Rahat.Khan's picture

দুর্নীতি-রাজনীতি, রাজনীতি-দুর্নীতি

বোন তিহার (ভারত) জেলে আটক আছেন। বোনকে দেখতে দিলি্ল পেঁৗছেছেন এমকে স্টালিন। তামিলনাড়ূর ডিএমকে নেতা এম করুণানিধির পুত্র তিনি।

এই কিছুদিন আগেও করুণানিধি ছিলেন তামিলনাড়ূর মুখ্যমন্ত্রী। সিংহ-পুরুষ। তবে কিছুদিন আগে তামিলনাড়ূর রাজ্য নির্বাচনে গোহারা হেরেছেন এডিএমকে নেতা, তামিলনাড়ূর কিংবদন্তি অভিনেতা, পরে রাজনীতিতে যোগ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হওয়া প্রয়াত রামচন্দ্রনের স্ত্রী, সাবেক অভিনেত্রী, বর্তমানে দাপুটে রাজনীতিবিদ জয়ললিতার কাছে। সিংহ-পুরুষের সিংহ গর্জন এখন বিড়ালের মিউমিউতে পরিণত হয়েছে।

করুণানিধির ডিএমকে পার্টি এখনও ভারতের ক্ষমতাসীন ইউপিএ কোয়ালিশনে আছে। তবে টু-জি স্পেকট্রাম দুর্নীতির কারণে কেন্দ্রীয় সরকারের কোনো অনুকম্পা পাচ্ছেন না। অনুকম্পা পাওয়া তো দূরে থাকুক, দিলি্ল সরকারই করুণানিধির ডিএমকে দলের দাপুটে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজাকে আগে মন্ত্রিত্ব থেকে বরখাস্ত করেছে, পরে দুর্নীতির নাটগুরু হিসেবে জেলে পুরেছে।

Abdul.Gaffar.Chowdhury's picture

রাইট লেফট রাইট\ আওয়ামী লীগের বাষট্টি বছরের লংমার্চের কাহিনী

সম্ভবত বাঙালি মুসলমানের রাজনৈতিক জীবনের ট্র্যাজেডি অব এররস (tragedy of errors) হল তার সম্মুখযাত্রার উল্টো পদ্ধতি। সেনা বা পুলিশের মার্চিংয়ের পদ্ধতি হল লেফট, রাইট, লেফট। কিন্তু বাঙালি মুসলমানের গত অর্ধশতকেরও বেশি সময়ের মার্চিংয়ের পদ্ধতি হল রাইট, লেফট, রাইট। আওয়ামী লীগের জন্মকাল থেকে আজ পর্যন্ত তার দীর্ঘ বাষট্টি বছরের লংমার্চের দিকে তাকালে এই ডান, বাম ও ডানের খেলার প্রতিফলন দেখা যাবে।
আওয়ামী লীগের জন্ম কিছুটা উদারনীতির সাম্প্রদায়িক দক্ষিণপন্থী দল হিসেবে। মাঝখানে বামপন্থার দোলাচলে সে দুলেছে। এখন দলটি আবার দক্ষিণপন্থী দল হয়ে উঠেছে। তার নামে ও রাজনীতিতে সাম্প্রদায়িকতা ফিরে না এলেও সাম্প্রদায়িক রাজনীতির কালচার পুরোপুরি ফিরে এসেছে। বর্তমান আওয়ামী লীগের চরিত্র ও চেহারা ৫৬ বছর আগের আওয়ামী মুসলিম লীগের চরিত্র ও চেহারার চেয়েও অনেক বেশি রক্ষণশীল ও ধর্মীয় ধরনের। তখন আওয়ামী লীগে হিজাব, দাড়ি ও টুপির এত প্রাবল্য ছিল না। তখন দলের ধর্মীয় নাম ছিল। কিন্তু এত ধর্মান্ধতা দলটির রাজনীতিতে ছিল না।

