মিরাজুন্নবী (সা.) : ইতিহাস ও তত্ত্ব

পবিত্র সত্তা তিনি, যিনি তাঁর বান্দাকে তাঁর নির্দশনগুলো দেখানোর জন্য রাত্রিকালে ভ্রমণ করিয়েছেন মসজিদে হারাম থেকে মসজিদুল আকসা পর্যন্ত। যার পরিবেশ পবিত্র, নিশ্চয়ই তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা। (সূরা বনি ইসরাইল, আয়াত-১)

মহান আল্লাহ তাঁর আপন কুদরতের নির্দশনগুলো প্রদর্শনের জন্য নিজ বান্দা মুহাম্মদকে (সা.) বিশেষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কাবা শরীফ থেকে আরশে আজিম পর্যন্ত পৌঁছিয়ে, ইমামুল আম্বিয়া সম্মানের ঊর্ধ্ব সীমানায় উন্নীত করেন। মিরাজকে তাঁর প্রিয় বন্ধুর জন্য অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুজিজা হিসেবে গণ্য করে সব আম্বিয়ার মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব দান করেন।

মিরাজ আরবি শব্দ, উরুজুন শব্দ থেকে আগত, যার শাব্দিক অর্থ হচ্ছে ঊর্ধ্বগমন, ভ্রমণে ঊর্ধ্বারোহণ, উপরে ওঠা, আকাশপথে ভ্রমণ করা, সিঁড়ি, ধাপ, সোপান ইত্যাদি। মূলত উরুজুন অর্থ উন্নতি হওয়া, উত্তীর্ণ হওয়া, সফলতা লাভ করা। এর বিপরীত শব্দ হচ্ছে যাওয়াল, অর্থ অবনত হওয়া, নিচে নামা ইত্যাদি। পরিভাষায় মহানবীর (সা.) সেই ঐতিহাসিক ঘটনাবলিকে মিরাজ বলে যা আল্লাহ তায়ালার প্রিয় বন্ধু মোহাম্মদকে (সা.) রজব মাসের ২৬ তারিখ দিবাগত রাত বাদ এশা উম্মে হানির গৃহ পর্যন্ত থেকে জাগ্রত অবস্থায় বোরাকযোগে মসজিদে হারাম থেকে মসজিদে আকসা, সেখান থেকে প্রথম আকাশ হয়ে সপ্তাকাশ, তথা থেকে বায়তুল মামুর, সিদরাতুল মুনতাহা, আরশে আজিম পৌঁছে আল্লাহর দিদার লাভ করা। ইসরা অর্থ রাত্রিকালীন সফর।

Badruddin.Umar's picture

শেখ হাসিনার ভালোর পসরা

বিগত ২৭ জুন ২০১১ তারিখে ‘ভালোর পসরা’ নামে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি রচনা একইসঙ্গে ঢাকার বেশ কয়েকটি প্রথম সারির বাংলা সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়েছে।



একইসঙ্গে এই ধরনের কোনো রচনা সাধারণত প্রকাশিত হয়ে থাকে কোনো বিশেষ দিবস উদযাপন উপলক্ষে সরকারি বিজ্ঞাপন হিসেবে। ওপরে উল্লিখিত রচনাটি কোনো সরকারি বিজ্ঞাপন না হলেও অনেকগুলো পত্রিকায় এটি একইসঙ্গে ছাপার কারণ এটি পত্রিকাগুলোতে পাঠানো হয়েছে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে। এদিক দিয়ে রচনাটিকে বলা চলে বিনাপয়সায় প্রকাশিত এক ধরনের বিজ্ঞাপন। ক্ষমতায় থাকার সুবিধা অনেক!

