M.Abdul.Hafiz's picture

নিষ্ঠুরতার পুনরাবৃত্তি যেন না হয়

তখনো এই নিবন্ধকার সামরিক প্রশিক্ষণ গ্রহণরত একজন ক্যাডেট। আমাদের অস্ত্র চালনার প্রশিক্ষক ছিলেন একজন সুদর্শন চৌকস পাঠান ক্যাপ্টেন। তিনি ক্লাসের শুরুতেই একটি চুটকি গল্প বলে আমাদের মনোযোগ বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পৃক্ত করে নিতেন। একদিন প্রত্যুষে আমাদের পাঠ্যবিষয় ছিল 'গ্রেনেড', অস্ত্রটির মেকানিজম ও গ্রেনেডের ব্যবহারবিধি। ক্লাসের শুরুই তাঁর চুটকি গল্প দিয়ে। প্রথমেই তাঁর প্রশ্ন যে আমরা কী করে আত্মরক্ষা করব, যদি একটি গ্রেনেড সেফটিপিন খোলার পর হাত থেকে ফসকে পড়ে যায়? গ্রেডিং সচেতন ক্যাডেটরা যার যার মতো করে তাদের ব্যাখ্যা দিতে থাকল এবং ক্যাপ্টেন ওসমান ক্যাম্পস্টুলে বসে মিট মিট করে হাসতে থাকলেন।
M abdul hafiz
বলা বাহুল্য, ক্যাডেটদের মধ্য থেকে আত্মরক্ষার তাবত পদ্ধতি বেরিয়ে আসতে লাগল। কেউ বলল, আমি তো অকুস্থল থেকে বিপরীতমুখী রাস্তা দিয়ে স্প্রিন্ট করব। কারো মতে, সে নিকটেই পরিত্যক্ত একটি পরিখায় ঢুকে পড়বে। আবার কাউকে দৌড়ঝাঁপ না করে নিকটেই লাইং পজিশন নিতে আগ্রহী মনে হলো। কেউ বা বলল যে গ্রেনেডটি বিস্ফোরিত হওয়ার আগেই সে কোনো কিছুর, অর্থাৎ কোনো বিল্ডিং বা দেয়ালের অন্তরালে অবস্থান নেবে।

Faridul.Alam's picture

পাকিস্তানের রাজনীতি, সেনাবাহিনী ও ইমরান খান

গত ২২ আগস্ট পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) দলের ৩৪ জন সংসদ সদস্যের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের রাজনৈতিক সংকট নতুন আকার ধারণ করল। এর আগে বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পিটিআই নেতা ইমরান খান বলেছিলেন, চলমান সংকট নিরসনে তিনি সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি আছেন। তবে এই আলোচনার মধ্য দিয়ে সংকটের সমাধান হবে না বলেও তিনি আভাস দিয়েছিলেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ২০ আগস্ট সরকারের সঙ্গে আলোচনা শুরুর এক দিনের মাথায় ২১ আগস্ট পিটিআইপ্রধান ইমরান খান প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ সরকারের সঙ্গে বিদ্যমান রাজনৈতিক সংকট নিয়ে আলোচনা বাতিল করে সরকারের পদত্যাগের দাবিতে আবারও রাজপথে নেমেছেন।
pakistan
তিনি ওই দিন ইসলামাবাদের এক জনসভায় দেশের কৃষক, পুলিশ, সেনাসদস্যসহ সবার প্রতি নিজেদের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানান। গত বছর মে মাসে নির্বাচনের পর এক বছরের কিছু বেশি সময়ের মধ্যে একটি নির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধে এ ধরনের বিরোধিতার ক্ষেত্রে যে কারণ দেখানো হচ্ছে, তা হলো সরকারের অব্যাহত দুর্নীতি ও নির্বাচনে কারচুপির অজুহাত। এখানে ইমরান খান সরকারবিরোধী আন্দোলনে এ পর্যন্ত সঙ্গে পেয়েছেন কেবল পাকিস্তান আওয়ামী তেহরিক নেতা ড. তাহিরুল কাদরিকে।