Mufti.anaetullah's picture

কোরআন ও হাদিসের দৃষ্টিতে মেরাজ

সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হজরত মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ২৩ বছরের নবুয়তি জীবনের অন্যতম অলৌকিক ও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হলো মেরাজ। মেরাজ গমন করে হজরত মোহাম্মদ (সা.) আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কাছ থেকে উম্মতের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের আদেশসহ ইসলামী সমাজ পরিচালনার বিধিবিধান নিয়ে আসেন। পবিত্র কোরআনে এ সম্পর্কে সূরা বনি ইসরাইলে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

বিশ্ব মানবতার মুক্তির লক্ষ্যে ইসলামকে একটি পূর্ণাঙ্গ ও সর্বজনীন জীবন ব্যবস্থা হিসেবে রূপ দেওয়ার জন্য তিনি বিশ্ব পালনকর্তা আল্লাহপাক রাব্বুল আলামীনের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা পেয়েছিলেন মেরাজ রজনীতে। এ জন্য এ রাতটি মুসলমানের কাছে অতীব গুরুত্বপূর্ণ। হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সব মুজিযার মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুজিযা হলো মেরাজ। এ রাতে তিনি বায়তুল মোকাদ্দাসে নামাজে সব নবীর ইমাম হয়ে সাইয়িদুল মুরসালিনের আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। ফলে এ রাতটি নিঃসন্দেহে তার শ্রেষ্ঠত্বের গৌরবোজ্জ্বল নিদর্শন বহন করে।

পবিত্র শবে মিরাজের তাৎপর্য

‘মিরাজ’ আরবি শব্দ; এর আভিধানিক অর্থ সিঁড়ি, সোপান প্রভৃতি। অন্য অর্থে ঊর্ধ্বলোকে আরোহণ বা মহামিলন। মিরাজের প্রথম পর্যায় অর্থাৎ মক্কা নগরের কাবা শরিফে বা মসজিদুল হারামের হাতিম থেকে জেরুজালেমের মসজিদুল আকসা পর্যন্ত বোরাকে আরোহণ-অবতরণ করা পর্যন্ত ইহলোক ভ্রমণকে ‘ইস্রা’ বলা হয় এবং এখান থেকে নূরের চলন্ত সিঁড়িযোগে মহাকাশ তথা ঊর্ধ্বলোকে সফরকে ‘মিরাজ’ বলে। সামগ্রিকভাবে এ নভোমণ্ডল পরিভ্রমণ ‘শবে মিরাজ’ নামে পরিচিত। পৃথিবীর ইতিহাসে যেসব যুগান্তকারী ঘটনার কথা উল্লেখ আছে, তন্মধ্যে শবে মিরাজের স্থান শীর্ষে। পবিত্র কোরআনে একাধিক সূরায় ও হাদিস শরিফে সবিস্তারে লাইলাতুল মিরাজের বর্ণনা রয়েছে।

নবী করিম (সা.)-এর ৫০ বছর বয়সে মাক্কি জীবনের প্রায় শেষলগ্নে অর্থাৎ নবুওয়াতের দশম বছরে ৬২০ খ্রিষ্টাব্দের রজব মাসের ২৬ তারিখ দিবাগত রাতে লাইলাতুল মিরাজের মহিমান্বিত ও বিস্ময়কর ঘটনা ঘটে। মহানবী (সা.) মিরাজের ওই রজনীতে কাবাগৃহের চত্বরে নিদ্রিত ছিলেন। এমতাবস্থায় আল্লাহর নির্দেশে গভীর রাতে ফেরেশতা জিব্রাইল (আ.) তাঁর সান্নিধ্যে আগমন করেন। হজরত মুহাম্মদ (সা.) বোরাকে আরোহণ করার সঙ্গেই তা দ্রুতগতিতে ছুটে চলল।

বিএনপি কোন পথে যাবে?

