Masum.Billah's picture

এইচএসসি পরীক্ষার ফল নিয়ে কিছু প্রশ্ন

এবার উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় গতবারের তুলনায় ৪.০৩ শতাংশ শিক্ষার্থী বেশি পাস করেছে। এটি আশার কথা। পাসের হার প্রতিবছর বাড়বে এবং আমরা সেদিনের অপেক্ষায় আছি, যেদিন আমাদের পাবলিক পরীক্ষায় অকৃতকার্য বলে কিছু থাকবে না। তবে তা যেন লোকদেখানো বা শুধু কাগজে-কলমে না হয় সেটিই কাম্য। শিক্ষা ও পরীক্ষার মান নিয়ে প্রতিবছরই কথা ওঠে। ওঠার কারণও রয়েছে। ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া ৭০ শতাংশ ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছিল। ২০১২ ও ২০১১ সালের ভর্তি পরীক্ষায় যথাক্রমে ৫৫ ও ৫২ শতাংশ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়। ভর্তি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের প্রকৃত অবস্থা অনেকটাই ফুটে ওঠে। এ বিষয়টি পাবলিক পরীক্ষার ফলাফলকে পুরোপুরি প্রশ্নের সম্মুখীন করে দিয়েছে। বিষয়টি গভীরভাবে ভেবে দেখা এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।
HSC
ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচি উচ্চ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষায় দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের প্রতিবছর বৃত্তি প্রদান করে থাকে। আর মেধাবী মানেই তো জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী। এ কর্মসূচিতে যুক্ত থাকায় আমরা কিছুটা বাজিয়ে দেখতে চাইলাম, এই জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীরা আসলেই কতটা মেধাবী। ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠল।

Badiur.Rahman's picture

জন্ম, মৃত্যু, বিয়ে- সাধ্য কী বলে টিয়ে

জন্ম, মৃত্যু, বিয়ে- এগুলো নাকি সম্পূর্ণ আল্লাহর হাতে। ভবিষ্যৎ বক্তা টিয়ে পাখিরও সাধ্য নেই এসবের ভবিষ্যদ্বাণী করার। কখন কার জন্ম হবে, কার কখন এবং কোথায় বিয়ে হবে, আর কে কখন কীভাবে মৃত্যুবরণ করবে- সবই নাকি কপালের বা ভাগ্যের ব্যাপার। ক্যাটালিস্ট বা অদৃষ্টবাদীদের দলে আমিও একজন। তবে আমি অবশ্যই ‘রাখে আল্লাহ মারে কে’ বলে আল্লাহর নাম নিয়ে আগুনে ঝাঁপ দিতে কিংবা চলন্ত ট্রাক বা ট্রেনের নিচে লাফ দিয়ে আমার মৃত্যুকে আল্লাহর হাতে ছেড়ে দিতে নারাজ। কিন্তু কিছু কিছু মোল্লার সঙ্গে এ নিয়ে আমার বনিবনা হয় না। তাদের মত হচ্ছে, ওভাবে ঝাঁপ বা লাফ দিয়ে আমি মৃত্যুবরণ করলেও ওটাও আল্লাহর হুকুমে হয়েছে। তারা ধর্ম বিশ্বাসে এত দৃঢ় (না গোঁড়া!) যে, আমার আগুনে ঝাঁপ দেয়া বা ট্রাক-ট্রেনের নিচে লাফ দেয়াকেও আল্লাহর ইশারাতে হয়েছে মর্মে বলতে চান। তারা ‘রাখে আল্লাহ মারে কে’ বলে থাকেন, যেমন শেখ হাসিনাও বলে থাকেন।
hasina
অবশ্যই আল্লাহর অশেষ রহমতে তিনি ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা থেকে বেঁচে গেছেন। তাহলে ওই শ্রেণীর মোল্লাদের ব্যাখ্যায়, তাকে মারার ষড়যন্ত্রও হয়েছিল আল্লাহর ইচ্ছায়, আবার রক্ষাও পেয়েছেন আল্লাহর ইচ্ছায়। তারা অনেক সময়ে সুবিধাজনক মত প্রকাশ করতে ওস্তাদ, তাই ‘মারে আল্লাহ রাখে কে’ সব সময়ে বলতে চান না। নিজের অপছন্দের কেউ হলে কেবল তখন বলে থাকেন, ‘মারে আল্লাহ রাখে কে’।

