মাইলাম সাহেবের মর্মযাতনার কারণ কী?

বাংলাদেশের গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ব্যাংকটিতে কর্তৃত্ব ফিরিয়ে আনা বা বজায় রাখার জন্য গোটা বিশ্বে একটি প্রবল শক্তিশালী অক্ষশক্তি (axis) তৈরি হয়েছে মনে হয়। এই অক্ষৌহিণী বাহিনীতে আছে সুপার পাওয়ার আমেরিকা, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, বিশ্বব্যাংক, অধিকাংশ আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা এবং ইকোনমিস্ট, ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের মতো শক্তিশালী বিশ্ব মিডিয়া। অন্যদিকে বাংলাদেশের ভেতরে আছে পশ্চিমা অর্থে গড়ে ওঠা বড় বড় এনজিও (বাংলাদেশের ইনভিজিবল গভর্নমেন্ট বা অদৃশ্য সরকার)। আছে তাদের পোষা সুশীল সমাজ এবং প্রভাবশালী একাধিক মিডিয়া।
তাতেও নোবেলজয়ী এই অসমযুদ্ধে জয়ী হতে পারবেন বলে সম্ভবত নিশ্চিন্ত হতে পারছেন না। ফলে হাসিনা সরকারের ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি এবং তাকে নতি স্বীকার করানোর জন্য তিনি দেশের ভেতরে-বাইরে প্রতিদিন মিত্র সংগ্রহ করে চলেছেন। এই মিত্রদের অথবা নোবেলজয়ীর এলায়েড ফোর্সের সম্মিলিত প্রচারণায় বামুনের কাঁধের পাঁঠা কুকুর শাবকে রূপান্তরিত হতে চলেছে। অর্থাৎ বাংলাদেশ সরকার গ্রামীণ ব্যাংকের ত্রিশ বছরের বেশি সময় ধরে এক ব্যক্তির আধিপত্য এবং তজ্জনিত নানা অনিয়ম-অব্যবস্থা দূর করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করতেই নোবেলজয়ীর এলায়েড সোর্স থেকে চিৎকার শুরু হয়েছে_ হাসিনা সরকার গ্রামীণ ব্যাংকটি ধ্বংস করার জন্য উদ্যোগী হয়েছে। সরকার দোষী।
এই প্রচারণার লেটেস্ট স্পোকপার্সন বাংলাদেশে নিযুক্ত আমেরিকার সাবেক রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম বি মাইলাম। আমেরিকার \'দি ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল\' নামের প্রভাবশালী পত্রিকাটির ১৪ আগস্টের সংখ্যায় Dhaka Forecloses the grameen Brand শীর্ষক একটি প্রবন্ধ তিনি লিখেছেন, যা শুধু অসত্য তথ্যে ভরা নয়, কূটনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত। তিনি একটি বৃহৎ শক্তির সাবেক কূটনীতিকের দম্ভ নিয়ে বাংলাদেশের বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারকে Perceived as a corrupt government (দুর্নীতিপরায়ণ সরকার বলে যাকে মনে করা হয়) বলারও ধৃষ্টতা দেখিয়েছেন।
এখানে প্রশ্ন, মাইলাম সাহেব বেশ আগে বাংলাদেশে আমেরিকার রাষ্ট্রদূত ছিলেন। এখন বাংলাদেশের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। অন্যদিকে বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত স্পষ্টভাষায় বলেছেন, গ্রামীণ ব্যাংকে আমেরিকার এক পয়সার ইনভেস্টমেন্ট নেই। তাহলে এই গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যাপারে আমেরিকার এত মাথাব্যথা কেন? ঢাকায় নিযুক্ত বর্তমান মার্কিন রাষ্ট্রদূত মজীনা সাহেব তো ড. ইউনূসের ব্যক্তিগত দূতের ভূমিকা নিয়ে অনবরত গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যাপারে কথা বলে চলেছেনই। তার ওপর এখন সাবেক রাষ্ট্রদূত মাইলাম সাহেব এসে জুটেছেন কী উদ্দেশ্যে?
