Kader.Siddique's picture

কে কুলাঙ্গার, তুমি না আমি?

গত পর্ব পরে পত্রিকা অফিসে কতজন যোগাযোগ করেছে জানি না, তবে অসংখ্য পাঠক ফোন করেছেন। যাতে অন্যান্য কাজ করা মুশকিল হয়ে পড়ে। মুক্তিযোদ্ধাদের দুরবস্থায় তারা খুবই শঙ্কিত, ব্যথিত, মর্মাহত। বিশেষ করে এক শ্রেণীর পাঠক ফোন করে বলছিলেন, আরেকটু লিখে প্রসঙ্গটা শেষ করে ফেললে আরো মজা পাওয়া যেত। ওই ধরনের পাঠক বন্ধুদের কী বলি? মজা কাকে বলে জীবনে কখনো খুঁজে দেখার সুযোগ পাইনি। শত কষ্টে জীবনটা মোটামুটি স্বস্তি আর আনন্দেই কাটিয়েছি। আইয়ুব, মোনায়েম আমাদের সোজা করতে বারবার জেলে পাঠাতেন। কিন্তু আমরা তেমন একটা সোজা হতাম না। আমরা আমাদের মতোই থাকতাম।
kader siddque
আমাদের মতো থেকে আমরা আইয়ুব খানকে তাড়িয়েছি। ইয়াহিয়া ট্যাংক কামান বন্দুক নিয়ে এসে রক্তের গঙ্গা বইয়ে আমাদের দমাতে পারেনি। আমরা তার ট্যাংক কামান গুঁড়িয়ে হাতে ধরিয়ে দিয়েছিলাম। সেদিন জনাব মায়াও বলেছেন, বিরোধীদের পা গুঁড়িয়ে হাতে ধরিয়ে দেবেন। চাঁদপুর মতলবের মানুষ দিতেও পারেন। ভাগ্য সুপ্রসন্ন তাই করে কেটে খেয়ে গেলেন। মুক্তিযুদ্ধের পরে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে টাকাসহ গ্রেফতার করে শাহবাগে বেতার ভবনে আটকে রাখা হয়েছিল। দেশ স্বাধীন হয়েছে ঢাকার একজন মুক্তিযোদ্ধা অনেকের অনুরোধে মুক্তি পেয়েছিল।

Dr.Sadat.Hussain's picture

নিরন্তর নজরদারি সুশাসনের জন্য একটি অত্যাবশ্যকীয় হাতিয়ার

খবরটি এসেছে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত থেকে। মোদি সরকার আমলাদের জন্য সংশোধিত আচরণ নির্দেশিকা জারি করেছে। নির্দেশনায় সরকারি কর্মকর্তাদের উন্নত নৈতিক মান, নিষ্ঠা ও সততা বজায় রাখতে বলা হয়েছে। অনুশাসন দেওয়া হয়েছে, সরকারি কর্মকর্তারা যাতে রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা বজায় রাখেন এবং পরিবার-পরিজন বা বন্ধুবান্ধবকে সুবিধা দেওয়ার জন্য কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করেন। তাঁরা যেন কেবল গুরুত্ব ও উপযুক্ততার নিরিখেই কোনো বিকল্প বাছাই করেন, সিদ্ধান্ত নেন এবং সুপারিশ করেন। আচরণ নির্দেশিকায় সরকারি কাজকর্মে, বিশেষ করে জাতীয় নিরাপত্তা, দেশের কৌশলগত, বৈজ্ঞানিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থ এবং অপরাপর দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কসংক্রান্ত বিষয়াদিতে গোপনীয়তা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।
narendra modi
নতুন নির্দেশনাবলি অনুযায়ী কর্মকর্তাদের সাংবিধানিক অনুশাসনের আওতায় উচ্চমানের পেশাদারত্ব প্রদর্শনের জন্য বলা হয়েছে। আরো বলা হয়েছে, তাঁরা যেন দেশের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা বজায় রাখেন, সরকারি কর্মকাণ্ডে নিষ্ঠা বজায় রাখেন, সাধারণ নাগরিক বিশেষ করে গরিব ও সুবিধাবঞ্চিত নাগরিকদের সঙ্গে আচরণে ন্যায় ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখেন। আপাতত এসব নির্দেশনার প্রয়োগ তিনটি উচ্চতম অল ইন্ডিয়া সার্ভিস, অর্থাৎ আইএএস, আইএফএস ও আইপিএস কর্মকাণ্ডের মধ্যে সীমিত রাখা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে এই নির্দেশনাবলি অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীর জন্য প্রযোজ্য হতে পারে।

