আওয়ামী লীগ সাংসদদের চেহারায় গভীর হতাশার চিহ্ন!!

নির্বাচনের আগে শেখ হাসিনা এক বারের জন্যও বলেনি সংবিধান থেকে আল্লাহর উপর আস্থা ও বিশ্বাস তুলে দিয়ে তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষতবাদ ও সমাজতন্ত্র আনবে, তত্ববধায়ক সরকার বাতিল করবে। নির্বাচনী মেনিফ্যাষ্টোতেও এধরনের কোন ঘোষণা ছিলনা। জনগণও এসব পরিবর্তন করার জন্য আওয়ামী লীগকে ভোট দেয়নি।

কিন্তু দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার এক ভয়ংকর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে শেখ হাসিনা নিজের উদ্যোগে এসব করেছেন। বিশেষ করে সংবিধান সংশোধনে গঠিত কমিঠি তত্ববধায়ক সরকার বাতিলের পক্ষে ছিলেন না। কিন্তু শেখ হাসিনা ব্যাক্তিগত ভাবে তা করেছে। এ জন্য ত্রাণের টাকা দিয়ে খায়রুল হককেও বশ করেছিল। এ কারণে আওয়ামী লীগের সাংসদ ও মন্ত্রীরা খুশি ছিলেন না। কিন্তু শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী চরিত্রের বিপক্ষে তারা কেউ সাহস করে কথা বলেনি। তাই সংশোধনী পাশের পর আওয়ামী লীগের মন্ত্রী ও সাংসদ চেহারায় গভীর হতাশার চিহ্ন!!!

পাগলের প্রলাপ ৪

প্রিয় ব্যাক্তির কান্ড 

ভালোবেসে প্রিয় ব্যাক্তিটি ১৬ই জুন ২০১১ সালে প্রিয় ব্লগে একটি রচনা লিখলেন ‘’রুমানা মঞ্জুর এবং আমরা শিরোনামে’’সেখানে প্রথমে পরকীয়া প্রেমের একটি উপমামূলক ঘটনাকে আশ্রয় করে গোপনীয়তার সততাকে মূলধন করে অগ্রগামি হলেন। আমি বেশ মনযোগ দিয়েই পড়ছিলাম। কিন্তূ অল্পক্ষনের মধ্যেই ছন্দপতন হল, অপ্রত্যাশিতভাবে আমি নিজেকে তার লিখায় আবিষ্কার করলাম। এবার প্রিয় ব্যাক্তিটি রুমানা’র বান্ধবীর সহযোগী হয়ে ‘’ডাল মে কুচ কালা হায়’ উক্তিটিকে ব্যাবহার করে আমাকে মানসিক রোগী হিসাবে নির্ধারিত করে, আদেশ করেছেন আমি যেন তার এই লিখাটি আর না পড়ি, কেননা তার মতে তার রচিত চিকিৎসায় আমার কোন উপকার হবে না। তিনি কি লিখেছেন তার নিজের ভাষায় শুনুন, ‘’আপনি একজন মানসিক রোগী। সেজন্য আপনার মাথায় প্রথমেই এমন একটি চিন্তা এসেছে; এবং সেটা পাবলিক ফোরামে প্রকাশ করেছেন। আপনার মতো এমন অসুস্থ্যতা নিয়ে আমাদের চারপাশে অনেক দু'পায়ী জীব ঘুরে বেড়াচ্ছে। এবং আপনি এতটাই অসুস্থ্য যে, আমার লেখা পড়ে আপনার সেই রোগ ঠিক হবে না। তাই আমার বাকি লেখাটুকু পড়ার প্রয়োজন নেই। আমি উপরে যে গল্পটা অর্ধেক বলে রেখেছি, আপনি বরং ওটা নিয়ে ভাবুন। অনেক রঙ্গিন জিনিস পত্র দেখতে পাবেন।‘’ 

