ma.muhit's picture

হুমায়ূন আহমেদ এভারেস্ট থেকে নামেন না

হুমায়ুন আহমেদ২০১১ সালে তিব্বতের দিক দিয়ে প্রথমবার এভারেস্ট আরোহণের পর দেশে ফিরে এলে ২৫ আগস্টের এক সন্ধ্যায় সঙ্গীতশিল্পী প্রিয় এসআই টুটুল ভাই আমাকে নিয়ে যান কিংবদন্তি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ধানমণ্ডির দখিনা হাওয়ার ফ্ল্যাটে। রোজার মাস। ইফতারির পরপরই হাজির হই হুমায়ূন স্যারের বাসায়।

Aly.Zaker's picture

অতঃপর, পূর্ব বার্লিনে

র্ইন্টারফ্লুগের এই বিমানে যাত্রীদের বেশিরভাগই বাংলাদেশি। তখনও জার্মানি এক হয়নি। পূর্ব জার্মানির এই এয়ারলাইনে করে বাংলাদেশের তরুণ ছাত্ররা যাচ্ছে পূর্ব জার্মানির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার জন্য। তাদের মধ্যে অর্থনীতি, খনিজবিদ্যা, প্রকৌশল_ এ ধরনের বিষয়াদির ছাত্র বেশি।

Rezwan.Siddiqui's picture

শেখ হাসিনার বিলাত বিজয়

তালপট্টি, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক, সমুদ্র বিজয়একে একে বিশ্ব জয় করে ফেলছেন বাংলাদেশের মহামান্য শেখ হাসিনা। তিনি ভারত জয় করেছিলেন। চীন, জাপান জয় করেছেন। মিয়ানমারের সাথে সমুদ্র জয় করেছেন। কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে ডেকে এনে (ফল কী হয়েছে জানি না) কম্বোডিয়া জয় করেছেন। শেখ হাসিনার পক্ষে ভুটান গিয়ে তোফায়েল আহমদ ভুটান বিজয় সম্পন্ন করেছেন। আর এখন রাজধানীর মোড়ে মোড়ে সরকারি পয়সায় বিভিন্ন বিলবোর্ড স্থাপিত হয়েছে। তাতে শেখ হাসিনা ভারতের সাথে সমুদ্র বিজয় করে ফেলেছেন।

