ড. মুহাম্মদ ইউনূস : একজন রক্তচোষা কুষীদজীবীর দারিদ্র বিমোচনের অলীক স্বপ্ন

ভাবতে ভালোই লাগে,দেশ এগিয়ে যাচ্ছে,তবে গাজী প্লাস্টিক ট্যাংকের জন্য নয়,আমাদের ডঃ ইউনূস সাহেব,তার গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে দারিদ্রকে জাদুঘরে পাঠানোর যে মহান পরিকল্পনা নিয়েছেন তাতে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে,সেই ১৯৭৬ সাল থেকে তিনি তার মহতী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণব্যাংকের মাধ্যমে এদেশের আপামর জনগোষ্ঠীর দারিদ্র দূরীকরণ করে যাচ্ছেন। ওনার কঠিন সংগ্রামের ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশ আজকে অর্থনৈতিকভাবে এতোটাই সমৃদ্ধ যে এখনো জনসংখ্যার এক বিপুল অংশকে গ্রামীণব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণ গ্রহণ করতে হয়,ইউনূস সাহেব যখন তার চিরাচরিত মিষ্টি হাসি হেসে সদম্ভে ঘোষণা করেন যে তার এক কোটি ঋণগ্রহীতা রয়েছে,তখন স্বভাবতই মনে প্রশ্ন জাগে ১৯৭৬ -২০১১ পর্যন্ত উনি করলেনটা কি ? দারিদ্র বিমোচন করলে ঋণগ্রহীতা থাকবে কেন,তাও আবার ক্ষুদ্রঋণ ! স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত বিভিন্ন অর্থনৈতিক পরিসংখ্যানও প্রমাণ করে বাংলাদেশের কিঞ্চিৎ অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির সিংহভাগই এসেছে বৈদেশিক রেমিট্যান্সের অর্থে। তাই যুক্তিতর্কের খাতিরেই হোক কিংবা পরিসংখ্যানের বিচারে,ইউনূস সাহেবের ক্ষুদ্রঋণ-তত্ত্ব দিয়ে দারিদ্র বিমোচনের অলীক স্বপ্ন ধোপে টেকে না। তবে একদিক থেকে তিনি কিন্তু দারুণ সফল,মধ্যবিত্ত শিক্ষকের অবস্থান থেকে আজকে উঠে এসেছেন মহাবিত্তবানদের কাতারে,তার দেওয়া ঋণে এককোটি জনগোষ্ঠী বিত্তবান হতে না পারলেও তিনি কিন্তু চড়া সুদ আরোপ করে ঠিকই নিজের আখের গুছিয়ে নিয়েছেন,দেশ দারিদ্রমুক্ত না হলেও অঢেল সম্পত্তির মালিক ঠিকই হয়েছেন । 

 

 

 

 চিত্রঃ ডঃ ইউনূস আর রক্তচোষা কাউন্ট ড্রাকুলার মধ্যে কত মিল দেখুন

 

প্রায়ই তিনি বিদেশ সফরে যান,বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান-প্রধানমন্ত্রী আর রাঘব বোয়ালদের সঙ্গে বন্ধুত্বস্থাপনে বড়ই পুলকিত বোধ করেন,মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন তো ওনার ইয়ার দোস্ত,তাই পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্ত্রী হিলারি ক্লিনটনকে দিয়ে ইউনূস সাহেবের পক্ষে বাংলাদেশ সরকারকে হুঁশিয়ারিবার্তা পাঠান। শুধু বিল ক্লিনটনই বা কেন,জন কেরী,বারাক ওবামা,স্পেনের রানী সোফিয়া,জার্মান চ্যান্সেলর মার্কেল সহ সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলোর রাষ্ট্রপ্রধানরা এখন বন্ধুত্ব রক্ষার মহান তাগিদে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি প্রতিনিয়ত চাপ প্রয়োগ করে চলেছেন। বাংলায় একটি প্রবাদ আছে –মায়ের চেয়ে মাসীর দরদ বেশি। স্বভাবতই মনে প্রশ্ন জাগে,আমাদের ইউনূস সাহেবের প্রতি বিদেশী রাষ্ট্রপ্রধানদের এত দরদ উথলে পড়ছে কেন ? দেশের আভ্যন্তরীণ একটি বিষয় যেখানে আইনগত কোনরূপ দ্ব্যর্থকতার সুযোগ নেই, ষাট বছর যেখানে সকলের জন্যই প্রযোজ্য সেখানে আইনকে চ্যালেঞ্জ ও শিশুসুলভ কান্নাকাটি করে বিদেশিদের কাছে ব্যাপারটাকে নিয়ে যাওয়ায় কি এটাই প্রমাণিত হচ্ছেনা যে, ইউনূস সাহেব আসলে বিদেশী সাম্রাজ্যবাদী গোষ্ঠীরই তল্পিবাহী ধারক এবং পোষক ? বিদেশে গেলেই উনি সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন তার সম্পর্কে যেন পত্রিকাগুলোতে বেশ বড় কভারেজ দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হয়,বিদেশী চ্যানেলগুলোতে ইন্টারভিউ দিতে উনি খুবই পছন্দ করেন,ধন্য ডঃ ইউনূসের এমন নজিরবিহীন আত্মপ্রচার। শুধু তাইই নয়,স্তব-স্তুতি করার জন্য উনি একদম ফ্রন্টে দাড় করিয়ে রেখেছেন বলির পাঠা সেই দরিদ্র -অসহায় ঋণগ্রহীতাদের,যারা সামান্য কিছু টাকার জন্যে অনন্যোপায় হয়ে সারাদিন গ্রামীনব্যাংক কর্মকর্তাদের পূর্বনির্দেশ অনুযায়ী মানববন্ধন করে যাচ্ছেন আর পেছনে রিজার্ভ রেখেছেন আমাদের দেশের কিছু বুদ্ধি-ব্যবসায়ীদের –যারা এদেশে তথাকথিত বুদ্ধিজীবী সুশীল সমাজ বলে পরিচিত,এদের নিয়েই উনি ওনার স্বপ্নের রাজনৈতিক দলটি গঠন করতে চেয়েছিলেন। এই সুশীল সমাজের কুঃশীল ব্যক্তিবর্গ সমাজ এবং রাষ্ট্র থেকে সকল সুযোগসুবিধাই ভোগ করেছেন,ব্যাংকব্যালেন্স বাড়িয়েছেন,অঢেল সম্পত্তির মালিক হয়েছেন,গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হয়ে সীমাহীন দুর্নীতি করেছেন,একজোট হয়ে নিজেরাই নিজেদেরকে সুশীলসমাজ বলে সদর্পে ঘোষণা করেছেন,লুটপাটের অর্থে ভগ্নসাস্থ্য থেকে বেশ মোটাতাজা হয়েছেন,শরীরে জোর পেয়ে এখন এনারা আইনকে পাত্তা দিচ্ছেন না,আইন যে সকলের জন্য সমান – এই কথাটা এনারা বেমালুম ভুলে যান ! এনাদের মাত্রাতিরিক্ত ইউনূসপ্রীতি দেখে বাংলা এই প্রবাদটাই মনে পড়ে যায় –‘চোরে চোরে মাসতুতো ভাই’।

 

প্রথম আলোর গোলটেবিল বৈঠকে ডঃ ইউনূসের আস্থাভাজন ব্যক্তিবর্গের আলোচনায় বক্তারা ইউনূস সাহেবের পক্ষে সাফাই গাওয়ার পরও মানতে ঠিকই বাধ্য হয়েছেন যে, ক্ষুদ্রঋণ দারিদ্র্য বিমোচনের হাতিয়ার নয়। মোস্তফা কে মুজেরী বলেন,বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলে ক্ষুদ্রঋণকে বাইরে রাখছি। অধ্যাপক রেহমান সোবহান বলেন, ক্ষুদ্রঋণ দিয়েই শুধু দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব নয়। মাহবুব হোসেন জানান,দারিদ্র্য বিমোচনের জন্যই শুধু ক্ষুদ্রঋণ প্রবর্তিত হয়নি। ডঃ ইউনূসকে সমর্থন করতে যেয়ে বক্তারা অভিযোগ তুলেছেন, প্রচলিত ব্যাংকব্যবস্থা থেকে ঋণ নেওয়া প্রভাবশালী ঋণগ্রহীতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। তাদের দাবি, দারিদ্র্য বিমোচন না হওয়ার পেছনে সরকার দায়ী, উঁচু জায়গায় বসেই শুধু বলা যায় যে, ক্ষুদ্রঋণ কিছু করতে পারেনি। ক্ষুদ্রঋণ না পেলে দরিদ্ররা তাদের সহায়-সম্বল বিক্রি করে দিয়ে দারিদ্র্যের অতল গহ্বরে হারিয়ে যায়। আগে প্রতিবছর ১% হারে দারিদ্র্য কমত,এখন ১.৫% হারে কমছে, বাণিজ্যিক ব্যাংক কেন ক্ষুদ্রঋণ দেয়নি, ৮ শতাংশ ঋণগ্রহীতা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান করে সফল হয়েছেন, ক্ষুদ্রঋণের একটি রূপকল্প থাকে আর বাণিজ্যিক ব্যাংকের মুনাফামুখী চেষ্টা থাকে, নারীর ক্ষমতায়নে ক্ষুদ্রঋণ ভূমিকা রাখছে, ইত্যাদি।

 

বিজ্ঞ বন্ধুদের প্রতি আমার প্রশ্ন, কতিপয় ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছেনা বলে কি ডঃ ইউনূস অবৈধভাবে ক্ষমতা আঁকড়ে থাকার বৈধতা লাভ করেন ?  কতিপয় অপরাধীকে ধরা যাচ্ছেনা বলে কি ধৃত অপরাধীকেও বেকসুর খালাস দিতে হবে ? আপনাদের প্রত্যেকেরই গাড়ি-বাড়ি-অঢেল সম্পত্তি রয়েছে, সমাজের উঁচুস্তরে আছেন বলেই আজকে প্রথম আলোর গোলটেবিলে বসতে পেরেছেন, সেখানে বসে মহাবিত্তবান ডঃ ইউনূসের স্তবস্তুতি করে যাচ্ছেন আর দোষ দেন আমাদের মত সুবিধাবঞ্চিত মানুষদেরকে। দারিদ্র কমার পেছনে বৈদেশিক রেমিট্যান্স এবং আর্থিক সহযোগিতার বিষয়টি জড়িত, প্রবাসী বাংলাদেশিদের কঠোর শ্রম জড়িত। বানিজ্যিক সকল ব্যাংক তো আর বিশেষায়িত ব্যাংকের সুযোগসুবিধা লাভ করেনা, তারা ক্ষুদ্রঋণ কেন দেবে আর কিভাবেই বা দেবে ? সরকার আপনার ব্যাঙ্ককে ৪০% সুদের সুবিধাটা দেন,কোল্যাটারেলের সমস্যায় পড়তে হয়না আবার ব্যবসাবাণিজ্যে করমুক্তির সুবিধাটাও পাচ্ছেন,এরূপ সুবিধা যদি অন্যান্য ব্যাংকগুলো পেত তাহলে কি তারাও আপনার মত এমন ফুলে ফেঁপে উঠত না ? গ্রামীনব্যাংক এই সুবিধা পায় বলে তারাই তো ঋণ দেবে, তবে সুদের হার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে হ্রাস করে। ৮% শতাংশের বিপরীতে বাকি ৯২ শতাংশের খবর কি, কই সেটা তো বললেন না ? বানিজ্যিক ব্যাংকের সবচেয়ে বড় উদাহরণ তো গ্রামীণব্যাংক, ২৬-৪০% চড়াসুদে মুনাফা লোটার পরেও বলতে চান, ডঃ ইউনূস বানিজ্যিক নন ? যথার্থ শিক্ষার মাধ্যমে নারী স্বাবলম্বী হবে যা নারীর প্রকৃত ক্ষমতায়নের পথ সুগম করবে, অশিক্ষিত নারীকে ঋণ প্রদানের মাধ্যমে এবং অযাচিতভাবে ডিরেক্টর বানিয়ে নারীর প্রকৃত মুক্তি কখনোই আসবেনা। সাধারণ জনগণের অশিক্ষার সুযোগ নিয়ে আমাদের শিক্ষিত জ্ঞানপাপী বুদ্ধিজীবীরা আইন বহির্ভূত যা খুশী তাই বলে আর কতকাল এভাবে লোক ঠকাবেন ?