Mostofa Kamal's picture

মিথ্যাচার, প্রতিহিংসার রাজনীতি ও গণতন্ত্রের সংকট

পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়েই মূলত দেশে ষড়যন্ত্রের রাজনীতি শুরু হয়। খুনি ফারুক-রশীদরা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর বলেছিল, 'আমরাই শেখ মুজিবকে হত্যা করেছি। এ ছাড়া আমাদের সামনে বিকল্প কোনো পথ খোলা ছিল না।'
mostofa kamal
পঁচাত্তরে জিয়াউর রহমান সেনাবাহিনীর উপপ্রধান ছিলেন। ফারুক-রশীদরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার নীলনকশা প্রণয়ন করে জিয়াউর রহমানের সঙ্গে আলাপ করতে গেলে তিনি নীরব ভূমিকা পালন করেন। এ কথা ফারুক তার নিজের জবানিতেই বলেছিল। সেনাবাহিনীর মতো একটা সুশৃঙ্খল বাহিনীর অধস্তন কর্মকর্তারা দেশের রাষ্ট্রপ্রধানকে হত্যার বিষয়ে আলাপ করতে যাওয়ার সাহস পায় কী করে! তখন জিয়াউর রহমান কেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে নীরব ছিলেন? এত বড় একটি পরিকল্পনার কথা জেনেও তখন জিয়াউর রহমানের নীরবতা রহস্যজনক নয় কি?

Zahid.Newaz.Khan's picture

দুস্থ সাংবাদিক না দুস্থ গণমাধ্যম

কখনো কি শুনেছেন দুস্থ চিকিৎসকদের অর্থ সহায়তা দেয়া হচ্ছে? অথবা দুস্থ প্রকৌশলীদের? মাঝেমধ্যে যে পেশাজীবী-পেশাজীবী অনাকাঙ্খিত আর অযৌক্তিক দ্বন্দ্ব প্রকাশ হয়ে পড়ে, তার কিছুটা মনস্তত্ব্ব কি এখানে লুকিয়ে আছে? হয় তো না। কিন্তু এটাও তো সত্য যে, পেশা হিসেবে যে সাংবাদিকের এতো কথিত ক্ষমতা, সেই মানুষটা কখনো কখনো অর্থনৈতিকভাবে কতোটা অসহায়!
এরকম কিছু অসহায় সাংবাদিককে প্রধানমন্ত্রী আর্থিক সহায়তা দেবেন। অনুষ্ঠানটি সম্ভবতঃ আগামীকাল। যেহেতু এটা প্রকাশ্য অনুষ্ঠান হবে বলে ধারণা করছি, তাই তালিকা প্রকাশ হয়ে যাওয়াতে কোনো সমস্যা নেই।

দুর্বৃত্তায়নের কবলে দেশ

মোটা দাগে যদি এ দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মযজ্ঞ পর্যালোচনা করি তাহলে একটি বিষয় স্পষ্ট, তা হচ্ছে ধীরে ধীরে যেমন কোনো মানুষ মৃত্যুর দিকে ধাবিত হয়, রাজনৈতিক দলগুলো তেমনি অধঃপতনের গিরিখাদে স্খলিত হয়ে যায়। এর কারণ কী, এটা কেন ঘটে? কার জন্য ঘটে? কারা ঘটায়?
politics
আওয়ামী লীগের জন্মকালে প্রকৃতপক্ষে একটি দল ছিল। মুসলিম লীগ। পাকিস্তান কায়েম করা একমাত্র দল_ জনাব জিন্নাহর নেতৃত্বাধীনে পোকায় কাটা পাকিস্তান জন্মগ্রহণ করে। তারপর আওয়ামী লীগের জন্ম হলে এবং '৫৪ সালের নির্বাচনকালে দেখা গেল আরো কয়েকটি দল আছে, নাম নেজামে ইসলাম, কৃষক শ্রমিক দল ও কয়েকটি গোপন কমিউনিস্ট পার্টি।