Imtiaz Ahmed's picture

মনমোহনের উক্তি দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে সহায়ক হবে না

ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অর্থনীতিবিদ। তিনি বিদগ্ধজন ও সজ্জন ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। কথা বলেন কম, কিন্তু যা বলেন তাতে ওজন থাকে। গুণী মানুষের কদর হয় না, এমন কথা অনেক সময় বলা হয়ে থাকে। কিন্তু তার ক্ষেত্রে এটা কোনোভাবেই প্রযোজ্য বলা চলে না। বিশ্ব নেতৃবৃন্দের যেসব সমাবেশে তিনি উপস্থিত থাকেন, তার মতামত গুরুত্ব পায়। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলে।

তিনি বুধবার কথা বলেছেন ভারতের কয়েকজন সম্পাদকের সঙ্গে। এ আয়োজন ছিল রুদ্ধদ্বার। তবে তিনি সূচনা-বক্তব্যে যা বলেছেন এবং বিভিন্ন প্রশ্নের যা যা উত্তর দিয়েছেন তার ভাষ্য পরে সংবাদমাধ্যমে প্রদান করা হয়। দীর্ঘ এ আলাপচারিতাকালে এসেছে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ। তার কাছে প্রতিবেশীদের নিয়ে কিছু বলার অনুরোধ ছিল। উত্তরে তিনি প্রথমে বলেন শ্রীলংকা প্রসঙ্গে। তারপরই এলো বাংলাদেশের কথা। তিনি বলেন, 'বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক চমৎকার। শেখ হাসিনার সরকার দীর্ঘদিন ধরে দেশটির ভূখণ্ড ব্যবহার করে ভারতবিরোধী বিচ্ছিন্নতাবাদী তৎপরতায় লিপ্ত সংগঠনগুলোকে দমনে ভারতকে সহায়তা দিচ্ছে। এ সবকিছুর পরও দেশটির পরিস্থিতি খুবই সংবেদনশীল। মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশের ২৫ শতাংশ মানুষ জামায়াতে ইসলামীর সমর্থক, যারা অত্যন্ত ভারতবিদ্বেষী। এছাড়া দেশটিতে ছড়িয়ে রয়েছে আইএসআইর নানা রকম চক্রান্তের জাল। তাই যে কোনো সময় বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপট বদলে যেতে পারে।'

চলাফেরার জন্য ঢাকা শহরের ফুটপাতও নিরাপদ নয়

কয়েকদিন আগে রমনা এলাকায় সড়ক ভবনের সামনে দুজন পথচারী বাস চাপা পড়ে প্রাণ হারান।
প্রাথমিকভাবে তাদের কেউ শনাক্ত করেনি। লাশ মর্গে নেয়া হয়েছে। পরবর্তীতে হয়তো তাদের স্বজনরা লাশ নিয়ে গেছেন। তারা ফুটপাতে অবস্থান করছিলেন। একটি বাস ফুটপাতে উঠে গিয়ে তাদের চাপা দিয়েছে। দুটি বাস পরস্পরের সঙ্গে প্রতিযোগিতা দিয়ে চলছিল। এরপর একটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফুটপাতে উঠে পড়ে। বাস দুটি তো মানুষ চালাচ্ছিল, সৃষ্টির সেরা জীব আশরাফুল মাখলুকাত। এই চিত্র প্রমাণ করে যে সড়ক পরিবহনে কি পরিমাণ অরাজকতা বিরাজমান। অবশ্য সামগ্রিকভাবে ঢাকা শহর তথা গোটা দেশে আইনশৃঙ্খলার ভয়াবহ অবনতি।