Ahmed.Rafiq's picture

বালুখেকোদের দমন জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে

বাংলাদেশে একশ্রেণীর মানুষের মধ্যে অবৈধ পথে অর্থ-বিত্তের উন্মাদনা অস্বাভাবিক মাত্রায় বেড়ে গেছে। সংখ্যায় এরা কম নয়। দুর্নীতি এবং অন্যায় ও অপরাধের সমন্বয়ে গঠিত এসব চক্রের সংখ্যা দিন দিন বেড়ে চলেছে। প্রশাসনের নাকের ডগায় চলছে এসব কর্মকান্ড। দুস্থের জমি, অসহায়ের ভূমি দখল থেকে শুরু করে কখনও খাস জমি, কখনও রেলের জমি যখন যেদিকে সুবিধা এমন দখলি রাজত্ব চলছে দীর্ঘদিন ধরে।
corruption
কয়েক বছর ধরে দেখা যাচ্ছে, নদীর পাড়ে অবৈধ স্থাপনা, কখনও আদালতের নির্দেশ সেখানে অগ্রাহ্য কিংবা খাল-বিল ভরাট বা দখল করে সবজি বাগান, নদী ঘেরাও করে মাছ চাষ ইত্যাদি চলছে মহাসমারোহে। গত কয়েক বছরের সংবাদপত্রের পাতা উল্টালে এমন বহু খবর নজরে আসবে। সত্যি বাংলাদেশ এক আজব দেশ, মনে হয় এমন দেশটি বুঝি বিশ্বের কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না।

Mahmudur.Rahman.Manna's picture

বিএনপিকে যেসব কথা ভাবতে হবে

ঈদের আগে থেকে বেগম জিয়া বলে আসছেন, ঈদের পরে তিনি আন্দোলনের কর্মসূচি দেবেন। ইফতার পার্টিসহ প্রায় প্রতিদিনের বক্তব্যে তিনি বলতেন এসব কথা। ৫ জানুয়ারির নির্বাচনী প্রহসনের পর নিস্তরঙ্গ পুকুরে খানিকটা ঢেউ উঠেছিল। রংপুরের এক জনসভায় বিএনপির নেতা-কর্মীদের পক্ষ থেকে হরতাল অবরোধের পক্ষে স্লোগান উঠেছিল। বেগম জিয়া বলেছিলেন, হবে সেসবও হবে। অনেকের মনে হয়েছিল, ঈদের পরে আবার বোধহয় নতুন করে শুরু হবে।
khaleda zia
প্রকৃতপক্ষে ৫ জানুয়ারির আগের আন্দোলন বিশেষ করে ২৯ ডিসেম্বরের 'গণতন্ত্র অভিযাত্রা'র সীমাহীন ব্যর্থতার পর দেশের মানুষের আস্থা হারিয়েছিল বিএনপি। এত কথা বলল, কিন্তু কিছুই তো করতে পারল না। আসলে ৫ জানুয়ারির পর বাংলাদেশের রাজনীতির চালচিত্র ও চরিত্র দুটোই বদলে গিয়েছিল। আমি এরকম করে বলি, ৫ জানুয়ারির পর থেকে এই সরকার ও সরকারি দল অনির্বাচিত, বিতর্কিত, দেশে-বিদেশে সমালোচিত আর বিরোধী দল পরাজিত, বিপর্যস্ত, বিধ্বস্ত।

Professor.Abu.Sayeed's picture

বঙ্গবন্ধুর উদারতা : বিএনপির হীনমন্যতা

১. ঐতিহাসিক ও তথ্যগতভাবে সত্য যে, মেজর জিয়াউর রহমান ২৭ মার্চ ১৯৭১ সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন। পরবর্তীতে তিনি ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে মুজিবনগর সরকারের অধীনে সেক্টর কমান্ডার হিসেবে আনুগত্যের শপথ গ্রহণ করেন। 'একটি জাতির জন্ম' জিয়াউর রহমান লিখেছেন, 'তারপর এলো ১লা মার্চ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু মুজিবুর রহমানের উদাত্ত আহ্বানে সারা দেশে শুরু হলো ব্যাপক অসহযোগ আন্দোলন।' তিনি লিখেছেন : '৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ঘোষণা আমাদের কাছে এক গ্রিন সিগনাল বলে মনে হলো।' জিয়ার কাছে বঙ্গবন্ধু ছিলেন জাতির পিতা।
abu sayeed
২. মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি জেনারেল ওসমানী মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন জিয়াউর রহমানকে সেনাবাহিনীতে অসদাচরণের অভিযোগে কমপক্ষে তিনবার বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও তাজউদ্দীন আহমদ প্রধান সেনাপতির এই সুপারিশ অগ্রাহ্য করেন। বঙ্গবন্ধু জেনারেল ওসমানীর আপত্তি সত্ত্বেও মেজর জিয়াকে মেজর জেনারেল পদে পদায়ন করেন এবং ডেপুটি চিফ অব আর্মি স্টাফের দায়িত্ব প্রদান করেন।

Milton.Biswas's picture

শেখ হাসিনা বারবার টার্গেট কেন?

