Rita Roy Mithu's picture

অপমানের ক্ষত শুকোলেই আবার ব্লগে লিখবো!

না-দেখা একটি মেয়ে, নাম দিলাম 'আফসানা', থাকে আমেরিকার কোন একটি স্টেটে, তিন বছর হলো, এদেশে এসেছে। তরুণ স্বামীর সাথে সু-সম্পর্ক বজায় রাখবে বলে মেয়েটি ধনুক ভাঙ্গা পণ করেছে। তাই স্বামী যেভাবে বলে, আফসানা সেভাবেই চলতে পছন্দ করে। স্বামী চায় না আফসানা 'ফেসবুক' করুক, আফসানা ফেসবুক করেনা। স্বামী চায় না তার লক্ষ্মী বৌটা বাঙ্গালীদের সাথে মেলামেশা করুক, আফসানা কারো সাথে মেলামেশা করেনা। স্বামী সুযোগ পেলেই আফসানাকে নিয়ে বেড়াতে যায়, রেস্টুরেন্টে খায়, একসাথে

WatchDog's picture

একজন ইরাক ফেরত মার্কিন সৈনিকের গল্প। WD

 photo 10-5_zpse421440e.jpg
প্রকৃতিতে এখন পরিবর্তনের পালা। ফুলে ফলে ভরে গেছে চারদিক। সাথে বসন্তের মৃদুমন্দ সমীরণ সবকিছুতে এনে দিয়েছে কাব্যিক পরিবর্তন। শহরের প্রান্তসীমায় রাজত্ব করা সান্দিয়া পাহাড়ের চুড়গুলো হতে অমল ধবল বরফ মালাও বিদায় নিয়েছে নীরবে নিঃশব্দে। এক কথায়, শীতের খোলস হতে বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে বসুন্ধরা। আমেরিকার বন্য পশ্চিমে এ পরিবর্তন শুধু মনে নয়, শরীর মন দুটোই ছুঁয়ে যায়।

Md. Ruhul Amin's picture

কবিতা

নিঃসঙ্গ সময়
--------- মোঃ রুহুল আমীন ।

নিঃসঙ্গ কে - সময়, না আমি,
বুঝিনা তা ।
সময় আসে, যায় ফিরে;
তারে হয়না কিছু বলা,
হয়না কোন কথা তার সাথে ।
প্রলম্বিত অলস প্রহর
আমারে টানেনা কাছে আর ।
ভাবনা বিভোর অচেতন মনে

syed shah salim ahmed's picture

লন্ডন সফরে ডঃ মোহাম্মাদ ইউনূস ও ডঃ কামাল হোসেন-বাঙালির লাল সবুঝের পতাকা নবরূপে উড়ালেন

লন্ডন সফর করে গেলেন ডঃ মোহাম্মদ ইউনূস ও ডঃ কামাল হোসেন
যেন বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকা পত পত করে আরেকবার উড়ালেন লন্ডনে
সৈয়দ শাহ সেলিম আহমেদ

অতি সম্প্রতি বাংলাদেশের খ্যাতনামা আন্তর্জাতিক দুই ব্যক্তিত্ব ব্রিটেন সফর করে গেলেন। একজন গ্রামীণ ব্যাংকের প্রাক্তন এমডি, অর্থনীতিবিদ, নোবেল লরিয়েট ডঃ মোহাম্মদ ইউনূস, অপরজন হলেন সংবিধান বিশেষজ্ঞ, রাজনীতিবিদ, স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধানের প্রণেতা ডঃ কামাল হোসেন।

Swadesh.Roy's picture

১৫ সম্পাদকের মাহমুদুর রহমানের পক্ষ নেয়া

দেশের নতুন প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় শাহবাগকে কেন্দ্র করে একত্র হবার পর বাংলাদেশের সমগ্র সমাজ ও রাজনৈতিক জীবনে অনেক বিস্ময়কর ঘটনা ঘটতে শুরু করেছে। দৃশ্যত মনে হতে পারে এটা বিস্ময়কর, কিন্তু বাস্তবে এটাই স্বাভাবিক। কারণ ১৯৭৫-এর পনেরো আগস্টের পর থেকে আপোসকামী এবং স্বাধীনতাবিরোধীদের দাপটে যে নষ্ট সমাজ গড়ে উঠেছে এ দেশে, শাহবাগই প্রথম তাকে চ্যালেঞ্জ করেছে। তাই স্বাভাবিকভাবেই এখন এ সমাজে অনেক কিছু ঘটবে। যার কোন কিছুতেই বিস্মিত হবার কোন কারণ নেই। বরং শুধু এখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কঠিন নিক্তিতে ফেলে পরিমাপ করতে হবে কোনটি সঠিক আর কোনটি সঠিক নয়।