ভারত-বাংলাদেশ নৌ ট্রানজিট হতে পারে উভয়ের জন্য কল্যাণকর

ভারত সরকার স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে পূর্বাংশের আসামকে সাতটি ভাগে বিভক্ত করে প্রতিটি ভাগকে পৃথক রাজ্যের মর্যাদা দেয়। এ সাতটি রাজ্যকে ‘সাত কন্যা’ বা ‘ঝবাবহ ঝরংঃবৎং’ নামে অভিহিত করা হয়। সেভেন সিস্টার্স বাংলাদেশের পূর্ব ও উত্তর সীমানায় অবস্থিত। সেভেন সিস্টার্স সতের মাইল দীর্ঘ শিলিগুড়ি করিডোর যার অপর নাম ঈযরপশবহ ঘবপশ ঈড়ৎৎরফড়ৎ দ্বারা ভারতের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে সংযুক্ত। সেভেন সিস্টার্স স্থলবেষ্টিত এবং বাংলাদেশ দ্বারা অবরুদ্ধ হওয়ায় ভারতের জন্য প্রাকৃতিক সম্পদসমৃদ্ধ এ অঞ্চলের সম্পদ আহরণপূর্বক অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির উপযোগী করা এবং মূল ভূখণ্ড থেকে বিভিন্ন বাণিজ্যিক পণ্য সড়কপথে এখানে পৌঁছানো সময়সাপেক্ষ, ব্যয়বহুল ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে অসাশ্রয়ী বিবেচিত হচ্ছে।

সেভেন সিস্টার্সের অধিবাসীরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত হওয়ায় এবং ভাষা, কৃষ্টি, গোষ্ঠী, সংস্কৃতি ও জাতিগতভাবে তারা ভারতের মূল ভূখণ্ডের অধিবাসীদের থেকে ভিন্নতর হওয়ায় দীর্ঘদিন যাবৎ সেখানে বিভিন্ন বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী সশস্ত্র সংগ্রামে লিপ্ত। তাছাড়া গণচীন দাবি করে আসছে, ভারতকে স্বাধীনতা প্রদানকালে তারা তাদের মুক্তিসংগ্রাম নিয়ে ব্যস্ত থাকায় অনেকটা তাদের অলক্ষ্যে সেভেন সিস্টার্সভুক্ত অরুণাচল ও নাগাল্যান্ডকে ভারতের অন্তর্ভুক্ত দেখানো হয়েছে, যা ঐতিহাসিকভাবে গণচীনের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল।

Ataus.Samad's picture

অসম্ভবকে সম্ভব করাই সফল রাজনীতি

এক. ইদানীং রোজই খানিক পর পর আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকি। ছোটবেলা থেকেই বর্ষাকালের মেঘ দেখতে ভালো লাগে আমার। এক কালো রঙেরই এত বিচিত্র রূপ দেখা যায় এই সময়টায়। কখনো ঘন কৃষ্ণবর্ণ, কখনো কখনো তাতে ছাই রঙের ছোঁয়া, কখনো ধূসর, আবার কখনো কালো, সাদা আর হালকা নীলের ক্ষণস্থায়ী কোলাজ থাকে আকাশজুড়ে। সন্ধ্যার সময় আকাশজুড়ে কালো মেঘ থাকলে সাঁঝের নীল বর্ণটি কী চমৎকার গাঢ় নীলে পরিণত হয়। তখন হঠাৎ আকাশের দিকে চোখ পড়লে ভ্রম হয়। এ বুঝি মাঝরাত। দিনের বেলায় মুষলধারে বৃষ্টি হওয়ার সময় খোলা মাঠে বা কোনো বিস্তীর্ণ জলাশয়ের ওপর নৌকা কিংবা কোনো সেতুর ওপর থাকলে মনে হয় মাঠ, পানি, আকাশ_এ সব কিছু একাকার হয়ে গেছে সাদা-মাখানো হালকা ছাই রঙের আস্তরণে। ছাদের ওপর কার্নিশে অথবা গাছের পাতায় বৃষ্টির ফোঁটা এসে পড়ার শব্দ এই বৃদ্ধ বয়সেও ততখানি আগ্রহ নিয়ে শুনি ঠিক যেমনভাবে তা কান পেতে শুনতাম ছোটবেলায়।

