সংকীর্ণ হচ্ছে দেশ, সংকীর্ণ হচ্ছে মানসিকতা

এক সপ্তাহের জন্য বাংলাদেশে গিয়েছিলাম। বিদেশী বিমানে চড়ে নিজ দেশের মাটিতে নামতে এখন আর আগের মতো খারাপ লাগে না। একটা সময় ছিল, যখন ”বিমান - বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে” চড়ার জন্য মনটা আনচান করতো। নিউ ইয়র্ক থেকে বিমানে চড়ে যারা বাংলাদেশে যাতায়ত করতে পারতেন তাদের জন্য হিংসা হতো। দীর্ঘ দিন বিদেশী উড়োজাহাজে চড়ে ঢাকায় নামতে নামতে এখন অভ্যাসে পরিনত হয়েছে। নিজ দেশের উড়োজাহাজে চড়ে দেশের মাটিতে নামবো, সেই সৌভাগ্য নিয়ে আমার জন্ম হয়নি।

ঢাকার অদূরের ওয়াটার কিংডম: আমাদের দেশের অনেক মানুষেরই ক্রয় ক্ষমতা অনেক বেড়েছে

সিঙ্গাপুর থেকে যে সকল বাংলাদেশী সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সে করে আমার সাথে ঢাকায় নামলেন, তাদের বেশির ভাগই ছিলেন কেতা দূরস্ত; এবং বিজনেস ক্লাসটিও ছিল পরিপূর্ণ। এটা থেকে অনুমান করতে পারি, বাংলাদেশ থেকে অসংখ্য মানুষ প্রতি দিন বিদেশে যাতায়ত করছেন। এবং বিদেশী উড়োজাহাজ প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশে যাত্রী পরিবহন করার জন্য লোকসান দিচ্ছে না। কিন্তু এই কাজটি যখনই আমরা করতে যাবো, তখন আমাদের ভরাডুবি হবে। বিদেশী বিমান কম্পানীগুলো আমাদের সবার চোখের সামনে দিয়ে আমাদের পকেট থেকে প্রতিদিন টাকা বের করে নিয়ে যাচ্ছে, তাতে আমাদের কোনও পদক্ষেপ নেই। আমাদের যাবতীয় আগ্রহ যেন বিমান বন্দরের নাম পাল্টানো পর্যন্ত এসেই আটকে থাকে।



আমরা নিজেরা যদি একটি উড়োজাহাজ কম্পানী চালাতে সক্ষম না হই, তাহলে সাময়ীক সময়ের জন্য বিদেশী ব্যবস্থাপনা এনে হলেও দেশী উড়োজাহাজ প্রতিষ্ঠানটি তো সমৃদ্ধি করতে পারতাম। তারপর একটা সময়ে আমরাই শিখে ফেলতাম, নিজেদের লোকজন নিয়ে লুটপাট না করে, আসলেই কিভাবে চালাতে হয়। আমরা তো ক্রিকেটে জেতার জন্য হরহামেশাই বিদেশী কোচ আনছি। এবং আমাদের খেলা নিয়ে গর্ব করছি। একই সূত্র এখানে খাটালে সমস্যাটি কোথায়?



২.

ঢাকা বিমান বন্দর আগের থেকে অনেক উন্নত হয়েছে। আয়তন বেড়েছে, অনেক বেশি নিয়ম শৃংখলা মানা হচ্ছে, অনেক বেশি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হয়েছে, জৌলস বেড়েছে। প্রতি বছর দেশে যাওয়া হয় বলে পরিবর্তনগুলো বেশ চোখে পড়ে। এবং এক ধরনের ভালোলাগার শিহরণ মেরুদন্ডের গাছ বেয়ে তর তর করে উঠানামা করে। বুকের ভেতর তরল পদার্থের প্রবাহ বাড়ে। জোরে জোরে নিশ্বাস নিয়ে সেটাকে ঠিক করতে হয়।