Ranjit.Biswas's picture

চোখের জলের সীমা

জাকির চলে গেছে আজ চারদিন। একটা বর্ণও তাকে নিয়ে লিখিনি এখনও। এক ফোঁটা জলও তার জন্য খরচ করিনি এখনও। আমার অক্ষমতা, সময়মত আমি কাঁদতে পারি না। বন্ধুদের কাছে এই কথাগুলো বলছিলাম সেদিন, যেদিন সে মারা গেল। ঢাকায় ইউনাইটেড হাসপাতালে।

Farhad.Mahmud's picture

রাজনীতিতে অশুভ শক্তির ছায়া

দেশে সংঘাতের যে রাজনীতি শুরু হয়েছে, তাতে দেশের মানুষ খুবই দুশ্চিন্তাগ্রস্ত। রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে মানুষ মারা যাচ্ছে। কখনো পুলিশের গুলিতে, কখনো বিএনপি-জামায়াত-শিবিরের হামলায়। সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর ও মন্দিরে আগুন দেওয়া হচ্ছে। হরতালের নামে চলছে বেপরোয়া গাড়ি ভাঙচুর ও অগি্নসংযোগ। সরকারি স্থাপনা, রেলগাড়ি, রেললাইন কিছুই বাদ যাচ্ছে না হিংসার এই অনল থেকে। এ অবস্থায় সারা দেশের মানুষ চরম উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। অর্থনৈতিকভাবেও দেশ বিপুল ক্ষয়ক্ষতির মুখোমুখি হচ্ছে।

Ahmed.Rafiq's picture

পোশাকশিল্পে ট্র্যাজেডি : জরুরি উত্তরপর্বের ব্যবস্থাপনা

ইচ্ছা ছিল বহির্বিশ্বের সমস্যা, বিশেষ করে সিরিয়া নিয়ে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির নগ্ন উন্মাদনা প্রসঙ্গে কিছু লেখা। কারণ অনেক। সবচেয়ে গুরুতর কারণ আপাত-বিভাজিত বিশ্বে এতটা অন্যায় কথিত-সমাজবাদী ও গণতন্ত্রীরা নির্বিবাদে হজম করছে। কিন্তু আমাদের ঘরের সমস্যাই তো পিছু ছাড়ছে না। একের পর এক ঘটনা ঘটেই চলেছে। একদিকে হেফাজতিদের তাণ্ডবের জের ও রাজনৈতিক নৈরাজ্য, অন্যদিকে আশুলিয়ার পর সাভার ট্র্যাজেডি ও তার উত্তরপর্বের সমস্যা।

Abu.Sayeed.Khan's picture

শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে মনস্তত্ত্বই বড় বাধা

পার্বত্য চট্টগ্রামে গেলে প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যে বিমোহিত হই। চেনা-অচেনা চাকমা-মারমা-ত্রিপুরা-মুরংসহ বিভিন্ন জাতিসত্তার নর-নারীর আন্তরিকতায় মুগ্ধ হই, সে সঙ্গে কিছু অতীত স্মৃতি আমাকে ব্যথিত করে, ক্ষুব্ধ করে। গত ২১ মে রাঙামাটিতে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের দুই যুগ পূর্তি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে অতীতের অনেক ঘটনা আমাকে নতুন করে বেদনাপ্লুত করেছে।

Anu.Muhammad's picture

জিএসপি, টিকফা ও গার্মেন্টস

তাজরীন ফ্যাশনসে অগ্নিকাণ্ডে শতাধিক শ্রমিক আগুনে পুড়ে ছাই হওয়ার পর বাংলাদেশের গার্মেন্টস, বিশেষত এখানকার শ্রমিকদের জীবন ও কাজের নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্বব্যাপী আলোচনা-সমালোচনা অনেক বৃদ্ধি পায়। এ ঘটনার পাঁচ মাসের মাথায়ই বিশ্বের ইতিহাসে গার্মেন্টস কারখানার সবচেয়ে ভয়ংকর বিপর্যয় যে বাংলাদেশেই ঘটবে, এটা কেউ দুঃস্বপ্নেও ভাবতে পারেনি। কেননা, সবারই ধারণা ছিল, তাজরীনের পর সরকার, বিজিএমইএ, মালিক, বায়ার ও ব্র্যান্ড—সবারই সতর্কতা তৈরি হবে।

Syndicate content