সামাজিক শক্তি ও ধর্মনিরপেক্ষতা

এত দিন কোনো মুখোমুখি পরীক্ষা সে অর্থে হয়নি। কিন্তু এবার যখন ক্ষমতাসীনেরা সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা ফিরিয়ে আনল, তখন এটা স্পষ্ট হয়ে গেল, সামরিক আমল থেকে রাষ্ট্রীয় আনুকূল্যে ধর্মনিরপেক্ষতা-বিরোধীদের প্রচার-প্রচারণা অত্যন্ত ফলবান হয়েছে। দেখেশুনে মনে হচ্ছে, ধর্মনিরপেক্ষতা-বিরোধীদের ভয়ে এবার ক্ষমতাসীনেরা এমন এক ধর্মনিরপেক্ষতা উপহার দিলেন, যা পৃথিবীতে কেউ কখনো দেখেনি, কেউ কখনো শোনেওনি। একটি রাষ্ট্রধর্ম থাকবে, একটি নির্দিষ্ট ধর্মের বাণী উদ্ধৃত থাকবে এবং একই সঙ্গে সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা থাকবে—এর কোনো মানে হয় না। এটা কোথাও নেই। আমাদের দেশের বাস্তবতার দোহাই এ ক্ষেত্রে কাজে লাগানো মুশকিল। কারণ, কেউ যদি নিজেকে উদারনৈতিক গণতন্ত্রপ্রেমী মনে করেন, তাহলে নির্দিষ্ট বিরতিতে অবাধ নির্বাচন অনুষ্ঠানে বিশ্বাস করাটা তাঁর জন্য প্রাথমিক শর্ত। ঠিক একইভাবে ধর্মনিরপেক্ষতায় বিশ্বাস করলে রাষ্ট্রীয়ভাবে কোনো ধর্মকে প্রাধান্য না দেওয়াটাই হচ্ছে প্রাথমিক শর্ত। ধর্মনিরপেক্ষতা না চাইলে নেই, কিন্তু ধর্মনিরপেক্ষতা চাইলে এই প্রাথমিক শর্তটুকু পূরণ করাটা একান্ত আবশ্যক। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, প্রাথমিক শর্ত অগ্রাহ্য করেই বাংলাদেশের সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা প্রবিষ্ট হলো।

Faruq.Chowdhury's picture

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও বহির্বিশ্ব

যুদ্ধের অথবা সশস্ত্র সংগ্রামের প্রতিক্রিয়া, তার সঙ্গে প্রত্যক্ষ, এমনকি পরোক্ষভাবে সংশ্লিষ্ট সমাজেও গভীরভাবে অনুভূত হয়। আমাদের সমসাময়িক ইতিহাসে দুটি মহাযুদ্ধ তার প্রমাণই বহন করে। ক্রমশ ছোট হয়ে আসা বর্তমান পৃথিবীতে মানুষের জীবনযাত্রার পটই পাল্টে দিল এই দুই মহাযুদ্ধ। একটি জাতির ইতিহাসে সশস্ত্র সংগ্রামের বেলায়ও তা-ই। কথায় বলে, ইট ইজ নেভার দ্য সেইম আফটার এ ওয়ার। যুদ্ধোত্তর অবস্থা তার আগের মতো কখনো হয় না। অবশ্য সেই অবস্থা ইতিবাচক অথবা নেতিবাচক, কিংবা দুই-ই হতে পারে।