বাংলাদেশে গণতন্ত্রায়নের চ্যালেঞ্জ

রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্য থেকেই মূলত বাংলাদেশে গণতন্ত্রায়নের চ্যালেঞ্জগুলো উত্পত্তি লাভ করছে। কারণ রাজনৈতিক দল ছাড়া গণতন্ত্র ক্রিয়াশীল হয় না। অতএব, যে উপাদান গণতন্ত্রায়ন প্রক্রিয়া জোরদার করছে সেই উপাদানই আবার এটিকে নস্যাত্ করার ক্ষেত্রে কাজে লাগছে। এটি শুধু বাংলাদেশের ক্ষেত্রেই নয় বিশ্বের যে সব দেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা বিদ্যমান আছে সেই সব দেশের ক্ষেত্রেই এটি প্রযোজ্য। বোধ করি এই কারণেই বিশ্বখ্যাত ইংরেজি ম্যাগাজিন দ্য ইকোনোমিস্ট-এর গবেষক দল অতি সাম্প্রতিককালে তাদের গবেষণায় বলেছে যে নাগরিকদের মধ্য থেকেই গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জটি আবির্ভূত হচ্ছে। রাজনৈতিকদলগুলো যদি সংসদমুখী হয় তাহলে এই চ্যালেঞ্জগুলো গণতান্ত্রিক নিয়ম অনুসারে সংসদের মধ্যেই মীমাংসিত হতে পারে। আর যদি কোন রাজনৈতিক দল সংসদীয় নিয়ম-কানুন না মেনে ধ্বংসাত্মক তত্পরতায় লিপ্ত হয়ে পড়ে তাহলে দেশের মানুষ চরম দুর্ভোগের শিকার হয়। মানুষের প্রাণ যায়। সম্পদ ধ্বংস হয়। বারে বারে মুখ থুবড়ে পড়ার কারণে গণতন্ত্রের শৈশব কাল আর অতিক্রান্ত হতে চায় না।
bangladesh
১৯৭৫এর ১৫ আগস্টের বিয়োগান্তক পরিবর্তনের পর এবং এমনকি ১৯৯০-এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের পর থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত যতগুলো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে তার সবগুলোতেই সহিংস ঘটনা ঘটেছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই সহিংস ঘটনাগুলোর নির্মম শিকারে পরিণত হয়েছে ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজন। বলা বাহুল্য, রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহারের কারণেই এমনটি ঘটে থাকে।

Mobaidur Rahman's picture

পাকিস্তানে সামরিক শাসন জারির সম্ভাবনা খুবই কম

সর্বশেষ খবরে মনে হচ্ছে যে, পাকিস্তানের ইমরান খান প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের সাথে রাজনৈতিক লড়াইয়ে হেরে যাচ্ছেন। ইমরান খান অবশ্য বলেছেন, যে তিনি সরকারি দলের সাথে আলোচনায় বসলেও যে গণবিপ্লব তিনি শুরু করেছেন সেটি থামবে না। ইমরান খানের হয়ত রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং আন্দোলন করার দৃঢ় মনোবল রয়েছে। কিন্তু এই কলাম লেখার সময় পর্যন্ত যে সব খবর পাওয়া যাচ্ছে সেই সব খবর থেকে দেখা যাচ্ছে যে, পার্লামেন্টে যে ১২টি রাজনৈতিক দল রয়েছে তার ১১টি নওয়াজ শরিফের সাথে রয়েছে। এমনকি পাকিস্তান পিপলস পার্টি বিরোধী দল হলেও তারা নওয়াজ শরিফকে এই ইস্যুতে সমর্থন করছে। পিপলস পার্টির নেতা মরহুমা বেনজির ভুট্টোর স্বামী আসিফ আলী জারদারি ঘোষণা করেছেন যে, পাকিস্তানের বর্তমান রাজনৈতিক সঙ্কটে তিনি নওয়াজ শরিফকে সমর্থন করবেন।
imran khan
উল্লেখ করা যেতে পারে যে পাকিস্তানের ৩৪২ সদস্য বিশিষ্ট জাতীয় পরিষদ বা পার্লামেন্টে নওয়াজ শরিফের রয়েছে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা। তার রয়েছে ১৯০ জন সদস্য। অর্থাৎ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা। ২য় বৃহত্তম দল হল পাকিস্তান পিপলস পার্টি। সদস্য সংখ্যা ৪২। ৩য় বৃহত্তম দল ইমরান খানের তাহরিকে ইনসাফ (পিটিআই)। সদস্য সংখ্যা ৩৪। ইমরান খানের সাথে যুক্ত হয়েছেন একজন বিপ্লবী ধর্মীয় নেতা। নাম তাহিরুল কাদরি। তিনি পাকিস্তানি কানাডিয়ান। তার দলের নাম পাকিস্তান আওয়ামী তাহরিক। পাকিস্তানের বিগত ৬৫ বছরের রাজনৈতিক গতি ধারা যারা পর্যবেক্ষণ করেছেন তারা দেখেছেন যে পাকিস্তানে ক্ষমতার যে কয়টি কেন্দ্র রয়েছে তার মধ্যে ২টি কেন্দ্র অতি গুরুত্বপূর্ণ। একটি হল পাকিস্তানের শক্তিশালী সামরিক বাহিনী। আরেকটি হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

Yvonne.Ridley's picture

আইএসআইএসের পেছনে কারা?

