Abdul.Gaffar.Chowdhury's blog

Abdul.Gaffar.Chowdhury's picture

ইসরায়েলের বর্বরতায় বিশ্ব-প্রতিক্রিয়া আগের মতো তীব্র নয় কেন?

ব্রিটেনে সব সময়ই নানা দেশের নানা জাতির আশ্রয়প্রার্থীর ভিড় থাকে, এখনো আছে। এঁদের মধ্যে অনেকেই রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থী। আবার অনেকে এসেছেন কর্মসংস্থান ও আর্থিকভাবে ভাগ্য ফেরানোর আশায়। উচ্চশিক্ষা লাভের জন্য এসেছেন ব্রিটেনে এমন বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যাও গুনে শেষ করা যাবে না। নেপোলিয়ন ইংরেজদের সম্পর্কে বলেছিলেন, 'এ নেশন অব শপকিপার্স' (দোকানদারের জাতি)। দীর্ঘকাল লন্ডনে বাস করে কথাটা আমার কাছে মাঝে মাঝে সঠিক মনে হয়।
agc
ব্রিটিশদের উদারনৈতিক রাজনীতির বড় উদ্দেশ্যই মনে হয় ব্যবসা-বাণিজ্য, দোকানদারি। অর্থাৎ ব্যবসায়ের খাতিরে শত্রু-মিত্র সবার সঙ্গে গলাগলি করতে ব্রিটেনের কোনো সরকারের আপত্তি নেই। সম্ভবত সে জন্যই গাজায় ইসরায়েলের চরম বর্বরতার বিরুদ্ধে সক্রিয় প্রতিবাদ জানাতে ব্যর্থ হওয়ায় টোরি দলের প্রভাবশালী সদস্য ব্যারোনেস সাইয়েদা ওয়ারসি পদত্যাগ পর্যন্ত করেছেন, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী ক্যামেরনও অনড়। অন্যদিকে তাঁর সরকারের নাকের ডগাতেই পূর্ব লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটস বারার (যে বারার মেয়র বিতর্কিত বাংলাদেশি লুতফর রহমান) কাউন্সিল অফিসে ফিলিস্তিনি পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে; কিন্তু সরকারের শীর্ষ মহলে তেমন উচ্চবাচ্য নেই। সম্ভবত সাম্রাজ্য হারানোর পর ব্রিটেনের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলেরই (টোরি ও লেবার) নীতি হচ্ছে, গাছের ওপরেরটা খাব, নিচেরটাও কুড়াব।

Abdul.Gaffar.Chowdhury's picture

দুঃখ বলি কারে?

ঢাকার এক স্বনামখ্যাত বুদ্ধিজীবী, যিনি আমার বয়োকনিষ্ঠ, কিন্তু খুবই ঘনিষ্ঠ, হঠাৎ টেলিফোনে আমাকে তার মনের ক্ষোভ প্রকাশ করলেন এবং বললেন, আপনি বিদেশে তো বেশ ভালোই আছেন। আপনার লেখায় সরকারের প্রশংসাই থাকে বেশি। তাহলে সরকারকে দুচারটে ভালো পরামর্শ দেন না কেন? প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তো আপনাকে যথেষ্ট সম্মান করেন। ইফতার পার্টিতে ডেকে পাশে বসান। তাকে দুএকটা ভালো পরামর্শ দেয়ার চেষ্টা করেন না কেন? তাহলে তো দেশটা ভালো চলে।
abdul gaffar
প্রধানমন্ত্রী আমাকে সম্মান করেন, যথেষ্ট সুযোগ-সুবিধা দেন এ কথা সত্য। কিন্তু আমি পরামর্শ দিলেই তিনি তা শোনেন এমন দাবি করি না। আমি তাকে ব্যক্তিগতভাবে কোনো পরামর্শ দিই না। নিজের লেখালেখির মাধ্যমে তাকে এবং তার সরকারকে যেটুকু বলার তা বলি। তিনি শুনলে শুনবেন, না শুনলে শুনবেন না। তাতে আমার কোনো দায় নেই। দেশ চালানোর দায়িত্ব তার। আমার নয়। সুতরাং আমার কথা শুনে তিনি দেশ চালাবেনই বা কেন?