বিএনপির সামনে দুটি পথ—কঠোর কর্মসূচির ধারায় এগিয়ে যাওয়া; অথবা আন্দোলনের কর্মসূচি রেখেও অনুকূল শর্তে আলোচনায় বসা, সংসদে যাওয়া। কোনটা ভালো, বিএনপিকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

সবাই ধরে নিয়েছিল, আরাফাত রহমান কোকোর দুর্নীতির মামলায় জেল-জরিমানা হলে বিএনপি রবি-সোমবার দুই দিনের, না হলে অন্তত এক দিনের হরতাল ডাকবে। কিন্তু ছয় বছরের জেল ও প্রায় সাড়ে ১৯ কোটি টাকা জরিমানা করা হলেও বিএনপি হরতাল ডাকেনি। পরিবর্তে বিক্ষোভের কর্মসূচি নিয়েছে। হঠাৎ হরতাল যেমন নাগরিকদের সচকিত করে, তেমনি আবার হারতাল না করার মধ্যেও বিশেষ রাজনৈতিক তাৎপর্য থাকে। এবার হরতাল না ডাকা বিএনপির রাজনীতিতে বাস্তবতা বিবেচনায় নেওয়ার ইঙ্গিত বহন করে।

Abu.Ahmed's picture

দেশীয় কোম্পানির অ্যাকাউন্টসকেই বিশ্বাস করি না!

আলিম পারতপক্ষে দেশীয় কোম্পানির শেয়ার কেনে না। তার কথা হল, দেশীয় কোম্পানিগুলো তাদের স্থিতিপত্র এবং লাভ-লোকসান হিসাব ম্যানুপুলেট করে এবং এই ম্যানুপুলেশনে অডিটর তথা অ্যাকাউন্টিং ফার্মগুলো হাত মেলায়। তাই উদ্যোক্তা যখন লাভকে লোকসান দেখাতে বলে অডিটর তাই-ই করে, আবার লাভ কম হলেও উদ্যোক্তা যখন ব্যাংক ঋণ নিয়ে বা শেয়ারবাজার থেকে অতিরিক্ত ইক্যুইটি ক্যাপিটাল তুলবে তখন লাভকে বাড়িয়ে দেখায়। এমন ঘটনাও অনেক পাবেন, কোন কোম্পানি ট্যাক্স অথরিটির কাছে লাভ হয়নি বলে লাভ-লোকসান হিসাব শেষ করেছে, আবার ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়ার ক্ষেত্রে লাভ দেখিয়েছে। চাইলে এসব অসঙ্গতি বা ইচ্ছাকৃত দুর্নীতি ধরা যায়, তবে বাংলাদেশের মতো অর্থনীতিতে ধরার কেউ নেই। তাই তো এ দেশের উদ্যোক্তারা শেয়ারবাজার ভালো দেখলে শুধু শেয়ার কেনার জন্য লোকসানি কোম্পানিকে হঠাৎ লাভে দেখাতে থাকে এবং কোম্পানিতে অনেক সম্পদ আছে বলে দেখানোর জন্য ভাড়া করা কোন ভ্যালুয়ার ফার্ম দ্বারা সম্পদকে ১০-১২ গুণ বেশি করে দেখায়।