জননেত্রী শেখ হাসিনাকে এই বাংলাদেশে একাধিকবার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। সে চেষ্টার ঘটনাগুলো ১৯৮১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ব্যর্থ হিসেবে গণ্য হয়েছে। বরং তার জনপ্রিয়তা আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। ষড়যন্ত্রকারীরা পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে। তবে সেসব ঘটনায় নেত্রীকে প্রাণনাশে ব্যর্থ হলেও অনেক নেতাকর্মীকে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মম হত্যাকাণ্ডের ৩০ বছর পর সেই আগস্ট মাসেই আবারো গণহত্যার ঘটনা ঘটে।
hasina
২০০৪ সালের ২১ আগস্টের পরিকল্পিত গ্রেনেড হামলা ছিল বিএনপি-জামায়াত জোট তথা খালেদা-নিজামীর নীলনকশা আর জঙ্গিবাদ উত্থানের ভয়ঙ্কর দৃষ্টান্ত। সেদিন বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলায় তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ প্রায় তিনশ'র বেশি নেতা-কর্মী গুরুতর আহত হন; নিহত হন আওয়ামী মহিলা লীগ নেত্রী, সাবেক রাষ্ট্রপতির সহধর্মিণী আইভি রহমানসহ ২৪ জন।

দেশব্যাপী দুর্নীতির বিপজ্জনক বিস্তার রোধ করবে কে?

বাংলাদেশে দুর্নীতি এমন প্রকটভাবে ছড়িয়ে পড়েছে যে এই দুর্নীতি এখন ডাল-ভাত হয়ে গেছে। কেউ তেমন গুরুত্ব দেয় না। কত মন্ত্রী, এমপি, আমলা, শিল্পপতি দুর্নীতি করল লাখ লাখ কোটি কোটি টাকার, তবুও তাদের না হলো হাজতবাস না হলো কোনো শাস্তি। তারা এমনই এক শক্তিশালী ব্যুহ রচনা করেছে যে জার্মান-ট্যাংকও তা ভেদ করতে পারে না। অসাধারণ ব্যুহ। অসাধারণ দুর্নীতিপরায়ণ মানুষ এরা।
corruption
সমাজবিজ্ঞানীরা মনে করেন, দুর্নীতির মূল কারণ কিছু সরকারি কর্মচারীদের অন্তর্নিহিত অপরাধ প্রবণতা নয়। এর মূল কারণ হলো, বেশিরভাগ উন্নয়নশীল দেশে সরকারি কর্মচারীদের বেতন নেহাত অপ্রতুল। উন্নয়নশীল জগতে স্বল্প আয়ের সরকারি কর্মচারীদের মানবেতর জীবনযাপন করতে হয়। তাই তাদের পক্ষে উৎকোচ গ্রহণ অত্যন্ত স্বাভাবিক। এই ঘরানার প-িতদের সুপারিশ হলো দুর্নীতি হ্রাস করতে হলে সরকারি কর্মচারীদের বেতন বাড়াতে হবে। অবশ্য বেতন বেশি দিলেই দুর্নীতি দূর হবে তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। মার্কিন অর্থনীতিবিদ গর্ডন তুলক আপাত-স্ববিরোধী সত্য নামে পরিচিত। তুলক বলেছেন, অভিজ্ঞতা হতে দেখা যায়, যারা অনেক বেশি বেতন পায় তারাই অনেক সময় খুব অল্প টাকার ঘুষ নেয়।