আবার পাশাপাশি কিছু কিছু বিষয় যেন বিশাল একটি দুধের পাত্রের ভেতর কয়েক ফোটা চনার মতো লাগে। যেমন, বিমান থেকে নামার পরপরই দেখা যাবে কিছু মানুষ বিমান বন্দরের নিরাপত্তা বলয়ের ভতেরই  (গেট থেকে নামার পরেই) কিছু কর্মকর্তা বিভিন্ন যাত্রীর নাম ধরে ডাকতে থাকেন। কেউ কেউ প্লেকার্ড নিয়ে দাড়িয়ে থাকেন। এই সব যাত্রীদের বিশেষ সুবিধা দেয়া হয়। আমার ধারনা এরা হয়তো ক্ষমতাবান মানুষদের আত্মীয়, নয়তো চোরা-কারবারী দলের লোক। সকল যাত্রীরা এই লম্বা যাত্রার পর লাইনে দাড়িয়ে সকল কাজ শেষ করলেও, এরা ইমিগ্রেশনের লাইনে দাড়ায় না, কাস্টমসের লাইনে দাড়ায় না। তাদের পাসপোর্ট আর মালপত্র নিয়ে বিমান বন্দরের কর্মকর্তারা ব্যস্ত হয়ে পড়েন। ভাবখানা অনেকটা এমন যেন, পুরো বিমানবন্দরটি তৈরীই করা হয়েছে ওই গুটি কয়েক যাত্রীর জন্য। কী অদ্ভুত! পৃথিবীর এতো দেশ ঘুরেছি, কোথাও এমন চিড়িয়াখানা দেখিনি। এবার ভেবেছিলাম, এর প্রভাব কিছুটা কমবে। না, কমেনি। খুবই অসুস্থ্য এবং সংকীর্ণ মানসিকতার পরিচয় এটি। যারা এই কাজটি করেন, তারা সমাজের উচু স্তরের লোকজন। তাদের কেউ যদি এই লেখাটি পড়েন, তাহলে দয়া করে এরপর থেকে অন্য সাধারন যাত্রীদের মতোই লাইন ধরে বিমান বন্দরের কাজগুলো সারবেন। সবার সামনে নিজেকে চিড়িয়াখানার জীব বানানোর তো কোনও প্রয়োজন নেই, তাই না?

  বিমানবন্দরের ভেতর অনেকগুলো জায়গায় টেলিভিশন রয়েছে। আমি অবাক হয়ে দেখি, প্রতিটি টিভিতেই ভারতীয় অনুষ্ঠান চালানো হচ্ছে। এ কী অদ্ভুত মানসিকতা! এটা কি ভারতের বিমানবন্দর, নাকি বাংলাদেশের? দেশে এখন কতগুলো টিভি চ্যানেল। তাদের অনুষ্ঠানগুলোই তো ওখানে চলার কথা। কিন্তু নীচু মানসিকতার কিছু মানুষ সেখানে ওগুলো চালায় না। তারাই চ্যানেলগুলো নিয়ন্ত্রন করে। আশা করছি, যাদের হাতে রিমোট কন্ট্রোলটি থাকে, তারা অতি সত্ত¦র এই দরীদ্র মানসিকতা থেকে বেরিয়ে এসে আমাদেরকে মুক্তি দেবেন।



৩.

ঢাকা শহরে বিত্তবান মানুষের সংখ্যা বেড়েছে; অনেক বেড়েছে। ঢাকা শহরের যে জিনিসটি আমার খুব ভালো লাগে তাহলো অসংখ্য গাড়ি, এবং হরেক রকমের গাড়ি। একটা সময় ছিল, যখন খুব অল্প লোক গাড়িতে চড়ার আনন্দ পেত। এখন সেটা ছড়িয়ে গিয়েছে অসংখ্য মানুষে। এটা ভাবতেই আমার ভালো লাগে। পাশাপাশি, সৌন্দর্য্য জ্ঞান অনেক বেশি লোকের মাঝে ছড়িয়ে পড়েছে; মেয়েদের জন্য অনেক বেশি পার্লার তৈরী হয়েছে, অনেক বেশি বাহারী কাপড়ের দোকান হয়েছে এবং অনেক বেশি সংখ্যক মানুষ পরিবার নিয়ে রেষ্টুরেন্টে খেতে যেতে পারছেন। সর্বপরি মানুষের ক্রম ক্ষমতা বেড়েছে - এটা ভাবতেই ভালো লাগে। এই বিত্তবানদের সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে হয়তো গরীর লোকের সংখ্যাও অনেক বেড়েছে, অনেক মধ্যবিত্ত পরিবার নিন্ম-মধ্যবিত্ততে পরিনত হয়েছেন। তবে আমার এই লেখার বিষয় সেটা নয়। আমার দেশের বাচ্চাগুলো তাদের মা-বাবার সাথে একবেলা বাইরে খেতে যেতে পারছে, গাড়ি চড়ে ঘুরে বেড়াতে পারছে, ফ্যান্টাসী কিংডমে পানিতে নেমে গানের সাথে নাচানাচি করতে পারছে, স্কুল বাস তাদেরকে নামিয়ে দিয়ে যাচ্ছে - এগুলো দেখতেই আমার ভালো লাগে। দেশ যখন আরো উন্নত হবে, আরো বেশি সংখ্যক মানুষের কাছে এই সুবিধাগুলো পৌছে যাবে। কিন্তু মানুষের এই ক্রয় ক্ষমতা বাড়লেও, মানুষের সার্বিক সৌন্দর্য্য জ্ঞান কমেছে। ঢাকা শহর আগের চেয়ে আরো বেশি নোংরা হয়েছে। আমরা নিজেদের চেহারা পাল্টাতে শিখেছি, কিন্তু একটি শহরকে কিভাবে পাল্টাতে হয় এখনো শিখিনি।