অপেক্ষা

'মানবাধিকার' সৃষ্টির সেরা মানুষের শ্রেষ্ঠত্বেরই নিদর্শন। প্রত্যেক মানুষের রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কিছু অধিকার রয়েছে। আমাদের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে এসব মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। মানুষ হিসেবে আপনার চিন্তার স্বাধীনতা আছে, কথা বলার স্বাধীনতা আছে, আছে পেশাবৃত্তির স্বাধীনতাও। স্বাধীনভাবে চলাফেরাও আপনি করতে পারবেন। আপনি নিজে কোথাও গিয়ে হারিয়ে যেতে পারেন। কিন্তু যখনই আপনাকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে কেউ নিয়ে যাবে তখনই সেটা হবে মানবাধিকারের লঙ্ঘন। সে অবস্থাকেই বলা হয় গুম বা অপহরণ। এটা মানবাধিকারের কতটা লঙ্ঘন অপহরণের শিকারদের নিয়ে জাতিসংঘের 'ইন্টারন্যাশনাল ডে অব দ্য ভিকটিমস অব এনফোর্সড ডিসঅ্যাপিয়ারেন্সেস' তার প্রমাণ। দিবসটি উপলক্ষে জাতিসংঘ মহাসচিবের বাণীতেও তা ফুটে উঠেছে, 'এই মর্যাদাপূর্ণ দিনে আমি দৃঢ়ভাবে আবার বলছি, কাউকে গোপনে আটকে রাখা আন্তর্জাতিক আইনের সম্পূর্ণ বিরোধী।... একুশ শতকে এসেও গুম-অপহরণের এই রীতি কোনোভাবেই সহ্য করা যায় না।'
kidnap
এ বছর এমন সময়ে দিবসটি আমাদের সামনে হাজির, যখন বছরের আলোচিত নারায়ণগঞ্জের সাতজন অপহরণ ও খুনের ঘটনায় র‌্যাবের লিখিত প্রতিবেদনে র‌্যাবেরই জড়িত থাকার চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে; যখন বিএনপি নেতা মুজিবুর মে মাসে অপহরণের পর সম্প্রতি উদ্ধার হন; যখন ২৫ আগস্ট নোয়াখালীর হাতিয়ার নিঝুম দ্বীপের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে ২০ জেলে ও ২৩ আগস্ট সুন্দরবনে ৯৬ জেলে অপহরণের শিকার হন।

নারী নির্যাতনের নতুন হাতিয়ার

ইদানীং লক্ষ্য করা যায়, একটি ছেলে ও একটি মেয়ের অনৈতিক সম্পর্ক একটি ক্যামেরায় ধারণ করে দেশ-বিদেশ ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। ব্যাপারটি যদিও অত্যন্ত বেদনাদায়ক, স্নায়ু আবেদন থাকায় এর দর্শকেরও যেন অভাব নেই। ফলে মোবাইল ও ইন্টারনেটের যুগে তা মুহূর্তেই ছড়িয়ে যায় দেশ-দেশান্তর। কিন্তু এই মেয়ে, তার পরিবার এবং আত্মীয়দের অবস্থা কি আমরা ভেবে দেখেছি? তথাপি এ বিষয়ে কথা বলার যেন কেউ নেই। কিন্তু গত পাঁচ বছরে 'গোপন ক্যামেরার মাধ্যমে যৌন হয়রানি'র বিষয়টি এমন অবস্থায় পৌঁছেছে যে, কিছু একটা না করে নীরবে বসে থাকা যায় না। তাছাড়া কাউকে না কাউকে তো মুখ খুলতেই হবে।
women
১. বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে ভাবছিলাম কী করা যায়। প্রথমেই দরকার ছিল বিষয়টি সম্পর্কে খুঁটিনাটি জানা। একমাত্র উপায় ইন্টারনেট। এটাও আমার জন্য একটি স্পর্শকাতর মাধ্যম। কারণ ইন্টারনেটে অনেকে স্পাই হিসেবে কাজ করেন। তারা দেখবে যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক হিসেবে আমি যৌন বিষয়ে গুগলে সার্চ করছি। তবুও উদ্দেশ্য যেহেতু মহৎ, একটু সাহসী হলেই-বা মন্দ কি? তাই শুরু হলো তথ্য আহরণ।