আফগানিস্তানের বিষাদময় ইতিহাসের কথা মনে আসে। সেই দেশে কোন লগ্নে যুদ্ধ আর সংঘাতের সূত্রপাত হয়েছিল, তার ‘তারিখ-সাল’ নিয়ে ‘পণ্ডিতেরা বিবাদ’ করতেই পারেন। ২০০১ সালের অক্টোবরে বুশ সাহেব ৯/১১-এর তথাকথিত প্রতিক্রিয়ায় উষ্মাভরে ‘শ্রাবণের বর্ষণের মতো’ বোমা ফেলছিলেন। তখন ২০০১ সালের অক্টোবরে একজন সাংবাদিকের দায়িত্বে আমি পেশোয়ার তথা আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্তে বোমা-আক্রান্ত অনেক আফগান বাস্তুহারার সাক্ষাৎকার নিয়েছিলাম। তাঁদের একজন ছিলেন প্রফেসর দোস্ত মোহাম্মদ।

Shahdin.Malik's picture

জনগণের অধিকার ও ক্ষমতা উপেক্ষিত

সংসদ আবার সংবিধান সংশোধন করেছে এবং ভালো হোক মন্দ হোক, সেটাকে আপাতত আমাদের মেনে চলতে হবে। প্রশ্ন হচ্ছে, খুশি মনে মানব, নাফল বাধ্য হয়ে মানব? এই মুহূর্তে নিতান্ত সরকারদলীয় লোক না হলে অন্য সবাই বাধ্য হয়েই মানবে বলে আমার ধারণা। তবে সত্য যে, সরকার যা করে, সচরাচর আমরা তা ভালো চোখে দেখি না। আবার এটাও সত্য, সমালোচনা ছাড়া কাজ ভালো হয় না।

আমাদের সংবিধানের গায়ে অনেক ময়লা-কাদা এবং অনেক অগ্রহণযোগ্য বিধান ছিল। সমাজের সবচেয়ে অগণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, অর্থাৎ সেনা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এগুলো সংবিধানের মাধ্যমে রাষ্ট্রের ওপর চাপিয়ে দিয়েছিল। এগুলো থেকে সংবিধানকে মুক্ত করা ছিল অপরিহার্য।

Syed.Abul.Maksud's picture

দূরদর্শিতার পরিচয় নেই

মামুলি সংশোধন নয়, মোটের ওপর নতুন করে সংবিধান যে লেখা হবে তা বোঝা যাচ্ছিল কয়েক মাস যাবৎ। এবং সেই সংবিধানটি যে হবে মহাজোট সরকারের নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগের ‘পরান যাহা চায়’ ঠিক তাই-ই, তাতেও সন্দেহ ছিল না কারও। সেভাবেই পঞ্চদশ সংশোধনী পাস হয়েছে ৩০ জুন।

সংসদ নেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, একটি ‘ঐতিহাসিক’ কাজ সম্পন্ন হয়ে গেল। বিরোধীদলীয় নেত্রী খালেদা জিয়া সংসদের বাইরে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন : ‘৩০ জুন একটি কলংকময় দিন হিসেবে জাতির ইতিহাসে চিহ্নিত হবে।’

নির্বাচনের আগে সংবিধান সংশোধন করে জনগণের উপকার করবেন সে কথা আওয়ামী লীগের কোন উপজেলা পর্যায়ের নেতাও বলেননি, কেন্দ্রীয় নেতারা তো ননই। সংসদে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘জনগণ আমাদের ভোট দিয়ে ক্ষমতায় বসিয়েছে। তাদের রায়ের প্রতি সম্মান দেখিয়ে সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে। জনগণ আপনাদের (বিরোধী দলকে) ভোট দেয়নি। কিন্তু জনগণের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো উচিত।ঃ জনগণের জন্য আমার রাজনীতি। যখন যে ব্যবস্থা জনগণের জন্য কল্যাণকর, সে ব্যবস্থা গ্রহণ করি।’ তিনি বিরোধীদলীয় নেত্রীকে সূরা আল এমরান পড়ার উপদেশ দিয়েছেন। অর্থাৎ রাষ্ট্রধর্ম সুষ্ঠু প্রয়োগ করতে পরামর্শ দিয়েছেন।

Syndicate content