Syed.Muhammad.Ibrahim's picture

পরিবর্তনের স্বপ্ন

আজকের এই কলামে আমি স্বপ্নের গুরুত্ব নিয়ে লিখব। রাতে বা দিনে ঘুমে দেখার স্বপ্ন নয়, জীবন গড়ার স্বপ্ন, দেশ গড়ার স্বপ্ন প্রসঙ্গে বলব। কিন্তু কলামের আকৃতি ছোট রাখতেই হবে, তাই সীমিত কথা বলব। আমি নগণ্য ব্যক্তি, এখন কী স্বপ্ন দেখি এবং সেটি কালক্রমে এই পর্যায়ে কিভাবে এলো তার একটু বর্ণনা দেবো। আরেকজন ব্যক্তি যিনি অতি বিখ্যাত, তার জীবনের হাজার কথা থেকে মাত্র দু’টি কথা ধার করে পাঠকের সামনে উপস্থাপন করব। স্বপ্ন দেখা পাপ নয়, স্বপ্ন দেখা পুণ্য। বঙ্গবন্ধু স্বপ্ন দেখেছিলেন বাঙালিকে স্বাধীনতা এনে দেবেন। শহীদ জিয়া স্বপ্ন দেখেছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশকে গড়ে তুলবেন, নবতর রূপ দেবেন। নেলসন ম্যান্ডেলা, মাও সে তুং, ইমাম খোমেনি, মোশে দায়ান, জোমো কেনিয়াত্তা এরা সবাই স্বপ্ন দেখেছিলেন। আমার নিজের কথা দিয়ে শুরু করি।
world
ক্যাডেট কলেজে প্রবেশ
পোর্ট নর্থ কলোনির ভেতরে অবস্থিত প্রাইমারি স্কুলেই ক্লাস ফাইভ বা পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়া করি। ক্লাস সিক্স বা ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ার জন্য অল্প দূরে চট্টগ্রাম বন্দর হাইস্কুলে ভর্তি হই। হাইস্কুলটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৬০ সালে। জানুয়ারি ১৯৬২তে কাস এইটে প্রোমোশন পেয়েছিলাম। ফেব্রুয়ারিতে তখনকার আমলের একমাত্র ক্যাডেট কলেজে ভর্তির জন্য আবেদন করেছিলাম।

Milton.Biswas's picture

প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় করণীয়

বাংলাদেশের কয়েক লাখ মানুষ এখন পানিবন্দি। টানা কয়েক দিনের বৃষ্টিতে ভাদ্র মাসের প্রথম সপ্তাহে দেশের উত্তরাঞ্চলের তিস্তা অববাহিকার ১৫টি জেলার লাখ লাখ মানুষ মানবিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছে। গেল সপ্তাহের ভারী বর্ষণ আর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সময় এসেছে বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর। বন্যার কারণে দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প লালমনিরহাটের হাতিবান্ধার তিস্তা ব্যারেজ এলাকায় রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। আরো কয়েক দিন সারা দেশে ভারী বর্ষণ হলে এসব এলাকার নদ-নদীর পানি আরো বৃদ্ধি পেতে পারে। ফলে এসব এলাকায় স্থায়ী বন্যার আশঙ্কাও সঙ্গত কারণে অমূলক নয়।
bangladesh
সুতরাং বর্তমান পরিস্থিতিকে বেশ গুরুত্বের সঙ্গেই বিবেচনা করতে হবে। বন্যার দুর্যোগ মোকাবিলা করার ত্বরিত উদ্যোগ নেওয়া দরকার। অন্যদিকে ১৮ আগস্টের সংবাদ থেকে জানা গেছে, ভারতের আসামের উত্তরাখন্ড বন্যায় মৃতের সংখ্যা শতাধিক ছাড়িয়েছে। সেখানকার পরিস্থিতির অবনতি আমাদেরও উৎকণ্ঠিত করে। কারণ একই নদীর প্রবাহ রয়েছে উভয় দেশে।

Steven.Thrasher's picture

শিশু মন ও মার্কিন শ্বেতাঙ্গ পুলিশের নৃশংসতা

ছয় বছর বয়সী আমুর বড় হয়ে দমকলকর্মী হতে চায়। 'পুলিশ নয় কেন?' প্রশ্ন করতেই তার সপ্রতিভ উত্তর, 'ওরা তো মানুষ খুন করে।' ১৮ বছর বয়সী কৃষ্ণাঙ্গ কিশোর মাইকেল ব্রাউন হত্যাকাণ্ড ফার্গুসনে বড়দের তো বটেই, ছোটদের জগৎটাকেও নাড়িয়ে দিয়েছে। বড়দের সঙ্গে তারাও নেমে এসেছে রাস্তায়। শামিল হয়েছে শ্বেতাঙ্গ পুলিশের বর্ণবাদী আচরণের প্রতিবাদে গড়ে ওঠা আন্দোলনে।
steven
ঘটনার শুরু গত ১০ আগস্ট ফার্গুসনে। যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের এ শহরটি কৃষ্ণাঙ্গ অধ্যুষিত হলেও রাজত্ব শ্বেতাঙ্গ পুলিশের। সেদিন ফুটপাত এড়িয়ে রাস্তার মাঝখান দিয়ে এক বন্ধুর সঙ্গে হাঁটছিল ব্রাউন। গাড়ি নিয়ে তাদের গতিরোধ করে টহল পুলিশ এবং কথার পিঠে কথা বলার একপর্যায়ে ব্রাউনকে গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয়। লাশ রাস্তায় ফেলে রাখা হয় দুই ঘণ্টা। এ ঘটনায় প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। আর তা এতই বেগবান হয়ে ওঠে যে কারফিউ দিয়েও পুলিশ সামাল দিতে পারছে না। শেষে গত সোমবার মোতায়েন করা হয়েছে সেনাবাহিনী।

Syndicate content