‘সাপ্তাহিক’ ম্যাগাজিনে জনাব গোলাম মোর্তজার ‘বাংলাদেশ……ডঃ ইউনূস’ শীর্ষক কলামটি পড়ে এটাই বোঝা গেল যে আমাদের দেশের জনসাধারণ মুখসর্বস্ব আর প্রচারসর্বস্ব দেশপ্রেমে অন্ধ। বিদেশী স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী নিজেদের প্রয়োজনে কাউকে নোবেল প্রাইজ দিয়ে খুশী করে দিয়ে গেল আর বোকা জনসাধারণ সেই ফাঁদে পা দিয়ে নাচতে শুরু করে দিল ! হায়রে দুনিয়া, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে দুনিয়ার কেউ চেনেনা কিন্তু কোথাকার কোন রক্তচোষা সুদখোর মহাজনকে নাকি পৃথিবীর কোনায় কোনায় মানুষ চেনে ! লেখক অভিযুক্ত করেছেন বামপন্থী সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী নেতাদের,তাদের ছেলেমেয়েরা নাকি ইউরোপ আমেরিকা তে পড়াশোনা করে,অথচ উনি নিজেই যে এদেশ থেকে ওদেশ ভ্রমণ করে বেড়ান সেটা কিছু না ! নিজে যেই দোষে দুষ্ট,সেই দোষ পরের ঘাড়ে চাপিয়ে দিতে লেখক বিন্দুমাত্র দ্বিধা করেন না ! আমস্টারডামে বোর্ডিং পাস নেওয়ার সময় জনৈক কর্মকর্তার “ওহ বাংলাদেশ……ডঃ ইউনূস” বলে উচ্ছ্বসিত হওয়ার আষাঢ়ে গল্প ফেঁদে উনি আর যাই হোক সচেতন পাঠককে বোকা বানাতে পারবেন না । যেন ইউনূস সাহেব একাই নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন,অন্য দেশের কেউ যেন নোবেল পান না ! কর্মকর্তাটি আর কোন দেশের মানুষ পেলেন না, ফ্রান্স –যুক্তরাজ্য –জার্মানির নোবেল বিজয়ী ছেড়ে বাংলাদেশী নোবেল বিজেতা নিয়ে মাতলেন ! বলি,চাপা মারার আর জায়গা পান নি ? এরকম আরো আটটি আষাঢ়ে গল্প উনি বলেছেন,যার সবগুলোই মাত্রাতিরিক্ত মিথ্যাচারে পরিপূর্ণ এবং এসব  থেকে একটি কথাই পরিষ্কার হয়ে ওঠে,ডঃ ইউনূসের আগে আমরা কখনোই নোবেল প্রাইজ পাইনি দেখে আমাদের মনের মধ্যে যে খেদ বা আত্মগ্লানি রয়েছে,তা লাঘব করার জন্যই আমরা ডঃ ইউনূস সাহেবের নাম নিয়ে অতিরঞ্জিত বাগাড়ম্বরের মাধ্যমে বিদেশিদের কাছে সম্মানিত হওয়ার চেষ্টা করি। প্রবাসী বাংলাদেশীরা দেশের খবরাখবর সম্পর্কে কতটুকু জানেন ? শুধু অনলাইন পত্রিকা পড়ে আর চাক্ষুষ না দেখে কি দেশের প্রকৃত অবস্থা জানা যায় ? প্রবাসী বাংলাদেশিগণ বিদেশে অনেক কষ্টে জীবনযাপন করেন,বলার মত তেমন কিছুই নেই বলে এবং স্থানীয় দক্ষ বিদেশিদের কাতারে নিজেদের ম্রিয়মাণ অবস্থান পর্যবেক্ষণ করে তারা গভীর মনঃকষ্টে ভোগেন,তাই ডঃ ইউনূসের নোবেল প্রাপ্তির কথা গর্বের সঙ্গে ঘোষণা করে সেই গ্লানি নিরসনের চেষ্টা করেন তারা। আর আমাদের দেশের সংবাদ পাঠক  জনসাধারণের মুষ্টিমেয় অংশ শহরের বাসিন্দা,প্রত্যেকে প্রত্যেকের কাজে এত ব্যস্ত যে ডঃ ইউনূসের গ্রামকেন্দ্রিক ক্ষুদ্রঋণ আসলেই গরীবের কল্যাণে কাজ করলো কিনা সেটা যাচাই করার সময় তাদের নেই,অনেকেই ক্ষুদ্রঋণ তত্ত্বের কার্যপ্রণালী সম্পর্কেই অবহিত নন। যেখানে আর ১০ টা বিষয়ে আমাদের গর্ব করার ক্ষমতা নেই সেখানে টিভিতে নোবেল প্রাইজ পাওয়ার খবর শুনে ডঃ ইউনূসের প্রতি আমাদের জনগণের অন্ধ জনমত তৈরি হওয়াটাই তাই স্বাভাবিক।

জনাব আকবর আলি খানের মতামতে নতুন তথ্য জানলাম,ডঃ ইউনূস নাকি ‘আসল’ নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন,কারণ এটা নাকি আলফ্রেড নোবেল কর্তৃক প্রদত্ত প্রাইজ। আলফ্রেড নোবেল তো অর্থনীতিতে নোবেল দিয়ে যাননি,তার মানে কি অর্থনীতিতে প্রদত্ত নোবেল প্রাইজটি ‘নকল নোবেল প্রাইজ’ ? এই কি আমাদের তথাকথিত সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গের বুদ্ধিদীপ্তির নমুনা ? প্রকৃতপক্ষে শান্তিতে নোবেল প্রাইজ দেওয়াটা পশ্চিমা বিশ্বের পলিটিক্যাল এবং ডিপ্লোম্যাটিক্যাল একটি ভাঁওতাবাজি ,পশ্চিমা স্বার্থ রক্ষার্থে এবং বিশেষ প্রয়োজনে কতিপয় ব্যক্তিকে অযাচিতভাবে পুরস্কৃত করার নজীর কিন্তু বিরল নয়। উদাহরণ হিশেবে বলা যেতে পারে ২০০৯ সালে নোবেল শান্তি পুরষ্কার বিজয়ী বারাক ওবামা কিংবা ১৯৯৪ সালের বিজয়ী আইজ্যাক রবিন,শিমন পেরেজ ও ইয়াসির আরাফাতের নাম। আরো উদাহরণ হিশেবে বলা যেতে পারে  ১৯৭৩ সালের বিজয়ী কুখ্যাত মার্কিন কূটনীতিবিদ হেনরি কিসিঞ্জার কিংবা ২০০৭ সালের বিজয়ী আল গোরের কথা। তাই নোবেল শান্তি পুরষ্কারের যথার্থতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায় ;ডঃ ইউনূস তার নেটওয়ার্কিং বুদ্ধির জোরে পশ্চিমা বিশ্বে একটি শক্ত অবস্থান গড়তে সক্ষম হয়েছেন, তার পলিটিক্যালি শক্তিশালী বন্ধুগুলোর ভূমিকাই তাকে নোবেল এনে দিয়েছে,এই যুগে কুষীদজীবীরা নোবেল পুরষ্কার পাচ্ছেন,পরবর্তী যুগে হয়ত আলু পটল ব্যবসায়ী কিংবা মুদি দোকানদারেরাও নোবেল শান্তি পুরষ্কার পাবেন,অবাক হওয়ার কিছু নেই,কারণ এই পুরষ্কারের পেছনে পশ্চিমা রাষ্ট্রের শক্তিশালী নেতাদের হাত থাকে তাই কোন মুদি দোকানদার যদি বিল ক্লিনটনদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে পারেন এবং বিদেশী স্বার্থ রক্ষা করে চলতে পারেন তাহলে তিনিও একদিন অমন পুরষ্কারের আশা করতে পারেন ।

জনাব আকবর আলি খান আরো বললেন,সরকার চাইলে যে কোন সময় আইনের সংস্কার করতে পারে,সরকারের উচিত এসব প্রতিষ্ঠান নিয়ন্ত্রণ না করা এবং ডঃ ইউনূসকে অব্যাহতি দেওয়া হলে গ্রামীনব্যাংক  নাকি ২ -৩ বছরের মধ্যে মুখ থুবড়ে পড়বে । এর পরিপ্রেক্ষিতে বলতে হয়,১৯৮৩ সালের গ্রামীনব্যাংক অধ্যাদেশ অনুযায়ীই ডঃ ইউনূস আইনসঙ্গতভাবে আর স্বীয়-পদে অধিষ্ঠিত থাকতে পারেন না, এর জন্য সরকারের কোন আইন-সংস্কারের বিন্দুমাত্র প্রয়োজন নেই । ডঃ ইউনূস যদি আইনের প্রতি শ্রদ্ধা না রেখে একনায়ক-তান্ত্রিক স্বৈরশাসকের মত আজীবন রাজত্ব করে অপরিমেয় বিত্তের পাহাড় গড়তে চান,তাহলে কি সরকার সেটার নিয়ন্ত্রণ না করে নির্বোধ দর্শকের মত ললিপপ চুষবে ? ডঃ ইউনূস কি ঈশ্বর নাকি ? এটা কি দেবদেবী শাসিত গ্রীক সাম্রাজ্য কিংবা যাজক শাসিত রোমান সাম্রাজ্য যে ইউনূস সাহেবের অসীম ক্ষমতা থাকবে ? বাংলাদেশের মত গনতন্ত্রকামী একটি দরিদ্র দেশে ইউনূস সাহেবের মত কিছু রক্তচোষা ভ্যাম্পায়াররা বছরের পর বছর বিপুল এক জনগোষ্ঠীকে ঋণের জালে জড়াবে এবং তাদের থেকে চড়া সুদ গ্রহণ করে বিশাল অঙ্কের মুনাফা লুটেই যাবে,এতবড় অন্যায় কখনোই মেনে নেওয়া যায়না । আর গ্রামীনব্যাংক কেন ২ -৩ বছরের মধ্যে মুখ থুবড়ে পড়বে ? তার মানে কি ডঃ ইউনূস গ্রামীনব্যাংককে সুযোগ্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলেননি ? প্রকৃতপক্ষে কিন্তু সেটাই । ৪ঠা মার্চের ডেইলি স্টার পত্রিকায় প্রকাশিত ডঃ ইউনূস পরিবৃত মহিলা ডিরেক্টরদের ছবি দেখলে  এটাই চোখের সামনে পরিস্ফুট হয়ে ওঠে যে গ্রামীনব্যাংকে নিজের একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রাখার জন্য ডঃ ইউনূস শিক্ষিত পুরুষ কর্মচারীদের ডিরেক্টর বানানোর বদলে ডিরেক্টর বানিয়েছেন তারই ব্যাঙ্কের ঋণ-প্রাপ্ত অশিক্ষিত এবং অর্ধ-শিক্ষিত নারী ঋণগ্রহীতাদের । এতে একসাথে অনেক উদ্দেশ্যই সাধিত হয়,নিজের পদটি আজীবনের জন্য অক্ষুণ্ণ থাকে,কোন প্রতিদ্বন্দ্বীর সম্মুখীন হতে হয়না আবার,বহির্বিশ্বে এটাও প্রচার করা যায় যে –দেখো, আমি কত জনদরদী – নারীদরদী- দরিদ্র-হিতৈষী,আমি সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ! ইউনূস সাহেবের প্রতি আমার একান্ত অনুরোধ,গরিবের রাজা রবিনহুডের পরিচালক -প্রযোজক সাহেবের নিকট অতিসত্বর ধর্না দিন,আপনার সুপারিশে হয়ত ওনারা আগামীতে গরিবের রাজা ইউনূস নামে চলচিচত্র বানাতে আগ্রহী হবেন,আপনার আত্মপ্রচারের মনোবাঞ্ছার আরো একধাপ পূর্ণ হবে,ভেবে দেখুনতো ৭০ বছর বয়সে চলচ্চিত্রে নায়ক হবেন আপনি !


চিত্রঃ ডঃ ইউনূসের অপকর্মের গোপন দলিল !

 

নরওয়ের টেলিনর – নোরাড -সরকার আপনার বন্ধু এবং ব্যবসায়িক পার্টনার,সম্পর্কের অবনতি করে কোন পক্ষই তো ব্যবসায়ের ক্ষতি চাইবে না,তাই নোরাড এবং সরকার আপনাকে সমস্ত অভিযোগের দায়ভার থেকে মুক্তি দিয়েছে। এম এম আকাশের মতে, “ক্ষুদ্রঋণ একটি লোভনীয় ব্যবসায় রূপ নিচ্ছে। কেউ যদি বলে,আমি ব্যবসা করে মুনাফা করব,তবে তাকে কর দিতে হবে”। কথাটা সত্য, আমাদের ডঃ ইউনূসের চোখ সবসময় লোভনীয় ব্যবসায়ের দিকেই পড়ে থাকে, এজন্যই তো তার ‘গরীব দরদী’ হওয়ার এত শখ;  কর ফাঁকি দেওয়ার নিমিত্তে উনি গ্রামীনব্যাংক থেকে ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিপুল পরিমাণ অর্থ গ্রামীণ কল্যাণ তহবিলে স্থানান্তর করেছিলেন। আপনার মত নোবেল প্রাইজ বিজয়ী বরেণ্য ব্যক্তির কর ফাঁকি দেওয়ার হীন কার্যকলাপ কি আদৌ শোভা পায় ? শুধু তাইই নয়, সুদ সমেত আসল না পেলে আপনার ব্যাঙ্কের কর্মকর্তারা গরীব ঋণগ্রহীতার গরু-বাছুর আসবাবপত্র হাড়িপাতিল টিনের চালা এমনকি নাক-ফুল কিংবা গলায় পরার সাধারণ অলঙ্কারাদি খুলে নিয়ে যায়,এর পেছনে কি আপনার কোনই গুপ্ত নির্দেশনা নেই ? উপরন্তু আপনি গ্রামীনব্যাংকের ডিরেক্টরদের দায়িত্ব অর্পণ করেছেন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত কিছু মূর্খ –অদক্ষ কর্মীর হাতে,আপনার দুর্নীতি আর অপকর্মের বিরুদ্ধে যারা সোচ্চার হয়েছিল,তাদেরকে করেছেন বরখাস্ত; সরকার ও দাতাদের তহবিলের অবৈধ ব্যবহার, সরকার ও সদস্যদের লভ্যাংশ থেকে বঞ্চিত করা,সরকারের অনুমোদন না নিয়েই সরকারী সম্পত্তি অন্য প্রতিষ্ঠানকে হস্তান্তর ও অন্যায়ভাবে ভোগদখল,সদস্যদের গ্রুপ ফান্ডের অর্থ ফেরত না দিয়ে কেন্দ্রীয় তহবিলে স্থানান্তর,ব্যাংকে নিযুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নীতিবহির্ভূতভাবে অন্য প্রতিষ্ঠানে নিযুক্তসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্বেচ্ছাচারিতার পরিচয় দিয়ে দুর্নীতির ষোল কলা পূর্ণ করেছেন।

চিত্রঃ কর ফাঁকি দেওয়ার নিমিত্তে ডঃ ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণে অর্থ স্থানান্তরের অপচেষ্টা 

শুভ কিবরিয়া অভিযোগ করেছেন,ডঃ ইউনূসের নোবেল প্রাপ্তিতে পরশ্রীকাতর আত্মপরায়ণ বাঙালিকে অসুখী করেছে,তিনি অর্থমন্ত্রীর বয়স নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আবার পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলোর কাছে সরকার কেন জবাবদিহি করছে তাও জানতে চেয়েছেন। আমাদের দেশের সাংবাদিক আর বুদ্ধিব্যবসায়িগণ অন্ধ সমালোচনা করতেই শুধু ওস্তাদ,গঠনমূলক কিংবা যুক্তিগ্রাহ্য সমালোচনা করতে পারেন না,সমালোচনা অবশ্য ওনাদের পেশা,একে পুঁজি করেই ওনারা এতদিন খেয়ে-পড়ে আসছেন কিন্তু ওনাদেরকে মন্ত্রী মিনিস্টারের পদে একবার বসিয়ে দিলেই ওনারা টের পেতেন,মুখে বলা কত সহজ অথচ কাজে করা কতোটা কঠিন। মন্ত্রীদের বয়স সংক্রান্ত কোন নীতিমালা বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে এখনো নেই,তাই অর্থমন্ত্রীর বয়স নিয়ে আপনার টানাহেঁচড়া টা সম্পূর্ণই অপ্রাসঙ্গিক । আর বাংলাদেশের মত দুর্বল এবং গরীব একটি দেশকে শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলোর কাছে তো জবাবদিহি করতেই হবে,এটাই রূঢ় বাস্তবতা। ধর্মীয়,সামাজিক আর সাংস্কৃতিক বিষয়গুলোতে আপনারা ঠিকই পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলোর বিরোধিতা করেন,অথচ এখন ডঃ ইউনূস প্রশ্নে তাদের বিরুদ্ধে একদম টু শব্দটি করছেন না,হিপোক্রিসীর কি নিদারুণ পরাকাষ্ঠা। ডঃ ইউনূসের প্রতি পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলোর এমন মাসীর দরদ উথলে ওঠার পেছনে বিপুল অর্থনৈতিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যাপার জড়িত।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আপনাকে শুধুমাত্র রক্তচোষা বলে অভিহিত করেছেন,আপনার যে অপকর্মের লিস্টিতাতে সরকারের আরো কঠিন পদক্ষেপ নেওয়া উচিত ছিল । তবে সরকার আদালতের হাতে বিষয়টি ছেড়ে দিয়ে নিজেদের অবস্থানকে বিতর্কিত করেনি, এর জন্য সরকারের নিঃসন্দেহে ধন্যবাদ প্রাপ্য । কেউ কেউ বলেছেন,সরকার শুধুমাত্র সমালোচনা করতে জানে,সরকার পারেনি বলেই ভাগ্য-বিড়ম্বিত মানুষের দারিদ্র দূরীকরণের জন্য আপনারা মাঠে নেমেছেন,কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সরকারী সুযোগসুবিধা নিয়ে আপনারা এই ৩৪ বছরে শুধুমাত্র নিজেদেরই ভাগ্য পরিবর্তন করেছেন,গরীব রয়ে গেছে সেই তিমিরেই । সরকার গ্রামীনব্যাংকের ২৫% শেয়ারের মালিক হওয়া সত্ত্বেও ডঃ ইউনূস তার নিজস্ব লোকজনকে বড় বড় পদে বসিয়ে ব্যক্তিমালিকানাধীন সম্পত্তির মত গ্রামীনব্যাংক শাসন করে গিয়েছেন, স্বজনপ্রীতি আর দুর্নীতির মহাকাব্য রচনা করে গিয়েছেন, দুর্নীতি করলে সমালোচনা তো হবেই, এর জন্য ‘সাম্রাজ্যবাদবিরোধী বামপন্থী’ হওয়া লাগেনা ।