পাশাপাশি মানুষের ভেতরের রুচি নিন্মগামী হয়েছে। তার সবচে বড় প্রমাণ হলো, মানুষ তার বিত্তকে বেশি বেশি করে দেখানোর চেষ্টা করছে। মানুষের যখন নতুন বিত্ত হয়, তখন সেটা প্রদর্শনের একটা তাগিদ থাকে। সেটা তার কথায় বার বার আসবে, নয়তো তার ব্যবহারে ফুটে উঠবে। এবং সেই প্রদর্শনটা খুবই স্থুল। সেই স্থুল বিষয়টি চোখে লেগেছে।



৪.

ঢাকা শহরের ট্রাফিক জ্যামের জন্য দিনে একটি জায়গার বেশি যাওয়া যায় না। তাই পায়ে হেটে যেটুকু যাওয়া যায়, তার ভেতরই নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখতে চেয়েছিলাম। তারপরেও পায়ে হাটার গন্ডির বাইরেও কিছু জায়গায় যেতেই হল। এবং প্রতিটি মুহুর্ত আমার কাছে যে জিনিসটি মনে হয়েছে, তাহলো দেশটি তুলনামূলকভাবে সাংঘাতিকরকম সংকীর্ণ হয়ে আসছে।

ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়কে একজন ডাব বিক্রেতা: সমাজের নিন্মস্তরের মানুষের জীবনযাত্রার মান হয়তো ততটা পরিবর্তন হয়নি

ট্রাফিক জ্যাম এড়াতে শুক্রবারে ঢাকা থেকে মাইক্রোবাসে করে ময়মনসিংহ গিয়েছিলাম। এই সড়কটিকে কি এখন আর হাইওয়ে বলা যাবে? সমস্ত দোকান-পাট রাস্তার উপর উঠে এসেছে, রাস্তার দু’ধারে ইচ্ছে মতো শিল্প কারখানা করা হয়েছে, গাজিপুর-ভাওয়াল শালবনটি কেটে উজার করে ফেলা হয়েছে। রাস্তার উপর শত শত সাইন বোর্ড, যেগুলো বলে দিচ্ছে বনের ভেতরে কিভাবে অত্যাচার করে গাছ কেটে বানিজ্য ফাঁদা হয়েছে। তারপর ভালুকা, ত্রিশাল হয়ে ময়মনসিংহ পর্যন্ত - সর্বত্র চরম হিংস্র হায়নার থাবার ছাপ। এমনকি ময়মনসিংহ শহরের রাস্তাগুলোও আরো সংকীর্ণ হয়েছে। সবার ঘরের সামনেই ময়লা জমে আছে - সেগুলো পরিস্কার করার জন্য কারো যেন কোনও তাগিদ নেই।

সমস্ত উন্নতির ছোয়া যেন ঢাকা শহরের এপার্টম্যান্টগুলোতে এসে ঠেকেছে।

 



৫.

