বাংলাদেশ থেকে বছরে ৩২ হাজার ছাত্রছাত্রী আমেরিকায় লেখাপড়ার সুযোগ পাবে!

অসুস্থ্য শরীর নিয়ে এই প্রথম কোনও মিটিং-এ গেলাম। যাওয়ার কথা ছিল না। শরীর এখন এতই দূর্বল যে বসে বসে যে লিখবো, সেটাও পারছি না। চেষ্টা করছিলাম কিছু কিছু লেখার। কিন্তু বেশি দূর এগুনো যায় না। একটি সামান্য ব্যাক্টেরিয়ার কাছে এভাবে পরাজিত হয়ে যাবো, মানতে কষ্ট হচ্ছে। কিন্তু কী আর করা!

ড্যান মজিনা। বাংলাদেশে নিযুক্ত আমেরিকার রাস্ট্রদূত। বেচারা আমরা যতটা না বাংলাদেশকে ভালোবাসি, বোধ করি সে তার থেকে অনেক বেশি ভালোবাসে এই দেশকে। ইতোমধ্যেই ৬৪টি জেলার ৬১টি ভ্রমন করে ফেলেছেন। বাংলাদেশে তার চাকরীর মেয়াদ শেষ। যে কোনও দিন চলে যাবেন। যাওয়ার আগে ইচ্ছে হলো বাকি ৩টি জেলাও দেখে যাওয়া। আমি জানিনা, কতজন বাংলাদেশী ৬৪টি জেলায় গিয়েছেন!

Ikteder.Ahmed's picture

পাকিস্তানের স্থিতিশীলতা বিপন্নে দায় কার

যে কোনো দেশের স্থিতিশীলতার জন্য গণতন্ত্র অপরিহার্য। গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় জনমতের প্রতিফলনে সরকার পরিচালিত হয়। গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনই হলো সরকার পরিবর্তনের একমাত্র পন্থা। গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা অনুসৃত হয় এমন দেশে নির্বাচনের নিরপেক্ষতা ক্ষুণ্ন হলে তা দেশের স্থিতিশীলতার পথে বাধা হিসেবে দেখা দেয়।
গণতন্ত্র
১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ বিভাজনের আগে ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ শাসকরা প্রায় ২০০ বছর এ অঞ্চলের শাসনক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিল। এর আগে প্রায় ৬০০ বছর ভারতবর্ষ বিভিন্ন মুসলিম শাসক দ্বারা শাসিত হয়েছিল। ভারতবর্ষে এক হাজার বছরের অধিককাল আগে মুসলমানদের আগমন শুরু হয়। এ অঞ্চলে মুসলমান ও হিন্দু সম্প্রদায় দীর্ঘকাল সৌহার্দ ও সম্প্রীতির মধ্যে বসবাস করে আসছিল।

syed shah salim ahmed's picture

নানা তুমি বড় দুষ্টু

আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি- ছোট বেলা থেকে স্কুলে যাওয়া আসা যখন শুরু করি, তখন একুশে ফেব্রুয়ারি এলে এই গানটি বড় দরদ দিয়ে ছাত্র ছাত্রী ছেলে বুড়ো আর রেডিও টিভিতে গাওয়া হতো। তখন থেকেই বলা যায় নানা তোমার সাথে এই গানের মাধ্যমে এক ধরনের আত্মিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। এর পর আস্তে আস্তে যখন বেড়ে ওঠা তখন তোমার লেখার সাথে আরো পরিচিত হয়ে ওঠা।

Golam.Mortoza's picture

ঢাকা নিয়ে রঙ্গ রসিকতা

১. নির্বাচন দিলে আবারও বিএনপি প্রার্থী সাদেক হোসেন খোকার বা অন্য কারও জেতার সম্ভাবনা, পরাজয়ের সম্ভাবনা আওয়ামী লীগ প্রার্থীর। আবার মেয়রের মেয়াদও উত্তীর্ণ হয়ে গেছে আগেই। খোকাকে সরানোও দরকার। সুতরাং দুই ভাগ কর ঢাকা। যুক্তি কি? ঢাকা শহর অনেক বড় হয়ে গেছে। একজন মেয়র দিয়ে চলবে না। পৃথিবীতে ঢাকা শহরের চেয়ে অনেক অনেক বড় শহরেরও মেয়র একজন!
golam mortoza
২. দুই ভাগ করা হলো। তাতেও আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা জিতবে, নিশ্চয়তা তো নেই বরং পরাজয়ের প্রায় নিশ্চিত নিশ্চয়তা বিরাজমান। সুতরাং নির্বাচন বন্ধ। সেই পুরনো কৌশলের প্রয়োগ, সীমানা বিরোধ, মামলা। দুই ভাগে দু’জন প্রশাসক নিয়োগ। প্রশাসক বদল হচ্ছে, মেয়াদ বাড়ছে। নির্বাচনের খবর নেই, বিজয়ের নিশ্চয়তা না থাকায়। একদিকে মুখে অনির্বাচিতদের বিরুদ্ধে জেহাদ, অন্যদিকে অনির্বাচিতদের হাতে রাজধানী ঢাকার দায়িত্ব!