ডঃ কামাল হোসেন কন্যা সারা হোসেন,ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদ সহ কতিপয় আইনজীবী সংবাদপত্র এবং টিভি চ্যানেলে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় আইনগত বিষয়াদি নিয়ে টু শব্দটি করেননি,কেননা আইনসংগত কোন যুক্তিই তাদের কাছে ছিলনা,তাই বারবার ওনারা নোবেল প্রাইজের আবেগিক ধুঁয়া তুলে জনসমর্থন আদায় করার চেষ্টা করছিলেন যা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক,বিষয়টি এখানে ডঃ ইউনূসের নোবেল প্রাইজ বিজয় নয়,বিষয়টি হলো ডঃ ইউনূস গ্রামীনব্যাংক নীতিমালা ১৯৮৩ এর ১৪ (১) ধারা ভঙ্গ করেছেন কিনা, যে ধারায় উল্লেখ আছে,”There shall be a managing director of the bank who shall be appointed by the board with the prior approval of the Bangladesh Bank”, যা তিনি সুস্পষ্টভাবেই ভঙ্গ করেছেন পূর্বানুমতি না নিয়ে। এছাড়াও বাংলাদেশ ব্যাংক অধ্যাদেশ ১৯৯৩ এর ২৬ (১) ধারায় রয়েছে, ‘বাংলাদেশ ব্যাংক যদি এ মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান বা কোনো পরিচালক বা প্রধান নির্বাহীকে কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বা উহার আমানতকারীদের ক্ষতিকর কার্যকলাপ রোধকল্পে,বা জনস্বার্থে উক্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের যথাযথ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে,অপসারণ করা প্রয়োজন,তাহা হইলে বাংলাদেশ ব্যাংক,কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া,আদেশের মাধ্যমে উক্ত চেয়ারম্যান,পরিচালক বা প্রধান নির্বাহীকে তাহার পদ হইতে অপসারণ করিতে পারিবে’। ডঃ ইউনূস নোবেল প্রাইজ বিজয়ী বলে কি আইনের ঊর্ধ্বে ? নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন বলে কি ওনার সাত খুন মাফ হয়ে যাবে ? অন্য দশজন সাধারণ – অসাধারণ নাগরিকের জন্য যে আইন প্রযোজ্য, ডঃ ইউনূসের জন্য কেন সেই আইন প্রযোজ্য হবেনা ? নোবেল প্রাইজ কখনোই কি কোনো দেশের আইনকে বদলে দিতে কিংবা প্রভাবিত করতে পারে ? তথাকথিত যুক্তিবাদী ও মহাপন্ডিতমন্য ডঃ আসিফ নজরুলের মতে, “১৯৯০ সালের গ্রামীণ ব্যাংক (সংশোধন) আইনের ১৪ ধারা অনুসারে বিধিগুলো সরকার কর্তৃক পূর্বানুমোদন করানোর প্রয়োজন নেই। সে মোতাবেক ২০০১ সালের ১৯ নভেম্বর গ্রামীণ ব্যাংক একটি বিধি প্রণয়ন করে,যাতে বলা হয় ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে চাকরির ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকবে না এবং গ্রামীণ ব্যাংকের চাকরিবিধি ব্যবস্থাপনা পরিচালকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না”। এছাড়া তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ ব্যাংক এই বিধিকে অবৈধ ঘোষণা না করে বা এ সম্পর্কিত কোনো আইনি উদ্যোগ না গ্রহণ করেই গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে যাবতীয় কার্যক্রম চালিয়েছে। প্রকৃতপক্ষে, সংশোধিত আইন প্রনয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বানুমতি নেওয়া হয়নি বলেই সংশোধিত আইন সম্পূর্ণ অবৈধ। অবৈধ একটি কাজ দৃষ্টিগোচর না হওয়ার কারণে এতদিন চলছিল, এখন তো দৃষ্টিগোচর হয়েছে, তাই এখনো কি চলতে থাকবে ?  

এই ইউনূস সাহেবই ‘সফলতম স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী’ হিশেবে উল্লেখ করেছিলেন জঙ্গি সংগঠন জেএমবিকে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে মদদ দেওয়া লুতফুজ্জামান বাবরকে যিনি আজকে তার সীমাহীন দুর্নীতির কারণে বিভিন্ন মামলায় কারাগারে বন্দী আছেন ( আজকের কাগজ ১৪ অক্টোবর,২০০৬ )। এখান থেকে আরেকটি প্রশ্ন সহজেই মনে উত্থাপিত হয়,জেএমবির সঙ্গে ইউনূস সাহেবের অর্থনৈতিক কোনোরূপ সংশ্লিষ্টতা ছিল কিনা। কেননা,অন্যান্য এনজিওগুলো জেএমবির আক্রোশের শিকার হলেও অজ্ঞাত কারনবশত ইউনূস সাহেবের এনজিও টি কখনোই তা হয়নি,যেখানে নারীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতা এবং ঘরের বাইরে কার্যক্রম ইসলামিক চরমপন্ন্থীদের কাছে খুবই স্পর্শকাতর একটি ব্যাপার সেখানে ডঃ ইউনূসের নারীপ্রধান এনজিও-র এভাবে বেচে যাওয়াটা সচেতন মানসে অনেক প্রশ্নের উদ্রেক করে। সাবেক প্রেসিডেন্ট ইয়াজউদ্দীন আহমেদ তো আমাদের ইউনূস সাহেবেরই তথাকথিত ‘গণতন্ত্র রক্ষা’র আহবানে একটি  অস্থিতিশীল সময়ে ২২শে জানুয়ারী ২০০৬ এ নির্বাচন করতে চেয়েছিলেন,যদিও জনতার প্রতিরোধের কারণে শেষমেশ ব্যর্থ হয়েছিলেন। ১৯৭১ সালে বিদেশে ছিলেন তিনি,দেশের জনগণ যখন মহান মুক্তিযুদ্ধের মহাসংগ্রামে লিপ্ত,তখন উনি ব্যস্ত ভ্যান্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রী নিতে। জীবনে কোনোদিন অন্যায় অত্যাচার অবিচারের বিরুদ্ধে উনি সোচ্চার হয়ে সামনে দাঁড়িয়েছেন ? প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ – রাজনীতিবিদ ডঃ শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যাকাণ্ডের পরে ডঃ ইউনূসের ন্যক্কারজনক নীরবতা জনমানসে প্রশ্ন তোলে। তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পরে নীরব ছিলেন,স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের সময় নীরব ছিলেন,কানসাট –মঙ্গা সহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সময় ইউনূস সাহেবের নীরব অবস্থান এটাই প্রমাণিত করে যে,উনি নিজের ব্যক্তিগত লাভ কিংবা সাফল্য ব্যতীত জীবনে আর কোনকিছু দেখার প্রয়োজন বোধ করেননি।

এবার আসা যাক একটু ব্যক্তিগত প্রসঙ্গে। ডঃ ইউনূস তনয়া দীনা ইউনূসের অতিবিলাসী এবং অসংযত জীবনযাত্রার কুরুচিপূর্ণ ছবি যারা সামাজিক যোগাযোগের সাইট ফেসবুকে দেখেছেন,তাদের মনে নিশ্চয়ই প্রশ্ন জেগেছে যে,বাবা হিশেবে ডঃ ইউনূস কতটুকু সার্থকভাবে তার দায়িত্ব পালন করেছেন ? বাংলাদেশের মত দরিদ্র দেশে যেখানে গরিবের দুবেলা দুমুঠো খাবার জোটেনা,সেখানে ইউনূস তনয়ারা লাখ লাখ টাকা ব্যয় করে এদেশ ওদেশ ঘুরে বেড়ান,ব্যাংকক –সিঙ্গাপুর –ইউরোপ –আমেরিকায় শপিংয়ে যান ;যেই ব্যক্তি সারাদিন গ্রামীণ ফতুয়া পরে থাকেন,তারই কন্যার কেন বিদেশী কুরুচিপূর্ণ পোশাকের প্রতি এত ঝোঁক ? তার মানে কি গ্রামীণ চেক বন্দনা শুধুই ব্যবসায়িক উদ্দেশ্য প্রণোদিত ? গ্রামীনব্যাংকের উচ্চ সুদের ঋণ,গ্রামীণ ফোনের উচ্চ কলরেট,গ্রামীণ চেকের উচ্চমূল্য সচেতন জনগণ আর বেশিদিন সহ্য করবেনা,অচিরেই তারা বিকল্প কোম্পানিগুলোর দিকে ঝুঁকবে এবং উচ্চমূল্যের গ্রামীনপণ্য বর্জন করা শুরু করবে। ইদানীং ডঃ ইউনূস সামাজিক ব্যবসা তত্ত্ব নিয়ে উঠে পড়ে লেগেছেন,উনি কি আসলে অর্থনীতিবিদ নাকি ব্যবসায়ী,গ্রামীনব্যাংক থেকে কত ব্যবসায়িক অঙ্গপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন,তবুও তার অর্থলিপ্সার অবসান হয়নি,আর কত ধনী হতে চান তিনি ? ডঃ ইউনূস যে কত বড় লোভী কুমীর সেটা তিনি তার হন্তদন্ত হয়ে আদালতে রিট দায়ের করা থেকেই প্রমাণ করে দিয়েছেন,নির্মোহ মানুষ হলে উনি নিশ্চয়ই নীতিমালার প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপণ করে নিজেই পদ থেকে সরে দাঁড়াতেন,লজ্জা শরমের মাথা খেয়ে নিশ্চয়ই এমন রঙ্গতামাশার অবতারণা করতেন না। অবশ্য এরকম ভাঁড়ামি তিনি আগেও করেছেন,নোবেল পাওয়ার পর ওনার অতি লম্ফ ঝম্প দেখে অনেকেই নীরবে মুচকি হেসেছেন,নোবেল পেয়ে এত খুশী হয়েছেন যে সেই খুশির দুরন্ত দাপটে আচমকা নাগরিক শক্তি নামের পলিটিক্যাল পার্টি গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন আর নাটকীয়ভাবে কয়েকদিনের মাথায়ই সেই সিদ্ধান্তকে পরিত্যক্ত করে লোক হাসিয়েছেন,ডঃ হুমায়ূন আজাদ সাধে কি ইউনূস সাহেবকে গোপাল-ভাঁড়ের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন ?

নোবেল প্রাইজের জের টেনে দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীকে প্রতারিত করে ও বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশকে ফকির মিসকিনের দেশ বলে প্রচারিত করে  শত শত কোটি টাকা নিজের সিন্দুকে গছিয়ে নিয়েছেন,এরপরেও কি আমাদের সাধারণ জনগণের টনক নড়বে না ? বাংলাদেশের সামগ্রিক চালচিত্র দেখে কি আপনাদের আসলেই মনে হয়,ডঃ ইউনূসের কারণে এদেশে শান্তি এসেছে কিংবা দারিদ্র বিমোচিত হয়েছে ? সরকার পক্ষের আইনজীবী মাহবুবে আলম একটি প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন,নোবেল শান্তি পুরষ্কার কি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আর সন্তু লারমা-র পাওয়া উচিত ছিল না ? আসলেই তো, বারাক ওবামা,আইজ্যাক রবিন,শিমন পেরেজ,হেনরি কিসিঞ্জার,আনোয়ার সাদাত,ডঃ ইউনূসেরা যদি কিছু না করেই কিংবা দুনিয়ার শান্তি বিঘ্নিত করে কিংবা প্রচুর মুনাফা লুটে নোবেল শান্তি পুরষ্কার পেতে পারেন তাহলে শেখ হাসিনা আর সন্তু লারমা-রা কি এমন দোষ করলেন ? দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে আজকে বিদেশী শাসকগোষ্ঠী এবং তথাকথিত সুশীল সমাজের ভুয়া বুদ্ধিজীবীদের হুমকি –হুঁশিয়ারি –চোখ রাঙানি কে উপেক্ষা করে অনতিবিলম্বে ডঃ ইউনূসের যাবতীয় আয়ব্যয়, স্থাবর অস্থাবর সকল সম্পত্তির হিসাব এবং সীমাহীন দুর্নীতির পূর্ণ তন্দন্ত করা হোক –এমনটাই বর্তমান মহাজোট সরকারের কাছে প্রত্যাশিত।

dr_mushfique@yahoo.com

ডঃ ইউনূসের বিরুদ্ধে আনীত গুরুতর অভিযোগ সমূহ যার মাধ্যমে তার আইনি বিচার করা যায়ঃ

ইউনূসের কনসেপ্ট কোন মহান কিছু না, দারিদ্র বিমোচিত হয়নি এই কনসেপ্ট দিয়ে । আর এখানে নোবেলপ্রাপ্তি/খুদ্রঋণ কনসেপ্টও আসলে ইস্যু না, ইস্যু হলো

 ১) ১০ বছর অতিরিক্ত চাকুরী করে উনি আইনভঙ্গ করেছেন

 ২) সরকারের ব্যাংকে ব্যক্তিগত খেয়ালখুশি মত লোক নিয়োগ ও বরখাস্ত করেছেন

 ৩) বারবার গ্রামীণ সেকেন্ড ইন কমান্ড (দীপাল চন্দ্র বড়ুয়া) এবং অন্যান্যদেরকে বরখাস্ত করেছেন যাতে প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকে

 ৪) সরকারের অনুমোদন না নিয়ে গ্রামীণব্যাংক সংশোধিত নীতিমালা তৈরি করেছেন, যা অবৈধ

 ৫) সরকারের কর ফাঁকি দেওয়ার উদ্দেশ্যে ৭০০ কোটি টাকা স্থানান্তর করেছেন

 ৬) সেকেন্ড ইন কমান্ডকে দায়িত্ব দিয়ে ব্যাংকের কাজ না করে নরওয়েসহ বিভিন্ন দেশে হাওয়া লাগিয়ে বেড়িয়েছেন

 ৭) সুফিয়াসহ বিভিন্ন গরিবমানুষ কে তার অসৎ প্রচারণার কাজে ব্যবহার করেছেন, সুফিয়া এখন মৃত

 ৮) আদালতের রায়ের পরেও অফিস করে আদালত অবমাননা করেছেন

 ৯) দেশের মানুষকে সরকারবিরোধী প্রচারণায় উস্কে দিয়েছেন

১০) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ব্যবহার করে বাংলাদেশকে হুমকী প্রদান করেছেন, যা দেশদ্রোহিতার নামান্তর ।

বাড়তি মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন ।

 

তথ্যসূত্রঃ

Caught in Microdebt (বাংলা ভার্শন)

http://www.youtube.com/watch?v=m-tqXTau8Ng&feature=related 

গ্রামীণব্যাংক ডিএমডি দীপাল চন্দ্র বড়ুয়াকে অবৈধভাবে বরখাস্তকরণ 

http://www.amadershomoy.com/content/2009/12/15/news0010.htm 

গ্রামীণ ব্যাংকে দুর্নীতি-(শেষ অংশ) প্রায় সব ক্ষেত্রেই অনিয়ম 

http://www.dailykalerkantho.com/?view=details&type=gold&data=Games&pub_no=452&cat_id=1&menu_id=13&news_type_id=1&index=1&archiev=yes&arch_date=07-03-2011 

গ্রামীণ ব্যাংক, মহাজনী শোষণের অভিনব হাতিয়ার' মীর ইলিয়াস হোসেন দীলিপ যাকে খুন করা হয়

http://blog.priyo.com/fakhre-alam/2011/03/04/1882.html

হিলারি, আসুন রাবেয়ার কবর দেখাতে নিয়ে যাব 

http://www.bd-pratidin.com/?view=details&type=gold&data=International&pub_no=318&cat_id=1&menu_id=1&news_type_id=1&index=5

Caught In Microdebt 

http://www.youtube.com/watch?v=IH3THwVJ0Q8

http://www.youtube.com/watch?v=XylNNiIq7ZM&feature=related

ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে বৃহৎ বিতর্ক -সাইদ সিদ্দিকী 

http://sonarbangladesh.com/article.php?ID=5123 

নিরক্ষর নারী নিয়োগ ভালো উদ্দেশ্যে নয়: হানিফ 

http://www.bdnews24.com/bangla/details.php?id=153515&cid=2 

ইউনূসের দারিদ্র্য বানিজ্য 

http://www.somewhereinblog.net/blog/chandan031/29334556

ক্ষুদ্র ঋণ বাস্তবায়নজনিত সমস্যা 

http://www.somewhereinblog.net/blog/Naradhamblog/29352966 

http://www.somewhereinblog.net/blog/Naradhamblog/29354068 

গ্রামীণব্যাংকের অশিক্ষিত বোর্ড অব ডিরেক্টরদের ছবি 

http://www.grameen-info.org/index.php?option=com_content&task=view&id=371&Itemid=462

গ্রামীণব্যাংকের অশিক্ষিত বোর্ড অব ডিরেক্টরদের ছবি 

http://edailystar.com/?opt=view&page=1&date=2011-03-04

১৯৯৬ পর্যন্ত পিতাবঞ্চিত মনিকা ইউনূস

http://en.wikipedia.org/wiki/Monica_Yunus

গ্রামীণ ব্যাংকের নিজস্ব ব্যাখ্যাঃ ৪০%

http://www.amardeshonline.com/pages/details/2010/12/05/56550

ড. ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা নন রাহাত খান ৩৫-৪০%

http://blog.priyo.com/rahat-khan/2011/03/19/2033.html?page=3

ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে বৃহৎ বিতর্ক সাইদ সিদ্দিকী ৪০% পর্যন্ত

http://sonarbangladesh.com/article.php?ID=5123

নিরক্ষর নারী নিয়োগ ভালো উদ্দেশ্যে নয়: হানিফ ৩৭-৪০%

http://www.bdnews24.com/bangla/details.php?id=153515&cid=2

গরিবদের পরিত্রাতা মুহাম্মদ ইউনূসের উন্মোচিত স্বরূপ বদরুদ্দীন উমর

http://www.sonarbangladesh.com/article.php?ID=4206

ড. ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংকের কর্মকাণ্ড প্রসঙ্গে-২  বদরুদ্দীন উমর

http://www.sonarbangladesh.com/article.php?ID=4323

ড. ইউনূসের পক্ষে সাফাই গাওয়ার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রথম আলো ও ডেইলিস্টারের কপি আগুনে পুড়িয়ে দেন

http://www.dailykalerkantho.com/?view=details&type=gold&data=Internet&pub_no=476&cat_id=1&menu_id=13&news_type_id=1&news_id=141909&archiev=yes&arch_date=31-03-2011

সরকার গ্রামীণের প্রতিষ্ঠাতা এবং গরিব মানুষ ও সরকার (নগণ্য) এর মালিক, ইউনূস নন

http://www.grameen-info.org/index.php?option=com_content&task=view&id=19&Itemid=114

দ্যা ওয়াল স্ট্রিট্‌ জার্ণাল আর্টিকেল

http://blogs.wsj.com/source/2010/12/06/microfinance-is-grameen-founder-muhammad-yunus-a-bloodsucker-of-the-poor/

ভজন সরকারের আর্টিকেল (মুক্তমনা ডট কমে পাবেন)

http://www.megaupload.com/?d=38NTDHVK

Myths of Microfinance

http://www.megaupload.com/?d=QN6JQWEN

Microenterprize lending at the grameen bank : Effective lending rates on a sample loan portfolio Carl Bolden

http://www.megaupload.com/?d=C8WMF4NI

Deena Yunus Obnoxious life

http://www.megaupload.com/?d=JNJZ6OL

 

 

বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বুদ্ধিজীবী ডঃ হুমায়ুন আজাদের ইন্টারভিউ 

 

 অরনি অনুপ শাদীঃ এনজিও সমূহ বা গ্রামীণ ব্যাংকের কর্মকাণ্ডকে আপনার কাছে কেমন লাগে ? 

হুমায়ূন আজাদঃ বাংলাদেশ এখন এনজিওতে ভরে গেছে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গ গেলে,আমি গত বছর বেড়াতে গিয়েছিলাম, পথে প্রান্তে রাস্তার পাশে পুকুরের ওপর বাড়ির ওপর টিনের ঘরে চমৎকার দালানে গাছের উপরে সমস্ত এনজিওরা দিনরাত কর্মব্যস্ত। আমি অবশ্য কাজ দেখিনি কিন্তু তাদের ঘরবাড়ি সাইনবোর্ড দেখেছি এবং তারা পুরষ্কারের পর পুরষ্কার পাচ্ছে। তারা বাংলাদেশী রাষ্ট্রীয় পুরষ্কার পাচ্ছে, ম্যাগসেসাই পাচ্ছে, পুরষ্কারে ভরে গেছে। কিন্তু এতো এনজিও, এগুলো যদি কোন কাজ করতো,তবে বাংলাদেশে তো এখন সুখ এবং শিক্ষার প্লাবন বয়ে যেত। বছর দশেক আগে সম্ভবত একদল এনজিওর লোক আমার কাছে এসেছিল, তারা শিক্ষা নিয়ে কাজ করে, ......বোধ হয় তখন আড়াইশোর মত এনজিও শিক্ষা নিয়ে কাজ করছিল, তো আমি বলেছিলাম আপনারা কি করেন, বলেছিল আমরা শিক্ষা নিয়ে কাজ করছি। আড়াইশো এনজিও যদি শিক্ষা নিয়ে কাজ করে তাহলে বাংলাদেশে সবাই শিক্ষিত হয়ে যাওয়ার কথা। তারা কতগুলো বই ছেপেছে, সেই বইগুলো আমাকে দেখালো, অত্যন্ত নিম্নমানের বই, এবং আমি অনেক এনজিওর স্কুলেও গেছি, কোন ছাত্র নেই, কোন লেখাপড়া নেই। 

সবচেয়ে প্রধান এনজিও এবং সবচেয়ে যা হাস্যকর সেটি হচ্ছে গ্রামীণব্যাংক। ব্যাংক এমন কিছু মহাগৌরবের হতে পারেনা। যদি আমরা গ্রামীণব্যাংক প্রধানকে দিনরাত পুরষ্কার দিতে থাকি তাহলে অগ্রণী ব্যাংকের প্রধানকে, সোনালী ব্যাংকের প্রধানকে, কৃষি ব্যাংকের প্রধানকেও দিতে পারি।  এটি এমন কি আহামরি যে এটিকে নিয়ে এতো মেতে থাকতে হবে ? আমি লক্ষ্য করেছি যে, এই ব্যাংকটি একব্যক্তিকেন্দ্রিক, তার মহিমা প্রচার করাই হচ্ছে এই ব্যাংকটির কাজ। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে তার পুরষ্কার পাওয়া, তার জীবনীর আত্মপ্রচার করা এবং যত রকম মহিমা তাকে এনে দিতে হবে সে বোধ হয় মহিমালুব্ধ মানুষ হয়ে দাঁড়িয়েছে  এবং আমি ইতোমধ্যে অনেকগুলো গ্রামীণ ব্যাংক কর্মকর্তা কর্মচারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি, তারা আমাকে বলেছে স্যার আমরা তো পাগল হয়ে গেলাম। একজনের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে, কারণ ঐ লোকটি সকালবেলা হোন্ডা করে গিয়ে শুধু হানা দেয় টাকা তোলার জন্য যাদেরকে ঋণ দেওয়া হয়েছে তাদের কাছ থেকে, বলেছে এমনভাবে, যাচ্ছি এবং যাচ্ছি এবং যাচ্ছি যে আমার পাগল হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। আরেকজন ভদ্রমহিলা তার স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে গেছে কারণ তার স্বামী ছুটতে ছুটতে ছুটতে ছুটতে উন্মাদ হয়ে গেছে, ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছে এখন বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে গেছে, এটি উত্তরবঙ্গের ঘটনা। এবং যেভাবে গ্রামীণ টাকা আদায় করে তাতে আমার মনে হয়, এই ব্যাংকের যিনি প্রধান তিনি একজন কাবুলিওয়ালায় পরিণত হয়েছেন, যে ডঃ ইউনূস এখন ইউনূস কাবুলিওয়ালায় পরিণত হয়েছেন । এই পুরষ্কার থামাতে হবে। এতো পুরষ্কার এতো ইংরেজি এবং জার্মান ভাষায় আত্মজীবনী একটা ব্যাংকের প্রধানের কাছে আমরা চাইনা। এবং আসলে যে- কাজগুলো হচ্ছে তা দালালি হচ্ছে। মনে করা যাক, গ্রামীণব্যাংক জনগণের কল্যাণই যদি করতে চায়, ওর মোবাইল ফোনের ব্যবসার কি প্রয়োজন ? মোবাইল ফোনের ব্যবসা করার জন্য আরো অনেক মানুষ রয়েছে। সমাজকল্যাণের জন্য যে সংস্থাটি কাজ করছে তার মোবাইল ফোনের ব্যবসা করা চলেনা। এমনকি আমি অত্যন্ত বেদনাদায়ক একটি বিজ্ঞাপন দেখেছি, বিজ্ঞাপনে বলছে, আপনারা ডেঙ্গুজ্বরের খবরটি গ্রামীণ মোবাইলে জানান । মানুষ অসুস্থ হচ্ছে ডেঙ্গুজ্বরে, তারা বিজ্ঞাপন দিচ্ছে গ্রামীণ মোবাইলে ডেঙ্গুজ্বরের খবরটি জানান, আমি অবশ্য অবিকল বলতে পারলাম না, তবে আমি এরকম দেখেছি। ফলে এটি একটি কাবুলিওয়ালার প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে এবং এর প্রধান কাবুলিওয়ালা শুধু পুরষ্কার পাচ্ছে। ......গ্রামীণব্যাংক মহিলাদের নামে টাকা দেয় এবং মহিলাদের চুল ধরে টেনে তাকা আদায় করে আনে। আমরা কাবুলিওয়ালার কথা জানতাম, আঙুর পেস্তা বাদাম বিক্রি করতো এবং টাকা সুদে ধার দিতো, তাদের মতই ডঃ ইউনূস এখন ইউনূস কাবুলিওয়ালা হয়ে গেছেন।...এতো পুরষ্কার, আমার ঘেন্না ধরে গেছে। এবং আমি তার দু একটি লেখা পড়ে দেখেছি, এগুলো অত্যন্ত তুচ্ছ লেখা। 

ভোরের শিশিরঃ মার্চ ২০০৪ (একুশ আমাদের অঘোষিত স্বাধীনতা দিবস পৃষ্ঠা-১৪৪-১৪৫) 


63Comments

1
Alaamgir
Wed, 14/12/2011 - 1:49pm

"আওয়ামী-বিএনপির প্রতি অন্ধ ভালবাসা ত্যাগ করে জাতীয় ঐক্যমতের প্ল্যাটফর্মে সংগঠিত হোন" - অনেক দিন আগে এই শিরোনামে মুশফিক সাহেবের অডিও পোস্ট শুনেছি bdnews24 বাংলা ব্লগে। শুনে যারপরণাই হতাশ । শেখ হাসিনা' র অন্ধ ভক্ত রীতিমত....... সেই ব্যক্তি আহ্বান জানিয়েছে উপর্যুক্ত শিরোনাম দিয়ে । আবার তার প্রস্তাবিত মডেলটি অভাবিতপূর্ব একেবারে ভাষাহীনভাবে অনুকরণীয়। এই মুশফিক সাহেব বাংলাদেশের প্রদানমন্ত্রী হওয়ার ষোল আনা যোগ্যতা দেখিয়েছেন ।

