ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন's blog

বিভাজন নয়, জাতীয় সংহতিই এ মুহূর্তে আশু প্রয়োজন

বিশ্বের বুকে স্বাধীন-সার্বভৌম দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় একটি অবিস্মরণীয় ঘটনা। লাল-সবুজের নতুন পতাকা ও একটি নির্দিষ্ট ভূখন্ড আমাদের জাতীয় গৌরবের স্মারক। যুদ্ধের মাধ্যমে এ দেশ অর্জিত হয়েছে, কোন চুক্তির মাধ্যমে নয়। বাংলার যে সব দামাল ছেলেরা স্বাধীনতার সূর্য ছিনিয়ে আনেন, গোটা জাতি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। যারা মুক্তিযুদ্ধে স্বজন হারিয়েছেন তাদের প্রতি রইল আমাদের গভীর সহানুভূতি ও আন্তরিক সমবেদনা। এ দেশের মানুষের মায়ের ভাষা বাংলা আন্তর্জাতিক মর্যাদা পেয়েছে, এটা আমাদের অহংকার। ভাষার জন্য আত্মদান অন্য কোন জাতির ইতিহাসে নেই।

রামু বৌদ্ধবসতিতে অগ্নিসংযোগ নিয়ে ‘রাজনীতি’ কাম্য নয়; মূল অপরাধীদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনতে হবে।

রামু-উখিয়া-টেকনাফ-পটিয়ায় বৌদ্ধজনপদে হামলা ও অগ্নিসংযোগ নিঃসন্দেহে জঘন্য ও নৃশংস। আমরা এ তান্ডবের তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং প্রকৃত দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করি। ক্ষতিগ্রস্থ ভাই-বোনদের প্রতি প্রকাশ করছি আমাদের আন্তরিক সহানুভূতি। পূর্বাপর ঘটনা প্রমাণ করে এ ধ্বংসযজ্ঞ পরিকল্পিত নয়, বরং ধর্মগ্রন্থ অবমাননায় সংক্ষুদ্ধ জনগোষ্ঠীর প্রচন্ড ক্ষোভের তাৎক্ষণিক বহিঃপ্রকাশ। ধর্মানুভূতি আহত হলে সে ধর্মের অনুসারীদের আবেগ বাঁধভাঙ্গা জোয়ারের মত সামনে আঘাত হানে, এটা আহত অনুভূতির স্বাভাবিক প্রবণতা। যার প্রমাণ আরাকান, গুজরাট, আহমেদাবাদ ও আসাম। কিন্তু আমরা ভুলে যাই ব্যক্তির অপরাধের জন্য সম্প্রদায় দায়ী নয়। রামুর বৌদ্ধজনপদের মন্দির,বাড়ী-ঘর, সহায়-সম্পদের সাথে পবিত্র কুরআন অবমাননার সংশ্লিষ্টতা নেই। এ ধরণের হামলা ও অগ্নিসংযোগ ইসলাম কোন দিন অনুমোদন করে না। অনিয়ন্ত্রিত আবেগে যে আগুন জ্বলে তা নেভানো কঠিন হয়ে পড়ে,আগুনের তেজ কমে আসলে চোখের সামনে ভেসে উঠে ধ্বংসযজ্ঞের উন্মত্ততা। সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে ফুটে উঠেছে রামুর সহিংসতার জন্য উত্তম কুমার বড়ুয়া দায় এড়াতে পারেন না। কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা-এর বক্তব্যেও তা স্পষ্ট হয়েছে ‘কথিত বৌদ্ধ যুবক নিজের ফেসবুকে প্রথমে নিজেই ছবিটি দেখে। এটি তার কাছে পাঠিয়েছে অন্য কেউ ।

ধর্মানুভূতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন বিশ্বশান্তির পূর্বশর্ত