WatchDog's picture

মালয়েশিয়ান ফ্লাইট ১৭ এবং কতিপয় স্বৈরশাসকের ইতিবৃত্ত - WD

26.jpg সেপ্টেম্বরের ১ তারিখ। ইউরোপের এ দিকটায় গ্রীষ্মের শেষ এবং শরতের শুরু। আমাদেরও শিক্ষা বর্ষেরও শুরু কেবল। এদিন ক্লাসে হাজির থাকা অনেকটা বাধ্যতামূলক। অন্যথা হলে মাসিক স্কলারশিপ সহ অনেক কিছুতে কর্তৃপক্ষের কুনজর পরার সম্ভাবনা থাকে। তাই টর্কি ও পেয়িংটনের দুমাসের শৃংখলবিহীন জীবনকে বিদায় জানিয়ে ফিরে আসতে হল। ইংল্যান্ডের সাউদ ভেভনের এ অংশের সাথে প্রেম সেই ৭০ দশক হতে। গ্রীষ্মকালীন ছুটির একটা বড় অংশ ইংলিশ রিভিয়েরায় কাটাতে অভ্যস্ত হয়ে গেছি। এ যাত্রায়ও এর ব্যতিক্রম হয়নি। বলাটা সহজ হলেও পূর্ব ইউরোপ হতে ট্রেনে চড়ে পশ্চিম ইউরোপের এ দিকটায় পা রাখা তত সহজ ছিলনা। এ পথে মুল বাধা ছিল বার্লিন দেয়াল। পূর্ব জার্মানির বার্লিন শহরকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্র বাহিনী কেন দুভাগ করেছিল এ নিয়ে অনেক তর্ক আছে। কিন্তু ঠাণ্ডা যুদ্ধের ফ্রন্টের শুরুটা যে বার্লিন দেয়াল দিয়ে তা নিয়ে কোন তর্ক ছিলনা। পায়ে হেঁটে যারা বার্লিন দেয়াল অতিক্রম করেনি তাদের বুঝানো মুস্কিল হবে ঠাণ্ডা যুদ্ধের কঠিন শীতল চেহারা। সেমিস্টারের প্রথম দিনটা যেভাবে কাটার কথা সেভাবেই কাটল। কোর্স পরিচিতি, ক্লাস রুটিন এবং ক্লাসমেটদের সাথে ভেকেশন অভিজ্ঞতা শেয়ার করা। শরতের শুরু হলেও শীত ঝাঁকিয়ে বসতে সময় নেয়নি। বিশেষ করে রাতের বেলা। পৃথবীর এ দিকটায় তাই হয়, গরমকালটা চোখের পলকে বিদায় নেয়। লম্বা, বিরক্তিকর এবং ভয়াবহ শীতের প্রস্তুতি নিতে হয় পেপ্টেম্বরের শুরু হতে। অক্টোবরের শুরুতে তাপমাত্রা হিমাংকের নীচে নামতে শুরু করে এবং মধ্য শীতে তা -৪০ ডিগ্রী সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যায়। আমাদের জীবনও থেমে যায়। মানিয়ে নিতে হয় প্রকৃতির এই নির্মমতার সাথে। ক্লাস শেষে রুমে ফিরে শুনলাম খবরটা।

syed shah salim ahmed's picture

সেন্ট মার্টিন আর নিঝুম দ্বীপ কি মার্কিনীদের দ্বারা আরো এক বাংলাদেশ হতে যাচ্ছে ?

বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা বেশ কিছুদিন আগে অতি সঙ্গোপনে মার্কিনীদের সাথে থ্রি-ডি চুক্তি করেছেন। এই চুক্তির পর থেকে কোন পক্ষ থেকেই কিছুই জানানো হয়নি। মাজে মধ্যে জাতি সংঘে বিভিন্ন আলাপ আলোচনার সময় এই থ্রি-ডি চুক্তি নিয়ে কথা বার্তা ঈষৎ হয়- তাও বিস্তারিত কিছুই আলোচিত হয়েছে বলে মনে হয়নি।বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা কিংবা মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ে যে সব বিবৃতি প্রকাশ করা হয়ে থাকে- সেই সব বিবৃতিতে এই থ্রি-ডি চুক্তি নিয়ে কোন কথা কখনো থাকেনা। সাম্প্রতিক ইস্যু জিএসপি কিংবা শ্রমিক নেতা আমিনুল হত্যা নিয়ে মার্কিনীরা সরব ও বিবৃতি প্রকাশ করলেও এ নিয়ে তেমন উচ্চ বাচ্চ করেনা। ধরেই নেয়া যায়

WatchDog's picture

একজন অক্ষমের ক্ষমতা ও কিছু ভৌতিক প্রতিশোধ...