Abdul.Gaffar.Chowdhury's picture

জোহরা ভাবী চলে গেলেন

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার রাজনৈতিক সহকর্মী তাজউদ্দীন আহমদকে প্রায়শ বলতেন, 'তাজউদ্দীন, তুমি বাংলার মানুষের মাথার তাজ (মুকুট) হতে পার; কিন্তু জোহরা হচ্ছে সেই নারী, যার হাতে সবসময় আলোর বাতি জ্বলে। কথাটা বঙ্গবন্ধু বহুদিন আগে বলতেন_ সেই ছয় দফা আন্দোলনের সময়। কিন্তু পরবর্তীকালে প্রমাণিত হয়েছিল সদ্য প্রয়াত জোহরা তাজউদ্দীন সম্পর্কে কথাটা কতটা সঠিক।
tajuddin
শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) আমাদের এই আলোর প্রদীপ নিভে গেল। সকাল ১০টা ২০ মিনিটে তিনি ঢাকায় ইউনাইটেড হাসপাতালে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি... রাজিউন)। কিছুদিন আগে খবর পেয়েছিলাম, সম্ভবত ২২ নভেম্বর তিনি পড়ে গিয়ে কোমরে আঘাত পেয়েছেন। চিকিৎসার জন্য তাকে দিলি্লতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ১৭ ডিসেম্বর তাকে দেশে নিয়ে আসা হয়। তিনি কোমায় চলে যান। শেষ পর্যন্ত ৮০ বছর বয়সে তার জীবনাবসান হলো। বাংলাদেশে মুজিব যুগের আওয়ামী রাজনীতির শেষ উজ্জ্বল নক্ষত্রটি নিভে গেল। জানি না, তার কোনো ছেলে অথবা মেয়ে (তার এক মেয়ে তো এখন সংসদ সদস্য) মায়ের আলোকবর্তিকাটি বহন করার সাহস ও যোগ্যতা দেখাবেন কিনা! আমার প্রার্থনা, তাদের কেউ না কেউ তা যেন দেখাতে পারেন।

Abdul.Gaffar.Chowdhury's picture

নতুন উষার স্বর্ণদ্বারে, না ভয়ঙ্কর পতনের চূড়ায়?

উপমহাদেশের তিনজন জাতির জনকের কাছে ক্ষমা চেয়ে আজ এ লেখাটি শুরু করছি। এই তিনজন জনক হলেন ভারতের মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী, যিনি মহাত্মা গান্ধী নামেই পরিচিত; পাকিস্তানের মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, যাকে পাকিস্তানিরা বলেন কায়েদে আযম এবং বাংলাদেশের শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গবন্ধু বলেই এখন তাকে একডাকে অনেকে চেনেন। তাদের তিনজন সম্পর্কে লোকমুখে প্রচারিত একটি গল্প দিয়েই আজকের লেখার অবতারণা করছি। শেষ বিচারের দিন যারা স্বর্গে যাওয়ার তারা স্বর্গে গেছেন এবং যারা নরকে যাওয়ার তারা নরকে চলে গেছেন। কিন্তু তিন দেশের তিন জাতির জনক তারা অপেক্ষমাণ। তাদের স্বর্গে গমন সুনিশ্চিত এবং সেটা ধরেই অপেক্ষা করছেন ডাক আসার। কিন্তু স্বর্গের দরজা তখনও খোলা হয়নি তাদের জন্য। গান্ধী, জিন্নাহ এবং শেখ মুজিব নিজেদের মধ্যে খোশগল্প করছেন। এমন সময় দেবদূত এসে জানালেন, আপনাদের স্বর্গে নয় নরকে যেতে হবে। স্রষ্টার সে রকমই আদেশ। এটা শুনে তিনজনই পরম বিস্মিত হলেন।
bangabandhu
এ রকম অদ্ভুত আদেশের কারণ জানতে চাইলেন দেবদূতের কাছে। দেবদূত বলেন, আপনারা স্রষ্টাকেই সেটা জিজ্ঞেস করুন। তিনজনে একসঙ্গে জানতে চাইলেন_ কেন তাদের প্রতি এই অদ্ভুত আদেশ! স্রষ্টা প্রথমে কথা বলেন গান্ধীর সঙ্গে। তাকে বললেন, তোমার অপরাধ গুরুতর। তুমি অহিংসার নামে যে দেশ গড়ে এসেছ, সেই দেশের অবস্থা এখন কী হয়েছে দেখ। সেখানে কোথাও অহিংসা আছে কি? তোমার কারণে অহিংসা ভারতবর্ষ থেকে চিরতরে বিদায় নিয়েছে। সেখানে গড়ে উঠেছে উগ্র হিন্দুত্ববাদ।