Naim.Nizam's picture

আওয়ামী লীগের জন্য ওয়াক আপ কল

অসাধারণ দরাজ গলা সেলিম চৌধুরীর। হাছন রাজার গান ধরলে সবকিছু ভুলে যেতে মন চায়। জন্মগতভাবেই আমরা সবাই কম-বেশি বাউল মনের। হাছন রাজার গান শুনতে মন চাইলে চলে যাই সেলিমের বাড়িতে। মুগ্ধ হয়ে শুনি। মন টানে ছুটে যেতে প্রিয় শহর কুমিল্লায়। রাতভর আড্ডা জমাতে। এই কুমিল্লায় কবি নজরুল বারবার ছুটে আসতেন। আর প্রেমে পড়তেন কুমিল্লার নারীদের। সংগীত, সংস্কৃতি, শিক্ষা, ইতিহাস, ঐতিহ্যে কুমিল্লার একটা সুনাম ছিল। এই শহরে সুরের ঝঙ্কার তুলতেন শচীন দেববর্মণ। অনেক সময় শচীন কর্তার পাশে বসে গান লিখতেন কবি নজরুল। কুমিল্লা এখন রিকশার শহর। যেভাবে উন্নতির কথা ছিল তা হয়নি। টাউন হলের ঐতিহ্যবাহী কুমিল্লা ক্লাব এখনো ঠায় দাঁড়িয়ে। কুমিল্লা ক্লাবের সদস্যরা বছরের নির্দিষ্ট সময় ব্যবহার করতে পারেন ঢাকা, উত্তরা, গুলশান, চট্টগ্রাম ও কলকাতা ক্লাব। কুমিল্লা ক্লাবে জেলা যুবলীগ সভাপতি শাহীন আর যুবদল সভাপতি ওয়াসীমকে একসঙ্গে, এক টেবিলে পেলাম কিছুদিন আগে। সঙ্গে ক্লাবের প্রাণোচ্ছল সাধারণ সম্পাদক আরফানুল হক রিফাত। এই আন্তরিকতা, এই সৌহার্দ কি জাতীয় রাজনীতিতে আসতে পারে না? আমাদের দুটি দলের নেতারা কি এভাবে ঢাকা শহরে বসতে পারেন না?

পবিত্র কোরআনের আলোকে পবিত্র জীবন

মানব জীবনের তিনটি ধাপ বা স্তর রয়েছে। প্রথম ধাপ হচ্ছে প্রাণীসুলভ চাহিদা পূরণ, পানাহার, নিদ্রা ইত্যাদি। পানাহার, পোশাক-পরিচ্ছদ, বাসস্থান ও পরস্পর মিলেমিশে বাস করা এগুলো নিয়ে আমাদের জীবন গঠিত। এ চারটি জিনিস মানবজীবনের মূল উপাদান। এসব উপাদান দ্বারা গঠিত জীবনকে জৈবিক জীবন বলা যায়। মানবজীবনের দ্বিতীয় ধাপ হচ্ছে বুদ্ধি ও বিবেক। ১৪/১৫ বছর বয়সে মানুষের মাঝে বিবেক-বুদ্ধি আসতে শুরু করে। নিজের আওতাধীন সব বিষয়ে সে বিবেক বুদ্ধি দ্বারা চিন্তা-ভাবনা শুরু করে। মানবজীবন যখন এ পর্যায়ে এসে যায় তখন আমরা তাকে মানবীয় জীবন বলি। বিবেক মানুষকে সামষ্টিক জীবনব্যবস্থার শিক্ষা দেয়। এ অবস্থায় মানুষ সামাজিক জীবন, লেনদেন ব্যবসা-বাণিজ্য, চাষাবাদ ইত্যাদি সম্পাদন করে। সম্মিলিত জীবনব্যবস্থা, সৌন্দর্যবোধ, স্বজাতির কল্যাণচিন্তা ইত্যাদি বিবেকের কাজ। মানবজীবনের তৃতীয় ধাপ হচ্ছে ইমান। মানবজীবনে যখন ইমানের নূর (জ্যোতি) আসে তখন একটি নতুন মাত্রা যোগ হয়। এ স্তরে এসে প্রতিটি কাজে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের সন্তুষ্টির কথা ভাবে। ইমানের শাসনে মানুষ পানাহার, পোশাক-পরিচ্ছদ সবকিছুর ক্ষেত্রে জায়েজ-নাজায়েজ, হালাল-হারামের কথা চিন্তা করে।

পাগলের প্রলাপ ৩

 


