। আমার তো এখনও ঘুমুবার সময় হয়নি। তোমার ব্যাপারটা কী, মা? এত রাত জাগছ আজ?
- ঘুম আসছিল না। তাই ভাবলাম, একটু লিখি। অনেকদিন ডায়েরী লেখা হয় না।
- কী লেখ? আমাকে দেখানো যাবে?
- নাহ। দেখানোর মতো কিছু না। কখনও তোর বাবাকে চিঠি লিখি, কখনও বা সারাদিনের বিশেষ কোন ঘটনা…

স্বপ্ন

(১)
ছুটির দিন সকাল আটটায় ঘুম ভাঙলো কলিং বেলের শব্দে । অন্যান্য দিন এই সময় আমি অফিসের পথে থাকি। ছুটির দিনে এটা ভোর। বিরক্তি নিয়ে দরজা খুললাম।
জয়নাল দাঁড়িয়ে আছে। এক হাতে মাঝারি আকারের ট্রাভেল ব্যাগ, অন্য হাতে চারটি ঝুনা নারকেল।
- আসসালামু আলাইকুম।

বিপদ

১.

‘নাম কী?’

‘নাইমুল হাসান’

‘মোহাম্মদ নাই?’

‘জ্বী না।’

‘নাই ক্যান?’

‘আমাদের মহানবীর বংশধরদের নামে কি মোহাম্মদ আছে?’

‘সেইটা আমার জানার দরকার নাই। বাবার নাম বল।’

মধ্যবিত্তের “ফ্ল্যাট বুকিং” অথবা ঘোড়া রোগের উপাখ্যান

ভুক্তভোগী মাত্রই জানেন, ঢাকা শহরে ভাড়া বাসায় থাকাটা অনেকটা প্রজা হিসেবে জমিদারের অনাচার সয়ে থাকার মতো। কাজেই মধ্যবিত্তরা চাকরি জীবনের শুরু থেকে স্বপ্ন দেখতে থাকেন নিজের একটা ফ্ল্যাটের। কেউ গ্রামের জমি বিক্রি করে, কেউ বা ব্যাংক বা ফাইনান্সিং কোম্পানি থেকে উচ্চ সুদে টাকা ধার করে ফ্ল্যাটের বুকিং দেন। যারা রেডি ফ্ল্যাট কেনেন, তাদের কথা আজ বলছি না। আজ বলছি আমার কাছের কয়েকজন মানুষের (নামগুলি শুধু কাল্পনিক) স্বপ্নের উপাখ্যান, যা রূপান্তরিত হয়েছে দু:স্বপ্নে:

আপনিও পারেন লোডশেডিং কমাতে

গতরাতে ঘুমুতে যাবার আগে এ.সি.টা চালিয়ে দিলাম। কিছুক্ষণ যেতে না যেতেই চলে গেল বিদ্যুৎ। দু:সহ গরমে সন্ধ্যা থেকেই প্রাণ ওষ্ঠাগত। এখন জানালা খুলে ঘুমুব, তারও উপায় নেই। পাশের অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে চলছে দৈত্যাকার জেনারেটর। তার বিকট শব্দে ঘুম তো আসবেই না, বরং মাথাটা ধরে যাবে। কাজেই জানালা বন্ধ করে ফ্যান চালিয়ে বিদ্যুৎ বাবুর ফেরার অপেক্ষায় শুয়ে রইলাম। আধঘন্টা পর বিদ্যুৎ এলো, এ.সি.টার সুইচ আগেই বন্ধ করা ছিল। ওটা চালাবো ভাবছি, আবার চলে গেল বিদ্যুৎ। আমার মতো এমনটা ঘটছে হয়তো আপনার সাথেও।

blank

0000000000

blank

গল্প: তোমার হাতে বন্দি

“আপনি বলতে চাইছেন, আপনার স্ত্রী আপনাকে ডিভোর্স দিতে চাইছেন, কারণ আপনি তাঁকে বেশি ভালবাসেন?” ডাক্তার সাহেবের চোখে রাজ্যের বিস্ময়।

আমি বললাম, “জ্বী”।

ডাক্তার সাহেব তাঁর চশমার ফাঁক দিয়ে আমাকে দেখছেন। আমি একটু অবাক হলাম; চশমার ফাঁক দিয়ে যদি তিনি বেশি ভাল দেখেন, তাহলে চশমা পরা কেন? আমাকে কিছুক্ষণ পর্যবেক্ষণ করলেন। আমি নার্ভাস বোধ করছি। কেউ আমাকে নিরীক্ষণ করছেন, বিষয়টা মোটেই স্বস্তিদায়ক নয়।

এবার তিনি মুখ খুললেন, “আমি কিছু বুঝছি না, ভাই। ডিভোর্স সংক্রান্ত বিষয়ে আপনি আমার কাছে কেন? আপনার উকিল দরকার, সাইকিয়াট্রিস্ট নয়।”

আমি বললাম, “আপনাকে তো বলেছি, আমি ডিভোর্স চাই না। উকিলের কাছে গেলে তো সে ডিভোর্সটাকে সফলভাবে করিয়ে দেবার চেষ্টা করবে।”

নিরাপদ সড়ক চাই: আপনার-আমার করণীয় কী

blank

__

Syndicate content