দেশে জনসংখ্যার আধিক্য বেড়েই চলেছে। এবং তার সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলেছে ভূমি অধিগ্রহন। সারা পৃথিবীতে আর্থিক সংকট চললেও তার ছিটেফুটা বাংলাদেশের মাটিতে নেই। বাংলাদেশের মাটির মূল্য হু হু করে বেড়ে চলেছে। ঢাকায় যেমন বাড়ছে মাটির দাম, ঢাকার বাইরেও তাই। এবং পুরো দেশের মানুষই যেন হুমড়ি খেয়ে পড়েছে জমির পেছনে। যে যেদিক দিয়ে পারছে, জমি কিনছে; এবং জমি নিয়ে কথা বলছে। নাস্তার টেবিলে জমি, দুপুরে কারো সাথে দেখা হলে জমি কিংবা এপার্টমেন্ট, বন্ধুদের আড্ডায় জমি, মিডিয়ার লোকদের মুখে জমি, বুদ্ধিজীবিদের মুখেও জমির আলাপ। পুরো জাতি যেন মেতে আছে জমিদারীতে। অনেকেই হয়তো ভাবছেন, আমি নিজেই এই জমির আলাপ তুলেছি। কিন্তু আসলে তা নয়। জমি কিংবা এপার্টমেন্ট - এইসবে আমার কখনই আগ্রহ ছিল না, এবং এগুলো নিয়ে সাধারনের সাথে আলাপ করতে আমি মোটেও অভ্যস্ত নই। তাই এই আলাপগুলো আমি তুলিনি। সমাজের বিভিন্নস্তরের প্রতিটি মানুষ যাদের সাথে আমার দেখা হয়েছে, এবং কোনও না কোনও ভাবে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে কিংবা সরাসরি আমাকে বলেছে, তারা কতটা জমি কিংবা এপার্টমেন্টের মালিক; এবং আশেপাশের জমির মূল্য এখন কী হারে বেড়েছে। কেউ কেউ আফসোস করে বলেছেন, ইস ওই জমিটা কেন তিনি কিনে রাখলেন না; কারণ ওটার দাম এক বছরেই তিনগুণ বেড়ে গিয়েছে।

জমির মূল্য আরো বাড়ুক, মানুষ আরো বিত্তশালী হোক - আমরা সেটাই চাই। এগুলো দেশের উন্নয়নের মাপকাঠি। দিনের শেষে মানুষ সুখে আছে, সেটাই আমাদের কাম্য। আর সেজন্যই আমাদের নিত্য দিনের যত প্রচেষ্টা। কিন্তু ওখানে যে বিষয়টি হচ্ছে, তাহলো পুরোটাই পরিকল্পনাহীন। ফলে রাস্তাগুলো সংকীর্ণ হচ্ছে, পানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকীর্ণ হচ্ছে, খোলা জায়গা মাঠ পার্ক সংকীর্ণ হচ্ছে, স্কুলের মাঠ হারিয়ে যাচ্ছে, কৃষির জমি কমে যাচ্ছে, বন কেটে উজার হচ্ছে, নদী খাল মরে যাচ্ছে, এবং সবশেষে অক্সিজেনও কমে যাচ্ছে। আমরা সবাই “মমি” ছবির সেই পঙ্গপালের মতো পঞ্চান্ন হাজার বর্গমাইলটাকে যেন খেয়ে ফেলছি। এবং পুরো দেশটাকে একটা বড় বস্তিতে পরিনত করছি। আমি আসলেই এখন পুরনো ঢাকা আর নতুন ঢাকার ভেতর কোনও পার্থক্য খুজে পাই না। এবং পর্যায়ক্রমে এটাকেই যেন কমপিউটারের ম্যাপের উপর “কপি-পেষ্ট” করে দিচ্ছি।

এর কারণ হলো, আমরা আমাদের পেট মোটা করতে গিয়ে যেভাবে মাটি খেয়ে দেশটাকে সংকীর্ণ করছি, ঠিক একই হারে আমাদের মানসিকতাও সংকীর্ণতর হয়েছে। আমরা কথায় কথায় আজকাল সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, চায়না, থাইল্যান্ড চলে যাই - আমাদের সেই ক্ষমতা হয়েছে। কিন্তু সেই সকল দেশে জমিকে কিভাবে সুন্দর পরিকল্পনা করে ব্যবহার করা হয়েছে, সেটা শেখার ক্ষমতা হয়নি। আজকে সবাই বলছে, ঢাকা শহর অবাসযোগ্য হয়ে উঠেছে। কিন্তু এটা তো আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্ঠাতেই হয়েছে, তাই নয় কি?