বাচা গেছে এখানে আর তাকে পাওয়া যাচ্ছে না বলে ।

2
actiform
Thu, 13/10/2011 - 7:22pm

দেখা হয়ে গেল আবার ভুয়া দাক্তার সাহেব!! "Friends of Dr. Younus" ফেইসবুকে আপনাকে আর লিখতে পারছি না, কাজেই বুঝে গিয়েছি - ওই ফেইসবুকের এডমিন আপনি নিজেই! "Friends of Dr. Younus" নামে ফেইসবুক খুলেছেন - Dr. Younus সম্পর্কে কুৎসা প্রচারের অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে। বাংলা টাইপিং/বানান-কে একমাত্র সম্বল করে যখন নাকানি-চুবানী খাচ্ছিলেন আমার মতো মূর্খের কাছে - তখনই আমাকে ব্লক করে দিলেন, লেজ গুঁটিয়ে দৌড় আর কাকে বলে!! ABM Islam/Shahed - আপনি আবসরে যেতে পারেন, আমি উনার ভদ্রতার লেবাসটা খুলে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।

bruleur de graisse

3
actiform
Thu, 13/10/2011 - 7:20pm

ডঃ ইউনূসের বিরুদ্ধে আনীত গুরুতর অভিযোগ সমূহ যার মাধ্যমে তার আইনি বিচার করা যায়ঃ

ইউনূসের কনসেপ্ট কোন মহান কিছু না, দারিদ্র বিমোচিত হয়নি এই কনসেপ্ট দিয়ে । আর এখানে নোবেলপ্রাপ্তি/খুদ্রঋণ কনসেপ্টও আসলে ইস্যু না, ইস্যু হলো

১) ১০ বছর অতিরিক্ত চাকুরী করে উনি আইনভঙ্গ করেছেন

২) সরকারের ব্যাংকে ব্যক্তিগত খেয়ালখুশি মত লোক নিয়োগ ও বরখাস্ত করেছেন

৩) বারবার গ্রামীণ সেকেন্ড ইন কমান্ড (দীপাল চন্দ্র বড়ুয়া) এবং অন্যান্যদেরকে বরখাস্ত করেছেন যাতে প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকে

৪) সরকারের অনুমোদন না নিয়ে গ্রামীণব্যাংক সংশোধিত নীতিমালা তৈরি করেছেন, যা অবৈধ

৫) সরকারের কর ফাঁকি দেওয়ার উদ্দেশ্যে ৭০০ কোটি টাকা স্থানান্তর করেছেন

৬) সেকেন্ড ইন কমান্ডকে দায়িত্ব দিয়ে ব্যাংকের কাজ না করে নরওয়েসহ বিভিন্ন দেশে হাওয়া লাগিয়ে বেড়িয়েছেন

৭) সুফিয়াসহ বিভিন্ন গরিবমানুষ কে তার অসৎ প্রচারণার কাজে ব্যবহার করেছেন, সুফিয়া এখন মৃত

৮) আদালতের রায়ের পরেও অফিস করে আদালত অবমাননা করেছেন

৯) দেশের মানুষকে সরকারবিরোধী প্রচারণায় উস্কে দিয়েছেন

১০) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ব্যবহার করে বাংলাদেশকে হুমকী প্রদান করেছেন, যা দেশদ্রোহিতার নামান্তর ।

বাড়তি মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন ।

bruleur de graisse

4
মুশফিক ইমতিয়াজ ...
Tue, 31/05/2011 - 1:20am

১) বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট লেখা আছে " প্রেসিডেন্ট ডিরেক্টিভ অ্যাওয়ার্ড ২০০৫ "। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে খোঁজ নিচ্ছেন না কেন ? ডকুমেন্টটা স্ক্যান করে দিলেই আপনার সব ফক্কিকার শেষ।

২) এমডি বিডি বলছেঃ It was just a 'Regular SCHOLARSHIP' by Pakistan Higher Education Commission under the directive of Pakistan gov or president.

যদি under the directive of Pakistan gov or president হয়, তাহলে এটা প্রেসিডেন্ট ডিরেক্টিভ অ্যাওয়ার্ড নয় কি ? হাহা।

৩) directive অর্থ স্পেশাল অর্ডার, এই মূর্খ এমডি বিডি কি স্পেশাল আর রেগুলারের পার্থক্য বোঝেনা ? স্পেশাল অর্ডার হলে সেটা রেগুলার হয় কিভাবে ? আর ২০০৫ সালের আগে শুধু পিটিএপি স্কলারশিপ ছিল, এই স্কলারশিপ ছিলো না, পিটিএপি স্কলারশিপ মানি অনেক কম, যেমন ভারতীয় সরকারী স্কলারশিপ মানি বছরে মাত্র ৩৬০০০রুপি !

৪) মূর্খটি লিখেছেঃ Your doctored document says you have been awarded a ‘scholarship’ by HEC not a ‘President Award’ by Pakistan.

লেটারে স্পষ্টভাবে লেখা আছে, এটি প্রেসিডেন্টের স্পেশাল অর্ডারে ( ডাইরেক্টিভ) দেওয়া হচ্ছে। HEC, সরকারের প্রতিষ্ঠান, যাবতীয় সরকারী পুরষ্কার এবং স্কলারশিপ প্রদানের দায়িত্ব তাদের।

৫) মূর্খটি লিখেছেঃ According to HEC it was a need-based scholarship given for 3 to 4 years (Rs 144,000 total) to the needy student already enrolled in the medical college.

এই মূর্খটি যে ডাক্তারই নয়, তার প্রমাণ 3 to 4 years, কারণ এমবিবিএস ৫ বছরের ডিগ্রি, সরকারকে ৫ বছর স্কলারশিপ দিতেই হবে, নাহলে পাকিস্তানে যাওয়ার প্রতি বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা আগ্রহীই বা হবে কেন ? আর আমার লেটারে লেখা আছে ( --- ইন্সটলমেন্ট), এই জায়গাটি মুছে দেওয়া হয়েছে, এখানে নিশ্চয় ১ টা অংক বসানো ছিল, প্রকৃতপক্ষে এই স্কলারশিপ মানি ৭ লক্ষ ৬০ হাজার, ১ম ইন্সটলমেন্টে ১৮৪০০০, ২য় থেকে ৫ম ইন্সটলমেন্টে ১৪৪০০০) অর্থাৎ ৭.৬০ লক্ষ রুপি।

৬) মূর্খটি লিখেছেঃ   This is similar scholarship that Bangladesh education ministry awards to some mostly Nepali students every year.

নেপালি স্টুডেন্টদের কে বাংলাদেশ সরকার স্কলারশিপ দেয়না, তারা সেলফ ফাইন্যান্সে পড়াশোনা করে।

৮) মূর্খটি একটি হাস্যকর সাইটের উদাহরণ দিয়েছেঃ আজমল বেগ ডট কম , হাহা -- (http://www.ajmalbeig.addr.com/pak_awards.htm)

৯) মূর্খটি লিখেছেঃ Every year hundreds of meritorious students from Bangladesh are getting thousands of dollars of scholarships from developed countries like USA, UK, Australia, Sweden and others (শুধু মাত্র American center, Baridhara – গিয়ে খোঁজ নিয়ে দেখবেন।

আন্ডার গ্রাজুয়েট পর্যায়ে USA, UK, Australia ইত্যাদি দেশ সরকারী পর্যায়ে বৃত্তি দেয়না ! এগুলো সবই বেসরকারী এবং শর্তাধীন স্কলারশিপ। শর্তাধীন অর্থাৎ, রেজাল্ট ভাল না করলে স্কলারশিপ বন্ধ হয়ে যায় ! এসব স্কলারশিপ নিয়ে চামেচুমে বিদেশে যায়, এইচএসসিতে ২-৩ জিপিএ পাওয়া বাংলাদেশী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা। প্রাইভেট স্কলারশিপে কোন কৃতিত্ব নেই ! স্কলারশিপ গুলো যে প্রাইভেট, তার প্রমাণ এমডি বিডির নিজের লেখাঃ Scholarships are given by universities themselves (not by gov), অর্থাৎ সরকারের পুরষ্কার নয় এগুলো !

প্রাইভেটে কারা পড়ে ? যারা এইচএসসিতে খারাপ করে এবং বাংলাদেশে সরকারী মেডিক্যাল/ইউনিভারসিটিতে চান্স পায়না।

১০) মূর্খটি দাবী করছেঃ এমনকি উনি বাংলাদেশের পাবলিক মেডিকেল কলেজের ভর্তি পরীক্ষাতেই পাশ করতে পারেননি।

২৫ শে নভেম্বর ২০০৪ এ বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদিত ৫ জন শিক্ষার্থী পাকিস্তান সরকার থেকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়, তার অনেক পরে এদেশের সরকারী ও বেসরকারী মেডিক্যালগুলোতে ভর্তি পরীক্ষা হয়, এটিতে সুযোগ পাওয়ার পর আমি সরকারী ও বেসরকারী কোন পরীক্ষাতেই অংশগ্রহণ না করে পাকিস্তানে চলে যাই।

১১) মূর্খটি বলছেঃ বাংলাদেশের যুগের কোন তরুণ (যে না কি দেশের ইতিহাস, ৫২-৭১, সম্পর্কে ণ্যূনতম জ্ঞান রাখেন)পাকিস্তানের মত দেশে ব্যাচেলর ডিগ্রীর জন্য যেতে পারে তা বিশ্বাসযোগ্য নয়।

ন্যূনতম বানানটাই যে পারেনা, তার মুখে এই বক্তব্য শোভা পায়না, এর আগেও একই ভুল করেছিল সে। আর আমার ৩ টি লেখার বিপরীতে এই চুনোপুঁটি কমেন্টারের ১টিও আর্টিকেল নেই, কয়েকদিন হলো এখানে অ্যাকাউন্ট খুলেছে এই ভণ্ডটি। আমার লেখা বের হতে না হতেই এই ব্লগে জনপ্রিয়তার দিক থেকে শীর্ষস্থানে চলে এসেছে। সুতরাং বোঝাই যায়, লোকটি কত বড় মূর্খ !


১২) মূর্খটি বলছেঃ পাকিস্তানের মত  fanatic islamic দেশে শিক্ষা গ্রহণ করতে যাওয়ার পূর্বে আপনার মত ভণ্ডের ধর্মে আস্থাহীনতা কোথায় ছিল।

আমি তো শিশুকাল থেকেই নাস্তিক, আমি যে পাকিস্তানে যাওয়ার পরে নাস্তিক তার প্রমাণ করুন দেখি, আর পাকিস্তানে একটি মুসলিম গেলে সে আরো গোঁড়া মুসলিম হয়েই ফেরে। আমি আগে থেকেই নাস্তিক ছিলাম দেখে আমার কোন চেঞ্জ হয়নি।

১৩) মূর্খটি লিখেছেঃ  And again even in its own province, Sindh, Chandka mediacl college is in seventh position  (http://www.scribd.com/doc/49703915/Hec-Recognised-Universities-in-Pakist...)

এটি কোন র‍্যাঙ্কিং নয়, এটি একটি তালিকা, তালিকা-কে র‍্যাঙ্কিং বলে চালিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা করছে !

১৪) মূর্খটি দাবী করছেঃ  এমনই অখ্যাত মেডিকেল কলেজ যে It does not even have its own webpage                   

এই কলেজটির নতুন নামকরণ করা হয়েছে SHAHEED MOHTRAMA BENAZIR BHUTTO MEDICAL UNIVERSITY এটি বাংলাদশের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের মত না যাদের নিজস্ব বিশ্ববিদ্যালয়ই নেই এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি দিয়ে কাজ চালাতে হয় কিন্তু আমার কলেজটির নিজস্ব বিশ্ববিদ্যালয় আছে উচ্চতর বিদ্যার জন্যঃ http://www.smbbmu.edu.pk/ 

মূর্খ এখন নতুন অজুহাত দেওয়া শুরু করবে !

১৫) পাকিস্তানে জারদারি সরকার আসার পর তীব্র বিদ্যুৎ সংকট শুরু হয়, পারভেজ মোশাররফের আমলে এমন ছিলোনা, এটি আমার কলেজের শুধু অবস্থা নয়, সেই সময়ে পুরো পাকিস্তানে জুড়ে এমন বিদ্যুৎ সংকট ছিল, তবে কলেজটি এয়ার কন্ডিশোনার দিয়ে মোড়ানো, তাতে লাইব্রেরীতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জেনারেটরের বিদ্যুতে আরামে পড়াশোনা করা যেত ! সমস্যা একটাই হতো, কম্পিউটার ব্যবহার করা বা টেলিভিশন দেখা যেত না বিদ্যুৎ না থাকার কারণে।

১৬) তারপরও আবার সে বিদ্যা যদি হয় পাকিস্তানের কোন গ্রামের অখ্যাত মেডিকেল কলেজ থেকে। 

লারকানা পাকিস্তানের পিপিপি পার্টির হেডকোয়ার্টার, পাকিস্তানের সবচেয়ে জনপ্রিয় (আমাদের জন্য নয়) জুলফিকার আলি ভুট্টোর জন্ম এখানে । পাকিস্তানের গ্রামে মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় থাকবে, এমন উদ্ভট তত্ত্ব দেওয়া এমডি বিডির মত মূর্খের পক্ষেই সম্ভব।

১৭) মূর্খটি লিখেছেঃ  আপনার দেহে পাকিস্তানের রক্ত, রাজাকারদের রক্ত আপনার পৌরনীতির পরীক্ষক মা কে জিজ্ঞাসা করে জেনে নিবেন আপনার সঠিক জন্ম ইতিহাস...আপনি কোন পাকিস্তানির জারজ সন্তান আপনার স্থান বাংলাদেশে নয় পাকিস্তানের নর্দমায়।

যদি আমার দেহে পাকিস্তানির রক্ত রাজাকারদের (এরা কিন্তু বাঙালিই) রক্ত থাকতো, তাহলে আমি নির্ভুল বানানে এবং শুদ্ধ বাক্যগঠনে বাংলা লিখি কিভাবে ? আমি তো এই মূর্খটির মত ২ লাইন লিখতে ১০ বার বানান ভুল করিনা ! আমার মা-ই বা পৌরনীতির প্রধান পরীক্ষক হন কি করে ? আপনার হোদল কুতকুত অশিক্ষিত গৃহিণী মায়ের সন্তান না আমি, আমার মায়ের শিক্ষাগত যোগ্যতা আছে, আপনার গৃহিণী মা আপনার বাপের হাত পা মালিশ করে দেয়, আপনার বাপের অর্থের ওপর নির্ভরশীল, আমার মা অর্থনৈতিকভাবে স্বাধীন একজন নারী ! আপনার মা হয়তো টানবাজারের বা গোয়ালন্দ ঘাটের এক কালের মক্ষীরাণী।

১৮) মূর্খ জারজটি মনে হয়, মানুষের যৌনাঙ্গ চুষতে অভ্যস্ত, তাই এমন কথার অবতারণা করেছেঃ বাংলাদেশে বসে কার মোটা কলা চুষছেন। 

