Hasan Kamrul's blog

Hasan Kamrul's picture

অপ্রাপ্তির দোহা সম্মেলন: বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কি?

নাটকীয়তা ও বহুনাটকীয়তার মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে দোহা সম্মেলন। জাতি সংঘের সদস্যভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত বিষয় আশয়কে চুলচেরা বিশ্লেষনের মাধ্যমে কার্বণ নিসরন কমিয়ে আনা ও ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে অর্থনৈতিক সাহায্যের মাধ্যমে ক্ষতি পোষিয়ে আনার যে পরিকল্পনা নিয়ে দোহা সম্মেলন শুরু হয়েছিল তা প্রায় ভেস্তে গেছিল উন্নত বিশ্বের অনীহার কারণে। জাপান, চীন, ইন্ডিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলো কিয়োটো প্রটোকলের অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায় এ সংক্রান্ত অনিশ্চয়তার মাত্রা বৃদ্ধি করেছে । কারণ এই ডিসেম্বর মাসেই বিদ্যমান কিয়োটো প্রটোকলের মেয়াদ শেষ হতে চলছে ।

Hasan Kamrul's picture

বাপেক্স স্টুপিড বাপেক্স অপদার্থ!

মাননীয় অর্থমন্ত্রী সম্প্রতি এক আলোচনা সভায় বাপেক্সকে স্টুপিড অপদার্থ প্রতিষ্ঠান হিসেবে মন্তব্য করেছেন। অর্থমন্ত্রী মহোদয়কে বাংলার মানুষ অত্যন্ত শ্রদ্ধার পাত্র হিসেবেই জানে। ঙ্ঞানে বয়সে কর্মে ও স্পৃহায় সর্বজন শ্রদ্ধেয় এ মানুষটির এমন মন্তব্যে আমরা হতবাক হয়েছি। অর্থমন্ত্রী এমন একটি প্রতিষ্ঠান নিয়ে মন্তব্য করেছেন যে প্রতিষ্ঠানটি নিয়ে সাধারন মানুষ ক্রমশই আশান্বিত হয়ে উঠছে। বাংলাদেশের তেল গ্যাস ও খনিজ সম্পদ সেক্টরে আওসি( আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানী) নির্ভরতা কমিয়ে আনার লক্ষে কৌশলগতভাবেই বাপেক্সকে সক্রিয় করার চেষ্টা করছে সরকার । বাপেক্স যতো শক্তিশালী হবে আওসির উপ¯িহতি ততো কমে আসবে । একদিকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলছেন বাপেক্সকে শক্তিশালী করতে । আর অন্যদিকে অর্থমন্ত্রী বলছেন বাপেক্স স্টুপিড, অপদার্থ প্রতিষ্ঠান । যা পারস্পরিক সাংঘার্ষিক ও বিপরীতমুখি বলে প্রতীয়মান ।

Hasan Kamrul's picture

ফুলবাড়ি কয়লা প্রকল্প নিয়ে কিছু কথা

কয়লানীতি বিশেষঙ্ঘ কমিটি ও বাস্তবতা শীর্ষক নিবন্ধটি ৮ নভেম্বর ২০১২ ইং তারিখে দৈনিক কালের কন্ঠে প্রকাশিত হওয়ার পর বিভিন্ন মহল থেকে এশিয়া এনার্জির পক্ষে বিপক্ষে নানান কথা উঠেছে। সম্প্রতি সরকার কয়লানীতি প্রণয়নের লক্ষ্যে পেট্রোবাংলার সাবেক চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন কে প্রধান করে একটি বিশেষঙ্ঘ কমিটি গঠন করে। যেখানে জিএসবি‘র প্রতিনিধি, ওয়াটার মডেলিং ইনস্টিউটের প্রতিনিধি, পেট্রোবাংলা থেকে পেট্রোবাংলার বর্তমান চেয়ারম্যান, বিএমডি থেকে বিএমডির পরিচালক,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ত্ব বিভাগের একজন অধ্যাপক, সিভিল সোসাইটি থেকে একজন ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রনালয়ের একজন প্রতিনিধি যিনি যুগ্মসচিব পদমর্যাদার সদস্য সচিব হিসেবে কয়লানীতি প্রণয়নে বিশেষঙ্ঘ কমিটিতে কাজ করেছেন। এ কমিটি সম্প্রতি কয়লানীতি চুড়ান্তকরণের সুপারিশসহ ফাইনাল রির্পোটটি মন্ত্রনালয়ে দাখিল করেছে। যা নিয়ে আদ্যোপান্তে বিভিন্নভাবে আলোচনা সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে। জ্বালানী বিশেষঙ্ঘ ড: শামসুল আলম “ এশিয়া এনার্জির প্রতি অনুরাগ কেন“ শীর্ষক বিশ্লেষনধর্মী একটি প্রবন্ধ লিখেছেন কালের কন্ঠে ১২ নভেম্বর ২০১২ ইং তারিখে। তিনি তার নিবন্ধে এশিয়া এনার্জি কেন কাজ পাওয়ার যোগ্য নয় তা নিয়ে যুক্তি তর্ক তথ্য উপাত্ত উপ¯হাপন করেছেন । তার লেখায় স্পষ্টভাবেই ফুটে উঠেছে বহুজাতিক কোম্পানীগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের নামে গড়ে উঠে দেশিয় শক্তিশালী সিন্ডিকেট।