মানসিক চিকৎসকের বক্তব্যঃ

রুমানা মনযুরের স্বামী হাসান সায়ীদের পশুবৃত্তির চর্চা যে ধরনের লোমহর্ষক এবং ভয়াবহ পরিনতি উপহার দিয়েছে, তা কোন সমাজেই কাম্য নয়। তথাপি বিভিন্ন সমাজ এবং জাতি এ ধরনের অসুস্থতার প্রকোপ থেকে নিজেদের রক্ষা করতে ব্যার্থ হচ্ছে বারে বারে। হাসান সায়ীদকে যদি সঠিক বিচারে মৃত্যুদন্ডের মত গুরুতর শাস্তিও প্রদান করা হয় তবুও রুমানার হারানো দৃষ্টি ফিরে পাবার কোন সম্ভাবনা নাই। শুধু তাই না, ইতিমধ্যে রুমানা প্রেমিক-স্বামীহারা-নির্যাতিতা এবং তাদের সন্তানের সমগ্র আগামী জীবন কন্টকাকীর্ন হয়েছে। সারাটি জীবন ধরে এই সন্তানকে কি ধরনের ভয়াবহ মানসিক যন্ত্রনা এবং বেদনা বহন করতে হবে তার কোন সীমারেখা নেই। তাহলে এ ধরনের পাশবিক আচরনের জন্য হাসান সায়ীদের কি কোন শাস্তির প্রয়োজন নেই?  আমি বলব অবশ্যই আছে প্রশ্ন হচ্ছে রুমানার দৃষ্টি ফিরে পাবার কোন সম্ভাবনাই যদি না থাকে, সন্তানকে যদি চিরকালের জন্য যন্ত্রনার জীবনই বহন করতে হয় তাহলে হাসান সায়ীদকে শাস্তি দিয়ে কি লাভ হবে?

প্রসঙ্গঃ বাংলা এবং বাঙ্গালির চিরন্তন সংস্কৃতি ধর্মনিরপেক্ষতা এবং আমাদের সংবিধান

দ্বিজাতিতত্ত্বের ধোঁয়াটে ফানুসে উপমহাদেশ ১৯৪৭ সালে ভারত এবং পাকিস্তান নামক ২টি ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্রের জন্ম হয় । দ্বিজাতিতত্ত্বের প্রবক্তা মুহাম্মদ আলি জিন্নাহ ব্যক্তিগত জীবনে ইউরোপীয় সংস্কৃতিতে প্রভাবিত একজন সেক্যুলার মুসলিম ছিলেন। তিনি ব্যক্তিগত জীবনে সেক্যুলার হওয়ার পরও দ্বিজাতিতত্ত্বের মত একটি ধর্মভিত্তিক পন্থা উপমহাদেশের জন্য দিয়ে গিয়েছিলেন। এর পেছনে কারণ ছিলো, মুসলমান গোষ্ঠীর পশ্চাৎপদসরিত করুণ অবস্থা যার জন্য তারা নিজেরাই দায়ী ছিলো।  ব্রিটিশ আমলে তারা ব্রিটিশদের সকল প্রকার সাহায্য করা থেকে বিরত থাকে এবং ইংরেজি শিক্ষাকে উপেক্ষা করে। পক্ষান্তরে হিন্দু জনগোষ্ঠী ইংরেজি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে ব্রিটিশদের কর্মকাণ্ডে সহায়তা করে এবং ব্রিটিশদের মনোভাজন হয়। ফলে সমাজে এবং চাকুরীক্ষেত্রে তারা প্রতিষ্ঠিত হয়। স্বাধীনতা অর্জন করতে গেলে যে গোঁয়ার হয়ে থাকা চলবে না এটি তারা অনুধাবন করতে পারলেও মুসলমান জনগোষ্ঠী তা পারেনি এবং নিজেদের গোঁয়ার্তুমির কারণে তারা সর্বক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ে ।তাদের সামগ্রিক অবস্থার উন্নতি সাধনের নিমিত্তে জিন্নাহ সাহেব নিজে সেক্যুলার হওয়া সত্ত্বেও দ্বিজাতিতত্ত্বের মাধ্যমে ভারত বিভাজনের দাবী উত্থাপন করেন । এতে মুসলমানদের সামগ্রিক অবস্থার কিছু উন্নয়ন ঘটে কিন্তু ধর্মনিরপেক্ষতা এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি চরমভাবে বিনষ্ট হয়। পুরো উপমহাদেশে ধর্মীয়-সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে,ধর্মভিন্নতার কারণে মানুষ মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করে, লুটতরাজ করে, বাড়িঘর জমিজমা বসতভিটা সকল কিছু দখল করে নেয়,রক্তগঙ্গায় ভাসিয়ে দেয় গোটা উপমহাদেশকে ।সেই দ্বিজাতিতত্ত্বের মত ধর্মীয় তথা সাম্প্রদায়িক পদ্ধতিকে পূর্ব এবং পশ্চিম পাকিস্তানের জনসাধারণ সমর্থন জানিয়েছিলো,ভারতের জনগণের মধ্যে ছিলো মিশ্র প্রতিক্রিয়া,অনেক নামকরা মুসলিম ব্যক্তিত্ব দ্বিজাতিতত্ত্বের বিরোধিতা করেছিলেন। 