১৯) শুধু উর্দু কেন, আমি সকল ভাষার প্রতিই সমানভাবে শ্রদ্ধাশীল, ভাষা নিয়ে অন্ধের মত বিদ্বেষ দেখানো হীনমন্যতার পরিচায়ক, যারা ভাষা নিয়ে রাজনীতি করে, উর্দু ভাষাকে জোর করে বাঙালিদের ওপর চাপাতে চায়, তাদের প্রতি ঘৃণা দেখাতে পারেন, ভাষা তো কোন মানুষ না, ভাষা তো কারো ক্ষতি করেনা, তার প্রতি বিদ্বেষ উগ্র জাতীয়তাবাদীর লক্ষণ । হিটলার ছিল এমন, শেষমেশ তাকে আত্মহত্যা করে প্রায়শ্চিত্ত করতে হয়েছিল ।

২০) মূর্খটি বারবার চ্যালেঞ্জে হেরে উল্টো আরো চ্যালেঞ্জ দিয়ে নিজেকে একদম খেলো করে তুলছে, এবার বলেছেঃ  ডাক্তার সাহেব আপনাকে একটা সহজ চ্যালেঞ্জ দিই

আরে ব্যাটা, তুই তোর ডাক্তারীর সনদপত্রই আপলোড করতে পারলি না যেখানে আমি তোকে মিথ্যা প্রমাণ করে আমি যে ডাক্তার তা প্রমাণ করে দিলাম, এখনো তুই চ্যালেঞ্জ দিস ? লজ্জা করেনা ? আমি তো আপলোড করলাম, এবার তুই তোর ডাক্তারী সনদপত্র আপলোড করে দেখা, তুই ভুয়া নোস।

২১)  মূর্খটি বলছেঃ অন্তত: আপনার কপালে কখনও USA এর ভিসা জুটবেনা

ব্যাটা, তুই কি আমেরিকান এমব্যাসিতে চাকরী নিয়েছিস নাকি রে ? আমি নাস্তিক, তাই তোর যত সময় লেগেছে ভিসা পেতে, তাও আমার লাগবে না, মুহূর্তেই পেয়ে যাব ইউ এস এম এল ই দিয়ে। তবে তোদের মত অকৃতজ্ঞ কুকুর নই যে, দেশকে ছেড়ে বিদেশে পাকাপাকিভাবে সেটল হবো, তোরা জারজ যে দেশকে ফেলে বিদেশে লম্ফ দিয়েছিস। আমি দেশের জন্য কিছু করতে চাই, তাই এদেশেই থাকবো, তোদের মত নাকি রে ? বাস্টার্ড কোথাকার !

২২) মূর্খটি লিখেছেঃ  আপনার পশ্চাৎদেশে পাকি বীজেরযে দুর্গন্ধ সেটা কখনও যাবেনা।

হাহা, আমার পশ্চাৎদেশে নাক রেখে তার গন্ধও শুঁকে ফেলেছিস দেখছি ! বলতো, আর কার কার পশ্চাৎদেশের নাক ঠেকিয়ে গন্ধ শুকেছিস, বিএনপির উচ্ছিষ্টখেকো শুয়োর !

২ বার জুতা মারা খেলি, এরপর কিন্তু তোর পশ্চাৎদেশেও মেরে দেওয়া হবে ! তাই ভেবে চিনতে নেক্সট মন্তব্যটা করিস !

অতঃপর এমডি বিডি আবারো ভূপাতিত এবং ডক্টর মুশফিকের ক্লিন ভিক্টরি !

5
md_bd
Tue, 31/05/2011 - 12:54am

মুশফিক চৌ, এমবিবিএস.... this is your correct name with your degree. Correct your name and APOLOGIZE to পাঠক সমাজ আপনি একটি 'ব্যাচেলর' ডিগ্রী  অর্জন করেছেন মাত্র তাতেই আপনার যা উলঙ্গ লাপঝাপ  সবাইকে মূর্খ বলে  গালি দিয়ে  দিয়ে মুখে ফেনা তুলে ফেলছেন   এই ব্যাচেলর ডিগ্রী পর্যন্তই আপনার দৌড় এমডি ডিগ্রী আপনার জন্য নয় সেটা  অর্জনের  যোজ্ঞতা  আপনার নেই   আবার বয়সের দোহাই দিচ্ছেন যার - হয়না তার ৯০- হয়না প্রতারনার আশ্রয় নিয়ে নামের   শুরুতে 'ডঃ' লিখে  যাচ্ছেন অখ্যাত কোন মেডিক্যাল থেকে পাস করেছেন Not even from any public medical college in Bangladesh.  That is why you did not even learn any decency and did not learn how to behave in a public forum.

Like I said 'মোল্লার দৌড় মসজিদ পর্যন্ত'....with his "সাইনবোর্ড" knowledge he could not even go beyond the WEST of pakistan. That is the reason he has very limited knowledge about outer WORLD.  There is nothing new about Nobel prize controversies. That is not a new discovery (as he thinks). People with advance education (not like you with a bachelor degree only) and with good knowledge with world affairs already know about that. Since, Mushfique did not have enough knowledge about world affairs and not well-educated, he thought it was a huge discovery for him and started jumping in the sky. There are controversies with each and every Nobel prize. Search in google or read Wikipedia about controversies of Physics, Chemistry, economics, literature and medicine nobel prizes. But, still these prizes are the most prestigious in the world.

"....আমি এমনকি এটাও বলিনি যে আমি শিক্ষাজীবনে প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড ২০০৫ প্রাপ্ত (কেননা আমি প্রচারসর্বস্ব নই, প্রকাশ করলাম শুধুমাত্র লাগাতার ব্যক্তিগত আক্রমণের জন্য,..." what a cheap way to tell people that he got a president award?! Although in muktomona blog and this blog, he mentioned it several times before. What a liar!! Again he wrote...." কোন দেশের সরকার কর্তৃক অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত তা আমি গোপন করেছি..." Plain lie again. In his previous postings in both blogs he reminded readers that he got president award from Pakistan. He is as clever as 'Ostrich'.  There is no record that Pakistan had presented any award to anybody name Mushfique Imtiaz Chowdhury. Again he is just lying (as simple as it is) because he knows that nobody would be able to find that out.   উনি নাস্তিক এবং very patriotic. But did not feel shame (নূনতম) to accept an award (not true though) from a country like Pakistan. What a hypocrisy and ভন্ডামি!! Pee on your ভন্ড দেশপ্রেম.....pee on your award...and pee on you....like we did in 1990 on an autocrat’s picture (বিশ্ববেহায়া by Kamrul Hassan) and on রাজাকার pictures.

Mushfique is extremely SOCIALLY INCOMPETENT. He is suffering from 'pervasive developmental disorde'....needs immediate medical attention. His বাবা and পৌরনীতির পরীক্ষক মা did not teach him any manners. He was a socially isolated kid, grew up without any human interaction (পৌরনীতির পরীক্ষক মা did not let him go outside of his closet). People develop this kind of disorder from their early age usually from a dysfunctional family. That is the reason he does not know how to respect others, does not have the capability of accepting the fact that some people have better knowledge and education than he has, does not know how to talk in a public forum and has a huge lack of maturity. He finds pleasure by verbal attacks; by using abusive words and thinking he is always superior to others. The problem he has is best described by 'Narcissistic Personality Disorder' (Mushfique, google it, see if you can learn something new). He is a total freak with sick mentality. He is only superior in this sense. If anybody knows him and is around him, please, take him to a good therapist. Because, this kind of mentally sick people are not capable of realizing that they are sick. He is a total liability of Bangladesh and of awami league.

6
মুশফিক ইমতিয়াজ ...
Tue, 31/05/2011 - 1:24am

"সেটা  অর্জনের  যোজ্ঞতা  আপনার নেই"

যোগ্যতা বানান দেখেই এই অশিক্ষিত চাষাটির সীমাহীন অযোগ্যতা সম্পর্কে ধারণা লাভ করা যায়।

লাপ (লাফ), প্রতারনা (প্রতারণা) নূনতম (ন্যূনতম) <<< লোকটির বানান সম্পর্কে জ্ঞান এত দুর্বল কেন ? বিদেশি বাপের পয়দা নাকি ?

আমি যে এদেশের মেডিক্যাল কলেজ থেকে পাস করিনি, তা আগেই বলেছি । আমি পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড ২০০৫ এ সেদেশের অন্যতম শীর্ষ একটি সরকারী মেডিক্যাল কলেজে পড়াশোনা করেছি যেটি জি এম সি, ইংল্যান্ড অ্যাপ্রুভড একটি মেডিক্যাল কলেজ। আমি বয়সে একেবারেই তরুণ, সময় হোক, শুধু এমডি কেন, অন্য ১০টি ডিগ্রী আমার নামের পাশে শোভা পাবে।

বাংলাদেশের পাবলিক মেডিক্যাল কলেজগুলোতে ছাত্ররাজনীতির কারণে বছরের অনেক দিন কলেজই বন্ধ থাকে, খুলনা মেডিক্যাল কলেজে কদিন আগে মারামারি হলো, রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের ২ শিক্ষার্থী কয়েকদিন আগে খুন করল তাদের বন্ধুকে,চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজে দুদিন পরপর মারামারি হাতাহাতি হয়। এই সংবাদগুলো সকলেরই জানা । বাংলাদেশের মেডিক্যাল কলেজগুলোতে কি শেখানো হয়, তা এখান থেকেই স্পষ্ট অনুমেয়।

একটি উদাহরণঃ http://www.mzamin.com/index.php?option=com_content&view=article&id=7978:...

মোল্লার দৌড় মসজিদ পর্যন্ত - এই বাক্যটি সর্বপ্রথম আমি ব্যবহার করি এই থ্রেডে, তাই মিথ্যাচার বন্ধ করো ভণ্ড এমডি বিডি।

বাংলায় তো ঠিকমত লিখতে পারোনা, বাংলা ইংলিশ মিশিয়ে জগাখিচুড়ি বানাতে তোমার চেয়ে আর বেশি কে জানবে ?

সে নিজের মনমত বিভিন্ন কথা ব্র্যাকেটে লিখে আরোপ করছে এবং সেগুলোকে আমার নামে চালানোর চেষ্টা করছে। আমি জীবনে ৩ বার সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ২ বার এককভাবে এবং ১ বার যৌথভাবে চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। আর আমি কখনোই দাবী করিনি, নোবেল প্রাইজের ভিত্তিহীনতা আমার মৌলিক আবিষ্কার বা কৃতিত্ব । তবে, আমার লেখায় যতগুলো বিতর্কিত ব্যক্তিত্বের নাম এসেছে, একসঙ্গে এত নাম কোন বিদেশী রচনাতে আসেনি । গুগল সার্চ দিয়ে যে লোকটি জেনেছে, নোবেল পুরষ্কারের ভিত্তিহীনতার কথা, তার প্রমাণ তার ভাষা ব্যবহারেই স্পষ্ট হয়, " Search in google or read Wikipedia about controversies of Physics, Chemistry, economics, literature and medicine nobel prizes." অর্থাৎ সে নিজেই সার্চ দিয়েছে এবং পড়েছে।

লোকটি নিশ্চিতের সঙ্গে দাবী করেছে আমি নাকি প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড সম্পর্কে মিথ্যে বলেছি !

md_bd:   There is no record that Pakistan had presented any award to anybody name Mushfique Imtiaz Chowdhury. Again he is just lying (as simple as it is) because he knows that nobody would be able to find that out.

মিথ্যেবাদী যে কে তার প্রমাণ এখনি পাওয়া যাবে নিচের স্ক্যানড ডকুমেন্ট থেকেঃ


চিত্রঃ আমার প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তির প্রমাণ সংবলিত একটি স্ক্যানড ডকুমেন্ট ( তারিখ/কলেজের নাম/অন্যান্য সেনসিটিভ তথ্য মুছে দেওয়া হয়েছে ব্যক্তিগত নিরাপত্তার স্বার্থে, তবে হাইয়ার এডুকেশন কমিশনের লোগো এবং অন্যান্য তথ্য থেকে সহজেই অনুধাবন করা সম্ভব, এমডি বিডি চরম মিথ্যেবাদী।

১৯৭১ সালে পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর চরম নৃশংসতার প্রতি তীব্র ঘৃণাপ্রকাশ করি কিন্তু তাদের অপরাধের দায়ভার আমি পাকিস্তান/পাকিস্তানের নতুন প্রজন্ম/উর্দু ভাষার প্রতি চাপাতে পারিনা, যারা পিতার অপরাধের দায়ভার পুত্রের ওপর চাপাতে চায়, তারা চরমভাবে অন্ধ প্রতিক্রিয়াশীল এবং বিবেকবিবেচনাহীন অর্বাচীন লোকজন। প্রকৃত দেশপ্রেমের অর্থ অন্ধ তথা উগ্র জাতীয়তাবাদ নয়, উগ্র জাতীয়তাবাদের খেসারত দিতে যেয়ে আত্মহত্যা করতে হয়েছিল অস্ট্রিয়ান-জার্মান হিটলারকে ।

এমডি বিডি চরম ক্ষ্যাপা খেপেছে, তার অগ্নিস্ফুলিঙ্গময় ঘেউঘেউ-র মাধ্যমেই তার প্রকাশ পাওয়া যাচ্ছে, এইগুলোর মাধ্যমে সে প্রমাণ করে দিয়েছে, তার ইমিডিয়েট মানসিক চিকিৎসার প্রয়োজন, লোকটি মাল্টিপল সমস্যায় ভুগছে, একটি হলোঃ

Intermittent explosive disorder

আরেকটি হলোঃ

Schizophrenia

এই লোকটির অতিসত্বর কোন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে ধর্না দেওয়া উচিত, আমরা এদের চিকিৎসা করি ফ্লুক্সেটিন/কারবামাজেপিন/গাবাপেন্টিন/লিথিয়াম/প্রপানলল/ক্লোজাপিন/রিস্পেরিডন ইত্যাদির মাধ্যমে তবে স্কিতজোফ্রেনিয়ার কোন প্রকৃত চিকিৎসা নেই।

অতঃপর প্রমাণিত হলো কে সত্যবাদী এবং কে মিথ্যেবাদী, বাড়তি মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন ।

পুনশ্চঃ আমি প্রমাণ করলাম আমি সত্যিকারেই প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত চিকিৎসক, কিন্তু এই এমডি বিডি কি প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড বা সমমানের অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত কেউ ছিল ? প্রকৃতপক্ষে এই এমডি বিডি কোন প্রাইভেট মেডিক্যালের সাধারণ শিক্ষার্থী ছিল, ছাত্রজীবনে কোন কৃতিত্বের সাক্ষর সে রাখেনি, সে বুদ্ধিবৃত্তির চর্চার সাথেও জড়িত নয়, সে না করে লেখালেখি, আইডিটি বানিয়েছে কয়েকদিন হলো, সে না গাইতে পারে গান, না লিখতে পারে কোন আর্টিকেল, না পায় সাধারণ জ্ঞান পুরষ্কার, সে তাহলে কি অকাল কুষ্মাণ্ড নয় ? আমি শুধু একজন লেখক নই বরং একজন গায়কও, পাকিস্তানে রেডিওতে গান গেয়েছি, বাংলাদেশে দীর্ঘসময় অনুপস্থিত ছিলাম, একটু ফ্রি হয়ে বাংলাদেশেও গাইবো। আমার গানের গলা কেমন তার প্রমাণ পেতে প্যালটক ম্যাসেঞ্জারের স্মৃতিটুকু থাক সুরেসুরে বা ইয়াহু ম্যাসেঞ্জারের পাকিস্তান রুম:৩ বা বাংলাদেশ রুমঃ১ এ যে কেউ খোঁজ নিতে পারেন। এছাড়াও

http://www.bonduderghor.com/chatbd/

http://www.shantiniketon.com/flashchat/

এর সদস্যদের কাছে জিজ্ঞাসা করলেই তারা বলে দেবে !