Abdul.Gaffar.Chowdhury's picture

ভাসানী থেকে হাসিনা:আওয়ামী লীগ রাজনীতির চার অধ্যায়

সম্প্রতি আমি একটি মজার প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছিলাম। প্রশ্নটা করেছিলেন এক বিদেশি সাংবাদিক বন্ধু। তিনি বলেছেন, 'ইংরেজের জাতীয় চরিত্রের সবচেয়ে বেশি প্রতিফলন ঘটে কনজারভেটিভ বা রক্ষণশীল দলের মধ্যে। ইংরেজ চরিত্রের রক্ষণশীলতা আধিপত্য লিপ্সা এবং সহিষ্ণু সামাজিকতার সবচেয়ে বেশি প্রকাশ ঘটেছে কনজারভেটিভ দলের মধ্যে। এ জন্য বহু বিবর্তনের মধ্য দিয়েও ব্রিটেনের দুটি প্রধান দলের একটি হয়ে কনজারভেটিভ পার্টি এখনও টিকে আছে।' এই বক্তব্যটি আমাকে জানানোর পর বিদেশি বন্ধুর প্রশ্ন ছিল, বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি_ কোন দলটির মধ্যে বাংলাদেশের মানুষের রাজনৈতিক ও সামাজিক চরিত্র এবং তার বিবর্তনের সবচেয়ে বেশি প্রতিফলন ঘটেছে?
awami league
প্রশ্নটির জবাব দিতে আমাকে ভাবতে হয়নি। তাকে বলেছি, আওয়ামী লীগের মধ্যে। এই দলটির মধ্যে বাঙালি চরিত্রের পতন, উত্থান, আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক বিবর্তনের একটি ধারাবাহিকতা পাবেন। বাংলাদেশের মানুষের সামাজিক চাহিদা ও রাজনৈতিক প্রয়োজন থেকে আওয়ামী লীগের জন্ম। 'পান-বিড়িওয়ালাদের পার্টি' (রেহমান সোবহানের ভাষায়) থেকে আজ বাংলাদেশি নব্য বুর্জোয়াদের দল হিসেবে আওয়ামী লীগ তাই গড়ে উঠতে পেরেছে।

Hasim.Ahmed's picture

অধ্যাপক জাফর স্যারের 'দুঃখের গল্প গাঁথা' এবং একটি অপ্রিয় সত্য কথা

খ্যাতিমান অধ্যাপক এবং প্রভাবশালী বুদ্ধিজীবী জাফর ইকবাল স্যার আমাদের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে একটি দুঃখের গল্প লিখেছেন। গল্পটি আজ কয়েকটি পত্রিকায় একযোগে প্রকাশিত হয়েছে । অত্যন্ত সময়োপযোগি এই গল্পটি নিঃসন্দেহে সচেতন মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যাবে । আমিও এর ব্যাতিক্রম ছিলামনা । যেকোন কষ্টকথা কিংবা দুঃখ-বেদনার গল্প মানবিক বোধ সম্পন্ন মানুষের বিবেককে নাড়া দেয়। ব্যতিক্রম হতে পারে কেবল অমানবিক কিংবা বর্বর শ্রেণীর মনুষ্যজীব । এই দেশের সিংহভাগ মানুষ এই রকম নয়। তারা মানবিক । তাদের বড় বড় ঘর-বাড়ি না থাকলেও বড় একটা হৃদয় আছে।
jafor iqbal
স্যারের গল্পে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে বর্তমান সরকারের ছল-চাতুরির অনেকটাই ফুটে উঠেছে । বিশেষকরে, প্রশ্নফাঁস ও পাশের হার বৃদ্ধি নিয়ে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি । কিন্তু,শুরুর দিকে প্রশ্নফাঁস নিয়ে যখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছিল তখন অধ্যাপক জাফর ইকবাল স্যারদের মত সমাজের মহা মনিষিরা এইসব কে গুজব এবং সরকারের সবচেয়ে সফল (?) মন্ত্রণালয়ের বিরুদ্ধে অপপ্রচার হিসাবে দেখেছেন ।