রক্তে অক্সিজেনের কমতি হলে সুস্থ্য মানুষও এক সময় অসুস্থ্য হয়ে পড়ে। তারপর আরো সংকট হলে, তার মৃত্যু হয়। অক্সিজেন সিলিন্ডার লাগিয়েও তখন কাজ হয় না। আমরা প্রতিদিন অক্সিজেনহীণ হয়ে পড়ছি না তো? আমি চাই, আমার ধারণাটি ভুল হোক। ওই মাটির প্রতিটি মানুষ সুস্থ্য থাকুক।



১৮ ডিসেম্বর ২০১০

সিলিকন ভ্যালী, যুক্তরাষ্ট্র

13Comments

1
karter85
Fri, 23/01/2015 - 7:13pm

Les gens aussi. Affaires étrangères veulent voir Vestes De Mode , j'aime la nourriture japonaise très populaire. Bars huîtres crues ont (thon, et comment, oeufs de saumon Belstaff Blouson Hommes Doudoune , crabe, comme les gratins, cuire une variété de sushis, car il est extra.

Incidemment, 4u Run4u de ce qui semble avoir pris de Voice4u Belstaff . L'Maintenant, je suis heureux, j'ai une cage sans plus en mesure d'exécuter à partir de l'échec du pied pour moi. Déformer un corps très petit, il semble pour l'exécuter en se concentrant sur un point du pied de choc Belstaff Blazer Hommes Doudoune , comme le veau est probable que la douleur me.Une des meilleures techniques né Waddle, Chris / Chris Waddle-Bretagne Canada Goose . Pour former un moyen d'engager Arudiresu et Glenn Hodoru Tottenham a remporté la FA Cup et le jeune. Il est l'un des rares joueurs de succès à des clubs étrangers en Angleterre en tant que joueur Doudoune , le jeu a été imprégné de l'odeur du continent participé tasse à deux reprises en 1990 et en 1986 est devenu l'épice de la meilleure équipe en Angleterre, a également gagné beaucoup de bouchon Barbour Femme Liddesdale Veston , vous avez aussi gagné la Coupe d'Europe à Marseille.

Et sa femme (Portrait de 17 ans), l'acteur Peter Sarsgaard actrice Maggie Gyllenhaal (29 Novembre 2011) second fils et la grossesse (Crazy Heart) entre Maggie Gyllenhaal et Peter Sarsgaard, j'ai découvert que le deuxième enfant sera né bientôt Barbour Femme Arctic Down Parka . Selon le magazine américain nous, actuellement, Gyllenhaal est enceinte de quatre mois Barbour Femme Quilted Veston . Sarsgaard et Gyllenhaal remonte à 2002, et marié en Italie en '09.

Parce que je pense que la personne que vous visitez Moncler Foulard Et Chapeau la ville en vacances il ya beaucoup, si l'information Mitsui Outlet Parc Iruma vous fait l'autre jour. Bien que Belstaff Blouson Femmes Doudoune , (rires) Tout d'abord, parce que c'était un jour de semaine que Canada Goose Bébé Snowsuit l'image de la nourriture, bus pick-up pas. J'ai pris un bus spécial de la gare à Iruma Barbour Femme Polarquilt Veston .Vous pouvez acheter si vous ne passez pas pachinko Belstaff Femmes Doudoune . Kojiro reste ... bien sûr. Matin, je bois du thé fraîcheur dernier au revoir aujourd'hui.

Et c'est la CM de jeans droits minces Levi appelle les hommes et les femmes tout droit d'ignorer tous les obstacles et continuer à marcher tout droit au sérieux Moncler Femme . (Aller avec une empreinte bien sûr) surface de la route ou d'un comptoir ou au mur, en béton n'est pas étanche Belstaff Hommes Doudoune , l'obstacle est également une variété de couple de personnes âgées marchant lentement et plus Moncler Enfant . Hommes et femmes, de sorte que «ces passages donnent l'impression que non seulement les obstacles et déplacer le long de douceur vont à l'endroit de tout autre droit Parajumpers , mais soit il ya un obstacle entre lui supposons que représente l'amour.

2
shopiajon12013
Tue, 24/07/2012 - 1:41am

চেনা জানা প্রচুর মানুষের দেখা পাই যারা, বিদেশের চাকচিক্যময় জীবন ছেড়ে , দেশে ফিরে এসেছে। আসলে প্রতিটা মানুষের মাঝেই নিজ দেশে, নিজ মাটিতে , নিজের আপজনের মাঝে বাস করার একটা তীব্র আকাঙখা রয়েছে। প্রবাস ভাল চাকরি, স্বাছন্দ, নিরাপত্তা দিয়েও সে আকাঙখা দমাতে পারে না। Trinidad Cigars পরিবেশ পরিস্থিতির কারনে প্রবাসে থাকতে বাধ্য হলেও মাঝেই মাঝেই দেশে ফেরার আকাঙখা তীব্র হয়ে ওঠে। কতদিন তা দমিয়ে রাখা যাবে কে জানে!