আমি শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতি ইতিহাস দর্শন ভুগোল রাজনীতি সবদিকেই অনেক নাড়াচাড়া করেছি, কালের প্রবাহে সবই একে একে প্রমাণিত হবে। এমডি বিডির মত চুনোপুঁটিদের ক্ষুদ্রমস্তিষ্ক কখনোই বুঝতে পারেনা যে একই ব্যক্তির বহুমাত্রিক জ্যোতির্ময়তা এবং নান্দনিক বুদ্ধিপ্রকর্ষ থাকতে পারে, এজন্যই তারা বারেবারে তাদের নির্বুদ্ধিতা দ্বারা আমাকে আক্রান্ত করতে চায়।

7
md_bd
Tue, 31/05/2011 - 12:45am

মুশফিক সাহেব আর কত প্রতারণার আশ্রয় নিবেন!!! In your document where is it written that it was a 'President Award' or 'President Award 2005'?? আপনার ভাষ্য মতে  “---আমি শিক্ষাজীবনে প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড ২০০৫ প্রাপ্ত---- মুশফিক categorically and very specifically said that it was a "President Award 2005". নির্লজ্জ মিথ্যুক কোথাকার From his uploaded doctored-document it is clear that It was just a 'Regular SCHOLARSHIP' by Pakistan Higher Education Commission under the directive of Pakistan gov or president.  Your doctored document says you have been awarded a ‘scholarship’ by HEC not a ‘President Award’ by Pakistan. According to HEC it was a need-based scholarship given for 3 to 4 years (Rs 144,000 total) to the needy student already enrolled in the medical college.  The check was given to the college not to মুশফিক directly (because it was not an award, মুশফিক erased the date written in that document.  This is similar scholarship that Bangladesh education ministry awards to some mostly Nepali students every year. As I said before there was no record that Pakistan conferred Any President Award to any Bangladeshi student. President awards (Pakistan does not call the president since each category has different name) are usually given for special and outstanding services to Pakistan (http://www.ajmalbeig.addr.com/pak_awards.htm). What especial services you have given to Pakistan??!!  মুশফিক সাহেব  আপনি একজন নির্লজ্জ মিথ্যুক, ভণ্ড এবং প্রতারক পাবলিক ফোরামে মিথ্যা কথা বলে নিজেকে আর কতটা বেহায়া বানাবেন। মাত্র 144,000 Rs স্কলারশিপ এর যে হামবড়া ভাব দেখাচ্ছেন (তাও পাকিস্তানের মত দেশ থেকে) তাতেই পাঠক সমাজ বুঝতে পারছে merit-based আপনার দৌড় কতটুকু ছিল আপনার ঝোলাতে এরকম আরও কতগুলো ‘fake documents’ আছে দয়া করে upload করবেন কি?

Every year hundreds of meritorious students from Bangladesh are getting thousands of dollars of scholarships from developed countries like USA, UK, Australia, Sweden and others (শুধু মাত্র American center, Baridhara – গিয়ে খোঁজ নিয়ে দেখবেন। আপনি আবার সেখানে নিষিদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনা আছ...সে প্রসঙ্গে পরে আস) Their systems are different. Scholarships are given by universities themselves (not by gov).  মুশফিক does not even know that. সেসব স্কলারশিপ পেতে যোগ্যতা লাগে। মুশফিক সাহেবের সে যোগ্যতা ছিলনা।এমনকি উনি বাংলাদেশের পাবলিক মেডিকেল কলেজের ভর্তি পরীক্ষাতেই পাশ করতে পারেননি। আর পারেননি বলেই পাকিস্তানের মত  fanatic islamic, failed country তে গিয়েছেন একটি ব্যাচেলর ডিগ্রীর জন্য। বাংলাদেশের যুগের কোন তরুণ (যে না কি দেশের ইতিহাস, ৫২-৭১, সম্পর্কে ণ্যূনতম জ্ঞান রাখেন)পাকিস্তানের মত দেশে ব্যাচেলর ডিগ্রীর জন্য যেতে পারে তা বিশ্বাসযোগ্য নয়। মুশফিকের মত চরম  স্বার্থান্বেষী লোকের পক্ষেই এটা সম্ভব তাও আবার নিজেকে জাহির করছেন নাস্তিক বলে।পাকিস্তানের মত  fanatic islamic দেশে শিক্ষা গ্রহণ করতে যাওয়ার পূর্বে আপনার মত ভণ্ডের ধর্মে আস্থাহীনতা কোথায় ছিল।

মুশফিক সাহেবের চরম মিথ্যাচারের আরও নমুনা দেখুন। উনি লিখেছেন-“---সেদেশের অন্যতম শীর্ষ একটি সরকারী মেডিক্যাল কলেজে পড়াশোনা করেছি যেটি জি এম সি, ইংল্যান্ড অ্যাপ্রুভড একটি মেডিক্যাল কলেজ” ---- মুশফিক সাহেব আপনি এমবিবিএস ডিগ্রী নিয়েছেন পাকিস্তানের অখ্যাত Chandka Medical College, Larkana, Sindh, Pakistan থেকে। Chandka medical college is not even in Pakistan’s top 10 medical institute  among 16 public colleges.  Even in HEC Pakistan ranking among best univ and colleges does not have this medical college in its list (it is just an HEC recognized medical college). It failed severely to meet the requirements of ranking.  And again even in its own province, Sindh, Chandka mediacl college is in seventh position  (http://www.scribd.com/doc/49703915/Hec-Recognised-Universities-in-Pakist...). মুশফিক সাহেব অন্যতম শীর্ষ’- এর মানে বুঝেন তো? এরকম সীমাহীন ভণ্ডামি এবং মিথ্যাচারীতা একমাত্র আপনার মত বিকারগ্রস্ত লোকের পক্ষেই সম্ভব। আপনি একজনPathological Liar’. মিথ্যা বলতে বলতে নিজেই সেটা বিশ্বাস করতে শুরু করেছেন। এমনই অখ্যাত মেডিকেল কলেজ যে It does not even have its own webpage (আছে শুধু কতগুলো হাস্যকর ইউটিউব ভিডিও). Here is Mushfique’s own assessment in his own words about his অন্যতম শীর্ষ medical college ----“ i wouldnt be living a ——-hostel life (Chandka Medical College, Larkana, Sindh, Pakistan) where 8-10 hours there is no electricity, no civil or social right, no justice-----” (http://draijazsoomro.wordpress.com/2009/05/04/conspiracy-against-islam/). বুঝেন তাহলে এই ভণ্ড বিকারগ্রস্ত মুশফিক সাহেবর অন্যতম শীর্ষ’ medical college এর নমুনা। এই উনিই আবার বাংলাদেশের মেডিকেল কলেজ নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেন। ভণ্ড আর কাকে বলে! 

অল্পবিদ্যা ভয়ংকরী বলে একটা কথা আছে মুশফিক সাহেব  তারপরও আবার সে বিদ্যা যদি হয় পাকিস্তানের কোন গ্রামের অখ্যাত মেডিকেল কলেজ থেকে। ফোরামে আপনার উলঙ্গ নৃত্য এসমস্ত হীনমন্যতা থেকেই। আপনার দেহে পাকিস্তানের রক্ত, রাজাকারদের রক্ত আপনার পৌরনীতির পরীক্ষক মা কে জিজ্ঞাসা করে জেনে নিবেন আপনার সঠিক জন্ম ইতিহাস...আপনি কোন পাকিস্তানির জারজ সন্তান আপনার স্থান বাংলাদেশে নয় পাকিস্তানের নর্দমায়।

এই ভণ্ড প্রতারক আবারও লিখেছে---“---১৯৭১ সালে পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর চরম নৃশংসতার প্রতি তীব্র ঘৃণা প্রকাশ করি কিন্তু তাদের অপরাধের দায়ভার আমি পাকিস্তান /পাকিস্তানের নতুন প্রজন্ম /উর্দু ভাষার প্রতি চাপাতে পারিনা, যারা পিতার অপরাধের দায়ভার পুত্রের ওপর চাপাতে চায়, তারা চরমভাবে অন্ধ প্রতিক্রিয়াশীল এবং বিবেক বিবেচনাহীন অর্বাচীন লোকজন। প্রকৃত দেশপ্রেমের অর্থ অন্ধ তথা উগ্র জাতীয়তাবাদ নয়---বিকারগ্রস্ত মুশফিকের প্রলাপ দেখুন। বিকৃত মানসিক রোগী মুশফিক সাহেব,  কে পিতা?? আর কে পুত্র?? কাকে রক্ষার পায়তারা করছেন?? Pakistan is bloody Pakistan. পাকিস্তান এখনও দুঃখ প্রকাশ করেনি (officially) লক্ষ লক্ষ নিরপরাধ নিরস্র বাংলাদেশীদের হত্যা করার জন্য, লক্ষ লক্ষ মা বোনের ইজ্জত লুণ্ঠনের জন্য। আপনার মত বেহায়া নির্লজ্জ পাকিস্তানিই পারে একমাত্র পাকিস্তানিদের ক্ষমা করতে। আবারও—“তাদের অপরাধের দায়ভার------/উর্দু ভাষার প্রতি চাপাতে পারিনা--- আপনার জন্মের কয়েক দশক পূর্বের ঘটে যাওয়া ঘটনা   ভাষা আন্দোলনসম্বন্ধে কিছু জানেন তো?? উর্দু ভাষার প্রতি এত দুর্বলতা কেন??? Now people do not habe any doubt  that  you are a পাকি জারজ বাংলাদেশে বসে কার মোটা কলা চুষছেন। পাকিস্তানে গিয়ে পাকিস্তান রেডিওতে উর্দু তে (বাংলাতে নয়) গান করাটাই আপনাকে বেশী মানায়। বাংলায় গান করে ভাষা আন্দোলনে শহীদদের আত্মার অপমান করবেননা। সেই আপনার মত চুনোপুঁটিই আবার জাফর ইকবাল এর মত লোকজনদের দেশপ্রেম নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তাঁদেরকেও গালি দিতে এতটুকু কুণ্ঠাবোধ হয়না। হামবড়া ডাক্তার সাহেব আপনাকে একটা সহজ চ্যালেঞ্জ দিই, যে বুকের পাটা নিয়ে একে একে সবাইকে রাজাকার আর মূর্খ বলে গালিগালাজ করে মুখে ফেনা তুলছেন সেই বুকের পাটা নিয়ে একবার (শুধুমাত্র একবার) ঢাবি তে অথবা বুয়েট , রমনা পার্কে, অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় অথবা কলেজের যে কোন পাবলিক place- দাড়িয়ে বলবেন আমি পাকিস্তানের এমবিবিএস পাশ ডাক্তার, আমি পাকিস্তান রেডিওতে গান করেছি, পাকিস্তানের গণহত্যার অপরাধের দায়ভার আমি পাকিস্তান /পাকিস্তানের নতুন প্রজন্ম /উর্দু ভাষার প্রতি চাপাতে পারিনা’—আপনার বহুমাত্রিক জ্যোতির্ময়তাসমৃদ্ধ দালালি জীবনের যবনিকাপাত ঘটবে আপনি কিছু বুঝে উঠার আগেই, গণধোলাই এর স্পেলিং/ইংরেজি অন্য কেউকে শিখানোর সময় পাবেন না।  

পাকিস্তানের অখ্যাত কোন কলেজ থেকে ডিগ্রী নিতে গিয়ে আপনার পশ্চাৎদেশে পাকি বীজেরযে দুর্গন্ধ লেগেছে তা এত সহজে যাবার নয়। আপনার মত ধান্দাবাজ লোক ভাল করেই জানেন পাকিস্তান-তালেবান যুগে আপনার মত তরুণ সেদেশে কয়েক বছর ডিগ্রী করার পরিণতিটা কি। অন্তত: আপনার কপালে কখনও USA এর ভিসা জুটবেনা)  আর সে কারনেই আপনার মত ধুরন্ধর তথাকথিত ডাক্তার নাস্তিক হওয়ার বেশ ধরেছেন, দেশে এসে আওয়ামিলীগ এবং হাসিনার অন্ধ দালালি এবং পা চাটতে শুরু করেছেন, কথায় কথায় সবাইকে রাজাকার বলে গালি দিয়ে যাচ্ছেন। আপনার মত স্বঘোষিত সবজান্তা ডাক্তার মনুষ্যত্ব বিকিয়ে দিয়ে পিছনের পথ ধরেছেন সংক্ষিপ্ত পথে কিছু উপার্জনের আশায় আপনার মত এমন অন্ধ আওয়ামি-দালাল এর আবির্ভাব বাংলাদেশে এই নতুন নয়। আবারও বলছি মুশফিক সাহেব, আপনার পশ্চাৎদেশে পাকি বীজেরযে দুর্গন্ধ সেটা কখনও যাবেনা। বাংলাদেশের নিরীহ লোকজন আপনার মত পাচাটা ধুরন্ধর ডাক্তারকে একদিন ঠিকই খুঁজে বের করবে। পালানোর পথ খুঁজে পাবেন না সেদিন। অবৈধ উপায়ে সুবিধা নেওয়ার জন্য এবং দুপয়সা বাড়তি উপার্জনের জন্য যে এতটা নির্লজ্জ বেহায়া হওয়া যায়, আত্মমর্যাদা, স্বকীয়তা মনুষ্যত্বের বিসর্জ দেওয়া যায় তা আপনার মত বিকারগ্রস্ত ডাক্তার pathological liar-কে না দেখলে বুঝার উপায় নেই।

8
ডঃ মুশফিক ইমতিয়াজ
Sun, 24/04/2011 - 4:24am

sms0111 and ABM Islam + shahed.nazneen + autal67@yahoo.com (see profile) All are same person.