একজন অক্ষমের ক্ষমতা ও কিছু ভৌতিক প্রতিশোধ...
13.jpg
অক্ষমতা এক ধরনের মানসিক রোগ। বিশেষ করে আমার মত অক্ষমদের জন্য। বিষণ্নতা রোগের মত এ রোগও মগজে জন্ম নেয় এবং একে একে গ্রাস করে নেয় শরীরের বাকি অংগ। অনেক বছর আগের একটা ঘটনা। প্রিয়জনের সাথে হুমায়ুন আহমদের উপন্যাসে মুক্তি পাওয়া সিনেমা দেখতে গেছি নিউ মার্কেট এলাকার বলাকা সিনেমা হলে। উপচে পড়া ভীড়। বেশির ভাগই মনে হল প্রতিবেশী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রী। ছবি শেষ করে ফেরার পথেই ঘটল ঘটনাটা। দেখতে ছাত্র মত একজন সাথের মানুষটার গায়ে হাত দিল। পাশ হতে আরও দুয়েক জন উল্লাসে ফেটে পরল। অসহায়ের মত তাকাল সে আমার দিকে। হয়ত সাহায্যের আশায়। কিন্তু বিশাল এ জনসমুদ্রে নিজকে মনে হল ৩৬০ ডিগ্রি এঙ্গেলের অক্ষম একজন পুরুষ মানুষ। অক্ষমতা, অসহায়ত্বের সাথে যোগ হল লজ্জা। মাটির দিকে তাকিয়ে অনেকটা অন্ধের মত বেরিয়ে এলাম ভীড় হতে। ঘরে ফেরার পথটা মনে হল অনন্তকালের যাত্রা। রিক্সায় বসে দুজন চলে গেলাম দুই পৃথিবীতে। তার দুচোখে কষ্টের অশ্রু। আমি ততক্ষণে চলে গেছি অক্ষমতার পৃথিবীতে। এবং প্রতিশোধের মহাপ্রলয়ে গুড়িয়ে দিচ্ছি বলাকা সিনেমা হল সহ গোটা নিউমার্কেট এলাকা। একটা পিপঁড়া মারতে গেলে আমাকে দুবার ভাবতে হয়। অথচ সেই আমি অপমানের প্রতিশোধ নিতে হয়ে গেলাম বন্য, হিংস্র। অনেকটা হিন্দি সিনেমার নায়কের মত একাই মোকাবেলা করলাম ৪/৫ জনের গ্রুপটাকে। ধারণাটা বিষাক্ত ক্যানসারের মত চেপে বসল মগজে। শয়নে স্বপনে তাড়া করে বেড়ায় প্রতিশোধ স্পৃহা। ভুতুরে লড়াই করতে গিয়ে এক সময় ক্লান্ত হয়ে পরি। নাওয়া খাওয়ায় দেখা দেয় চৈত্র মাসের খরা। স্বভাবতই রাজ্যের অসুখ এসে চেপে ধরে শরীরকে। খবরের কাগজে পড়া অথবা সামনে দেখা অন্যায় ও অনাচারের মোকাবেলা আমি এভাবেই করতে অভ্যস্ত। গত দুদিন ধরে একই কায়দায় নারায়ণগঞ্জ সেভেন মার্ডার সহ গোটা দেশজুড়ে র‌্যাব, পুলিশ, আওয়ামী ও ছাত্রলীগ ক্যাডারদের তাণ্ডবের মোকাবেলা করছিলাম।

Md. Rowshon Alam's picture

জেনে রাখা ভালঃ কার্সিনোজেন, ফরমালিন ও ক্যান্সার

কিছু কিছু রোগ বা ইনফেকশনের সৃষ্টি হয় মাইক্রবস বা অণুজীব বা জীবাণু দ্বারা (ব্যাকটেরিয়া, ফাঙ্গাস, প্রটোজোয়া, ভাইরাস)। সেই রোগ বা ইনফেকশনগুলো হচ্ছে যেমন নিউমোনিয়া, ইনফ্লুয়েঞ্জা ও টিউবারকোলসিস বা যক্ষ্মা। এক সেঞ্চুরি আগেও এই রোগগুলো কোনো সাধারণ রোগ ছিল না, ছিল বরং ভয়ানক আতঙ্কিত ও অপ্রতিরোধ্য। এগুলো আমাদের এনসেসটার বা পূর্বপুরুষদের অমূল্য জীবনকে নিমিষেই কেড়ে নিত। কারণ এই অসুস্থতাগুলোর বিরুদ্ধে কোনো কার্যকরী প্রতিষেধক তখনো আবিষ্কৃত হয়নি। আরো জেনে অবাক হতে হয় যে, ১৯০০ সালের দিকে আমেরিকাতেও সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা যেত মাইক্রোবায়াল ডিজিজের মাধ্যমে অর্থাৎ নিউমোনিয়া, ইনফ্লুয়েঞ্জা ও যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয়ে (ন্যাচার ম্যাগাজিন, ২৯শে মে, ২০১৪)। শত বছর আগে এই রোগগুলো সাড়া পৃথিবীজুড়েই ছিল আতঙ্কের এবং জীবনঘাতী। এখন তা আর ভয়ানক বা মহামারী কিছু নয়। খুব সাধারণ রোগ এগুলো এখন। কারণ এন্টিবায়োটিক ও অন্যান্য আধুনিক মেডিসিন আবিষ্কারের ফলে মাইক্রোবায়াল ডিজিজগুলোকে মহামারী পর্যায় থেকে নামিয়ে একেবারে নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আনা সম্ভবপর হয়েছে।