3
জহুরুল.হক
জহুরুল.হক's picture
Tue, 26/06/2012 - 3:43am

কথা হচ্ছে জাকারিয়া সাহেব, বিমানের ফ্লাইট থাকতে আপনি অন্য ঊড়োজাহাজে চড়বেন কেন? হোক না বিমানের বিলম্ব, হোক না বিমান দুর্নীতিগ্রস্থ - দেশপ্রেম থাকলে ঐ বিমানেই চড়া যায়।
আর বিমানবন্দরের নামকরণের কথা বলছেন? তাহলে বলতেই হয়, বি এন পি সরকার যদি চট্টগ্রামের এম এ হান্নান বিমানবন্দরের নাম বদলিয়ে শাহ্‌ আমানত করতে পারে তাহলে আওয়ামীলীগ কেন জিয়া বদলিয়ে শাহ্‌ জালাল করবে না ? সবাই এক ক্ষুরে মাথা মুড়ানো নয় কি? বঙ্গবন্ধু সেতুর নাম যদি বি এন পি মুছে দিতে পারে তাহলে জিয়া সার কারখানার নাম মুছে দেবে না কেন আওয়ামীলীগ?
আর বিমানবন্দরে আপনার নাম লেখা বোর্ড নিয়ে মানুষ অবশ্যই দাঁড়িয়ে থাকবে যদি আপনি আগে থেকেই তাদেরকে বুকিং দিয়ে রাখেন। তারা মানে হতে পারে আপনার বুক করা হোটেল বা আপনাকে আমন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান যারা আপনার সুবিধার্থে আপনাকে খুঁজে বের করে সঠিক জায়গায় পৌঁছে দেবে। এই ব্যবস্থাটা পৃথিবীর সব দেশেই আছে, আর তা বাংলাদেশে থাকলে তাতে দোষটা কোথায়?

২৫শে জুন ২০১২

4
alinka
Tue, 19/06/2012 - 3:13am

বা সম্পর্খের সুত্র ধরে সাধারন বিমানের যাত্রী হয়েও অসাধারন বা বিশেষ সেবা গ্রহনের মানষিকতা এখানে বিরল। আমাদের দেশে Carlmontpharmacy Online যারা এটা করে থাকেন তারা তো বিদেশ ভ্রমন কালে বিদেশের কোন বন্দরে এ ধরনের সেবা পান না। এ সকল দেখেও কেন তারা এ অনৈতিক সুবিধা নিতে লজ্জা বোধ করেন না, তা বোধগম্য নয়।

5
nilkanto
Sat, 06/08/2011 - 7:29pm

আপনার লেখাটা চমতকার হলেও আমাদের দন্ডমুন্ডের কর্তা ব্যক্তিদের তো আপনার লেখা পড়ার সময় নেই যে তারা বিষয়গুলো চিন্তা করে দেখবেন। দুর্ভাগা দেশের জনগণ যত দিন দাড়িয়ে প্রতিবাদ করতে না শিখবে তত দিন দেশটা এরাই লুটেপুটে খাবে। আপনার কাছ থেকে আরো লেখা চাই। দেশের মানুষের চিন্তার জগতে পরিবর্তন আসুক তথাকথিত দিন বদলের হাওয়ার বিপরীতে। ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন।

6
zahirul
zahirul's picture
Thu, 27/01/2011 - 8:09am

 

 

 

জাকারিয়া স্বপন ভাই,

কিছুটা অপ্রাসঙ্গিক হলেও আমার এ অভিমত। আপনার কাছে কিংবা প্রিয় ডট কমের এডিটরের কাছে লিখার অন্য কোন সুযোগ আমার নজরে আসেনি বলেই এখানে আপনাকে অভিনন্দন জানানোর প্রয়াস। অশেষ ধন্যবাদ আমাকে আপনাদের ব্লগে লেখার সুযোগ দানের জন্য। আমি প্রাণ ফিরে পেয়েছি লিখতে পেরে। বলতে পারেন আমি আধমরা হয়ে গিয়েছিলাম গত এক দশকে কেবল লিখতে পারিনি বলে। এখন লিখতে পারছি, কী আনন্দ! আমার কিছু বন্ধু-বান্ধব, পাঠক ছিল বাংলাদেশে, আমি তাদের জন্যই লিখি।