আমি একজন সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রলাপোক্তিকে আদৌ গুরুত্ব দিতাম না, যদি এটি একজন ব্যক্তিবিশেষের নিজস্ব মতামত হতো। কিন্তু মাইলাম সাহেব যা বলেছেন, তা একজন দু\'জনের কথা নয়, দেশি-বিদেশি একটি সংঘবদ্ধ গোষ্ঠীর প্রচার। বামুনের পাঁঠা কুকুরছানা হয়ে যাওয়ার মতো গ্রামীণ ব্যাংকের অব্যবস্থা দূর করার জন্য সরকারের একটি শুভ উদ্যোগকে ব্যাংকটি ধ্বংস করার প্রচেষ্টা বলে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। অথচ মাইলাম সাহেবের লেখা পড়েও বুঝতে পারলাম না, হাসিনা সরকার কীভাবে ব্যাংকটি ধ্বংস করতে চলেছে? বরং ব্যাংকটির পরিচালনা ব্যবস্থায় পরিবর্তন হওয়ার পর এর উন্নতির খবরই পাওয়া যাচ্ছে। সুদের হার কমেছে। সুদ আদায়ের জন্য গরিব ঋণগ্রহীতার ওপর কাবুলিওয়ালাদের মতো যে নির্যাতন হতো তা বন্ধ হয়েছে। নতুন ব্যবস্থাপনায় ড. ইউনূসের হাতে গড়া ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যাদের অধিকার (যে অধিকার ড. ইউনূসের নিয়ন্ত্রণে ছিল এবং এখনও তিনি নিয়ন্ত্রণ করছেন) কিছুটা খর্ব হয়েছে; কিন্তু সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের অধিকারের নিশ্চয়তা বেড়েছে এবং সরকারি ব্যবস্থাপনায় ব্যাংকটি ব্যক্তিগত স্বার্থে পরিচালিত হওয়ার অভিযোগ থেকে মুক্ত হতে চলেছে।
মাইলাম সাহেবের কথা থাক। তিনি আমেরিকার কূটনীতিক। সুতরাং আমেরিকার স্বার্থে কথা বলবেনই। তার বক্তব্যে অনেক অত্যুক্তি আছে, অসত্য আছে। তা কেউ ধরিয়ে দিলে তিনি লজ্জা পাবেন মনে হয় না। কারণ তাদের সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ যে সম্পূর্ণ মিথ্যা প্রচার চালিয়ে ইরাকে হামলা চালিয়েছিলেন তা আজ বিশ্বজনবিদিত। সুতরাং বাংলাদেশের মতো একটি গরিব ও দুর্বল দেশের গণতান্ত্রিক সরকারকে মার্কিন স্বার্থ ও ইচ্ছার কাছে নতজানু করার জন্য একজন সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত গায়ে পড়ে অসত্যের আশ্রয় নেবেন, কূটনৈতিক সততা ও শিষ্টাচার বর্জন করবেন, তাতে আর বিস্ময়ের কী আছে?
মাইলাম সাহেবের মতে, ড. ইউনূস তার গ্রামীণ ব্যাংক সম্পর্কে যে আশঙ্কা করে আসছিলেন যে, সরকার সেটি দখলে নেবে, সেই আশঙ্কা তার কল্পনা বলে অনেকে মনে করেছিলেন। তিনি তার আশঙ্কা যে সঠিক ছিল তার প্রমাণ এখন পাওয়া গেছে। হাসিনা সরকার ক্ষুদ্রঋণ গ্রহীতাদের দ্বারা \'নির্বাচিত ট্রাস্টি বোর্ডকে\' উপেক্ষা করে সরকার নিযুক্ত চেয়ারম্যানের হাতে একটি সিলেকশন কমিটি গঠনের দায়িত্ব দিয়েছে। যে কমিটি ব্যাংকটির নতুন ম্যানেজিং ডিরেক্টর নিযুক্ত করবে।
কথাটি কি সর্বাংশে সত্য? একজন সামরিক শাসকও নিজেকে গণতান্ত্রিক প্রমাণের জন্য একটি হাতে গড়া পার্লামেন্ট রাখেন। তাতে বিরোধী দলও থাকে। কিন্তু সামরিক শাসকের ইচ্ছার বাইরে তারা কিছু করতে পারে না, করে না। সামরিক শাসক (যেমন জিয়া ও এরশাদ) তাদের দ্বারা নিজের ইচ্ছামতো নানা আইন পাস করান এবং প্রচার করেন, এগুলো জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা প্রণীত আইন।
ত্রিশ বছরের ওপর ড. ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকে একচ্ছত্র আধিপত্য চালিয়ে এসেছেন। গ্রামীণ ব্যাংককে পকেটে পুরে তার ইচ্ছামতো এই ব্যাংকের সাহায্যে অসংখ্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। তার নির্বাচিত ট্রাস্টি বোর্ডের জবাবদিহিতা কার কাছে ছিল? তার নিজের কাছে নয় কি? একশ\' টাকার লাখ লাখ শেয়ারহোল্ডারের কাছে এই বোর্ডের কোনো জবাবদিহিতা ছিল কি? এটা তো সেই সামরিক শাসকদের পুতুল পার্লামেন্টের মতো। নির্বাচিত ট্রাস্টি বোর্ডের নামে নোবেলজয়ীর একটি রাবার স্ট্যাম্প।
অবশ্যই গ্রামীণ ব্যাংক ড. ইউনূস প্রতিষ্ঠা করেছেন। কিন্তু এই ব্যাংক প্রতিষ্ঠায় সরকারের অনুমোদন এবং অর্থলগি্ন ছিল। ব্যাংকটি সঠিকভাবে চলছে না অভিযোগ উঠলে সরকারের ব্যাংকটিতে হস্তক্ষেপের অধিকার রয়েছে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর দেশের সকল ব্যাংক, বীমা প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্রায়ত্ত করা হয়। পাকিস্তান আমলের হাবীব ব্যাংক, ইউনাইটেড ব্যাংক, কমার্স ব্যাংক ইত্যাদির ভার সরকার গ্রহণ করে অগ্রণী, জনতা, পূবালী, রূপালী ব্যাংক ইত্যাদি নতুন নামে পরিচালনা করেছে। তাতে ব্যাংকগুলো বন্ধ হয়েছে কি?