শেখ হাসিনার নোবেল পুরষ্কার নয়, ধিক্কার পাওয়া উচিত

কিছু কিছু আওয়ামী তোষামোদকারী এবং পদলেহনকারী বিভিন্ন অযুক্তি-কুযুক্তি দিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করে যাচ্ছে যে, মুঃ ইউনুসের পরিবর্তে শেখ হাসিনারই নোবেল পুরষ্কার পাওয়া উচিত ছিল | স্বদেশে এবং আন্তর্জাতিকভাবে শেখ হাসিনা বা শেখ মুজিবের চেয়ে অন্য কোনো বাংলাদেশী বেশি পরিচিতি এবং প্রাধান্য পাবে - তা আসলে এসব তোষামোদকারী এবং পদলেহনকারী শ্রেণীর মানুষরা মানতে পারছে না !

নোবেল পুরষ্কার যে অনেক আগে থেকেই বিতর্কিত হয়ে আসছে তা সবাই জানে | এটি নতুন কিছু নয় | এটি প্রমাণ করার জন্য এত গবেষণা (!) করার দরকার হয় না, এত বস্তা বস্তা ওয়েব-লিঙ্ক ঘাটাঘাটিরও প্রয়োজন হয় না | তাছাড়া - কেউ যদি নোবেল পুরষ্কারের পক্ষপাতিত্ব প্রমাণ করারই চেষ্টা করবেন, তাহলে সেই পক্ষপাতদুষ্ট পুরষ্কার পাওয়ার যোগ্য হিসাবে শেখ হাসিনাকে অধিষ্ঠিত করারই বা চেষ্টা করবেন কেন ? ব্যাপারটা হাস্যকর নয় কি ?

মুঃ ইউনুস ভালো কি মন্দ, তিনি নোবেল পাওয়ার যোগ্য নাকি যোগ্য নন, তাঁর গ্রামীন ব্যাংক সঠিক না বেঠিক - সেসব আমার বলার বিষয় নয় | আমার বলার বিষয় এই যে, শেখ হাসিনার মতো ভন্ড একজন মানুষের কোনভাবেই নোবেল পুরষ্কার পাওয়া উচিত নয়; বরং যা পাওয়া উচিত তা হছে ধিক্কার |


আওয়ামী তোষামোদকারী এবং পদলেহনকারীদের অন্যতম একজন হলেন মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী | তিনি বিবেকবর্জিত এবং অন্ধ | তিনি একজন মিথ্যুকও | মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী প্রমাণ করতে চেয়েছেন যে, চীন এবং ভারতের মত দেশে মুঃ ইউনুস কিংবা গ্রামীন ব্যাংক নিয়ে কোনো মাতামাতি নেই | পৃথিবীর অন্য অনেক দেশের মতো চীন এবং ভারতেও যে গ্রামীন ব্যাংক নিয়ে আলোচনা হচ্ছে তার প্রমান হিসেবে নিচে কিছু লিঙ্ক দেয়া হলো, কেউ ইচ্ছা করলে পড়ে নিতে পারেন |

Mizanur.Rahman.Khan's picture

রাষ্ট্রধর্ম কি আওয়ামী লীগের তুরুপের তাস?