আপনার লেখার এই অংশটি খুবই ভাল লেগেছে-

পাশাপাশি মানুষের ভেতরের রুচি নিন্মগামী হয়েছে। তার সবচে বড় প্রমাণ হলো, মানুষ তার বিত্তকে বেশি বেশি করে দেখানোর চেষ্টা করছে। মানুষের যখন নতুন বিত্ত হয়, তখন সেটা প্রদর্শনের একটা তাগিদ থাকে। সেটা তার কথায় বার বার আসবে, নয়তো তার ব্যবহারে ফুটে উঠবে। এবং সেই প্রদর্শনটা খুবই স্থুল। সেই স্থুল বিষয়টি চোখে লেগেছে।

আপনি একজন আইটি হিতৈষী তা আমি জানি বছর দশেক, কিন্তু কোনদিন পরিচয় হয়নি। সম্মুখ পরিচয়ে নিশ্চয় আনন্দিত হবো। সব ব্লগারের লেখাই আমি পড়ার চেষ্টা করি, বিশেষতঃ যাদের মতামত বাংলাদেশের মিডিয়া তুলে ধরে না। আমি আপনার মিছিলে সামিল হতে পেরে আনন্দিত ও গর্বিত। ভাল থাকুন। শুভেচ্ছান্তে- জহিরুল চৌধুরী 

7
andalib masud
Wed, 22/12/2010 - 10:12am

In the TV of the airport all the channels like BBC,CNN,all Bangladeshi, Indians, Chinese etc are available and the remote is placed near each TV.  What can you do if passengers like to watch the Indian channels. I think we should try to improve the quality of our TV programme. If the quality is improved than passengers will automaticaly watch our own programme. Frankly speaking we have failed miserably to attract the viewers by the quality of our programme. Seventy percent of our telecast is coverd by commercial advertisement. So if the viewers are interested to watch other channels you cannot blame them. Will it be wise and nice to restrict only Indian TV channels in todays free market and will it be workable ?

8
AGC
Tue, 21/12/2010 - 4:28am

Is there any one is brave enough to explain what are Mozib and Zia Adarshay?

9
nasim.mahmud
nasim.mahmud's picture
Mon, 20/12/2010 - 10:17pm
কোথায় কি হচ্ছে তা কে দেখবে? এয়ারপোর্টে হিন্দি টিভি কেন? আর তা কেনই বা একজন যাত্রীকে দেখতে হবে? পুরা এয়ারপোর্টে কি কোন শিক্ষিত লোক চাকরী করে না যার বিচার বুদ্ধি আছে?!

 
10
shomudro
Mon, 20/12/2010 - 12:38pm

অনেকদিন পর প্রিয়তে লগিন করলাম।কিছুদিন আগে আমিও দেশ থেকে বেড়িয়ে এলাম।?কিছু খন্ড খন্ড অভিজ্ঞতা তুলে ধরলাম নীচে।

বিদেশ থেকে দেশে গিয়ে প্রথমেই যে বাধার সম্মুখীন হতে হয়, তা হল ভয়ানক জানজট।বিদেশের জানজটবিহীন রাস্তায় সদা চলমান যানবহনে চড়ে অভ্যস্ত বাঙ্গালী হঠাৎ করে যখন তীব্র যানজটের মুখোমুখি হয়, সেটা যে কি ভয়ঙ্কর এক অভিজ্ঞতা ,তা আর বলার নয়।জামে পড়লে বিমানবন্দর থেকে মুল ঢাকায় পৌছুতে সময় লাগে প্রায় দুই ঘন্টা,যা মুলত আধা ঘন্টার পথ। তারপরো সকল কষ্টের অবসান ঘটে ,আপন জনের দেখা পেয়ে।সেই আনন্দের সামনে সকল কষ্টই তুচ্ছ হয়ে যায়।