M.Sarwar.Hosain's picture

সিঙ্গাপুর ভ্রমণের অভিজ্ঞতা ও শিক্ষার কথা

২০০১ইং সালের প্রথম দিকে সিঙ্গাপুরে অবস্থিত অামেরিকান একটি কোম্পানি, এয়ারব্রন এক্সপ্রেসের সাথে ব্যবসা চুক্তিপত্র স্বাক্ষর করার উদ্দেশ্যে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে সিঙ্গাপুর এয়ারপোর্টে নামি। খুব ভোরবেলা, অনেক ক্লান্ত লাগছিল, ফ্লাইট থেকে নামার পর হাটতে পারছিলাম না, উপায় নেই তবু হাটতে হচ্ছে, হাটতে হাটতে ইমিগ্রেশনে ভিসাএন্ট্রির জন্য সিরিয়ালে দাড়াই, অনেক লম্বা সিরিয়াল, দেখেই অামি অারো ক্লান্তিবোধ করছিলাম।
singapore airport
ইমিগ্রেশনে মোট পাচঁটি ভিসাএন্ট্রি লাইন, সবগুলো দ্রুত এন্ট্রি হচ্ছে, কিন্তু অামাদের ভিসাএন্ট্রি খুব ধীরেধীরে হচ্ছে, অামার মেজাজটা খুব খারাপ হচ্ছে, প্রায় এক ঘন্টা দাড়িয়ে থাকার পর সিরিয়াল পেলাম। একজন সিঙ্গাপুরী মেয়ে বয়স বিশ বা বাইশ হবে, প্যান্ট শার্ট পরা, ইমিগ্রেশন টেবিলে বসা, দেখতে অনেক সুন্দর, হাসি দিয়ে পাসপোর্টটি গ্রহণ করলেন, বললেন দুঃখিত লেইট হওয়ার জন্য, অামি বললাম নো থ্যাংকস। একটি ইন্ডিয়ান মেয়ে এসে ইমিগ্রেশন টেবিলের পাশে দাড়ালেন, দেখতে কাল, অসুন্দর, অানস্মার্ট, সালোয়ারকামিজ পরা, দেখতে অনেকটা বাংঙ্গালী মেয়ের মত, বয়স মনে হল তেইশ বা চব্বিশ।

Peer.Habibur.Rahman's picture

হাইব্রিড হটাও আওয়ামী লীগ বাঁচাও

১. রাজনৈতিক কলামে অতীত ঐতিহ্যের উদাহরণ টানতে গিয়ে আমি মেঘালয়ের কোলঘেঁষা গারো পাহাড়ের পাদদেশে ঠাঁই পাওয়া সীমান্ত জেলা ভাটির দুর্গখ্যাত হাওরের রাজধানী জলজোছনার সুনামগঞ্জকেই টেনে আনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতারা জননেতা আবদুজ জহুরকে খুব ভালো করে চেনেন। বাংলাদেশের তৃণমূল বিস্তৃত ঐতিহ্যবাহী ও এককালের গণমুখী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের একজন ব্র্যান্ডেড নির্লোভ, নিরহঙ্কারী সাদামাটা জীবনের পোড় খাওয়া রাজনীতিবিদের মডেল ছিলেন। ছাত্রজীবন থেকে মানুষের কল্যাণে আদর্শবোধ নিয়ে রাজনীতির যে পথ নিয়েছিলেন সেখান থেকে আমৃত্যু বিচ্যুত হননি। দলের প্রতি, নেতৃত্বের প্রতি যেমন ছিল তার নিঃশর্ত আনুগত্য, তেমনি ছিল কর্মী দরদি এক অসাধারণ সংগঠকের হৃদয়।
peer habibur rahman
শিক্ষিত মানুষটি আইন পেশায়ও জড়াননি। কিছু দিন শিক্ষকতা করলেও জমি বিক্রি করে পুরো জীবন ফুলটাইম রাজনীতি করেছেন। পরিবারকে রাজনীতির জন্য বারবার অনিশ্চয়তা, টানাপড়েনের দিকে ঠেলে দিলেও লোভ-লালসা তাকে স্পর্শ করতে কেউ দেখেনি। পরিবারকেও সেভাবেই তৈরি করেছিলেন। ’৭৫ উত্তরকালসহ বার বার দীর্ঘ সময় জেল খেটেছেন আর তার আটপৌরে স্ত্রী, ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের নিয়ে অভাব-অনটনের বেদনা মুখ বুজে সয়ে সংসারের হাল ধরেছেন। কর্মীদের হাসিমুখে খাইয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধের অনন্য সাধারণ এই সংগঠক আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক থেকে আমৃত্যু জেলা সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন নিষ্ঠার সঙ্গে। ’৭০ থেকে ’৯১ সাল পর্যন্ত বার বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