ঊষালগ্ন থেকেই ইসলাম বৈরী শক্তির ষড়যন্ত্রের শিকার। দীনে হকের উজ্জ্বল প্রদীপ নির্বাপিত করার বহুমুখী প্রয়াস সব সময় লক্ষণীয়। একশ্রেণীর হীন, পাশবেতর ও অতি নিচু মানসিকতাসম্পন্ন লোক সব কালে সব যুগে ইসলাম, কোরআন ও হাদিসের খুঁত বের করে বিষোদ্গার করতে আনন্দ পায়। বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব হজরত মুহাম্মদ (সা.) ও তাঁর মর্যাদাবান সাহাবায়ে কেরামদের প্রতি কটাক্ষ ও বিদ্রূপাত্মক কার্টুন অঙ্কন করা তাদের মজ্জাগত বৈশিষ্ট্য। সাম্প্রতিক সময়ে আরও দুটি উপসর্গ যোগ হয়েছে—একটি পবিত্র কোরআনে অগ্নিসংযোগ এবং অপরটি মহানবী (সা.)-কে নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক সিনেমা তৈরি। এ ঘৃণ্য অপরাধের সঙ্গে একশ্রেণীর ইহুদি ও খ্রিস্টান বিজড়িত। এরা মানবতার দুশমন; মূল্যবোধ-বিবর্জিত বর্বর সন্ত্রাসী। অন্য কোনো ধর্ম তাদের টার্গেট নয়, টার্গেট কেবল ইসলাম। এর পেছনে চারটি কারণ স্পষ্ট। প্রথমত, ইসলাম বিকাশমান ধর্ম। ইসলাম সারা পৃথিবীতে বিস্তৃতিলাভ করছে ক্রমেই; এমনকি ইউরোপ, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার বিভিন্ন জনপদ ইসলামের আলোকধারায় উদ্ভাসিত হয়ে উঠছে; মাথা উঁচু করে দাঁড়াচ্ছে চোখে পড়ার মতো বহু দৃষ্টিনন্দন মসজিদ। ইসলামের অগ্রযাত্রায় হতাশ হয়ে ওই চক্রের হোতারা বিকৃত মানসিকতার পরিচয় দিয়ে সাম্প্রদায়িকতা উস্কে দিচ্ছে। দ্বিতীয়ত, মিথ্যা, অশালীন ও বিদ্রূপাত্মক বিষোদ্গারের আরেকটি উদ্দেশ্য হচ্ছে, অমুসলমানদের মনে ইসলাম ও মুসলমান সম্পর্কে নেতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি করা, যাতে তারা এ ধর্মের প্রতি আকৃষ্ট না হয়ে ইসলামের নামে বিভ্রান্তি ও আতঙ্ক (Islamphobia) সৃষ্টি করে মুমিনদের ইবাদত, কৃষ্টি, জীবনাচার ও দাওয়াতি কর্মপ্রয়াসে শৈথিল্য আনে।

মনুষ্যত্বের উজ্জীবন, চারিত্রিক উৎকর্ষ ও নৈতিক উপলব্ধি সুস্থ সমাজ বিকাশের সহায়ক

মানবতা হচ্ছে এমন একটি বিশ্বাসের প্রক্রিয়া, যা সাধারণ মানুষের প্রয়োজন এবং মানুষের সমস্যাবলির যৌক্তিক পন্থায় সমাধানে কেন্দ্রীভূত। মানুষের নিজের অভিজ্ঞতা থেকে ভালো-মন্দ, ন্যায়-অন্যায় সম্পর্ক বিচারের শক্তি অর্জনই হচ্ছে মনুষ্যত্ব বা ইনসানিয়ত। সমাজের প্রতিটি সদস্যের স্বার্থের প্রতি সুগভীর অনুরাগই মানবতা। ভদ্রতা, পরোপকার, দয়া, সমালোচনা, ক্ষমা প্রভৃতি মনুষ্যোচিত গুণাবলি মানবতার বিকাশের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মানুষের মধ্যে দুটি সত্তা বিদ্যমান- জীবনসত্তা ও মানবসত্তা। জীবনসত্তার কাজ প্রাণ ধারণ, আত্মরক্ষা ও বংশ রক্ষা। মানুষ নিজের মধ্যে একটি সত্তার অনুভব করে- এটাই মানবজীবনের শ্রেষ্ঠ দিক। মানুষের রূপ ও কল্পনাকে মানবোচিত করাই মনুষ্যত্ব। বোধশক্তিসম্পন্ন সৃষ্টি হলো মানুষ; এই বোধের বহিঃপ্রকাশই মানবতা।.

মানবতার যথার্থ বিকাশের জন্য শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। কোরআন-হাদিসনির্ভর শিক্ষা মানুষের মধ্যে মনুষ্যত্বের জন্ম দেয়। আল্লাহ পাকের ওপর অগাধ বিশ্বাস ও মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আদর্শবিবর্জিত মানুষ যতই ধনসম্পদ ও বিদ্যা-বুদ্ধির অধিকারী হোক না কেন সে ঘৃণার পাত্র, সমাজের কলঙ্ক ও আল্লাহর চোখে অপরাধী। উন্নত চরিত্র মনুষ্যত্বের ভূষণ।