খবরটি ছাপা হয়েছিল ১৯৮৮ সালের ১৪ মে কুয়েত টাইমস-এ। বাংলাদেশের দৈনিক সংবাদ খবরটি প্রথম পাতায় বক্স আইটেম হিসেবে খুবই যত্নের সঙ্গে ছেপেছিল ৭ জুন ১৯৮৮। শ্রদ্ধেয় বজলুর রহমান (কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর প্রয়াত স্বামী) তখন সংবাদ-এর সম্পাদক। ১৪ মের একটি বাসি খবর বাংলাদেশের পত্রিকায় এমন ঘটা করে পুনর্মুদ্রিত হওয়ার নিশ্চয় গুরুত্ব ছিল। আর সেই কারণটি ছিল রাষ্ট্রধর্ম।

Dr.Emajuddin.Ahmed's picture

কোন আশংকাকেই আমরা গ্রাহ্যের মধ্যে আনতে চাই না

যুগান্তর : তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতির কারণেই এদেশে এক-এগারোর উদ্ভব হয়েছিলÑ প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের সঙ্গে আপনি কি একমত পোষণ করেন?

ড. এমাজউদ্দীন আহমদ : অনেকটাই একমত পোষণ করি। তবে এ পরিস্থিতির জন্য কেবল তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাই দায়ী ছিল না; দায়ী ছিল অন্যসব বিকল্পকে বাদ দিয়ে তৎকালীন রাষ্ট্রপতির প্রধান উপদেষ্টার পদ দখল করা। এরপর দায়িত্ব পালনকালে উপদেষ্টাদের মধ্যে শৃংখলা আনতে তার ব্যর্থতার পাশাপাশি বিরোধী দল যখন ভয়ংকরভাবে লগি-বৈঠার আন্দোলন শুরু করলÑ এসব কিছুর প্রেক্ষাপটেই এক-এগারোর সূচনা হয়। এক-এগারো তো এমনি আসে না। আমি মনে করি, যতক্ষণ না রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ক্ষেত্র তৈরি করে দিচ্ছেন, ততক্ষণ পর্যন্ত সামরিক শাসন এদেশে আসেনি, পৃথিবীর কোথাও আসে না। কাজেই এক-এগারোর জন্য দায়ী কেবল তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নয়। তখনকার তত্ত্বাবধায়ক সরকার পরিচালনার ব্যর্থতা যেমন দায়ী, তেমনি দায়ী ওই সময়ে বিরোধী দলের ভূমিকা।

যুগান্তর : হরতাল-ভাংচুর পরিহার করে তত্ত্বাবধায়ক ইস্যু নিয়ে সংসদে আলোচনার যে আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীÑ তার পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপির করণীয় কী হওয়া উচিত?

ড. এ. আ. : সংসদে যাওয়া প্রয়োজন। বিএনপি নেতৃবৃন্দের মধ্যে অনেকেই আছেন, যারা আমার ছাত্র। আমি তাদের উদ্দেশে বলি, তোমাদের পার্লামেন্টে যাওয়া উচিত এবং এ সম্পর্কে তোমরা যা ভাবছ, তোমাদের ভাবনাটা স্পষ্ট করে বলে দাও।

Abdul.Matin.Khan's picture

কায়াহীন ওসামার প্রচ্ছায়া

ইতিহাসে এ রকম দেখা যায়। ইতিহাস কী, সে কথা বলতে গেলে লম্বা ইতিহাস হয়ে যাবে। এককথায় বললে, ইতিহাস হল লিপিবদ্ধ ঘটনা। ঘটনা অবিরাম ঘটে চলে। কেউ তার দিকে তাকাল, কেউ তাকাল না। যারা তাকাল তাদের অনেকে ঘটে যাওয়া ঘটনার মধ্যে লিখে রাখবার মতো কিছু থাকলে লিখে রাখেন। অনেকে তার প্রতিদিনের অভিজ্ঞা দিন শেষে লিখে রাখেন। কেউ কেউ জীবনসায়াহ্নে পৌঁছে ফেলে আসা অতীত নিয়ে স্বয়ংকৃত জীবনী লেখেন। ইতিহাসবিদ লেখেন মানবজাতির বিভিন্ন অংশের কীর্তিকলাপের বিবরণ।

Syndicate content