নুরুন্নাহার শিরীন's picture

আষাঢ়স্য অন্তর্জলের অঝোর জ্বলন্ত কাল

কালের চাকা বিরামহীন ঘোরে বলেই জীবনের বয়স বাড়ে। আশ্চর্য দ্রুততায় সময় যায় কালের গর্ভে। ঋতুর পরে ঋতুর আগমনে প্রকৃতি নিজস্ব নিয়মে জানান দেয় যে - দেখো আমার রঙরূপে পরিবর্তন এসেছেগো! এযেন অনেকটা আমাদেরই জীবনের মতোন। জীবনও যেমন হুঁশ করেই এক একটি বছর পেরিয়ে যায় তেমন প্রকৃতিও পেরোয় ঋতুচক্র একই তালে। বাতাসে এই গ্রীষ্ম তো এই বরষা, শরত, হেমন্ত, শীত, বসন্ত। এই বঙ্গদেশের মতোন ষড়ঋতুচক্র অবশ্য এই জগতে আর কোথাও নেই। তাইতো পঞ্চকবির প্রধান কবি দ্বিজেন্দ্রলাল বেঁধেছেন তাঁরই গানের ভাষায় -

"সকল দেশের সেরা সে দেশ
আমার জন্মভূমি, সে দেশ আমার জন্মভূমি, এদেশ আমার জন্মভূমি।।"

আবদুল হক's picture

কবিতা কী বলে

মনের ভাবের কোনো ছক নেই, চৌহদ্দি নেই। কিন্তু ভাষার শক্তির সীমা আছে। মননশীল মন সেই সীমায় বাধা পায়, মুক্তি চায়, পথ খোঁজে। চেনা শব্দে গোনা শব্দে যখন তার চলে না, মন তখন শব্দে ভর করে সেই শব্দকে ছাড়িয়ে যায়। উড়োজাহাজ চাকায় ভর করেই চাকার সীমা ছাড়িয়ে অসীম আকাশে পাখা মেলে, দূরাভিসারী কবিমন তেমনি শব্দকে আশ্রয় করেই শব্দোত্তর অনন্তের দিকে উড়ে চলে।

MRINAAL's picture

বাংলাদেশ কি আসলেই সুস্থ একটি মিডিয়া সমাজের দাবিদার???

আজ অনেকদিন পর ফিরে এলাম। ইচ্ছে করছে সমাজের অসামঞ্জস্যতাগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই চলিয়ে যেতে। আমার তো আর কাড়ি কাড়ি টাকা-পয়সা নেই..., তাই নিজস্ব চিন্তাশক্তিই সম্বল।

আমি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের 'যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিভাগের একজন ছাত্র। ভর্তি হয়েছিলাম ২০১১-১২ সেশনে। এই কয় বছরে যা অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি, যা উপলব্ধি করেছি তার আলোকেই আমার নিজস্ব অভিব্যক্তি ও আমার পাঠকদের উদ্দশ্যে কিছু প্রশ্ন ছুঁড়ে দিচ্ছি।

আজ আমি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর 'যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিভাগ ও দেশের মিডিয়া হাউসগুলোর আন্তঃসম্পর্কের খাদ নিয়ে কথা বলতে যাচ্ছি...............

Syndicate content