নগদ টাকা বাড়ছে :মানুষ ব্যাংকে যেতে ভয় পায়

গত সোমবারের কথা। একটা বড় বেসরকারি ব্যাংকের সবচেয়ে বড় শাখার ‘জেনারেল ব্যাংকিং (জিবি)-এর প্রধানের সাথে কথা হচ্ছিল। ভদ্রলোক ভীষণ ব্যস্ত থাকেন। সকালবেলা তার এখানে গ্রাহকরা গিজগিজ করে। এরই মধ্যে ভদ্রতা করে উনি আমাকে বসালেন, চায়ের জন্য হুকুম দিলেন। পর মুহূর্তেই তার প্রশ্ন, স্যার, এত টাকা গেল কোথায়? আমি বললাম, এর জবাব তো আপনি দেবেন। ভদ্রলোক বললেন, স্যার, কিছুদিন আগেও এখানে ভীষণ অশান্তিতে ছিলাম। চারদিক থেকে গ্রাহকরা শুধু ‘ক্যাশ’ টাকা নিয়ে আসছে। ক্যাশিয়াররা কাজ করে কুলোতে পারছে না। ছালা ভর্তি টাকা, ব্যাগ ভর্তি টাকা। কাউন্টার ইনসিউরেন্স, ভল্ট ইনসিউরেন্সে কুলোচ্ছিল না। বীমার ঊর্ধ্বতন সীমা বাড়ানো হয়। ট্রাঙ্কের অভাব ঘটে। টাকা পাঠাতে হয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক টাকা নিতে গড়িমসি করে। টাকা গোনার প্রশ্ন আছে। তাদের মন খুশি করার প্রশ্ন আছে। সারাদিন ‘ক্যাশের’ যন্ত্রণায় বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছিলাম। কিছুই বুঝতে পারছিলাম না, এত টাকা কোত্থেকে আসছে জমা হওয়ার জন্য। বোঝা যাচ্ছিল, এগুলোর একটা বড় অংশ শেয়ার ব্যবসা উদ্ভূত টাকা। আর আজ টাকা নেই, নগদ টাকার দারুণ অভাব। আমাদের ঋণও আমানতের অনুপাত খুবই বেশি। এই বলেই ভদ্রলোক হাসলেন।

Ahmed.Rafiq's picture

ক্ষুদ্রঋণ সহায়তার ঐতিহ্য নিয়ে কিছু কথা

ব্রিটিশ বঙ্গে গ্রামীণ দারিদ্র্যের একটি বড় কারণ ছিল চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের বদৌলতে সৃষ্ট নব্য জমিদার শ্রেণীর শাসন এবং ভয়াবহ মহাজনি শোষণ। অনেক ক্ষেত্রে আবার জমিদারির সঙ্গে মহাজনি কারবার। এর ওপর মধ্যস্বত্বভোগী উপশ্রেণীর উৎপাত, সেখানে সুদের ব্যবসা। কৃষকের চরম অর্থনৈতিক দুর্দশায় কৃষি খাতে যেমন উৎপাদন ব্যাহত হয়, তেমনি ঘটে রাজস্ব ঘাটতি।

হয়তো এসব ঘটনা বিবেচনায় এনে কৃষক শ্রেণীর দুর্দশা কিছুটা লাঘব করতে ১৯০৪ সালে সমবায়ভিত্তিক যে আইন জারি হয় তা হলো, 'কো-অপারেটিভ ক্রেডিট সোসাইটি অ্যাক্ট'। এ সমবায়ী ব্যবস্থার সুবাদে সহজ শর্তে দরিদ্র কৃষকদের ঋণ-সহায়তা দানের সুযোগ সৃষ্টি হয়। পরবর্তীকালের 'লোন কম্পানি'গুলোর উদ্দেশ্য ছিল গরিব জনশ্রেণীকে ঋণ-সহায়তা দান। আরো অনেক পরে ঋণ ও ঋণের সুদ মেটাতে না পারা গরিব কৃষকদের সাহায্যার্থে তৈরি হয় 'রুরাল ইনডেটেডনেস অ্যাক্ট'। এর ফলে একপর্যায়ে দরিদ্র ঋণগ্রহীতাদের ঋণ ফেরৎ দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকেনি।