ইসলামিক স্টেট, আইএসআইএস, আইএসআইএল বা অন্য যে নামেই অভিহিত করা হোক না কেন, এই সংগঠনটি কোথা থেকে এলো, সে সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা নেই। আমি বরং সংগঠনটির সহিংস মতাদর্শে ধাঁধায় পড়ে গেছি। বর্তমানে ব্রিটেনে বসবাসকারী বৈচিত্র্যময় মুসলিম সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে কিছু বলার ইচ্ছা আমার ছিল না। তবে আমার অনুমান, এই গ্রুপটির নজিরবিহীন উত্থানে উদ্বিগ্ন বেশির ভাগ লোকই আমার বক্তব্য সমর্থন করবেন।
yvonne ridley
অবশ্য ব্রিটিশ মিডিয়ার একটি অংশের উসকানিতে ইসলামাতঙ্কিত, বর্ণবাদী এবং তথাকথিত সন্ত্রাসবাদ বিশেষজ্ঞরা বিদ্বেষমূলক যেসব বিষোদগার করছেন, সেটাও নজিরবিহীন। এতে কোনো ধরনের লাভই হচ্ছে না।

Masuda.Bhatti's picture

বাংলাদেশের ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব

আজকের পৃথিবীর যে আকার-প্রকার আমরা দেখতে পাই, তা আসলে দ্বিতীয় মহাযুদ্ধোত্তর ভূরাজনৈতিক পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট। বিশেষ করে দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পরই বেশকিছু নতুন রাষ্ট্র গঠিত হয় এবং সর্বশেষ সোভিয়েত ইউনিয়ন পতনের পর ওই তালিকায় আরও নতুন রাষ্ট্রের নাম যোগ হয়। রাষ্ট্র গঠিত হওয়ার অন্যতম মূল কারণ হলো ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব। এর সঙ্গে ভাষাগত, কৃষ্টিগত ও রাজনৈতিক বিচ্ছেদ যুক্ত থাকে। কিন্তু ভূরাজনৈতিক অবস্থানিক গুরুত্ব একদম ছোট রাষ্ট্রকেও করে তোলে অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
বিশেষ করে পরাশক্তি কিংবা আঞ্চলিক শক্তিধর রাষ্ট্রের কাছে সংশ্লিষ্ট ছোট রাষ্ট্রটি তখন অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হয়ে দাঁড়ায়। যেমন আফগানিস্তান। আফগানিস্তানের প্রতি কেন একসময় সোভিয়েত রাশিয়া এবং তারপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এত টান? কারণ আফগানিস্তানের ভূরাজনৈতিক অবস্থান।

Golam.Maula.Rony's picture

প্লিজ! জন্ম, মৃত্যু ও কবর নিয়ে বাড়াবাড়ি করবেন না!

আরো অনেকের মতো আমিও ওসব ব্যাপারে ছিলাম বেশ উদাসিন। অর্থাৎ পক্ষেও ছিলাম না আর বিপক্ষেও ছিলাম না। কারো প্রিয়জনের জন্মদিবস কিংবা মৃত্যুদিবস ঘটা করে পালিত হলে আমি ওসবের মধ্যে মন্দ কিছু দেখতাম না। কিংবা পরিবারের কেউ মারা গেলে মৃত ব্যক্তির কবরের ওপর বিশাল এক সৌধ নির্মাণ করে তাতে শ্বেতপাথরের জীবনবৃত্তান্ত স্থাপন করার মধ্যেও দোষত্রুটি খুঁজতে যেতাম না; কিন্তু একটি হিন্দি সিনেমা দেখার পর আমার চিন্তাজগতের অনেক কিছুই ওলটপালট হয়ে গেল। এরপর আমি এসব বিষয় নিয়ে যথাসম্ভব পড়াশোনা করলাম। অভিজ্ঞ লোকদের সাথে পরামর্শ করলাম এবং সবশেষে অনুসিদ্ধান্তে পৌঁছালাম যে, জন্মদিবস, মৃত্যুদিবস এবং কবর নিয়ে বাড়াবাড়ি করা ঠিক নয়। এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনায় যাওয়ার আগে হিন্দি সিনেমার কাহিনীটুকু বলে নেই।
golam maula rony
ছবির নাম অগ্নিসাক্ষী। নানা পাটেকার ও মনীষা কৈরালা স্বামী স্ত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করছিলেন। নানা পাটেকার সেই চরিত্রে অদ্ভুত এক মানুষের ভূমিকা এত সাবলীলভাবে ফুটিয়ে তুলেছিলেন, যার তুলনা অন্য কারো সাথে করা সম্ভব নয়। এক রাতে তিনি স্ত্রীরূপী মনীষার সাথে শুয়ে ছিলেন আনন আলয়ে; কিন্তু কিছুতেই ঘুমাতে পারছিলেন না। পাশের বাড়ির ছাদে একটি জন্মদিনের অনুষ্ঠান হচ্ছিল। হইহুল্লোড়, নাচগান, খানাপিনার শব্দে নানা পাটেকার ধৈর্য হারিয়ে ফেললেন।

Syndicate content