Hasan Kamrul's picture

জ্বালানী সংকট: উত্তরণের কৌশল ও বিশ্বপ্রেক্ষাপট (১)

শিরোনামটি ধার করা। সম্প্রতি ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয় তাদের বার্ষিক প্রকাশনা “দ্যা স্টেট অব গর্ভনেন্স ইন বাংলাদেশ“ এ বাংলাদেশের জ্বালানী সংকট, পরিকল্পনা, নীতি ও সংস্কার নিয়ে স্ট্রাটেজিক আলোচনা করেছে। গবেষণাপত্রটিকে মুল উপজীব্য করেই আজকের লেখার অবতারনা । জ্বালানী নির্ভর বিশ্ব কে কতো জ্বালানী ব্যবহার করে তার ওপর ধনীক দেশগুলোর শ্রেণীবিভাজনের মানদন্ড দন্ডায়মান বা নির্ধারিত হয়। জ্বালানীর আবার রকমফের রয়েছে। গ্লোবাল ওয়ার্মিং বা বৈশ্বিক জলবায়ুর ক্রমাগত পরিবর্তনের ফলে গোটা দুনিয়াজুড়ে উদ্বেগ উৎকন্ঠা দৃশ্যমান । তাই জীবাশ্ম জ্বালানীর ব্যবহার কমিয়ে আনার কৌশল নির্ধারনে পৃথিবী মরিয়া হয়ে উঠছে। লক্ষ্য পৃথিবীকে কার্বনশুন্য অবস্হায় নামিয়ে আনা আর ভুক্তভোগি দেশগুলোও বিভিন্নভাবে ধনীক দেশগুলোর উপর চাপ প্রয়োগ করার চেষ্টা করছে। যাতে করে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোও মানবসৃষ্ট এ দুর্যোগ হতে রেহাই পায় বা বেশি করে সাহায্য সহযোগীতার মাধ্যমে জলবায়ু ভিকটিমদেরকে পুর্ণবাসনের ব্যব¯হা করতে পারে। প্রাকৃতিক ও খনিজ সম্পদ নির্ভর প্রচলিত জ্বালানী ব্যব¯হা থেকে পৃথিবী বের হয়ে আসতে চাচ্ছে। কার্বন যারা ব্যবহার করে তাদেরকে কার্বন নি:সরন কমিয়ে আনার কৌশল নির্ধারনে বিভিন্নভাবেই প্ররোচিত করা হচ্ছে প্রতিনিয়ত। পৃথিবীব্যাপী বিদ্যুৎ উৎপাদনে কয়লার ব্যবহার সর্বাধিক শতকরা ৩৪ভাগ জ্বালানীর উৎসমুলে কয়লা। আর কয়লা পুড়ানোর ফলে কার্বন নি:সরন হচ্ছে সবচেয়ে বেশি।

Hasan Kamrul's picture

গ্যাজপ্রমের কারণে বাপেক্স দেউলিয়া হয়ে পড়বে না তো?