এক বছর পর দেশে গিয়ে অনেক পরিবর্তন টের পেলাম। মুল পরিবর্তনটা এনেছে মুলত ডেভেলপাররা। সুন্দর সুন্দর সব সুইচ্চ বিল্ডিং গড়ে উঠেছে শহড়ময়। রিয়েল এস্টেট এর পক্ষে ,বিপক্ষে প্রচুর কথা থাকলেও আজ এর কিছু পজিটিভ দিক নিয়ে লিখছি। আমাদের দেশে জমির মালিকেরা রাজউকের নিয়মনীতি মেনে রাস্তার জন্য প্রয়োজনীয় জায়গাতো ছাড়েই না বরং রাস্তারো কিছু অংশ দখল করে পাচিল তুলে, পাচিল ঘেষে বাড়ি তুলে। যে কারনে পাড়ায় পাড়ায় ,গলিগুলো হয় অত্যন্ত সংকীর্ন। ঢাকা শহড়ের যে কোন গলিতে জানজট একটি নিয়মিত সমস্যা। কিন্তু ডেভেলপাররা আজকাল বেশ কয়েকটি জমি একসাথে নিয়ে উচু বিল্ডিং গড়ছে, নীচে চারপাশে প্রচুর জায়গা ছেড়ে। ডেভেলপারদের বেলায় রাজউক নাকি বেশ স্ট্রিক্ট। যে কারনে রাস্তার পরিসর বাড়ছে। মডার্ন আর্কিটেকচার ডিজাইনের কল্যানে অল্প পরিসরেও গড়ে উঠছে, ছোট ছোট সুন্দর ফ্ল্যাট। দুটো ফ্লাইওভারো নাকি তৈরী হচ্ছে, যা নাকি জানজট নিরসনে বিড়াট ভুমিকা রাখবে। কিন্তু আদৌ জানজট কমবে কি? যানজট নিরসনে প্রথমেই প্রয়োজন সুনির্দিষ্ট ট্রাফিক আইন প্রনয়ন। রাস্তায় আইন শৃংখলা প্রতিষ্ঠিত না হলে ফ্লাইওভার বানালেই বা কি,সাবওয়ে বানালেই বা কি!

কিছুদিন আগে পত্রিকায় দেখলাম, আমাদের দেশে সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত সেক্টর নাকি পুলিশ বিভাগ। সুন্দর সুন্দর ফ্ল্যটে বসবাস্কারীদের জীবনের নিরাপত্তা নেই, সন্তানের নিরাপত্তা নেই,সম্পদের নিরাপত্তা নেই। হড়তালের আগেরদিনে এক আত্মীয়র গাড়িতে, পথিমধ্যে একদল সন্ত্রাসীর মুখোমুখি  হই। গাড়ীর চারপাশ ঘিরে ধরে একটা ঝগড়া বাধানোর চেষ্টায় লিপ্ত হয় তারা। উদ্দেশ্য অত্যন্ত পরিস্কার।অনেক অনুনয় বিনয় করে মুক্তি পাওয়া গেলেও পরদিন পত্রিকায় দেখি সেই একই জায়গায় এক ট্যক্সি ক্যাবে আগুন ধরানো হয়েছে। পত্রিকায় আরো দেখলাম বাসে নাকি যাত্রী সেজে উঠে ,আগুন ধরানো হয়।দুই সন্ত্রাসী দল আওয়ামিলীগ ও বিএনপির ক্ষমতার লড়াইয়ে প্রতিনিয়ত বলি হচ্ছে  এদেশের সাধারন মানুষেরা।অনিয়ম ,বিশৃংখলা,শোষনের যাতাকলে পিষ্ঠ মানুষ এখন সরকার,বিরোধদলের  নাম শুনলেও রাগে ঝামটে উঠে।কিন্তু এদের হাত থেকে পরিত্রানের উপায় কারো জানা নেই। এত কিছুর মধ্যেও কারো মাঝেই দেশপ্রেমের কমতি দেখি না। চেনা জানা প্রচুর মানুষের দেখা পাই যারা, বিদেশের চাকচিক্যময় জীবন ছেড়ে , দেশে ফিরে এসেছে। আসলে প্রতিটা মানুষের মাঝেই নিজ দেশে, নিজ মাটিতে , নিজের আপজনের মাঝে বাস করার একটা তীব্র আকাঙখা রয়েছে। প্রবাস ভাল চাকরি, স্বাছন্দ, নিরাপত্তা দিয়েও সে আকাঙখা দমাতে পারে না। পরিবেশ পরিস্থিতির কারনে প্রবাসে থাকতে বাধ্য হলেও মাঝেই মাঝেই দেশে ফেরার আকাঙখা তীব্র হয়ে ওঠে। কতদিন তা দমিয়ে রাখা যাবে কে জানে!