Lutfar_Rahman_rono's picture

'কালো আর ধলো বাহিরে কেবল...' নয়

অনেকদিন আগে (বছর দুই হবে হয়তো) পত্রিকায় একটি খবর পড়েছিলাম, 'কালো মেয়ে বলে তালাক'। তাতে বিস্মিত হইনি। কারণ কোনো কারণে বর বিয়ের আগে বউকে দেখেনি, কিন্তু শুনেছে গৌর বর্ণ। যখন দেখেছে কালো, তালাক দিয়েছে। এক মতে ভালোই। খামোখা নির্যাতন না করে ঝামেলা চুকিয়ে দিয়েছে। তালাকপরবর্তী সময় মেয়ের জীবন অপমানে আর হীনম্মন্যতায় পুড়ে কয়লা যে হবে, তাতে সন্দেহ নেই। তবুও ভালো, যে স্বামী কালো রং পছন্দ করে না, এমন হীনম্মন্য লোকের ঘর করার চেয়ে। কারণ মেয়েটির রং কোনোকালে সাদাও হবে না, আর দাম্পত্যজীবনের আগুন থেকে মুক্তিও পাবে না। কিন্তু রং ফর্সা করা যায় না জেনেও বাজারে রং ফর্সা করার অজস্র ক্রিম-মলম বিক্রি হয়_মেয়েরাই কেনে, আর মাল্টিন্যাশনাল কম্পানিগুলো কোটি কোটি টাকা আয় করে। কম্পানিগুলোর পুঁজি আমাদের হীনম্মন্যতা, মনের দৈন্য, রুচির বিকৃতি ও সুন্দরের মিথ্যা-ভ্রান্ত ধারণা। কী অদ্ভুত!

সাদা রঙের মাহাত্ম্য প্রতিষ্ঠিত করে গেছে সাদা রঙের শাসকরা। শাসিত জাতি, প্রজারা দেখে আসছে শতবর্ষ ধরে তাদের সম্মানিত, পূজনীয় রাজা-রানির চামড়া সাদা। সাদা জাত রাজার জাত। রাজার জাত, রং-ঢং ভাষা-ভঙ্গি সবই অভিজাত, সম্মানীয় ও সুন্দর। এর বিপরীত সবই অসুন্দর।

অরক্ষিত হাছন রাজার রঙের রামপাশার বাড়ি

‘লোকে বলে বলেরে ঘর বাড়ী ভালা নায় আমার, কী ঘর বানাইমু আমি শূন্যেরও মাঝার, লোকে বলে বলেরে ঘর বাড়ী ভালা নায় আমার, আগে যদি জানতো হাছন বাঁচবো কত দিন, বানাইতো দালান কোঠা করিয়া রঙিন, লোকে বলে বলেরে ঘর বাড়ী ভালা নায় আমার’ কিংবা ‘বাউলা কে বানাইলো রে, বাউলা কে বানাইলো রে, হাছন রাজারে বাউলা কে বানাইলোরে’—কালজয়ী এসব গানসহ অগণিত গানের অমর স্রষ্টা বিশ্বখ্যাত মরমী কবি হাছন রাজা। এই হাছন রাজাই আউল বাউলের জন্মস্থান সিলেটের ঐতিহ্যবাহী বিশ্বনাথ উপজেলার রামপাশা গ্রামে জীবন যৌবনের গুরুত্বপূর্ণ সময় অতিবাহিত করেন। বাংলার মরমী কবি হিসেবে হাছন রাজার নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। জমিদার হাছন রাজার পরিবারের বিশাল ভূ-সম্পত্তি এখনও বিশ্বনাথের রামপাশায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। হাছন রাজার বংশধরের অনেকেই রঙের রামপাশায় বসবাস করেছেন এই কয়দিন আগেও। হাছন রাজার বংশধরের মধ্যে তাঁর নাতি বিশ্বনাথের কৃতী সন্তান মরহুম দেওয়ান তৈমুর রাজা চৌধুরী একসময় জিয়াউর রহমান সরকারের যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। দেওয়ান তৈমুর রাজা চৌধুরীর ছেলে দেওয়ান সমশের রাজা চৌধুরী একসময় বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন এবং বর্তমানে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ীদের অন্যতম।

Syndicate content