প্রসঙ্গে যাওয়ার আগে পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান অধ্যাপক হোসেন মনসুরকে ব্যক্তিগতভাবে ধন্যবাদ দিতে চাই। কারণ তিনি আমার ব্যক্তিগত মেইলে শ্রীকাইল-সুনেত্র গ্যাস ফিল্ড ও কামতা ভবিষ্যৎ শীর্ষক সংবাদে (১৪ অক্টোবর ২০১২) প্রকাশিত নিবন্ধ নিয়ে একটা ব্যাখ্যা দিয়েছেন। ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে কামতা কূপ ফ্লাকন্ড এলাকা হওয়ায় তা ক্রেস্টাল জোন থেকে অনেক দূরে অবস্থিত এবং কামতা কূপ-১ এ ভূগর্ভস্থ পানি চলে আসায় তা পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। রূপগঞ্জে কূপ খনন করা হবে পুরো স্ট্রাকচার বা অবকাঠামোর ক্রেস্ট জোনে। তাছাড়া ইতোমধ্যেই রূপগঞ্জে কূপ খননের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। তবে তা বৃষ্টির জন্য কিছুটা বিলম্বিত হয়েছে। বাখরাবাদ কূপ-৯ এ কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার পর ২০১৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে রূপগঞ্জে পুনরায় খনন কার্য শুরু হবে।

প্রসঙ্গে ফিরি, রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গ্যাজপ্রম। শুধু রাশিয়াই নয় আন্তর্জাতিক পরিম-লেও গ্যাজপ্রম কাজ করছে। গ্যাজপ্রমের যেমন খ্যাতি রয়েছে তেমনি রয়েছে নানা অঘটন ঘটানোর রেকর্ড। সম্প্রতি রাশিয়ান এই প্রতিষ্ঠানের সহিত বাংলাদেশি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পেট্রোবাংলার চুক্তি হয়েছে। চুক্তির বিভিন্ন দিক নিয়ে আমি ব্যক্তিগতভাবে বেশ কয়েকটি নিবন্ধ লিখেছি ভোরের কাগজ, সংবাদ ও যুগান্তরে। গ্যাজপ্রমের চুক্তি নিয়ে বললে অনেক কথাই বলা যায়। যা ইতোমধ্যেই প্রকাশিত নিবন্ধগুলোতে সবিস্তারে নিবন্ধিত হয়েছে। চুক্তিটি যে আদতে খুব একটা অর্থবহ চুক্তি সেটা বলা যাচ্ছে না।

Hasan Kamrul's picture

বিদ্যুতে চুরি কেন নিয়ন্ত্রন করা যায়না!

প্রসঙ্গে যাওয়ার আগে বিইআরসি ( বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলটরি কমিশন) সদ্য সাবেক হওয়া চেয়ারম্যান সৈয়দ ইউসুফ হোসেন প্রসঙ্গে কিছু কথা বলার দরকার। এই ভদ্রলোকের সময়েই বিদ্যুতের দাম বেড়েছে ছয়বার। এর আগের চেয়ারম্যান বর্তমান দুর্ণীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান গোলাম রহমান সাহেবও বিইআরসি‘র চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করার সময়েও সরকার বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর টালবাহানা করলেও খুব একটা সফল হয়নি। কিন্তু সৈয়দ ইউসুফ হোসেনকে এনে সরকার ষোলকলা পুর্ণ করেছে। এ ভদ্রলোক গেল ১০ই অক্টোবর বিইআরসির চেয়ারম্যানশীপ থেকে অবসর নিয়েছেন। উনার বিদায়ের দিনও যথারীতি সংবাদ সম্মেলন করেছেন কিন্তু শুনেছি সাংবাদিকরা উনার গুড বাই পার্টিতে যাননি। এমনকি বিটিভি থেকেও নাকি কেউ যায়নি। যাইহোক এক সাংবাদিক নাকি তাকে জিঙ্ঘাসা করেছিলেন নিজাম ডাকাততো দুর্ণীতিওয়ালাদের কাছ থেকে টাকা ডাকাতি করে গরিবদের মাঝে বন্টন করেছেন। এবং এক সময় নিজামউদ্দিন আউলিয়া হিসেবে স্বিকৃতি পান । কিন্তু আপনার বেলায় সেটি উল্টো ঘটেছে কারণ আপনি গরিবের টাকায় বিদ্যুতের মুল্যবৃদ্ধি করে দুর্ণীতিগ্রস্তদের দিয়েছেন। তাই জাতি আপনাকে ডাকাত হিসেবে জানবে। এমন প্রশ্ন শুনে বিদায়ী চেয়ারম্যান হতভম্ব হয়ে পড়েন এবং বেশ কিছুক্ষন অপেক্ষা করে প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে বিইআরসি ত্যাগ করেন।