এবার দেখা যাক উনি কতটুকু সত্য আর কতটকু মিথ্যে

১) sms0111 থেকে উনি দাবী করেছেন, ( Muktomona admn : প্রাসঙ্গিক বিষয় বাদ দিয়ে ব্যক্তি আক্রমণাত্মক বক্তব্যসমূহ বেশি আসার কারণে এই থ্রেডে মন্তব্য করার সুযোগ বন্ধ করা হলো)

বাক্যটি মনে হয় ইনি ঠিকমত পড়েননি, কারণ ডঃ ইউনূসের বিরুদ্ধে কথা বলায় একশ্রেণী খেপে যান এবং তারা তাদের চিরাচরিত গালাগালি ও ব্যক্তিগত আক্রমণ করা শুরু করেন, যা ব্লগীয় শিষ্টাচার পরিপন্থী ।

এই কারণেই ব্লগে একজন মন্তব্য করেছেনঃ মন্তব্যগুলো পড়ে ব্যাপক বিরক্ত হলাম। একজন মন্তব্যকারীও লেখাটির বস্তুনিষ্ট সমালোচনা করলেন না। ( দ্রষ্টব্যঃ আসিফ মহিউদ্দিন, মুক্তমনা)

আর মুক্তমনার সদস্যই নই আমি, আমি সেখানে অতিথি লেখক। দেখুন আর্টিকেলের একদম ওপরেঃ

ড. মুহাম্মদ ইউনূস : একজন রক্তচোষা কুষীদজীবীর দারিদ্র বিমোচনের অলীক স্বপ্ন

লিখেছেন: অতিথি লেখক

তাই, অ্যাডমিন আমাকে নয়, বরং বলেছেন মুক্তমনার সেই সদস্যদের যারা গালাগালি ও ব্যক্তিগত আক্রমণ করছিল ।

২)

ফরিদ আহমেদ (admn: muktomona)

এপ্রিল , ২০১১ at :৫৩ অপরাহ্ণ | Link

লেখকের জন্যঃ

১। আপনার লেখার হাত খুবই ভাল। মুক্তমনায় নিয়মিত লিখলে খুশি হবো

২। যুক্তির ক্ষেত্রে আপনি আগ্রাসী। এই মনোভাবটা খুবই পছন্দের আমার। তবে, ব্যক্তি আক্রমণাত্মক মনোভাবটা পরিহার করতে হবে আপনাকে। মুক্তমনায় নতুন বলে হয়তো ধাতস্থ হতে কিছুটা সময় নেবে আপনার।

৩। মুক্তমনায় আমরা অন্য ব্লগে প্রকাশিত লেখাকে প্রকাশ করি না। ধ্রুব যখন বিষয়টি নজরে এনেছে, তখন আপনার এই লেখায় অনেকেই মন্তব্য করে ফেলেছে, সংশ্লিষ্ট হয়ে গিয়েছে বিষয়বস্তুর সাথে। বিষয়বস্তুর গুরুত্ব অনুধাবন করে এবং আলোচনা চালিয়ে যাবার সুবিধার্থে হয়তো এটিকে প্রথম পাতা থেকে সরানো হয় নি। তবে, ভবিষ্যতে এই অগ্রাধিকার মনে হয় আর পাবেন না।

৪। কুসীদ বানানটা ভুল। এরকম অপ্রচলিত একটা শব্দ শিরোনামে ব্যবহারের কোনো যুক্তি খুঁজে পেলাম না আমি

৫। মুক্তমনায় স্বাগতম

 

sms0111 দেখিয়েছেন মুক্তমনা অ্যাডমিনের কথা যেখানে তিনি আমার লেখার প্রশংসা করেছেন এই বলে যে, আমার লেখার হাত খুবই ভালো এবং যুক্তির ব্যাপারে আমি চরম আগ্রাসী। তিনি আমাকে মুক্তমনায় স্বাগতম জানিয়েছেন এবং বলেছেন মুক্তমনায় নিয়মিতভাবে লিখলে খুশী হবেন। কুষীদ বানানকে উনি ভুল মনে করেছেন কিন্তু আমার বানান ভুল ছিলনা, যার প্রমাণ আমি রিপ্লাইয়ে দিয়েছি (রেফারেন্সঃ

১) অভ্র ৫.১.০.০

২) বাংলা লিনাক্স

http://www.bengalinux.org/projects/dictionary/Files/x995.dct)

 

৩) বিপ্লব রহমান ও রনদীপম বসুর আবেদন অ্যাডমিন শোনেনি, কেননা তাদের আবেদনে কোন যুক্তি ছিলনা, উল্টো অ্যাডমিন আমার লেখার প্রশংসা করেছেন যার প্রমাণ উনি নিজেই কপি পেস্ট করে দিয়েছেন।

sms0111 কি পাগল নাকি বোকা ? জাতির বিবেকের কাছে আজ এই প্রশ্ন ! :)

9
Novteez Sehgal
Sun, 24/04/2011 - 1:11pm

দেখা হয়ে গেল আবার ভুয়া দাক্তার সাহেব!! "Friends of Dr. Younus"  ফেইসবুকে আপনাকে আর লিখতে পারছি না, কাজেই বুঝে গিয়েছি - ওই ফেইসবুকের এডমিন আপনি নিজেই! "Friends of Dr. Younus" নামে ফেইসবুক খুলেছেন - Dr. Younus সম্পর্কে কুৎসা প্রচারের  অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে। বাংলা টাইপিং/বানান-কে একমাত্র সম্বল করে যখন নাকানি-চুবানী খাচ্ছিলেন আমার মতো মূর্খের কাছে - তখনই আমাকে ব্লক করে দিলেন, লেজ গুঁটিয়ে দৌড় আর কাকে বলে!! ABM Islam/Shahed - আপনি আবসরে যেতে পারেন, আমি উনার ভদ্রতার লেবাসটা খুলে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।


কোথায় যেন শেষ হয়েছিল আমাদের ডাক্তার? মনে করুন - এইটা ছিল আপনার শেষ কমেন্টঃ "আগেই জানতাম, এই নভতিজ লোকটা একটা মোল্লা।এখন আল্লাহর জিকির ধরেছে ...দেশি...কুকুরের মত ঘেউঘেউ করে কোন লাভ নেই। বললাম যে, আত্মসম্মান থাকলে আর মেসেজ না দিতে, পাগলা কুকুর কি কথা শোনে ? এখনো ঘেউঘেউ তাই করেই চলেছে। এসব কুকুরকে শান্ত করার জন্য উচিত পায়ের রূপসা চপ্পলটা দিয়ে মাথায় ২ দফা চাটি মারা, তাতে যদি জিভ বের করে একটু শান্ত হয় !নির্লজ্জ বেহায়ার মত মেইল দিয়েই যাচ্ছে, .. ... বেটাতো আউতাল না, বেটা একটা পয়তাল।এত লেখক থাকতে আমাকে মোল্লা লুতফর রহমান দেখাচ্ছে ! সাধে কি বলে, মোল্লার দৌড় মসজিদ পর্যন্ত । এগুলো বিএনপি আর জামাতের পয়দা । এতক্ষণ ভাল ব্যবহার করেছিলাম, ভেবেছিলাম আর বিরক্ত করবেনা। কিন্তু চোরা কি শোনে ধর্মের কাহিনী ? নভতিজ আর আউতাল এই দুই ছিচকে চোরকে এত অপমান করলাম, এর পরেও এই নির্লজ্জ বেহায়াগুলো শুয়োরের মত ঘোঁতঘোঁত করতেই থাকবে। হায়রে বলদ!"


জি, আমাদের শুরু হয়েছিল - আপনার ভাষা নিয়ে! আপনি মানুষের প্রতি নোংরা ভাষা প্রয়োগ করেন। সেটা আবার প্রমান করেছেন। এখন আপনি দয়া করে এই সন্মানিত পাঠকদের কি বলবেন - এই ভাষা কি আপনি মেডিকেল কলেজ থেকে শিখেছেন না-কি পরিবার/পিতা-মাতা থেকে? আপনি গৃহিণী মা-দের অবজ্ঞা করেছেন, উনাদের "চর্বি উৎপাদনকারী" বলেছেন, আর এই বলে বড়াই করেছেন - আপনার মা শিক্ষক!! একজন শিক্ষক-মায়ের সন্তানের এই অবস্থা? আমি ধারনা করছি - আপনি বস্তির বুয়া'র কাছে বড় হয়েছেন, তাই বস্তির লোকের ভাষা আপনার মুখে!! আর সেজন্যই ডাক্তারি শিক্ষা আপনি টাকা উপার্জনের জন্য করেছেন, মানুষ হওয়ার জন্য নয়! আমাদের মত দরিদ্র মূর্খ লোকের টাকায় তৈরী স্কুল-মেডিকেল কলেজ আপনাকে বানান শিখিয়েছে (শুদ্ধ বাংলা লিখতে পারেন), ভাল ডাক্তার বানিয়েছে (প্রেসিডেন্ট পদক জয় করেছেন) - কিন্তু শিক্ষা আপনার অন্তর আলো করতে পারেনি, আপনি একটা কুৎসিত মনের শিক্ষিত মানুষ,  আফসোস আপনার জন্য .. . সবকিছু বাদ দিয়ে আপনি কয়টা বছর আপনার পিতা-মাতার সাথে নিবিড় ভাবে বসবাস করুন, আপনার মা একজন শিক্ষক - তিনি নিশ্চয় পারবেন আপনাকে মানুষ বানাতে, অন্য মানুষদের সন্মান করা শিখাতে।

10
ডঃ মুশফিক ইমতিয়াজ
Sun, 24/04/2011 - 2:13pm

দেখুন ইউনূস সমর্থক অতল ওরফে এবিএম ইসলাম ওরফে শাহেদ-নাজনীন (মনে হয় ওনার বউ বা প্রেমিকা) ও নভতিজ সেহগাল (নামের বাহার !) যুক্তিতে না পেরে আমাকে বিভিন্ন পোস্টে বিরক্ত করেই যাচ্ছে। আমার মেইলে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেছে, ফেসবুকে স্পাইগিরি করেছে, এখন এখানে এসেও বিরক্ত করছে।

এই লোকজন একে অপরের চেনা, তারা প্ল্যান করেই এসেছে আমাকে বিরক্ত ও বিদ্রূপ করার জন্য । নভতিজ সেহগাল ও অতল আমাকে ফেসবুকে একসঙ্গে আক্রমণ করছিল, তখনি বুঝতে পারি এরা  পূর্ব পরিকল্পনা করে এসেছে, এখন নভতিজ সেহগালের আগমনের সাথে সাথে এটা প্রমাণিত হলো যে, আমার কথা কতটা সত্য !

আর ফ্রেন্ডস অব ইউনূস গ্রুপটি আমার খোলা নয়, ওখানে আমি জয়েন করি আমার লেখা-র লিংকটা পেস্ট করার জন্য যাতে মানুষের বোধদয় হয়। আর এবিএম ইসলাম/অতল/শাহেদ দাবী করছেন, আমি নাকি ঐ গ্রুপের ক্রিয়েটর । যদি তাই সত্য হয়, ত গ্রুপ অ্যাডমিন হিসেবে আমার নাম কোথায় ঐ গ্রুপে ? আমি এরকম অনেক গ্রুপেই আমার লেখার লিংক পোস্ট করেছি, ইউনূস নাম দিয়ে যত গ্রুপ এসেছে সার্চে, সব জায়গায় আমার লেখা পাঠিয়েছি, আমি লেখক, ব্লগে তাই আমার অধিকাংশ সময় অবস্থান, ফেসবুক ব্যবহার করি যাতে আমার লেখা মানুষের কাছে পৌঁছয় ।

নভতিজই প্রমাণ করে দিয়েছেন যে উনি আমার বারবার অনুরোধের পরও আমাকে গালাগালি ও বিরক্ত করে যাচ্ছিলেন যার প্রেক্ষিতে আমি বলেছি  "বললাম যে, আত্মসম্মান থাকলে আর মেসেজ না দিতে, পাগলা কুকুর কি কথা শোনে ? এখনো ঘেউঘেউ তাই করেই চলেছে।"

আমাকে মেইলে এত অত্যাচার করা হয়েছে যে আমি বাধ্য হয়ে বলেছিঃ নির্লজ্জ বেহায়ার মত মেইল দিয়েই যাচ্ছে, ..

আমি প্রথমে ভাল ব্যবহার করেছিলাম, মেইলের উত্তর দিয়েছিলাম, অন্য কেউ হলে দিতই না, সেখানে সে বার বার মেইলে গালাগালি ও বিরক্ত করে যাচ্ছিল

তাই শেষমেশ আমি বলতে বাধ্য হয়েছি যেঃ এতক্ষণ ভাল ব্যবহার করেছিলাম, ভেবেছিলাম আর বিরক্ত করবেনা। কিন্তু চোরা কি শোনে ধর্মের কাহিনী ?

সুতরাং, বোঝাই যাচ্ছে দোষ কাদের !

আমার মা শিক্ষিকা বলেই আমি ডাক্তার হয়েছি কেননা উনি আমাকে পড়াশোনা শিখিয়েছেন এবং শিক্ষিকা হওয়ার কারণে অন্য ১০ মায়ের চেয়ে আমার পড়াশোনার প্রতি অনেক বেশি খেয়াল রেখেছেন। আমি প্রেসিডেন্ট পদক কি আমার চেহারার জন্য পেয়েছি ? নাকি শিক্ষাগত জীবনে কৃতিত্বের জন্য পেয়েছি ?

গৃহিণীরা আজকাল যেসব কার্যকলাপ করেন, তাতে সমর্থন জানানো যায়না, আমার মাকে দেখেছি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এবং সাংসারিক জীবনে-উভয় দিকেই উনি অনেক শ্রম দিয়েছেন, কষ্ট করেছেন, গৃহিণীরা শুধু সাংসারিক কাজ করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তো চাকুরী করেন না, আবার কাজের লোক ঘরে রাখেন,তাদের অত্যাচার নির্যাতন করেন, খাটে শুয়ে রিমোট টিপে চ্যানেল ঘোরান, আমার মা এসব করেননি, কাজের লোকও ছিলনা, তাকে সবদিক দেখতে হয়েছে, উনি গৃহিণীদের মত আলসেমী ও বিলাসব্যসনে সময় নষ্ট করেননি, বসুন্ধরা সিটিতে ছোটেননি, এখানেই কর্মজীবী নারীর কৃতিত্ব আর গৃহিণী নারীদের নিদারুণ পরাজয়।

পাঠকপাঠিকা সমাজ দেখছে, আমি এই লোকদেরকে আর কোন প্রত্যুত্তর দেবনা, তাদের লজ্জা ও আত্মসম্মান থাকলে তারা আমাকেও আর ব্যক্তি আক্রমণ ও বিরক্ত করবে না। দেখা যাক, তারা আসলে কেমন !


একই রকম আরো কিছু ব্লগ