Abdul.Gaffar.Chowdhury's picture

বিদ্রোহের অগ্নিবীণায় বিপ্লবের বজ্রকণ্ঠ

২০১৪ সালের ২৯ আগস্ট। ৩৮ বছর আগে ১৯৭৬ সালের এই দিনে ঢাকায় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যু হয়। মৃত্যুর বহু বছর আগে থেকে কবি স্মৃতিভ্রষ্ট ছিলেন। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐকান্তিক ইচ্ছায় বিদ্রোহী কবিকে ঢাকায় সপরিবারে আনা হয়। অবশ্য তার আগেই কবিপত্নী প্রমীলা নজরুলের মৃত্যু হয়। কবি তখন কলকাতায়। প্রমীলা নজরুলকে পশ্চিমবঙ্গের চুরুলিয়ায় (কবির জন্মস্থানে) সমাহিত করা হয়।
nazrul islam
কবি যদি স্মৃতিভ্রষ্ট না হতেন তাহলে মৃত্যুর আগে হয়তো বলে যেতে পারতেন তিনি কোথায় সমাহিত হতে চান। ঢাকায়, না পশ্চিমবঙ্গে পত্নী প্রমীলার সমাধির পাশে? তার জ্যেষ্ঠপুত্র কাজী সব্যসাচীসহ পরিবারের কারও কারও ইচ্ছা ছিল কবির মরদেহ পশ্চিমবঙ্গে নিয়ে চুরুলিয়ায় সমাহিত করার। তাদের এই ইচ্ছাপূরণে বাধা দেয়ার জন্য বাংলাদেশের তখনকার সামরিক শাসক জিয়াউর রহমান একটি হীন পন্থার আশ্রয় নেন। ঢাকায় আসার জন্য কাজী সব্যসাচী ও নজরুল পরিবারের কতিপয় সদস্যকে ভিসা দিতে কলকাতার বাংলাদেশ হাইকমিশন গড়িমসি করে তাদের ভিসা প্রদান বিলম্বিত করে। ফলে কবির মৃত্যুর সময় তারা ঢাকায় এসে পৌঁছতে পারেননি। এমনকি তারা ঢাকায় এসে পৌঁছার আগেই কবির মরদেহ তড়িঘড়ি করে বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদের পাশে সমাহিত করা হয়। ফলে কাজী সব্যসাচীসহ কবি পরিবারের অনেকেই কবিকে শেষ দেখা দেখতে পারেননি।

সাম্প্রদায়িকতা ও বর্ণবাদ উভয়ই অমানবিক

ইসরাইলের হামলায় গাজায় এ পর্যন্ত দুই হাজারের ওপর ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এর মধ্যে ৫০০ শিশু এ হামলার শিকার হয়েছে। তারা দু’চোখে স্বপ্ন নিয়ে বেড়ে ওঠার আগেই জায়নবাদী জিঘাংসার শিকার হয়ে অকালে পৃথিবী থেকে চলে গেল। যুদ্ধ এমনই মানব বিধ্বংসী কর্মকাণ্ড যে, যেখানে যখনই যুদ্ধ লেগেছে সেখানে যুদ্ধ রণক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ না থেকে নির্দোষ বেসামরিক নাগরিকের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে এবং সেই ভয়াবহতার শিকার হয়েছে শিশু ও নারী। মধ্যপ্রাচ্যসহ গাজার ঘটনা শিশু হত্যারই ঘটনা। প্রতিহিংসা যখন মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে তখন মানবতা লোপ পায়; গাজায় পাঁচশ’ শিশু হত্যা সর্বোচ্চ মানবতা লংঘনের দৃষ্টান্ত। অবশ্য ইসরাইল অর্ধশতাব্দী ধরে মানবতা লংঘন করেই চলেছে। কেউ তাকে থামাতে পারছে না। মার্কিন বিগ সুপার পাওয়ার ইসরাইলের প্রিন্সিপাল ডিফেন্স, এটা কোনো গোপন বা রাখঢাকের বিষয় নয়। ইসরাইল মধ্যপ্রাচ্যের অনৈক্যের সুযোগ নিচ্ছে এতেও কোনো সন্দেহ নেই।
আর মধ্যপ্রাচ্যকে অনৈক্যের, বিভাজনের মধ্যে ফেলে রেখেছে খোদ মার্কিন পলিটিক্স।
gaza
গাজায় ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর ইসরাইলের চালানো গণহত্যার তীব্র নিন্দা জানিয়ে প্রকাশ্যে বিবৃতি দিয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ইহুদি গণহত্যা বা হলোকষ্ট থেকে বেঁচে যাওয়া তিনশ’র বেশি ইহুদি ও তাদের উত্তরসূরিরা। জাতিসংঘের শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) শনিবার চলমান লড়াই থেকে গাজার শিশুদের রক্ষার জন্য সব পক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। ইহুদি বিবৃতি প্রদানকারীরা তাদের বিবৃতিতে বলেছেন, ‘ইসরাইলি সমাজে ফিলিস্তিনিদের প্রতি বর্ণবাদী অমানুষিক আচরণ এখন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে।’