অতিথিপরায়ণতা উত্তম গুণ

অতিথিপরায়ণতাকে হজরত মোহাম্মদ (সা.) মুমিনের পরিচায়করূপে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও কিয়ামত দিবসের প্রতি ইমান রাখে, সে যেন অবশ্যই অতিথির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে। অতিথির জন্য উত্তম খাবার ও থাকার ব্যবস্থা করা চাই কমপক্ষে একদিন এক রাত। আর সাধারণভাবে আতিথেয়তা হলো তিন দিন। এরপর অতিথিকে যা আপ্যায়ন করা হবে তা সদাকা হিসেবে গণ্য হবে। আর মেহমানের জন্যও বৈধ নয় দীর্ঘ সময় মেজবানের গৃহে অবস্থান করা যাতে তার কষ্ট হয়। যে ঘরে মেহমানদারি করা হয় সে ঘরে আল্লাহর তরফ থেকে বরকত নাজিল হয়। মেহমানের সঙ্গে মেজবান বসে একত্রে আহার গ্রহণ করলে বরকত যেমন হয়, তেমনি ভ্রাতৃত্ববোধও সুদৃঢ় হয়। ধর্ম, বর্ণ, গোত্র নির্বিশেষে আগত সব অতিথির প্রতি সম্মানও ভালো ব্যবহার করা জরুরি। মেহমানকে বোঝা মনে করা অনুচিত। ধর্মীয় বিশ্বাস মতে, মেহমান নিজের রিজিক নিয়ে মেজবানের ঘরে আসে; এতে করে মেজবানের রিজিকের পরিমাণ বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়।

ফিনল্যান্ডে অবাধ ধর্ম চর্চার রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ

পূর্ব ইউরোপের দেশ ফিনল্যান্ডে ক্রমেই মুসলমানের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ৬০ হাজারে। এদের মধ্যে অধিকাংশ অভিবাসী হলেও আদিবাসীদের মধ্যে মুসলমানের সংখ্যা নেহায়েত কম নয়। ১৮৭০ থেকে ১৯২০ সালের মধ্যে তাতার মুসলিম জনগোষ্ঠী প্রথম সৈনিক ও ব্যবসায়ী হিসেবে ফিনল্যান্ডে আগমন করে। পরে উত্তর আফ্রিকা, মধ্য এশিয়া ও সাবেক যুগোশ্লাভিয়া থেকে মুসলমানরা এখানে এসে আলাদা কমিউনিটি গড়ে তোলেন। সংখ্যায় কম হলেও মুসলমানদের শিকড় এ দেশের গভীরে প্রোথিত। মুসলমানদের দৈনন্দিন জীবনাচার, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, সামাজিক বন্ধন ও ধর্মীয় ঐতিহ্যে মুগ্ধ হয়ে বহু ফিনস ইসলাম কবুল করেন। এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সাম্প্রতিককালে প্রতি বছর ইসলাম গ্রহণকারীর সংখ্যা গড়ে এক হাজার, যাদের মধ্যে মহিলার সংখ্যা বেশি। পরে তারা মুসলমান ছেলেদের বিয়ে করে সংসার পাতেন। মসজিদকেন্দ্রিক দাওয়াতি তত্পরতা পরিচালিত হয় ফিনল্যান্ডে। বড় বড় মসজিদের সঙ্গে পাঠাগার, কমিউনিটি হল, পবিত্র কোরআন শিক্ষা কেন্দ্র সংযুক্ত। আল-ঈমান মসজিদ ও দাওয়াহ সেন্টারে মহিলাদের নামাজ আদায়ের জন্য পৃথক ব্যবস্থা রয়েছে। এদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা-দীক্ষা, সামাজিক সৌহার্দ্য ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সৃষ্টিতে মুসলমানদের অবদান ব্যাপক। কিছু অসুবিধা সত্ত্বেও ফিনল্যান্ডের শ্রমবাজারে মুসলমান শ্রমিকদের প্রবেশাধিকার স্বীকৃত।

“রাষ্ট্রই যখন হাই কোর্টের নির্দেশ মানে না তখন পেশিশক্তি সন্ত্রাসী প্রভাবশালীরা বেপরোয়া হয়ে ওঠে” -ড. মিজানুর রহমান

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান ৩০ আগষ্ট রংপুরে কমিশন আয়োজিত মতবিনিময় সভায় বলেন, “ভুল হলে তা শুদ্ধ করে নেয়ার প্রবণতা আমাদের কম। কলেজছাত্র লিমনের ব্যাপারে ভুল হয়েছিল। সেটি স্বীকার করলেই হতো। কিন্তু তা করা হয়নি। একটি ভুলকে ঢাকার জন্য হাজার ভুল করা হচ্ছে।”

“হাই কোর্ট রাষ্ট্রকে কলেজছাত্র লিমনের চিকিৎসার সব ব্যয়ভার বহনের নির্দেশ দিলেও আজ পর্যন্ত রাষ্ট্র সেই নির্দেশ মানেনি। তার কৃত্রিম পা সংযোজন করা হয়েছে বেসরকারি উদ্যোগে।” “রাষ্ট্রই যখন হাই কোর্টের নির্দেশ মানে না তখন পেশিশক্তি সন্ত্রাসী প্রভাবশালীরা বেপরোয়া হয়ে ওঠে” যেমনটি হয়েছে সোনালী ব্যাংকে।”