Hasan Kamrul's picture

নদী বাঁচলে শহর বাঁচবে

চলমান ঢাকা। নাগরিক জীবনের প্রতি মহুর্তের ব্যস্ততা । প্রাণ চঞ্চল এই শহর ঘীরে নগর জীবনের নানান প্রত্যাশা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। ক্রমবর্ধমান এ নগরের বিস্তৃতি যতো বাড়ছে ততই সমস্যা সঙ্কুল হয়ে উঠছে নগর জীবন। গ্যাস ও বিদ্যুতের সমস্যাতো রয়েছেই। তারউপর সরবরাহকৃত পানির সঙ্কটে নগর জীবন অতিষ্ঠ প্রায়। কিন্তু প্রতিকার সামান্যই। পানি সরবরাহেও বিদ্যুতের মতো লোডশ্যাডিং পদ্ধতির দিকেই যাচ্ছে ওয়াসা । ঢাকার ভূগর্ভস্থ পানির স্তরের এতোটাই দূরাবস্থা যা ভাবলে কষ্ট হয়। ১৫৩০ বর্গ কিলোমিটার এ শহরে দুই কোটি লোক বাস করে। উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের দেয়া তথ্যমতে, প্রতিদিন ২০ লাখ লোক ঢাকা প্রবেশ করে এবং কর্ম শেষে ঢাকা ছেড়ে যাচ্ছে ১০ থেকে ১৫ লাখ। অর্থাৎ কোন না কারণে প্রতিদিন ৫ লাখ লোকের চাপ ঢাকাকে নিতে হচ্ছে। এবং এই বিপুল জনগোষ্ঠির মধ্যে পানির জোগান দেয়া নিয়ে দুশ্চিন্তাও বাড়ছে প্রতিনিয়ত।

Hasan Kamrul's picture

ভূগর্ভস্থ জলাধার সংরক্ষণ ও পরিকল্পিত ব্যবহার

সম্প্রতি বিএডিসি (বাংলাদেশ এগ্রিকালচার ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন) 'জলবায়ু পরিবর্তন ও অপরিকল্পিত ভূগর্ভস্থ পানির উত্তোলন : বাংলাদেশের খাদ্য উৎপাদন ও পরিবেশের ওপর প্রভাব' শীর্ষক এক গবেষণা কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে। তাদের নির্ণীত গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, ঢাকা শহরের ভূগর্ভস্থ পানির স্তর সমুদ্রতলের চেয়েও প্রায় ১৭০ ফুট নিচে নেমে গেছে এবং রাজশাহী অঞ্চলের আন্ডারগ্রাউন্ড ওয়াটার লেভেল ১৮ থেকে ২০ ফুট নিচে রয়েছে। অর্থাৎ পানির স্তরের ক্রমাবনতি হচ্ছে। এতে করে সাগরের নোনাপানির আধিক্যে স্বাদু বা সুমিষ্ট পানির আধার ধ্বংস বা কলুষিত হয়ে পড়ছে। বিশেষ করে ঢাকার ভূগর্ভস্থ পানিতে সমুদ্রের লবণাক্ত পানির অনুপ্রবেশ ঘটতে পারে বলে গবেষণায় আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। সমুদ্রজলের অনুপ্রবেশ ইতিমধ্যেই দক্ষিণাঞ্চল ভেদ করে ঢাকা মহানগরীসহ দেশের মধ্যাঞ্চল ও উত্তরাঞ্চলের দিকে ধাবিত হচ্ছে বলে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্তে দেখানো হয়েছে। দক্ষিণাঞ্চলের ভূগর্ভস্থ পানির স্তরে সমুদ্রের নোনাপানির উপস্থিতি লক্ষণীয়, যা পুরো ছয় কোটি মানুষের জীবনকে বিপদগ্রস্ত করে তুলছে। আর এতে শুধু কৃষি খাতে ক্ষতি হচ্ছে প্রায় ২২ কোটি টাকা।
সমুদ্রজলের অনুপ্রবেশ নিয়ে চিন্তিত হওয়ার মতো অনেক কারণ রয়েছে। ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম শহরে ভূগর্ভস্থ পানিতে নোনাপানির অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।