আর প্রতিষ্ঠাতা হলেই কি কোনো ব্যক্তি তিনি যতই যোগ্য ও পারঙ্গম হন, সেই প্রতিষ্ঠানে আজীবন কর্তৃত্ব করেন কি? মানুষ মরণশীল। ড. ইউনূসও একদিন নশ্বর জীবন ত্যাগ করবেন। তাকে ছাড়া গ্রামীণ ব্যাংক চলবে না, ব্যাংকটি ধ্বংস হয়ে যাবে, তাই যদি হয় তাহলে তার প্রয়াণের পর কী হবে? ব্যাংকটি কি ধ্বংস হয়ে যাবে?
তার অনুপস্থিতি বা অবর্তমানে ব্যাংকটি ধ্বংস হয়ে যাবে বলে তিনি যদি সত্যই মনে করেন, তাহলে দীর্ঘ সাড়ে দিন দশক ধরে এই ব্যাংকে একাধিপত্য চালানোর সময় তিনি এই ব্যাংক পরিচালনায় তার সহকারীদের মধ্য থেকে অথবা ওই ট্রাস্টি বোর্ডের যেসব মহিলা ব্যাংক চালাতে দক্ষ বলে তিনি দাবি করেন, তাদের মধ্য থেকে দক্ষ পরিচালক তৈরি করেননি কেন? বরং দেখা যায় ব্যাংকটি গড়ে তোলায় তার যেসব সহকারীর অবদান বেশি, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা বেশি, তিনি তাদের নানা কারসাজি করে ব্যাংক থেকে সরিয়ে দিয়েছেন।
ব্যাংকের সরকার নিযুক্ত বর্তমান চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক কি তারই এককালের ঘনিষ্ঠ সহকারী নন? আরও এক অত্যন্ত অভিজ্ঞ ঘনিষ্ঠ সহকারী ছিলেন দীপাল বড়ূয়া। তাদের সাহায্যেই তিনি গ্রামীণ ব্যাংক গড়ে তোলেন। অথচ কিছুদিন পর তাদের তিনি নিজের অনুগত ট্রাস্টি বোর্ডের সহযোগিতায় নানা অজুহাতে ব্যাংক থেকে অপসারণ করেন। সেই বিতাড়িত সহকারী মোজাম্মেল হক এখন ব্যাংকটির চেয়ারম্যান। নোবেলজয়ী কি এতে গাত্রদাহে জ্বলছেন?
মাইলাম সাহেবের মতে, গত বছর হাসিনা সরকার যখন ড. ইউনূসকে ব্যাংকের দীর্ঘকালীন ম্যানেজিং ডিরেক্টর পদ থেকে অপসারণ করে, তখন থেকেই তার বিরুদ্ধে কুৎসা রটনার অভিযান শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয়। এমন একটি মিথ্যা মাইলাম সাহেব একজন বিশিষ্ট মার্কিন কূটনীতিক হয়ে \'ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের\' মতো কাগজে কী করে লিখতে পারলেন? বাংলাদেশ সরকার ড. ইউনূসকে গ্রামীণ ব্যাংকের এমডি পদ থেকে অপসারণ করেনি। তার এই পদে থাকার বয়সসীমা বহু আগে শেষ হয়ে যাওয়ায় তাকে সরকারি বিধান মেনে সরে যেতে বলা হয়। তিনি নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন বলে তার জন্য দেশের আইন আরেক রকম হতে পারে না।
ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনার কোনো অভিযানই সরকার গ্রহণ করেনি। তিনিই তার সুপার পাওয়ার মিত্র, মিডিয়া শক্তি ও অনুগত সুশীল সমাজের দ্বারা_ হাসিনা তার নোবেল পুরস্কার পাওয়ায় ঈর্ষাকাতর, হাসিনা সরকার গ্রামীণ ব্যাংক ধ্বংস করতে চায় এই অপপ্রচারের জন্ম দেন। যে অপপ্রচারের ডঙ্কা এখনও নিনাদিত হচ্ছে। গ্রামীণ ব্যাংক সম্পর্কে সরকারি সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে তিনিই উচ্চ আদালতে গিয়েছিলেন। সেই আদালতের রায়ও তিনি মানছেন না। তিনি খুঁটির জোরে কুঁদে চলেছেন। এখনও কুঁদছেন।