মামলার গতি জোরদার করা সঙ্কট উত্তরণের পথ নয়

সেদিন বিএনপির এক কেন্দ্রীয় নেতার সঙ্গে হঠাৎই দেখা। জানতে চাইলাম, কেমন আছেন? বললেন, আর কেমন! এই তো কোর্ট থেকে হাজিরা দিয়ে এলাম। এখন প্রায় প্রতিদিনই কোর্টে দৌঁড়াদৌঁড়ি করতে হচ্ছে। এরপর পকেট থেকে একটা ফর্দ বের করলেন। বললেন, এই দেখেন তালিকা। এ মাসে কোন কোন দিন হাজিরা দিতে হবে তার তালিকা। উকিল এ তালিকা করে দিয়েছেন যাতে কোনো কারণে কোনো মামলায় গরহাজির না থাকি। জিজ্ঞেস করলাম, আপনার বিরুদ্ধে কতটা মামলা আছে? তিনি তাৎক্ষনিকভাবে সঠিক সংখ্যা বলতে পারলেন না।
court
বিএনপির শীর্ষ, মাঝারি ও তৃণমূল পর্যায়ের প্রায় সব নেতার বিরুদ্ধেই এরকম অনেক মামলা রয়েছে। এসব মামলা একযোগে সক্রিয় হওয়ায় তারা এক রকম ব্যস্ত ও বিব্রতকর অবস্থায় রয়েছেন। কোর্টে হাজিরা ও মামলা মোকাবিলার কাজে তাদের অধিক সময় ব্যয় করতে হচ্ছে। বিএনপির ওই কেন্দ্রীয় নেতার কাছে জানতে চাইলাম, আন্দোলনের খবর কি? বললেন, আন্দোলন ঠেকাতেই তো এই ব্যবস্থা। আন্দোলনের ঘোষণা দেয়ার পর থেকেই যার বিরুদ্ধে যত মামলা ছিল সক্রিয় করা হয়েছে।

Kader.Siddique's picture

কে কুলাঙ্গার, তুমি না আমি?

গত পর্ব পরে পত্রিকা অফিসে কতজন যোগাযোগ করেছে জানি না, তবে অসংখ্য পাঠক ফোন করেছেন। যাতে অন্যান্য কাজ করা মুশকিল হয়ে পড়ে। মুক্তিযোদ্ধাদের দুরবস্থায় তারা খুবই শঙ্কিত, ব্যথিত, মর্মাহত। বিশেষ করে এক শ্রেণীর পাঠক ফোন করে বলছিলেন, আরেকটু লিখে প্রসঙ্গটা শেষ করে ফেললে আরো মজা পাওয়া যেত। ওই ধরনের পাঠক বন্ধুদের কী বলি? মজা কাকে বলে জীবনে কখনো খুঁজে দেখার সুযোগ পাইনি। শত কষ্টে জীবনটা মোটামুটি স্বস্তি আর আনন্দেই কাটিয়েছি। আইয়ুব, মোনায়েম আমাদের সোজা করতে বারবার জেলে পাঠাতেন। কিন্তু আমরা তেমন একটা সোজা হতাম না। আমরা আমাদের মতোই থাকতাম।
kader siddque
আমাদের মতো থেকে আমরা আইয়ুব খানকে তাড়িয়েছি। ইয়াহিয়া ট্যাংক কামান বন্দুক নিয়ে এসে রক্তের গঙ্গা বইয়ে আমাদের দমাতে পারেনি। আমরা তার ট্যাংক কামান গুঁড়িয়ে হাতে ধরিয়ে দিয়েছিলাম। সেদিন জনাব মায়াও বলেছেন, বিরোধীদের পা গুঁড়িয়ে হাতে ধরিয়ে দেবেন। চাঁদপুর মতলবের মানুষ দিতেও পারেন। ভাগ্য সুপ্রসন্ন তাই করে কেটে খেয়ে গেলেন। মুক্তিযুদ্ধের পরে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে টাকাসহ গ্রেফতার করে শাহবাগে বেতার ভবনে আটকে রাখা হয়েছিল। দেশ স্বাধীন হয়েছে ঢাকার একজন মুক্তিযোদ্ধা অনেকের অনুরোধে মুক্তি পেয়েছিল।

Syndicate content