Abdul.Gaffar.Chowdhury's picture

নেহরু থেকে নরেন্দ্রনাথ মোদি

পৃথিবীতে বহু মানুষ আছেন, যাঁরা জন্মান্তরবাদে বিশ্বাস করেন। মৃত্যুর পর মানুষ আবার নতুন করে জন্ম নেয়- এটাই জন্মান্তরবাদের কথা। আমি সংশয়বাদী। এক মানুষ বহু জন্মের অধিকারী হয় কি না তা আমি জানি না। কিন্তু একটি দেশ বা জাতির যে পুনঃ পুনঃ মৃত্যু ও জন্ম হতে পারে তার সাক্ষ্য তো ইতিহাস। চীন সাম্রাজ্য ধ্বংস হওয়ার পর আমিংখোর চীনা জাতির মৃত্যু হয়েছে বলে অনেকে ধরে নিয়েছিলেন। সেই চীন সমাজতন্ত্রী চীন হিসেবে আবার নবজন্ম নিয়েছে। অর্থনৈতিক ও সামরিক শক্তিতে তার একটি সুপারপাওয়ার হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। খুব বেশি দিনের কথা নয়, সুপারপাওয়ার হিসেবে স্ট্যালিন-ক্রুশভের রাশিয়ার মৃত্যু হয়। দুই দশক না যেতেই পুতিনের নেতৃত্বে সেই রাশিয়া আবার নববলে বলীয়ান হয়ে উঠেছে।
nehru
এই জন্মান্তরের দিক থেকে ভারতবর্ষের ইতিহাসকে আমি বলব অদ্বিতীয়। সেই বৈদিক যুগ থেকে আধুনিক যুগ পর্যন্ত যুগে যুগে ভারতবর্ষের রূপান্তর, ধ্বংস ও মৃত্যুর মধ্য দিয়ে বারবার তার নতুনভাবে বেঁচে ওঠা বিস্ময়কর। রবীন্দ্রনাথ ভারতকে বলেছেন 'মহামানবের মিলনতীর্থ'। এই পরিচয়ের ঊর্ধ্বে ভারতের আর কোনো বড় পরিচয় নেই। ভারতীয় সভ্যতার মিশ্রণ প্রাচীন গ্রিক ও পারসিক সভ্যতার চেয়েও বিশাল ও ব্যাপক। দেশ ও জাতি হিসেবে ভারতের নব নব জন্মের পরিচয়ও বৈচিত্র্যময়। অনার্য ভারত, বৈদিক ভারত, বৌদ্ধ ভারত, মুসলিম ভারত (পাঠান ও মোগল), ব্রিটিশ ভারত, গান্ধীর অহিংস ভারত, নেহরুর স্বাধীন ও সমাজবাদী ভারত, তারপর ইন্দিরা-রাজীব, বাজপেয়ি ও সোনিয়ার যুগ পেরিয়ে নরেন্দ্র মোদির 'হিন্দুত্ববাদী' ভারতের নব উত্থান এই উপমহাদেশের বিস্ময়কর ও বৈচিত্র্যময় ইতিহাস। এর সমতুল্য ইতিহাসের সন্ধানলাভ দুষ্কর।

Abdul.Gaffar.Chowdhury's picture

রাজা রিচার্ডের ক্রুসেডের ডাক ওবামার কণ্ঠে?

আবার পশ্চিমা জগতে ক্রুসেডের যুদ্ধবাজনা বেজে উঠেছে। এবার মুসলিম খেলাফতের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ডাক দেননি মধ্যযুগের ইংল্যান্ডের রাজা রিচার্ড। বহু শতাব্দী পর এই ডাক দিয়েছেন আমেরিকার বর্তমান প্রেসিডেন্ট এবং মুসলিম পিতার সন্তান বারাক ওবামা; যিনি এখন নিজেকে খ্রিস্টান বলে দাবি করেন। কেবল গায়ের রঙটা তিনি পাল্টাতে পারেননি, কিন্তু মনের রঙ, বিশ্বাসের রঙটা সুবিধামতো পাল্টে ফেলেছেন।
াবা্বাবা
মানুষ মুখে যাই বলুক, মনের কথা সব সময় গোপন রাখতে পারে না। গোটা মুসলিম বিশ্বের বিরুদ্ধে অতীতের ক্রুসেডের মতো যুদ্ধ পরিচালনার ইচ্ছা যে পশ্চিমা খ্রিস্টান জগতের আছে এ কথা একবার মুখ ফসকে বেরিয়ে গিয়েছিল ওবামার আগের প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ জুনিয়রের ঠোঁট থেকে। আফগানিস্তানে তালেবান-শাসন উৎখাত করার জন্য যুদ্ধ শুরু করার প্রাক্কালে তিনি বলে ফেলেছিলেন, আমরা আবার ক্রুসেডে অবতীর্ণ হতে যাচ্ছি।