Kamrul Hasan Masuk's picture

আমাদের নুরুল হক মাষ্টার, চলে গেলেন অন্তিম সয়ানে

10301279_856041694425020_8634633245375068318_n.jpg

পৃথিবীতে এমনকিছু মানুষ জন্মগ্রহণ করেন, যাদের জন্মটা পৃথিবীর জন্য অত্যান্ত আর্শিবাদ। এদের মধ্যে কিছু কিছু মানুষ যারা নির্লসভাবে সারাজীবন কাজ করে যান। জীবদ্দশায় অথবা মৃত্যুর পরও প্রচার প্রচারণার অভাবে বিশ্¦ব্যাপী বা দেশব্যাপী পরিচয় পান না। নিজেরাও কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পরিচিত হন না। উনারা কাজ করে যান নিরবে, নিবৃত্তিতে। পরিচয় পাক আর না পাক এ নিয়ে উনারা কখনো মাথা ঘামান না। উনাদের কথা হচ্ছে কাজ করবেন, মানবসেবায় নিয়োজিত থাকবেন। এমন একজন মানুষ হচ্ছেন আমাদের আলহাজ্ব মোহাম্মদ নুরুল হক। পৃথিবীর আর্শিবাদ নিয়ে ১ লা অক্টোবর ১৯৩৬ সালে ব্রাক্ষণবাড়ীয়া জেলার, কসবা থানার খেওড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। উনার পিতার নাম মৃত: মিরাজ আলী, মাতা মৃত: আয়েশা খাতুন। উনার শিক্ষাজীবন থেকেই উনার সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি:

Ripon Islam's picture

দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে: মির্জা আব্বাস

সরকার ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় নেতাকর্মীদের জড়াচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা মহানগর আহ্বায়ক মির্জা আব্বাস।দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে: মির্জা আব্বাস সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা মহানগর আহ্বায়ক মির্জা আব্বাস- ফোকাস বাংলা

তিনি বলেন, 'সরকারের এই ফ্যাসিস্ট আচরণের কারণে আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। এর মোকাবিলায় আন্দোলন ছাড়া বিকল্প নেই।'

Rita Roy Mithu's picture

শোক নয় আর, জেগে উঠুক তারুণ্য, অমিত শক্তির আধার!

আমাদের ছোট্ট বাড়ির দোতলায় দুটো মাত্র শোবার ঘর আছে, দুই শোবার ঘরের মধ্যবর্তী অংশটুকু স্টাডিরুম না হলেও আমি ওটাকে স্টাডি রুম হিসেবে ব্যবহার করি। ছাদ একদিকে ঢালু হয়ে যাওয়া ডিজাইনের স্টাডিরুমে বই রাখার জন্য বিল্ট ইন শেলফ আছে। সেই বুক শেলফে শোভা পায় কয়েকবার করে পড়ে ফেলা বাংলা উপন্যাস সমগ্র।
বুকসেলফের পাশের লাগোয়া ফাঁকা জায়গাটুকুতে বসানো হয়েছে কমপিউটার ডেস্ক, ডেস্কে শোভা পাচ্ছে ২০ ইঞ্চি ফ্ল্যাট স্ক্রিনের DELL কম্পিউটার। কমপিউটারটির বয়স আট বছর, কেনা হয়েছিল আমাদের সকলের ব্যবহারের জন্য, গত তিন বছর ধরে এটি শুধু আমিই ব্যবহার করি, তিন বছর আগে ব্লগে লিখতে শুরু করি, একটানা দুই বছর লিখেছি, গত বছর থেকে ব্লগে তেমন লিখিনা।

WatchDog's picture

আমেরিকান ড্রিম ও একজন হাফ কালো, হাফ মুসলিম প্রেসিডেন্ট - WD

39.jpg
২০০৪ সাল। মার্কিনীরা তৈরি হচ্ছে তাদের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য। জর্জ ওয়াকার বুশ তার দ্বিতীয় টার্মের জন্য লড়াই করছেন প্রতিপক্ষ ডেমোক্রেট জন কেরির বিরুদ্ধে। প্রথা অনুযায়ী দুই দলেরই ন্যাশনাল কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয় নির্বাচনের আগে, যেখানে আনুষ্ঠানিক ভাবে নিশ্চিত করা হয় দলীয় মনোনয়ন। উপর নীচ লেভেলের অনেক বক্তা দলীয় প্রার্থীর পক্ষে জোরালো যুক্তি তুলে ধরে দেশবাসীকে ভোট দেয়ার আহ্বান জানান। কনভেনশনের শেষ পর্যায়ে কী নোট নিয়ে হাজির হন এমন একজন যার প্রভাব থাকে সমাজের সর্ব পর্যায়ে।

Syndicate content