Hasan Kamrul's picture

শ্রীকাইল- সুনেত্র গ্যাস ফিল্ড ও কামতার ভবিষ্যৎ

রাষ্ট্রিয় প্রতিষ্ঠান বাপেক্সের একদল নিবেদিত প্রাণ, তরুন বৈঙ্ঘানিকরা একের পর এক গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারে ও কূপ খননে ব্যস্ত সময় পার করছে। যাদের অনেককেই ব্যক্তিগতভাবে চিনি। অনেকের সঙ্গে রয়েছে হৃদ্যতাপুর্ণ সম্পর্ক। রাষ্ট্রিয় প্রতিষ্ঠান হওয়ায় ফান্ডসহ নানান অসুবিধার মধ্যেও শুধু দেশের প্রতি কমিটম্যান্টের কারণে তারা বাপেক্সে কাজ করছে। একই ধরনের অভিঙ্ঞতা নিয়ে যদি বহুজাতিক কোম্পানীতে ওরা চাকরি করতো, তাহলে তাদের জীবন থেকে আর্থিক অসঙ্গতিতো দুর হতোই সেই সঙ্গে সোনালী ভবিষ্যতের দৃঢ় ভিতও রচনা করতে পারতো। কিন্তু তাই বলে তাদের আক্ষেপ নেই। তারা ফিল্ডে কাজ করতে পেরে আনন্দিত। একাডেমিক শিক্ষার সহিত বাস্তবিক শিক্ষার যোগসাজশে আস্তে আস্তে ওরা তেল গ্যাস অনুসন্ধানে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত হচ্ছে। আর এ সেক্টরে অভিঙ্ঘদের পরিধি বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত। শ্রীকাইলে গ্যাস আবিষ্কৃত হয়েছে। শ্রীকাইলের পর এখন সুনেত্রে কাজ চলছে। পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান ড: হোসেন মনসুর তিনি নিজেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের প্রফেসর। কোয়াটারিনি জিওলজি নিয়ে যার রয়েছে সুদীর্ঘকালের গবেষণা। বলতে গেলে ড: হোসেন মনসুরের নেতৃত্বে পেট্রোবাংলা তথা বাপেক্সের সাফল্য দেশের মানুষের মাঝে আশার সঞ্চার করেছে। বিভিন্ন ফোরামে আলাপ আলোচনায় যতোটুকু জানি সরকার পেট্রোবাংলার কাজের উপর খুব একটা হস্তক্ষেপ করছেনা। বলতে গেলে পেট্রোবাংলা অনেকটা স্বাধীনতা ভোগ করছে। আর এ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় পেট্রোবাংলার বরাদ্দও বেড়েছে শতভাগ।

Hasan Kamrul's picture

বিদ্যুতের মুল্যবৃদ্ধিতে স্ল্যাব সিস্টেম ও প্রাসঙ্গিক কথা

বহুল প্রচলিত প্রবাদ আছে যে এদেশে সবকিছুর দাম বাড়ে, দাম কমে কেবল মানুষের। প্রচলিত এ প্রবাদটি এদেশের মানুষের সঙ্গে মিলে যায় অনায়াসে আর এর শুরুটা বাংলাদেশ সৃষ্টির আদি থেকে অদ্যবধি চলমান। যারা রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয় ক্ষমতার দৌড়ে টিকে থাকার জন্য ভ্যাট ট্যাক্স বৃদ্ধি, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, পানির দাম বৃদ্ধি, গ্যাসের দাম বৃদ্ধির এক প্রতিযোগীতা শুরু হয়ে যায়। সরকার মুল্যবৃদ্ধির ব্যাখ্যায় ভতুর্কির ব্যবধান কমিয়ে আনার কথা বলে। সেটা জনগণের পছন্দ হোক বা না হোক তাতে কিছু যায় আসেনা। সরকার দাম বাড়ানোর দরকার মনে করলো তো দাম বাড়িয়ে দিলো। অনেকটা জোর করে চাপিয়ে দেয়ার কাজটিই সরকার করছে। যদিও নির্বাচন পুর্বে রাজনৈতিক দলগুলো ক্ষমতায় আসার জন্য বলে অতিরিক্ত করারোপ করা হবেনা, বিদ্যুতের উৎপাদন বৃদ্ধি হবে, নতুন নতুন কলকারখানা হবে, ঘরে ঘরে চাকরি হবে, চাল,ডাল তেল নুন থেকে সবকিছু জনসাধারনের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যেই থাকবে। এসব কথা হলো নির্বাচনের আগের আর নির্বাচনের পরে যা দাড়ায় তাতে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি ঘটে বছরে দু ই বা তারও অধিক, গ্যাসের দাম বাড়ে, পানির দাম বাড়ে, তেল ডাল নুন চালের দাম বাড়া নিয়ে মানুষ রাস্তায় নামে। সরকারব্যবস্হা গণতান্ত্রিক হওয়ায় সরকার যাই ই করবে তার বৈধ্যতা আছে আর এ বৈধ্যতা জনগণ পাচ বছরের জন্য দিয়ে রেখেছে।

Syndicate content