Abdul.Gaffar.Chowdhury's picture

যুদ্ধাপরাধের দায় কি দলেরও নয়?

আমেরিকার কোনো সরকারি প্রতিনিধি যখনই ঢাকায় আসেন এবং মুখ খোলেন তখনই আমার ভয় হয় এবার চোরের মায়ের বড় গলা শোনা যাবে। নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত তো ঢাকায় আসতে না আসতেই বাংলাদেশের গত সাধারণ নির্বাচন সম্পর্কে অনভিপ্রেত কথা বলতে শুরু করেছেন। যে নির্বাচনের পর বাংলাদেশে শান্তি বিরাজ করছে এবং জনগণের মনে কোনো ক্ষোভ নেই, সেই নির্বাচনটি নিয়ে মার্কিন প্রতিনিধিদের উদ্বেগের অন্ত নেই এবং বিষয়টিকে খুঁচিয়ে তুলে দেশটিতে আবার অশান্তি সৃষ্টির তালে তারা আছেন বলে অনেকে সন্দেহ করেন।
khkjlkklj
গাজায় যখন ইসরায়েলি বর্বরতায় অসংখ্য নর-নারী, শিশুর জীবনান্ত ঘটেছে, আমেরিকার দেয়া অস্ত্রে অঞ্চলটিকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে ইসরায়েল, তখন বাংলাদেশে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সংক্রান্ত ব্যাপারে মানবতার বাণী ছড়াতে এসেছেন আরেক মার্কিন বিশেষ দূত স্টিফেন জে র্যাপ। তার আসল পরিচয়টি নতুন করে দেয়ার দরকার নেই। তার প্রচেষ্টা বাংলাদেশে '৭১ এর যুদ্ধাপরাধ থেকে জামায়াতকে বাঁচানো। জামায়াত একটি সন্ত্রাসী ও জঙ্গি মৌলবাদী দল। একাত্তর সালে বাংলাদেশে গণহত্যায় পাকিস্তানের হানাদারদের দোসর সেজেছিল। কিন্তু এই দলটির প্রতি ডেমোক্র্যাট-রিপাবলিকান নির্বিশেষে মার্কিন প্রশাসনের অসীম দরদ।

Abdul.Gaffar.Chowdhury's picture

শেখ কামাল আজ যদি বেঁচে থাকতেন...

আজ ৫ আগস্ট। বঙ্গবন্ধুর বড় ছেলে শেখ কামালের জন্মদিন। ১৯৪৯ সালের পাঁচ আগস্ট তাঁর জন্ম। আজ বেঁচে থাকলে তাঁর বয়স হতো ৬৫ বছর। তাঁকে যখন হত্যা করা হয়, তখন তাঁর বয়স মাত্র ২৬ বছর। সদ্য বিবাহিত যুবক। মৃত্যুর মাত্র এক মাস আগে (১৪ জুলাই ১৯৭৫) ক্রীড়াবিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের 'ফার্স্ট ফিমেল ব্লু' সুলতানার সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। তাঁর হাতের বিয়ের মেহেদির রং তখনো মুছে যায়নি। এই অবস্থায় গোটা পরিবারের সঙ্গে এই নবদম্পতিকেও হত্যা করা হয়। তাঁর ছোট ভাই শেখ জামাল, সে-ও তখন নববিবাহিত। একেবারেই ছোট ভাই ১০ বছরের রাসেলকেও তাঁদের সঙ্গে নরপশুরা একই রাতে হত্যা করে।
কামাল
বড় বোন, বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চেয়ে শেখ কামাল ছিলেন বছর দুই কি তিনেকের ছোট। পিঠাপিঠি ভাইবোন বলে দুজনের মধ্যে খুনসুটি ও অন্তরঙ্গতাও ছিল বেশি। এ সম্পর্কে একটি চমৎকার গল্প শুনেছিলাম বঙ্গবন্ধুর কাছে। রাজনৈতিক জীবনে বঙ্গবন্ধু প্রায়ই জেলে যেতেন। ফলে বড় মেয়ে শেখ হাসিনা তাঁকে ভালোভাবে চিনলে-জানলেও তাঁর ছোট ভাইবোনরা জেলে আটক বাবার দেখা-সাক্ষাৎ পেত খুব কমই।