মাইলাম সাহেব আবিষ্কার করেছেন অথবা তাকে ঢাকা থেকে এই বলে ব্রিফিং করা হয়েছে যে, হাসিনা সরকার ড. ইউনূসের সততা সম্পর্কেও প্রশ্ন তুলেছে। তার বৈদেশিক মুদ্রা আয় এবং ব্যাংকটির সাড়ে তিন দশকের অনিয়ম-অব্যবস্থা সম্পর্কে তদন্তের ব্যবস্থা করা নাকি তার সততা সম্পর্কে প্রশ্ন তোলা! দেশের রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীকেও তাদের আয়ের উৎস ও সম্পদের হিসাব দিতে বলা তাদের সততাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা নয়, বরং দেশের স্বার্থেই তাদের অবস্থানকে স্বচ্ছ করে তোলার প্রয়াস। ড. ইউনূস কোনো অন্যায় বা দুর্নীতি করেছেন বলে সরকার এখনও কোনো অভিযোগ তোলেনি। তারা গ্রামীণ ব্যাংকের গত ত্রিশ বছরের বেশি সময়ের আয়-ব্যয়, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন, আয়কর প্রদান, পরিচালনা পদ্ধতি সম্পর্কে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। তাতে ড. ইউনূস ভয় পেলেন কেন? তাকে দুর্নীতিবাজ বলা হচ্ছে বলে প্রচার চালাচ্ছেন কেন? বরং তিনি স্বচ্ছ মানুষ হলে এই তদন্তের মাধ্যমেই তো তার স্বচ্ছতা প্রমাণিত হবে।
সম্ভবত এই তদন্তের জন্যই ড. ইউনূস সবচেয়ে বেশি শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। ভাবছেন, কেঁচো খুঁড়তে সাপ না বেরোয়! সে জন্য বিশ্বজুড়ে তিনি একটি সুপার পাওয়ারের পৃষ্ঠপোষকতায় এমন প্রোপাগান্ডা অভিযান শুরু করেছেন, যে অভিযানে গ্রামীণ ব্যাংক সংক্রান্ত হাসিনা সরকারের সকল পদক্ষেপ নস্যাৎ করা যায়।
উইলিয়াম বি মাইলামের নিবন্ধটি শুধু নির্লজ্জ পক্ষপাতমূলক নয়, রাজনৈতিক কূউদ্দেশ্যমূলকও। আজ স্থানাভাব। ভবিষ্যতে আলাদা একটি নিবন্ধে এই রাজনৈতিক কুউদ্দেশ্যটি তুলে ধরার ইচ্ছা রইল। এখন ছুটির শুভেচ্ছা এবং ঈদ মোবারক।
- Abdul.Gaffar.Chowdhury's blog
- Login to post comments
- 1142 reads
একই রকম আরো কিছু ব্লগ
- আমরা লিখিয়েরা ও আদালত - Ataus.Samad
- বিচারপতি হাবিবুর রহমানের স্পষ্ট ভাষণ - Ataus.Samad
- চীন ও ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক - abdullah.shafi
- ভারতে বাংলাদেশ-ভাবনা - সাজ্জাদ শরিফ - sajjad.sharif
- সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ও বাস্তবতা - Haidar.Akbar.Kh...
- একটি 'অকারণ' বিতর্কের 'প্রকৃত কারণ' - Mujahidul.Islam...
- সাতটি লাশের রাজনীতি - Mohshin.Habib
- প্লিজ প্রধানমন্ত্রী, খালেদা জিয়ার ভাষায় কথা বলে নিজের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করবেন না - Abdul.Gaffar.Ch...
- ভালো কাজে ক্ষমতার প্রভাব ব্যবহার - Ataus.Samad
- কচুঘেচু, লুটপাটের সংস্কৃতি - Hasan.Hafiz

1Comments
Excellent writing. Dr. Yonus does not depend on people of BDesh but on foreign friends. He is a shame to the nation. When army took power after 1/11, he became their puppet to become unelected President instead of fighting for democracy. Why western power gave him noble price for peace? What has he done for peace? They gave him noble & are on his side because he showed them how to suck blood even from poor people, Western world has sucked blood from all developing nations by making them colonies but they did not know you can suck blood from individual poor people too. Dr. Yonus showed them that brilliant path and that is why western world honors him as one of their. He is not one of our. Shame on Dr Yonus and those who support him because politically they are against AL.