“সব অপরাধে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয় না। কিন্তু কোনো অপরাধের সঙ্গে যদি রাষ্ট্র, রাষ্ট্রের কোনো এজেন্সি, সংস্থা, কর্মকর্তা-কর্মচারী, নীতিনির্ধারক জড়িত থাকে তবে সেটাই মানবাধিকার লঙ্ঘন।”
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের মাননীয় চেয়ারম্যান বাস্তবে কিচ্ছু করতে পারছেন না, এর অবশ্য সঙ্গত কারণ আছে। তবে তাঁর উপরিউক্ত মন্তব্যে সাধারণ মানুষের হৃদয়ের কথা ফুটে উঠছে।

নিল আর্মস্ট্রং কী সত্যিই চাঁদের বুকে অবতরণ করেছিলেন ?

নিল আর্মস্ট্রং বিশ্ব জুড়ে বহুল পরিচিত একটি নাম। আজ থেকে ৪৩ বছর আগে চাঁদের বুকে নেমে পৃথিবীর মানুষকে চমকে দিয়েছিলেন এই মার্কিন নভোচারী। ১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই নভোযান অ্যাপোলো ইলেভেনে চড়ে চন্দ্রাভিযানে অংশ নেন তিনি। পৃথিবীজুড়ে ৬০ কোটি মানুষ টেলিভিশনের পর্দায় চন্দ্রাভিযান উপভোগ করেন। পৃথিবীর ইতিহাসে আর কখনোই একক কোনো ঘটনা এত লোক টেলিভিশনের পর্দায় দেখেননি। part-003.jpegনিল আর্মস্ট্রংই চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণকারী প্রথম মানব এ কথাই পৃথিবীর মানুষ বিশ্বাস করে। কিন্তু সেই ১৯৬৯ থেকে একটি জোরালো ভিন্নমত প্রচারিত হয়ে আসছে যে, নিল আর্মস্ট্রং আদৌ চাঁদের বুকে অবতরণ করেননি ?

৬শ কোটি টাকার ঋণ বাতিল করছে এডিবি ! জাতীয় অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশংকা

দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত সংবাদে জানা গেছে যে, ‘প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারে বিলম্ব ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারের দেরিতে অনুমোদনের কারণে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি প্রকল্পের জন্য ৫৯১ কোটি টাকা ঋণ বাতিল করে দিচ্ছে। তবে এর আগে তারা প্রকল্পের অর্থায়নের সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চায়। যে কারণে ২৯ আগস্ট অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ এডিবির অর্থায়নকৃত প্রকল্পের অগ্রগতির চুলচেরা বিশে¬ষণ করতে বৈঠক করতে যাচ্ছে। সংশি¬ষ্ট সূত্রে জানা গেছে, যেসব প্রকল্পের জন্য অর্থায়ন বাতিল করতে যাচ্ছে এর মধ্যে রয়েছে গ্যাস ট্রান্সমিশন ও উন্নয়ন প্রকল্প, চট্টগ্রাম বন্দর বাণিজ্যের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর প্রকল্প, কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প, মাধ্যমিক শিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ প্রকল্প। এছাড়া তারা আরও কিছু প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি-প্রকৃতি নিয়ে আলোচনা করবে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে বৈঠকে প্রকল্প বাস্তবায়নের হাল নাগাদ তুলে ধরে বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করা হবে বলে দাবি করেছেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের একজন কর্মকর্তা।’

রোহিঙ্গা গণহত্যা বন্ধে অং সান সু চি’র ভূমিকা রহস্যজনক !

Aung-San-Suu-Kyi-at-Westm-008.jpg
মিয়ানমারের বিরোধী দলীয় নেত্রী অং সান সু চি, যিনি সে দেশে মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের প্রবক্তা অভিধায় খ্যাত, আজ পর্যন্ত তাঁকে আরাকানে নৃশংস মুসলিম গণহত্যা বন্ধে কোন জোরালো বক্তব্য বা ভূমিকা রাখতে দেখা যায়নি। মুসলিম নেতৃবৃন্দ তাঁর সাথে দেখা সাক্ষাৎ করে তাঁর হস্তক্ষেপ কামনা করলেও তিনি দায়সারা গোছের একটি বিবৃতি দিয়ে দায়িত্ব সম্পন্ন করেন। অথচ আরাকানসহ মিয়ানমারের বহু মুসলিম তাঁর রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসী এর সদস্য।

Syndicate content