Abdul.Gaffar.Chowdhury's picture

গাজায় ইসরাইলের বর্বরতা এবং সৌদি রাজতন্ত্রের ভূমিকা

আমরা যখন গাজায় নির্মম প্যালেস্টাইনি আরব-হত্যায় এককথায় একুশ শতকের বর্বর গণহত্যায় ইসরাইলের নিন্দায় মুখর, তখন এই বর্বরতার পেছনে যে আরব দেশটি রাজতন্ত্রের নেপথ্য সমর্থন ও সহযোগিতা কাজ করছে সেই সৌদি রাজতন্ত্রের সম্পর্কে সবাই নীরব।মধ্যপ্রাচ্যে আরব মুসলমানদের ভূখণ্ড দখল এবং তাদের ওপর বিভিন্ন ছুতোনাতায় ইসরাইলকে নৃশংস হামলা চালাতে আমেরিকা এবং ব্রিটেন অস্ত্র ও অর্থের সমর্থন তো জোগাচ্ছেই, কিন্তু মুখে প্যালেস্টইনিদের প্রতি সমর্থন ও সহানুভূতি জানিয়েও ইসলামের পবিত্র ভূমির হেফাজতকারী হওয়ার দাবিদার সৌদি আরবের রাজারা যে কাজটি করেছেন, তা হল নিজেদের মধ্যযুগীয় রাজতন্ত্র টিকিয়ে রাখার জন্য মধ্যপ্রাচ্যে মুসলিম দেশগুলোর ধ্বংস সাধনে ওয়াশিংটন, এমনকি তেল আবিবকে সহযোগিতা প্রদান।
গাজা
ইরানে বোমা হামলা চালানোর জন্য ইসরাইলের সঙ্গে এক হয়ে আমেরিকার ওপর চাপ দিয়েছিল সৌদি আরব। ইরান একটি শিয়া রাষ্ট্র। শিয়ারা মুসলমান। তা সত্ত্বেও সৌদি রাজাদের কাছে শিয়া মুসলমানের চেয়েও ইহুদি রাষ্ট্র ইসরাইল পরম মিত্র। সৌদি রাজারা নিজেরা সুন্নি এবং শুধু সুন্নি নন, কট্টর ওয়াহাবি।

Abdul.Gaffar.Chowdhury's picture

ঈদ এবার ভালোই কেটেছে বিএনপি এখন কী করবে?

বাংলাদেশে রোজার ঈদ এবার ভালোই কেটেছে। ঈদের ছুটিতে যারা গ্রামের বাড়িতে গেছেন তারা মোটামুটি ভালোভাবেই গেছেন এবং ফিরে এসেছেন। তাদের বড় রকমের দুর্ভোগ পোহাতে হয়নি। কোনো বড় দুর্ঘটনা বা অশান্তির খবর পাওয়া যায়নি। ঈদের পর যাদের কাছ থেকে খবরাখবর পাচ্ছি তারা বলেছেন, তুলনামূলকভাবে এবার তারা ভালোভাবেই ঈদের ছুটি কাটিয়েছেন। প্রতি বছরের মতো অশান্তি, দুশ্চিন্তা, যাতায়াতে দুর্ভোগ তাদের পোহাতে হয়নি। বাংলাদেশের মানুষ শান্তি চায়। বহু বছর ধরে সমাজ শত্রুদের দুর্বৃত্তপনা, রাজনৈতিক অশান্তির জন্য যে দুর্ভোগ তাদের পোহাতে হয়েছে, তাতে এ বছর তুলনামূলকভাবে শান্তি ও স্বস্তির সঙ্গে ঈদ উদযাপন তাদের জীবনে একটি পরম পাওয়া। khaleda111

Syndicate content